গণজাগরণ মঞ্চের ছেলে মেয়েরা হারিয়ে যায়নি, তবে তারা বিচ্ছিন্ন, হতাশাগ্রস্থ এবং নানানভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। অন্যদিকে এই গণজাগরণের বিপরীতে জামায়াত- বিএনপি যে হেফাজতে ইসলামী গড়ে তোলে তারা এখনও শুধু সংঘবদ্ধ নয়, তাদের অনেক কিছু সমাজকে মেনে নিতে হচ্ছে। তাদের হুমকিতে নানান স্থানে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান সংকুচিত হয়েছে। তাদের প্রচারের কারণে, অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে পহেলা বৈশাখ একটি বিশেষ ধর্মের অনুষ্ঠান, এটি আমাদের বাঙালির জাতীয় উৎসব নয়। সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেফাজত ও জামায়াতের লোকজন পহেলা বৈশাখের বিরুদ্ধে অবাধে অপপ্রচার চালিয়েছে এবার। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও যেমন শক্তি নেই সমাজের, তেমনি সমাজ থেকে তার কোন প্রতিরোধও আসেনি। এমনকি, মৌলবাদীদের এই অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব যেটা ছিলো, সবাইকে রাস্তায় নেমে এসে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে মানুষের ঢল নামানো- তাও নামেনি। তাই বলা যায়, এখানে একটু হলেও হেফাজত জিতে গেছে, জিতে গেছে জামায়াত- বিএনপি। ঠিক এমনিভাবে শিক্ষাসহ নানান ক্ষেত্রে হেফাজতের দাবী মেনে নিতে হচ্ছে। সর্বোপরি, দেশের মানুষের মনোজগতে ঢুকে যাচ্ছে, মুনতাসীর মামুনের ভাষায় একশ্রেনীর ‘হেজাবি’ ( হেফাজত- জামায়াত- বিএনপি) মানসিকতা। এখানেই মৌলবাদীদের সব থেকে বড় বিজয়। তারা মানুষের মনোজগতে ঢুকে যেতে পারছে। মানুষ বদলে যাচ্ছে। আর এই বদলে যাচ্ছে বলে, এই হেফাজতিরা হাজার হাজার মানুষের সামনে গার্মেন্টস কর্মী মেয়েদের নিয়ে জঘন্য সব বক্তব্য রাখছে দেশের নানান স্থানে; সেগুলো আবার জামায়াত- শিবির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে যাচ্ছে। তারা অবাধেই এগুলো প্রচার করছে। যে গার্মেন্টস কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম বা এক ধরনের আত্মত্যাগের ফলে আমাদের অর্থনীতির বড় অংশ দাঁড়িয়ে আছে, যাদের অর্থে মূলত পরোক্ষভাবে এই হেফাজতি, জামায়াতিরা আরাম আয়েস করছে, তাদের বিরুদ্ধে চালাচ্ছে জঘন্য অপপ্রচার। আর এগুলো ঠেকানোর জন্যে প্রগতিশীলদের সেভাবে কোন উপস্থিতি নেই, সংঘবদ্ধতা নেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বাস্তব মাঠে। অন্যদিকে অনেক সময় দেখা যায়, প্রগতিশীল রাজনীতিবিদদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধর্মীয় লেবাস পরে এরা নারীরা যাতে সাবলম্বী হতে না পারে, তারা যাতে অর্থনীতিতে, সমাজে কোন অবদান রাখতে না পারে এই লক্ষ্যে নানান কথা বলছে। কলঙ্কিত করছে তাদের চরিত্রকে।
এখন থেকে যদি সমাজ সচেতন না হয়, রাজনীতিকরা সচেতন না হন, সর্বোপরি যদি প্রগতিশীল তরুণ সমাজ, যাদের হাতে আগামী দিনের রাষ্ট্রের ও সমাজের ভার তারা সচেতন না হয়- তাহলে ভবিষ্যতে এই দেশে আবার নারীরা গৃহবন্দী হবে। তারা তাদের স্বাধীন রোজগারের অধিকার, তাদের যোগ্যতার পরিচয় দেবার অধিকার হারাবে। গার্মেন্টেসের মেয়েদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় লেবাসে যেভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে, এ যদি এখনই বন্ধ করা না হয়, তরুণ সমাজ যদি এদের প্রতিকার করতে না এগিয়ে আসে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। আর এই সকল  মৌলবাদীরা যে কারো না কারো এজেন্ট হিসেবে এই কাজ করছে তার প্রমাণ হলো- কখন তারা একটি বিশেষ সময়ে এ ধরনের প্রচার চালাচ্ছে? কারণ, এ মুহূর্তে চায়নায় শ্রমিকের মুজুরি অনেক বেড়ে গেছে, তারা গার্মেন্টস, জুতো, খেলনা প্রভৃতি শ্রমঘন (লেবার ডেনস) শিল্প চালাতে পারছে না। তাদের ইচ্ছে ছিলো মায়ানমার তাদের একটি বিকল্প স্থান হবে। বাস্তবে মায়ানমারের অবকাঠামো এখনো শিল্পের জন্যে সহায়ক নয়। এর বিপরীতে গত নয় বছরে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বিদ্যুত, রাস্তা, পোর্ট প্রভৃতি গড়ে তুলে দেশকে সত্যিকার অর্থে একটা শিল্পায়নের অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে আছে তরুণ কর্মশক্তি। তাই স্বাভাবিকভাবে চায়নাসহ ফার ইস্টের এবং সাউথ ইস্টের সকল দেশের শ্রমঘন শিল্প এখন বাংলাদেশে চলে আসবে। তারা ওই সকল স্থান থেকে তাদের কারখানা বাংলাদেশে শিফট করবে। তাই বাংলাদেশের অতি বড় নিন্দুকও বলবেন, বাংলাদেশে এখন এশিয়ায় বিনিয়োগের একটি হাব হতে চলেছে। কোন দেশ যখন বিনিয়োগের পীঠস্থান হয়ে ওঠে তখন ওই দেশে নারীরা প্রায় সমহারে কাজে বেরিয়ে আসে। এই মৌলবাদীরা মূলত বাংলাদেশের এই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঠেকাতেই সংঘবদ্ধভাবে নারীদের পিছনে উঠে পড়ে লেগেছে। যাতে নারীরা ঘর থেকে বের হতে না পারে, যাতে দেশ প্রয়োজনীয় শ্রমশক্তি না পায়, দেশ যাতে উন্নত না হয়। তারা যে দেশের কোন উন্নয়ন চায় না তা তাদের একটি দল বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়। বাংলাদেশ যে সময়ে নিজস্ব স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করছে, মহাকাশে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপন হয়েছে -তার পর পরই অর্থাৎ ১২ মে শনিবার প্রেসক্লাবের একটি আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, “ এটা আগে ঘুরুক, আবর্তন করুক পৃথিবী, পরিক্রমা করুক, তখন দেখা যাবে।” একেবারে গ্রামীন সেই গল্পের মতো, চাকরি পেলে কী হয়, বেতন পাবে না। বেতন পেলেও সে টাকায় চলবে না। তবে কথা তাদের গ্রামীন ওই পরশ্রীকাতর ব্যক্তির মত হয়েছে ঠিকই কিন্তু বাস্তব উদ্দেশ্য দেশের উন্নয়ন ঠেকিয়ে রাখা। দেশের মানুষের নিশ্চয়ই মনে আছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবার জন্যে খালেদা জিয়া ওয়াশিংটন টাইমসে চিঠিপত্র কলামে নিজ নামে চিঠি লিখেছিলেন। তাই গার্মেন্টেসের মেয়েদের বিরুদ্ধে যে সব হেফাজতি, জামায়াতি তথাকথিত মৌলনারা অশ্লীল কথা বলছে, মির্জা ফখরুলের স্যাটেলাইট নিয়ে দেয়া বক্তব্য আর খালেদা জিয়ার সেদিনের ওয়াশিংটন টাইমসের চিঠি সবই একই সূত্রে গাঁথা। সব কিছুর মূল উদ্দেশ্য দেশের উন্নয়ন ঠেকিয়ে রাখা। আর দেশের উন্নয়ন ঠেকিয়ে রাখার একটি বড় পথ হলো নারীদেরকে গৃহবন্দী করা।

স্বল্প শিক্ষিতা বা স্বাক্ষর নন এমন নারীদেরকে যেমন জামায়াতি ও হেফাজতিদের দিয়ে বন্দী করার চেষ্টা চলছে; তেমনি, শিক্ষিত নারী সমাজ যাতে আর সরকারি চাকুরিতে আগের মত বেশি না যেতে পারে সে কাজ তারা করলো এবার কোটা বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে। চিহ্নিত ছাত্র শিবিরের ছেলেদের নেতৃত্বে হওয়া এই কোটা বিরোধী আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের যতটা পারা যায় ততটাই তারা অপমান করেছে। পাশাপাশি মৌলবাদীদের যে মূল উদ্দেশ্য- নারীদের গৃহবন্দী করা, নারীরা যাতে সমাজের কোন ক্ষেত্রে নেতৃত্বে না আসে সেটা রোধ করার কাজটি তারা সফলভাবে করেছে। কেন কোটা বিরোধী আন্দোলনের দিনে কয়েকটি মেয়ে নারী কোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলো তা সত্যিই বোধগম্য নয়। তবে এটুকু বোঝা যায়, তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া যদি দেশের রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার জন্যে লবিস্ট ধরে ওয়াশিংটন টাইমসে চিঠি ছাপানোর ব্যবস্থা করতে পারে তাহলে তার কর্মীরা নারী হয়েও নারী কোটার বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে পারে। যাহোক, ওই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সরকারি চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিল করেছেন। এই সব ধরনের কোটা বাতিলের ফলে ১০% নারী কোটাও বাতিল হয়েছে। এই নারী কোটা বাতিলের কারণে এখন যে সরকারি চাকরিতে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। বাস্তবে সরকারি চাকরিতে নারী ও পুরুষের অনুপাত হওয়া উচিত ছিলো ৫০ঃ৫০। অর্থাৎ নারী পঞ্চাশ ভাগ পুরুষও পঞ্চাশভাগ;  এখন সেখানে দশভাগও নারী নেই। তারপরে এই নারী কোটা বাতিল হলে এর অনুপাত আরো কমে যাবে। সরকারি চাকরি থেকে এভাবে নারীদেরকে হটিয়ে দিতে পেরে মূলত জিতে গেল মৌলবাদীরা। কারণ, তারা সব সময়ই নারীদের চাকরি করার বিপক্ষে। তারা নানানভাবে নারীদের চাকরি থেকে বিরত রাখার চেষ্টা সব সময়ই করে আসছে। এবার সাধারণ ছাত্র সমাজকে চাকরির কথা বলে বিভ্রান্ত করে এই ছদ্মবেশি মৌলবাদীরা সরকারী চাকরি থেকে নারী কোটা বাতিল করাতে পেরে মূলত তাদের উদ্দেশ্য অর্থাৎ জামায়াত হেফাজতের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী সকল প্রকার কোটা বাতিল করেছেন। তাই তিনি তার সিদ্ধান্ত বদল করবেন কিনা আমরা জানিনা। তবে দেশের প্রগতিশীল নারী সমাজ, তরুণ সমাজের এখন অবশ্যই নারী কোটার পক্ষে কথা বলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বরাবর যাতে তারা কথা বলতে পারেন, সেভাবেই তাদের নামতে হবে। কারণ, সরকারি চাকরি থেকে নারীদের ঘরে পাঠানোর এই প্রক্রিয়ায় যদি মৌলবাদীরা শেষ পর্যন্ত জিতে যায় -তাহলে তারা পরবর্তীতে নারীদেরকে আরো কঠোরভাবে বন্দী করার পথে নামবে। দেশটাকে তারা তালেবানী আফগানিস্তানের মতই একটি দেশ সৃষ্টির দিকে নিয়ে যাবে। কারণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এদের যে সব বক্তব্য শুনি তাতে মনে হয় না এরা কোন মায়ের পেট থেকে এসেছিলো, মনে হয় না এদের মা বোন আছে। নারী এদের কাছে কেবল ভোগ্যপণ্য মাত্র। তাই দেশের সচেতন নারী সমাজ, তরুণ সমাজ যদি এখনও বসে থাকে তাহলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে এই সমাজের ও সভ্যতার।

স্বদেশ রায়সাংবাদিক

১৩৩ Responses -- “শেষ অবধি কেন মৌলবাদীরা জিতছে?”

  1. জিকরুল বারী তমাল

    দয়া করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে মৌলবাদের সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না।

    Reply
  2. রুমানা

    এই লেখক কার দালালি করছে জানি না। কিন্তু এত এত ছেলেমেয়েরা জামাত শিবির হয়ে গেলে তো সরকারের ইজ্জত থাকে না। আওয়ামীলীগ সংখ্যালঘু হয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংখ্যালঘু হয়ে যায়

    Reply
  3. Shakil

    মাহিবুল ভাই,
    আপনার কি কোন কাজ নেই?
    বেকার নাকি? এইভাবে বেকার থাকলে তো ছিনতাই অথবা ইয়াবা ব্যবসায় দিকে ঝুকে পড়বেন। তাড়াতাড়ি একটা কাজ নিয়ে নেন। অবশ্য আপনাদের মত লোকদের ভাল কর্ম চালিয়ে যাওয়া মুশকিল। এক কাজ করেন এসব আবোল তাবোল না বলে ডগাসহ একটা লাউ কিনেন। তারপর লাউয়ের ডগা খেয়ে বাকিটা দিয়ে ডুগডুগি বাজিয়ে সময় পার করেন। অন্তত নিজে ব্যস্ত থাকবেন আর অন্যকে এই সমস্ত আবোল তাবোল শোনা থেকে মুক্তি দিবেন।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      শিয়াল তাড়াইতে আইছি।

      কি যে কও বাই বেকার থাকমু কেমনে। আমি কি শেখদের আরবী টেকার ভাগ পাইছি, নাকি দশ বছর আগে যহন হওয়ায় টেকা উড়ছিলো হেইকালে বাতাসে থাবা দিতে পারছি।

      খাইতে অইবতো, তাই বাগানে কচু বুনছি। অহন কচুক্ষেতে শিয়াল পড়লে কি করা যাইব, সব কাম ফালাইয়া শিয়ালের পিছেইতো লাইগা থাকতে অইবো। নাকি কও ছোড ভাই!

      তা ছোড ভাই এই মহল্লায় নয়া নিকি! তা বেগুনের ব্যবসা ফালাইয়া এই হানে কেন? ইয়াবা ফুরায়া গেছে? কাষ্টমার ফালায়া সব কাউলা করবারীরা ভাগছে বুঝি? তাই নতুন দোকান খুজতে আইছ? এই হানে জুইত অইবো না, ঘুপচি ঘাপচিতে যাইয়া উকি দিয়া দেহ! সাবধান, আবার গরম ভাতের মার দিয়া থোতা পোড়াইয়ো না আবার!
      অইছে, না আট্টু লাগবো। লাগলে কইও

      Reply
  4. mak

    কারা মৌলবাদী? যারা নিজের রাজনৈতিক, ধর্মীয় মতবাদ ও চিন্তাকে অভ্রান্ত এবং চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য শেষ পর্যন্ত চরমপন্থা বেছে নেয়। কিন্তু বাংলাদেশে এক শ্রেণীর লেখক, চিন্তাবিদ মৌলবাদ বলতে শুধু ইসলামিক দলগুলোর দিকেই অঙুলি নির্দেশ করতে পছন্দ করেন। ইংরেজী Fundamentalist শব্দের বাংলা অনুবাদ মৌলবাদ। অথচ Fundamentalist শব্দটি ব্যবহার করা হতো চরমপন্থী খ্রিস্টানদের বোঝানোর জন্য।

    Reply
    • সুনীল আকাশ

      সহমত । বাবু স্বদেশ রায় ও জানে । কিন্তু বোঝেন তো ” dollars are green” .

      Reply
  5. সুনীল আকাশ

    এক মুহিবুলরে দেখতাছি হাছামিছা কইয়া হাস্যস্পদভাবে লড়ে যাচ্ছে!!! আর লোকজন নাই! বেচারা একা আর কত নিবো? এই হলো দেশের অবস্থা। সত্যের ভার একটু বেশী থাকে মিথ্যা হয় হালকা ।

    Reply
    • mak

      সত্যের ভার একটু বেশী থাকে মিথ্যা হয় হালকা ।
      –ভালোই কইছেন। তয় কোনটা যে সত্য সেটাই তো বড় সমস্যা। সত্যটা জানা গেলে মিথ্যাটা আর জানা লাগে না। কারণ সত্য ছাড়া বাকি সব কিছুই মিথ্যা। সত্যের কিন্তু একটা চিরন্তন সংজ্ঞা আছে। দিয়া গেছেন আমাদের রবি ঠাকুর। সেইটা হইলো, সেই সত্য যা রচিবে তুমি, ঘটে যা সব সত্য নয়। সোজা কথা, আমি বা আমরা যাহা বলিব, লিখিব তাহাই সত্য; আর তুমি বা তোমরা, তুই, সে বা তাহারা যাহা বলিবে, লিখিবে সব মিথ্যা।

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      ভূয়া কথা বলার জন্য অনেক নাম লাগে। সত্য কথা আসল নামেই বলতে হয়। এই কাল সেই কাল – সবকালে – সত্য কখনোই মুখোশ পরে না।

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      অন্ধকারাচ্ছান্ন সুনীল আকাশ,
      পাঁকে মুখ ডুবে গেলে ‘হাছা মিছা’ সবই এক রকম লাগে। শত মুখের মিথ্যার জবাব দেয়ার জন্য এক মুখই যে যথেষ্ঠ – এবার বোঝা গেলো তো!

      আপনাদের সত্যের সার্টিফিকেট লাগে বুঝি, আমাদের লাগে না। আপনাদের সার্টিফিকের জন্য লিখিনি, মানুষের পড়ার জন্য লিখেছি। যে বোঝার সে বুঝলেই হলো – চোখে ঠুলি পড়া অপগন্ডরা বুঝবে কি, তাদের তো পড়ারই সামর্থ নেই।

      (সমালোচনা করার করেন। শুনবার ধৈর্য আছে আমার। সুনির্দিষ্ট করে বলুন, কোনটা মিথ্যা লিখেছি। আপনি আমার মতের বিরুদ্ধে হতে পারেন, আমি সম্মানের সাথে আপনার কথার জবাব দেবো। আর যদি উল্টা পাল্টা বলেন, গালিগালাজ করেন – আমার কিন্ত গালির ফাইল সেভ করা আছে। চ্যালেঞ্জ করলাম পারবেন না।)

      Reply
  6. আইরিন

    এই প্রথমবার আপনার লেখার প্রথম অংশ পড়ে ভাল লাগলো কারন আপনি স্বীকার করে নিলেন সাধারণ নাগরিকেরা নিজস্ব চিন্তা চেতনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, পালিত বুদ্ধিজীবি আর তথাকথিত অপপ্রচারে কান দিচ্ছেন না। তবে মানবতাবোধের এত নিম্নস্তরের অবস্থান সত্যই আমাদের কাঁদায় – বর্ডারের হত্যাযজ্ঞ আর খাসীর মাংশের জন্য হত্যাকাণ্ডে আমাদের আলোকবর্তিকাগণ একেবারেই বোবা।

    Reply
  7. রানা

    কলামটি ভাল করে পড়লাম, বোঝার চেষ্টা করলাম মৌলবাদী বলতে কাদেরকে বুঝাতে চাইলেন? আর মৌলবাদীরা কোন কোন জায়গায় জিতেছেন। শেষে বুঝতে পারলাম বিষয়টা কোনও জ্ঞানপাপী, চাটুকারদের মতই হয়ে গেল। এত পক্ষ নিয়ে কথা বলতে চাইলে কলাম না লেখাই শ্রেয়। কারণ আমরা যারা কলাম পড়ি তারা সামান্য পরিমাণ হলেও নিরেপক্ষতা আশা করি।
    এখন কেন নিরপেক্ষ হয়নি বলছি, মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশের নাগরিক হয়ে মুসলিমরা নিজেদের কোন দাবী পেশ করতে পারবে না, এইতো চান আপনারা? নিজ দেশে পরবাসীর মত থাকতে হবে কোন বিষয়ে কথা বলা যাবে না? সরকার কি শুধু ১০% এর জন্য বাকি ৯০% এর জন্য নয়?

    কোটা নিয়ে কথা বললেন, আমার প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী কেন কোটা বাতিল করল? তারা চাইল সংস্কার প্রধানমন্ত্রী করলেন বাতিল! এটা কি যারা সংস্কার চায় তাদের দোষ? তারা তো কাউকে বঞ্চিত করতে চায় নি। শুধু অসহনীয় বৈষম্য কমাতে চাইল। ২২ লাখ তরুণের হাহাকার দেখেননি দেখেছেন শুধু ভুয়া সনদধারী মানুষের কথা। আপনাদের নাক এত প্রখর যে এ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনেও মৌলবাদী ঘ্রাণ খুজে পান এখানে যে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার সন্তান (ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বাদে) এবং হিন্দু ও অন্য ধর্মের ভাইয়েরা সাপোর্ট দিয়ে আসছে, সেটা জানেন না? তারাও কি মৌলবাদী? পাঠ্যপুস্তকে যখন রাবণ, বৌদ্ধ, মন্দির, রবীন্দ্রনাথ প্রসঙগ আলোচনা হয় তখন সেটা মৌলবাদী হয় না। ওড়না শব্দটা আসলেই সেটা মৌলবাদী হয়ে যায়, না? এই দেশে মুক্তিযোদ্দাদের সম্মান কারা নষ্ট করছে ভাল করে অনুসন্ধান করে দেখবেন আশাকরি। মুক্তিযোদ্ধা সনদের এই রমরমা বাণিজ্য নিয়ে কোন দিন কথা বলেছেন? দেশে যদি ৩০ লাখ শহীদ হয়ে থাকে তাহলে তাদের সনদ কই? কেন টাকার বিনিময়ে সনদ বিক্রি হয় আর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বঞ্চিত হন?
    এই প্রশ্ন নিয়ে যদি কাজ করা যেত তাহলেই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ফেরানো যেত এবং প্রতিষ্ঠিত হত।

    Reply
    • আইরিন

      জনাব রানা, আপনি যুক্তি সংগত অভিমত দিচ্ছেন। মৌলবাদীরা তো আমাদের অবলা বলে না উনি কেন বলছেন! নিজের মেন্টালিটি শুদ্ধ করতে হবে আগে। আমাদের মেয়েরা যথেষ্ট মেধাবী তারা মেধা দিয়েই নিজেদের জায়গা করে নিতে যে পারছে তা বোঝার জন্য মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এর রেজাল্ট দেখলেই পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে। সেইদিন খুব দূরে নয় যেদিন জেলা কোটার মত ছেলেরা কোটা চাইবে।

      একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সহ সম্পাদক সাহেব গার্মেন্টস সেক্টর কিভাবে ধ্বংস হচ্ছে তা না জানার ভাব করে সকাল বিকাল দুমুঠো খেতে পারে না সেই মৌলবাদীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে দৃষ্টি ভারত থেকে কোথায় নিয়ে গিয়ে আবার বোকা বানানোর চেষ্টায় রত।

      Reply
  8. আতাহার হোসাইন

    ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন এর দাবি অনুযায়ী সংস্কার না করে পুরো কোটা বাতিল করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নারীদের ১০ শতাংশ কোটা উঠিয়ে জামাতীদের ফাদেঁ কেন পা দিলেন, স্বদেশ বাবু এই প্রশ্নটি শেখ হাসিনাকে করতে পারবেন?

    বিড়ালের সাথে রাগ করে ভাতের প্লেট ছুড়েঁ ফেলে দেওয়া কি সমীচীন?

    Reply
  9. mohammed hasan

    নামে “কোটা সংস্কার” আন্দোলন হলেও এটা ছিল মূলত “কোটা বিরোধী” আন্দোলন; চাকরির মুক্ত বাজার তৈরির আন্দোলন। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে, বাজার অর্থনীতির স্রোতের তোড়ে এদেশের সাম্যবাদী, সমাজতান্ত্রিক, এমন কি পুজিবাদী ‘কল্যাণ রাষ্ট্রে’র ধারণায় বিশ্বাসী সবগুলো মহল ভেসে গেছে। এখন সবাই মুক্ত বাজারে প্রতিযোগিতা চায়। প্রতিযোগিতার এই বাজারে শুধু ”মেধাবীদের” স্থান থাকবে।
    কোটা নয়, মেধার ভিত্তিতে চাকরি? তুমি কিসের মেধাবী হে? মেধাবী হলে আমলা বা কেরানী হতে চাও কেন? বিজ্ঞানী হও দেখি! মেধাবী হলে চিন্তায় ও কর্মে সৃজনশীল হও। তোমার আন্দোলনই বলে দিচ্ছে, তুমি মেধাবী নও। তুমি মূলত সুবিধাবাদী। তুমি দুর্বলের সকল সুবিধা কেড়ে নিয়ে নিজের সুবিধা নিশ্চিত করতে চাও। তোমার মস্তিষ্ক সে ভাবে কাজ করে না বলে তুমি বড় কিছু চিন্তা করতে পার না। মেধাবী হলে বড় কিছু ভাবতে। বড় কিছু নয়; তুমি ঘুষের চাকরি পাওয়ার জন্য ব্যাকুল। একজন মেধাবী মানুষ সরকারের কেরানী হওয়ার জন্য কেন ব্যাকুল হবে?

    Reply
    • mahfuja

      বা, mh সাহেব! বা? ভাত পাই না উনি আবার চা চান!!!!!!! কোটিপতির সন্তানেরাও বিদেশের ডিগ্রী নিয়েও বিজ্ঞানীর স্বপ্ন দেখে না। কারণ এদেশে বাচাঁর জন্য মানুষ চাকুরি করে। আর পড়ালেখার উদ্দেশ্যই চাকুরি।বিজ্ঞানী হবে? পিয়নের চাকুরির জন্য মারামারি করে সবাই, তিনি বিজ্ঞানীর স্বপ্ন দেখান!!! আপনাদের মত দেশের গরীবদের চুষে খাওয়া লোকেরা ঐ স্বপ্নই দেখে। আর আপনাদের বাড়ির চাকররা পর্যন্ত হুমকি দেয় আমি কে জানিস? দেশে মানুষের হাহাকার আর উনি বিজ্ঞানী হবেন। আপনারা সম্পদ খেকোরা বিজ্ঞানী হতে পেরেছেন? আপনার তো পরিবারের চিন্তা নাই। জমি বিক্রি করে, এনজিও হতে লোন নিয়ে, পান্তাভাত খেয়ে পরীক্ষা দেন নাই? দিয়েছেন তো এসিতে ঘুমিয়ে, এসি গাড়িতে চড়ে, আর আপনারাই তো ধান গাছ চেনেন না। বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এগুলা কি ফুল গাছ!!! আশাকরি উত্তরটা পেয়েছেন–

      Reply
  10. mohammed hasan

    অসম প্রতিযোগিতার রাজ্যে আমার সন্তানকে রেখে যেতে চাই না। সেই প্রতিযোগিতায় আমার সন্তান যদি সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে, তবুও না। কারণ আমার সন্তান সবল হলেও আমার ভাইয়ের একটি প্রতিবন্ধী সন্তান আছে। আমার সবল সন্তানটির সঙ্গে ঐ প্রতিবন্ধী শিশুটি জীবনের দৌড়ে পাল্লা দেবে – এ রকম লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড দেখতে চাই না। প্রতিবন্ধী শিশুটিকে খেলায় হারিয়ে আমার শক্তিমানপূত্র বিজয়ের দেতো হাসি হাসবে? এরকম হিংস্র প্রতিযোগিতার রাজ্যে আমার সন্তানকে রেখে যেতে চাই না।
    এক পায়ে চলা মানুষটির জন্য, পিছিয়ে পরা মানুষদের জন্য, সংকটগ্রস্ত মানুষদের জন্য, বঞ্চিত মানুষদের জন্য সুরক্ষামূলক রাস্ট্র ব্যবস্থা চাই। প্রত্যেকের সুরক্ষা ও অগ্রগতির জন্য সংরক্ষিত কোটা চাই।
    Survival of the fittest অর্থাৎ `যোগ্যতমের টিকে থাকা’ -জঙ্গলের তত্ত্ব। দেশটা জঙ্গল নয়। এখানে মানুষ বাস করে। মানুষের দেশে মানবিক সমাজ চাই। জোর যার, মুল্লুক তার – তা হবে না। শুধু শক্তিমান বাঁচবে তা হবে না। শুধু মেধাবী বাঁচবে, কম মেধার মানুষ টিকতে পারবে না – এ রকম অসভ্য চিন্তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই হবে। আমার পরিবারে ৫ টি ছেলে। তাদের দুই জন মেধাবী, দু্ই জন চলনসই এবং এক জন বোকা ধরণের। এই ৫ জনের মধ্যে শুধু মেধাবী দু’জন বাঁচবে? বাকিদের কোনো কাজকর্ম থাকবে না? তাদের বাঁচতে হবে না? যার দাত আছে সে অন্য প্রাণীকে কামরে খাবে – দেশটাকে এমন জঙ্গল বানাতে দেয়া যায় না। যে দুর্বল তাকেও খেয়ে পড়ে বাঁচতে দিতে হবে। যে আপাত দৃষ্টিতে দুর্বল তাকে সবল ও কর্মশক্তিতে বলিয়ান হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

    Reply
  11. সরকার জাবেদ ইকবাল

    একটি বিষয়কে আমার কাছে অশনি সংকেত বলে মনে হচ্ছে। এই ফোরামে কিছু ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ ঢুকে পড়েছে। তবে আমরা অধিকাংশই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক এবং অনুসারী হয়েও একে অপরের সঙ্গে হানাহানিতে লিপ্ত, পরস্পরকে ‘রাজাকার’ বলে গালাগাল দিচ্ছি। এটা ঠিক নয়। আমাদের এই বিচ্ছিন্নতার সুযোগ নিয়ে ‘ওরা’ ধীরে ধীরে নিজেদের জায়গা করে নেবে, যা জাতীয় রাজনীতিতে তাদের অন্যতম একটি কৌশল। অতএব, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরাধ করছি। কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করি, নিজেদেরকে সংঘবদ্ধ করি; দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে। ‘ওরা’ সুই হয়ে ঢুকে গজাল হয়ে বের হতে জানে!

    Reply
    • বাঙাল

      @ সরকার জাবেদ ইকবাল আপনি নিজে, সৈয়দ আলী (এই লোকটি তো একাত্তরে রীতিমত রাজাকার ছিল- তখন তার বয়স ১৯ বছরের জাফর ইকবালের চেয়েও বেশী ছিল), শ্যামল কান্ত, MahibuL Ahsan, Mute Spectator এরা নিজেদের “একাত্তরের ঘাতকদের দালাল” হিসাবে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন এই ফোরামে। আমার যারা মুক্তিযুদ্ধের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত তারা কিন্তু আপনাদের প্রথমেই চিনতে পেরেছি। তাই আপনার মুখে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেন, তখন প্রশ্ন জাগে কোন মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন। আমরা বিচ্ছিন্ন নই, দেখুন না এই ফোরামেই আমরা মাত্র কয়েক জন আপনাদের বিরুদ্ধে কিভাবে সোচ্চার। আমি নিশ্চিত এখানে আমরা যারা সত্যিকারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক তারা একই ফোরামেই পরস্পরকে চিনতে পেরেছি। এখন আপনি যে ভাষাতেই কথা বলেন না কেনো আপনার পরিচয় আপনি লুকাতে পারেন নাই।
      যেমন ছাত্রশিবির যতই পরিচয় লুকিয়ে বলুক- বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, কোটার ঠাঁই নাই। শেষ বিকালে কিন্ত তাদের পরিচয় ঠিকই বের হয়ে পরেছে।

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        @বাঙাল, বেশ কথা। এবার আবিষ্কার করেছেন আমি রীতিমত রাজাকার ছিলাম, বয়েস ছিলো ঊনিশের বেশী। বাহ্‌, আওয়ামী লীগ কি ইদানীং তাদের বুটচাটাদের গাঁজাও দেয়? নাহলে এই গাঁজার নৌকা আকাশ ভেঙ্গে আসে কি করে?
        আমি আভাসে ইঙ্গিতে আমার একাত্তরের অবস্থান বোঝাতে চেয়েছি। আপনি ধরে নিয়েছেন আপনার বাপ ছাড়া কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেনি তাই আমার ইঙ্গিত অগ্রাহ্য করেছেন। তবে আপনার ফাঁদে পা’ দিচ্ছি না। শুধু বলে রাখছি যে বাপের নাম ভাঙ্গিয়ে খাচ্ছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর চেয়ে আমার অবদান কম নয়। আর, আপনার পরিচয় আমি বের করে ফেলবো। তখন পরিচায় হবে। 🙂
        সরকার জাবেদ ইকবালকে আপনিই রাজাকার লেবেল সেঁটে দিয়েছিলেন। এখন তাঁকে আবার পক্ষে টানছেন? মতলবটা কি? সরকার জাবেদ ইকবাল, সতর্ক হোন।

      • mahfuja

        খালি কলসি বাজে বেশী- ভরা কলসি বাজে না
        রুপের মেয়ে সাঁজে বেশী- রুপ নাই সে সাঁজে না।
        যারা বেশি নিজেকে জাহির করে। খবর নিয়ে দেখেন সে বা তাদের বাপেরা ইন্ডিয়া বা গর্তে ছিল অথবা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। চ্যালেন্জ করলাম এরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয়!! কারণ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা বলতে শুনি।সার্টিফিকেট,ভাতা,মানুষের সমঅধিকার কেড়ে নেবার আর অহংকারের জন্য যুদ্ধ করি নাই। দেশ স্বাধীন হয়েছে, মানুষ মুক্তি পেয়েছে, স্বাধীন গণতন্ত্র পেয়ছি এতেই আমরা সন্তুষ্ট। কিন্তু আজ চোর আর জালিয়াত, সুবিধাবাদী, ভুয়াদের জন্য আমরা কলঙ্কিত হচ্ছি।

      • MahibuL Ahsan

        হ্যালো, ভাই বাঙাল। আবিষ্কারের আগে ‘পাইছি পাইছি’ বলে লাফালে কি করে হবে। ভালো করে চারিদিক তাকান!

        দুঃখিত। দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বল্লাম। আপনাদের এই পাতায় আমার ক’লইন লিখা আছে। পড়ে দেখলে কৃতার্থ হবো।

      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        সুপ্রিয় বাঙাল, সত্যি কথা বলতে ভয় পান? তাই ছদ্মনামে লেখেন? আমার সে’ ভয় নেই। তাই স্বনামেই লিখি। (সম্ভবত আপনি আমাকে চেনেন, যেহেতু এনজিও সেক্টরে আছেন। এ রকম ব্যক্তিগত আক্রমণ ঠিক নয়।)

        যাই হোক, আমার অবস্থা হয়েছে এখন, – “কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই।” আমি ‘রাজাকার’ নই তা যদি আমাকে প্রমাণ করতে হয় তার চেয়ে লজ্জার আর কিছু হয় না। তারপরও লজ্জার মাথা খেয়ে আপনাকে কয়েকটি তথ্য দিচ্ছি:

        ১৯৭৯ সালে কলা ভবনের নিচতলায় (ঢাবি নয়) শিবির পিটিয়েছিলাম কেন? রাজাকার ছিলাম বলে? ১৯৮০ সালে হল সংসদে সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম কেন? রাজাকার ছিলাম বলে? ১৯৮১ সালে কেন্দ্রিয় সংসদে নাট্য সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম কেন? রাজাকার ছিলাম বলে? ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত মহিলা সমিতি মঞ্চে মঞ্চ দাপিয়ে অভিনয় করেছি। রাজাকার ছিলাম বলে? আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের কোন অস্তিত্ব ছিল না, এখনও নেই। আমার পরিচয়তো খোলাসা করেই দিলাম, খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

      • MahibuL Ahsan

        প্রিয়, সরকার জাবেদ ইকবাল, গতকাল বা পরশু, এই পাতায় বা জাফর ইকবালের পাতায় আমি বলে ছিলাম কিন্তু – ‘আমি রাজাকার নই’, ‘আমি রাজাকার নই’ – এই কথা পাতার পাতা লিখে যেতে হবে, দিনের পর দিন বলে যেতে হবে।

        ক্ষতি যা করার তাতো করেই ফেলেছেন। এখন একটা পরামর্শ দেই। ‘আমি রাজাকার নই’ বলে লাভ নেই, তারচেযে় ভালো – ঠাইসা রাজাকারদের গালি দিযে় যান। ট্রাই করে দেখেন। আমার টোটকায় কাজ হতেও পারে। আর কিছু মনে না করলে একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন – ‘কোন এনজিও’তে কাজ করেন?’ ঐ আঙ্গিনায় এই অধমেরও একটু পদচিহ্ন আছে কিনা!

      • MahibuL Ahsan

        প্রিয় বাঙাল, একটা প্রশ্ন করেছিলাম। জবাব পাবো আশা ছিলো। এখনো পাইনি। আপনার পোষ্টে আমার নাম উল্লেখ করেছেন। কেন করেছেন সেটাতো আপনাকে জানাতেই হবে!
        ছেট্ট একটা জ্ঞানের কথা বলি – “লেখার আগে পড়তে হয়। আমরা ‘ক’, ‘খ’ আগে পড়ি তার পর লিখি। আর, মাযে়র কাছে আগে শুনি, তার পর বলতে শিখি।”
        আপনার পোস্টে আপনি লিখেছেন – “……………….শ্যামল কান্ত, MahibuL Ahsan, Mute Spectator এরা নিজেদের “একাত্তরের ঘাতকদের দালাল” হিসাবে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন এই ফোরামে।”। কেন লিখেছেন। দয়া করে বলবেন প্লিজ।

    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      পুনশ্চ: ড. জাফর ইকবাল বাংলাদেশের একজন বরেণ্য শিক্ষাবিদ এবং লেখক। তাঁর মেধা ও প্রজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করা যায় না। তবে তাঁর আপসকামিতার সমালোচনা হতেই পারে, ব্যক্তি জাফর ইকবালকে অসম্মান করা যাবে না।

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        @সরকার জাবেদ ইকবাল, এই পরজীবি, বাপের নাম ভাঙ্গিয়ে খাওয়া জীবটি, ধরে নিয়েছে, তার মতো যে দু’তিন জন বিনা শর্তে আওয়ামী লীগের বুট চেটে রুটি হালুয়া পায়, তারাই শুধু মুক্তিযুদ্ধের ‘চেতনা’র ধারক, আর আমরা সব রাজাকার। বাহ্‌, ধৃষ্ঠতা দেখুন! বলে কি না, “আমার যারা মুক্তিযুদ্ধের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত তারা কিন্তু আপনাদের প্রথমেই চিনতে পেরেছি। তাই আপনার মুখে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেন, তখন প্রশ্ন জাগে কোন মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন।”সে নাকি মুক্তিযুদ্ধের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত! এর চেয়ে হাস্যকর কথা আর কি হতে পারে? এতো দেখি আরেক মূর্খ! সরাসরি শব্দের অর্থ জানেনা। হা হা হা।
        আমি প্রবাসে বসেই একে বার করবো।

      • MahibuL Ahsan

        ওটা জাফর ইকবালের রাজনৈতিক অবস্থান। আমারও তাই। প্রতিটা মানুষের একটা রাজনৈতিক অবস্থান থাকে – মতাদর্শ নাহলেও – মতামত থাকে। দল নিরপেক্ষতাও একটা রাজনৈতিক অবস্থান। আপনার রাজনৈতিক অবস্থান, মতামত ভিন্ন হতে পারে – তাই বলে কি আপনি আমার কছে অপাংথেয় হযে় যাবেন। শুধুমাত্র সকল প্রজন্মের রাজাকারা আমার কাছে কেবল অপাংথেয় নয় – অস্পৃশ – ওদের ছুলেও পাপ। ওরা নর্দমার কীটতুল্য!

      • সৈয়দ আলী

        @সরকার জাবেদ ইকবাল, বাঙালের কথায় বিচলিত হবেন না। এদের কাছে রাজাকার কারা নয়? মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক একে খন্দকার, কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম, জিয়াউর রহমান বীরোত্তম, সেক্টর কমান্ডার কর্নেল নুরুজ্জামান – সবাই রাজাকার, আমি আপনিতো কোন ছাড়!
        আবার বাঙালদের কাছে রাজাকার নয় কারা? নুরু মিয়া রাজাকার নন, তাঁর পুত্র পাকি ক্যাপ্টেনের রাইফেল কাঁধে নিয়ে হিন্দুদের বাড়ি দেখিয়ে দিতেন, তিনি রাজাকার নন। একাত্তরের মুজাহিদ বাহিনী প্রধান শফি (তেঁতুল হুজুর) রাজাকার নন। ক্যাটাগরি করার কায়দাটা কি? যারা আওয়ামী লীগের বুট বিনা প্রশ্নে চাটবে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী, রাজাকার নয়।
        এই নির্বোধ এতো ফটফটানি করে দম্ভ দেখায় সে ছয় ডিজিটের বেতনে চাকুরী করতো। কী হাস্যকর! এতো শুনলে অজ্ঞান হয়ে যাবে যে কারো কারো বাড়িভাড়ার লিমিট ছিলো অর্ধ লক্ষাধিক!

      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        জনাব সৈয়দ আলী, ওরা অনেক আগেই ‘জয়বাংলা’ আর ‘বঙ্গবন্ধু’কে পকেটে ভরে নিয়েছিলো। গণজাগরণ মঞ্চ জয়বাংলাকে ওদের পকেট থেকে বের করতে পেরেছে, কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে বের করতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশ ওদের বাপ-দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি (আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করার জন্য অনুতপ্ত)। Anyway, don’t loose your temper, you will loose the game!

    • MahibuL Ahsan

      স্বাধীনতা বিরোধীদের একটু চিনিয়ে দিন না ভাই

      মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা বিতর্কে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে কথা বলতে হবে। ইনিয়ে বিনিয়ে ভূয়ার ধুঁয়া তুলে, নাতিপুতির কথা বলে কেউ মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে কথা বললে প্রতিবাদ করতে হবে। যে এসব করবে না সে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের লোক- সে একশ’ বার রাজাকার।

      যে দেশে ভূয়া পুলিশ, মেজিষ্ট্রেট, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এমনকি ভূয়া মেধাবীও (এক দুইটা না, হাজারে হাজার) আছে – সেই দেশে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার ধুঁয়া তুলে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় করে – তারা শুধু স্বাধীনতাবিরোধী নয়, দেশবিরোধী রাজাকার। তাদের কাছে পাকিস্তান এখনো পেয়ারা দেশ। ঐসব পাকিস্তান পিয়ারিদের ছাল দেখেই চিনা যায়। দুই বাক্য লেখা দেখেই বোঝা যায়।

      ক্যাডার সার্ভিসের ২০০০ পদের মধ্যে যেখানে ১০০০ পদ ঘুষ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পূরণ হয়; আর মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিয়োগ পায়- সেখানে ঘুষ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে কথা না বলে মুক্তিযোদ্ধা কোটার অজুহাতে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের যারা বেশুমার গালাগাল দেয়ার সাহস দেখাতে পারে- তারা স্বাধীনতাবিরোধী নয়, ’৭১এর সাহসী রাজাকার, হিংস্র আলবদর।

      দেশের বিপুল বেকারত্ব দূর করার জন্য কর্মসংস্থানের দাবী না তুলে, সিভিল সার্ভিসের দুই আড়াই হাজার পদের লড়াইয়ে কোটার ধুয়া তুলে যারা সংবিধান দেখায় তারা অবশ্যই মিথাবাদী। মিথ্যাবাদী, প্রতারকরা কখনো স্বাধীনতার পক্ষের লোক হতে পারে না।

      আজকের সময়ে ‘উপজেলা নির্বহী অফিসারের চেয়ে গার্মেন্টেসের এক জন সুপারভাইজারও বেশী বেতন পায়। সেখানে বিনিয়োগ বাড়িয়ে লাখ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির দাবী না তুলে ১০/২০ টি সরকারী চাকরীর জন্য লড়াইটাকে ধান্দাবাজী ছাড়া আর কি বলা যাবে! ধান্দাবাজরা অবশ্যই দেশবিরোধী। সহসাই তা প্রমাণ হবে। এই ধান্দাবাজীর খেলায় কারা বোকা তুরুণদের বোকামী কার্যকর করার জন্য উশকে দিলো সেটাও উন্মোচিত হবে সহসাই।

      ভেবে দেখেছেন তো দাবীটা কি? সরকারী চাকরীতে অতিরিক্ত পদ সৃষ্টি? না, তা নয়, (৪০ হাজার পদ এখনো খালি আছে); খালি পদে নিয়োগ? তাও নয়। দাবীটা কি? কোটা বাতিল? না তাও নয়। দাবীটা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল! (সংস্কারবাদীদের সাথে কথা বলে দেখুন, ইনিয়ে বিনিয়ে সব কোটা’র যৌক্তিকতা মেনে নিয়ে বলবে শুধু মুক্তিযোদ্ধা কোটার যুক্তি নেই। আমারা তো কোটা বাতিল চাইনি, সংস্কার চেয়েছি।) এদের কি বলবেন? দেশ প্রেমিক, স্বাধীনতার পক্ষের লোক; নাকি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকার!

      আমার বিশ্ববিদ্যালয় পড়া ভাই বা ছেলে যদি বলতো মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা অযৌক্তিক; তাহলে গালে ঠাশ করে একাটা চড় মেরে কম্পিউটারে কপাল ঠুকে দেখিয়ে দিতাম- ‘দেখ তোর বাপের দেশ আমেরিকায় ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগান যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা যোদ্ধাদের বউ ছেলে মেয়েদের জন্য কত ভাগ কোটা আছে! আরে বেটা, বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফিরে আসা ওয়ার ভেটার্ন (যুদ্ধফেরৎ)-দের কর্ম সংস্থানের কথা ভেবেই পৃথিবীতে (ইউরোপে) প্রথম চাকরীর কোটা আসে। আর আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা কি আমেরিকার ঐ যোদ্ধা, যে ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ করে এসেছিলে (আমেরিকানরা তাদেরও ফেলে দেয়নি)।

      আর আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের উপর পাকি ও তাদের দোশররা যুদ্ধাপরাধ করেছে। দেশ সৃষ্টির জন্য মুক্তিযোদ্ধরা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে অ্যাকশন মুভির হিরোর মতো যুদ্ধ করেনি; খেয়ে না খেয়ে, ওষুধপত্র ছাড়া, চিকিৎসা বিহীন দগদগে ক্ষত নিয়ে যুদ্ধ করেছে। মুক্তিযোদ্ধার বউ ছেলে মেয়েরা পাকিদের আশ্রয়ে যুদ্ধকালে আয়েসী জীবন কাটায়নি। পাকীদের দোশর রাজাকাররা কি তাদের চিনতো না? চিনতো। খুঁজে খুঁজে তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়েছে। তাদের বউ ছেলে মেয়েরা নয় মাস খেয়ে না খেয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়িয়েছে। তাদের ছলিমুদ্দি, কলিমুদ্দি ভেবেছ? না বুঝে লাফিয়ে নিজেও ডুববে, দেশটাকেও ডোবাবে।

      সমাজতন্ত্রীদের মধ্যে স্ংস্কারবাদীরা হলো বিশ্বাসঘাতক, বুর্জোয়াদের চামচা, আপোষকামীর দল। সংস্কার ফংস্কার কিসের, নতুন করে করতে হবে।

      শেখে হাসিনা ভালোই করেছেন- বাতিল করে। (গালে ঠাস করে একটা চড় মেরে) ফালতু প্যাচাল বন্ধ করে দিয়েছেন। তার উপর মুক্তিযোদ্ধাদের, এ দেশের অধিকার বঞ্চিত অসহায় মানুষের ভরসা আছে। অতএব নতুন করে ভাবুন, জাতীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরসূরীদের কিভাবে সম্মানিত করা যায়; বঞ্চিতের অধিকার কি করে প্রতিষ্ঠা করা যায়। কিভাবে এদের সমাজে- দেশে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।

      Reply
      • mahfuja

        প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা সবসময় সম্মানী আর সুবিধাবাদীরা মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে না।। আর হলে এরা মুক্তিযুদ্ধের সময়ই এ বাহিনীতে নাম লিখিয়ে অস্ত্র নিয়ে লুটপাট করেছে। আর আজও সুবিধা যেখানে ওরা আছে সেখানে। এরা হয় হানাদার পাকিস্তানি নয় যুদ্ধের পর লুটেরা ইন্ডিয়ানিদের দোষর।

      • MahibuL Ahsan

        সুবিধাবাদী কাকে বলেন?
        জিয়া, ফারুক, রশিদ এরা সবাই মুক্তিযোদ্ধ ছিলো! যে দিন বাপের সাথে বেঈমানি করেছেন সেদিন থেকে খারিজ হয়ে গেছেন। একে খন্দকার গত টার্মেও আওয়ামী লীগের মন্ত্রী ছিলো। যেই মন্ত্রিত্ব গেলো একেবারে মুক্তিযুদ্ধের সমালোচনা করে পাকিদের পক্ষে বই লিখে ফেললো। (আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে ১০ পাতা কেন ১০০০ পাতা লিখলেও কথা ছিলো না)। ইনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা খেতাব প্রদান কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। বীরশ্রেষ্ট হওয়ার মতো যোগ্য কোন সিভিলিয়ান তিনি খুঁজে পাননি। (বীরশ্রেষ্টদের প্রতি অন্তর নীংড়ানো শ্রদ্ধা, ভালোবাসা নিয়েই বললাম কথাটা। কারণ, ‘রুমী’দের কথাতো ভুলতে পারি না)! আর ’৭২ এর বাঘা কাদের’রে অবজ্ঞা করলে তো রক্ষা নেই। তাই একমাত্র সিভিলিয়ান বীরোত্তম বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। আবার যুদ্ধক্ষেত্রের মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও নিজে একটা বিরোত্তম খেতাব নিয়ে নিয়েছেন। (দেখুন মুক্তিবাহিনীর সার্বাধিনায়ক ওসমানিকে কিন্তু দেননি! নিজে উপ-প্রধান হয়েও নিয়ে নিয়েছেন)।

        আর ফেনী জেলা জামাতের সেক্রেটারীর কথা তো বলেছিলাম আরেক দিন। ঐ ভদ্রলোক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, ‘এখন নেই’। আবারও বলি ‘এখন নেই’! যেমন নেই ফারুক, রশীদের মতো আরো অনেকেই। বেঈমানদের উপাধিতো একটাই- এককালে ছিলো মিরজাফর, এখন রাজাকার।

        আর ভূয়াতো আছেই। একটা দুইটা নয় অসংখ্য! যে দেশে ভূয়া সেক্রেটারি আছে, ভূয়া রাষ্ট্রপতি আছে (এরশাদের কথা বাদ দিন, খন্দকার মোস্তাকের নাম তো নিশ্চই মনে আছে। এদর ভূয়া না বলে বেঈমান বলা ভালো।) সেই দেশে ভূয়া অনেক কিছুই আছে। ভূয়ারা ভূয়াই, মুক্তিযোদ্ধা নয়।

        ব্যাকরণ বুঝেন তো? ভূয়া, বেঈমান, মুক্তিযোদ্ধা এই সব নামবাচক নয় – গুনবাচক শব্দ। এগুলি নামের আগে বিশেষণ হিসাবে বসে। কারো নামের আগে দুইটি বিশেষণ আপনি বসাতে পারেন, তবে সেগুলি হতে হবে সমবৈশিষ্টের। যেমন – কুত্তার বাচ্চা, শুয়রের বাচ্চা; আবার বাঘের বাচ্চা, সিংহের বাচ্চ। ‘কুত্তার বাচ্চা, বাঘের বাচ্চা বুশ’ – শুনতে খাপছাড়া লাগে না? হয় বলবেন কুত্তার বাচ্চা, শুয়রের বাচ্চা বুশ; নয়তো বাঘের বাচ্চ, সিংহের বাচ্চা বুশ। তেমনি, ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সেক্রেটারী শুনতে খাপছারা লাগে (খাপছাড়া নয় – অশালীন লাগে)। হয় বলবেন মুক্তিযোদ্ধা সেক্রেটারী, নয়তো ভূয়া সেক্রেটারী। ভূয়া বা বেঈমানদের নামের আগে মুক্তিযোদ্ধা বিশেষণটি যায় না – খপছাড়া লাগে, অশালীন লাগে।

        মুক্তিযোদ্ধা ফারুক রশিদ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে – এটা রাজাকার’ও বলবে না; রাজাকার’রা বলবে – ফারুক রশিদ, আর মুক্তিযোদ্ধা’রা বলবে – বেঈমান ফারুক রশিদ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। (ইতিহাসের প্রতিশোধ দেখুন – ফারুক রশিদ যে মুক্তিযোদ্ধা ছিলো এটা এদেশের [অন্ততঃ এই জেনারেশনের] বেশীর ভাগ মানুষ জানে না।)। ভূয়া, আর বেইমানরা মুক্তিযোদ্ধাদের কাতার থেকে খারিজ হয়ে গেছে।

        আর, লুটপাট করেছে রাজাকাররা। একথা আমার জানি। আমরা না জানলে, আমাদের বাপ দাদা চৌদ্দগুষ্টি জানে। ঘাগু পাকিস্তান পিয়ারীরা ছাড়াও – চোর ডাকাত, টাউট বাটপার’রা – মুক্তিযুদ্ধের ঐ কঠিন আর অনিশ্চিৎ পথটাকে বেছে নেবে কেন; নিজেদের পকেটের মাপ অনুযায়ী রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তি কমিটিতে যোগ দিয়ে ঐ নয় মসে লুট-পাটের সহজ ও নিশ্চিৎ পথটাই বেছে নিয়েছিল।

        ’৭১এর ডিসেম্বরে দু’চাটা ধরা খেয়েছিলো, বাকীগুলি মুখোশ পরে সময়িকভাবে লুকিয়ে ছিলো। ’৭৫এর পর বেরিয়ে এসে লুট-পাট আর ত্রাসের রাজত্ব চালায় ২০০৭/ ২০০৮ সাল পর্যন্ত। মাঝখানে ’৯৬ থেকে ২০০০ পর্যন্ত সময়টা কিছুটা হাত গুটিয়ে ছিলে (তবে সুযোগ বুঝে থাবা দিতে ভুল করে নাই)! ২০০৯ এর পর আর সুবিধা করা গেলো না। একেবারে লট্কানি খেতে হলো। খুবই দুঃখ – দুঃখ, শেখের বেটি’র আরেকটু নরম হওয়া উচিৎ ছিলো!

  12. MN Soikat

    মৌলবাদীরা জিতছে ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া নতজানু সরকার এবং তারচেয়ে বেশি আপনার মত দলকানা, দলদাস সাংবাদিকদের জন্য। পতিত বুদ্ধিজীবী স্বৈরাচারের চেয়ে ভয়ংকর। বাংলাদেশের জন্য এই বুদ্ধিজীবি নামের পতিতারা এখন সবচেয়ে বিপদের কারণ!

    Reply
  13. MahibuL Ahsan

    দেশবাসী জানে, দলদাসদের চেযে় হরিদাস’রাই দেশও জনগনের জন্য বেশী বিপদজনক!

    Reply
  14. younusur rahman

    প্রতিটা মাদ্রাসায় ৩০% মহিলা শিক্ষক রাখা বাধ্যতামূলক করলে ভাল হয়। এদেশের ওয়াজ মাহফিলে একটা লম্বা সময় নারী বিদ্বেষী কথাবার্তা বলা হয়। তখন মনে হয় এরা মনে হয় কোন নারীর পেটে জন্ম নেয় নাই। মাদ্রাসা এতিমখানায় যারা পড়াশুনা করে তাদের কাছেতো নারী বেহেশতের হুর ছাড়া আর কিছুই তারা মনে করেনা। ৪/৫ বছর বয়সে ভর্তি হয় আর তারপর একেবারে বিয়ের সময় মেয়ে মানুষের দেখা পায়। খুব ভাল কিন্তু নারী যে মা বোন ভগ্নি হতে পারে তা তারা সারা জীবনে চিন্তাও করতে পারেনা। যা তাদের নিজেদের অজান্তেই ওয়াজ মাহফিলসহ বিভিন্ন কাজেকর্মে প্রকাশ পায়।

    Reply
  15. BIKROM Adittya

    U can say Mousumi Datta Mou as a member of henious “SHUBIR”. You are bloody so called intellectual. So far you are involved in the business with Mehedi MP (the dealer of fake certificate). Yes, DU people contributes to both GONOJAGORON MONCHO and QUOTA REFORMATION MOVEMENT. You are a liar…SWADESH ROY.

    Reply
  16. দানিয়েল

    আমি 2007 সাল থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম পড়ি। তখন রেজিস্ট্রেশন করে পড়তে হতো। এই সাইটের নিউজ ফিড নির্ভরযোগ্য। কিন্তু মতামত 100% আইডিওলজিকালি বায়াসড। রাজনীতির কথা বাদ দিলাম, যাদের ইসলাম সম্পর্কে কিছু লেখার যোগ্যতা নেই তাদের দিয়ে ইসলাম সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ কলাম ছাপানো হয়।

    Reply
    • BIKROM Adittya

      ভাই হালাল টাকায় সনদ কিনছে যারা , তাদের জ্বলে অনেক। আসল যোদ্ধার খবর নাই এরা নাতিপুতি নিয়ে মরে। সনদ বাণিজ্য বন্ধ হলে অর্থনীতির বেপুক ক্ষতি 😛

      Reply
      • MahibuL Ahsan

        হায় আল্লা, নিচে একবার একই কথার জবাব দিযে় এলাম তো। যাক এবার কাট-পেষ্ট!

        ঘুষের বিনিমযে় কয়টা মেধাকোটা কমছে সেটা বলেন না কেনরে ভাই। ঘুষ নিযে় যারা সনদ দেয়, তারই ঘুষ দিযে় আপনার চাকরিদাতার চেয়ারটি দখল করে বসে আছে! অতএব কোটা বাতিল হলেও লাভ নাই। তার চেয়ে বর্ডারে কিছু দিয়ে টিয়ে পাশের দেশে মাথা ঢুকানো যায় কিনা সেই চেষ্টায় লেগে পড়ুন।

    • সজল কান্তি

      স্বদেশ রায়দের কিছু লিখতে জ্ঞান লাগে না । উনারা অল রাউন্ডার । মানে ক্ষমতা অনুযায়ী রং বদলায় । এ জন্য কারো শ্রদ্ধা বা সম্মান পাননা । এতো দিন ধরে সংবাদ জগতে আছেন কিন্তু তার নাম শ্রদ্ধা বা সন্মানের সাথে উচ্চারিত হয়না। ওনার মুখ থেকে ” হাসান মাহমুদ” জাতীয় উদ্ভট কথা বের হয়। উনাদের কাছ থেকে আসলে শিখার কিছু নাই। উনারা দলদাস। দুর্ভাগ আমাদের।

      Reply
  17. Md.Nazim Uddin Ashik

    A Man Without Shame,You Should go to A psychiatrist, Because A normal man can not think such shameless thought.

    Reply
  18. mohammed hasan

    যারা ‘আমি রাজাকার’ লেখা বুকে নিয়ে কোটা সংস্কারের আন্দোলনে দাঁড়িয়েছেন তাদের ‘কুলাঙ্গার’ আখ্যায়িত করেছেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডা. নুজহাত চৌধুরী।
    শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি সমাবেশে বক্তব্যে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
    শহীদ বুদ্ধিজীবী আলীম চৌধুরীর মেয়ে নুজহাত বলেন, “কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে ছোট ছোট ছেলেদের বুকে ‘আমি রাজাকার’ লেখা দেখে জীবনে প্রথম মনে হয়েছে ’৪৭ বছর আগে বাবা মরে গিয়ে বেঁচেছেন।”

    ‘আমি রাজাকার’ লেখা নিয়ে আন্দোলন করে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যারা কোটা নিয়ে আন্দোলন করেছ তাদের বলছি, তোমরা সংস্কার চেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বাতিল করেছেন।
    “কোটার জন্য নিজেদের রাজাকার বলতে তোমাদের বাধল না? ভবিষ্যতে যদি কখনও মুক্তিযুদ্ধ হয় তাহলে তোমরাই প্রথমে রাজাকার হবে। যারা ‘আমি রাজাকার’ লিখেছে তারা কুলাঙ্গার।”

    Reply
    • আজাদ

      মুক্তিযুদ্ধারা কেন করুণা নিবে? তাদের সন্তানেরা কেন মেধাহীন।

      Reply
      • BIKROM Adittya

        ভাই হালাল টাকায় সনদ কিনছে যারা , তাদের জ্বলে অনেক। আসল যোদ্ধার খবর নাই এরা নাতিপুতি নিয়ে মরে। সনদ বাণিজ্য বন্ধ হলে অর্থনীতির বেপুক ক্ষতি 😛 ।

      • MahibuL Ahsan

        ঘুষখোর সিভিল সার্ভেন্ট আর লুটেরা ব্যবসায়ীর সন্তানেরা বুঝবে না, চাষাভূষার ছেলে হলে বুঝতেন মেধাবী হওয়ার জন্য কতটা ধান দিয়ে কতটা চাল বানাতে হয়। মেধাবীদের বিশ্ববিদালয়টি যেমন ৮০% ভাগ লুটেরাদের ২০% ভাগ চাষাভূষাদের ধারণ করে। মুক্তিযোদ্ধারাও তাই – ৮০% ভাগ চাষাভূষা, আর ২০% সৎ, মধ্যবিত্ত, মেধাবী (শহীদ বুদ্ধিজীবি আলীম চৌধুরীর পরিবারের খোঁজ নিযে় দেখুন – তাঁর সন্তাদের চাকরীর জন্য কোটা লাগে না)। দেশে ঐ ২০% ভাগ মেধাবী মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা আছে বলেই এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অবিনাশী।

    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      আমি খুশি হতাম যদি ডা: নুজহাত বলতেন, – “তোমরা ‘আমি রাজাকার’ লিখে আমাদের মন্ত্রীর ভাষ্যের প্রতি সম্মান দেখিয়েছো, সেজন্য তোমাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।” হায়রে অন্ধ ভালবাসা আর অন্ধ আনুগত্য!

      Reply
      • MahibuL Ahsan

        মতিয়া চৌধুরী কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্দেশ্যে যা বলেছেন, সেটা যারা বুঝার তারা ঠিকই বুঝেছেন, শুধু কিছু আম-অপ্রাপ্তবয়স্ক মেধাবী হুজুগে চিলের পিছনে ছুটেছে! মতিয়া চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্র ছাত্রীদের রাজাকার বলবেন, এটা নিজ কানে শুনেও কেউ বিশ্বাস করবে না। তিনি রাজাকাদের আন্দোলনে যেতে ছাত্রদের নিরুৎসাহিত করার জন্য ওকথা বলেছেন। তিনি কি ভুল বলেছেন? এটা কোটা সংস্কারের আন্দোলন নয়, মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় কারার আন্দোলন। সত্যিকারের সংস্কারের দাবী নিযে় নামুন মুক্তিযোদ্ধারা, তাদের সন্তানেরাও যাবে। ৩০% ভাগ কোটার দাবী নিযে় অযৌক্তিক ঠেটামী করবে না। মুক্তিযুদ্ধা কোটা ৩০% ভাগ অথচ এর সর্বোচ্চ ১০% ভাগও পূরণ হয়নি আজ পর্যন্ত (জিয়া-এরশাদ-খালেদার আমলে ৫% ভাগও পূরণ হয়নি)। এই তথ্য পাঠ্য বইয়ে মুখগুঁজে থাকা মেধাবীরা জানে না, রাজাকারা জানে ঠিকই। কিন্তু বলে না, বললেতো মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দেয়া যাবে না।
        আন্দোলনে যাওয়া না যাওয়া ভিন্ন প্রশ্ন্। কিন্তু মতিয়া চৌধুরীর অবস্থান থেকে তিনি এই আন্দেলনের বিরুদ্ধে। আর তার কথা কি ঠিক হয়নি? আন্দোলনে না গেলে ঐ ছেলেটি কি ‘আমি রাজাকার’ লেখা টি শার্ট পরতো। আর কেউ মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিলে মুক্তিযোদ্ধারা শুধু নয়, এদেশের ৯০% ভাগ মানুষ তাকে রাজাকারই বলবে। বাকী ১০% ভাগ নিযে় রাজাকারের তালিকা করা যেতে পারে (এই ৪৮ বছরে, ঝাড়ে-বংশে তাদের বৃদ্ধি নেহাযে়ত কম হয়নি!)। আর এটা কি প্রমানিত হয়নি, – এই আন্দোলনের পোষ্টারে, ফেষ্টুনে, শ্লোগানে, সোশাল মিডিয়ায় বাঁধাহীনভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নিযে় কটুক্তি শুধু নয়, রীতিমত গালি দেয়া হয়েছে। এটা করেছে কেউ কেউ এবং এর প্রতিবাদ করেনি কেউই। তাই এই আন্দোলনের গায়ে মতিয়া চৌধুরীর দেয়া ঐ তমাটা একটু হলেও লেগেছে। দিন শেষে পরিণতি বুঝতে পারবেন সবাই।
        ভেবে দেখুন একাত্তোরে কেউ আপনাকে রাজাকার বললো – আর আপনি ক্ষোভে, না হয় মনের দুঃখে রাজাকারে ভর্তি হযে় গেলেন। এটাকি যুক্তির কথা হলো। যে রাজাকার হয় – এমনকি নিজেকে রাজাকার বলে সে রাজাকারই হযে় যায়। মনে রাখবেন – এদেশে হাজার বছর পরেও রাজাকাররা মহান হয়ে উঠবে না, ঘৃণ্য, নর্দমার কীট হয়েই বসবাস করবে এই মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে।

      • সৈয়দ আলী

        সরকার জাবেদ ইকবাল, আমি ডা: নুজহাতের ভাষ্যে দুঃখ পেয়েছি। বয়োজ্যষ্ঠ হিসেবে কন্যাসম নুজহাতকে বায়াসড করেছে তার স্বামী। ডঃ আলীম চৌধুরী আওয়ামী লীগের ধার ধারতেন না।

      • সজল কান্তি

        নুজহাত বা তুরিন আফরোজ এরা আসলে চাটুকার । নেত্রীর সুনজরে পড়ার জন্য সবকিছ করতে পারে। এর মধ্যে তুরিন আফরোজ এর দুর্নীতি আমরা সবাই জানি। পৃথিবীর অনেক দেশ মুক্তিযুদ্ধ করেছে কিন্তু একমাত্র বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধকে বাণিজ্যিকীকরণ করছে। মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করে যে যার মতো বেনিফিট নিয়েছে। এ নিয়ে কারো কোন লজ্জাও নেই।

      • MahibuL Ahsan

        সজল বাবু, মুক্তিযোদ্ধ’কে বাদ দিলে আপনার সুবিধা হয় সেটাতো ভাবতে পারিনি! আমি জানতাম – যুদ্ধাপরাধের দাযে় যাদের গলায় ফাঁসির রশি ঝুলছে মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধ আওয়াজটাকে থামাতে পারলে তাদের ফাঁসটা একটু আলগা হয়।

      • সজল কান্তি

        @ মুহিবুল
        ভাববেন কম কারণ অল্প বুদ্ধির মানুষ আপনি। সকল কিছু একটা দলের কাছে বিক্রি করা বিবেকহীন মানুষ। আমরা সত্যকে সত্য মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পারি। আমরা দলদাস ক্রীতদাস গলাবাজ কোনটাই নই। দেশের লুটপাটের কথা শুনে দেখি তথাকথিত দেশপ্রেমিকের গা জ্বলে বুঝতে হবে লুটপাটে তাদেরও অবদান আছে।

      • MahibuL Ahsan

        সজল বাবু (বাবু-টা চলে তো, নাকি সাহেব কমু!), আপনের দুই লইন গালির জবাব দেওয়ার জন্য মাথা খাটাবো? আবার বুদ্ধিও! আমার মাথায় গন্ডোগোল আছে নাকি? বুদ্ধি একটু কমাইয়া লইছি (টেলিভিশনের আওয়াজের মতন)। গালিগালাজ তো একটু লো-তেই করতে হয়। না হলে তো মানুষ ইতর বলবে।

        গালির সাগরে পড়ে বুদ্ধি একটু কমছে বটে। তা আপনি আবার ভদ্রলোক মানুষ হয়ে কথায় কথায় ….দাস-ফাস, চামচা-টামচা এইসব বলেন কেন। আরে ভাই ভদ্র লোকেরা গালি দেয়ার জন্য এতো গান্ধা শব্দ ব্যবহার করে নাকি? (এই পাতায় ঢুকেই জলদাস, হরিদাস – এইসব দিয়ে শুরু করলেন)। গালি দেওয়ার কত ভালো, ভদ্র শব্দ আছে- একটু বুদ্ধি খাটান ভাই! আর দাস-ফাস কারে কন?
        আরে ভাই, আমি নৌকার লোক। আপনেগো মতো ঘোমটা দিয়া চলি না। দাসত্ব করুম না বলেই ’৭১এ পাকি তাড়াইছি। মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে বইসা পাকিস্তানের দাসচক্র গলাবাজী করবো, আর আমরা ‘আমড়ার আটি চুষবো’ – সেইটা ভাইবেন না।

        চাপা মারেন কেন – আরে মিয়া, লুটপাটের কোন কিচ্ছাটা কইছেন আপনে? আপনে বেহুদাই স্বদেশ রায়রে গালি দিছেন, আপনার পালের গুলান জাফর ইকবালরে বেশুমার গাইল্লাইছে। (‘রা’ শুনলে বুঝাযায় কোন পালের শিয়াল)! আমারে উলটা পাল্টা কইয়া থামানো চেষ্টা করছেন।

        গুর্দায় রক্ত থাকলে তথ্য প্রমাণ দিয়া কন – হেরা লুটপাট করছে। ‘কোট’ কইরা কন – আমি কোথায় মিথ্যা তথ্য দিছি, মিছা কতা কইছি? আরে মিয়া ভূয়ামী ফাঁস করার জন্য আবার মিছা কতা কয়ন লাগে নিকি! যাক, ফাও কতা কই লাব নাই।

        বাদ দিন ওসব। আসেন মিলেমিশ ভালো ভাবে দুটি ভালো কথা বলি। আপোষ করতে বলছি না – কিছু বিষয় নিয়ে আপোষ আমি করি না, আপনাকেও করতে বলবো না। কসম কেটে বলছি – আমি নৌকার লোক – আমার বেশ কয়কটা ভালো বন্ধু আছে যারা বালিশের নিচে ধানের শীশ নিয়ে ঘুমায়। ঝগড়া করি তর্ক করি, কিন্তু আমরা পরস্পরকে শ্রদ্ধা করি।

    • সোহাগ

      This is not right. They wrote but you should realize why they wrote. Which speech is delivered by Matia chowdhoury

      Reply
    • mahfuja

      যখন মতিয়া চৌধুরী কোটা আন্দোলনকারীদের রাজাকারে বাচ্চা বলে সম্বোধন করেন, তখন গোটা বাংলাদেশেরর আন্দোলনকারীরা রাজাকার লিখে দাঁড়ানো দোষের কিছু দেখি না। তাদের মতে তারাই শুধু মুক্তিযোদ্ধা আর বাকি সবাই রাজাকার। হায়রে দেশ—৯৬%রাজাকার আর তারা ৪%মুক্তিযোদ্ধা। এরকম স্বার্থবাদী মুক্তিযোদ্ধার দেশে আমাদের বসবাস।আগে লুটেছে পাকিস্তান আর এখন লুটে মুক্তিযোদ্ধা নামক এক শ্রেণী স্বার্থবাদী। তো স্বাধীনতার দরকার কি ছিল? বাংগালী আজীবন পরাধীন।

      Reply
  19. mohammed hasan

    আমরা যারা ১৯৭১ দেখেছি তাদের কাছে রাজাকারদের চাইতে ঘৃণিত কোনও প্রাণী আছে বলে মনে করতে পারি না। রাজাকাররা নিজেরাও সেটা জানত, তাই তারাও যে খুব বড় গলায় গর্ব করে বুকে থাবা দিয়ে ‘আমি রাজাকার’ বলে বেড়িয়েছে সে রকম মনে করতে পারি না।
    তাই ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কোটাবিরোধী আন্দোলনের ফলাফল হিসেবে যখন দেখি একজন ছাত্র নিজের বুকে ‘আমি রাজাকার’ কথাটি লিখে গর্বভরে দাঁড়িয়ে আছে সেটি বিশ্বাস করতে পারিনি। মাথায় আগুন ধরে যাওয়া বলে একটা কথা আছে, এই কথাটির প্রকৃত অর্থ কী আমি এই ছবিটি দেখে প্রথমবার সেটি অনুভব করেছি।

    Reply
  20. Cornell Macbeth

    > বাবু স্বদেশ রায়,
    দীর্ঘ বিরতি পর, আপনার মত সুবিধাবাদী সুশীলরা এখন আবার গর্ত থেকে উঠে এসে বেশ ‘বাক-বাকুম’ শুরু করে দিয়েছে ‘কোটা সংস্কার’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। আরে, এতো ইনিয়ে বিনিয়ে ন্যাকামি না করে বরং সরাসরি বললেই তো’ হয় যে, রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে- এদেশের সংখ্যালঘু সুশীল হিন্দুবাবুদের জন্য অবশ্যই একটি “স্বতন্ত্র কোটা” (নিরাপত্তাসহ) রাখতে হবে।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      হ্যাঁ, সংখ্যালঘু কোটা আছে! ভারতে তো আছেই, আরো বহু দেশে আছে। সোসাল মিডিয়ার পঁচা পানিতে না সাঁতরে, কোটা লিখে গুগোল সার্চ দিযে় দেখুন কোটা নিযে় দুনিয়াজুডে় কতো কান্ড হচ্ছে!

      Reply
  21. Mr.Sorif Sarker

    স্বদেশ রায় এর সকল লেখা বয়কট করা উচিত। আমি বিডিনিউজ২৪.কম কে অনুরোধ করছি আপনার প্রতিষ্ঠানে এই রকম একমুখো লোকদেরকে আর যাই হোক লিখতে দিয়েন না। তাহলে আপনার প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয়তা কমে যাবে। এবং এক সময় আপনার প্রতিষ্ঠানকেও সাধারণ ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ এর নিকট ক্ষমা চাইতে হবে।

    Reply
    • BIKROM Adittya

      সেইতো প্রজ্ঞাপন জারি হবেই, মাঝখান থেকে ভোটব্যাংকের নিশ্চয়তা টাকে টুটি চেপে ধরে বিপরীতমুখি করে দেয়া হলো এই যা।

      আমলাতান্ত্রিকতার ছলাকলায় সরকারকে ছাইপাঁশ গিলিয়ে গণজোয়ারের বিরুদ্ধাচরণ করানো হলো।
      আর, কতিপয় সি গ্রেডেড সরকারি মন্ত্রী এখানে রসদ জুগিয়েছেন মাতলামির সবটুকুন উজার করে দিয়ে।

      রাজনীতি যদি জনকল্যাণের নিমিত্তেই হয়ে থাকে- তবে মাত্র ২% জনগোষ্ঠীর অন্যায্য সুবিধা রক্ষার্থে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে কেন ৯৮% জনগোষ্ঠীর ন্যায্য দাবীর বিপরীতে দাঁড় করানো হল!!?

      আরে ভাই!!!
      আন্দোলনরত শিক্ষার্থীগণের দাবীটা কি সরকার বিরোধী নাকি এরা প্রত্যেকেই দেশদ্রোহী!!?
      তাঁরা তো শুধুই রাষ্ট্রকাঠামোতে নিজেদের মেধাশক্তি কাজে লাগানোর প্রতিযোগিতায় সম অধিকার চাইছে। এখানে সরকার কী করে প্রতিপক্ষ হয়, কোন যুক্তিতে!!?

      সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার কোনটা জানেন!!?
      আমাদের পার্টির কিছু স্বঘোষিত অন্ধভক্ত আছে, যারা নিজেদেরকে বড্ড বেশি পন্ডিত মনে করে। অথচ এদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পার্টির অকল্যাণ বয়ে আনে।
      কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট টুকুন বিবেচনায় নিলেই এদের নাম স্পষ্ট হয়ে যাবে।
      এই শ্রেণির কর্মীগণ ঘূর্ণাক্ষরেও একটা ভোট বাড়াতে পারে না কিন্তু নষ্ট করতে পারে অবলীলায়।

      Reply
  22. সৈয়দ আলী

    এতো বিরক্তিকর ও হস্তীমূর্খ ব্যক্তিকে কিছু বলা নিজের মুখেই তেতো ভাব জাগায়। এই ব্যক্তি শিরোনাম দিয়েছে, ‘শেষ অবধি কেন মৌলবাদীরা জিতছে?’এই লোক দেখাতে পারবে বাংলাদেশে কোথায় মৌলবাদীরা জিতেছে? যদিও ঝালমুড়ি খেয়ে, চা-চা বলে সুললিত স্বরে ফোন করা কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন-প্রার্থীকে কদমবুসি করতে পাঠিয়ে একটু জয়ের ভাব দেখানো হয়েছিলো, কিন্তু বাংলাদেশের সতর্ক জনগণের প্রহরায় কোথাও মৌলবাদ জেতেনি। জিতবে না।
    তাহলে অতো বড় শিরোনামে এই প্রশ্ন কেন? সেটিই হচ্ছে মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন। এরকম শিরোনাম দিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক কলাম লিখে দেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করে, তখন তাকে উধৃত করে ভারতীয় মৌলবাদীরা নতুন ঝড় তুলতে পারে। সে ঝড়ের ফলাফল, ভারত উপ-মহাদেশে অশান্তি, আতঙ্ক ও আক্রমন পাল্টা-আক্রমনের সুযোগ করা যাতে ভারতীয় শাসক মৌলবাদীদের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরানো যায়। ভারতে আওয়াজ উঠানো হবে, আরে রাখো সরকারের ব্যর্থতা, ওদিকে যে বাংলাদেশে কাটুয়ারা জিতছে, জানো? হর হর মহাদেব! ব্যস।
    বিদেশ রায়, আমরা জানি আপনাদের মতলব কি! জনগণ একসাথে চিতায় তুলবে।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      কারে ঠেস দিলেন? শেখের বেটিরে? সাবধাণ! ব্যানারে ওনার ছবি না লাগাইয়া ওনার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করা যায়না। ওনাকে ঠেলা দিয়া ফালাইয়া দেয়ার চিন্তটা করার আগে কদমবুচি কইরা আসতে অইবো। জিয়াও বঙ্গবন্ধুরে কদমবুচি করইরা লইছিলো…………।

      Reply
  23. আনিস আহমেদ

    বুদ্ধিপাপীদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ আপনার মত কলামিস্টরা। ভালো থাকুন আপনারা, ভালোই চলুক আপনাদের চাটুকারিতা, মিথ্যাচার। কর্মক্ষেত্রে তৈললেপন মারফত লাভ করুন অসামান্য উন্নতি। সর্বোপরি, ভালো থাকুক আপনার সন্তানেরা।

    Reply
  24. তাহসিন

    সরকারি চাকুরীতে ১০ শতাংশ নারী!!!! কিসের রিপোর্ট দেখাচ্ছেন!!! আগে পরিসংখ্যান ঠিক করেন তার পর লিখতে আসেন। আজকাল যে কোন primary স্কুলে গিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা দেখেন ছেলে শিক্ষককে দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হয়!! আর University গুলোতে গিয়ে দেখেন প্রায় সব department এর মেয়েদের ১ম এর দিকে position. এর পরও……… আসলে কোনটা তেলবাজি আর কোনটা কি তা সবই মানুষ বোঝে!!! এত তেল মারা লাগবে না। আপনাদের মত তেলবাজেরা সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজের খোলসটাও ভেল্কিবাজির মত পরিবর্তন করেন!!!!!!

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      সরকারী চাকরীতে নয় – বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ ১১% (২০১১ সালের তথ্য), ঐ সময়ে সোমালিয়ায় ছিল ২৬.৫ এবং ১৯১৬ সালে সৌদিআরবের সিভিল সার্ভিসে ২% ভাগ। এটাই সর্বনিম্ন এবং সৌদিআরবের জন্য এটা বড় অর্জন। কারণ সেখানে সিভিল সাভিসে নারীদের নেয়া শুরু হয়েছে ৩ বছর আগে থেকে। – এটা ইউএনডিপি’র রিপোর্টের তথ্য। আর বাংলাদেশের পিএসসি’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ ১২.৯% (২২তম বিসিএস পরবর্তী হিসাব)। একটু কষ্ট করে খুঁজে দেখুন। তথ্যতো আর হাওয়ায় ভাসেনা।
      The UNDP Global Report on Gender Equality in Public Administration (GEPA)
      UNDP is an index collaborator with Global Women’s Leadership Initiative at Wilson Center

      Reply
  25. লতিফ

    মৌলবাদী শব্দে একটা বিভ্রম তৈরী হয়, মূলত শব্দটি ধর্ম-ব্যবসায়ী, তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, প্রয়োজনে ধর্মের নামে ব্যাংক, বীমা করে এবং রাজনৈতিক দল বানায়। ধর্ম ব্যবসায়ী এই গোষ্ঠীর জন্মদাতা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ। বিশ্বের যেকোন ধর্ম নিয়েই তারা ব্যবসার ফাঁদ পাততে সক্ষম এবং সেই ফাঁদে ফেলে নতুন নতুন দেশ জন্ম দিতে সক্ষম। উদাহরণ: ইসরায়েল, সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তান। এগুলো সবই ধর্ম-ব্যবসার উৎকৃষ্ঠ রাষ্ট্র। বর্তমানে তারা মার্কিন মদদে বেঁচে আছে এবং যতদিন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তাদের নখ ও দাঁত দেখাতে পারবে, ততদিন তারা পরাজিত হবে না। কোটা সংস্কারের আন্দোলন যখন কোটা বাতিলে খুশিতে গদগদ হয়, তখন তাদের থলের বেড়াল বের হয়ে যায়। এখানে কোন মেধাবী নেই। এদের আর্তনাদ অক্ষমের আর্তনাদ। এরা প্রতিযোগিতার বিশ্বে টিকে থাকতে পারবে না, পারছে না, এদের কারণে ভারত-শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যবস্থাপক এনে বাংলাদেশের রপ্তানী বাণিজ্য ধরে রাখতে হচ্ছে।

    Reply
  26. কিশওয়ার

    আমরাও ছাত্রলীগ করি, আমরা আন্দোলনও করছি।তাহলে আমি ও শিবির?
    আর তুমি কে হে সবাইকে তকমা দেওয়ার?
    তোমার কি সে যোগ্যতা আছে?

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      অযৌক্তিক ভাবে লেখককে ব্যক্তিগতভাবে গালাগাল করলে লোকে তো পাগল, না হয় মাস্তান বলবে। লেখাটা পড়ে সেটির উপর আলোচনা করুন সমালোচনা করুন।

      মুখে যা বলা যায়, কাগজে তা লেখা যায় না। লেখাটা প্রামাণ্য ব্যাপার। লিখে গালি দিলে তো মানুষ প্রমাণ দিয়ে ইতর বলবে।

      আর আমি তো জানি এই জায়গাটা দেয়া হয়েছে লেখার উপর মন্তব্য করার জন্য, লেখকের চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধার করার জন্য নয়।

      Reply
      • সজল কান্তি

        এ ধরনের দলদাস দলান্ধ লেখা বিডিনিউজ কেন ছাপায়? প্রতে্ক পত্রিকার একটা আইডিওলজি থাকে। এটা ব্যালেন্স করে চলতে হয়। এখানে দেখি দলদাস আর দলান্ধের ছড়াছড়ি! চেতনার বাজার !!! এ পত্রিকা কি সরকারী প্রতিনিধি? তাহলে আর নিরেপেক্ষতার ভান করা কেন?

      • MahibuL Ahsan

        প্রিয় সম্পাদক, দলদাস’দের বাদ দিয়ে হরিদাস’দের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র তৈরী করুন। বেচারারা বড়ই ক্ষুধার্ত। আইডিওলজি-টজি বাদ দিন, ক্ষুধার্থকে অন্ন দিযে় হরিদাস’দের আইডল হওয়ার চেষ্টা করুন!

      • শ্যামল কান্ত

        দুর্ভাগ্য তোমার হে লেখক। মানুষ যখন তোষামোদ ও চাটুকারিতায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে তখন তার কলবের বিভৎসতা কলমের কালি হয়ে বের হয়। একজন মন্ত্রী বৈধ আন্দোলনরত ছাত্রদেরকে যখন ঢালাওভাবে রাজাকারের বাচ্চা বলে অপবাদ দিল তখন আপনার কলম কি ভেঙ্গে গিয়েছিল। তখন কি স্বপ্নে বিভোর ছিলেন? তখন কেন প্রতিবাদ করেননি?

      • সজল কান্তি

        @মাহিবুল
        ক্ষুধার্ত কে তা বোঝাই যাচ্ছে। বেক্সিমকো গ্রুপের পত্রিকার মালিকের কাছে দলদাস বেশী প্রিয়। ক্ষুধার্তরাই জনগণের ট্যাক্সের টাকার সবগুলো ব্যাংক লুটেপুটে খাচ্ছে। হায়রে দলদাস। বিবেক আত্না সব তো একটি দলের কাছে বিক্রি করে দিলাম। এখন কিছুই চোখে পড়ে না ।

      • MahibuL Ahsan

        প্রিয় সজল কান্তি।

        আপনি কে ভাই? ভাব দেখেতো স্বদেশ রায়ের স্বগোত্রিয় বলে মনে হয় না। তাহলে আপনি খাঁটি হরিদাস!

        সবধান!!! ঐ নূর শাহেদরা আসছে, ফেস্টুন টেস্টুন না – এক্কেবারে হাসিনার ছবি ওয়ালা টি-শার্ট পইরা – হাজারে হাজার না, লাখে লাখে দলদাসের মিছিল নিয়। ‘কল্লা নামাইয়া ফালাইবো’। ভাগেন ভাই ভাগেন, জান লইয়া ভাগেন।

    • younusur rahman

      তুমি কে হে কোটা নিয়ে কথা বলার। তোমার কি সে যোগ্যতা আছে।

      Reply
  27. Mute Spectator

    ২০০৮ সালে নিরপেক্ষ নির্বাচনে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিরোধী দলে ছিল পতিত বিএনপি, পতিত স্বৈরাচার, কম্পমান জামাত, ম্রিয়মাণ হেফাজত ইত্যাদি। মাঠে আরও ছিল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাম দল যারা আদর্শিক ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ কিন্তু রাজনীতিতে প্রভাবহীন। জনাব স্বদেশ রায় আপনি কোথায় পড়াশুনা করেছেন, কি ডিগ্রী, কি ক্লাস তা জানি না তবে এটা বুঝতে পারা কঠিন না যে আপনার লেখা অতিশয় নিম্ন মানের। চাকুরি সূত্রে বুদ্ধিজীবী বনে যাওয়া লোকদের নিয়ে সমুহ বিপদ। আপনাকে নয়, আওয়ামী লীগকে জিজ্ঞাসা করা দরকার, এতো বিশাল মেজরিটি এবং রাজনীতির সবকটা তাস হাতে থাকা সত্ত্বেও আজকে দল এবং সরকারের এই হাল কেন? নুন খেয়ে যাদের গুণ গাওয়ার কথা সেই স্বদেশ রায়, বিভুরঞ্জন, অজয় দাসগুপ্তরা কেন ইনিয়ে বিনিয়ে এমন সব কথা লিখে পত্রিকার পাতা ভরায় যাতে দলটির গায়ের দগদগে ঘা জনসমক্ষে উদ্ভাসিত হয়। এরা কি আওয়ামী লীগের সুহৃদ?
    রাজনীতির এই আইনস্টাইন লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী সকল প্রকার কোটা বাতিল করেছেন। তাই তিনি তার সিদ্ধান্ত বদল করবেন কিনা আমরা জানি না। তবে দেশের প্রগতিশীল নারী সমাজ, তরুণ সমাজের এখন অবশ্যই নারী কোটার পক্ষে কথা বলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বরাবর যাতে তারা কথা বলতে পারেন, সেভাবেই তাদের নামতে হবে”। বুঝুন কি বুদ্ধি। তিনি বাতলে দিচ্ছেন কি ভাবে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নারী আর তরুণদের নামতে হবে যাতে করে মাঠে দুটো পক্ষ মারামারি করে আর নির্বাচনের বছরে দলের বারটা বাজে? তাঁর কথায় কেউ নামবে না ঠিক তবে প্রশ্ন করা যায় এই পণ্ডিত প্রবর কার হয়ে এই কলম সিপাহশালারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হলেন।
    Introspect করতে হবে সরকার এবং আওয়ামী লীগকে কেন আজ মানুষের মধ্যে এত ক্ষোভ। কেন হেফাজত আজ চালকের আসনে, যারা ১৩ দফায় তালেবানি শাসনের রুপরেখা দিয়েছে, কেন সিটি নির্বাচনে জয় নিয়ে শঙ্কা? এখন মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে সরকার ২০১৪ সালের মত নির্বাচন করতে চায়।
    সরকারকে বুঝতে হবে হয়তো ১৪ সালের পুনরাবৃত্তি করা যাবে, এতে স্বদেশ রায়রা
    লাভবান হবেন ঠিক, তবে দল হিসাবে আওয়ামী লীগের Credibility শূন্যের কোঠায়
    নেমে যাবে।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      আন্দোলন হলো কোটা সংস্কার নিয়ে, অথচ আজকে কোটা বাতিলের গেজেট প্রকাশের দাবী তোলা হচ্ছে। কোটা সংস্কারের দাবী যৌক্তিক, কিন্ত কোটা বিলোপের ঘোষণাকে সমর্থন করে কোটা বাতিল সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশের দাবী শুধু অযৌক্তিক নয়, অবিবেচনা প্রসূত! কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমর্থক, প্রশাসন ভেজে খাওয়া ঝানু অবঃ আমলা আকবর আলী খান সেদিন প্রতিবন্ধীদের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেছেন – দেশের জনসংখ্যার ১০% ভাগ প্রতিবন্ধী। তাদের জন্য ৬% ভাগ কোটা সংরক্ষণ করতে হবে। ইউরোপ আমেরিকাসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে নারী জনসংখ্যার অনুপাতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের চাকরির সুযোগ নিশ্চিৎ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। পৃথিবীর সব দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ দ্বিতীয় সর্বনিন্ম- ১১% (সরকারী হিসাব ১২.৯%) ভাগ। আমাদের নিচে আছে কেবল সৌদি আরব- ২% ভাগ। আর আফগানিস্তানে পর্যন্ত সিভিল সার্ভিসে নারীর অংশগ্রহণ ৩২.৬% ভাগ। এই পরিস্থিতিতে কতটা অবিবেচক, আর জ্ঞানহীন হলে বলা যায়, ‘আমি নারী, মেধা দিয়ে করবো বিশ্ব জয়। কোটা আমর জন্য নয়’। আর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তান, নাতী নাতনীদের কোটার কথা বলবেন? হ্যাঁ, ওটার পরিবর্তন দরকার। কিন্তু পৃথিবীর কোথাও নেই বলে বাতিল করে দেয়ার দাবি তোলা শুধু অবিবেচনাপ্রসূতই নয়, ষড়যন্ত্রমূলক। ভারত এই সময়ে এসেও, বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরদের সম্মানিত করার জন্য নানান সুবিধার সৃষ্টি করছে। ভরত ৪০ হাজার স্বদেশী আন্দোলনের নেতা-কর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনদের জন্য নানা রকমের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করেছে। আমেরিকায় ওয়ার-ভেটার্নদের চাকরি দেয়ার জন্য ‘এ্যাফারমেটিভ এক্শান’এর আওতায় বিশেষ সুবিধা সৃষ্টি করা হয়েছে। এমনকি ভেটার্ণদের ছেলে মেয়েদের লেখা পড়ার জন্য বিশেষ বৃত্তিরও ব্যবস্থা রয়েছে খোদ আমেরিকায়। ইউরোপে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আহত ও বেকার ওয়ার-ভেটার্নদের চাকরির বিশেষ সুবিধা সৃষ্টির জন্যই কোটা ধারণার প্রবর্তন হয়। আমেরিকায় ওয়ার-ভেটার্নদের মধ্যে ‘৭৫ পরবর্তী সময়ে ভিয়েতনাম প্রত্যাগত ওয়ার-ভেটার্নের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশী। এরপর আছে ইরাক, আফগান যুদ্ধ প্রত্যাগত ওয়ার-ভেটার্ন। এদের (যার মধ্যে ভিয়েতনাম যুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীরাও আছে) চাকরির বিশেষ সুবিধার জন্য আমেরিকায় ব্যবস্থা আছে। আর আমাদের কাছে মুক্তিযোদ্ধারা- ‘ছলিমুদ্দি, কলিমুদ্দি’। মুক্তিযোদ্ধারা যদি জাতীয় ভাবে ‘ছলিমুদ্দি-কলিমুদ্দি’ হয়ে যায়, তাহলে কেবল জাফর ইকবালের বমি নয়, সারা দুনিয়ার বিষ্ঠা এসে পড়বে এ জাতির শরীরে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা জাতির প্রতিনিধি, অতএব সাবধান, সময় কাউকেই ক্ষমা করে না!
      কোটা কাউকে সম অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য নয়, বরং কারো কারো অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই কোটা দরকার। সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকে অধিকার সমান। সমঅধিকারের ধারানাটি এমন সোজা সাপ্টা নয়। সমান সুবিধাভোগীদের অধিকার সমান হবে। চাষি, মজুররা আপনার সমতুল্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করে না, তাই রাষ্ট্রের কাছে আপনার তুলনায় তার দাবী বেশী। তার ছেলের জন্য আপনার সমতুল্য লেখা পড়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। যত দিন সমাজে মানুষের মধ্যে বৈষম্য থাকবে, ততদিন বঞ্চিতদের জন্য সকল ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা করতেই হবে। সমঅধিকারের নীতি অনুযায়ী ওটাই তার অধিকার। বৈষম্যপূর্ণ সমাজে বিভিন্ন বঞ্চিত শ্রেণির অস্তিত্ব থাকে, যত দিন এটা থাকবে ততদিন পশ্চৎপদ শ্রেণির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখতেই হবে। শুধু চাকরির কোটা নয়। তাকে চাকরির যোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোটার বাইরে সাধারণ (মেধা কোটায়) চাকরি প্রার্থীরা জনসংখার ১০০% ভাগ নয়, তাই যে কোন চাকরির ক্ষেত্রে ১০০% ভাগ উন্মুক্ত স্পেস দাবী করা অযৌক্তিক। এটা নিয়ে আন্দোলন করাটা হিপোক্রেসি! কারণ, পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর পক্ষে কোটার দাবীটি সমাজের সচেতন অংশকেই তুলতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্ররাই এ কাজটি করেছে। ঐতিহাসিকভাবে তারাই হয়েছে জাতীর কাণ্ডারী। আজ শুধু দেড়-দুই হাজার পদে চাকরীর সুযোগের জন্য তারা আন্দোলন করছে। অন্যদের কথা ভাবার দায় এড়িয়ে তারা যদি ভাবে, অন্যদের কথা সরকার (প্রধানমন্ত্রী) ভাবুক, কিছু করলে করুক, না করলে নাই! তাহলে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ ঐতিহাসিক ভাবে কলঙ্কিত হবে। কামনা করি বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ দায়িত্ববান হউক।

      Reply
      • BIKROM Adittya

        10% রেখেই গেজেট হবে।
        সেইতো প্রজ্ঞাপন জারি হবেই, মাঝখান থেকে ভোটব্যাংকের নিশ্চয়তা টাকে টুটি চেপে ধরে বিপরীতমুখি করে দেয়া হলো এই যা।

        আমলাতান্ত্রিকতার ছলাকলায় সরকারকে ছাইপাঁশ গিলিয়ে গণজোয়ারের বিরুদ্ধাচরণ করানো হলো।
        আর, কতিপয় সি গ্রেডেড সরকারি মন্ত্রী এখানে রসদ জুগিয়েছেন মাতলামির সবটুকুন উজার করে দিয়ে।

        রাজনীতি যদি জনকল্যাণের নিমিত্তেই হয়ে থাকে- তবে মাত্র ২% জনগোষ্ঠীর অন্যায্য সুবিধা রক্ষার্থে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে কেন ৯৮% জনগোষ্ঠীর ন্যায্য দাবীর বিপরীতে দাঁড় করানো হল!!?

        আরে ভাই!!!
        আন্দোলনরত শিক্ষার্থীগণের দাবীটা কি সরকার বিরোধী নাকি এরা প্রত্যেকেই দেশদ্রোহী!!?
        তাঁরা তো শুধুই রাষ্ট্রকাঠামোতে নিজেদের মেধাশক্তি কাজে লাগানোর প্রতিযোগিতায় সম অধিকার চাইছে। এখানে সরকার কী করে প্রতিপক্ষ হয়, কোন যুক্তিতে!!?

        সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার কোনটা জানেন!!?
        আমাদের পার্টির কিছু স্বঘোষিত অন্ধভক্ত আছে, যারা নিজেদেরকে বড্ড বেশি পন্ডিত মনে করে। অথচ এদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পার্টির অকল্যাণ বয়ে আনে।
        কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট টুকুন বিবেচনায় নিলেই এদের নাম স্পষ্ট হয়ে যাবে।
        এই শ্রেণির কর্মীগণ ঘূর্ণাক্ষরেও একটা ভোট বাড়াতে পারে না কিন্তু নষ্ট করতে পারে অবলীলায়।

    • BIKROM Adittya

      ভাই হালাল টাকায় সনদ কিনছে যারা , তাদের জ্বলে অনেক। আসল যোদ্ধার খবর নাই এরা নাতিপুতি নিয়ে মরে। সনদ বাণিজ্য বন্ধ হলে অর্থনীতির বেপুক ক্ষতি 😛

      Reply
      • MahibuL Ahsan

        ঘুষের বিনিমযে় কয়টা মেধাকোটা কমছে সেটা বলেন না কেনরে ভাই। ঘুষ নিযে় যারা সনদ দেয়, তারই ঘুষ দিযে় আপনার চাকরিদাতার চেয়ারটি দখল করে বসে আছে! অতএব কোটা বাতিল হলেও লাভ নাই। তার চেয়ে বর্ডারে কিছু দিয়ে টিয়ে পাশের দেশে মাথা ঢুকানো যায় কিনা সেই চেষ্টায় লেগে পড়ুন।

  28. মোঃ শামীম মিয়া

    আমি এটা বুঝি না বিডিনিউজ২৪.কম কর্তৃপক্ষ কেন এরকম একপেশে লেখা প্রকাশ প্রকাশ করে।

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      মোঃ শামীম মিয়া, বিডিনিউজ২৪.কম এর মালিকানায় সালমান রহমান, সম্পাদক বাংলা না জানা ও সজীব ওয়াজেদ কর্তৃক নিয়োগকৃত, সম্পাদকীয় বিভাগের বেশীরভাগই পূর্বতন মস্কাইট (যারা মস্কোতে বৃষ্টি হলে ঢাকায় ছাতা ধরতো) এবং আওয়ামী লীগের একান্ত বশংবদ ও চরণধুলি। এদের কাছ থেকে আর কি আশা করেন?

      Reply
  29. Mr.Md.Mizanur Rahman

    Never win the destructive group.We must win the race includes Bengali & Bangladeshi.

    From Mohammad Mizanur Rahman
    Botanist,Researcher,Senior Journalist and Columnist

    Reply
  30. প্রবীর কুমার দাশ

    আমি জানতাম জনকন্ঠ প্রত্রিকার মালিক ভারতের ” রিলায়েন্স গ্রুপ” । এখন মালিক কে বলতে পারবোনা । দাদার প্রত্রিকা সব সময় একটা এজেন্ডা নিয়ে চলে । অনেকে বলেন ভারতের “RAW” এর instruction এ প্রত্রিকা চলে । দাদার কোথায় জ্বলে আমি বুঝি । ছাত্রদের এতবড় আন্দোলন যা সারাদেশ স্থবির করে দিয়েছিলো দাদা বা মুক্তিযোদ্ধা জাফর ইকবাল মানে ঐ শ্রেণীর পোষা কিছু মানুষ তা মানতে পারছেন না । মনে ভয় ধরে গেছে । এ জন্য বারবার কোটা সংষ্কার আন্দোলনকে জামাতী আন্দোলন বলে বিতর্কিত করার ব্যার্থ চেষ্টা করছেন। এতে খুব লাভ হবে না বরং এ ধরণের বিতর্কিত লেখার কারণে যদি শুষ্ঠু ভোট হয় (আদৌ যদি হয়) তাহলে আওয়ামীলীগ তরুণদের ভোট হারাবে । দাদারা আসলে অতি তৈল মর্দনের মাধ্যমে সরকারের ক্ষতি করছেন বলে মনে হয় ।

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      প্রবীর কুমার দাশ, “ছাত্রদের এতবড় আন্দোলন যা সারাদেশ স্থবির করে দিয়েছিলো দাদা বা মুক্তিযোদ্ধা জাফর ইকবাল মানে ঐ শ্রেণীর পোষা কিছু মানুষ তা মানতে পারছেন না । মনে ভয় ধরে গেছে । এ জন্য বারবার কোটা সংষ্কার আন্দোলনকে জামাতী আন্দোলন বলে বিতর্কিত করার ব্যার্থ চেষ্টা করছেন।”
      স্যাকড়ার ঠুকঠাক, কামারের ঘা। জব্বর মেরেছেন।

      Reply
    • আব্দুল্লাহ

      কোটা সংস্কার অবশ্যই জামায়াতের আন্দোলন। সাধারণ মানুষের কাছে আপনাদের চাল ধরা পরে গেছে, তাই আপনাদের সাথে এখন জামাতি প্রতিক্রিয়াশীলরা ছাড়া আর কেউ নেই। আশা করি, বাংলার সাধারণ মানুষ আপনাদের ষড়যন্ত্র রুখে দেবে।

      Reply
    • MahibuL Ahsan

      দু’দিনের জোয়ার দেখে ভাবছেন – গনেশ উল্টে গেলো। ভাটার টান লাগলে বুঝবেন, আমি আপনি পোষ্য হতে পারি এদেশের তরুণরা রাজাকার ও তাদের পৃষ্ঠলেহনকারীদের পোষ্য নয়। ’৫৪ সালে, ’৭০ সালে, ’৯৬ সালে, ২০০৯ সালে তরুণরা বুঝিয়ে ছিলো। সকল সাম্প্রদায়িকতা, কূপমন্ডূকতার অন্ধার ভেদ করে প্রগতি, জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোয় তারাই উদ্ভাসিত করবে জাতিকে। ধর্মান্ধ, কূপমন্ডূকদের তুরুণরা ঠিকই চিনে নিতে পারবে সামনের দিনে।

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        MahibuL Ahsan, খিক খিক খিক, দু’দিনের জোয়ারেই যে ভীতি, ঠ্যাং কাঁপাকাঁপি, এক সপ্তাহ চললে তো তারেকের, আরে না, তারেক জিয়ার না, সিদ্দিকীর হেলিকপ্টারে চড়তে হবে। দশবছরে এই প্রথম অর্বাচীন-নেতৃত্বশূন্য সারাদেশে তড়িৎ সংগঠিত আন্দোলন দেখছেন। আন্দোলনের নামে পার্টি পার্টি খেলেছেন, স্টীলের আলমিরাতে টাকার বস্তা ভরেছেন, আন্দোলন কাহাকে বলে ও কতো প্রকার তাতো জানেন না। এক এষাকে প্যাঁদানি দিয়েছে, তাতেই গর্তে গিয়ে ‘সোনার ছেলেরা’ ঢুকেছে (৭৫ এও একই কাজ করেছিলো। রক্ষীবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘ন্যাতা’এখন মিথ্যে বলছে। তাকে নৌকার পাটাতনের নীচে থেকে গামছা পরিহিত অবস্থায় সেনাবাহিনীর এক ক্যাপ্টেন গ্রেফতার করেছিলো)
        হায়, আপনাদের কী হবে?? চাটবার কালে চেটেছেন, এখন বিপত্তারনে হায় হায় কেহ কারো নয়!

      • MahibuL Ahsan

        সৈয়দ আলী সাহেব, আপনি বুঝতে পারছেন, তবে ধরতে পারেন নাই। থাবা দিলেই তো ধরা যায় না, একটু বুদ্ধি খাটাইতে হয়।

        এখনও টের পান নাই ভাটার টান! কখন ভাসিযে় নিযে় যাবে বুঝতেও পারবেন না। যখন বুঝবেন তখন দেখবেন চারিদিকে অথৈ জল। ঘন ঘন ফোন দিযে় খোঁজ নিয়েন- দৌড় শুরু হযে়ছে কিনা। ও আপনি তো আবার বিদেশে থাকেন। ফোন-টোন আবার ট্র্যাক হযে় যায় কি না, সাবধান।

        শেখের বেটিরে আপনারা চিনেন নাই এখনো, আপনাদের গুরুরা চিনেছে। ধৈর্য্য ধরেন একটু, আপনিও চিনে যাবেন। আর বিশ্ববিদ্যালযে়র ওই আতি পাতিগুলির ভরসায় আপনাদের ‘মাদার …………….’ চলে না। তিনি নিজের বুদ্ধিতে চলেন। আপনের আমার মতো বুদ্ধিদাতা লাগে না তার।

      • MahibuL Ahsan

        আর একটা কথা, সৈয়দ আলী সাহেব।

        আন্দোলন দেখিযে় লাভ নেই। এরশাদ স্বৈরাচার হটাবার জন্য ২০ মাইল পায়ে হেটে ঢাকার জনস্রোতে একাত্ম হযে়ছি। নদীর পারের মানুষ। নদীর ধারে গরুর হাম্বা রব শুনে বানের আভাস পাই। মেঘের রং দেখেই বুঝতে পারি, কোন মেঘে বৃষ্টি হবে।

        আন্দোলন কোন ‘কুত্ কুত’ খেলা না, যে তিন ঘর গুটি চেলে মাত করে দেবেন। বিদেশে বসে গুটি চালাচালি আর কম দেখলাম না তো! মির্জ সাহেবকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, উনি বুঝেন – কত ধানে কত চাল। তাইতো ’১৩, ’১৪-তে মাঠে নামেননি।
        মব বুঝেন তো নিশ্চই?

        মব আর আন্দোলন এক নয়। দিনের পর দিন কষ্ট করে মানুষের অভাব অভিযোগকে এক সাথে করে মানুষকে সম্পৃক্ত করে আন্দোলন জমাতে হয়। আর মিথ্যা কথা বলে, গুজব ছড়িয়ে যা করা হয় সেটাকে বলে মব্। বাংলাদেশে মব্ সৃষ্টিতে ওস্তাদ কারা বলুন তো। ওই রাজাকার কুলাঙ্গাররা। ওদের উপর ভরসা করেছেন তো মরেছেন।

        মনে নেই মতিঝিলে হেফাজতি তাণ্ডব। (এতো বিড়াট বিশাল সমাবেশ – পুলিশের তিন খানা পটকার শব্দেই হাওয়া)। সাঈদীকে চাঁদে দেখিয়ে বগুড়ার দৈ থৈ থৈ তাণ্ডব। ওগুলো পাহাডে়র ইঁদুর প্রসব ছাড়া আর কি?

        বিশ্বাস নিযে় বলছি- এটাও (কোটা) তাই প্রমাণিত হবে। একেবারে প্রথম তথ্যটিই মিথ্য। ওরা বলছে ৫৬% ভাগ কোটা। অথচ কোটার পরিমান ৫৫%। (১% ভাগ প্রতিবন্ধী কোটা ঐচ্ছিক। অন্য কোটা পূরণ না হলে সেখান থেকে দেওয়া যাবে। ৪৫% ভাগ মেধা কোটা থেকে নেয়া যাবে না।) ওরা কি ভুল করে এই মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে। না ভুল করে নয়, সচেতন ভাবে দিচ্ছে। কারণ ওরা জানে আরো অনেক মিথ্যা বলতে হবে। শুরু থেকেই মিথ্যা বলার প্র্যাক্টিস আর মিথ্যাকে গা’ সহা করে নিতে হবে তো।

        ওই রাজাকার কুলাঙ্গারগুলির ফাঁদে পা দিয়েছিলো (দিয়েছে বলিনি! কারণ আমার আশা ওরা এখন ফাঁদ থেকে মুক্ত) অস্বুস্থ ছাত্র রাজনীতির পঁচাগলা লাশের মধ্যে হাবুডুবু খাওয়া আমাদের তথাকথিত অপগন্ড মেধাবীরা। আমার একটা ভাগনেও আছে কোটাবাজদের দলে। বহু বুঝিযে়ছি, বলেছিলাম শেষে খুটার বারি খেযে় বাডি় ফিরবে। শেষমেষ তাই হলো বলে- কি আর করা যাবে! এবার মব্ শেষ হলো অন্যভাবে। মাদার অব এডুকেশনের এক লেংই কুপকাত! বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন রাজনৈতিক ঘটনারই পূণরাবৃত্তি আগেও ঘটেনি, এবারও ঘটেনি, ভবিষ্যতেও ঘটবে না।

  31. mahfuja

    কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পুর্ন যুক্তিযুক্ত। ১০%নারী কোটার নামে ৪০%কেড়ে নিচ্ছেন। আর দলীয় তদবির কোটা দিয়ে নারীর কোটা বিশেষ শ্রেণীর আত্বীয়দের চাকুরি হয়। সাধারণ নারীরা এর ১%ও ভাগে পায়না।তাই ছাত্রীদেরও এ সুবিধা কাগজে আছে বাস্তবে নেই।বর্তমানের নারীরা প্রতিযোগিতা করে চাকুরি নিবে দয়ার কোটায় নয়। যা জীবিত মুক্তিযোদ্ধা ও ভুয়াদের নাতি-পুতিরা নেয়। প্রতি পরিবারে ১৪ গোষ্ঠী সরকারি বেসরকারি সব সুবিধা নিচ্ছে। ভাতা ও ফ্লাট তো আছেই যা পাকিস্তানীরা সব নিজেরা নিত। আজ মুক্তিযোদ্ধারা তাই করতেছে। তাহলে স্বাধীনতার দরকার কি ছিল!!আমরাই যদি সব নিজেরা নিই দেশের বাকি লোক আমাদের চাকর হয়েই থাক। এটাই কি মুক্তিযোদ্ধাদের চাওয়াই ছিল? স্বাধীনতার সময় এদেশের সমস্ত লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুদ্ধ করেছে। তাই যারা বেশি করেছে তাদের প্রতি পরিবারে ২-৪জন সরকারি চাকুরে আছে। ভাতা আছে,ফ্লাট আছে। দেশ ছোট চাকুরির জন্য মানুষ হাহাকার। এবার কোটা বাতিল করে দেশের বেকারত্বের দিকে তাকান। প্রতি ঘরে ঘরে চাকুরি দিবেন প্রতিশ্রুতি পুরণ করুন। খালি বিশেষ শ্রেনীকে না দিয়ে সম বন্টন করুন।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      একদিকে- মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিয়ে; আওয়ামী লীগের সমর্থকজ্ঞান করে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের (আন্দোলনের নয়!) সমালোচকদের দালাল, ভাঁড়, আরো জঘন্য ভাষায় গালি দিয়ে; সোস্যাল মিডিয়ায় হাজার পোস্ট – প্রপাগান্ডা চালানো,
      অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে, জয়বাংলা – জয়বঙ্গবন্ধু শ্লোগান দিয়ে মিছিল, মিটিং এবং শেখ হাসিনাকে মাদার অব এডুকেশন উপাধি দেয়ার সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি- এক কথায়, ‘মুখে শেখ ফরিদ/ বগলে ইট’ মার্কা এই আন্দোলনটি – বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে একটা ব্যাপক ছাত্র উশৃঙ্খলতা হিসাবে বিবেচিত হবে। (সরকারকে, সরকার প্রধাণকে তেল মেরে সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাপের জনমে প্রথম দেখলাম। চাকরীর খাতিরে পেশাজীবিদের কখনো সখনো এরকম করতে দেখেছি।)
      যে কোন কারণেই হউক, নিজেকে ‘আমি রাজাকার’ বলে (রুপক, টুপক যে অর্থেই হউক না কেন!) প্রকাশ করে কেউ। সজ্ঞানে-অজ্ঞানে, জেনে-না জেনে, বুঝে-না বুঝে, যে ভাবেই হউক ব্যক্তি রাজাকারতো পরের কথা, রাজাকার শব্দটির প্রতি সমর্থনতো পরের কথা, সামান্যতম সহানুভুতিও যদি থাকে কারো। তাহলে ‘আমি রাজাকার নই’ বা ‘আমি রাজাকারের বাচ্চা নই’- একথা বুঝাবার জন্য পাতার পর পাতা লিখে যেতে হবে, দিনের পর দিন বলে যেতে হবে। এটা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ! রাজাকাররা যাই ভাবুক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিনে দিনে শানিত হবেই!
      বাস্তবে এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য কোটা সংস্কার নয়। তা হলে কই এখন তো আন্দোলনকারীরা কোটা সংস্কারের কথা বলছেন না। তারা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার (কোটা বাতিলের) গেজেট চাইছেন। তথাকথিত সচেতন, শিক্ষিত ও মুক্তচিন্তাকামী তরুণ সমাজ, (মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের পরিবারের কথা বাদ দিয়ে) বলবেন কি – কোটা বাতিল হলে সত্যিকার অর্থে দেশের কল্যাণ হবে তো? সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিৎ হবে তো?
      কোটা বাতিলের গেজেট হলেই যদি আন্দোলনকারীরা ঘরে ফিরে যান এবং তারা যদি ভাবেন – ‘আমরা মেধাবী, কোটা বাতিল হলেই আমরা খুশি। অন্যদের (পশ্চাৎপদ বা অবহেলিত জনগোষ্ঠীর) জন্য যা করার শেখ হাসিনা করবেন।’ তাহলে বলতেই হবে বাংলাদেশের বর্তমান ছাত্রসমাজ দেশের একটি স্বার্থপর গোষ্ঠী মাত্র, কোন অবস্থাতেই দেশের – সমাজের সচেতন, বিবেকবান অংশ নয়।

      Reply
      • MahibuL Ahsan

        বাংলায় কইলে হুনতে মজা লাগে! বাংলা জানেন না? পাকি নিকি!

    • MahibuL Ahsan

      mahfuja
      না স্বাধীনতার দরকার ছিলো না! আপনার জন্য পেয়ারা পাকিস্তানই ভালো ছিলো।

      Reply
      • BIKROM Adittya

        Two types of quota. Quota by purchasing certificate and quota by real freedom fighter. You belongs to first group.

      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        জনাব মহিবুল, দয়া করে অপব্যাখ্যা করবেন না। মাহফুজা এমন কথা বলেননি। মুক্তিযোদ্ধারা কোন সুবিধা পাওয়ার আশায় যুদ্ধ করেননি। তাঁরা আন্তরিকভাবেই দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। মাহফুজা সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন।

      • MahibuL Ahsan

        সরকার জাবেদ ইকবাল, বুঝেছি আপনি মাহফুজার হয়ে বলছেন (মাহফুজা নিজে বললেই ভালো হতো না কি?)।

        আপনি ও মাহফুজা – দুজনের কাছেই বিনয়ের সাথে প্রশ্ন। যদি নিজেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক বলে মনে করেন তাহলে বুকে হাত দিযে় বলুন – যারা ‘মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পায় তারা ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা’। মাহফুজা শুধু ভাতা পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের না – সব মুক্তিযোদ্ধাদের লুন্ঠনকারী বলেছেন।

        আমি জানি, আমি কি বলেছি আর মাহফুজা কি বলেছে সেটা আপনি ভালো করেই বুঝেছেন। যাক অপ্রয়োজনীয় তর্ক করতে চাই না।

        জানি না আপনি দেখেছেন কিনা কলেজ গেটে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের একটা পূর্ণবাসন কেন্দ্র ছিলো, সেখানে আমাদের জাতীয় বীররা সমান্য সরকারী ভাতা নিযে় কি মানবেতর জীবনযাপন করেছেন। আপনারা কি জানেন? এখনো কত মুক্তিযোদ্ধা (আপনাদের সার্টিফিকেট না পেলে তো আবার ভূয়া!) দিন এনে দিন খেয়ে বেঁচে আছেন। খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধা তারমন বিবিকে ’৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তার খোঁজ পাওয়া যায়। (’৭৫ থেকে ’৯৬ – কেউ তাঁর খোঁজ করেনি।) সেই তারমন বিবিকে সরকার একটি ঘড় (বাড়ী নয়!) দিযে়ছিলো, তাঁর জীবনযাপনের জন্য সামান্য ভাতার ব্যবস্থা করেছিলো। কি বলেন, সরকারের কাছ থেকে ঐ সুবিধাটুকু নেয়া উচিৎ হয়নি? নিজে খাঁটি হলে খাটি চেনা যায়।

        জনাব, আমি কোন ব্যাখ্যাই করিনি, অপব্যাখাতো পরে কথা। আমি শুধু আমার কথা বলেছি। মাহফুজার বক্তব্য হিসাবে এখন যা বললাম সেটা ঠিক আছে তো, নাকি সেটাকেও অপব্যাখ্যা বলবেন? আসল কথা হলো আমি যা বুঝে লিখলাম বা লিখে যা বুঝাতে চাইলাম তা আমি বুঝবো, কিন্তু পড়ে আপনি যদি সেটা না বুঝে অন্যকিছু বুঝেন তাহলে সেটা আমার ব্যার্থতা আমি আপনাকে বুঝাতে পারলাম না (না কি আপনি বুঝতে চাইছেন না)। তবে আপনি আমি বুঝি আর না বুঝি মানুষ কিন্তু সবটুকু বুঝে।

    • সৈয়দ আলী

      mahfuja, আমি এ কথা এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের দাবীদারকে বলেছি। বাংলাদেশের জনগণের ঋণ বা দায় থাকলে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আছে। তাদের ‘চইদ্দ’ গোষ্টির কাছে নেই। সাফ কথা।

      Reply
    • BIKROM Adittya

      ভাই হালাল টাকায় সনদ কিনছে যারা , তাদের জ্বলে অনেক। আসল যোদ্ধার খবর নাই এরা নাতিপুতি নিয়ে মরে। সনদ বাণিজ্য বন্ধ হলে অর্থনীতির বেপুক ক্ষতি 😛

      Reply
      • সৈয়দ আলী

        MahibuL Ahsan, হে হে হে যথার্থ বলেছেন। সব খেলো জিয়ার চইদ্দ গুস্টি। ইয়ে, একটাকায় ২০০ কোটি টাকার বিচিত্রা প্রোপার্টি, এক টাকায় গনভবন, দেশের পয়সায় বিদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তাবিধান —— এগুলোও অই জিয়ার চইদ্দ গুস্টি খাবে।

      • MahibuL Ahsan

        আরে ভাই রাগ করেন কেন? একটা আমি কইছি, আরেকটা আপনে কন। তাও পায়ে ধইরা কই – মুক্তিযোদ্ধারা লুইটা পুইটা খাইতাছে ঐ কতা কইয়েন না। থুক্কু, আপনেতো কন নাই। আপনের আশপাশে যেরা কয়, হেগরে কইয়া দেন – মুক্তিযোদ্ধাগরে যেন অপবাদ না দেয়।

        আর মুক্তিযোদ্ধাগর চৈদ্দগুষ্টি এই রহম শব্দ কি ভদ্রলোকেগর মুখে মানায়। রাগ কইরেন না ভাই, আমি আবার গালিগালাজ পছন্দ করি না।

    • MahibuL Ahsan

      ঘুষ দিযে় মেধা কোটার ৪৫% ভাগের ৪০% ভাগইতো অপগন্ডরা খেযে় ফেলছে। তার জন্য কি করবেন? সাহস থাকলে ঐ সব অপগন্ডদের হঠাতে মাঠে নামুন না কালই – দেখি মেধাবীদের বুকের পাটা এইবার।

      Reply
  32. জিকরুল হক

    rupam জাকিরের সত্য কথায় চোট পেয়েছেন বুঝি

    Reply
  33. দানিয়েল

    এসব কোটা বাতিলের দাবি কেউ করেনি। আন্দোলনটা কোটা সংস্কারেরই আন্দোলন।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      আর কোটা সংস্কারে সুনিষ্টি দাবীটা কি? খালি ১০% ভাগ কোটা রাখার কথা বললে তো চলবে না।

      (মুক্তিযোদ্ধাদের কথা বাদ দিন। স্বার্থপর জেনারেশন ত্যাগী জেনারেশনের কথা ভাববে না এটাই স্বাভাবিক। আর ওদের নাতি-পুতির কথা বলা তো একেবারেই অবান্তর। দেশের চাকরদের ছেলেমেয়েদের টেনশানের কারণ নেই পেনশান ও উপরির টাকায় পবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া, এটা সেটা করে ভালো একটা চেয়ার বাগিয়ে নেয়া তো ওয়ান টু’র ব্যাপার। আবার বলি সিভিল সার্ভেন্টদের পেনশনের টাকা, চাকরীসুবাদে বাগিয়ে নেয়া বাড়ী, গাড়ী সার্ভেন্টদের নাতি-পুতিরা ভোগ করতে পারবে, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতিরা তাদের পিতৃপুরুষের ত্যাগের প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধা নিলে পাপ হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় রাজাকারের গালি শুনতে হবে!)

      আপনাদের পছন্দের লোক আকবর আলী খান’তো বলেছেন – এদেশে ১০% ভাগ প্রতিবন্ধী আছে তাদের জন্য ৬% ভাগ কোটা রাখতে হবে। ওনার সাথে পরামর্শ করে ঠিক করুন পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠির লোক আর কত ভাগ আছে, তাদের জন্য কত ভাগ কোটা রাখবেন।

      আপনার সহপাঠী কোটিপতি কন্যার কোটার দরকার নেই, কিন্তু আপনার বাসার কাজের বুয়ার মেয়েও কিন্তু এখন প্রাইমারি স্কুলে যায়। সে যাতে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালযে় আসতে পারে, ক্যাডার সার্ভিসে চাকরীর আবেদন করতে পারে সেজন্য কি ব্যবস্থা করবেন সেটাও ঠিক করুন।

      ভুলে যাবেন না, কাজের বুয়াদের ট্যাক্সের পয়সায় আপনারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালযে় পড়ছেন। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালযে় পড়তে গিযে় আপনারা ভ্যাট দিবেন না! আজ যদি কাজের বুয়ারা চাল, ঢাল, তেল, নুন কিনতে গিযে় বলে ভ্যাট দিবো না, তাহলে ক্যাডার সার্ভিসের চাকরীতে ঢুকে সরকারী হালুয়া রুটি আযে়স করে খেতে পারবেন তো?

      Reply
      • mohammed hasan

        বাম প্রগতিশীল সংগঠনগুলো ছাত্র সমাজের বিভিন্ন দাবি আদায়ের আন্দোলনে বারবার পথ প্রদর্শক হয়েছে। কিন্তু কোটা সংস্কারের দাবিটা বাম ছাত্র সংগঠনগুলো অতীতে কথনোই তাদের কর্মসূচিতে যুক্ত করেনি। প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠিগুলোই ভেতরে ভেতরে প্রচারণা চালিয়ে এই দাবিটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। ছাত্র ও যুব সমাজের মনোভাব পাঠে প্রগতিশীল সংগঠনগুলো ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তারা সময়মত সুপরিকল্পিত কর্মসূচী নিয়ে এগোতে পারেনি। হঠাৎ করে এই আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে।
        এক্ষেত্রে বরং ইসলামী ছাত্র শিবির এগিয়ে ছিল। তারা এমনিতেই মানবতা বিরোধী এবং কোটা বিরোধী। কোটা একটি মানবিক বিষয়; মানবিক উন্নয়নের বিষয়। শিবিরের অবস্থান এর বিপরিতে। তারা প্রতিক্রিয়াশীলতার পক্ষে, সমাজের সম-উন্নয়নের বিপক্ষে এবং মানবিকতার বিপক্ষে।এ কারণে প্রথম থেকেই কোটার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটা তাদের জন্য সহজ হয়েছে। প্রগতিশীলরা সেটা পারেনি। বামদের মধ্যে আদর্শিক দ্বিধাদ্বন্দ কাজ করেছে। ফলে তারা দেরিতে নেমেছে।
        প্রতিক্রিয়াশীল জামাতে ইসলামী এবং অন্যান্য মৌলবাদী দল ও গোষ্ঠীগুলো নারীর ক্ষমতায়নের বিরোধী, আদিবাসী ও সংখ্যালঘু বিরোধী, এবং সর্বোপরি মুক্তিযোদ্ধাদের বিরোধী। এই সব গোষ্ঠী প্রতিবন্ধীদের ভিখারী কিংবা আশ্রিত হিসেবে রাখতে চায়। তারা এদের জন্য দান-খয়রাদ করে পরকালের জন্য অশেষ সোয়াব হাসিল করতে চায়। কিন্তু প্রতিকুল অবস্থায় থাকা মানুষগুলো আপন কর্মশক্তিতে প্রতিষ্ঠিত হোক – সেটা দেখতে চায় না। সুতরাং তারা চাকরিতে এদের সবার জন্য সংরক্ষিত কোটা উঠিয়ে দেয়ার দাবি করবে এটাই স্বাভাবিক।

  34. দানিয়েল

    ইসলাম এর নামে কেউ দাঁড়ালে একটি বিশেষ শ্রেণি থেকে বিরোধিতা হবেই।

    Reply
  35. সরকার জাবেদ ইকবাল

    মৌলবাদীরা যদি জিতে যায় তাহলে তা হবে ইসলামেরই পরাজয়। কেননা, ইসলাম সকল ক্ষেত্রে সমানাধিকারের বিধান দিয়েছে; কাউকে কারও উপর শেষ্ঠত্ব দেয়া হয়নি। নিচের লিংক থেকে বিদায় হজ্জের বাণী দেখুন: http://www.islamicstudycircle.com/bangla_site/articles/psermon.htm

    Reply
  36. এম এম রশীদ

    কমেন্ট সেকশনেও মৌলবাদের গুতাগুতি। কোটা সংস্কারের কথা বলে আন্দোলন শুরু করে শেষে এসে কোটা বাতিলের দাবী। আন্দোলনের সামনে জামাতি ছেলেপেলে। আর হুজুগে ছেলেমেয়ে শুধু কিছু একটা করার উত্তেজনায় আন্দোলন করতে নেমে গিয়েছে। কি করছে, কেন করছে, কার সাথে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করছে কোন দিকেই নজর নাই। মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংস্কার দরকার ছিল। ভালো কথা। নারী কোটা, আদিবাদী কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা বাতিলের দাবী আসে কি করে?

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      (“আন্দোলনের সামনে জামাতি ছেলেপেলে।” -এম এম রশীদ) কোকিলের বাসা নেই। তাই সে অন্যের বাসায় ডিম পাড়ে। এই কোকিলদেরকে কোনভাবেই জায়গা দেয়া যাবে না।

      Reply
  37. mahfuja

    যে ইন্ডিয়াকে আপনারা অনুকরণ করেন। সেখানে সংখ্যালঘুদের কি পরিমান নির্যাতন করা হচ্ছে একটু চোঁখ খুলে দেখুন। কিন্তু বাংলাদেশে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে সংখ্যালঘুরা বসবাস করে। আর মুসলিমরা অন্য ধর্মকে হেফাজতের দায়িত্ব নেয় যা অন্যকোন ধর্ম নেয় না। তাই বলি সংখ্যাগুরুদের দাপট পৃথিবীর সব দেশে আছে। ইসলামকে সম্মান করা আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব যদি এদেশে বসবাস করেন। ক্ষমতার দাপটে সংখ্যাগুরুদের কয়দিন দাবিয়ে রাখবেন। আর বিদেশের মাটিতে বসে উস্কে দেয়া হতে বিরত থাকুন। ইসলাম শান্তির ধর্ম সকলের ধর্মকে সঠিকভাবে পালন করতে এ ধর্মে সহযোগিতা ও নিরাপত্তার কথা আছে। তাই আপনাদের উচিৎ এদেশের সংখাগুরুদের সম্মান করা। ইন্ডিয়ার হিন্দুগুরুরা বাংলার মুসলিমদের মত ধর্মে এত মানানসই হতে পারেনি। তাই বলি সুখে থাকলে ভুতে কিলায়।

    Reply
    • MahibuL Ahsan

      mahfuja
      ও! এই কথা! তাইতো বলি, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আপনার এতো ক্ষেভ কেন।

      Reply
    • SM

      If we have negative attitude towards anything, we see everything is negative there. Though there are lot of evidences, you will never ‘see’ the sufferings of minorities in Bangladesh.Only minorities know their ‘peace’ situation here.

      Reply
      • Bongo-Raj

        Mr SM
        Please note, Ms Mahfuza doesn’t have negative attitude towards all issues; e.g., if you praised the anti-Liberation group or Paki group then you can expect a huge positive attitude from Ms. Mahfuza.

    • Bongo-Raj

      content of comments reflects as such that either all the brain screws are loosen or about to fall. wishing for recovery ..

      Reply
  38. সাহিত্যিক হাসান

    হেফাজত বলতে তো কোন দল নেই,হেফাজতের কোন তেমন কমিটিও নেই, চরমোনাই, তাবলীগ, জমিয়ত, খেলাফত মজলিশ, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইয়লাম ইত্যাদি নিয়ে হেফাজত। এরা তো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে তাই আপনাদের আজ অধপতন শুধু মিডিয়াই আছে আপনাদের জনবল নেই এটাই সত্য

    Reply
  39. জাকির

    জ্বী না জনাব। মৌলবাদীরা জিতছে ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া নতজানু সরকার এবং তারচেয়ে বেশি আপনার মত দলকানা, দলদাস সাংবাদিকদের জন্য। পতিত বুদ্ধিজীবী স্বৈরাচারের চেয়ে ভয়ংকর। বাংলাদেশের জন্য এই বুদ্ধিজীবি নামের পতিতারা এখন সবচেয়ে বিপদের কারণ!

    Reply
    • রাজু

      রাজু
      সারা দেশের ছাত্রদের অহিংশ আন্দোলনকে যারা শিবিরের চক্রান্ত বলে তারাই দেশের ক্ষতি করছে।

      Reply
    • Rupam

      জনাব জাকির, আপনি কি যেনে-বুঝে মন্তব্য করেছেন? না কি শুধু চুলকানির কারণে বিরোধিতা করছেন?

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—