১৯৯৪ সালের কথা। মধ্য আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায় যখন গণহত্যা চলছিল বিশ্ব তখন চোখ মুদে ছিল। দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ হুতু সম্প্রদায় সরকারি বাহিনীর ইন্ধন ও সহযোগিতায় সংখ্যালঘু তুতসিদের উপর যে নারকীয়, পাশবিক ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল তা জানতে বিশ্ববাসীর সময় লেগেছিল। বিশ্বমোড়লগণ, জাতিসংঘ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এমনভাবে মুখ ঘুরিয়ে রেখেছিল যেন কিছুই ঘটছে না। বিশ্বমিডিয়া ছিল আশ্চর্যজনকভাবে নীরব।

লোকচক্ষুর অগোচরে ঘটে যাওয়া সেই নারকীয় গণহত্যার দায় শুধু হুতুদেরই নয়, পৃথিবীর সবার। নব্বই দশকের সেই পক্ষাঘাতগ্রস্ত রাজনীতি আর মিডিয়ার উপেক্ষার বলি হয়েছিল দশ লক্ষ জীবন, মাত্র একশ দিনে। দেশছাড়া হয়েছিল বিশ লক্ষ মানুষ। “হান্ড্রেড ডেইজ অফ স্লটার” নামে পরবর্তীতে আকিকাপ্রাপ্ত ওই ঘটনার সময়কাল ছিল ১৯৯৪ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১৫ জুলাই। পুড়িয়ে, কুপিয়ে, জবাই করে দশ লক্ষ নারী-পুরুষ-শিশুর লোমহর্ষক সেই হত্যাযজ্ঞে একটি পুরো গ্রহ দায়ী, এমনটি ইতিহাসে আর ঘটেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এই হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা না বলতে জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বারণ করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্সের ভেটোর কারণে জাতিসংঘ অ্যাকশনে যায়নি। এমনকি এই গণহত্যার খবর যাতে বহির্বিশ্ব না জানে সে ব্যাপারেও সমঝোতায় পৌঁছে পরাশক্তিরা। হুতু সরকার যখন রেডিও এবং অন্যান্য মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে জানাচ্ছে জাতিগত নির্মূল অভিযান– যখন ঘোষণা দিয়ে বলা হয়েছে একজন তুতসিকেও জীবিত রাখা হবে না– যখন ঘরে-বাইরে, স্কুলে, হাসপাতালে, চার্চে হানা দিয়ে, পালানোর রাস্তা ব্লক করে হাজার হাজার মানুষ মারা হচ্ছে প্রতিদিন– তখনও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ‘গণহত্যা’ শব্দটি উচ্চারণের অনুমতি দেয়নি। সে সময়ে তাদের কোনো রেজ্যুলুশনে এই শব্দ নেই।

এমনকি হত্যাকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দিতে রুয়ান্ডায় নিয়োজিত শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছিল। জাতিসংঘের দুহাজার সৈন্য ছিল গণহত্যার প্রাক্কালে। রুয়ান্ডায় নিয়োজিত শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রধান সতর্ক করে দিয়ে হেড্কোয়াটার বরাবর চাহিদাপত্র পাঠিয়েছিলেন। আসন্ন গণহত্যা ঠেকাতে তিনি সৈন্যসংখ্যা পাঁচ হাজারে উপনীত করার তাগিদ দিয়েছিলেন। তাঁর এই মেসেজ পেয়ে উল্টো কাজ করল নিরাপত্তা পরিষদ। মাত্র ২৭০ সৈন্য রেখে বাকিদের ফেরত নিয়ে আসা হয়েছিল।

পাশাপাশি ফ্রান্স এবং ইসরাইল হুতুদের অস্ত্র সাপ্লাই দিয়েছে এথনিক ক্লিনজিং বেগবান করতে। জাতিসংঘের তখনকার মহাসচিব বুট্রোস বুট্রোস-ঘালি হুতুদের কাছে অস্ত্র বিক্রিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন। এই কাজটি তিনি করিয়েছিলেন মিসরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের মাধ্যমে। হুতু খুনিদের প্রশিক্ষণ দিত ফ্রান্স। সংখ্যালঘুদের উদ্ধারে ‘অপারেশন টারকোয়েজ’ নামে যে ফরাসি অভিযান গণহত্যার শেষদিকে রুয়ান্ডায় পরিচালিত হল, পরে প্রমাণিত হল সেটা ছিল মূলত হুতুদের মিশন কণ্টকমুক্ত করতেই।

 

Bill Clinton - 111
যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এই হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা না বলতে জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বারণ করেছিলেন

 

তুতসি নেতা পল কাগামে এবং তাঁর দল রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্টের (আরপিএফ) বিজয় ঠেকাতেই ফ্রান্সের এই অভিযান ছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। আরপিএফ যখন সরকার উচ্ছেদ করে ক্ষমতায় বসল ফ্রান্স তখন তাদের গড়া টারকোয়েজ জোন দিয়ে পলায়নপর হুতুদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে গেল। এমনকি জেনোসাইডের নীলনকশাকারী রুয়ান্ডার সাবেক ফার্স্ট লেডিকে নিজ দেশে আশ্রয় দিয়েছিল ফ্রান্স।

এভাবেই নীরবে নিভৃতে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল একটি জাতির দশ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে। ইতিহাসের এই কলঙ্কজনক ঘটনা অনুচ্চারিত থাকলেই সবার স্বস্তি। কেননা এর দায় সবার। দায় যেমন পরাশক্তিদের, জাতিসংঘের, এর অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের, অ্যামনেস্টির– তেমনি মিডিয়ার, বিশ্ববিবেক বলে পরিচিত মানুষদের, সুশীল সমাজের। একশ দিনের মাথায় যখন পটপরিবর্তন ঘটল, ইনফরমেশন বাইরে আসতে শুরু করল, ততক্ষণে যা হবার হয়ে গেছে।

গণহত্যার ধরন বরাবর এমনই। সুপরিকল্পিত, অনেকদিন ধরে টার্গেটেড জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রোপাগাণ্ডা; সরকারি বাহিনীর পাশাপাশি যুবসমাজের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দিয়ে টার্গেটের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া এবং এর ফলে বহির্বিশ্বের কাছে জনরোষ বলে চালিয়ে দেওয়া; টার্গেটেট গ্রুপকে মিলিশিয়া, সন্ত্রাসী বা জঙ্গি আখ্যায়িত করা বা তাদের দুর্বল প্রতিবাদ ও আত্মরক্ষার চেষ্টাটি প্রোপাগাণ্ডার মেশিনে ঢুকিয়ে বিশাল করে প্রচার করা। রুয়ান্ডার ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল।

রুয়ান্ডা বিভীষিকার ঠিক তেইশ বছর পর লোকচক্ষুর আড়ালে আরেকটি গণহত্যার আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে এই এশিয়ায়, মিয়ানমারে। টার্গেট রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। রোহিঙ্গাদের বিবেচনা করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দুঃখী, অনুচ্চকণ্ঠী, ভূখণ্ডহীন, অধিকারহীন, প্রতিবাদঅক্ষম, বিশ্বচোখের আড়ালে পরে থাকা বিস্মৃত এক জাতি হিসেবে। গত শতাব্দীর শুরু থেকেই সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের দেশছাড়া করতে নিপীড়ন-নির্যাতনসহ নানান পন্থা-পরিকল্পনা করতে থাকে মিয়ানমারের উগ্র বর্ণবাদী মৌলবাদী সরকার। হাজার বছর ধরে বসবাস করা, প্রধানত কৃষক এই নিরীহ নিরস্ত্র জনগোষ্ঠীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে, হত্যা করে উচ্ছেদ করতে বিশেষত বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার নীলনকশার শেষ দৃশ্য এখন মঞ্চস্থ হচ্ছে দেশটির রাখাইন রাজ্যে, নাফ নদী অববাহিকায়, বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষে।

গত এক মাসে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ-শিশু। আগুনে পুড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। এ পর্যন্ত চার লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রাণের ভয়ে উদভ্রান্তের মত পালাচ্ছে বাকিরা। যে যেদিকে পারছে। পথেই মারা যাচ্ছে অনেক, স্বজন হারিয়ে যাচ্ছে চিরদিনের জন্য, ধরা পড়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে কেউ কেউ। এক শিশু আরেক শিশুকে কাঁধে নিয়ে দৌড়াচ্ছে মাইলের পর মাইল, ঝড়-বৃষ্টি-কাদা মাড়িয়ে। সন্তান ছুটছে বৃদ্ধ মা-বাবাকে ঘাড়ে নিয়ে।

এই দলে আছে শত শত গর্ভবতী নারী, আছে প্রতিবন্ধী, নবজাত শিশু। আছে চলৎশক্তিহীন অসুস্থ মানুষ, বৃদ্ধ, আহত জন। বাংলাদেশে যারা এসেছে তাদের ফেরার পথ বন্ধ করতে সীমান্তে পোঁতা হচ্ছে স্থলমাইন।

রোহিঙ্গাদের এই মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সকল অর্থেই রুয়ান্ডার তুতসিদের সঙ্গে তুলনীয়। আর সবচেয়ে বড় সাদৃশ্যটা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নিস্পৃহতা, নির্লিপ্ততা, প্রতিক্রিয়াহীনতা। বসনিয়ার স্রেব্রেনিসায় জেনোসাইড চলাকালে চোখ বন্ধ রাখার ফসল রুয়ান্ডা।

রুয়ান্ডায় নিজেদের সীমাহীন ব্যর্থতার পর এমন ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য জাতিসংঘসহ বিশ্বমোড়লরা নতুন এক রেজ্যুলুশনে একমত হয়েছিল– রেসপনসিবিলিটি টু রিঅ্যাক্ট । যাবতীয় অমানবিকতা-বর্বরতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং প্রতিক্রিয়া জানানো জাতিসংঘ ও এর সদস্য রাষ্ট্রদের দায়িত্ব। অবস্থা বুঝে হস্তক্ষেপেরও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যৎ কোনো গণহত্যা রুখতে ২০০৪ সালের ৭ এপ্রিল মহাসচিব কফি আনান জেনেভাস্থ হিউম্যান রাইটস কমিশন বরাবর পাঁচটি অ্যাকশন প্ল্যান উপস্থাপন করেছিলেন। গণহত্যা ও জাতিগত নির্মূল অভিযান ঠেকাতে এই পাঁচ দফায় সবার মতৈক্য হয়।

 

Kofi Annan - 111
ভবিষ্যৎ কোনো গণহত্যা রুখতে ২০০৪ সালের ৭ এপ্রিল মহাসচিব কফি আনান হিউম্যান রাইটস কমিশন বরাবর পাঁচটি অ্যাকশন প্ল্যান উপস্থাপন করেন

 

প্রথম দফায় আছে, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মহলের মীমাংসার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। দ্বিতীয় দফায় আছে, নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তৃতীয় দফায় তিনি বলেছেন, যারা বা যে গোষ্ঠী গণহত্যা বা নির্মূলাভিযান চালাচ্ছে তাদের দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক আদালতে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা। চতুর্থ দফাতে আছে, লুকোচুরি নয়, পরিস্কারভাবে এবং শুরু হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী এবং বিশ্বকে সম্ভাব্য গণহত্যার বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক করতে হবে। গণহত্যাকে অন্য শব্দের আড়ালে ঢেকে রাখলে যে কী ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে তা নব্বই দশকে দুই দুইবার বিশ্ব টের পেয়েছে। সম্ভাব্য গণহত্যা ও গোষ্ঠী নির্মূলতার চিহ্ন ও সংকেত আগে থেকেই বুঝা যায়। কফি আনান এসব আলামত বিশ্লেষণ করে তাৎক্ষণিক অ্যাকশন নেওয়ার জন্য জাতিসংঘে বিশেষ উপদেষ্টার একটি পদও তৈরি করেছেন। এই উপদেষ্টার দায়িত্ব গণহত্যার সতর্কবাণী মহাসচিবের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদ, সাধারণ পরিষদ ও মানবাধিকার কমিশনে জানানো। পঞ্চম দফায় বলা হয়েছে, গণহত্যা কিংবা সম্ভাব্য গণহত্যা নিরসনে দ্রুত এবং সরাসরি হস্তক্ষেপ।

সমষ্টিগত ব্যর্থতায় লাখ লাখ মানুষের মৃত্যুর পর, লাখ লাখ নারী ধর্ষিত-নিগৃহীত হওয়ার পর, লাখ লাখ মানুষকে শরণার্থী জীবনে ঠেলে দেবার পর ঘুমভাঙা জাতিসংঘ এই পাঁচটি অ্যাকশন প্ল্যান ঘোষণা করেছিল। তের বছরের মাথায় এই পয়েন্টগুলো বালিশ বানিয়ে আবারও ঘুমিয়ে পড়ল জাতিসংঘ! আবারও চোখ বন্ধ করে ফেলল বিশ্বমোড়ল, মিডিয়া এবং সুশীলবৃন্দ। রোহিঙ্গা পরিস্থিতিতে কফি আনানের কোন পয়েন্ট কার্যকরী হতে দেখেছি? প্রতীয়মান হচ্ছে, এই গ্রহ ইতিহাসের আরেক নির্মম হত্যাযজ্ঞ ও একটি জাতির বিনাশ নীরবে ঘটে যেতে দিবে। তারপর আবার শুরু হবে আত্মসমালোচনা, বিবৃত হবে কালেকটিভ ফেইলোরের গ্লানি। নতুন করে আবার রেজ্যুলুশন, আবার আরলি ওয়ার্নিং মেকানিজমের থিওরি।

‘হোটেল রুয়ান্ডা’ র মতো আবার হলিউডে ছবি হবে ‘হোটেল আরাকান’ । বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের নিয়ে আরেকটি ‘দ্য ল্যান্ড বিটুইন’ তৈরি হবে। তারপর আবার অপেক্ষা।

পৃথিবীর কোথাও না কোথাও– আজ বা কাল– ধর্মের নামে বা বর্ণের নামে– জেনোসাইড ঘাপটি মেরেই আছে। আমাদের নীরবতায় আমাদের ব্যর্থতায় আমাদের নিষ্ক্রিয়তায় সেই হায়েনা আমাদেরই প্রিয় কোনো জাতি-গোষ্ঠীর উপর হামলে পড়বে।

শাকিল রিয়াজকবি, সাংবাদিক, কলামিস্ট

৩৭ Responses -- “রোহিঙ্গারা যেন রুয়ান্ডার তুতসি”

  1. সালাহউদ্দীন আজীজী

    আমি একটি তথ্যচিএ তৈরীর জন্যে টেকনাফে পুরো সাতদিন মিয়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গাদের সাথে নানা জাগায় নানা ভাবে কাটিয়েছি, তাদের সাথে কথা বলেছি,– এদের প্রত্যেকের গল্প প্রায় একই রকম, এ গল্প অনেক কান্নার,অনেক দুঃখের,অনেক হতাশার। স্বদেশ থেকে বিতাড়িত হওয়া তাদের অনাহারী ব্যাথিত চোখ মুখ আমায় প্রচন্ড ভাবে কাঁদিয়েছে। আমার মনে হয়েছে যখন পুরো পরিবারের সামনে ঐ গৃহের মাকে, তাদের বোনটিকে পৈচাশিক কায়দায় রেপ করার পর ওদের বিশেষ অঙ্গগুলি কেটে হত্যা করা হয়েছে,– ছোট ভাইটি ভয়ে চিৎকার দেবার কারনে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং ঐ গৃহে বাকি যারা জীবিত ছিল তাদের প্রতিএিয়া কি হওয়া উচিত??
    এ জগন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা যদি হাতিয়ার তুলে নেয় তা হলে আমরা তাদের কি বলবো?????

    Reply
  2. সালাহউদ্দীন আজীজী

    লেখাটি খুবই ভাললাগলো।বাংলাদেশের জন্য এটি কঠিন সংকট তৈরী করেছে, জানিনা এর সঠিক সমাধান কোন পথে হবে? ভারত এমন একটি চরিএ সে শুধু দুহাত ভরে নিতেই জানে,—বিনিময়ে কিছু দিতে নয়।

    Reply
  3. Ferdaus

    গরীব ও অসহায় সম্প্রদায়কে নির্যাতিত হয় প্রায় সব দেশে ও স্থানে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে এই অবস্থায় তারা অস্ত্র ধরেন। তখন বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপট ও মিডিয়ার জোড়ে তাদেরকে অধিকাংশ বলা হয় “সন্ত্রাসী” বা তাদের গোষ্ঠি যদি শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভোটাভুটি ও করেন, তখন তাদের শান্তিপূর্ণ পন্থাকে বলা হয় “বেআইনি”।
    অর্থাৎ নিজ স্বাধীনতার জন্য বর্তমানে যুদ্ধ করতে গেলেই ঐ গোষ্ঠীকে প্রথমত “সন্ত্রাসী” আখ্যা দেয়া প্রায় নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে না হয় “বেআইনি”।

    Reply
  4. abdul hannan miah

    bisso muslim ak how. akta kisu koro amader bhaider jonno. jekhane muslim raste christian der lok bas kore tader alada rasto kore dewa holo jemon south sudan est timure israil but joknon muslimra oder kase pawna tokon ditese na alada rasto kore dewar bodole mere fela hosse.

    Reply
  5. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    কোথায় সেই সমস্ত ন্যায় পরায়ন সংবাদপত্র গুলি যারা প্যারিসে বিস্ফ্রন ঘটলে গোটা মুসলিম জাতিকে সন্ত্রাসী প্রমান করার আপ্রান কু-প্রয়াস চালিয়ে মানবতার “সারমেয়-সঙ্গীত” শোনায়??? সর্বপরি, কোথায় আনন্দবাজার সহ অনান্য বাংলা পত্রিকার সেই সব সনামধন্য সাংবাদীকরা যারা তসলিমা নাসরিনের মত একজন সস্তা ইসলাম বিরোধী লেখিকার কলকাতা আসার প্রতীবাদে মামুষের মিছিলকে “তান্ডব” বলে প্রচার চালিয়ে ইসলামকে বাক-স্বাধীনতার অন্তরায় বলে প্রমান করার চেস্টা করে???
    আজ মায়ানমারে লক্ষ লক্ষ মানুষকে কুপিয়ে,,পিটিয়ে মারা হচ্ছে, তার ছবিও আমরা দেখতে পাচ্ছি কিন্তু সবাই চুপচাপ কারন ওরা “মুসলিম”…

    Reply
  6. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    চীন রাশিয়া পৃথিবীর বর্বর গণহত্যার সমর্থনকারী হিসেবে ইতিহাসের পাতাতে চিন্নিত হবে ।তাদের সাথে ভারতের নামও যুক্ত হবে ।নেহেরু,গান্দিজি ,নেতাজির ভারতের মানবতাহীন অর্থ পিশাচের বিকৃত বীভৎস এক রূপ ফুটিয়ে তুললো মোদির সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী সরকার ।

    Reply
  7. হাবিবুর রহমান

    আজ যদি দুএকশত বোদ্ধ, খ্রিস্টান, হিন্দু, ইহুদি কোথাও সামান্য অসহায় বোধও করতো তাহলে তোমরা সভ্যতাকে সভ্য শিক্ষা দিতে । কিন্তু ধর্ম ও বর্ণের ঊর্ধ্বে যে রোহিঙ্গারাও মানুষ এটা ওদের আকৃতি দেখেও বুঝতে পারো !!! আজ বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে , বাংলাদেশের অর্থনীতি দুর্বল করতে এবং এই অঞ্চল অশান্ত করতে তো তোমাদের এজেন্ডা মিয়ানমারকে দিয়ে বাস্তবায়ন করছ না ?

    Reply
  8. হাশিম

    বাহ্ কি চমত্কার ! বিশ্ব বিবেক যখন মানবতার ব্যথায় ডুকরে ডুকরে কাঁদছে তখন নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে দুই ভেটো শক্তি মানবতার মুখে থুতু ছিটিয়ে দিল । কখনও কোনও ইস্যুতে যে ভারত ও চীন ঐক্যমতে পৌঁছায়নি সেই চিরশত্রু দুই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রোহিঙ্গা নিধনে মিয়ানমারের পক্ষে ঐকমত্যে !!! আজ কৌশল করছো নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের জন্য , কিন্তু তোমাদের কিছু অর্থ উপার্জনের জন্য যে লক্ষ লক্ষ মানুষ বলি হচ্ছে এর জবাব কি দিবে তোমরা তোমাদের ভগবানের কাছে, বুদ্ধদেবের কাছে, ঈশ্বরের কাছে ? মানুষের প্রয়োজনে মানুষের চাহিদা মেটাতেই তো অর্থ প্রয়োজন, তাই বলে সেই অর্থ কি মানুষ হত্যা করে, বাস্তুচ্যুত করে, জাতিগত নিধনের মাধ্যমে ? তোমরা তোমাদের প্রভূর লানত প্রাপ্ত হচ্ছ কি না তা কি ভেবে দেখার সময় তোমাদের নেই ? আজ মুসলিম বলেই কি ওদের জুলুম নির্যাতন ও গণহত্যা করছ ? তোমাদের ধর্ম কী হত্যা বৈধ করে? হ্যাঁ তাই করে । হত্যাই তোমাদের ধর্ম ।

    Reply
  9. মাহমুদ

    কোন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ রোহীঙ্গা ইস্যুতে অজাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক !!!!! 😛

    জাতিগত নিধনের অভিযোগ অস্বীকার মিয়ানমারের 😛

    অজাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে রোহীঙ্গাদের জন্য সেফ জোন গঠনের জন্য অসহায় বাংলাদেশের কাউকাউ 😛

    রোহীঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে নাগরিকত্ব দিতে অজাতিসংঘ, আম্রিকা, যুক্তরাজ্যে সহ বেশিরভাগ সদস্য দেশের লোকদেখানো আহ্বান 😛

    মিয়ানারের বিপক্ষে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরাসরি বিরোধীতা চীন রাশিয়ার 😛

    #সবই_আগাম_জানা_ছিল 😛

    Reply
  10. মাহমুদ

    আজ যদি রোহিঙ্গা মুসলমান না হয়ে পূর্ব তিমূরের খ্রিস্টান হতো, কিংবা দক্ষিণ সুদানের খ্রিস্টান হতো কিংবা শ্রীলঙ্কার তামিল হিন্দু হতো তাহলে নিরাপত্তা পরিষদের পাছায় আগুন লাগতে , থুতু ফেলি জাতিসংঘের উপর , তুথু ফেলি বিধর্মী জাতিগোষ্ঠী মুখে , আর বাংলাদেশের ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চাদের বলছি, ইরান তুরস্ক যখন মুসলিম বিশ্ব একত্র করতে চাচ্ছে তখন তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে বাংলাদেশ ক্ষমা করবে না

    Reply
  11. husnun rashid

    If the world not able to take any action,it will be big problem for rest of the world, Because every single country has minority group. Then all the country will do the same thing what Myanmer is doing.It will be big kaoash.

    Reply
  12. azadi hasnat

    কোনো পদক্ষেপই মিয়ানমারকে থামাতে পারবে না। একমাত্র সমাধান নাইপিদোতে মিসাইল হামলা। বৌদ্ধরা ভীতুর ডিম। একটা জাস্টা একটা মিসাইল। অ্যাকশন নিলেই সব প্যাগোডায় পালাবে। রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির যদি অস্ত্র থাকতো তাহলে এ ইথনিক ক্লিনজিং (জাতিগত নিধন) মুখ বুজে সহ্য করত না। গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাই যুদ্ধ।

    Reply
  13. কবীর হোসেন

    সময়াপোযোগী রচনা। কিন্তু কে শোনে কার কথা। সবাই রাজনৈতিক গেইন নিয়ে ভাবছে, রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ নিয়েও রাজনীতি করছি আমরা।

    Reply
  14. বেলায়েত হোসেন

    জাতিসংঘ যে ব্যর্থ হবে এটা পূর্ব থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল৷ কেননা বিশ্বের মুসলিম জনপদগুলোতে শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত জাতিসংঘ কোন সাফল্য দেখাতে পারে নি৷ অমুসলিম আধিপত্যে পরিচালিত জাতিসংঘে মুসলিম প্রসঙ্গটি অনেকটাই মূল্যহীন। সব মিলিয়ে সমীকরণ এটাই বলছে, চীন ভারত ও রাশিয়া যেকোন অবস্থায় মিয়ানমারের পক্ষে থাকবে৷ এতেই তাদের স্বার্থ উদ্ধার হবে৷ অপর দিকে বাংলাদেশ থেকে যে স্বার্থ হাসিলের প্রয়োজন ছিল তার প্রায় নব্বই ভাগ গত এক দশকে আদায় করে নিতে সক্ষম হয়েছে ভারত৷ ফলে বাংলাদেশকে এখন লড়তে হলে, মিয়ানমারের সাথে তিন মিত্র শক্তিকেও মোকাবেলা করতে হবে৷

    Reply
  15. কৌশিক

    ভারত তার কৌশলগত অবস্থান পরিস্কার করেছে। চীন তার স্বার্থে কাজ করছে, ভারতও তার নিজের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেবে। এই সাধারণ বিষয়টি মেনে নিয়ে বাংলাদেশের নীতি নির্ধারণ করতে হবে। ‘এখন ভারত কোথায়’- এসব কথা বলে বিরোধীদল সরকারকে বিব্রত করে সুবিধা নিতে চাইছে। সরকারও মরিয়া হয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে ‘ভারত পাশে’ আছে। বাস্তবে ভারত যা বলছে না, যে কথার অর্থ যা নয়- সেটা বলার চেষ্টা করছে সরকার এবং তার সংশ্লিষ্টরা। এটা একটা দেশের সঠিক নীতি হতে পারে না।
    ভারতের প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন তার বাইরে সে যাবে না বা যেতে পারবে না। প্রকাশ্যে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে না। মিয়ানমারে ভারতের স্বার্থ রক্ষার জন্যে তা সম্ভব না। এই বাস্তবতা বাংলাদেশকে মেনে নিতে হবে। চীনের ক্ষেত্রেও একই কথা। ভারত বা চীনের দিকে অসহায়ের মত তাকিয়ে থাকাটা বোকামী।

    Reply
  16. কে এম মহসীন

    আগামী দশকে বা তার পরে বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা যখন আরও তীব্র হয়ে উঠবে, যখন চীন-ভারতের সম্পর্ক আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়ে উঠবে, তখন যে পরিস্থিতির উদ্ভব হবে তখন বঙ্গোপসাগরের উপকণ্ঠে বিদ্যমান বাংলাদেশের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে অন্তত শক্তির ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যারা ছোট্ট বাংলাদেশের যুক্তিসঙ্গত অবস্থানে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে, তারাই বাংলাদেশের বন্ধু। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ক্ষেত্রে ভূ-রাজনৈতিকতার আলো-আঁধারি পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মিয়ানমার মস্ত বড় ফ্যাক্টর হিসেবে তাদের চোখে পড়ছে। কিন্তু এই আলো-আঁধারি আবছায়া কেটে গেলে একই ভূরাজনীতির প্রভাবে বাংলাদেশের গুরুত্ব নতুনভাবে অনুভূত হবে।

    Reply
  17. কামাল পাশা

    একটি কাক যখন বিপদে পড়ে তখন অন্য কাকেরা তাকে বাঁচানোর জন্য ছুটে আসে। তখন কাকগুলো জাত ফাতের চিন্তা করে না। কে হিন্দু কাক, কে মুসলমান কাক এই হিসেব নিকেশেও তারা যায় না। সহমর্মিতাই সম্ভবত তাদের ভেতর মুখ্য বিষয় হিসেবে কাজ করে।
    আমরা বাঙালীরা ৭১-এ যখন আশ্রয়ের সন্ধানে ভারত গিয়েছিলাম তখন ভারত এটা ভাবেনি যে বাঙালিরা একদিন ভারত দখল করে ফেলবে, কলকাতায় বাংলাদেশের পতাকা উড়াবে। জার্মানি কখনো একবারো ভাবেনি যে, সিরীয় শরণার্থীরা একদিন তাদের দেশটা গিলে ফেলবে – একদিন জার্মানে সিরীয় পতাকা উড়াবে। তাহলে ওই সিরীয়দের তারা জায়গাতেই রুখে দিত।
    অথচ, আমাদের দেশে একশ্রেণির কুলাংগার দেশদরদী সেজে বলে বেড়াচ্ছেন যে, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলে তারা নাকি একদিন ফণা তুলবে। বাংলাদেশের কিছু অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন আরকান রাজ্য গড়ে তুলবে।

    Reply
  18. রোমান

    দিন যত যাচ্ছে ভারতের অবস্থান ততই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের সামরিক অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের কাছে ভারতের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণায় অনেক জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকসহ সচেতন মানুষ এনিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তারা বলছেন, ভারত রোহিঙ্গাদের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। আবার মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রিরও ঘোষণা দিয়েছে। এর মানে ভারত সুচিকে বুঝাতে চাচ্ছে যে, আমি আসলে তোমার সঙ্গেই আছি। অনেকেই বলছেন, ৭১ সালে ভারত নিজেদের স্বার্থেই মুক্তিযুদ্ধে আমাদেরকে সহযোগিতা করেছিল। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে আলাদা করে মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করাই ছিল ভারতের প্রধান টার্গেট। স্বাধীনতার পর থেকে ভারত আমাদের কাছ থেকে শুধু লুটে নিচ্ছে। আমাদেরকে কিছুই দেয়নি। ভারত নিজেদের বাংলাদেশের বন্ধু দাবি করলেও শত্রুর চেয়েও আরও বেশি ক্ষতি করছে।

    Reply
  19. মাহবুব আলম

    ভারত কারো বন্ধু হলে তাঁর আর শত্রুর প্রয়োজন নেই, ভারতের বিরোধিতাই এখন আমাদের জন্যে স্বদেশ প্রেম, আর যারা ভারত প্রেম বলে বড় বড় বুলি আওড়াবে ধরে নিতে হবে তাঁরা একেকটা সেই সন্তান যেই সন্তানেরা নিজের বাপকে রেখে পাশের বাসার চাঁচাকে বাপ বলে ডাকে।

    Reply
  20. রিয়াদ

    আজ বাংলাদেশ যখন রোহিঙ্গাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তখন নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের বিপক্ষে গিয়ে মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিলো ।
    অথচ পাকিস্তানের সাথে যখন ভারতের যুদ্ধ লেগে যাবে এমন একটা সুর উঠেছিলো এ বছরের প্রথম দিকে তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বেশ জোরেশোরেই বলেছিলেন, ” ভারত পাকিস্তান ইস্যুতে বাংলাদেশ ভারতের পক্ষেই অবস্থান নিবে, কারন ভারত বরাবরের মতই বাংলাদেশের বন্ধু ছিল তাই বাংলাদেশও ভারতের বন্ধুত্ব বজায় রেখেই চলবে ” ।

    Reply
  21. সাঈফ রফিক

    মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের আলাদা পরিচয়ও মানতে রাজি নয়। তাদের মতে, রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি মুসলিম’। এই যুক্তি মেনে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। কিন্তু জাতিসংঘ তা মানতে রাজি নয়। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারেই আশ্রয় দিতে হবে। তাদের আলাদা জাতি পরিচয়ও মানতে হবে মিয়ানমার সরকারকে। মিয়ানমারে চীনা প্রভাব ঠেকানোর জন্য সু চি সরকারের কাছাকাছি আসতে চাইছে ভারত। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গেও চীনের সম্পর্ক দ্রুত বাড়ছে। মিয়ানমারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে গিয়ে বাংলাদেশকে চীনের হাতে ঠেলে দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না।

    Reply
  22. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    শেখ হাসিনার রোহিঙ্গা শরনার্থী নীতি ইণ্ডিয়া অপছন্দ করছে; তারা এটা বদলাতে সরকারের ওপর সকল ধরণের অন্যায় ও অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। সরকারের ঘোরতর সমালোচকও রোহিঙ্গা প্রশ্নে সরকারের বর্তমান নীতিতে স্বস্তি পেয়েছে। এটাও ইণ্ডিয়ার নাপছন্দ।

    Reply
  23. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

    রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত পোস্টগুলো সরিয়ে ফেলছে ফেইসবুক। গার্ডিয়ান নিউজ করেছে। ফেইসবুক এটা স্বীকারও করেছে। আমি আগেও বলেছিলাম ফেইসবুক এই অঞ্চলে ইন্ডিয়ান স্বার্থ রক্ষা করে। কাশ্মীর নিয়ে পোস্ট দেয়াতেও তারা পোষ্ট মুছে দিয়েছিলো। আমিও ব্যান হয়েছিলাম কাশ্মীর নিয়ে পোস্ট দেয়ায়।
    আমাদের নতুন কোন প্লাটফর্ম খুঁজে নিতে হবে। নইলে এমন ক্রুসিয়াল সময়ে সে আপনার লড়াইয়ের পিঠে ছুরি মারবে।

    Reply
  24. নাসির উদ্দিন

    বার্মার গণহত্যার সেনাদের বাচানোর কমিটমেন্ট করেছে ভারত। তাই তাদের গণহত্যার দায় চাপাতে রোহিঙ্গা জঙ্গী” গল্প ফেদেছে।

    Reply
  25. নাজমুল হোসাইন

    মায়ানমারের আর্মি কইছে, তারা মুসলমান রোহিঙ্গারা খুন করছে এমন ২৮ জন হিন্দু রোহিঙ্গার গনকবর পাইছে। এইটা দুনিয়ার কেউ বিশ্বাস না করলেও বাংলাদেশের স্যেকুলারকুল বিশ্বাস করছে।
    তাই তো হওয়ার কথা। এইই স্যেকুলারকুল যে কত বড় খবিস এইটা তো আমাগো চাইতে আর বেশী কেউ জানেনা।

    Reply
  26. অপরাজিতা

    রোহিঙ্গারা ‘হিন্দু’ হলে মোদির ভারত অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যে চাপ অনুভব করত, সেই চাপ ভারতে নেই, যেহেতু রোহিঙ্গারা মুসলমান!

    Reply
  27. অনুপম হক

    বাংলাদেশের ভারতকে দেওয়ার আর কিছুই নেই কিন্তু মিয়ানমারের দেওয়ার অনেক কিছুই আছে !!!

    Reply
  28. অনুপম হক

    ভারত যে ভাল্লুক এলে বন্ধু বাংলাদেশ কে একা রেখে গাছে উঠে পরে তা কিন্তু স্পষ্ট।

    Reply
  29. অনিকেত

    কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়া, সুবীর ভৌমিকের প্রতিবেদন– এসবই একটি জটিল যুদ্ধের টুকরো টুকরো অংশবিশেষ মাত্র। যারা যুদ্ধটা জারি করেছে তারা এখনও প্রত্যাশিত ফল পায়নি বলেই মনে হয়। ফলে জনগোষ্ঠী হিসেবে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার কারণে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি সহমর্মিতার কারণে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে বহুমাত্রিক প্রচারণা চালু হবে বলেই আশংকা করা যায়।

    Reply
  30. অথর্ব নাথ

    রোহিঙ্গা-প্রশ্নে ভারত কেন ঢোঁড়া সাপের মতো নির্বিষ, সবার কাছে আজ তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। মিয়ানমারে ভারতের প্রবল অর্থনৈতিক স্বার্থ, ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতিকে সফল করতে মিয়ানমারের সাহায্য ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা, চীনের প্রভাব কমাতে চোখ বন্ধ রেখে মিয়ানমারকে কোল পেতে দেওয়া এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মোকাবিলায় সে দেশের সেনাবাহিনীর সাহচর্য—এসবই ভারতের কাছে মানবিকতা ও গণতন্ত্রের সার্থক বিকাশের চেয়ে বেশি জরুরি।

    Reply
  31. Nazmul Hussain

    Dear Mr Shakil Riaz,
    Well written based on historical fact. Your analogy on Rwanda took back me back to those dark days of brutal killings of both Hutu and Tutsi as I was one of the witness being a UN peacekeeper. It was in fact both the ethnicity were after each other to exterminate them. It was a struggle between Anglo-Franco dominance over central Africa.
    But in Arakan it is possibly related to “Asia pivot policy”. I am expecting more write-ups on this ongoing crisis of Rohingya exodus.
    Best of luck.
    Former UN peacekeeper in Rwanda (UNAMIR).

    Reply
  32. E A Bari

    শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই বিরাট সমস্যার সমাধান খোঁজ করা উত্তম বটে। কিন্তু এ রাস্তায় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় যখন জেনোসাইড সৃষ্টিকারী গোষ্ঠি ‘শান্তি’ জিনিষটার কোনো তোয়াক্কা করে না। করলে তো প্রথমেই মানবতাবিরোধী অপরাধে তারা জড়িত হতো না। একটি দেশের অপর সকল জনগোষ্ঠি নিজেরা মানুষ হওয়া সত্ত্বেও আরো একটি বিশেষ জনগোষ্ঠিকে নির্মমভাবে পৃথিবীর জমিন থেকে নিশ্চিহ্ন করতে বদ্ধপরিকর হলো কী ভাবে এই আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের যুগে? এর জবাব খোঁজে পাওয়া কঠিন ব্যাপার। সর্বাপেক্ষা বড় শ্লেষপূর্ণ ব্যাপার হলো জেনোসাইডের মতো মনাবতাবিধ্বংসী দলের নেতেৃত্বে আছেন পশ্চিমা দুনিয়ার চোখে গণতন্ত্রের মানসকন্যা, শান্তিতে নবেল বিজয়ী এক নারী- সুচি! কী অদ্ভুত এক দুনিয়ায় আমরা কালাতিপাত করছি! মানুষ মানুষের প্রতি এতো নির্দয়, নিষ্ঠুর, হিংস্র হতে পারে? মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ও বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সংঘটিত করেছে এবং এখনও করে যাচ্ছে ইতিহাসের জঘণ্যতম জেনোসাইড। সমগ্র সভ্য বিশ্ব যেনো সাড়া দিয়েও দিচ্ছে না। দ্রুত সমাধানের পথ বের করতে আমতা আমতা করছে। এর কারণ কী? আমি মনে করি, মূল কারণ হচ্ছে দু’টি: ১. এরা সবাই মুসলমান এবং ২. সবাই জানেন জোনোসাইড সৃষ্টিকারীদের থামানোর একমাত্র পথ হলো মিলিটারী এ্যাকশন! কিন্তু এদিকে এগুলে অনেকের স্বার্থে বাঁধা পড়ে যায়। তাই কিছু বড় বড় কথা, প্রতিবাদ, বিবৃতি ইত্যাদি দ্বারাই কেনোমতে সময়টা পার করে দিলেই হলো- ভাবটা এরকমই মনে হয়। আমরা শান্তিকামী মানুষ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়তো বাধ্য হয়ে আমাদেরকে মিলিটারী সল্যুশনের দিকে এগুতে হবে। না হয় এই বিরাট জনগোষ্ঠিকে দেশের ভেতর স্থায়ীভাবে ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে হবে।

    Reply
  33. Redwan Khan

    জাতিসংঘের উদাহরণ হলো যেন দূরে বসে চোখ বন্ধ করে মিষ্টি থেকে মাছি তাড়াবার মতো “এই খাসনে খাসনে ……. আহ….হুস….ইত্যাদি”

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—