আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী কাদের মোল্লার মুত্যুদণ্ড হল না। আজ পুরো জাতি মর্মাহত, স্তম্ভিত এবং ক্রুদ্ধ। সর্বসাধারণের দাবি কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড। আমিও এ দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করি। তবে জনগণের দাবির সঙ্গে বিজ্ঞ প্রসিকিউশনকেও আইনি লড়াইয়ে জিততে হবে।

কাদের মোল্লার মামলাটিতে বিজ্ঞ প্রসিকিউশনের কৌশলগত দুর্বলতা, অদক্ষতা ও ব্যর্থতা ছিল। বিজ্ঞ প্রসিকিউশনের কৌশলগত অদক্ষতার মূল কারণটি হল, কাদের মোল্লার অপরাধের দায়বদ্ধতা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি হিসেবে আনা হয়েছে (Individual Criminal Responsibility)। এটি আনা হয়েছে ১৯৭৩ সালের আইনের ৪(১) ধারা অনুযায়ী (সংক্ষিপ্ত রায়ের ৯০, ১০৫ এবং ১০৬ অনুচ্ছেদসমূহ দ্রষ্টব্য)।

আমার মতে, কাদের মোল্লার অপরাধের দায়বদ্ধতা নিরুপণের ক্ষেত্রে যে বিষয় বিজ্ঞ প্রসিকিউশনের দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে তা হল- নেতা হিসেবে কাদের মোল্লার অপরাধের দায়বদ্ধতা (Superior Responsibility)। কাদের মোল্লা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদুল্লাহ হল ইউনিটের ‘ইসলামী ছাত্র সংঘের’ তৎকালীন সভাপতি (সংক্ষিপ্ত রায়ের অনুচ্ছেদ ১২ দ্রষ্টব্য)। সুতরাং সে ছিল ‘ইসলামী ছাত্র সংঘের’ একটি ইউনিটের নেতা, যার অধীনে বা নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ‘ইসলামী ছাত্র সংঘের’ নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়িত হত। ইউনিটের অধীনস্তরা তার নির্দেশ মানতে বাধ্য ছিল, কেননা একটি অর্গানাইজড বা সংগঠিত সংঘের সদস্য বা অধীনস্তরা তাদের নেতার নির্দেশ, উপদেশ ও অবস্থান সমর্থন করবে এটাই তো স্বাভাবিক।

‘ইসলামী ছাত্র সংঘ’ যদি ১৯৭১ সালে আল বদর বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় (সংক্ষিপ্ত রায়ের অনুচ্ছেদ ৮ দ্রষ্টব্য), তাহলে এ সিদ্ধান্ত-নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্বে কাদের মোল্লা অবশ্যই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এটি আর প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না যে, সে তার ইউনিটের সভাপতি হিসেবে আল বদরদের পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে অধীনস্তদের সংগঠিত করেছে। অতএব, ১৯৭৩ সালের আইনের ৪(২) ধারা অনুযায়ী কাদের মোল্লার অপরাধের দায়বদ্ধতা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি হিসেবেই নয়, বরং একটি সংগঠিত বা অর্গানাইজড ইউনিটের নেতা হিসেবেও (Superior Responsibility) আনা উচিত ছিল। সংঘটিত অপরাধসমূহের দায়বদ্ধতা যদি একজন ব্যক্তি হিসেবে তার কম হয়েও থাকে, ইউনিটপ্রধান হিসেবে তার অপরাধের দায়বদ্ধতা ছিল অনেক বেশি। তবে বিজ্ঞ প্রসিকিউশন কাদের মোল্লার অপরাধের দায়বদ্ধতা শুধুমাত্র ১৯৭৩ সালের আইনের ৪(১) ধারা অনুযায়ী এনেছে। বিজ্ঞ প্রসিকিউশন ৪(২) ধারা অনুযায়ী কাদের মোল্লার উপর অপরাধের দায়বদ্ধতা অর্পণে ব্যর্থ হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, অপরাধের দায়বদ্ধতা ১৯৭৩ সালের আইনে ৪(১) এবং ৪(২) ধারা অনুযায়ী যুগপৎ আনা সম্ভব; এক্ষেত্রে আইনি কোনো নিষেধাজ্ঞা নাই।

আইন পরিবর্তন করে যদি বিজ্ঞ প্রসিকিউশন এবং আসামিপক্ষের আপিল করার অধিকারের ক্ষেত্রে সমতা আনা হয়, সেটা নিঃসন্দেহে মামলারত দু’পক্ষকে আইনের সমান সুযোগ লাভে সক্ষম করবে। ফলে, সাজা বাড়ানোর দাবিতে বিজ্ঞ প্রসিকিউশনও আপিল দায়ের করার সুযোগ পাবে। সরকার বর্তমানে এ ধরনের একটি আইন প্রণয়নের চিন্তা-ভাবনা করছেন, যাতে ট্রাইবুনালের কোনো রায়ে দণ্ডের বা সাজার পরিমাণ কম মনে হলে প্রসিকিউশন সাজা বৃদ্ধি করার জন্য আপিল করতে পারে। তবে কাদের মোল্লার মামলার ক্ষেত্রে যদি প্রসিকিউশনের কোনো কৌশলগত দুর্বলতা বা অদক্ষতা থেকেই যায়, সেক্ষেত্রে নতুন আইনের অধীনে তার মামলার বিজ্ঞ প্রসিকিউশন আপিল করার সুযোগ লাভ করলেও, তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা নিশ্চিত করার বিষয়টি সুদূরপরাহত থেকেই যাবে।

এ মূহুর্তে প্রসিকিউশনের উচিত শুধুমাত্র আপিলের রায় অথবা আইন সংশোধনের অপেক্ষায় না থেকে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে নতুন চার্জ এনে আরও এক বা একাধিক মামলা দায়ের করা। সে ১৯৭১ সালে ‘কসাই মোল্লা’ নামে পরিচিত ছিল। তার কৃত অপরাধের সংখ্যা অগণিত। বর্তমান মামলাটিতে বিজ্ঞ প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ৬টি চার্জ এনেছে। এত কম চার্জ আনার পেছনে সম্ভাব্য কারণগুলো ছিল- তদন্তের অপ্রতুলতা; ভয়ভীতির কারণে ভিকটিম, প্রত্যক্ষদর্শী অথবা সাক্ষীদের অসহযোগিতা; তদন্ত এবং প্রসিকিউশন টিমের মাঝে সমন্বয়হীনতা; আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন সম্পর্কে প্রসিকিউশন টিমের জ্ঞানের অগভীরতা ইত্যাদি।

দেশে আজ যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে একটি গণজোয়ার চলছে। রাজনৈতিক পরিমন্ডলেও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। এমন একটি অনুকূল পরিবেশে ভিকটিম, প্রত্যক্ষদর্শী বা সাক্ষীরা নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফুর্তভাবে এগিয়ে আসবে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ প্রদানের জন্য। তদন্ত এবং বিজ্ঞ প্রসিকিউশনের এ মূহুর্তে উচিত সঠিক কৌশল নির্ধারণের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত তদন্ত ও বিশ্লেষণ করে ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে এক বা একাধিক ফরমাল চার্জ দাখিল করা। এক্ষেত্রে অবশ্যই তদন্ত টিম এবং প্রসিকিউশনকে তাঁদের ফৌজদারী এবং প্রথাগত অনুশীলনীয় সংস্কৃতির পরিসীমা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন এবং সংশ্লিষ্ট মামলার রায়ের আলোকে আমাদের ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলোকে পরিচালনা করতে হবে।

যুগে যুগে সত্যের জয় অনিবার্য। সত্য তার আপন রূপে প্রতিভাত হতে বাধ্য; কিন্তু কখনও কখনও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করতে হয়। সে লড়াইটিই এখন আমাদের করতে হচ্ছে।

তুরিন আফরোজপ্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

Responses -- “মোল্লার মৃত্যুদণ্ড-জটিলতা ও বিজ্ঞ প্রসিকিউশনের কৌশলগত দুর্বলতা”

  1. Mohaimin Ahmed

    আপনি অনেক জায়গায় রায়ের কপির অংশের কথা উল্লেখ করেছেন। আমরা যারা সাধারণ মানুষ তারা কীভাবে এই অংশগুলো দেখতে পারব?

    নাকি এগুলো শুনেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে!

    Reply
  2. মতিউর রহমান

    কাদের মোল্লার শাস্তি ফাঁসির পরিবর্তে কারাদণ্ড হওয়াটা অনেক মানুষই মেনে নেননি। এক অপরাধের জন্য দু’বার বিচার হতে পারে না জেনেও আন্দোলনকারীরা ফাঁসির দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। আবেগাক্রান্ত মানুষের এ দাবি কার্যত প্রতীকী। কিন্তু বিচারপতি বা একজন আইনজ্ঞ আবেগের বশবর্তী হতে পারেন না। ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ যেভাবে দণ্ড-বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছেন তাতে আর যাই হোক, ন্যায়বিচারের প্রশ্ন শিকেয় তুলে রাখা হয়েছে।

    আসলে পুরো লেখাটিতে একটি ‘ষড়্‌যন্ত্র ষড়্‌যন্ত্র’ গন্ধ আছে। কোনো অপরাধীকে একটি উদ্দীষ্ট শাস্তি প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে আইনি কাঠামো পরিবর্তন করার উদ্যোগ ‘ন্যায়বিচার’ হতে পারে না। বিচারপতি নিজামুল হক স্কাইপ-কেলেঙ্কারি করে যুদ্ধপরাধ ট্রাইবুনালের গ্রহণযোগ্যতা ইতোমধ্যে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে গেছেন। কাদের মোল্লার রায় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে: তার লঘুদণ্ড কি কেবলই প্রসিকিউশনের কৌশলগত দুর্বলতা, নাকি অন্য কিছু?

    যাই হোক, আমরা যদি ‘ন্যায়বিচারের’ তোয়াক্কা না করি, সেটা ভিন্ন কথা। সে ক্ষেত্রে সামগ্রিক বিচারিক প্রক্রিয়াই অপ্রয়োজনীয়। আইনকে নিজস্ব গতিতে চলতে না দিয়ে প্রভাবান্বিত করার মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়াকে পক্ষপাতদুষ্ট করে তোলা আদৌ সমীচীন হবে বলে মনে হয় না।

    Reply
    • Ahmed Azam

      রাজাকারের আবার ন্যায়বিচার কী? বিয়াল্লিশ বছর যে বেঁচে ছিল এটাই তাদের অনেক বড় ভাগ্য!!!

      Reply
  3. Hajee Rafique

    যুদ্ধাপরাধ আইনটি আগে যারা বুঝতেন তারা হলেন- এএনএফ ব্যালেস্টার, (যুক্তরাষ্ট্র), ইগর ব্লিসচেঙ্কো (রাশিয়া), সুব্রত রায় চৌধুরী (ভারত), বি. ডে স্কুটার (বেলজিয়াম), আরপি ঢোকালিয়া (ভারত), ভিআর কৃষ্ণা আয়ার (ভারত), আলবার্ট গাস্টমান (যুক্তরাষ্ট্র), ন্যান্স লিউ (ভেনিজুয়েলা), শিগেরু ওডা (জাপান), রবার্ট কে ওতজেল (যুক্তরাষ্ট্র), কামাল হোসেন (বাংলাদেশ), এফকেএমএ মুনিম (বাংলাদেশ), সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন (বাংলাদেশ), হাবিবুর রহমান শেলী (বাংলাদেশ), ফকির শাহাবুদ্দিন (বাংলাদেশ), সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ (বাংলাদেশ), কামরুদ্দিন আহমেদ (বাংলাদেশ), এস আর পাল (বাংলাদেশ), মির্জা গুলাম হাফিজ (বাংলাদেশ), ব্যরিস্টার আমির-উল-ইসলাম (বাংলাদেশ), নাসিমুদ্দিন আহমেদ (বাংলাদেশ), শামসুর রহমান (বাংলাদেশ), এ কে এইচ মোরশেদ (বাংলাদেশ), ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ (বাংলাদেশ), সালমা সোবহান (বাংলাদেশ) এবং কে এ এ কামরুদ্দিন (বাংলাদেশ)।

    কষ্টের কথা হল, অনেকেই জীবিত নেই। আর যারা জীবিত আছেন তাদের কাছ থেকে উপদেশ গ্রহণের মানসিকতা আমাদের নেই।

    Reply
  4. Zahid Husain

    ব্যরিস্টার তুরিন আফরোজের কিছু বক্তব্যে যুক্তি থাকলেও সামগ্রিক বিবেচনায় এ পর্যালোচনা মৌলিক দোষে দুষ্ট বলে মনে হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলীদের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অযৌক্তিক নয়। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত যখন সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, কাদের মোল্লার বিরূদ্ধে গণহত্যাসহ পাঁচটি ভয়ঙ্কর অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে, তখন উনার যুক্তির মূল কাঠামো ভেঙ্গে পড়ে। তারপরও কাদের মোল্লার বিরূদ্ধে নতুন ধারায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনে নেতৃত্ব দেওয়ার নতুন অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ অবশ্যই বিবেচনার দাবি রাখে। রাষ্ট্রপক্ষ বিষয়টা ভেবে দেখবেন আশা করি।

    একই সঙ্গে কাদের মোল্লার বিরূদ্ধে মামলা পরিচালনায় যেসব দুর্বলতা বিভিন্নভাবে চিহ্নিত হচ্ছে সেগুলো পর্যালোচনা করা অন্যান্য চলমান মামলার সফলতার স্বার্থে অত্যন্ত জরুরি। তবে বর্তমান অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে এ বিচারের রায় আপিল বিভাগেও পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা সুদূরপরাহত বলে ব্যারিস্টার আফরোজ যে দাবি করেছেন তার পক্ষে তেমন কোনো শক্ত যুক্তি তিনি উপস্থাপন করেননি। একজন ব্যক্তি হিসেবে অসংখ্য নিরাপরাধ ব্যক্তির হত্যকান্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করাও যদি সর্বোচ্চ শাস্তিপ্রাপ্তির জন্য যথেষ্ট না হয় সেক্ষেত্রে তো আমাদের প্রত্যাশা সীমিত করার বাইরে আর কিছুর অবকাশ থাকে না।

    ব্যরিস্টার আফরোজ নিজেও বলেছেন যে, সরকার বিদ্যমান আইনে আপিলের বিধান পরিবর্তন করতে যাচ্ছে। আর যতদূর জানি সর্বোচ্চ আদালতে এ মামলা পরিচালনার দায়িত্ব পাবেন দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তার কার্যালয়। সেক্ষেত্রে কৌসুলীদের অদক্ষতা-সংশ্লিষ্ট আশঙ্কাও অনেকাংশেই কমে যায়। তারপরও আপিলের পাশাপাশি নতুন ধারায় একাধিক নতুন মামলা দায়ের করলে শাস্তিবৃদ্ধির সম্ভাবনা অবশ্যই আরও বাড়বে। তাই বলে নতুন কৌসুলী ও আইনের সংশোধনীর কার্যকারিতা এভাবে উড়িয়ে দেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত হল?

    ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উনার কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল মন্তব্য প্রত্যাশা করি। এরকম চরম মন্তব্য বা পর্যালোচনা চায়ের টেবিলে সীমাবদ্ধ থাকাই উচিত। অপরাধী আর তাদের দোসরদের হাতে অপপ্রচারের নতুন অস্ত্র তুলে দেওয়ার কোনো দরকার আছে কি???

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—