Feature Img
Toufique Imrose Khalidi

আজকের দিনে প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধের কথা যখন ওঠে, তখন মূলত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) কথাই বোঝানো হয়।

প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি আমাদের হাতে আসছে, সেই সঙ্গে তামাদি হয়ে যাচ্ছে পুরনো উদাহরণগুলো। ‘প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধ’কে এক কথায় সংজ্ঞায়িত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বার্গলার অ্যালার্মের কল্যাণে অনেক শহরের মানুষ আজ সিঁধেল চুরির কথা ভুলেই গেছে।

ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা অনেক সমস্যার সমাধান করেছে, কিন্তু জন্ম দিয়েছে নতুন অনেক সমস্যার। অপরাধ ঠেকাতে ‘নজরদারি’ সহায়ক হয়েছে, কিন্তু কাজ করছে দমনের হাতিয়ার হিসেবেও।

নিরাপত্তার নামে বসানো এসব ক্যামেরার নজরদারি আমাদের অনেকের জীবনেই বড় ধরনের বিড়ম্বনার জন্ম দিচ্ছে। নাগরিক অধিকার নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই এ বিষয়টিকে দেখছেন সাধারণের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন হিসেবে।

এসব ক্যামেরা কখনো কখনো এমন ছবিও তুলছে, যা তোলার অধিকার আইনে দেওয়া হয়নি। আমাদের বাংলাদেশের সাম্প্রতিক একটি ঘটনা এখানে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়। কয়েক বছর আগে পারসোনার বিরুদ্ধে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা ব্যবহার করে সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে, যা সে সময় সংবাদের শিরোনাম হয়।

যেসব দেশে মানুষের চেয়ে গাড়ির সংখ্যা বেশি, সেখানেও গাড়ি চুরির ঘটনা একসময় নৈমত্তিক বিষয় ছিল।

এরপর এল নতুন নতুন প্রযুক্তি। অ্যালার্ম, ট্র্যাকিং ডিভাইস, মালিকের আঙুলের ছাপ চিনতে পারে এমন চাবি…। এছাড়া চুরি যাওয়া গাড়ি খুঁজে বের করতে বা এর অবস্থান সনাক্ত করতে কাজে লাগে, এমন নানা প্রযুক্তি এল।

কিন্তু যিনি প্রযুক্তির পোকা নন, আইনবিদ বা আইনপ্রয়োগকারীও নন- যিনি কেবলই একজন সাংবাদিক বা প্রকাশক, তার সামনে প্রযুক্তিনির্ভর এসব অপরাধের এসব ঘটনা আসে ভিন্ন মাত্রা নিয়ে। দুটি বিষয়কে বোধগম্যভাবে এক জায়গায় আনতে আমাকে হয়তো কোনো সহকর্মী বা বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে হয়, যিনি এসব বিষয়ে আগ্রহ বা সম্যক ধারণা রাখেন।

বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীপ্রধান সম্পাদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Responses -- “নিরাপদ ইন্টারনেট: আলোচনা শুরু হোক”

  1. Bangla love sms

    মোবাইল ফোন আসার পরে অপরাধ কার্য্যক্রমে মোবাইল ব্যবহার শুরু হয় এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, কিন্তু দেখা গেল মোবাইল কললিস্ট ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে অপরাধী ধরার কাজটাও সহজ হয়ে গেল।

    Reply
  2. সাদেক আহমেদ

    জনাব খালিদী, আপনি আমার অতি প্রিয় একজন সাংবাদিক,কারণ- আপনি ইন্টারেক্টিভ সাংবাদিকতার যে চর্চা শুরু করেছেন তা আমাদের সমাজে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। তরুনসমাজ ভাল-মন্দ যাচাই’এর সুযোগ পাচ্ছে।
    দয়া করে আপনার লেখাটি এই পাতাতেই পুরোপুরি প্রকাশ করে আলোচনা-মতামত দেয়ার সুযোগ দিন !
    আমার মন্তব্যঃ
    মোবাইল ফোন আসার পরে অপরাধ কার্য্যক্রমে মোবাইল ব্যবহার শুরু হয় এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, কিন্তু দেখা গেল মোবাইল কললিস্ট ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে অপরাধী ধরার কাজটাও সহজ হয়ে গেল। সুতরাং যথাযথ রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মোবাইল ব্যবহারে কঠোর নিষেধ থাকা উচিত। একইভাবে ভাইবার,হোয়াটস আপসহ সব ধরনের এপলিকেশন বিটিআরসির মাধ্যমে নজরদারি করতে হবে, প্রয়োজনে পালটা এপলিকেশন দিয়ে অপব্যবহার রোধ করতে হবে।

    Reply
  3. প্রবীর সরকার

    শেষ পর্যন্ত আলোচনা তো শুরু হল । বিষয়টা নিয়ে কি লেখা যাবে?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—