পিইসি বা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করবে-করবে করেও সরকার কেন বাতিল করতে পারছে না এর কারণ বোঝা সম্ভব যদি এই পরীক্ষা কেন-কীভাবে শুরু হয়েছিল তা বোঝা যায়। এর জন্য বেশ একটু পেছন থেকে আসার প্রয়োজন পড়বে।

বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করার পর শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে আরেকটি বড় ধরনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৯৯০ সালে। এটা ছিল বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা অধ্যাদেশ। এই অধ্যাদেশে বলা হয়:

To fulfill the constitutional obligation of Universal Primary Education, the Government promulgated the Primary Education (Compulsory) act 1990.

কিন্তু এই অধ্যাদেশ জারির পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়েনি। এই সংখ্যা ১৯৯০ সালে ছিল ৩৭৬৫৫, আর ২০১০ সালে হয়েছে মাত্র ৩৭৬৭২। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৪ সালে এটা ছিল ৩৬১৬৫। তবে নিবন্ধিত বেসরকারি স্কুল বেড়ে গেছে ধারাবাহিকভাবে। ১৯৯০ সালে এর সংখ্যা ছিল ৯৫৮৬টি এবং ২০১০ সালে এটা হয় ২০০৬১টি।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭৪ সালে এ ধরনের স্কুল ছিল মাত্র ৪৬৮টি। এরপর শিক্ষকদের বহু দাবি ও আন্দোলন-সংগ্রামের পর ২০১২ সালে ২২৬৩২টি নিবন্ধিত স্কুলকে সরকারিকরণ করা হয়।

প্রকৃতপক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করায় ভর্তি-উপযোগী শিশুর বিশাল সংখ্যা সরকারের জন্য একটা বাড়তি চাপ ও দায় হয়ে আসে। কারণ ১৯৯০ সালে মোট শিশুর মধ্যে স্কুলে যেত মাত্র ৬০.৫ শতাংশ। তাহলে আরও প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু (প্রায় ৭৮৬৮১২০ জন) স্কুলে যেত না। তদুপরি তখন শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ছিল ১:৬৩। এই অনুপাতেও যদি বাকি শিশুদের স্কুলে ভর্তি নিশ্চিত করতে হলে নতুন স্কুল লাগত প্রায় ৩০৮৪৩টি এবং শিক্ষক লাগত প্রায় ১৩০৪৬৬ জন।

 

Primary Education in Bangladesh - 77777
প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করায় ভর্তি-উপযোগী শিশুর বিশাল সংখ্যা সরকারের জন্য বাড়তি চাপ ও দায় হয়ে আসে

 

কিন্তু সরকার তা না করে নিবন্ধিত স্কুল আরও বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এনজিও স্কুল, কিণ্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসার ধারাবাহিক বিস্তৃতির সুযোগ করে দেয়। এই প্রক্রিয়ায় বিত্তহীন ও নিম্নবিত্তের অভিভাবকেরা এনজিও স্কুলে এবং মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা কিণ্ডারগার্টেনের দিকে ঝুঁকে পড়তে থাকে। আর সরকারের এই গা এড়িয়ে যাওয়া কৌশলের মধ্য দিয়েই প্রধানত নিম্নবিত্ত ও বিত্তহীন পরিবারের আরেক দল শিক্ষার্থী মাদ্রাসা, বিশেষ করে কওমী মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে।

এ সময়ে মাধ্যমিক স্তরে গৃহীত কৌশলের অনিবার্য অভিঘাত প্রাথমিক স্তরের উপর পড়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে মাধ্যমিক স্তরেও সরকারি স্কুল খুব একটা বাড়েনি (স্বাধীনতার পর ছিল ১৪৮ এবং ২০০৮ সালে হয়েছে ৩১৭)। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে বেসরকারি স্কুল ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। স্বাধীনতার পর এ ধরনে স্কুলের সংখ্যা ছিল ৫৬৪৬, ১৯৯০ সালে হয়েছে ১০১৫৩, কিন্তু ২০০০ সালেই এটি হয়ে গেছে ১৫৪০৩।

অপরিকল্পিত এই সংখ্যাবৃদ্ধিতে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থী সংকট দেখা দেয় নব্বই দশকের আগে থেকেই। স্বাধীনতার পর মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ছিল ১:২৫.৯৮। দু দশক পর ১৯৯০ সালে এটা কমে হচ্ছে ১:২৪.৩। অন্যদিকেম স্বাধীনতার পর প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ছিল ১:৪৪.৭৭, সে-অনুপাত ১৯৯০ সালে হয়েছে ১:৬৩।

সুতরাং প্রাথমিক আর মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত চরম বিপরীতমুখী পরিস্থিতি নির্দেশ করছে। এটাই ছিল আশির দশকের শেষ দিকে মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর আন্দোলনের প্রেক্ষাপট।

 

17111
সরকারের এই গা এড়িয়ে যাওয়া কৌশলের মধ্য দিয়েই নিম্নবিত্ত ও বিত্তহীন পরিবারের আরেক দল শিক্ষার্থী মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে

 

তাই বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার দায় এড়ানোর মতো করেই মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী বাড়ানোর একটা তাগিদ সরকার অনুভব করে। এ কারণেই নব্বই দশকের শুরুতেই মাত্র ৫০০টি এমসিকিউএর একটি প্রশ্ন ব্যাংক করে গণিত ছাড়া সকল বিষয়ে ৫০ নম্বর পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। ফলে ১৯৯০ সালেও যেখানে এসএসসিতে পাশের হার ছিল ৩১.৭৩ শতাংশ, সেখানে ১৯৯৪ সালে হয়েছে ৭১.৪৬ শতাংশ। পাশাপাশি মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রী-উপবৃত্তিও এ সময় চালু হয়। ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এমনভাবে বাড়তে থাকে যে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১৯৯০ সালের ১:২৪.৩ থেকে বেড়ে ২০০০ সালে গিয়ে দাঁড়ায় ১:৪৩.৯১এ।

এতে ছাত্র-বেতন আদায় ও শিক্ষকদের প্রাইভেট-টিউশন-কোচিং থেকে আয় বৃদ্ধি পায়, যার মাধ্যমে শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চতর শিক্ষা ব্যবস্থাও ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে তোলা হয়।

এরপর ২০০০-২০০৫ সালের মধ্যে আরও প্রায় ৩ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়ায় এবং নকল নিয়ন্ত্রণ করায় পাশের হার যেমন কমে আসে (২০০৩ সালে ৩৫.৯১ শতাংশ), তেমনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতও কমে আসে (২০০৫ সালে ১:৩১.০৬)। এর ফলে স্কুল পরিচালনার জন্য যথেষ্ট শিক্ষার্থীর সংকট অনেক স্কুলে আবারও শুরু হয়।

এই সংকট কাটানোর চাপ পড়ে প্রাথমিক স্তরের উপর। এ সময় ছাত্রী-উপবৃত্তির জন্য প্রাথমিকে অনুত্তীর্ণরাও হাই স্কুলে ভর্তি হতে শুরু করে এবং এটা মেনে নেওয়া হয় নারীশিক্ষার কথা বলে। একই সঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের হার ২০ শতাংশ (২০০২ সালে) থেকে ক্রমে বাড়িয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ করা হয় (২০০৮ সালে)।

কিন্তু ২০০২ সালে দেখা যাচ্ছে বৃত্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর পেয়েছে মাত্র ৪৪.১৯ শতাংশ শিক্ষার্থী। ততদিনে এমডিজি অর্থাৎ ২০১৫ সালের মধ্যে সকল শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের অঙ্গীকার এসে গেছে। ফলে বৃত্তি পরীক্ষার এই পাশের হার এমডিজি লক্ষ্য পূরণের ক্ষেত্রে একটা সংকট হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকবে। এরপর থেকে বৃত্তি পরীক্ষায় পাশের হারের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটানো হয় (২০০৮ সালে পাশ ৭৪.০৩ শতাংশ)।

২০১৫ সালে দেখা যায় যে, ২০০৮ সাল থেকে যত শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাচ্ছে তার মাত্র ৫০ শতাংশ পঞ্চম শ্রেণি শেষ করছে। এই পরিস্থিতি বুঝে সকল শিশুকে অভিন্ন মূল্যায়ন ব্যবস্থায় আনার কথা বলে পিইসিই বা সাধারণের মুখে উচ্চারিত এই পিএসসি পরীক্ষার চালু করে অসাধ্য সাধনের অসাধু উপায় খোঁজা হয়। এভাবেই ২০০৯ সালে সকল শিক্ষার্থী পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং পাশের হার প্রায় ৯০ শতাংশে পৌঁছে যায়।

এই সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির মধ্যে কৌশলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ঢুকিয়ে দেওয়া হয় এবং এই পরীক্ষার মাহাত্ম্য প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে যথাসময়ে এমডিজি অর্জনের বৃহৎ ঘোষণার প্রস্তুতি চলতে থাকে। সরকার ও তার আমলাদের কাছে এটা খুব কার্যকর একটা কৌশল হিসেবে প্রতীয়মান হয়। কারণ এর ফলে একদিকে যেমন প্রথম শ্রেণিতে যারা ভর্তি হচ্ছে তাদের প্রায় সবারই পঞ্চম শ্রেণি পাশের নিশ্চয়তা সৃষ্টির মাধ্যমে ঝরে পড়ার হার রোধ সম্ভব, তেমনি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীর যোগানও ব্যাপকভাবে বাড়ানো যাচ্ছে।

 

19999111
এই পরীক্ষার মাহাত্ম্য প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে যথাসময়ে এমডিজি অর্জনের বৃহৎ ঘোষণার প্রস্তুতি চলতে থাকে

 

সরকারের এসব সাফল্য নিয়ে বিশ্ব ব্যাংক ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর লিখে ফেলছে:

Bangladesh has made remarkable progress in primary education, with 98.6% enrollment rate and 73.8% children completing primary education.

সরকারের দিক থেকেও বিশ্বসভায় অঙ্গীকারকৃত সময়ের আগেই এমডিজি-২ অর্জনের ঘোষণার প্রস্তুতি শোনা যায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর এই কথায়:

“সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Millenium Development Goals) এবং সবার জন্য শিক্ষার (EFA) লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে দেশের সকল নাগরিকের জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার ঘোষণা থাকলেও বর্তমান সরকার ২০১৪ সালের মধ্যেই এ লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।. . . ”

এত প্রস্তুতি, এত আয়োজন করেও সরকার তা ঘোষণা করতে পারেনি। কারণ অব্যাহত প্রশ্নফাঁস, উত্তর বলে দেওয়া, মূল্যায়নে কারচুপি করেও সকল শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন করানো যায়নি। তদুপরি ঝামেলা বেঁধেছে শিক্ষানীতি অনুমোদন করে, যেখানে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হয়েছে। এখন সকল শিশুকে অষ্টম শ্রেণি সমাপন না করিয়ে এমডিজি-২ অর্জন হয়েছে এটা বলা যাচ্ছে না।

সংকটের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হচ্ছে, পঞ্চম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির মধ্যেই প্রায় এক তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। যেমন, গত বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছিল ৩২,৫৪,৫১৪ শিক্ষার্থী, কিন্তু জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে ২৩২৫৯৩৩ জন।

এই ঝরে পড়া এক তৃতীয়াংশকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ধরে রাখা শিক্ষানীতি, কারিকুলাম বা শিক্ষা ব্যবস্থার বিষয় নয়– এটা মূলত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিষয়। সুতরাং সরকারের জন্য সুবিধা হল পঞ্চম শ্রেণিতে পিএসসি বহাল রেখে প্রাথমিক শিক্ষা পাঁচ বছর মেয়াদী রেখে এমডিজি-২ অর্জন হয়েছে এটা ঘোষণা করার পরই এটা বাতিল করা এবং পিএসসি পরীক্ষা অষ্টম শ্রেণিতে নিয়ে যাওয়া।

আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়। শিক্ষা হচ্ছে নানা সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। যত বেশি স্কুল-কলেজ তত বেশি বাণিজ্য– যত বেশি কাঠামোগত পরিবর্তন বাণিজ্য বাড়ে তত– কারিকুলাম, পরীক্ষা-পদ্ধতি, বইপুস্তকের পরিবর্তন বাড়লেও বাণিজ্য– বেশি পরীক্ষা, বেশি বেশি শিক্ষার্থীর পাশ তো বাণিজ্য বিশাল।

 

18111
শিক্ষা হচ্ছে নানা সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত

 

খুব সহজ একটা হিসাব। ২০১৫ সালে প্রায় ৩০-৩৫ লক্ষ শিশু প্রাথমিক স্তরের পরীক্ষা দিয়েছে। এদের অধিকাংশই একাধিক গাইড বই কিনেছে। গড়ে যদি ১টা গাইডও সবাই কিনে থাকে আর তার দাম যদি গড়ে ৫০০ টাকা হয় তবে শুধু এই খাত থেকেই বাণিজ্য সৃষ্টি হচ্ছে প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা।

আবার প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থী স্কুলে অথবা স্কুলের বাইরে কোচিং করেছে, করতে বাধ্য হয়েছে। মাসে ৫০০ টাকা করে হলেও ১০ মাসে প্রতিটি শিক্ষার্থী ৫০০০ টাকা খরচ করেছে। তাহলে কোচিং খাতে বাণিজ্য হয়েছে প্রায় ১৭৫০ কোটি টাকা।

এগুলো কোনো নিশ্চিত অঙ্ক না হলেও এমন বহু বহু বাণিজ্য খাত তৈরি হচ্ছে শিক্ষার এ ধরনের উন্নয়নের (!) ফলে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, এই টাকার অংশ শুধু প্রকাশক, কোচিংয়ের মালিক বা স্কুলের শিক্ষক বা ম্যানেজং কমিটিই পাচ্ছেন না– তাদের সুতো বেয়ে বিস্ময়করভাবে ঊর্ধ্বগামী ফিলট্রেশন ঘটছে বহু উপর পর্যন্ত। তাই শিক্ষার সকল স্তরে এ ধরনের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সৃষ্টির সঙ্গে বেশি বেশি পরীক্ষা থাকার সম্পর্ক সরাসরি।

সুতরাং সরকার শেষাবধি তার বৃত্তে নিজেই বন্দী। আর শিশুরা গিনিপিগ। আমরা অভিভাবক-শিক্ষকেরা কলুর বদল।

তথ্যসূত্র:

http://www.cpeimu.gov.bd/, 2014

http://www.banbeis.gov.bd/trend_analysis1.htm, p.1

Report on Primary School Census 2010, Directorate of Primary Education, Government of the People’s Republic of Bangladesh, p. 24

Primary Education in Bangladesh, Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics (Banbeis), Banbais Publication: 56, January- 1987, p. 20

http://www.banbeis.gov.bd/trend_analysis1.htm, p.1

Report on Primary School Census 2010, Directorate of Primary Education, Government of the People’s Republic of Bangladesh, p. 24

Primary Education in Bangladesh, Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics (Banbeis), Banbais Publication: 56, January- 1987, p. 20

Bangladesh Primary Education, Annual Sector Performance Report-2014, Directorate of Primary Education, May 2014, p. 5

http://www.bd.undp.org/content/bangladesh/en/home/mdgoverview/overview/mdg2/

http://www.banbeis.gov.bd/trend_analysis1.htm, p.1

Ibid, p.1

Ibid, p.2-3

http://www.banbeis.gov.bd/trend_analysis1.htm, p.2-3

Ibid, p.2

Ibid, p.2

Ibid, p.1

http://www.banbeis.gov.bd/trend_analysis1.htm, p.1

http://www.banbeis.gov.bd/webnew/index.php?

option=com_content&view=article&id=470:results-of-secondary-school-certificate-ssc-public-examination-by-stream-1990-2010&catid=79:output-statistics-2010&Itemid=187

http://www.banbeis.gov.bd/trend_analysis1.htm, p.2
Ibid, p.2-3

http://www.banbeis.gov.bd/webnew/index.php?

option=com_content&view=article&id=470:results-of-secondary-school-certificate-ssc-public-examination-by-stream-1990-2010&catid=79:output-statistics-2010&Itemid=187

http://www.banbeis.gov.bd/trend_analysis1.htm, p.2-3

Report on Primary School Census 2010, Directorate of Primary Education, Government of the People’s Republic of Bangladesh, p. 66

Ibid, p.66

Ibid, p.66

http://www.unicef.org/bangladesh/Quality_Primary_Education%281%29.pdf

Ibid, p.66

http://www.worldbank.org/en/news/feature/2013/12/10/educating-tomorrows-leaders-in-bangladesh

প্রাথমিক শিক্ষায় পাঁচ বছরের অর্জন (২০০৯-২০১৩), মন্ত্রীর বাণী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ২০১৪

http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/690745, November 22, 2015

http://www.prothom-alo.com/education/article/671062/ , November 1, 2015

রাখাল রাহাগবেষক, প্রাবন্ধিক

২৩ Responses -- “যে কারণে পিইসি পরীক্ষা বাতিল করা যাচ্ছে না”

  1. গালিব

    তথ্যভিত্তিক লেখা। কিনতু সরকরের কাছে পৌছাবে এই বাতা । আমি বুঝি না six এর একটা বাচ্চার কেন 14 টা বই থাকা লাগবে? কোন সে মহান বুদ্বিজীবি এর প্রণেতা? সবই বাণিজ্য। এই চক্র ভাঙ্গতে না পারলে এত A+ দিয়ে কি হবে, শুধু বোঝাই বাড়বে??

    Reply
  2. পারভেজ

    “তাই শিক্ষার সকল স্তরে এ ধরনের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সৃষ্টির সঙ্গে বেশি বেশি পরীক্ষা থাকার সম্পর্ক সরাসরি।” ঠিক। আশা করি, দাদুমশায় অচিরেই পরীক্ষার্থী হিসাবে VAT চালু করার প্রস্তাব দেবেন।

    Reply
  3. Rakhal Raha

    অসৎ-অদক্ষ ব্যবস্থা ও প্রশাসনের মধ্যে নেওয়া কোনো সৎ উদ্যোগও বাড়তি অসততা-অদক্ষতা ও অবনমন ডেকে আনতে পারে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমিক স্তরে কাঠামোবদ্ধ বা সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি এটা ডেকে এনেছে। এর আগে একই কারণে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কোর্স পদ্ধতি থেকে সেমিষ্টার পদ্ধতির প্রচলন উচ্চশিক্ষার মানের অবনতি ঘটিয়েছে। বিজ্ঞান শিক্ষা ধ্বংস করেছে ‘এসো নিজে করি’ পদ্ধতির টেক্সট নির্মাণ। আগামীতে প্রাথমিক শিক্ষা পাঁচ বছর থেকে আট বছর করার মধ্য দিয়ে একই ফল ঘটবে।

    কিন্তু এটা অব্যাহত থাকবে। কারণ শাসকশ্রেণির উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের ৯৯ ভাগ মানুষের সন্তান যাতে মানসম্মত শিক্ষা না পায়, আর তাদের এক ভাগের শাসন-শোষণ যেন নিশ্চিত-নিরাপদ থাকে। কারণ, তারা ও তাদের প্রজন্ম ভিন্ন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থায় দেশে-বিদেশে পড়াশোনা করছে। পুরো পঁচে যাওয়া এই ব্যবস্থার পরিবর্তন রাজনৈতিক পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কযুক্ত।

    সরকার যদি সত্যিই মানে যে তারা শিক্ষার উন্নতি করেছে তবে সরকারের সব মন্ত্রী, সাংসদ, আমলা, নেতা, কর্মকর্তা ও গুণগ্রাহী বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, শিল্পী, সাংবাদিকের সন্তান বা নাতিপুতিদের সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা নিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হোক।

    Reply
  4. আমিরুল আলম খান

    লেখাটি তথ্যভিত্তিক ও যুক্তিগ্রাহ্য। বাংলাদেশে শিক্ষা অন্যতম লাভজনক ব্যবসায়। এ ক্ষেত্রে লুঠেরা শ্রেণি হাজার কোটি টাকা লগ্নি করে হাজার হাজার কোটি টাকা লুণ্ঠন করছে। এই লুণ্ঠনপ্রধান শিক্ষাব্যবস্থার রাজনৈতিক-অর্থনীতি অনুসন্ধান জরুরি। লেখককে ধন্যবাদ, তিনি বিষয়টির প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আশা করি, তিনি এ বিষয়ে আরও গবেষণা করবেন এবং শিক্ষাদুর্বৃত্তদের মুখোশ উন্মোচন করবেন।

    Reply
  5. Fazlul Haq

    শিক্ষার উদ্দেশ্য সার্টিফিকেট প্রাপ্তি, এমডিজি অর্জন অথবা বেহেস্ত প্রাপ্তি নয়। শিক্ষার উদ্দেশ্য উন্নততর জীবন, জীবিকার দক্ষতা অর্জন। অতএব প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করতে হবে। এই বয়সের ছেলেমেয়েদের মাতৃভাষায় লিখতে পড়তে পারার দক্ষতা অর্জন এবং পরবর্তী ধাপে (৯ম থেকে ১২ শ্রেণি) কে কোন পেশা গ্রহণের উপযোগী হবে তার যোগ্যতা নির্ধারণ এবং সে মোতাবেক চয়েসে সহায়তা করা। যেমন, পেশার বিষয়গুলো হবে কৃষিবিজ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, প্রকৌশল বিজ্ঞান ইত্যাদি। ১২ শ্রেণি পাস করা তরুণেরা যারা উচ্চতর শিক্ষায় যেতে অপারগ তারা যাতে একজন টেকনিকাল হ্যান্ড হিসেবে পেশায় নিযুক্ত হতে পারে, তার (থিওরি ও প্রাকটিকাল) শিক্ষা থাকবে। সুতরাং অষ্টম ও দ্বাদশ শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা থাকা বাস্তবসম্মত।

    Reply
    • রায়হানুল ইসলাম

      আপনি বলছেন, “অষ্টম ও দ্বাদশ শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা থাকা বাস্তবসম্মত”, থাকুক, কেউ তো বলছেন না উঠিয়ে দিতে। প্রশ্ন হলো “এসএসসি” ও “এইচএসসি” আগে থেকেই ছিল এবং ৫ম শ্রেণি এবং ৮ম শ্রেণি শেষে বৃত্তি পরীক্ষাও ছিল। বৃত্তি পরীক্ষার জায়গায় পিএসসি/জেএসসি চালু করা হলো।

      আগে বৃত্তি পরীক্ষায় কিছু বিভ্রান্তি ছিল। অনেক স্কুল ছাত্রদের বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ দিত না, আবার অনেক ছাত্র বৃত্তি পরীক্ষা দিতে শহর থেকে গ্রামে যেত (কোটা বেশি থাকায়)। পিএসসি/জেএসসি চালু করে একদিকে যেমন বৃত্তির আসামঞ্জস্য দুর হলো, তেমনি ব্যাপক অংশগ্রহণের একটি সংস্কৃতি তৈরি হলো, অন্তত প্রাথমিক শিক্ষায় যা জরুরি ছিল– যদিও প্রশ্ন ফাঁসসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ আছে।

      এক কথায়, ছোট আকারে হলেও পিএসসি চালু রাখলে বৃত্তি দেওয়া এবং তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা সহজ হবে।

      Reply
  6. মোহাম্মাদ আনোয়ারুল গনি

    আপনার লেখা চমৎকার তথ্যবহুল। বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার গুরুভার এবং তার কারিকুলাম অনেকটাই বেসরকারি শিক্ষা ব্যাবসায়ীদের হাতে চলে গেছে। এ কারণে আমাদের সরকারি স্কুলে পড়া শিশুরা প্রকৃত শিক্ষামান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই উপলব্ধি আমার ছিল, যার সমর্থন আপনার তথ্যবহুল আলোচনায় পেলাম। আপনার সাথে পরিচিত হতে পারলে ভালো লাগত। সত্যিই আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা সঙ্কটাপন্ন। এর উত্তরণের উপায় কী এটা চিন্তা করা জরুরি। তবে পিইসি পরীক্ষা থাকার একটা যৌক্তিকতা আমি আছে বলে মনে করি। কারণ, আগের অবস্থায় আমাদের দেশের গ্রাম আর শহরের শিশুদের প্রান্তিক যোগ্যতার অনেক পার্থক্য ছিল। কেননা কোনো সাধারণ মূল্যায়নের উপায় ছিল না (প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ছাড়া)। একই প্রশ্নে যখন সারা দেশের শিশুরা পরীক্ষা দিচ্ছে তখন এই মূল্যায়নের একটা প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি থাকছে। যদি এর মধ্যে নকল এবং প্রশ্ন ফাঁস হওয়া (যার জন্য আমাদের শিশুরা মোটেই দায়ী নয়) প্রতিরোধ করা যেত, তা হলে মনে হয় এই পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয় তাদের শিক্ষার একটা ধাপ সুসম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করা যেত। সরকার যদি সরকারি এবং বেসরকারি সব স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম অভিন্ন করবার ব্যাপারে কড়াকড়ি পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং গ্রাম ও শহরের সকল প্রাথমিক শিক্ষকদের সাধারণ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে কেবল তাদেরই প্রাথমিক শিক্ষাদানের দায়িত্ব দেন, তা হলে হয়তো একটা ভালো ফল পাওয়া যাবে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষার মান অভিন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। আর কেবল ৫ বছর পর একটা পরীক্ষা দিয়ে এ+ পেলেই প্রাথমিক শিক্ষা সুসম্পন্ন হয়েছে– এ রকম ভাবনা আমাদের অভিভাবকদের। যেটা খুবই ভুল আর এই ভুল ধারণাই শিক্ষা-ব্যবসায়ীদের পুঁজি।

    Reply
  7. mamun

    PSC should be cancelled immediately. One of the main reason behind this is that, many of our daughters go for their adult stage at this age and if this happens at exam time… just think.
    A very bright student might fall in this situation and a bad result due to this natural cause can spoil her education life. who should be responsible for this?

    Reply
  8. রাশেদুল ইসলাম।

    নিম্ন বিত্ত বিত্তহীনরাই শুধু কওমি মাদ্রাসায় কিংবা সরকারি মাদ্রাসায় পড়ে এটা ভূল। আল্লাহ তা’য়ালা যাকে ইচ্ছা করেন ভালবাসে শুধু তাকেই দীনি ইলম দান করেন। উচ্ছবিত্ত বা মধ্যবিত্ত বা বিত্তহীনরাই মাদ্রাসায় পড়ে এটা এটা ভুল।এটা আপনাকে আমি প্রমান করতে পারব ইনশা আল্লাহ।

    Reply
  9. দীপঙ্কর

    এই পিএসসি, জেএসসি এর পেছনে এত ঘটনার ঘনঘটা, এই লেখা না পড়লে জানতে ও পারতাম না।
    ধম্যবাদ লেখককে ভেতরের কাহিনী বের করে আনার জন্য। কিন্তু দেশের সুপ্রশিক্ষিত আমলা বর্গ, মন্ত্রী বর্গ যারা আজ আমাদের সন্তান দের এ অবর্নণীয় দুরাবস্থার মধ্যে ফেলেছেন, তারা কি নিজ সন্তানের কথা চিন্তা করে ও আমাদের রেহাই দিতে পারেন না?

    Reply
  10. zhir

    Actually we have to modernize the education system. There is no alternative to ref-form the existing system. This govt. seems to be cordial for Education re-forms. I think bureaucrats are misleading Education minister & Prime Minister. They need to re-evaluate the whole process.

    Reply
  11. আব্দুল মুক্তাদির

    লেখাটির জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    আপনার লেখায় আমার মতে সবচেয়ে দামি অংশ হলো–

    ‘সংকটের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হচ্ছে, পঞ্চম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির মধ্যেই প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে। যেমন, গত বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছিল ৩২,৫৪,৫১৪ শিক্ষার্থী, কিন্তু জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে ২৩২৫৯৩৩ জন।
    এই ঝরে পড়া এক-তৃতীয়াংশকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ধরে রাখা শিক্ষানীতি, কারিকুলাম বা শিক্ষা ব্যবস্থার বিষয় নয়–- এটা মূলত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিষয়। সুতরাং সরকারের জন্য সুবিধা হলো পঞ্চম শ্রেণিতে পিএসসি বহাল রেখে, প্রাথমিক শিক্ষা পাঁচ বছর মেয়াদী রেখে এমডিজি-২ অর্জন হয়েছে এটা ঘোষণা করার পরই এটা বাতিল করা এবং পিএসসি পরীক্ষা অষ্টম শ্রেণিতে নিয়ে যাওয়া।”

    আমার বক্তব্য হলো–
    ১. শিক্ষা নিয়ে যারা আলোচনা বা চিন্তা করছেন, তাদের সবার উপরে উল্লেখিত তথ্যটি জানতে হবে।

    ২. ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার দরকার আছে– যেটা আজ সবাই বুঝতে পারছেন। কিন্তু ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষা জানা এবং পরীক্ষা দেওয়ার দরকার আছে। তবে বিদেশি ভাষা (ইংরেজি, আরবি বা অন্য ভাষা) ৫ম শ্রেণি পাসের পরীক্ষায় থাকবে কেন?

    ৩. শুধু ইংরেজিতে ফেল করার কারণে অনেক পরিক্ষার্থী বিভিন্ন লেভেলে ফেল করে। ইংরেজীতে পাস করতে হবে, তবে ৫ম শ্রেণিতে বাদ দিলে কি ভালো হতো না?

    ৪. মাতৃভাষা, সাধারণ গণিত, ইতিহাস এবং ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এই চারটি বিষয়ে একই প্রশ্নে মোট ১০০ নম্বরের একটি মাত্র তিন ঘণ্টার পরীক্ষা নিয়ে পিএসসি চালু রাখলে কি কোনো অসুবিধা হবে?

    ৫. দেশের আপামর জনগনকে জরুরি বিষয়ের শিক্ষায় শিক্ষিত করে এমডিজির লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা কি জরুরি নয়?

    Reply
    • মোহাম্মাদ আনোয়ারুল গনি

      শিক্ষার মান সঠিক সুনির্দিষ্ট না করে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করলে পাস করা অশিক্ষিতের সংখ্যা বাড়বে। কিছুই না জেনে না শিখে ভালো ফলাফল প্রাপ্তি নিশ্চয়তা বাড়ানোর যে রীতি চালু হয়েছে, সেটা রোধ করা দরকার।

      Reply
    • রায়হানুল ইসলাম

      ১০০ নম্বরের একটিমাত্র পরীক্ষা নিয়েই “প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা”র স্থলে “৫ম শ্রেণি উত্তর মূল্যায়ন পরীক্ষা (সংক্ষেপে মূল্যায়ন পরীক্ষা)” চালু রাখা জরুরি।
      কারণ–
      ১- ইতিহাস,মাতৃভাষা,গণিত,ধর্ম এই ৪টি বিষয়েই পরীক্ষা নেওয়া জরুরি (২৫ নম্বর করে)

      ২- প্রাথমিক বৃত্তি দেওয়ার জন্য একটা পরীক্ষা তো রাখতেই হবে

      ৩- এই পরীক্ষা দ্বারা স্কুল এবং স্কুলশিক্ষকদেরও মূল্যায়ন হবে

      ৪- শত ভাগ শিক্ষিত করতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে (যেহেতু সরকার অনেক টাকা খরচ করে দূরের গ্রামেও শিক্ষাব্যবস্থা চালু রাখছে, সেহেতু ৫ম শ্রেণির পরপর একটা পরীক্ষা (সহজ করে দিয়ে) চালু রাখা জরুরি।

      Reply
  12. MOMIN

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শাসন আমলে যে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছিল তাতে উল্লেখ ছিল প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ৮ম শ্রেণি থেকে হবে। এই ব্যবস্থা অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।

    Reply
  13. MOMIN

    পিএসসি পরীক্ষা বাতিলের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

    Reply
  14. A.R.BHUIYAN

    বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের শিক্ষার ও পরস্পরের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাব আছে বলে মনে করি। তাঁরা নিজেদের লাভের কথা চিন্তা করে পিইসি পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার কেন তা বাতিল করল– এটা আজ ২০১৬ সালের সচেতন বাঙ্গালিকে বোঝানো যাবে না।
    কোমলমতি শিশুদের কথা চিন্তা করে তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা ক্ষতি ছাড়া ভালো কিছু হতে পারে না…

    Reply
  15. নজরুল ইসলাম খান, এম এড ছাত্র, আই,ই আর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    তথ্যভিত্তিক লেখা। এই সরকার হলো কেরানিনির্ভর, অন্যদিকে লাভ-লোকসান হিসাব তো তারা সবসময় করবে। বোকা আমরা দেশের সাধারণ মানুষ।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—