পেশাদার সাংবাদিকতা এবং নাগরিক সাংবাদিকতার মধ্যে আধিপত্যের সাক্ষর রাখে পেশাদার সাংবাদিকতা। পেশাদার সাংবাদিকতা (Professional Journalism) মূলধারার গণমাধ্যমের (Mainstream Media) স্বীকৃত পরিবেশনা। আর নাগরিক সাংবাদিকতা পরিচিতি পায় অনলাইন যুগের নাগরিক কণ্ঠস্বরে বিকল্প গণমাধ্যম (Alternative Media) নামে।

নাগরিক সাংবাদিকতা ইন্টারনেট আশীর্বাদপুষ্ট নাগরিকের মত প্রকাশের অনন্য সংযোজন। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের অনলাইনে নাগরিক সাংবাদিকতার উচ্চারণ ঘটেছে ধাপে ধাপে এবং এই মুহূর্তে বিগত বছরের চেয়ে এর চর্চা ও জনপ্রিয়তা সর্বাধিক। যদিও  নাগরিক সাংবাদিকতার তাত্ত্বিক ও শেকড় নিয়ে ধারনাটা এই বলয়ের বাইরের গোষ্ঠীর কাছে অস্পষ্টই।

পেশাদার সাংবাদিকতার শ্রেষ্ঠত্ব যতই থাকুক, আদি সাংবাদিকতা মূলত নাগরিক সাংবাদিকতাই। তাহলে কবে ছিল এই নাগরিক সাংবাদিকতার জন্মলগ্ন? সেই ইতিহাস এখন অনেকটা পুরাকথা। বিভিন্ন সংস্করণও রয়েছে।  যেমন- আব্রাহাম জ্যাপ্রুডারকে (Abraham Zapruder) নাগরিক সংবাদিকতার জনক বলা হয়। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ডের পঞ্চান্ন বছর হতে চলছে। গণনা করা হয় নাগরিক সংবাদিকতারও বয়স পঞ্চান্ন হবে।

১৯৬৩ সালে জন এফ কেনেডিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই মুহূর্তটিকে জ্যাপ্রুডার ধারণ করেন তার সাধারণ চলমানদৃশ্য ধারণ ক্যামেরায়। এই আধেয়টিকে নাগরিক সাংবাদিকতার আদি দৃষ্টান্ত মানা হয় এবং জ্যাপ্রুডারকে বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ।

নাগরিক সাংবাদিকতার জন্ম ইতিহাসের আরেক পর্ব ঔপনিবেশিক যুগের। আমেরিকার প্রথম পত্রিকা প্রকাশকারী পেশায় ছিলেন বোস্টন শহরে বই বিক্রেতা ও প্রকাশক। বেঞ্জামিন হ্যারিসের (Benjamin Harris) পত্রিকা পাবলিক অকারেন্সেস (Publick Occurrences) প্রকাশ হয়েছিল ১৬৯০ সালে। এর শেষ পৃষ্ঠাটি ইচ্ছাকৃতভাবে খালি রাখা হতো যেন নগরবাসীরা বন্ধু বা প্রতিবেশীদের সাথে পত্রিকা বিনিময়কালে তাতে স্থানীয় ঘটনা বা পাদটিকা হাতে লিখে দিতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব মিসৌরিতে  (University of Missouri) সাংবাদিকতা অনুষদের জন্মলগ্ন ১৯০৮ সাল হচ্ছে পেশাদার সাংবাদিকতা শিক্ষার যাত্রাবর্ষ।  তাহলে এর পূর্বে যারাই সংবাদ সংগ্রহ, প্রকাশ ও বিতরণে কাজ করেছেন, তারা সকলেই মূলত নাগরিক সাংবাদিক ছিলেন।

ইন্টারনেটের সূতিকাগার যেমন আমেরিকা, নাগরিক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রও তেমনি গড়ে উঠেছিল আমেরিকাতেই। আলোচিত নাগরিক সাংবাদিকতার দৃষ্টান্তগুলো সেকারণেই যেন হয় আমেরিকাতে, নয়তো আমেরিকাকে ঘিরে।

পোশাকি নাম ‘সিটিজেন জার্নালিজম’  বহুল ব্যবহৃত হতে থাকে ২০০০ সালের দিকে, তখন সাংবাদিকতা,  নাগরিক সাংবাদিকতা আর অনলাইন কমিউনিটি নিয়ে আমেরিকায় পাল্টাপাল্টি আলোচনা উত্তুঙ্গে। ইন্টারনেটের বাড়ন্ত প্রসারণ এবং নাগরিকদের মাঝে অনলাইন জনপ্রিয়তা নাগরিক সাংবাদিকতাকে উজ্জীবিত করেছিল। ওয়েব ২.০ নাগরিক সাংবাদিকতার শ্রী বৃদ্ধি করে। বলা চলে নাগরিক সাংবাদিকতা গতিপ্রাপ্ত হয় এবং নাগরিকবান্ধব হয়। ডিজিটাল ডিভাইসের  ‘স্লিম অ্যান্ড স্লিক’ হয়ে ওঠার প্রতিযোগিতায় মোবাইল, ল্যাপটপ, ক্যামেরা সবার হাতে হাতে যতই বৃদ্ধি পেয়েছে, অনলাইনে ততই সরবরাহ বেড়েছে কনটেন্টের। উদাহরণ হিসেবে ফেসবুক, টুইটারের নামোল্লেখ করা তো যায়ই, একই সাথে কোরিয়ান পোর্টাল  OhMyNews.com এবং মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এর আইরিপোর্ট (iReport) নাগরিক সাংবাদিকতার বিচরণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।

অ্যাবোটাবাদে বিন লাদেনের আখরাতে যখন আমেরিকান সৈন্যদের হামলা চলছিল, এর  দু’তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থানকারী এক ব্যক্তি লাইভ-টুইট করে যাচ্ছিলেন এমন একটি সিক্রেট মিশন নিয়ে। জাপানে ভূমিকম্প ও সুনামি বিপর্যয়কালে লাইভ টুইটার আপডেট দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে টুইটার বিপ্লব, ফেসবুক বিপ্লব তাদের আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে সহায়তা করেছিল।

এগুলোর অধিকাংশই সম্ভব হয়েছিল, সাধারন মানুষের কারণে, যাদের নাগরিক সাংবাদিকতায় বিশ্ববাসী নিয়মিতভাবে জানতে পেরেছিল সর্বশেষ খবরটি। এভাবে নাগরিক সাংবাদিকতা আর আমেরিকায় আটকে থাকেনি। খবর প্রস্তুতকারী, খবর পাঠকারী এবং খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া ব্যক্তকারী সকলেই বৈশ্বিকতার অংশ হয়ে উঠেছে ততদিনে।

http://www.merinews.com ওয়েবসাইটের দুটো বিভাগ বেশ উল্লেখযোগ্য – নাগরিক কলম লেখক (Citizen columnist) এবং সাম্প্রতিক নাগরিক সংবাদ (Recent citizen reports)।  পোর্টালটি দাবি করে এটি ভারতের বৃহত্তম নাগরিক সাংবাদিকতা ভিত্তিক সংবাদ প্লাটফর্ম। একে অংশগ্রহণমূলক নাগরিক সাংবাদিকতাও (Based on the concept of participatory media and citizen journalism) বলা হচ্ছে।

এই নামকরণ আসলে নাগরিক সাংবাদিকতা তথা সিটিজেন জার্নালিজমের প্রচলিত বিভিন্ন নামের মতই আরেকটি সমার্থক। যেমন কেউ কেউ নাগরিক সাংবাদিকতাকে পথ সাংবাদিকতাও (Street Journalism) বলেন।

অংশগ্রহণমূলক সাংবাদিকতা আর নাগরিক সাংবাদিকতার  একটি ব্যাখা দাঁড় করিয়েছেন লুইস উইলিয়াম। তিনি নাগরিক সাংবাদিকতা এবং অংশগ্রহণমূলক সাংবাদিকতাকে এক কাতারে ফেলতে নারাজ। এ প্রেক্ষিতেই তিনি বলেন,  “অংশগ্রহণমূলক সাংবাদিকতায় নাগরিকেরা কোনো একটি ইস্যুতে আপন আপন মত নিজ ভাষায় সরাসরি প্রকাশ করে, তবে তা একটি গণমাধ্যমের তত্ত্বাবধানে। অন্যদিকে নাগরিক সাংবাদিকতা হচ্ছে মূলধারার গণমাধ্যমের উপস্থিতি ছাড়াই নাগরিকের নিজের সংবাদ ধারণ।”

বিশ্বে যখন নাগরিক সাংবাদিকতার এমন জনপ্রিয়তা, বাংলাদেশও এই ধারার বাইরে থাকেনি।

২০১১ সালের মে মাসে পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের (পিএসটিসি) উদ্যোগে নাগরিক সাংবাদিকতার ওয়েবপোর্টাল  ‘নাগরিক কণ্ঠ’ উদ্বোধন করা হয়।  এই কার্যক্রমের পরিকল্পনাটি সম্ভাবনাময় হওয়া সত্ত্বেও ওয়েবসাইটিতে সংবাদ ব্যতীত নাগরিক মিথস্ক্রিয়া অনুপস্থিত ছিল। ওয়েবসাইটিতে  কনটেন্ট হালনাগাদও নিয়মিত ছিল না। যে কোনো কারণেই হোক, ওয়েবসাইটটি দ্রুতই অকার্যকর হয়ে যায়।

তবে এরও কিছু আগে বাংলাদেশের অনলাইনে ব্যক্তিগত বা কমিউনিটি ব্লগে দিনলিপির থেকেও বেশি কিছু যুক্ত করার স্পৃহা এবং মিথস্ক্রিয়াবান্ধব  মনস্তত্বকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বে নাগরিক সাংবাদিকতা চর্চার স্পন্দনকে দেশেও পরিচিত করাতে উদ্যোগি হয় www.bdnews24.com, বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।

২০১১ সালেরই ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরু করে blog.bdnews24.com,  বাংলাদেশে নাগরিক সাংবাদিকতা ভিত্তিক ব্লগের পথিকৃৎ রূপে। এই সূচনাটি একটি মাইলস্টোন ছিল। অনলাইনে ব্লগারদের বারোয়ারি লেখনির মোড় ঘুরিয়ে দিল  নাগরিক সাংবাদিকতার চর্চা। বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবহারকারীদের পরিচিতিতে যুক্ত হলো নতুন নাম – নাগরিক সাংবাদিক। এরপর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অনলাইন মাধ্যম, গণমাধ্যমে নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে  আলোচনা, কর্মশালা হতে দেখা যায় ।

বাংলাদেশে নাগরিক সাংবাদিকতা করার মত কী আছে? ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক মার্ক গ্লেসার ২০০৬ সালে বলেছিলেন,  “সিটিজেন জার্নালিজমের পেছনের ধারণাটি হলো, যাদের প্রাতিষ্ঠানিক সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ নেই তারা আধুনিক প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজেরা অথবা অন্যের সহায়তায় একটি বিকল্প অথবা তথ্য-যাচাইয়ের মাধ্যম তৈরি করতে পারে। যেমন ধরা যাক, আপনি নগর পরিষদের সভা নিয়ে নিজের ব্লগ অথবা একটি অনলাইন ফোরামে লিখতে পারেন। এমনকি আপনি একটি মূল গণমাধ্যমের সংবাদপত্রের খবরের তথ্য যাচাই করতে পারেন এবং তথ্যগত ভ্রান্তি বা পক্ষপাতিত্ব নিয়ে ইঙ্গিত দিতে পারেন আপনার ব্লগে। অথবা আপনি আপনার এলাকায় পরিবেশন করার মত কোনো ঘটনার একটি ডিজিটাল ছবি তুলতে পারেন এবং অনলাইনে পোস্ট করতে পারেন। অথবা আপনি সেই একই ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র ধারণ করতে পারেন এবং ইউটিউবের মত একটি ওয়েব সাইটে প্রকাশ করতে পারেন।”

নাগরিক সাংবাদিকতা প্রকারান্তরে নাগরিক মত ও মুক্তমত প্রকাশের একটি ধরনও। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সরকার ও নাগরিকের মধ্যে ভাব বিনিময়ে বা প্রতিক্রিয়া বিনিময়ে নাগরিক সাংবাদিকতা কার্যকরি। এমনকি মূলধারার গণমাধ্যম যখন নাগরিক বিশ্বস্ততা হারায় তখন নাগরিক সাংবাদিকতাই নাগরিকের চাহিদা মেটায়।

বাংলাদেশে বিভিন্ন বয়সীদের ইন্টারনেট নির্ভরতা ক্রমে বাড়ছে। বিটিআরসির তথ্য মতে  গত সেপ্টেম্বরে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৫ কোটি  ছাড়িয়েছে । আর মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাড়ে আট কোটি ।  সুতরাং অনলাইনে কনটেন্ট সরবরাহ থাকছে নিয়মিত এবং প্রতুল।

ফেইসবুক জনপ্রিয়তার মাঝেও বিষয় হিসেবে নাগরিক সাংবাদিকতা বেছে নিয়ে blog.bdnews24.com এর ধারাবাহিকতা  ধরে রাখতে পেরেছে। ফলে সমগ্র বাংলাদেশের সেই সব সংবাদ উঠে আসছে, যা মূল ধারার গণমাধ্যমে হয় প্রকাশিতই হয় না অথবা পরিশীলিত কাঠামোতে ছাপা হয়।

নাগরিক সাংবাদিকতার এই চর্চায় বরিশালের নাগরিক উত্তরবঙ্গের নাগরিকের সমস্যা জানতে পারছে। চট্টগ্রামের নাগরিক সাংবাদিক তার প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য বিনিময় করছে খুলনার নাগরিক সাংবাদিকের সাথে। ফ্রান্সের সেইন নদী থেকে প্যারিস দেখার আবেদন নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশির ভিডিও প্রতিবেদনের পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে চাঁদপুরের নাগরিক সাংবাদিকের ভিডিও প্রতিবেদনে ডাকাতিয়া নদীটির বেহাল দশা।

হাসপাতালের চিকিৎসা সংকট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রধান সড়কে যানজট সমস্যা, বাসের অন্যায্য ভাড়া, বর্জ্য অব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সময় এলাকাভিত্তিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়েও প্রতিবেদন করছেন  নাগরিক সাংবাদিকেরা। লিখিত প্রতিবেদন প্রকাশ ছাড়াও নাগরিক সাংবাদিকরা নিজেরাই ছবি ধারণ করছে, ভিডিও ধারণ করছে।

এসব প্রতিবেদন অনেক ক্ষেত্রেই মূলধারার গণমাধ্যমের পূর্বেই উঠে আসছে। অনলাইনে সাড়াও পাচ্ছে মূলধারার গণমাধ্যম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর চেয়ে। তাহলে কি নাগরিক সাংবাদিকতা মূল ধারার গণমাধ্যমকে টপকে যাচ্ছে?

পেশাদারি সাংবাদিকতার বিপরীতে নাগরিক সাংবাদিকতার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক  এখনো অব্যাহত।  ডেভিড সাইমন বলেছেন,  “শখের বশে লেখালেখি করা আনপেইড ব্লগারদের পক্ষে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, পেশাদার, ঝানু সাংবাদিকদের জায়গা দখল করা সম্ভব নয়।”

এরকম মনোভাব পোষণকারীর সংখ্যা কম নয়। এতে করে নাগরিক সাংবাদিকতা চর্চা বরাবর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আবার এতে নাগরিক সাংবাদিকতার সংজ্ঞায়নও প্রসারিত হচ্ছে। ফলে নাগরিক সাংবাদিকতার চর্চা থেমে থাকেনি।

নাগরিকের পক্ষ থেকে প্রত্যাহ্বানই তো হচ্ছে নাগরিক সাংবাদিকতা। নাগরিকের ইন্দ্রিয়কে সচেতন করে নাগরিক সাংবাদিকতা। আবার সচেতন ইন্দ্রিয়ের নাগরিকই কাঙ্খিত নাগরিক সাংবাদিক।  তাই নাগরিক সাংবাদিকতার বর্তমান থেকে ভবিষ্যৎ ইতিবাচকই।

ডিজিটাল বাংলাদেশে ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের যে পরিকল্পনা তা সফল করতে নাগরিক সাংবাদিকতা বড় ভূমিকা রাখতে পারে।  ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে নাগরিক সাংবাদিকতাকে তাই প্রণোদনা দেওয়া আবশ্যক।
বাংলাদেশে নাগরিক সাংবাদিকতা চর্চার এই চলমান যাত্রায় আপনি কি একমত-দ্বিমত কিংবা তৃতীয় মতামতের আলোচনায় আছেন? যদি না থাকেন তো পিছিয়েই রইলেন কিন্তু…!

One Response -- “নাগরিক সাংবাদিকতার আদি আমেরিকা থেকে বর্তমান বাংলাদেশ”

  1. সৈয়দ আলি

    লেখক খুব যথাযথ সময়ে একটি অত্যন্ত জরুরী বিষয় নিয়ে লিখে পাণ্ডিত্য দেখালেন। এখনকার সময়ে এর চেয়ে বেশী জরুরী কোন কিছু দেশে ঘটছে না। তাঁকে ধন্যবাদ।

    Reply

Leave a Reply to সৈয়দ আলি Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—