Feature Img

sabuj-fবৃটিশ ভারতের ইউনিয়ন জ্যাক পতাকার প্রতি অসম্মান জানিয়ে যার শৈশবের উদ্বোধন, হাজত বাসের অভিজ্ঞতা যার নিতান্ত কিশোরকালেই ঘটে যায়-ধরাধামে সে মানুষের জন্ম অতি সাধারণ মনে করার কোনো কারণ নেই।

দুরন্ত শিশুরা অনেক কিছুই করে, কিন্তু প্রায় অবোধ বয়সে পরাধীনতার কলঙ্কচিহ্ন সনাক্ত করে সরকারি অফিসের ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড থেকে পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে হাজতে যাওয়ার কথা একটির বেশী আর শোনা যায় না। ঘটনাটা ঘটেছিল নোয়াখালির ছাগলনাইয়া জনপদে, সেই ১৯৪২ সালের ২৩ মার্চ। উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তখন ঘোরতর অস্থিরতা। ইংরেজদের প্রায় দুশো বছরের উপনিবেশ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ছোবলে ছোবলে পৃথিবী ছিন্নভিন্ন। মানবজীবন দুর্দশাগ্রস্থ। গোটা ইউরোপ জুড়ে যুদ্ধের নামে মানুষ মানুষকে হত্যা করছে। সেই সময় পূর্ববাংলার কোনো এক জনপদে এ ধরনের অদ্বিতীয় একটা ঘটনা ঘটলো। ফলাফল, পতাকার প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের জন্য একটি বালকের হাজত বাস।

কেউ কেউ হয়তো এটাকে বালকের দুরন্তপনা বলবেন, কিন্তু এটাকে কেবলই বালকের দুরন্তপনা বলা যায় না-এ যেন অন্য কিছু, মিথ্যার বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবিচারের বিরুদ্ধে আমরণ সংগ্রামী এক বিরল সত্যসন্ধ পুরুষের সংগ্রামে বুঝি হাতেখড়ি হলো।

শিশুকাল শৈশব কৈশোরের দুরন্তপনা আজীবন সংগ্রামীর পূর্বলক্ষণ কিনা বলা যাবে না, কিন্তু এই দুরন্ত কিশোর-যুবা বয়সে, প্রৌঢ়ত্বে কিংবা জীবন সায়াহ্নে, কখনোই তাঁর অন্তর্গত তেজকে অবসিত হতে দেন নি এবং দেশের জন্য মানুষের জন্য অনিবার্য দুরন্তপনা কখনো ছাড়েন নি।

মানুষের ইতিহাসে কখনো অন্যায় অবিচার সংঘটিত হয় নি, এমন নজির নেই; মিথ্যা কখনো সত্যের মতো স্বাভাবিক সুন্দরকে দুমড়ে মুচড়ে দেয় নি, এমন ঘটনাও খুব বেশী ঘটেনি; সবল দুর্বলকে অবজ্ঞা অবহেলা করে নি এমন গল্পও কোনোকালে তৈরি হয় নি এ সংসারে। ভাবগতিকে মনে হয় এ যেন সৃষ্টিরই পূর্বশর্ত। এমনই যেন হতে হবে- ভালোমন্দ পাশাপাশি, বিচার-অবিচার, সুন্দর-অসুন্দর সব আলোছায়ার মতো কাছাকাছি এ যেন সৃষ্টি-বিন্যাসের খেলা। পৃথিবীর চারভাগের তিন ভাগ জল এক ভাগ স্থলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই যেন মানুষের স্বভাবের ভাগ হয়েছে। এখানে অবশ্য একটা মজার ব্যাপার আছে, জলের ভেতর থেকেই চর জাগে-ওই একভাগ স্থল এভাবেই ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হয়। মানুষের বেলাতেও এই ঘটনাটা ঘটে। অন্যায় অবিচার অসুন্দর অসত্যকে প্রতিহত করার জন্য মানুষের ভিতর থেকেই অন্য মানুষের জন্ম হয়। এ জন্ম অনিবার্য।

আবু নছর মোহাম্মদ গাজীউল হকের জন্ম এ মাটির জন্য অনিবার্য ছিল। ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানার নিচিন্তা গ্রামে বাংলা ১৩৩৫ সনের ফাল্গুনের প্রথম দিনে তার জন্ম হয়। ইংরেজী তারিখটা ছিল ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯২৯। তাঁর বাচ্চু নামটা বোধহয় অনেকেই জানেন না।

দুরন্ত বালকের পতাকা নামানো সেই ঘটনার রেশ সহজে মিটে যায় নি। বাবা মওলানা সিরাজুল হক এলাকায় সুপরিচিত, শ্রদ্ধেয় এবং সম্মানিত ব্যক্তি। সম্পদ ও শিক্ষা দুটোই তাঁর আছে, তদুপরি তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু বা পীর। এ ঘটনা পিতা পুত্র দুজনকেই একটু নাজুক অবস্থায় ফেলে দিয়ছিল সন্দেহ নেই। গাজীউল হক তখন সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। পিতা পুত্রকে নোয়াখালি থেকে সরিয়ে নিয়ে জেলা স্কুলে ভর্তি করে দিলেন। এই স্কুল থেকেই গাজীউল হক ১৯৪৬ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাশ করে বগুড়া কলেজে ভর্তি হন।

পড়াশোনার প্রতি আরও বেশী মনোযোগী করার জন্যই তার পিতা হয়তো তাঁকে জন্মস্থান থেকে দুরে সরিয়ে এনেছিলেন। স্কুল কলেজের পড়াশোনায় গাজীউল হক বরাবরই উজ্জ্বল। পরীক্ষার ফলাফলে তার প্রমাণ আছে, তবে পরীক্ষার ফলাফলই তো সব নয়। এর বাইরেও মানুষের কাজ থাকে এবং সেটাই বোধহয় জীবনের যথার্থ কাজ। তার সঙ্গে সীমাবদ্ধ লেখাপড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। মানুষকে ঘর ভোলানো সুরে কে যেন ডাকে; অন্তরের গভীরে ঝড় তোলে সে ডাক। দেশের দু:খ থেকে উঠে আসে সে ডাক, মানুষের কষ্ট থেকে ছুটে আসে সে ডাক। সে ডাক যে শুনতে পায় কেবল সে-ই শুনতে পায়। অন্যেরা তার সামান্যই বোঝে। এ যেন এক ‘বিস্ময় আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভিতর খেলা করে’। তার সবটুকু দেখাও যায় না বোঝাও যায় না। তাকে মানুষ ভালো করে কখনো চিনতেও পারে না। অপব্যাখ্যার শিকার হওয়াই এ ধরনের মানুষের নিয়তি। তা যাই হোক, সেই বিস্ময়ের ঘোর নিয়েই যেন আ ন ম গাজীউল হক জন্মে ছিলেন, নয়তো অতটুকুন বয়সে পতাকা ছিড়তে যাবেন কেন? স্কুলের শেষ ক্লাস ছাড়তে না ছাড়তেই গাজীউল হক ভিন্ন এক পথে পা বাড়ান। সে পথের গন্তব্য নিজের ভাষা নিজের দেশ নিজের মানুষ।

এখানে সাংবাদিক গবেষক হাবিবুর রহমান মিলনের লেখা ‘ইতিহাস যাকে ধারন করবে’ থেকে খানিকটা উদ্বৃতি দিচ্ছি-

‘আসলে দ্বিজাতিতত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যাবার পরই শরু হয় ষড়যন্ত্র। ১৯৪৬ সালে কলকাতা আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন অধ্যাপক ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ। সে বছরের মাঝামাঝি করাচীর ইংরেজী দৈনিক ‘দ্য ডন’ পত্রিকায় তিনি একটি প্রবন্ধ লিখেন। এতে বলা হয় যে প্রস্তাবিত পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ তখন বগুড়া কলেজের অধ্যক্ষ।… প্রবন্ধটি ছাপা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বজ্রকণ্ঠে প্রতিবাদ জানান। যুক্তি হিসাবে বলা হয় যে, প্রস্তাবিত পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী বাংলা ভাষাভাষি বা বাঙালি সুতরাং বাংলাই হবে রাষ্ট্রভাষা। এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে ড. শহীদুল্লাহ তাঁর প্রিয় ছাত্র গাজীউল হককে সভা ও বিক্ষোভ আয়োজনের নির্দেশ দেন। বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। পাশে থেকে সব কিছু করে যান তখন ছাত্র নেতা গাজীউল হক। শুরু হলো এভাবেই। ঘর ভোলানো সুরে দুলে উঠলেন।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বেই বাংলা ভাষা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল এবং চক্রান্ত প্রতিহত করার জন্য পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার এক মাস যেতে না যেতেই গঠন করা হয় গণতান্ত্রিক যুবলীগ। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ ভাগে যুবলীগ ঢাকায় একটি সম্মেলনের আয়োজন করে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছাত্ররা এই সম্মেলনে যোগ দেয়। গাজীউল হক তখন বগুড়ায় আঞ্চলিক ছাত্র নেতা।

১৯৪৬ সালে তিনি নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের বগুড়া শাখার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন এবং এখানেই তিনি শিল্পায়ণ নামে একটি পাঠচক্রের প্রতিষ্ঠা করেন। ছাত্রনেতা হিসেবেই তিনি ছাত্রদের একটি দল নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত গণতান্ত্রিক যুবলীগের সম্মেলনে যোগ দেন।

১৯৪৭ সালে তিনি বগুড়া জেলা গণতান্ত্রিক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা হয় এবং গাজীউল হক বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এ পর্যন্ত তিনি আঞ্চলিক ছাত্রনেতা হিসেবেই ছাত্র রাজনীতি এবং ভাষা-আন্দোলনের প্রতিটি পর্যায়ে সক্রিয় থেকেছেন।

১৯৪৮ সালেই গাজীউল হক বগুড়া কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে আই এ পাশ করেন এবং জুন মাসে ঢাকা এসে জুলাই মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে অনার্স ক্লাসে ভর্তি হন।

এখান থেকে শুরু হয় তাঁর জীবনের ভিন্ন এক পর্ব।

১৯৫১ সালে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ১৯৫২ সালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৫২ সালে যে গাজীউল হককে আমরা পাই তিনি এভাবেই ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন কোনো এক চূড়ান্ত মুহুর্তের দিকে। ৪৬ থেকে ৫২ পর্যন্ত এই এগিয়ে চলা তাঁর মুহূর্তের জন্য থামেনি।

আঞ্চলিক পর্যায় থেকে তিনি একটু একটু করে জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসেন। এই পর্যায়ে তাঁর চলার পথ আরও প্রশস্ত হলো। একই পথে একই উদ্দেশ্যে আরও যাঁরা পথ চলছিলেন গাজীউল হক আপন শক্তিকে তাঁদের সঙ্গে মিশিয়ে এক সঙ্গে বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে থাকলেন।

বন্ধুর পথ পাড়ি দেয়া কথাটা বলা যতো সহজ, পথটা পাড়ি দেয়ার কাজটা মোটেও তা নয়। পথ পার হতে যে কত কষ্ট, কত ত্যাগ কত যে অমানুষিক যাতনা নির্যাতন ভোগ করতে হয়, সে যারা পথ পাড়ি দেন, তারাই শুধু জানেন। যারা ফল ভোগ করেন কেবল, তারা জানে না, জানবেও না। সব সংগ্রামের একটি চূড়ান্ত মুহূর্ত থাকে। তারপরই জয়পরাজয় নির্ধারণ হয়।

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম যুদ্ধটি হয়েছিল ১৯৫২ সালের একুশ ফেব্রুয়ারি। সেই যুদ্ধে গোলাবারুদ ছিল, সেনা ছিল সেনাপতি ছিল। রক্ত ছিল, মৃত্যু ছিলো আর ছিল জয় পরাজয়। ভূখণ্ড মাতৃভাষা।

সেই যুদ্ধে আমরা জিতেছি। বাঙালির ভাষা বাঙালির হয়েছে। আমার বর্ণমালা আমারাই রয়েছে। সেই যুদ্ধের অন্যতম সেনাপতি ছিলেন অ ন ম গাজীউল হক। তিনি যুদ্ধ ঘোষণার দায়িত্বে এবং পরিচালনায় ছিলেন সেদিন। এটাই সেই চুড়ান্ত সময়, সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি গাজীউল হক রাত সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঢুকে ছিলেন। সকালে ঢুকতে গেলে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে এই ব্যবস্থা নেয়া। তাঁর গ্রেপ্তার হওয়া চলবে না, কারণ ১৪৪ ধারার দেয়াল ভাঙার যে সভা, সে সভার তিনিই ছিলেন সভাপতি।

গাজীউল হকের ‘আমার দেখা আমার লেখা’ থেকে খানিকটা উদ্ধৃতি দিচ্ছি-‘রাত সাড়ে তিনটার সময় বিশ্ববিদ্যালয় জিমনাসিয়াম গ্রাউন্ডের মধ্য দিয়ে মেডিক্যাল কলেজের ভেতরে ঢুকি। তখন মেডিক্যাল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় এ দু’টোর মাঝখানে সীমারেখা ছিল মধুর রেস্তোরাঁর পাশে একটি ছোট্ট পাঁচিল। সে পাঁচিল টপকে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকি এবং রাতের শেষ সময়টুকু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সিঁড়ির পাশেই কাটিয়ে দেই।

ভোর হল, সূর্য উঠল। এ সময় বার বার একটি কথাই মনে পড়ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আমি একা, নি:সঙ্গ। এ দিনের ভোরের বাতাস জাতির জন্য কি নিয়ে আসছে জানি না। আগের রাতের কথাগুলো মনে পড়ছিল, মনে পড়ছিল বন্ধুদের উজ্জ্বল মুখগুলো। ওদের সঙ্গে হয়তো আর দেখা নাও হতে পারে।

দেখা কারও কারও সাথে হয়নি ঠিকই। সেই-ই শুরু আমাদের আত্মহুতির পালা।

তারপর একটা সুদীর্ঘ জটিল রক্তাক্ত পথ পেরিয়ে এসে চূড়ান্ত বোঝাপড়া। মুক্তিযুদ্ধ। সে যুদ্ধেও আমরা জিতেছি। গাজীউল হক শুরুর যুদ্ধেও ছিলেন শেষের যুদ্ধেও ছিলেন। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধিকার আন্দোলন-তারপর স্বাধীনতা। এবার ভূখণ্ড বাংলাদেশ।

সে আমাদের চূড়ান্ত আত্মাহুতির পর্ব, আমাদের বিজয়ের গাঁথা।

দুটি যুদ্ধেই তিনি গাজী। তারপরও যুদ্ধে নেমেছেন বারবার। দেশের দু:সময়ে, মানুষের প্রয়োজনে।

এতোদিন পর আজ বাংলাভাষা বা ভাষা-আন্দোলনের কথা উচ্চারিত হলে সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি নাম মনে আসে, তাঁরা নক্ষত্রের মতো জ্বল জ্বল করে ওঠে। তাঁরা বর্ণমালার সমগোত্রীয়, তাঁদের এক একটি নামও যেন এক একটি অক্ষরের নামের মতো। কেউ ‘অ’ কেউ তালিব্য ‘শ’। আ ন ম গাজীউল হকও তেমনি একটি নাম। বাংলা বর্ণমালার আর একটি নাম গাজীউল হক।

খায়রুল আলম সবুজ: অভিনেতা ও লেখক।

Responses -- “গাজীউল হক: বর্ণমালার আরেকটি নাম”

  1. Nurun Nahar Alam

    এত সু্ন্দর একটা লিখার জন্য ধন্যবাদ। অত‌্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ। সাধারণ মানুষ বড় বড় বই পড়তে খুব একটা আগ্রহী হয়না। কিন্তু এ ধরনের সংক্ষিপ্ত লিখা মনোযোগ দিয়ে পড়ে। আমাদের এবং আমাদের নতুন প্রজন্মকে এসব জানাতে হবে। আবারো ধন্যবাদ খায়রুল আলম সবুজকে। দোয়া করি আপনার এধরনের তথ্যপূর্ণ লিখা অব্যাহত থাকুক। একজন নাট্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে আপনার কাছে গাজীউল হক স্যারের এ বিষয়ভিত্তিক নাটক বা চলচিত্র আশা করতে পারি।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—