অপারেশন থিয়েটারে শুয়ে আছি, মাথার উপর উজ্জ্বল আলো। আমাকে ঘিরে ডাক্তার নার্স তার সাথে অনেক মানুষ, অনেকে আকুল হয়ে কাঁদছে। ডাক্তার নার্স সবাইকে বের করার চেষ্টা করতে করতে আমাকে বললেন, “আপনার ইনজুরিটা কতোটুকু গুরুতর বোঝার জন্যে, রক্ত বন্ধ করার জন্যে আপনাকে জেনারেল এনেসথিয়া দিতে হবে।”

আমি একবারও জ্ঞান হারাইনি, মাঝে মাঝে যখন মনে হয়েছে অচেতন হয়ে যাবো দাঁতে দাঁত কামড়ে চেতনা ধরে রেখেছি। কেন জানি মনে হচ্ছিল অচেতনতার অন্ধকারে একবার হারিয়ে গেলে আর ফিরে আসব না। আমি অবুঝের মত ডাক্তারদের বললাম, “না, আমাকে জেনারেল এনেসথিয়া দেবেন না, যা করতে চান এভাবেই করুন।”

ডাক্তার বললেন, “অনেক কষ্ট হবে।”

আমি বললাম, “হোক।”

ডাক্তার বললেন, “সেই যন্ত্রণায় আপনি এমনিতেই জ্ঞান হারাবেন।”

আমার হাতে পায়ে সুঁচ ফুটিয়ে তখন রক্ত স্যালাইন দেয়া শুরু হয়েছে। তার সাথে তারা অন্য কিছু দিলেন, আমি কিছু বোঝার আগে অচেতন হয়ে গেলাম।

একসময় আবছা আবছাভাবে চোখ খুলে তাকিয়েছি, আবছা অন্ধকার মুখের কাছে ঝুঁকে কেউ কিছু একটা বলছেন, শুনতে পাচ্ছি কিন্তু বুঝতে পারছি না। ভালো করে তাকালাম, মানুষটি আমাদের শিক্ষামন্ত্রী, আমি তাকে ‘নাহিদ ভাই’ ডাকি। আমি তাঁর কথা বোঝার চেষ্টা করলাম, তিনি আমাকে সাহস দিচ্ছেন, বলছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ঢাকা নেওয়ার জন্যে হেলিকপ্টার পাঠিয়েছেন।

আমি চেতনা এবং অচেতনার মাঝে ঝুলে আছি। টের পেলাম আমাকে স্ট্রেচারে শুইয়ে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমাকে কোথায় জানি তোলা হলো, আশেপাশে সামরিক পোশাক পরা মানুষ। আমার কমবয়সী সহকর্মীদের কেউ কেউ আছে। আবছা অন্ধকারে হেলিকপ্টারের ইঞ্জিনের গর্জন শুনতে পেলাম। গর্জন বেড়ে উঠল, নিশ্চয়ই আকাশে উড়তে শুরু করেছি।

ঘুমিয়ে আছি, না জেগে আছি জানি না। আবছা অন্ধকারে অনেকে চুপচাপ বসে আছে। তার মাঝে শুধু ইঞ্জিনের গর্জন। যাচ্ছি তো যাচ্ছি। মনে হয় বুঝি যোজন যোজন পার হয়ে গেছে।

এক সময় ইঞ্জিনের শব্দ থেমে গেল। নিশ্চয়ই ঢাকা পৌঁছে গেছি। মানুষজন ছোটাছুটি করছে। আমাকে নামানো হয়েছে হেলিকপ্টারে থেকে। নামিয়ে আমাকে একটা ট্রলি বা স্ট্রেচারে শোয়ানো হয়েছে। ওপরে খোলা আকাশ সেই আকাশে একটা ভরা চাঁদ। কী অপূর্ব একটি দৃশ্য! আমি সেই চাঁদটির দিকে বুভুক্ষের মতো তাকিয়ে রইলাম! পৃথিবী এতো অবিশ্বাস্য সুন্দর?

খোদা আমাকে এই অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবীটিকে আরো কয়দিন দেখতে দেবে?

মুহম্মদ জাফর ইকবাললেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫ Responses -- “অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবী”

  1. Mr Dipu

    আল্লাহ তায়ালা আপনাকে
    খুব তাড়াতড়ি সুস্থ করে
    দিবেন।এটাই কামনা করি।
    আপনাদের মত জ্ঞানীগুণী না থাকলে
    পশ্চিমারা যে আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাবে!!!

    Reply
  2. Sabyasachi Roy.

    আমরা দুঃখিত স্যার। আপনার অনুমতি ছাড়াই এ্যানেসথেশিয়া দেয়া হয়েছে। আবেগপ্রবণ ছেলেরা আপনার কষ্ট সহ্য করতে পারেনি। ক্ষমা করবেন।

    সব্যসাচী ।

    Reply
  3. harkipte lorca

    বাঁশের কেল্লা ও সমজাতীয় কিছু লোকজনের পোস্ট পড়ে মনটা খারাপ করেছিল। দেশে এই পরিমানে শিক্ষিত শুওর আছে? সব কিছুতে ধর্মের লেবাস দিয়ে ভয়াবহ সব ঘটনা কে জায়েজ করে নেয়ার চেষ্টারত!! এদের কবল থেকে কোনো মুক্তি নাই? তার পরে মনটা খুব ভালো হয়ে গেলো। বুক থেকে ভারী একটা পাথর নেমে গেছে। কেন সেটাই বলছি:

    জাফর ইকবালের প্রথম দিককার কিছু লেখা পড়েছি, বিশেষ করে উনার ছোট গল্পের প্রতি আমার একটা ভালোবাসা আছে (ছেলেমানুষী, একজন দুর্বল মানুষ ইত্যাদি) . তবে আমি তার সাহিত্যের ভক্ত কেউ না। বুড়ো হয়েছি, ছেলেমানুষের সায়েন্স ফিক্শন আর ধরে না। কিন্তু উনার স্পষ্টবাদিতার গুনগ্রাহী আমি। হুমায়ুন আহমেদ আমাদের বাল্যে শিখিয়েছিলেন ‘তুই রাজাকার ‘- যার উপর ভিত্তি করে ঘাতক দালাল নির্মূল করার আন্দোলনা হয়েছিল ৯০ এর দশকে ! জাফর ইকবাল বরাবরই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের যারা শত্রু তাদের সাথে উনি লড়াইয়ে লিপ্ত।

    উনার মাথায় ছুরি দিয়ে যে ছেলেটি আঘাত করেছে তার চেহারাসুরৎ দেখে আমার মায়া লেগেছে। নিতান্তই নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান, কোনোদিন জাফর ইকবালের বইপত্র পড়েছে বলে মনে হয় না. কিন্তু সে শুনেছে জাফর ইকবাল একজন ‘নাস্তিক’, ‘ ইসলাম ধংস করে দিচ্ছে’, এই লোকের বেঁচে থাকার কোনো রকম অধিকার নাই. সে অনেকদিন ধরেই হয়তো পরিকল্পনা করেছে জাফর ইকবাল কে মারবে বলে. তাই চারিদিকে পুলিশ থাকা সত্ত্বেও একটা ছুরি নিয়ে সে দাঁড়িয়েছিল উনার পিছনে। এর পর কি ঘটেছে তা আপনারা জানেন।

    এই ঘটনা এবং একটা বড়ো অংশের মানুষের আচরণ, মন্তব্যঃ পড়ে ভড়কে গেছিলাম! পরে খানিকটা বিচার বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে এসেছি যে – আশাহত হবার কিছু নেই, বরং আশান্বিত হবার মতন অনেক কারণ আছে…

    কেন?

    বলছি:

    সেই ১৯৬০-৭০ সাল থেকেই একটা গোষ্ঠী (যারা সংখ্যালঘিষ্ট) আছে – পাকিস্তানের বিপক্ষে কথা বলা মাত্রই ‘ইসলামের শত্রূ’ আখ্যা দিয়ে বাজার গরম করতে চেয়েছে। কিন্তু পারে নাই। ৭০ এর নির্বাচনে পাকিস্তান পন্থীরা যে কয়টা সিট্ পেয়েছিলো তা গুনতে এক হাতের কয়েকটি আঙ্গুলই যথেষ্ট। যখন পাকিস্তানী বাহিনী ১৯৭১ মার্চে আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো তখন তাদের বয়ান শুরু হলো ‘ইহা ইসলাম রক্ষার লড়াই, ইসলামিক উম্মাহ রক্ষার লড়াই ”, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ (মুসলিম) জনতা তা মানে নাই. ৭ জন বীর শেষ্ঠ, সেক্টর কমান্ডার (জিয়াউর রহমান সহ) এবং আমাদের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী- সবাই মুসলিম ঘরের সন্তান। ”হিন্দু-মালাউন”-দের বিপক্ষে পাকিস্তানি + পাকিস্তানপন্থীদের ‘জিহাদ ‘ বাংলার মানুষ গ্রহণ করে নাই, এবং চরম অপমানের মাধ্যমে তাদের পরাজিত করেছে।

    আপনারা কি লক্ষ্য করেছেন কেন জামাতে ইসলামীর তৎকালীন আলবদর আল-সমসরা ডিসেম্বর এর শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে বুদ্ধিজীবীদের মারার জন্য? কারণ তারা ১৩ তারিখ পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব সবাই মেনে নিবে, ভারতীয় বিমানের আক্রমণ বন্ধ হবে, এবং মুক্তিসেনা-ভারতীয় যৌথ বাহিনীর অগ্রযাত্রা থমকে যাবে। সেই অবস্থাতে পাকিস্তানী শাসন আরও অনেকদিন দীর্ঘয়িত করা যাবে শেখ-মুজিবা কে আটকে রেখে । মূলত পাকিস্তানের দেশীয় দোসর জামাতের নেতারাই দেশের বিরাট হর্তাকর্তা সেজে বসেছিল, এবং তারা সেইরকম ভাবেই থাকার স্বপ্ন দেখছিলো। ডিসেম্বর এর ১১/১২ তারিখে বোঝা যাচ্ছিলো সোভিএট্ রাশিয়া ভেটো দিবে, এবং যুদ্ধ চলবে। কিন্তু পাকিস্তান ও জামাতের দোসররা আশায় আশায় ছিল যদি অন্যরকম কিছু হয়, তাদের বাপজান আমেরিকার কল্যানে।…ওরা যখনই দেখলো সেটা হচ্ছে না, তখন ঢাকা ও অন্য কয়েকটি শহরে থাকা বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করলো? কেন? কারণ তারা জানে এই শহীদুল্লাহ কায়সার, মুনির চৌধুরী রাই লিখে লিখে বাঙালির মনে মুক্তি নেশা জাগিয়েছে (যেভাবে জাফর ইকবাল লিখে লিখে আমাদের মগজ ও মনন যে জাগ্রত রেখেছেন )। যুদ্ধ ক্ষেত্রে লেজ গুটানোর আগে তাদের জিঘাংসার ছাপ তারা রেখে গেছে তাদের চরম পরাজয়ের পূর্ব মুহূর্তে।

    এর সাথে জাফর ইকবালের উপরে এবং ইদানিংকার সকল ধরণের হামলা, হেফাজতের লম্ফোঝম্প এবং আশ্চর্যজনক ভাবে আমার আশাবাদী হবার সম্পর্ক কি?

    সম্পর্ক আছে….

    জাস্ট গত ১৫ বছরে মিডিল ইস্টের কিছু ঘটনা প্রবাহের কথা চিন্তা করুন। মুসলিম উম্মার রূপকথা যারা শুনান তাদের জন্য বলছি। মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটা মুসলিম দেশের ধর্ম, ভাষা, খাবার, পোশাক, সংস্কৃতি এক বা খুবই কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও তারা আলাদা রাষ্ট্র এবং মুটামুটি সবাই সবার সাথে কলহে লিপ্ত। প্রতিটা রাষ্ট্র একনায়কতন্ত্রে চালিত, এবং একে আরেকজনকে ধংস করার ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত। তার পরেও বাংলাদেশের জামাতিরা মোটামুটি ধনী সব আরব দেশের ছত্রছায়া পেয়েছে বহুদিন।

    মুশকিল হয়েছে মিশরে গণবিপ্লবের পরে। মুসলিম ব্রাদার হুড ক্ষমতাতে এসেছে, তার সমর্থনে ছিলো তুর্কি আর কাতারি , কিন্তু সৌদি আরব গোস্বা। .সৌদি আরবের যারা চ্যালা চামুন্ড- তারাও গোস্সা। ইরাককে আমেরিকা লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে, তার নিজের জান চলে না, অন্যের খবর নেয়ার সময় নেই। সৌদি আরব এর ভয়- যদি কোনোদিন ওখানেও এই মুসলিম ব্রাদার হুড মাথাচাড়া দেয় তাহলে তাদের এতদিনের গড়া বেহেশতী-জীবন সব ধ্বংস হবে. সেই থেকে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতাধর দেশ গুলি মুটামুটি দুই মোটা দাগে বিভক্ত হয়ে গেলো। জামাতের গায়ে মুসলিম ব্রাদার হুড-এর গন্ধ আছে, বেচারারা পরে গেলো বিপদে, সৌদি এবং তাদের মিত্র (আমেরিকা সহ) সবার ছায়া জামাতের উপর থেকে সরে গেলো। এইদিকে আমাদের আওয়ামী লীগের সরকার ভারত এবং চীন দুই ক্ষমতাধর কিন্তু পারস্পরিক শত্রূ – দুই দেশকেই বাগে নিয়ে আসলো, সাথে থাকলো রাশিয়া, আর আমেরিকার প্রভাববলয় ইতিমধ্যে হালকা হয়ে যাচ্ছিলো।

    জামাতের উপরে চরম আঘাত আসলো তাদের নেতারা সব যুদ্ধ অপরাধের দায়ে জেলে যাবার সময় থেকেই। এমনকি সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মতন অসম্ভব ক্ষমতাধর- যিনি কিনা একসময় ও-আই -সি’র (OIC: Organisation of Islamic Cooperation) মহাসচিব হবার পথে ছিলেন আরব বিশ্বের সমর্থনে- তাকেও জেলে নেয়া হলো তখনও জামাতি-বা তাদের সমর্থক বি,এন,পির কানে পানি গেলো না. সেই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের মতনই তারা মনে করতে লাগলো শেষ পর্যন্ত তাদের ই জয় হবে. যখন বুঝলো কায়দামতন ফাঁদে পড়া গেছে, তখন শিয়ালের ডাকের মতন আবার তাদের একই গান শুরু হলো ‘অমুক নাস্তিক, তমুক ইসলাম বিরোধী”…মানুষ আর এইসব আজকাল খায় না. তবে যারা শুওর তাদের খাদ্য হচ্ছে ‘পয়োবর্জ্য” তারা এইসব খায় !

    সারা পৃথিবীতে উগ্রবাদী মুসলিম আন্দোলনের ধস নেমেছে, এমনকি টার্কিশ সরকার আমাদের সাথে যুদ্ধপরাধীদের বিচারে বাধা দেয়া, আল জাজিরার প্রচারণা (কাতার -টার্কি এক গ্রূপ- লক্ষ্য করে দেখেন) সত্ত্বেও যখন একে একে রাজাকার-বদর বাহিনীর ওস্তাদ, এবং সর্বোপরি সাকা চৌধুরী ঝুলে গেলো তখন বুঝলো কারও রক্তচক্ষুতে কাজ হচ্ছে না. তুর্কি সরকার অভিমান করে তাদের রাষ্ট্রদূত ফিরিয়ে নিলো চাপ সৃষ্টির লক্ষে, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের কোনো বড়োলোক দেশ মাথা ঘামালো না, নাক গলালো না!

    সেই Turkish President এরদোগানের স্ত্রী সেইদিন আসলেন রোহিঙ্গাদের সাথে দেখা করতে- বুঝেছেন ভাইসকল তুর্কিদের কেও আমরা বাগে এনে ফেলেছি! জামাতিদের পায়ের নিচে মাটি সরে যাচ্ছে।..

    এহেন পরিস্থিতিতে তারা মরণ কামড় দিবে কিছুদিন।একে ‘নাস্তিক’, তাকে ‘ইসলামবিরোধী’ বলে আখ্যা দিবে, আঘাত করবে। আপনারা লক্ষ্য করেছেন কি ধরণের আনস্মার্ট, অল্প শিক্ষিত, মানুষজনদের কে তারা ব্যবহার করছে? নিজের কাছেই লজ্জা লাগে তাদের অবস্থা দেখে।.শোচনীয় করুন।…এই মাথামোটাদের দিয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু করানো সম্ভব না! এইটা ১৯৭১ সাল না যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুদ্ধিজীবীদের ধরে আনতে পারবে।

    ..তাই এইরকম কিছুদিন চালানোর পরে নিজেরাই নিস্শেষ হয়ে যাবে। খারাপ লাগে বি.এন.পীর জন্য, এমন একটা ক্ষয়িষ্ণ নিঃশেষ হবার পথের জঙ্গি-দলের সঙ্গে ছাড়ছে না….এরা নিজেরাতো ধ্বংস হচ্ছেই বি.এন. পীর মতন জনপ্রিয় দলের মগজে পাকিস্তানী ভুত এর চাষ করছে।..আমরা এখন যেটা দেখছি সেটা জামাতের নির্বংশ হবার মৃত্যু-দৃশ্য !

    অতএব, নিরাশ হবেন না….জামাতিরা আর কিছুদিন তাদের ছাগু বাহিনী নিয়ে ইন্টারনেট এই লাফ ঝাঁপ দিবে, আর ঘরের কোনায় বসে ‘সানি লিওন’ পানি-ওয়ালা ড্যান্স দেখে মনের আগুন জুড়াবে।….

    Reply
  4. Sofiullahtawhid@gmail.com

    খোদার অপার কৃপা বর্ষিত হোক প্রিয় লেখকের মস্তকে।

    Reply
  5. Sohel

    স্যার আপনি এই অবিশ্বাস্য পৃথিবীটাকে আরও বহুকাল দেখুন আর আমাদের জন্য লিখে যান। আপনার মত সহজ মানুষ যার আসাধারন ক্ষমতা আছে সব কিছু সহজ করে দেবার , তাঁকে আমরা কোনভাবেই হারাতে চাইনা।

    Reply
  6. tufankhan

    অনেক অনেক দিন আগে আমি ” গড ফাদার ” উপন্যাস টি পরেছি ।
    মারিয়ো পুজ’র ” গড ফাদার ” ।
    তারপর আবার পড়েছি ! মন্ত্র মুগ্ধের মত পড়েছি ! বারবার পড়েছি । এখনো পড়ি ।
    সাত সাতটি অস্কার পাওয়া ” গড ফাদার ” ছবি টিও দেখেছি অনেক বার ।
    আকাশ ছোঁওয়া উচ্চতার পিতা গড ফাদার ডন করলিওনির প্রতি সম্মান আর
    । পুত্র মাইকেল করলিওনি এর প্রতি হৃদয়ের মুগ্ধতা বেড়েছে ক্রমাগতই ।
    সেই প্রথন থেকেই । যেন আমার মনের হিরো !
    যখনই কাউকে ভাল কোন বই এর কথা বলি , পরতে বলি , তখনি ” গড ফাদারের ” নাম টা আমার সামনে আসে ।
    উপমা দেই । পড়তে বলি । ঘরে ” গড ফাদার ” এর বেশ কটি সংস্করণ আছে ।
    আমার একান্ত অবসরে বসে পড়ি কোন এক খানা ” গড ফাদার ” নিয়ে ।
    আমার প্যাশন ভাবতে পারেন ।
    মনে পরে বারবার , গড ফাদার মানে সেই ডন করলিওনি যখন মরে যাচ্ছেন তখন বলছেন
    ” পৃথিবীটা কত সুন্দর ” ! সুন্দর পৃথিবীর এত সুন্দর বর্ণনা মনে আর লাগেনি !
    মহান আল্লাহ তালার প্রতি কৃতজ্ঞতা ।
    আজ সকালে ফেসবুক খুলে দেখি লাকি ফেরদৌসি আপা একটা শেয়ার দিয়েছেন —
    স্যার [ জাফর ইকবাল স্যার ] এর কথা ।
    স্যার আহত । স্যার কে দ্রত ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে । স্যার চাঁদ দেখছেন আর ভাবছেন
    ” পৃথিবীটা অবিশ্বাস্য সুন্দর ” ।
    আমার অনেক কথা মনে পরে গেল ।
    গড ফাদারের কথা , স্যার এর কথা , আমার মন্ত্র মুগ্ধতার কথা ।
    আসলেই পৃথিবীটা অবিশ্বাস্য সুন্দর ।
    এই সুন্দর পৃথিবীটাকে কে যারা অসুন্দর করতে চান , তারা কি আল্লাহ তালার বর্ণিত নির্মিত বেহেশতে যাবেন ?
    না । নিশ্চয়ই না । আমাদের ধর্মই আমাদের তা বলেছে ।
    স্যার সহ আমরা এই অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবীতে থাকতে চাই ।

    Reply
  7. তাইরান আবাবিল

    খোদা, আপনাকে এই অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবীটিকে আরো অনেকদিন দেখতে দিক।

    Reply
  8. রাসেল মাহমুদ

    প্রিয় স্যার, শুভ সকাল। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে এই অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবীতে আরো বহু বছর বেঁচে থেকে মানুষের জন্য আপনার অসমাপ্ত কাজ এবং নিজের ব্যক্তিগত আশা আকাঙ্খা পূর্ণ করার তৌফিক দান করুন। আমীন।।

    Reply
  9. লুতফুর রহমান

    আল্লাহ আপনাকে আরো আনেকদিন হায়াত দিবেন।
    একটা জাতির অগনিত মানুষের আলোর দিশারীর জন্যে দোয়া / প্রার্থনা আল্লাহ কিছুতেই অগ্রাহ্য করবেন না।

    Reply
  10. শৈবাল

    কিছুতেই চোখের জল আটকে রাখতে পারছিনা… এই অবিশ্বাস্য সুন্দর পৃথিবীটিকে জাফর স্যার আরও বহুদিন দেখতে পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নাই।

    Reply
  11. adnan

    স্যার , খোদা আছেন আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত দান করুক , সুস্থ্যসবল জীবন আরো বাড়িয়ে দিক এ দোয়া করি , আমাদের যুব সমাজের মাঝে হিংস্রতার পরিবর্তে ভালবাসার জীবন ফিরে আসুক ।

    Reply
    • Md Rasedul islam

      আসলে পৃথিবীটা অনেক সুন্দর কাউ মরতে চায় না,,,,, স্যার আপনিও বেচে থাকেন,,,,,,,

      Reply
  12. Md. Rifath Hossain

    পৃথিবীটা বড় নিষ্ঠুর জায়গা স্যার। ভালো মানুষের সংখ্যা কমতে কমতে একদিন হয়ত এমন হবে আর একটাও ভালো মানুষ থাকবে না। তখন মানুষ হয়ত আর বই পড়বে না, গান গাইবে না, ছবি আঁকবে না , ভালোবাসবে না।
    আমাদের কাছ থেকে আমাদেরকে বাঁচাতে তখন কেউ আসবে না। সেই সময়টা হয়ত আর বেশি দূরে নয়।
    এইটাই হয়ত প্রকৃতির নিয়ম। হয়ত অন্য কোন গ্রহে অন্য কোনো বুদ্ধিমান প্রাণীর জন্ম হবে। তারা জানবেই না পৃথিবী নামক একটা গ্রহে মানুষ নামক একটা প্রাণী ছিল যারা মহাকাশে ঘুরে বেড়িয়েছে অজানাকে জানার জন্য।

    Reply
  13. Oronno Deb

    অবিশাস্য সুন্দর মনের একজন মানুষ এই তেঁতুল-হুজুরের দেশে কি করছেন, সুস্থ হয় উঠুন তাড়াতাড়ি |

    Reply
  14. সরকার জাবেদ ইকবাল

    এমন পজিটিভিজম অবিশ্বাস্য! যিনি বাঁচা-মরার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বলতে পারেন, “ওপরে খোলা আকাশ সেই আকাশে একটা ভরা চাঁদ” তাঁর পরাজয় নেই। শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল দ্রুত আরোগ্য লাভ করুন এবং দীর্ঘায়ু হউন – এই কামনা করি।

    Reply
  15. সায়ীদ উসমান

    প্রিয় জাফর ইকবাল, আমি আপনাকে ভালবাসি। আমি আশা করি, খোদা আপনাকে আরো অনেকদিন এই সুন্দর পৃথিবী দেখার সুযোগ দেবেন। আমি জানি, আপনাকে কিছু মানুষ যা মনে করে আপনি তা নন।

    Reply
    • abdu mannan

      amra sobar jonno jodi moulik odikar tuku jhar jaha paippo paoa jeto tha holey dhukko bholey kichu thakto na somoye sobai bangali somoye keo obangali r kotodin aai boisommta cholbey///

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—