Gravity wave- 111

পুরো বাংলাদেশ গত কয়েক সপ্তাহ থেকে এক ধরনের বিষণ্নতায় ভুগছে। খবরের কাগজ খুললেই প্রথম পৃষ্ঠায় রোহিঙ্গাদের কোনো একটি মনখারাপ করা ছবি দেখতে হয়। খবরের কাগজের একটা বড় অংশজুড়ে রোহিঙ্গাদের উপর অমানুষিক নির্যাতনের কোনো না কোনো খরব থাকে। যারা টেলিভিশন দেখেন তারা স্বচক্ষে রোহিঙ্গাদের কষ্টটুকু আরও তীব্রভাবে দেখতে পান। ইন্টারনেটের সামাজিক নেটওয়ার্কে যেহেতু অনেক কিছু সরাসরি দেখানো সম্ভব হয়, অনুমান করছি, সেখানে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের ছবি কিংবা ভিডিও আরও অনেক বেশি নির্মম। এই অমানুষিক নির্যাতনের শিকার মানুষগুলোকে যখন বাংলাদেশের কোনো একটি ক্যাম্পে দেখি তখন একটিমাত্র সান্তনা যে, এখন তাদেরকে আর কেউ মেরে ফেলবে না। কষ্ট হোক যন্ত্রণা হোক মানুষগুলো প্রাণে বেঁচে গেছে। এই ভয়ংকর পরিস্থিতিতেও ছোট শিশুদের মুখের হাসিটুকু দেখে মনে হয় পৃথিবীটা এখনো শেষ হয়ে যায়নি।

আমি প্রতি দুই সপ্তাহে একবার করে এই দেশের অনেক পত্রপত্রিকায় লিখি, কেন লিখি নিজেও জানি না। আমি কোনো বিষয়েরই বিশেষজ্ঞ নই। তাই দেশ, সমাজ কিংবা পৃথিবীর কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা আমার নেই। নিজের দুঃখ-কষ্ট বা আনন্দটুকু পাঠকদের সাথে ভাগাভাগি করে নিই। রোহিঙ্গাদের এই কষ্টটুকু শুরু হওয়ার পর মনে হচ্ছিল এখন থেকে শুধু তাদের নিয়েই লিখতে হবে, অন্য কিছু লেখার মতো মানসিক অবস্থা হয়তো কখনোই আসবে না। কিন্তু আজ সকালে খবরের কাগজে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের খবরটি পড়ে মনে হল, একবার হলেও সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা বিষয় নিয়ে একটুখানি লিখি।

২০১৫ সালে যখন প্রথমবার গ্র্যাভিটি ওয়েভ বা মহাকর্ষ-তরঙ্গ বিজ্ঞানীরা তাদের ল্যাবরেটরিতে দেখতে পেয়েছিলেন সেটি বিজ্ঞানের জগতে অনেক বড় একটি খবর ছিল। সাধারণ মানুষেরা হয়তো খবরটি পড়েছেন, কিন্তু খবরটার গুরুত্বটুকু নিশ্চয়ই ধরতে পারেননি। এই মহাবিশ্বে কোটি কোটি গ্যালাক্সির একটি গ্যালাক্সি আমাদের ছায়াপথ। সেই ছায়াপথের কোটি কোটি নক্ষত্রের একটি নক্ষত্র সূর্য। সেই সূর্যের আটটি গ্রহের একটি গ্রহ পৃথিবীর এবং সেই পৃথিবীর অসংখ্য প্রাণির একটি প্রাণি হচ্ছে মানুষ! এই অতিক্ষুদ্র মানুষ এই পৃথিবী নামক নীল গ্রহটিতে থেকে আকাশের দিকে তাকিয়ে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টির গোপন রহস্য বের করতে পেরেছেন সেটি আমার কাছে অবিশ্বাস্য একটি ব্যাপার মনে হয়।

সেটি করার জন্যে বিজ্ঞানীরা গ্রহ-নক্ষত্র-গ্যালাক্সির দিকে তাকিয়েছেন, সেখান থেকে যে আলো এসেছে সেটি দেখেছেন। টেলিস্কোপে শুধু আলো দেখে সন্তুষ্ট থাকেননি, রেডিও তরঙ্গ দেখেছেন, এক্স রে দেখেছেন, গামা রে দেখেছেন। শুধু তাই নয়, নিউট্রিনো নামে রহস্যময় কণা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেছেন। একটি পরমাণুর ভেতরে কী আছে বা নিউক্লিয়াসের ভিতরে কী আছে সেটি দেখার জন্যে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীতে বড় বড় এক্সেলেটর তৈরি করেছেন এবং সেগুলোর ব্যবহার করে তার ভেতরের রহস্য ভেদ করেছেন।

কিন্তু এই মহাবিশ্বের গ্যালাক্সি কীভাবে তৈরি হয় কিংবা নক্ষত্রের জন্ম-মৃত্যু কীভাবে হয় কিংবা ব্ল্যাকহোল কীভাবে স্থান-কাল পাল্টে দেয় সেগুলো বোঝার জন্যে তারা ল্যাবরেটরিতে সেগুলো নিয়ে আসতে পারেন না। সেটি করার জন্যে তাদেরকে মহাকাশের দিকে তাকিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। পর্যবেক্ষণ করেন আলো কিংবা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ, কখনও কখনও নিউট্রিনো।

বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ করার জন্যে নূতন একটি পদ্ধতি বের করেছেন, প্রায় অর্ধশতাব্দী চেষ্টা করে তারা গ্র্যাভিটি ওয়েভ বা মহাকর্ষ তরঙ্গ নামে সম্পূর্ণ নূতন এই তরঙ্গ দেখতে সক্ষম হয়েছেন যেটি পদার্থ বিজ্ঞানের জগতের জন্যে একেবারে নূতন একটি দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ২০১৫ সালের প্রথমবার যখন তারা মহাকর্ষ তরঙ্গ দেখেছেন সেটি ছিল দুটো ব্ল্যাক হোলের সংঘর্ষ। দুটো ব্ল্যাক হোল কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরে একটি আরেকটিকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছিল। তাদের ঘুরপাকের কারণে মহাকর্ষ তরঙ্গ তৈরি হয়েছে এবং সেই তরঙ্গ তাদের শক্তি সরিয়ে নিচ্ছিল বলে একে অন্যের কাছাকাছি চলে এসে এক সময় দুটো মিলিত হয়ে নূতন একটা বড় ব্ল্যাক হোল তৈরি করেছে।

১৯১৫ সালে আইনস্টাইন তার জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি প্রকাশ করেন এবং যেটি বিশ্লেষণ করে প্রথম মহাকর্ষ তরঙ্গের ভবিষ্যৎবাণী করা হয়েছিল। তখন তিনি নিজেও হয়তো বিশ্বাস করেননি যে, ঠিক একশ বছর পর পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা এটি নিজের চোখে দেখতে পাবেন। বিষয়টি কত কঠিন ছিল সেটি অনুমান করাও কঠিন। কারণ এটি দেখতে হলে বিশাল পৃথিবীর আশার যদি একটি পরমাণুর আকারে সংকুচিত হয় সেটি দেখার ক্ষমতা থাকবে হবে। একটি পরমাণ কত ছোট সেটি যারা না জানে তাদেরকে অনুভব করানো প্রায় দুঃসাধ্য!

 

Noble in Physics 2017 - 111

 

বিজ্ঞানীরা সেই অসাধ্য সাধন করেছেন এবং এখন পর্যন্ত চারবার তারা সুনিশ্চিতভাবে মহাকর্ষ তরঙ্গ দখেতে পেয়েছেন এবং চারবারই কয়েক বিলিওন আলোকবর্ষ দূরে দুটি ব্ল্যাক হোল একটি আরেকটির সাথে পাক খেতে খেতে এক সময় একক্রিত হয়ে একটি বড় ব্ল্যাক হোলে রূপান্তরিত হয়েছে। আমি ভেবেছিলাম ২০১৬ সালেই তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হবে, কিন্তু নিশ্চয়ই নোবেল পুরস্কার দেওয়ার আগে একটুখানি যাচাই-বাছাই করে দেওয়া হয়। তাই ২০১৬ সালে না দিয়ে এই বছর দেওয়া হল।

নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনজন, একজন এম আইটির প্রফেসর অন্য দুইজন ক্যালটেকের। নোবেল পুরস্কারের ঘোষণাটি দেখে আমি ভিন্ন এক ধরনের আনন্দ পেয়েছি। কারণ ক্যালটেকে আমি পোস্ট ডক হিসেবে কাজ করেছি এবং যে দুজন প্রফেসর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তাদের আমি চিনি! সত্যি কথা বলতে কী, এই দুইজন অধ্যাপকের একজন, কিপথর্ণের অফিসটি ছিল আমার অফিসের খুব কাছে। প্রায় প্রতিদিন ওনার সাথে আমার দেখা হত। তাঁর অফিসটি অন্য যে কোনো প্রফেসরের অফিস থেকে ভিন্ন। তিনি বাজি ধরতে খুব পছন্দ করতেন এবং পৃথিবীর অন্যান্য বিজ্ঞানীদের সাথে তিনি নানা বিষয়ে বাজি ধরতেন। সেই বাজির বিষয়বস্তু ছিল খুবই চমকপ্রদ। স্টিফান হকিংসের সাথে তিনি বাজি ধরেছিলেন যে, সিগনাস এক্স ওয়োন নামের একটি নক্ষত্র আসলে একটি ব্ল্যাক হোল।

দুজনের স্বাক্ষরসহ ১৯৭৫ সালের বাজির কাগজটি ছোট একটা ফ্রেমে কিপথর্ণের অফিসের সামনে টানানো ছিল। সেখানে লেখাছিল বাজীতে যে হেরে যাবে তাকে অন্যজনকে এক বছরের জন্যে পেন্টহাউস নামে ম্যাগাজিনটি কিনে দিতে হবে। (যারা জানে না তাদেরকে বলে দেয়া যায় প্যান্টহাউস, প্লেবয় এগুলো হচ্ছে নগ্ন নারীদের ছবি পরিপূর্ণ প্রাপ্ত বয়স্কদের ম্যাগাজিন) ১৯৯০ সালে স্টিভান হকিংস এই বাজীতে হেরে গিয়েছিলেন তিনি সত্যি সত্যি কিপথর্নকে এক বছরের জন্যে পেন্টহ্সা কিনে দিয়েছিলেন কী না কিংবা কিনে দিয়ে থাকলে তার স্ত্রী ব্যাপারটা কীভাবে নিয়েছিলেন সেটা আমি জানি না।

কিপথর্ন তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানী, মহাকর্ষ তরঙ্গ দেখা এবং মাপার বিষয়টি যতটুকু না তাত্ত্বিক সমস্যা তার থেকে অনেক বেশি এক্সপেয়িমেন্টাল সমস্যা। কাজেই নোবেল পুরস্কার যে তিনজনকে দেওয়া হয়েছে তার ভেতর দুজন হচ্ছেন এক্সপেরিমেন্টাল পদার্থ বিজ্ঞানী। এর ভেতর একজন এমআইটির প্রফেসর, অন্যজন ক্যালটেকের।

ক্যালটেকের প্রফেসর ব্যারি ব্যারিসের নামটি দেখে আমার এক ধরনের দুঃখবোধ হয়েছে। কারণ এখানে ব্যারি ব্যারিসের নামের পাশে আরও একটি নাম থাকার কথা ছিল, সেই নামটি হচ্ছে রোনান্ড ড্রেভার। মহাকর্ষ তরঙ্গের নোবেল পুরস্কারটি যদি এই বছর ঘোষণা না করে গত বছর ঘোষণা করা হত তাহলেই হয়তো আমরা তাঁর নামটিও দেখতে পেতাম। কারণ এই বছর পুরস্কার ঘোষণা করার মাত্র কয়েক মাস আগে তিনি মারা গেছেন। নোবেল কমিটির নিয়ম অনুযায়ী কেউ মারা গেলে তাকে আর পুরস্কারটি দেওয়া যায় না। নিয়মটি ভালো না, পদার্থ বিজ্ঞানের ইতিহাসে একজন মানুষের নাম থাকতে পারল না। কারণ ঘটনাক্রমে তিনি মারা গেছেন এটি মেনে নেওয়া যায় না। (আমাদের বাংলা একাডেমির পুরস্কারেও মনে হয় এই ঝামেলাটি আছে, অনেক হেজিপেজি চেষ্টাচরিত্র করে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছে কিন্তু আহমদ ছফাকে কখনো বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়নি এটা মেনে নেয়া কঠিন।)

রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়টি দেখে মনে হচ্ছে তাদের নিয়মের ভেতর পুরস্কার কেড়ে নেওয়ার নিয়মটিও থাকা উচিৎ ছিল। তাহলে এখন মিয়ানমারের ফটোজেনিক নেত্রী অং সান সুচির অন্যান্য পুরস্কার এবং সম্মাননা কেড়ে নেওয়ার সাথে সাথে নোবেল পুরস্কারটিও কেড়ে নেওয়া যেত।

আমি যখন ক্যালটেকে ছিলাম তখন আমি সদ্য পিএইচডি শেষ করা তরুণ একজন পোস্টডক। ক্যালটেকে পৃথিবীর সেরা সেরা বিজ্ঞানীরা রয়েছেন, কাফেটেরিয়াতে লাঞ্চ করার সময় পাশের টেবিলে ফাইনম্যানের মতো বড় বিজ্ঞানীদের দেখি এবং মোটামুটি হতবুদ্ধি হয়ে যাই। প্রায় নিয়মিতভাবে বড় বড় বিজ্ঞানীরা সেমিনার দেন আমরা যারা খুব আগ্রহ নিয়ে সেগুলো শুনি। আমি পৃথিবীর অনেক বড় বড় বিজ্ঞানীর বক্তৃতা শুনেছি। কিন্তু আমার স্মৃতিতে যে বক্তৃতাটি সবচেয়ে দাগ কেটে আছে সেটি হচ্ছে মৃত্যুর কারণে নোবেল পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হওয়া রোনাল্ড ড্রেভারের বক্তৃতা। আজ থেকে প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর আগের কথা মহাকর্ষ তরঙ্গ দেখার জন্যে বিশাল দঙ্গযঙ্গ শুরু হয়েছে এবং তার নেতৃত্বে রয়েছেন এই রোনাল্ড ড্রেভার। উচ্চতা খুব বেশি নয়, ঢিলেঢালা শরীরের গঠন, মুখে সবসময় এক ধরনের হাসি, দেখলেই মনে হত তিনি বুঝি এই মাত্র খুব মজার কিছু শুনেছেন।

যেদিন তাঁর বক্তৃতা আমরা সবাই এই বিখ্যাত এক্সপেরিমেন্টটি কীভাবে দাঁড় করানো হচ্ছে সেটি শুনতে গেছি। আজকাল সব বক্তৃতাই দেওয়া হয় ভিডিও প্রজেক্ট দিয়ে, তখন দেওয়া হত ওভারহেড প্রজেক্টর দিয়ে। স্বচ্ছ ট্রান্সপারেন্সির উপর কলম দিয়ে লিখতে হত এবং সেগুলো ওভারহেড প্রজেক্টরে রাখা হলে পিছনের স্ক্রিনে দেখা যেত।

প্রফেসর প্রেভার আমাদেরকে তাঁর এক্সপেরিমেন্টের হেড প্রজেক্টর রাখছেন। কথা বলতে বলতে একসময় উত্তেজিত হয়ে উঠলেন এবং কিছুক্ষণের মাঝে তার ট্রান্সপারেন্সিগুলো ওলট পালট হয়ে গেল এবং দেখলাম সারা টেবিলে তার ট্রান্সপারেন্সিগুলো ছড়ানো ছিটানো এবং তিনি যেটা দেখাতে চাইছেন সেটা খুঁজে পাচ্ছেন না! প্রায় পাগলের মতো বিশাল টেবিলের এক প্রাপ্ত থেকে অন্য প্রান্ত ছুটে যাচ্ছেন, তাঁর মুখে বিব্রত হাসি, অপ্রস্তুত ভঙ্গি।

গল্প-উপন্যাসে বিজ্ঞানীদের যে বর্ণনা থাকে হুবহু সেই দৃশ্য! এক সময় ছাল ছেড়ে দিয়ে তিনি এমনিতেই তাঁর বক্তৃতা দিলেন! যখন বলার অনেক কিছু থাকে তখন স্লাইভ কিংবা ট্রান্সপারেন্সি খুঁজে না পেলেও চমৎকার বক্তৃতা দেওয়া যায়।

পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণাটি দেখে আমি একটুখানি নস্টালজিক হয়ে পড়েছিলাম। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখনও শুধু ছাত্র পড়ানো হয়। পড়ানোর পাশাপাশি যখন সত্যিকার গবেষণাও করা শুরু হবে, শুধুমাত্র তখনই সত্যিকার অর্থে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারবে।

সারা পৃথিবী জ্ঞান সৃষ্টি করবে, আমরা শুধু সেই জ্ঞান ব্যবহার করব, নিজেরা কিছু সৃষ্টি করব না, সেটা তো হতে পারে না।

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল লেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭ Responses -- “নস্টালজিয়া”

  1. Md. Solaiman

    Mr. Md. Noor Hassan is trying to find out the mistakes, But, we are science students and we know what the writer wants to say. Sometimes you have to guess the sentence too.
    My college experience is here for you
    One of our English teachers (Foreign) gave 9 out of 10 in a quiz to some students. Our Bangladeshi teachers asked him why he gave them such high number. He replied: Bangali students write in English, it’s enough reason for giving them such number.

    Reply
  2. Mishuk

    অনেকগুলো নতুন তথ্য পেলাম। ধন্যবাদ স্যারকে।
    আমি একটা কথাই বুঝতে পারছি না, নূর হোসেন সাহেবের সমস্যা কোথায়? উনি কি বাড়তি পাণ্ডিত্য প্রদর্শনের চেষ্টায় আছেন? বিজ্ঞানের লেখাগুলো কেমন হওয়া উচিত, সেটা আমরা কম বেশি সবাই জানি। একটা মানুষ যখন একটা ভালো কিছু লিখছে তখন বাংলাদেশিদের কেউ কেউ সেটাকে ব্যবচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন! রহস্যজনক! তাও বাংলা লেখার বৈশিষ্ট্য নিয়ে! হাস্যকর, বিরক্তিকর এবং আপত্তিজনক। তারচেয়েও বেশি দুঃখজনক। ব্যাপারটা অনেকটা গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল। নিজেকে জাহির না করে, যাদের জ্ঞানের পরিধি একটা ব্ল্যাক হোলের চাইতেও বেশি, তারা নিজেরাই তো লেখালেখি করে একটা দুটো নোবেল আনতে পারে আমাদের জন্য। আমরা তখন তাদের নিয়েও মাতামাতি করব। তাদের লেখা পড়ার জন্য আরো বেশি করি কাড়াকাড়ি করব। আপাতত, স্যারের লেখার বাংলাটা আমরা আম জনতা সবাই বুঝতে পারছি, সেটাই যথেষ্ট। যারা আরো বেশি ব্যাকরণিক হতে চাইছেন, তারা দয়া করে অন্যত্র যেতে পারেন।

    Reply
    • Md. Noor Hassan

      মিশুক সাহেব। আপনি আপনার স্যারকে জিজ্ঞেস করে দেখুন। আমার ধারণা উনি
      ভুলটা স্বীকার করবেন এবং সংশোধনী দেবেন। ধারণা করছি আপনার বাসায় এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইটা আছে। এর মুখবন্ধটা পড়ে দেখুন। হকিং এর লেখা প্রথন পাণ্ডুলিপি বেন্টাম বুকস এর সম্পাদক ৭০% লাল কালিতে কেটে দিয়েছিলেন বা পরিবর্তন করার জন্য মন্তব্য করেছিলেন।এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইটা হকিং নতুন করে লিখেছিলেন। তার ভাষায়, ” আমি সম্পাদকের কাছে কৃতজ্ঞ আমার নাকটা মাটিতে ঘসে দেওয়ার জন্য। তার কারণেই এই কালজয়ী বইটা আমি শেষ পর্যন্ত লিখতে পেরেছি।”

      Reply
  3. abu

    1. Introduce 1-year undergraduate research in the best 10 universities.
    2. Give prizes for the top undergraduate research works to both students and their supervisors.
    3. Do not encourage unnecessary controversal statements on Islam. We studied Darwin’s theory and evolution in the college in Bangladesh in 1974. Nothing happened. This was a problem in USA not in Bangladesh. The best brain I have encountered in Bangladesh when I was a student was that of Engineer Rezwan Khan. I do not know his present condition. But most of the period of his student life he was a believer.

    Reply
  4. কাল্লু মিয়া

    কিছুদিন আগে একটা লেখায় দেখলাম বাংলাদেশে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্টান গুলো স্পনসর করে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কাজে কেন তারা এই টাকা ব্যয় করে না। আর লেখক লেখার শিরোনাম দিসেন, “মেধা হেরে যায় নেংটির কাছে ” .
    ভালো কিন্তু আমাদের দেশের শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীরা কি আদৌ গবেষণা করতে চান। উনারাতো ব্যস্ত দলবাজি করতে। আওয়ামীলীগ, বিএনপি , জামাত এইগুলা করে নিজের যায় রোজগার বাড়াতে কিংবা পদোন্নতি বাগিয়ে নিতে।
    আর দেশের স্নাতকোত্তর পাশ শিক্ষার্থীর ৪৭% বেকার। লজ্জা লজ্জা। তাহলে কি হল, এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চাকরি প্রার্থী তৈরী করে চাকরিদাতা। যে জায়গায় পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশের শিক্ষা ছাত্রদের নিজেদের সামর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে উদ্যোক্তা হতে হতে কিংবা চাকরিদাতা হতে শিখায় সেখানে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা খালি চাকরি প্রার্থী হতে শিখায়।
    যে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ছাত্রদের ভিক্ষুক হতে শেখায় সেই দেশের বুদ্ধিজীবীদের লজ্জা পাওয়া উচিত।

    Reply
    • Md. Noor Hassan

      আরিফ সাহেব, যে কোন ভৌগলিক দূরত্ব বুঝাতে দুটি বিন্দুর নাম স্পষ্ট করে বলতে হবে। লেখা দরকার ছিল, “ পৃথিবী থেকে কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরে দুটো ব্ল্যাক হোল একটি আরেকটিকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছিল।” কিন্তু লেখা হয়েছে, “দুটো ব্ল্যাক হোল কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরে একটি আরেকটিকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছিল।”

      Reply
  5. shahriaf

    পেট আর পকেট আমাদের টেনে ধরে রেখেছে। এই দুই চিন্তা শেষ হলে তো পরে অন্য চিন্তা।

    Reply
  6. Maksudur Rahman

    পেরাডাইম শিফট:
    গত প্রায় ১৫ বছরের ধরে আমার মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের আশেপাশের মানুষদের পেরাডাইম একটা ভালোর দিকে শিফট করা উচিত ।
    ইউরোপ-আমেরিকার অনেক সাধারণ মানুষ চুড়ান্ত অসভ্য, ইতর, বদ। কিন্তু ওইসব দেশে কিছু মানুষ আছে যাদের পেরাডাইম শিফট হয়ে খুবই ভাল, উদার, গঠনমূলক হয়েছে গত ১০০ বছরে । যার ফলে তাদের দেশে সব সময়ই নতুন কিছু সৃষ্টি হয় ।
    কিন্তু আমাদের এইদিকে এইসব হয় না, আমরা শুধু অনুকরণ করি, তাও বাজে ভাবে । কারণ আমাদের পেরাডাইম ১০০ বছর আগে যা ছিলো সেই রকম র‌্যাডিক্যাল ধরণার উপরই আছে, শুধু বাইরে দিয়ে অনুকরণ করে নতুন নতুন রঙ দিয়ে আমরা নিজেদের আধুনিক দেখাই এবং আধুনিকতা নিয়ে বিবাদ করি ।
    একটা খুব শক্ত উদাহরণ দেই-
    ইউরোপে ১০০ বছর আগে যখন আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রসার পাচ্ছিলো তখন আইনস্টাইন নিজে খুব সংগ্রাম করছিলেন তাঁর আশেপাশের মানুষদের সাথে । একে তো মানুষ নিউটনের মহাকর্ষন ধারণা থেকে একচুলও নড়তে চাচ্ছিলো না, তার উপর সেসময় সাম্রাজ্যবাদ দেশগুলো- যেমন ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানী কিভাবে পৃথিবীকে নিজেদের মধ্য ভাগাভাগি করা যায় তা নিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল ।
    এমন সংকীর্ণ পরিবেশে আইনস্টাইন বললেন, আলোর গতি সব সময় একই, সময় সব জায়গায় এক নয়- যত দ্রুত চলা যায় সময় তত বাড়ে এবং সব শেষে বললেন, বস্তু স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দিতে পারে ।
    এইসবই খুবই অন্যরকম নতুন ধারণা । একমাত্র শিশুমনের কল্পনার জগতেই এমন ধারণা তৈরী হতে পারে কারণ বাচ্চারা আগে থেকে কিছু জানে না ।
    আইনস্টাইন এমন ধারনা নিজের মধ্যে আনতে পেরেছিলেন কারণ তিনি শিশুকাল, কৈশোরে খুব উদার মুক্ত পরিবেশে মানুষ হয়েছিলেন । তার শিশুমন নষ্ট হয়নি ।
    আমরা এখন ভেবে নেব; তার বাবামা তাকে যা ইচ্ছা তাই করতে দিতেন, কারণ আমাদের পেরাডাইম আমাদের তাই চিন্তা করতে বলে । তা কিন্তু নয় ।
    ইউরোপে রেঁনেসা, ফরাসী বিপ্লবের শত শত বছর পর পেরাডাইম শিফট হচ্ছিলো উদারতা, উদ্ভাবণ, মুক্ত চিন্তার দিকে । ইথারের অস্থিত্তহীনতা, তেজক্রিয়তার আবিষ্কার, সমাজতান্ত্রীক চিন্তা এইসবই সেই সময়ে ঘটছিলো । তাই আইনস্টাইনের কৈশোর কালটা যৌবন কালের মত ঝঞ্জাবিক্ষুব্ধ ছিলো না যে একটা যুদ্ধের পরিবেশে তাকে চিন্তা করে করে মহাকর্ষনের কারণ আবিষ্কার করতে হয়েছিলো । আইনস্টাইন তার কৈশোরকালের ভাবনা নিয়েই পরবর্তীতে সারাজীবন ব্যাপী কাজ করেছেন ।
    ইউরোপ যখন আগের পেরাডাইমে ছিলো তখন ইউরোপ রেঁনেসার মধ্য দিয়ে গেলেও তখনও ধর্মের শক্ত প্রভাবে ছিলো । নিউটন পর্যন্ত মহাকর্ষ বলের কারণ বের করতে না পেরে ভেবে ছিলেন মহাকর্ষ হয় ইশ্বরের ইচ্ছায় ।
    যাই হোক, পেরাডাইম শিফট আইনস্টাইনের সময় পুরাপুরি সম্পন্ন হয় কারণ আইনস্টাইন মহাকর্ষ বল- যার ফলে পুরো বিশ্বজগত চলছে, সেই বলের কারণ হিসেবে ইশ্বরের কোন প্রভাবই রাখলেন না, জ্যামিতিক অঙ্ক কষে যুক্তির মাধ্যমে দেখিয়ে দিলেন যে মহাকর্ষ বলের কারণ স্থান-কালে বস্তুর উপস্থিতি ।
    এত্ত বড় একটা যুক্তি প্রয়োগ দেখার পর পশ্চিমা মানুষের মনজগতের পেরাডাইম অমূল বদলে গেল এবং তারপর থেকে বলা যায়, বিশ্ব আর কখনই আগের মত ছিলো না।
    কিন্তু সমস্যা হলো প্রাচ্যের মানুষ- আমাদের পেরাডাইম কিন্তু আগের মতই রইলো । আমাদের ভাবনায় এখনও ধর্ম, আমরা পশ্চিমাদের অন্ধ অনুকরণ করি, ঐতিহ্যের নামে আমরা পুরাতন সংকীর্ণতা লালন করি । আর যখন আমরা বলি আধুনিকতা সেটা অনেকটা পুরাতন ধরণার উপর র্নিবুদ্ধিতার রং চড়ানো ।
    এইসজন্যই পশ্চিমাদের মত আমাদের জ্ঞান-বিজ্ঞানে নতুন কিছু আবিষ্কার হয় না, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিতে আমরা অনেক সময়ই পশ্চিমা অনুকরণ করতে গিয়ে তাদের ভালটা না নিয়ে খারাপটা নিয়ে নোংরামি করি ।
    এখন আমার প্রশ্ন আছে আপনাদের কাছে । হতে পারে এই প্রশ্নের মাধ্যমে একটু হলেও আপনাদের মনজগতের পেরাডাইম শিফট হতে পারে । প্রশ্ন হলো-
    যেহেতু আলোর গতি ধ্রুব এবং কোন বন্তুই আলোর চেয়ে বেশী বেগে চলতে না পারে। তবে এই মুহুর্তে সুর্যটা কোন কারণে হারিয়ে গেলে আমাদের পৃথিবীর সব জিনিসের উপর সূর্যের মহাকর্ষের প্রভাব কি সাথে সাথেই পড়বে নাকি আলোর গতিবেগে ৮ মিনিট পর আমরা বুঝতে পারব যে সূর্য নাই।
    আমি বলতে চাচ্ছি, আলোর তরঙ্গ ধর্ম চিন্তা করে, মহাকর্ষীয় তরঙ্গের চিন্তা করে কোনটা ঘটবে। দুটি তরঙ্গ কি একসাথেই চলবে না কোনটা কোনটার চেয়ে দ্রুত।
    সেক্ষেত্রে যদি মহাকর্ষীয় তরঙ্গ যদি আলোর তরঙ্গ থেকে দ্রুত চলে তবে বিলিয়ন বিলিয়ন আলোক বর্ষ দূরের ব্ল্যাক হোলের প্রভাব কি আমাদের উপর সাথে সাথেই পড়ে না বিলিয়ন বিলিয়ন বছর পরে পড়ে?
    মহাকর্ষীয় তরঙ্গ যদি আলোর বেগেই চলে তবে কি সেই তরঙ্গ মারফত ব্ল্যাকহোলের প্রভাব সংক্রান্ত খবর- যেটা আমাদের কাছে আসছে; তা আসতে আসতে সময়কাল বেড়ে গেছে ? কারণ সেই তরঙ্গের সংকেত আলোর বেগে চলার কারণে টাইম ডায়লেশন হওয়ার কথা।
    নির্ঘণ্ট:
    (১) পেরাডাইম শব্দটার ভাল ভাবানুবাদ বাংলা আমার জানা নাই । তাই পেরাডাইমই বললাম।
    (২) এরকম পেরাডাইম শিফটের উদাহরণ ডারউইনের বিবর্তবাদ দিয়েও দেওয়া যায়, কিন্তু আমাদের পেরাডাইম এতটাই ধর্মকেন্দ্রীক যে সেই উদাহরণ এইখানে লিখাও বিপদজ্জনক।

    Reply
    • oback

      মাকসুদুর রহমান সাহেবের লিখা পড়ে আমার মনে হচ্ছে সামগ্রিকভাবে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি সত্য, কিন্তু বিচ্ছিন্নভাবে আমাদেরও আছেন অনেক জাফর ইকবাল স্যার বা মাকসুদুর রহমান এর মতো অনেক অপরিচিত অথচ আলোকিত মানুষ। তাই আমরা আশাবাদি। হয়তো এক’শ বছর পর আমাদের আশেপাশের মানুষদের পেরাডাইম একটা ভালোর দিকে শিফট হবে।

      Reply
  7. Md. Noor Hassan

    “দুটো ব্ল্যাক হোল কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরে একটি আরেকটিকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছিল। ” “বিজ্ঞানীরা সেই অসাধ্য সাধন করেছেন এবং এখন পর্যন্ত চারবার তারা সুনিশ্চিতভাবে মহাকর্ষ তরঙ্গ দখেতে পেয়েছেন এবং চারবারই কয়েক বিলিওন আলোকবর্ষ দূরে দুটি ব্ল্যাক হোল একটি আরেকটির সাথে পাক খেতে খেতে এক সময় একক্রিত হয়ে একটি বড় ব্ল্যাক হোলে রূপান্তরিত হয়েছে।” লেখক কি কথাটা বুঝে লিখেছেন ? প্রথমত এক বিলিয়ন (একশ কোটি) আলোক বর্ষ দুরত্বে দুটি ব্লাকহোল অবস্থান করলে তাদের মধ্যে কোন মহাকর্ষীয় বল কাজ করার কথা নয়। দ্বিতীয়ত ব্লাক হোল দুটি এক গ্যালাক্সিতে অবস্থান করবে না। কারণ একটা গ্যালাক্সির ব্যাস এক বা দেড় লাখ আলোক বর্ষ। ভিন্ন গালাক্সির দুটি ব্লাক হোল পরস্পরকে আবর্তন করার কোন সুযোগ নাই।

    Reply
    • বিমান ধর

      “দুটি ব্ল্যাক হোল পরস্পর থেকে কয়েক বিলিওন আলোকবর্ষ দূরে” বলা হয়নি। দুটো ব্ল্যাক হোল পৃথিবী থেকে কয়েক বিলিওন আলোকবর্ষ দূরে আছে।

      Reply
      • Md. Noor Hassan

        বাক্যে যা বোঝা যায় সেটাই বলা হয়েছে বলে ধরতে হবে। যে কোন ভৌগলিক দূরত্ব বুঝাতে দুটি বিন্দুর নাম স্পষ্ট করে বলতে হয়। লেখা দরকার ছিল, “ পৃথিবী থেকে বা মিল্কি ওয়ে থেকে কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরে দুটো ব্ল্যাক হোল একটি আরেকটিকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছিল।” কিন্তু লেখা হয়েছে, “দুটো ব্ল্যাক হোল কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরে একটি আরেকটিকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছিল।” লেখকের মতামত নিয়ে দেখুন উনিও স্বীকার করবেন যে বাক্যটি বিভ্রান্তিকর। বিজ্ঞানের ভাষা সবসময় দ্ব্যর্থকতা শূন্য হয়।

  8. Md. Noor Hassan

    “দুটো ব্ল্যাক হোল কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরে একটি আরেকটিকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছিল। ” লেখক কি কথাটা বুঝে লিখেছেন ? এক বিলিয়ন (একশ কোটি) আলোক বর্ষ দুরত্বে দুটি ব্লাকহোল অবস্থান করলে তাদের মধ্যে কোন মহাকর্ষীয় বল কাজ করার কথা নয়। ব্লাক হোল দুটি এক গ্যালাক্সিতে অবস্থান করবে না। কারণ একটা ব্লাক হোলের ব্যাস এক বা দেড় লাখ আলোক বর্ষ। তারা পরস্পরকে আবর্তন করার কোন সুযোগ নাই।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—