আজন্ম শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আমাদের কাছে এসেছে শোক, অভিমান, ক্রোধ, হতাশা ও দীর্ঘ বঞ্চনার প্রতিভূ হিসেবে। স্বজন হারানোর বেদনা ছাপিয়ে এই দিনটিতে বিমর্ষ থেকেছি ভালোবাসার স্বদেশের পথ হারিয়ে ফেলে অধ:পতিত হবার ভগ্ন চেহারা দেখে। ভুলুণ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের হতাশ করেছে; ক্ষমতায় অধিষ্টিত পিতৃহন্তারকয়েদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা আমাদের ব্যঙ্গ করেছে। কিন্তু গত কটি বছরই অন্য রকম।

যে দিন থেকে যুদ্ধাপরাধের বিচারের ইস্যুটি আওয়ামী লীগের মেনিফেস্টোতে স্থান করে নিল, সেদিন থেকেই আরও আশায় বুক বেঁধে চলা। তারপর একে একে সমস্ত শঙ্কা, আলোচনা ও বিরুদ্ধ মত ভুল প্রমাণ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিটি বাস্তব রূপ ধারণ করল একটি ট্রাইব্যুনালের আকারে।
তারপর যে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় দেখেছি, তাদের ত্রাসে তটস্থ থেকেছে যে দেশ, সেই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে অবাক বিস্ময় দেখলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। যা আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি সে সুদিন যে সত্যি এল তা এখন মাঝে মাঝে বিস্বাষ হতে চায় না।

কারণ আমরা যারা একাত্তরে স্বজন হারিয়েছি, তারা বড় হয়েছি পঁচাত্তর-পরবর্তী এক অন্ধকার সময়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রতমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর, সেই সঙ্গে চার জাতীয় নেতাকে হত্যার পর স্বজন-হারানো আমরা হলাম অভিভাবকশূন্য। মুখ থুবড়ে পড়ল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। ক্যান্টনমেন্ট থেকে গজিয়ে ওঠা ভুঁইভোড় রাজনৈতিক দলে আশ্রয় ঘটল সকল রাজনৈতিক উচ্ছিষ্টদের। রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি জায়গা করে নিল যুদ্ধাপরাধী খুনি ধর্ষকরা। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলল ইতিহাস ভুলিয়ে দেবার এক কালো অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করা যাবে না, বলা যাবে না জয় বাংলা– সে এক দুর্বিষহ সময়! ভাবখানা তাদের এমন ছিল যে, দেশে কোনো যুদ্ধপরাধই সংঘটিত হয়নি। মুজাহিদ তো দম্ভভরে বলেই ছিল, “কীসের যুদ্ধাপরাধ? এদেশে কোনো যুদ্ধাপরাধ হয়নি।”

সেই বাংলাদেশে আজ আমরা শুধু যে যুদ্ধাপরাধ হয়েছে তা প্রমাণ করতে পেরেছি তা নয়, পেরেছি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে, তাদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে– এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে শহীদ-স্বজনদের জন্য?

আর তাই আমরা সন্তুষ্ট, আবেগাপ্লুত, এদেশ নিয়ে গর্বিত। এদেশের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। বাঙালি সত্যি বীরের জাতি। তারা যুদ্ধ করতে জানে, যুদ্ধে জয়ী হতে জানে, পিতৃপুরুষের হত্যার বিচার করতে জানে। এ জাতিকে ঠেকিয়ে রাখবে কে? বঙ্গবন্ধুর সেই কথাই বলি, ‘কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না।’

শুধু কি তাই? শুধু কি অতীতের জঞ্জাল আমরা সরিয়ে ফেলছি? না, তা নয়। আমরা দৃপ্ত পদে এগিয়ে যাচ্ছি তেমনটি আমার বোধ হচ্ছে। মাত্র এক দিন আগে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হল। কারও সহায়তা ছাড়া, সকল ষড়যন্ত ধ্বংস করে, নিজ অর্থায়নে আমরা সত্যিই গড়ে তুলতে যাচ্ছি এমন একটি সেতু ভাবতেই গর্বে মন ভরে যায়। তাই সত্যিই প্রত্যয় জন্মেছে যে, সামনে আসছে সুদিন। আমি একটি সুন্দর ভব্যিতের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। যদি নেতৃত্ব থাকে দৃঢ়চেতা আপোষহীন বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতে, যদি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি একত্র থাকে, যদি তারুণ্য এমন স্বদেশপ্রেমে উজ্জীবিত থাকে, তবে কোনো কারণ সেই প্রদেশের সামনে এগিয়ে না যাবার।

তাই এবারের ১৪ ডিসেম্বর আমাদের কাছে ভিন্নতর। ব্যক্তিগত শোকে আমি কাঁদি, কিন্তু তা কখনও আমার কাছে মুখ্য ছিল না। আমাদের কোনো শহীদ-স্বজনের কাছেই ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া বড় নয়। সব সময় শহীদ-স্বজনরা দেশের জন্যই হতাশ হয়েছে, কেঁদেছে, শঙ্কিত হয়েছে। তাই আজ শঙ্কা, ক্রোধ, হতাশা ভেদ করে, অহংকার গর্ব, কৃজ্ঞতার সঙ্গে এসেছে নতুন অনুভুতি– এক বুকভরা আশা দেশকে নিয়ে। আমি সত্যিই শুনতে পাই শুভদিনের পদধ্বনি।

এখনও অনেক দূর যেতে হবে। এখনও অনেক কাজ বাকি। ভুলভ্রান্তি হচ্ছে প্রচুর। এখনও চলছে ষড়যন্ত্র। প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি তার বিষবাষ্প ছড়িয়ে যাচ্ছে বাংলার মাটিতে। এখনও পাকিস্তানের অনুচরেরা ষড়যন্ত্রের হাল বিছিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং আশঙ্কা যে নেই তা নয়, দৈনন্দিন ভুলভ্রান্তিতে বিপর্যস্ত যে হব না তা-ও নয়। তবু বলব, মেঘের আড়ালে সূর্যের আলো দেখতে পাই আমি। তবু বলব, সুদিনের পদধ্বনি শুনি। পথ নিশ্চিতভাবেই সহজ হবে না। কিন্তু এ পথও পাড়ি দেওয়ার সাহস, সংকল্প, দৃঢ়তা বাঙালির আছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাঙালি পেরেছে, বাঙালি পারবে। আমরা যখন একাত্তরে জয়ী হতে পেরেছি, সব যুদ্ধে জয়ী হতে পারব। তাই এই ১৬ ডিসেম্বরে শোক ছাপিয়ে অহংকার, কান্না ছাপিয়ে আশায় আমার বুক ভরে পাছে।

আজকের দিনে সকল শহীদকে শ্রদ্ধা জানাই। আর এদেশের প্রত্যেক বাঙালির জন্য অভিবাদন।

ডা. নুজহাত চৌধুরীসহযোগী অধ্যাপক (চক্ষু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

১২ Responses -- “শুভদিনের পদধ্বনি”

  1. মোঃ হেলাল উদ্দিন

    ঋণ শোধ

    চোখের কোনে আলর ঝিলিক
    যায়নি বিফলে পিতার প্রান,
    উড়ছে দেখ ঐ বিজয় কেতন
    ভাসছে হাওয়ায় জয়ের গান।

    যা ভুলে সব ক্ষোভ, হতাশা,
    দুঃখ,গ্লানি কষ্টবোধ,
    দিন এসেছে পিতার দেওয়া
    রক্ত ঋণের হবে শোধ।

    দেখ চেয়ে দেখ চারদিকেতে
    আঁধার কেটে হচ্ছে ভোর,
    কিসের কষ্ট কিসের দুঃখ
    ফেলনা ঝেড়ে ঘুমের ঘোর।

    তিরিশ লক্ষ শহীদ দেখুক
    রাতের পরে আসছে দিন,
    শোধ হবে শোধ হবেই এবার
    তাঁদের দেওয়া রক্ত ঋণ।
    ——–

    ডাঃ নুজহাত চৌধুরী কে আমার এ কবিতা খানি উৎসর্গ করা হল।

    Reply
  2. sm sharfuddin shawon

    ১৪ ডিসেম্বর ব্যতীত বিজয়া তুমি এক অভিনব আনন্দের সমাহার। আমাদেরকে অভিশাপ দিওনা, ১৪ ডিসেম্বর তোমার বুকে যারা আঘাত করেছিল, তোমার আনন্দকে যারা রক্তস্নাত পথে রুদ্ধ করেছিল,মানবতা যখন রায়েরবাগ বধ্যভূমিতে সমাহিত ছিল, আজকের বিশ্ব মানবতা তখন কোথায় ছিল? লবিষ্ট-খবিষ্ট দুষ্টচক্রের সীমাহীন অপতৎপরতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিশ্বের সেরা ব্যক্তিদের তালিকায় ম্বমহিমায় উদ্ভাসিত একটি নাম শেখ হাসিনা।
    f

    Reply
  3. sm sharfuddin shawon

    ক) যুদ্ধাপরাধের দায়ে দন্ডিত ফাঁসির আসামী মৃত্যুর পর তার পরিবার কর্তৃক শহীদ নাম করনে বিধি নিষেধ আরোপ করতে হবে।
    খ) সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তসহ তাহার উত্তরাধীকারীদের নির্বাচনে অযোগ্য ও রাষ্ট্রিয় গুরুত্ব পূর্ন পদে অবাঞ্চিত ঘোষনা করতে হবে।
    গ) যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় দাতা বা সমর্থক হিসাবে রাষ্ট্রের যে কোন নাগরিকে শাস্তির বিধান করতে হবে।
    তা হলেই স্বাধীনতার মুল চেতনায় আগামী দিনে জঙ্গি মুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

    Reply
  4. লতিফুল কবির

    আপনি বাঙািলর অব্যক্ত কান্নাকে, তার অন্তের জমে থাকা অভিমানকে বের করে দিচ্ছেন – এ বিস্ময়কর! নিশ্চিত বলতে পারি, যখন আপনি কথা বলেন, কোটি কোটি বাঙালি কাঁদে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে অভিশাপমুক্ত হচ্ছে, সেখানে আপনাকে দেখি পথচিহ্ন-স্মারক রূপে। আপনার মত শহীদ সন্তানদের ‘শেখের বেটি’র প্রতি অবিচল আস্থা শাপমুক্তির পথে বাঙালির শক্তি। শহীদস্মৃতি অমর হোক। জয় বাংলা।

    Reply
  5. shahabuddin farooqui

    কোন সে আলোয় উদ্ভাসিত মাগো,
    চোখের কোনে আলোর ঝিলিক দেখি।
    বিফল যায়নি তোমার পিতার প্রান,
    তোমার হাতেই এদেশ গড়আর ভার।

    দুঃসপ্নের দিনগুলোকে ভুলে,
    শক্ত হাতে আকাশটাকে ছোবে।
    স্বদেশপ্রেমে উজ্জিবিত থেকে,
    পথ পাড়ি দাও, সুদিন তোমার হবে।

    Reply
  6. R. Masud

    প্রিয় নুজহাত
    তোমাকে দেখে, আর তোমার মত আরও অনেক বুদ্ধিজীবির রেখে যাওয়া ডি এন এ গুলো দেখে আজ এই দুঃখের দিনেও অতি শুখ অনুভব করছি। কারন—?
    ওরা( হায়েনা আর হায়েনাদের পা ছাটা দেশীয় কুকুর গুলো, যাদের আজ টাঙ্গানো হছে রশিতে) ভেবেছিল বাঙ্গালীর মাথা গুলোকে কেটে ফেলে দিলেই এ জাতী দেওলিয়া হয়ে যাবে। তাদের ধারনা ছিলনা, সেই মাথাওয়ালারা যেই বীজ রোপন করে রেখে গেছে তারা আরও দীপ্ত হয়ে জলে এই দেশকে হায়েনাদের আস্তানা থেকেও ভালো করে মানুষ বাসের উপযোগ্য করে তুলবে। বিদাতার কি পরিহাস, সেই হায়েনাদের আস্তানা আজ শিয়ালের আক্রমনে তছনছ হচ্ছে অহরহ।
    বাঙ্গালার প্রিয় সন্তানদের এই দিনে আবারো সন্মানের সাথে স্মরণ করি আর হাত তুলে প্রনাম জানাই নুজহাতের মতো ডি এন এ রেখে যাওয়ার জন্য।

    Reply
  7. বিবেক

    আচ্ছা পদ্মা সেতু কিভাবে এগিয়ে চলার সূচক হয় একটু বলবেন কি?সেতু তৈরি হবার কথা ছিল ১৪ সালে হবে ১৮ সালে।কেয়ারটেকার সরকার সেতু নির্মাণে খরচ ধরেছিল ১০ হাজার কোটি টাকা সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতি ও সময়ক্ষেপনের কারণে তা এখন ২৫ হাজার কোটি টাকা।সে হিসেবে বিদেশে পাচারকৃত ৭৬ হাজার কোটি টাকা দিয়ে আনুমানিক ৭টি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা যেত।ইহা যদি এগিয়ে যাওয়া হয় তবে পিছিয়ে যাওয়া কোনটি?প্লিজ এনলাইটেন আস।

    Reply
    • লতিফুল কবির

      ১) নিজের টাকায় এত বড় প্রকল্প ইতোপূর্বে বাংলাদেশে হয়নি, ভবিষ্যতে আরও মেগা-প্রজেক্ট হবে, তবে এটাই সূচনা; কাজেই কোন সন্দেহ নাই, এই সেতু নির্মান এগিয়ে চলার সূচক। এমনকি বিশ্বব্যাংকের ঋণের টাকায় হলেও এই সেতুটি হতে পারতো একটি সূচক কেননা প্রকৌশলগত দিক থেকে এমন মেগা-প্রজেক্ট একটা বিশাল সাফল্য হিসাবে গণ্য হতো এবং হচ্ছে। প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী, যিনি এই প্রকল্পের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন, তার বক্তব্য মনযোগ দিয়ে শুনুন।
      ২) বিশ্বব্যাংকের উপর হিলারির ভুত সওয়ার হওয়াতে ১৪ সালের সেতু ১৮ সালে হচ্ছে; কাজেই সেতু নির্মানে বিলম্বের দায় বিশ্বব্যাংকের। আর শেখ হাসিনা সাহস করে নিজের টাকায় সেতুটি নির্মান করতে না চাইলে এই সেতু হতোই না। ১৮ সাল সেদিক থেকে বিশাল অর্জন।
      ৩) কেয়ারটেকারের হিসাব ঠিক ছিলনা; তারা সেতু বানায়নি এবং সেই টাকাতে তারা সেটা বানাতে পারতো না। যে বাজার করেনা, তার বাজেট নিয়ে বাজারে গেলে হয় অর্ধেক বাজার করতে পারবেন আর তা না হলে খালি হাতে বাসায় ফিরবেন।
      ৪)পাচারকৃত ৭৬ হাজার কোটি টাকা একটা রাজনৈতিক হিসাব; প্রথমত এই তথ্যের কোন গ্রহনযোগ্য সূত্র নাই এবং দ্বিতীয়ত এসব টাকার কত অংশ সরকারী প্রকল্প থেকে দূর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত আর কত অংশ বেসরকারী মালিকানার তা জানার কোন উপায় নাই। এপর্যন্ত পাচারকৃত টাকার মধ্যে সিঙ্গাপুর হতে আরাফাত রহমান কোকোর জব্দকৃত কয়েক কোটি টাকা ফেরত আনা গেছে। এর বাইরে কেয়ারটেকার সরকার কর্তৃক বর্ণিত জিয়া পরিবারের পাচারকৃত হাজার-হাজার কোটি টাকার কোন হদিস পাওয়া যায়নি।
      ৫) রাজনীতি যদি আপনার বিবেককে ক্ষতিগ্রস্ত না করতো, তবে এগিয়ে যাওয়াটা পরিষ্কারভাবে দেখতে পেতেন। হ্যাভ ডাউট ইফ দিজ এক্সপ্লানেশন কুড এনলাইটেন ইউ!

      Reply
    • Shekh Fazlul Kabir Viku

      বেশ বলেছেন বিবেক বাবু । নিজের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ যদি এগিয়ে যাওয়ার সুচক না হয় তবে এগিয়ে যাওয়ার সুচক কোনটি ? বিদ্যুৎ বিহীন খাম্বা ? তারেকের ঘোড়দৌড় ? ওয়ান গ্রুপের বিত্তবৈভব নাকি ফালুর বিশাল সাম্রাজ্য ? বিবেকের দংশনএ এই সাত বছরের সাত টি সেতু খুঁজছেন । তা বাবু আগের সরকার গুলোর আটাশ টা সেতু খুঁজে বের করেন না । পাচারকৃত টাকায় যারা বছরের পর বছর বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে , আন্তর্জাতিক আদালতে প্রমান হওয়া পাচার দুর্নীতিবাজরা কি বাবুর বিশেষ কেউ ? প্লীজ ……………বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে বিবেক থাকলে সত্য লিখুন । শম্পা আপুকে ধন্যবাদ এমন সুন্দর লেখার জন্য ।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—