অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে ২০০৩ সালে  প্রকাশিত মেজর জেনারেল এ ও মিটহা এর লেখা ‘Unlikely Beginnings, A Soldier’s Life’ বইটিতে বেশ কিছু উদ্দীপনামূলক তথ্যের সমাহার রয়েছে।

বইয়ের ৩৪৪ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় প্যারাতে মেজর জেনারেল মিটহা জানাচ্ছেন-

“২৮ মার্চ, আমান আমাকে জানায় সে তার স্ত্রী-র ভাই (brother-in-law) কামাল হোসেন- এর নিকট থেকে বার্তা পেয়েছে, যিনি ২৫ মার্চ এর পর থেকে মুজিবের অন্যান্য শীর্ষ সহযোগীর সাথে নিখোঁজ হয়েছিলেন। কামাল অন্যান্যদের সাথে ভারত যান নাই; তিনি (কামাল হোসেন) নিরাপত্তা হেফাজতে যেতে চান, কেননা তিনি তার নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে দুঃচিন্তায় ছিলেন। তাকে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে রিসিভ (বন্দি) করে ডিভিশনাল হেড কোয়ার্টার মেসে নিয়ে যাই। পরেরদিন তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান।“

মেজর জেনারেল মিটহা এর এই বইয়ের ৩৭৮নং পৃষ্ঠা থেকে জানা যাচ্ছে যে-

যখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার কথা তখন ড. কামাল হোসেনকে মেজর জেনারেল মিটহা প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সাথে দেখেছেন।

১৪ Responses -- “ড. কামাল কীভাবে পাকিস্তানে গেলেন এবং তারপর?”

  1. Anwar A Khan

    The direful killing squad Jamaat-e-Islami (JeI) has been recognised under a veiled cover up as a member of this newly formed coalescence –Jatiya Oikya Front (National Unity Front) under Dr. Kamal Hossain’s stewardship before the upcoming National Polls. But the obnoxious nexus of BNP and JeI are the driving-force of this movement behind the scene. Some political analysts believe that some dreadful spy agencies of abroad in support of their governments and their local buddies are also combat-ready with nefarious plots in the field for a change of the present regime under any pretext.

    Dr. Kamal’s political party, Gono Forum, has no anchor on the soil of Bangladesh. He is a solitary showcase. ASM Abdur Rob, the supreme leader of a bantam faction of a political party – JSD, one time a great revolutionary and contributed gigantically to the process of establishing Bangladesh in a bloody war in 1971 with the flagitious Pakistani military junta. He has now become a midget figure in the country’s political arena. Mahmudur Rahman Manna is a lone wolf in Bangladesh’s politics though once upon a time he was a famed student leader. Dr. Zafrullah Chowdhury is a veteran Freedom Fighter, physician, owner of Gono Shashtya Hospital and a noetic of BNP politics which has been surrounded by anti-Bangladesh liberation forces since its inception in the military cantonment. He is also a loner having no footmark in the country’s politics. Kader Siddiqui was fondly called as ‘Tiger Siddiqui’ because of his majuscule and heroic role during our glorified Liberation War of 1971, has bivouacked in JeI’s accompaniment long before. He has now further cross-filed his name in the newfangled bungled coalition and he has no no-parking zone in politics in the country.

    It is very sad and outrageous that some veteran Freedom Fighters tossing out their morality sodding barefacedly to bring into existence of this immoral bird-scarer. Whereas despite their limitations, these straw men could have built up an opposition political platform based on the true ideals for which Bangladesh was founded in 1971 leaving the obnoxious nexus of Jamaat-e-BNP, the rock-ribbed anti-Bangladesh liberation getup and their mango-twigs. And that should have been the right choice for them to garner greater support from so many people. While on the contrary, it is clear that they have sold out themselves to the feet of those mischief-mongers.

    On the one hand, the Jatiya Oikyo Front declared publicly that they would establish a new golden Bangladesh based on the dreams of the country’s Founding Father Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. On the other hand, they have now become some crawlers at the hands of the country’s opponents. In fact, they have become oxymoron and two opposite qualities or ideas seems totally unlikely.

    Reply
  2. রেজাউল করিম মুকুল।

    আওয়ামী লীগের ঘোর শত্রু, ঘরশত্রু বিভীষন / হাইকোর্টের দরজায় লাথি মেরে ভাংচুরের অভিযোগ এনে যে খালেদা জিয়া সরকার ড. কামালের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আজ তিনি সেই খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন করছেন। ২০০৭ খ্রিঃ ৭ জানুয়ারী আদালত তাকে গ্রেফতার না করার আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি গণফোরাম সভাপতি এবং আওয়ামী বিরোধী ফ্রন্ট নেতা। ১৯৭১খ্রিঃ ড. কামাল হোসেন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন নাই। এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে তিনি জামায়াতের প্রার্থীদের ধানের শীষে ভোট দিতে আহবান জানাচ্ছেন জনগণকে। সিলেটের মাজারে গিয়ে জামায়াতের প্রার্থীদের জয়ের জন্যে মোনাজাত করছেন। ৩০ তারিখের পরে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হবে, পালাবার পথ পাবে না, এসব বলে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। ভোটের দিন ৩০ তারিখ, ভোর থেকেই তিনি ভোট কেন্দ্র পাহাড়া ও দখল নিতে জনগণকে উসকানি দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু সত্তরে ড.কামালকে মনোনয়ন দেন নাই। এটা বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতা, কিন্তু সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান করাটা ছিলো বড় একটা ভুল। সেই ড. কামাল এখন আওয়ামী লীগের ঘোর শত্রু, ঘরশত্রু বিভীষন।

    Reply
  3. galib mahmood

    মিট্টা কামাল সাহেবের ফাঁসীর খবর শুনে ইয়াহিয়ার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন বুঝিয়েছেন। (কেননা ড কামালকে অপছন্দ করলেও সে তার পরিচিত যেটা আগেই উল্লেখ করেছেন)। আর আপনে বুঝলেন ইয়াহিয়ার সাথে কামাল সাহেবকে দেখা গেছে। এই ইংরেজি জ্ঞান নিয়ে ইংরেজি বই না পড়াই ভালো। অযথা কু্তর্ক করছেন।

    Reply
  4. Faruk Kader

    জনাব জালালের লেখা ছাপানো কতটা যুক্তি সঙ্গত এটা একটা প্রশ্ন। লেখার কোন শেষ টানা হয়নি; শুরু অনেকটা অন্ধকারে ঢিল ছাড়ার মত। এই জেনারেল মিঠ হা নাকি মিঠ্ঠা ? ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালীন যুদ্ধরত অনেক পাকি জেনারেলই নিজেদের সাফাই গাইবার জন্য এরকম আত্মকাহিনী অনেক লিখেছে।

    Reply
  5. ইমন বরুয়া

    জালাল সাহেব
    এ লেখায় আপনার লেখা কতটুকু বা তৃতীয় পক্ষের লেখা কতটুকু তা বোঝা গেলো না। এটুকু বুঝা গেল যেহেতু ডঃ কামাল ঐক্যফর্ন্টের লিডার সেহেতু এখন তার ছিদ্র বের করতে হবে এজন্য আপনার মতো ছিদ্রান্বেষী কিছু লোক রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এতে হয়তো আপনার দলনেতা খুশি হবেন আখেরে লাভ হবে না খুব একটা। সাধারন পাঠকের কাছে হাস্যস্পদ হবেন মাত্র ।

    Reply
  6. আজিজুল হক

    ডঃ কামাল হোসেনকে অনেকে “পলাতক” হোসেন বলতেন, কারণ? জিয়া ও এরশাদ আমলে তিনি অনেক সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে আবার সবচেয়ে কঠিন সময়ে চুপ হয়ে যেতেন অথবা বিদেশে চলে যেতেন। পাকিস্তান বা বাংলাদেশ কোন আমলেই সরকার কষ্ট দেয়নি। ১৯৭১ সালে তিনি স্বেচ্ছায় আশ্রয় নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে জামাই আদরে কাটান।

    Reply
  7. মোঃ মাহফুজুর রহমান

    ড. কামাল আমাদের দেশের সংবিধান রচনা করেছেন এটা তো সঠিক ?
    আর উনার তৈরী করা সংবিধানেই চলছে বাংলাদেশ কিছু সংশোধনীর নামে পরিবর্তন করা হয়েছে মাত্র। আর আপনি কোন ভাবেই উনার সমতুল্য কেউ নন, আপনার মতো কত লোকেই এরকম বড় মাপের মানুষটির ভাবমূর্তি নস্ট করতে চায় কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ছাড়াই! আপনি নিজেই দেখুন আপনার পোস্টটি সম্পূর্ণ হয়নি এভাবে এরকম গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট লেখা যায় না। “কোন বই কখনোই কোন প্রমাণ হতে পারে না, কেননা প্রত্যেকটি বইয়ের পেছনে একজন লেখক থাকে, যে তার চিন্তা ভাবনা মনের ভাব বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করে।
    @লেখক উত্তর দিবেন।

    Reply
  8. শাফায়েত চৌধুরী

    জনাব মাহবুবুর রহমান জালাল, গতবার বললেন সিদ্দিক সালিকের (যে নিজেও পাকিস্তানী) বই যেন রেফারেন্স হিসেবে গ্রহণ না করা হয়। আর আজ আরেক পাকিস্তানী জেনারেল মিট্টা’র বইকে রেফারেন্স হিসেবে নিয়ে হাজির হলেন। বাহ, কি চমৎকার দ্বিচারিতা।

    আপনি যেহেতু মহাগবেষক দয়া করে তালিকা দিন একটি কোন কোন পাকিস্তানী লেখকের বই আমরা শেলফে রাখবো আর কোনগুলো নয়। পাকিস্তানী মাত্রই ডাহা মিথ্যুক অমানুষ ছাড়া অন্য কিছু না আমার কাছে। আপনি একটি বইয়ের দুটি পাতা স্ক্যান করে দিয়ে দিলেন আর হয়ে গেল বিরাট রেফারেন্স অথবা ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেবার মতো যুগান্তকারী ঘটনা!

    এত সহজ না গবেষণা। একইসাথে অবাক হলাম বিডিনিউজের মতো অসাধারণ নিউজ এজেন্সির এমন দুর্দিন দেখে। এসব ছাইপাঁশও ছাপাতে হচ্ছে তাঁদের।

    মাহবুবুর রহমান জালাল উত্তর দেবেন আশা করি। অপেক্ষায় রইলাম।

    Reply
  9. Qudrate Khoda

    এই ধরণের ফালতু, সস্তা প্রচারণামূলক বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাট অ্যান্ড পেস্ট নিয়ে বলার কিছু নেই।
    তবে, বিডিনিউজের কাছে আমাদের প্রত্যাশা আরেকটু বেশী; সেটা যেন হতাশায় পরিণত না হয়- এটুকুই অনুরোধ একজন নিয়মিত পাঠকের।

    Reply
  10. মোঃ সোহেল হোসেন

    অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে ২০০৩ সালে প্রকাশিত মেজর জেনারেল এ ও মিটহা এর লেখা ‘Unlikely Beginnings, A Soldier’s Life’ বইটিতে তিনি লিখেসেন (বইয়ের ৩৪৪ পৃষ্ঠার দ্বিতীয় প্যারাতে )

    “২৮ মার্চ, আমান আমাকে জানায় সে তার স্ত্রী-র ভাই (brother-in-law) কামাল হোসেন- এর নিকট থেকে বার্তা পেয়েছে, যিনি ২৫ মার্চ এর পর থেকে মুজিবের অন্যান্য শীর্ষ সহযোগীর সাথে নিখোঁজ হয়েছিলেন। কামাল অন্যান্যদের সাথে ভারত যান নাই; তিনি (কামাল হোসেন) নিরাপত্তা হেফাজতে যেতে চান, কেননা তিনি তার নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে দুঃচিন্তায় ছিলেন। তাকে তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে রিসিভ (বন্দি) করে ডিভিশনাল হেড কোয়ার্টার মেসে নিয়ে যাই। পরেরদিন তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান।“
    এবং তিনি আরো বলছেন ,(এই বইয়ের ৩৭৮নং পৃষ্ঠা)

    যখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার কথা তখন ড. কামাল হোসেনকে মেজর জেনারেল মিটহা প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সাথে দেখেছেন। এখানে দুইটি বিষয় এ আমরা উপনীত হতে পারি
    ১. মেজর জেনারেল এ ও মিটহা এবং ড. কামাল হোসেন সমান মাপের মানুষ তাই তিনি (মেজর জেনারেল এ ও মিটহা), ড. কামাল হোসেনকে একটু ছোটো করার জন্য সৃজনশীল বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।
    ২. বিষয়টি সত্য। অতএব, যেহেতু এটা একটি বই মাত্ৰ সেখানে লেখক তার মতো করে লিখবেন ,তাই এতে স্পষ্ট সত্য বা মিথ্যা কোনোটাই নিশ্চিত বলে ধারা যায় না।
    ৩. বইতে বেশ কিছু উদ্দীপনামূলক তথ্যের সমাহার রয়েছে, এটা সৃজনশীল না ১০০% সত্য?
    সর্বশেষ, আমার মতামত হলো বিষয়টি সত্য প্রমাণ করতে আরো তথ্য, উপাত্ত, বিমানের টিকেট, তারিখ, পশ্চিম পাকিস্তানে আরো কারো সাথে দেখা হয়েছিল কিনা, কতদিন ছিল, থাকলে ওই সময়গুলো কি করে কাটিয়েছেন নিশ্চই বসে থাকেনি, কিছু করেছেন তা কি?
    ভুল হলে ক্ষমা করবেন লিখতে বলছেন তাই কিছু লিখলাম। ধন্যবাদ

    Reply
  11. লতিফ

    কামাল হোসেনের রহস্য ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে। তিনটা বিষয় জানার আছে। একটাতো জানা গেল যে তিনি স্বেচ্ছাবন্দী। তো দ্বিতীয় প্রশ্নটা হল, ওনার শ্বশুর পাকিস্তানের নাম করা উকিল, একটা রিটও কি হয়নি? তৃতীয় প্রশ্ন, ওনার পরিবার অর্থাৎ স্ত্রী-কন্যা কবে পাকিস্তানে গেল? কারণ, দেখা যাচ্ছে যে প্লেনে বঙ্গবন্ধুর সাথে লণ্ডন হয়ে ঢাকা ফিরছেন, সেখানে ওনার পরিবারও ঢুকে গেল। দেখা যাচ্ছে বন্দী থাকার সময় (যদি তা সত্য হয়), ওনার পরিবারের সাথে দেখা হতো। সোজা কথা, রিট হয়ে থাকলে তার বিবরণটা চাই। না হয়ে থাকলে ধরে নিতে হবে যে কামাল হোসেন মিডিয়ার সামনে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।

    Reply
  12. শাফায়েত চৌধুরী

    জনাব মাহবুবুর রহমান জালাল, আপনার এই পোস্টটির শুরু কোথায় , শেষ কোথায় এবং মাঝের দেহ কিছুই বুঝতে পারছিনা। আপনার আগের পোস্ট ‘সিদ্দিক সালিকের রেফারেন্স: কতোটা সত্যি, কতোটা কুয়াশা?’ পাঠকের একটি প্রশ্নের উত্তর দেবার মতো ভদ্রতা আপনি দেখাননি। অত্যন্ত দুঃখজনক সন্দেহ নেই।

    আপনার আগের পোস্টে যে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে সেটার উত্তর দেবেন কি ? নাকি আমরা পাঠক’রা আপনার কাছে অনাহুত?

    আপনার পূর্বেকার পোস্টে আমার মন্তব্যটি হুবহু তুলে ধরলাম পুনর্বার। উত্তর দেবেন কি ?

    “জনাব মাহবুবুর রহমান জালাল, আপনার রচনাটি পাঠ করে কোন হেতু বোধগম্য হলোনা। সিদ্দিক সালিক রচিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের অন্যান্য গবেষকরা খুব একটা ব্যবহার করেন বলে মনে হয়নি আমার কাছে। একজন পাঠক হিসেবে আমি ধরেই নিয়েছিলাম আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দাখিল করতে যাচ্ছেন তথ্য-উপাত্ত বিন্যাস করে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আপনি এবারও গত বেশ কয়েকবারের মতো হতাশ করলেন। সিদ্দিক সালিক জেনারেল জিয়াউল হকের সাথে একই বিমানে নিহত হয়েছেন অনেক বছর। আজ, তার রচিত বইয়ের কোন কিছুই পুনর্বার যাচাই সম্ভব না।

    আপনার মূল বক্তব্য যদি হয়ে থাকে সিদ্দিক সালিকের বই রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহারের অযোগ্য সেটা স্পষ্ট করা প্রয়োজন ছিল মনে করছি। আপনি অনেকটা ইনিয়ে বিনিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়টাকেই ঘোলাটে করে ফেললেন প্রকারান্তরে । সিদ্দিক সালিকের বইয়ের নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে আপনি বলছেন, এবং সেই প্রশ্নের জবাব দেবার প্রয়োজন বোধ করেননি। বিষয়টি দুঃখজনক।

    একইসাথে লক্ষণীয়, আপনার পূর্বেকার লেখাগুলোও একইরকমভাবে বিভিন্ন ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে অভিযোগ ও হা হুতাশ বৈ কিছুনা। আপনি সুনির্দিষ্টভাবে সেসব প্রশ্নের জবাব দেন না যেসব প্রশ্ন আপনি নিজে তুলছেন বারবার। নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, আমরা অপেক্ষায় রইলাম আপনি পরবর্তী লেখায় ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার কোন রেফারেন্স নতুন প্রজন্ম ব্যবহার করবে, এবং কেন করবে ও সেটার পক্ষে আপনার সংগৃহীত প্রমাণাদি আপনার গবেষণালব্ধ জ্ঞান থেকে অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।”

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—