Feature Img

asif-ahmedআমাদের নদীগুলো নানা বাঁকে চলে, যা মানেনা কোন আঞ্চলিক কিংবা দেশীয় সীমারেখা। আর শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানির প্রাপ্যতা যে কমে যায় সেটাও অবচেতন মনে আমরা স্বাভাবিক বলেই মেনে নিয়েছি। কিন্তু এই কমে যাওয়া যখন ‘একেবারেই’ কমে যাওয়ার দিকে ত্বরান্বিত হয় তখনই বোধ করি পানিসম্পদ কৌশলীদের কপালে অনেকগুলো ভাঁজ দেখা যায়।

যেহেতু নদী কোন দেশীয় সীমারেখা মানে না, এজন্য উজানের কোন দেশের একচ্ছত্রভাবে কিছু করা ঠিক নৈতিকতার পর্যায়ে পড়েনা। ধরা যাক ভারতের টিপাইমুখ প্রকল্পের কথা, যেহেতু বরাক নদীর ভাটিতে আমাদের দেশ, তাই ভারত উজানে কোন স্থাপনা করলে আমাদের পানির প্রাপ্যতা কমে যাবে বা বছরের বিভিন্ন সময়ে পানির প্রবাহ পরিবর্তিত হবে। বাংলাদেশ ভারতের ভাটিতে অবস্থিত বলে যেমন ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ, তিস্তা ব্যারেজ, আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প, টিপাইমুখ বাঁধ ইত্যাদি আমাদের জন্য হুমকিস্বরুপ তেমনি ভারতের উজানে চীন অবস্থিত বলে ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকায় চীন বাঁধ দিলে সেটাও ভারতের জন্য হুমকিস্বরুপ [১]। অথচ এরকম ঘটনা শুধু আমাদের বাংলাদেশ, ভারত, চীনে না, বরং ঘটছে সারা বিশ্বে। সব জায়গাতেই মোটামুটি একই সারসংক্ষেপঃ ভাটিতে অবস্থিত দেশের মতামত না নিয়ে/অগ্রাহ্য করে উজানের দেশের স্থাপনা (বিশেষ করে বাঁধ)নির্মাণ।

নদী যেহেতু কোন সীমারেখা মেনে চলে না, তাই নদীর অববাহিকায় কোনকিছু নির্মাণ করতে গেলে সংশ্লিষ্ট সব দেশের সাথে পরামর্শ করে এবং যৌথ ভিত্তিতে সেই অবকাঠামোর পরিবেশগত প্রতিক্রিয়া বৈজ্ঞানিক নীরিক্ষা করে তবেই কোন সিদ্ধান নিতে হয়। এজন্যই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আছে অভিন্ন নদী কমিশন যেমনটি বাংলাদেশ-ভারতের ক্ষেত্রে যুক্ত নদী কমিশন বা Joint River Commission (JRC)। এ কিন্তু বাস্তবিকভাবে এই জাতীয় অভিন্ন কমিশন সংশ্লিষ্ট দেশের কতটুকু স্বার্থ রক্ষা করতে পারছে সেই বিষয়েই আলোকপাত থাকবে এই লেখাতে। উদাহরণ হিসেবে এই লেখাতে বেছে নেয়া হয়েছে এশিয়ার বিখ্যাত ‘মেকং নদী কমিশন’কে।

মেকং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের ১২তম বৃহত্তম নদী এবং এশিয়ায় ৭ম বৃহত্তম। চীনে উৎপত্তি হয়ে এটি ৪৩৫০ কিলোমিটার জুড়ে মায়ানমার, লাওস, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনামের উপর দিয়ে বয়ে গেছে। যেহেতু নদীটি অনেক দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত একটি অভিন্ন নদী, তাই এই নদী নিয়ে একটি কমিশন গঠন সেখানে আবশ্যিকতার পর্যায়ে ছিল। ১৯৫৭ সালে গঠিত মেকং কমিটি, পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন মেকং কমিটি পেরিয়ে ১৯৯৫ সালে গঠিত হলো ‘মেকং নদী কমিশন’। উদ্দেশ্য আর আট-দশটা অভিন্ন নদী কমিশনের মতোই। মেকং নদীর উজানে মায়ানমার ও চীন, অন্যদিকে, ভাটিতে চারটি দেশঃ লাওস, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম। ১৯৯৫ সালে কমিশন গঠন করলেও ১৯৯৬ এ শুধুমাত্র ‘সংলাপ সহযোগী’ হিসেবে যোগ দেয় চীন ও মায়ানমার।

ভিয়েতনামের মেকং নদীর অববাহিকা ।
ভিয়েতনামের মেকং নদীর অববাহিকা ।

১৯৯৫ সালে মেকং কমিশন গঠনের পর বলতে গেলে এটিকে কোন বড় ধরণের পরীক্ষায় পড়তে হয়নি। প্রথম বড় পরীক্ষায় পড়েছে সম্প্রতি লাওসের মেকং নদীতে ‘জায়াবুড়ি বাঁধ’ (Xayaburi Dam) নির্মানকে কেন্দ্র করে। ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই বিশাল বাঁধ নির্মাণ করতে যাচ্ছে লাওস। যেহেতু লাওস সবচেয়ে উজানে আর ভাটিতে পড়েছে কম্বোডিয়া আর ভিয়েতনাম, তাই লাওস বাঁধ নির্মাণ করলে অবধারিতভাবেই পরিবেশগত হুমকির সম্মুখীন হবে এই দুই দেশ। আশ্চর্যজনকভাবে মূল ৪টি দেশের কেউই এই বাঁধ নির্মাণের ব্যাপারে একমত হয়নি তবুও বাঁধ নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেসব আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা মেকং নদী কমিশনের সাথে জড়িত তারাও উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশগত বিপর্যয়ের ব্যাপারে। আন্তর্জাতিক নদী এনজিওর (১৯৮৫ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নদী রক্ষায় সচেতনতা এমনকী আইনগত সহায়তা দিয়ে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি)[২]দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক নীতি সমন্বয়ক কার্ক হারবার্টসনের মতে, ‘জায়াবুড়ি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার ছিলো কারণ এটি কমিশনের জন্য প্রথম বড় ধরণের পরীক্ষা ছিলো আর এতেই একটা বড়সড় ধাক্কা খেলো কমিশন [৩]।’

এবারে একটু পেছন ফিরে দেখা যাক। কমিশন গঠনের প্রথম এক দশক এটি পরিবেশ সংক্রান্ত সূচকের প্রচুর ডাটা সংগ্রহ করে, বিশেষ করে মৎসসম্পদ সংক্রান্ত, কারণ মেকং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মৎসসম্পদের আধার যার মাধ্যমে এই অঞ্চলের ৬ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়। ২০০৬ সালে চীন, রাশিয়া এবং অন্যান্য কিছু দেশের জলবিদ্যুৎ কোম্পানী মেকং এর ভাটিতে ১১টি বাঁধ স্থাপনের জন্য সমীক্ষা করে। তখনই বিভিন্ন এনজিও, বিজ্ঞনীরা এই বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলেন, কারণ আর কিছুই না, মানুষ ও পরিবেশের উপর বাঁধের বিরুপ প্রভাব। এর ফলে প্রায় শ’খানেক মাছের প্রজাতি হুমকীর সম্মুখীন হবে এবং এ অঞ্চলের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার উপর বিরুপ প্রভাব পড়বে। কয়েক বছর সমীক্ষার পর লাওস আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনের কাছে জায়াবুড়ি বাঁধের ব্যাপারটি তোলে ২০১০ এর অক্টোবরে। এক বছর পর কমিশন জানায় এই বাঁধ প্রতি বছর ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্যের মৎসসম্পদ এবং ফসলের ক্ষতি করবে। ২০১১ র ডিসেম্বরে কমিশন লাওসকে ১০ বছরের জন্য এই বাঁধ নির্মাণের কর্মজজ্ঞ স্থগিত করতে বলে। লাওসের শক্তি এবং খনি বিষয়ক উপমন্ত্রী ভিরাফোন ভিভাভং স্বয়ং বলেন যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন এবং সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বয় সাধন হয়নি। কিন্তু লাওস কমিশনের প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে।

এখানে একটি বিষয় আলোচনার দাবী রাখে। যেমনটা দেখছেন মেকং নদীতে, সারা বিশ্বে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি উপায় হিসেবে বেছে নেয়া হয় জলবিদ্যুৎ। জলবিদ্যুৎ বেছে নেয়ার মূল কারণ এটি নবায়নযোগ্য শক্তির বড় উদাহরণ, যদিও জলবিদ্যুৎ বাঁধের ফলে সৃষ্ট জলাধারে জৈব পচনের ফলে মিথেন উৎপন্ন হয় যা কিনা গুরুত্ত্বপূর্ণ একটি গ্রীন হাউস গ্যাস, তবুও এতে কার্বন নিঃসরণ তুলনামূলকভাবে কম। তবে জলবিদ্যুৎ বাঁধের ফলে সৃষ্ট জলাধারের কারণে ভাটিতে পরিবেশ, বাস্তুতন্ত্র ও নদীর মরফোলজির উপরে প্রভাব তীব্র। সেই কারণে বর্তমানে পৃথিবীর অনেক জায়গায় বাঁধ নির্মাণ নয়, বাঁধ অপসারণ করা হচ্ছে [৪]। এবার দৃষ্টি ফেরানো যাক মেকং এর দিকে। ১২৬০ মেগাওয়াটের এই জায়াবুড়ি বাঁধ থেকে লাওসের উত্তরেই মূলত যাবে বিদ্যুৎ। থাইল্যান্ডের কোম্পানী Ch. Karnchang মূলত নির্মাণ করছে এই বাঁধ। এই প্রকল্পে থাইল্যান্ডের কিছুটা লভ্যাংশ থাকবে বলে তারা এর প্রতিবাদ করছে না। তাই স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে এই কমিশনের যৌক্তিকতার। থাইল্যান্ডের পানিসম্পদ বিভাগের মেকং ব্যবস্থাপনার ব্যুরোর পরিচালক পাকাওয়ান চুফামানি কমিশনকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলে আখ্যায়িত করেন। যখন এই তর্ক-বিতর্ক চলছে, এর মধ্যেই কিন্তু এগিয়ে চলছে উজানে বাঁধ দেয়ার কাজ [৩] ।

শুরু করেছিলাম অভিন্ন নদীর প্রশ্নে আঞ্চলিক সহযোগীতা নিয়ে, এবার সেদিকে একটু দৃষ্টি ফেরাই। কিছুদিন আগে আলবার্টার পানিসম্পদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. জাহিদুল ইসলাম তার একটি লেখায় [৫]পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ব্যাপার উল্লেখ করেছেন। লেখক উক্ত লেখায় কানাডার আলবার্টা, সাসকাচোয়ান আর ম্যানিটোবা এ তিন প্রদেশকে নিয়ে গঠিত ‘প্রেইরি প্রভিন্স ওয়াটার বোর্ড’ নামে কানাডার কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার কথা উল্লেখ করেছেন যেখানে আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন চুক্তির নিরূপণ, বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের জন্য এ বোর্ডের কার্যক্রম উল্লেখ করেছেন। তিনি এই লেখায় মেকং নদী কমিশনের মতো বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, চীন, তিব্বত এইসব অঞ্চল নিয়ে একটি আঞ্চলিক বোর্ড গঠনের কথা বলেছেন। মেকং যদি ৬টি দেশ নিয়ে কমিশন গঠন করতে পারে তাহলে আমরা কেন ৪ টি নিয়ে পারবো না? ড. ইসলাম মেকং কমিশনের কথা এজন্যই উদাহরণস্বরুপ এনেছিলেন যে, ‘অববাহিকার পানিচক্র বা হাইড্রোলজিকাল সাইকেলের ভৌত প্রক্রিয়াগুলোকে পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজন একটি কার্যকরী গাণিতিক মডেল। এ মডেল একইসঙ্গে অববাহিকার বর্তমান অবস্থা উপস্থাপন করবে। সে সঙ্গে অববাহিকায় সম্ভাব্য জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সার্বিক পানিসম্পদের উপর এর বিরূপ প্রভাব নিরূপণের জন্য ব্যবহৃত হবে। এরকম একটি গাণিতিক হাইড্রোলজিকাল মডেল তৈরি করতে প্রয়োজন প্রচুর উপাত্তের যার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে আঞ্চলিক সহযোগিতার অভাব। যেহেতু এ অঞ্চলের অববাহিকাগুলোর জন্য আঞ্চলিক কোনো সংস্থা নেই, তাই দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক কোনো উপাত্ত জনসাধারণ তো দূরের কথা, হয়তো সরকারগুলোর কাছেও নেই। অথচ উপাত্তগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত হলে এ অঞ্চলের পানিবিশেষজ্ঞদের গবেষণা এবং সর্বোপরি আঞ্চলিক পানিসম্পদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে তা অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। প্রস্তাবিত আঞ্চলিক পানি বোর্ড গঠিত হলে তা এ অঞ্চলের একটি তথ্য ও উপাত্ত ভান্ডার হিসেবেও কাজ করবে।’

এতটুকু পর্যন্ত মেকং কমিশনও ঠিক ছিলো। কিন্তু গোল বাঁধলো অন্য জায়গায়। মেকং কমিশন আঞ্চলিক তথ্য-উপাত্তের বেশ ভালো ভান্ডার কিন্তু তবুও কমিশনের প্রস্তাবকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে লাওস একতরফাভাবে বাঁধ নির্মাণ করে চলেছে।

সমস্যাটা হলো এই কমিশন সকল তথ্য ভাগাভাগি করলেও দিন শেষে আসল কাজটি করার এখতিয়ার নেই-সেটা হলো ‘নীতি নির্ধারণী ক্ষমতা’ অর্থাৎ কমিশন শুধু বলতেই পারবে এই করলে এই হবে আর ঐ করলে ঐ, কিন্তু দিনশেষে সব দেশই নিজের স্বার্থকে সংরক্ষণের চেষ্টা করবে। তাই, আমাদের দেশের যে ৫৭টি অভিন্ন নদী সংযোগ আছে সেগুলোর কার্যকরী সমস্যা সমাধানে ‘আঞ্চলিক নদী কমিশন’ গঠন অবশ্যই যুগোপযুগী একটি প্রস্তাব তবে সেটা অবশ্যই ‘বিচার মানি, তালগাছ আমার’ টাইপ না হয়ে নীতি নির্ধারণী ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করে হতে হবে নয়তো মেকং এর মতো ‘কাগুজে বাঘ’ হয়ে থাকতে হবে।

আসিফ আহমেদ : প্রভাষক, পুরকৌশল বিভাগ, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ।
(কৃতজ্ঞতাঃ ড. জাহিদুল ইসলাম, হাইড্রোলজিস্ট, গভর্ন্মেন্ট অফ অ্যালবার্টা, কানাডা।)
তথ্যসুত্রঃ
[১]কাজী আলিম-উজ-জামান, ‘এবার ব্রহ্মপুত্রে চীনের পাঁচটি বাঁধ’
দৈনিক প্রথম আলো- ৫ ফেব্রুয়ারী,২০১০।
[২]আন্তর্জাতিক নদী এনজিওর অফিসিয়াল ওয়েবপেইজ- http://www.internationalrivers.org/
[৩]Corinne Purtill Barton, ‘A precarious future on the Mekong’
http://www.thethirdpole.net/a-precarious-future-on-the-mekong/
[৪]ড.খালেকুজ্জামান, ‘বাঁধ নির্মাণ নয়, বাঁধ অপসারণ হচ্ছে সময়ের দাবী’
http://wreforum.org/khaleq/blog/5496
[৫]ড.জাহিদুল ইসলাম, ‘পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা’
http://bangla.bdnews24.com/opinion_bn/article588048.bdnews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—