১.

৫ জুলাই, ২০১৫; রোববার; সকালে অফিসে যাচ্ছি। সারাজীবন হেঁটে-বাসে অফিস করে আমাকে এখন সিএনজিতে যেতে হয়। কারণ অফিসটা গুলশানের মুখে। যানজট না থাকলে কলাবাগান থেকে সিএনজিতে যা পনের মিনিটের দূরত্ব, অফিস খোলার দিনে তা দেড়-দুই ঘণ্টার দূরত্বে পরিণত হয়। যেদিন সিএনজি পাই না সেদিন অফিসে পৌঁছানো এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা।

সেদিন সিএনজি পাইনি। ফলে রিকশায় কাওরান বাজার গিয়ে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে পরে উঠলাম উত্তরাগামী বিআরটিসি বাসে। পৌনে এক ঘণ্টা পর মহাখালী ফ্লাইওভারের গোড়ায় নেমে রাস্তা পার হয়ে রেল সিগন্যালের দিকে হাঁটতে শুরু করলাম। কাছাকাছি যেতে সিগন্যালের লোহার দণ্ড নেমে এল। আমরা পথচারীরা দণ্ডের নিচ দিয়ে ভেতরে ঢুকলাম। মালগাড়ি যাচ্ছিল। উদ্দেশ্য, মালগাড়িটি চলে গেলে পোল ওঠানোর আগেই রাস্তা পার হয়ে কলেরা হাসপাতালের গোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা রিকশায় উঠব।

যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখানে গায়ে গায়ে ভিড় ছিল না। আমার পিঠে ভারী রুকস্যাক, হাতে আরেকটা ব্যাগ। এক লহমায় ঘুরে দাঁড়িয়ে দেখি লোকটা রেললাইন ধরে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে। সে আমার বুকে হাত দিয়েছে। কিন্তু আমি ঘুরে দাঁড়াব বা এত দ্রুত হবে সেটা এমনটা সে ঠাহর করতে পারেনি। যারা রাস্তাঘাটে এসব করে বেড়ায় তারা মেয়েদের নিরব যন্ত্রণা দেখতেই অভ্যস্ত। যৌনলাঞ্ছনায় একজন নারীর মুখ বেঁকেচুরে গেছে, কিন্তু কাউকে সেটা সে বলতে পারছে না, কামসুখের এ-ও এক খোরাক বৈকি। আমার স্টাফ মিটিং শুরু হয়ে গেছে, বাসে থাকতেই অফিস থেকে ফোন এসেছিল। আমি কী করব? এই শহরে বড় হতে হতে বুড়ো হতে চললাম, এই শহরের কয়েকশ পুরুষ রাস্তায় আমার শরীরে হাত দিয়ে যৌনসুখ হাতিয়েছে। বহু নিগ্রহে জর্জর শরীরে, মনে কি আর ক্ষোভের উন্মেষ হওয়া উচিত, না সাজে?

 

যৌনলাঞ্ছনায় একজন নারীর মুখ বেঁকেচুরে গেছে, কিন্তু কাউকে সেটা সে বলতে পারছে না, কামসুখের এ-ও এক খোরাক বৈকি

 

আমি রেললাইন ধরে লোকটার দিকে দ্রুত ধেয়ে যাই। তাকে ধরে ফেলি। তার বয়স ষাটের নিচে হওয়া কঠিন। তাকে বলি: ‘‘আপনি কী করলেন?’’

‘‘কী করলাম?’’

তারপর আমার প্রবল প্রতিবাদ। লোকটি প্রতিবাদে অভ্যস্ত নয়, সে পালানোর উদ্যোগ করে।

ঠিক তখনই– ‘‘আপনি মুরুব্বিকে অপমান করছেন কেন?’’

ছেলেটি সুবেশ। বয়স তিরিশের আশেপাশে। বোঝা যায় সে আমারই মতো অফিসযাত্রী।

‘‘বাবার বয়সী লোকটাকে কোন সাহসে অপমান করছেন?’’

সে আমার দিকে তেড়ে আসে, ‘‘রাস্তাঘাটে মানুষের গায়ে একটু লাগলেই যদি আপনাদের এত অপমান লাগে তো গাড়িতে চড়তে পারেন না?’’

স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণ বলে দিচ্ছে ছেলেটার ডিগ্রির কাগজপত্র আছে। আমি সেখানেই জমে গিয়েছিলাম। তার তেড়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ঘিরে প্রায় শখানেক লোক জমে গেল। সবাই কথা বলতে চায়; সবারই বক্তব্য এক, আমি বাবার বয়সী লোকটিকে মিথ্যা অভিযুক্ত করেছি। আর এই মিথ্যা অভিযোগের জন্য আমাকে তো কিছু শাস্তি পেতেই হবে, তাই না?

বৃদ্ধ বরাহ ততক্ষণে শক্তি সঞ্চয় করে ফেলেছে, মহাবিবেকবান তরুণ আর জনতার রোষ ছাপিয়ে তার গলা শোনা গেল: ‘‘আমি মুক্তিযোদ্ধা। মাইয়া মানুষ বইলা তোরে ছাইড়া দিতাছি। নাইলে…।’’

হাতের ভঙ্গি করতে থাকে যার অর্থ সে আমাকে ধর্ষণ করত। ইংরেজিতে একেই বলে ‘মব’। মারমুখী মবের মাঝখানে একা মানুষ কতটা অসহায় হতে পারে তার অভিজ্ঞতা ঢাকা শহরে আছে পকেটমারদের, মাঝে মাঝেই যাদের মৃত্যুসংবাদ কাগজে পড়তে হয়। আর আছে আমার মতো গুটিকয়েক মহিলার যারা সব বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে যৌনলাঞ্ছনাকারীকে প্রতিহত করতে চেয়েছে।

মুহূর্তে স্থির করি, এই ঝুঁকি নেব। প্রথমেই আমার পক্ষে সেই মুহূর্তে যতটুকু রক্ষাকবচ নেওয়া সম্ভব সেটা নিই। তেড়ে আসা পুরুষদের উপেক্ষা করে ফোন দিই সাংবাদিক বন্ধুকে। তাকে পুলিশে ফোন করতে বলি। তারপর আবারও সেই বীরপুঙ্গব, সেই বৃদ্ধ বরাহ আর জনতার মুখোমুখি হই। বীরপুঙ্গবকে বলি: ‘‘কলাবাগান থেকে এ পর্যন্ত আসতে আমাকে হাঁটতে হয়েছে, রিকশায় চড়েছি, বাসে একগাদা পুরুষের মধ্যিখানে বসেছিলাম। তাদের সঙ্গে আমার ধাক্কা লেগেছে, কারও গায়ে আমার হাত লেগেছে, কারও হাত আমার গায়ে লেগেছে। তাদের কাউকে কিছু না বলে, এইখানে এসে হঠাৎ করে এই বাপের বয়সী লোকটার বিরুদ্ধে কেন আমি যৌনহয়রানির অভিযোগ আনব?’’

বীরপুঙ্গবের উত্তেজনা তখন চরমে। তার বাক্যবাণ ধেয়ে আসতে থাকে। আমি একই প্রশ্ন আবারও উচ্চারণ করি: ‘‘এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকে দিতে হবে।’’

তার অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছিল নিশ্চয়ই।

‘‘আপনার বাপ-ভাইরা সব লুচ্চা। সেই জন্যই আপনি রাস্তাঘাটে সবাইকে লুচ্চা মনে করেন’’– এই বাণী ছুঁড়ে দিয়ে সে দ্রুত চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধ বরাহও অকুস্থল ত্যাগ করে। আমি সেখানেই মারমুখী জনতার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকি, একটাই প্রশ্ন করতে থাকি সমবেত পুরুষদের।

থানায় জানাতে বলেছি হয়তো কেউ কেউ শুনেছিল এবং আমার স্থির দাঁড়িয়ে থাকা দেখেই বোধহয় মারমুখী পুরুষদের কেউ কেউ একটু থমকে গিয়েছিল, তারা একটু দূরে সরে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যে অন্যরাও তাদের অনুসরণ করে। এরপর তাদের মধ্যে থেকে দাবি আসতে থাকে আমি যাতে ঐ স্থান ত্যাগ করি। আমি উত্তরে বলি, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা আমার প্রশ্নের জবাব না দিচ্ছে ততক্ষণ আমি যাব না।

ইতোমধ্যে এক দাড়িটুপিধারী আমাকে বললেন: ‘‘আপনার পোশাক তো অসভ্য। আপনার পোশাক দেইখাই তো বোঝা যায় আপনার মানসম্মান নাই।’’

 

আর আছে আমার মতো গুটিকয়েক মহিলার যারা সব বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে যৌনলাঞ্ছনাকারীকে প্রতিহত করতে চেয়েছে

 

আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলি: ‘‘না, আমার মান-সম্মান নাই। সব মান, সব সম্মান আপনার।’’

কয়েক জন যারা একটু আগেও তেড়ে এসেছিল তারা বারবার বলতে থাকে, আমার যদি সম্মানের ভয় থাকে আমি যেন সরে যাই। আমি তাদের বলি: ‘‘এই পরিস্থিতি আমি তৈরি করি নাই, আপনারা করেছেন। কেন করেছেন তার জবাব নিয়ে তারপর আমি যাব।’’

এবার কয়েক জন বোরকাধারী এবং মাথা-কান ঢাকা মহিলা এগিয়ে আসেন; মুখচোখ ঠেলে তারা বলেন: ‘‘এই মহিলা, আপনি একটা অসভ্য। আপনের পর্দা নাই, ওড়না নাই। আপনের মানসম্মান নাই। আপনে যান এইখান থিক্যা।’’

আমি তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে বলি: ‘‘না, আমার মানসম্মান নাই।’’

লোকজন আস্তে আস্তে সরে যেতে থাকে। আমি তখন কয়েক জন লোক, ইতোমধ্যে যাদের চিনে ফেলেছিলাম, তাদের ডাকি। এবার তারা কেন যেন ভয় পেয়ে যায়। তারা আর কাছে আসতে চাচ্ছিল না। বললাম: ‘‘ভয় পাবেন না। যে লোকটা আমাকে যৌননিগ্রহ করেছে তার সম্পর্কে কথা বলব।’’

এবার তারা কাছে আসে। জিজ্ঞেস করি লোকটাকে তারা চেনে কিনা। একজন বলে চেনে। সে আশেপাশেই কোথাও থাকে।

‘‘নাম জানেন?’’

‘‘না।’’

তাদের বলি মামলা করব বলেই লোকটার সম্পর্কে তথ্য নিচ্ছি। আরেক জন কাছে এসেছিল; সে জানায়, আমি যদি মামলা করি তবে একশ জন সাক্ষী দিয়ে তারা মামলা ব্যর্থ করে দেবে। আরও এক তরুণ বলল: ‘‘ঐ যে লোকটার আপনি প্রতিবাদ করলেন, এরপর সে হয়তো আর এই কাজ করবে না। কিন্তু আপনি মামলা করলে এখানে নিরীহ লোকগুলার হয়রানি হবে। আপনার মানবতা নাই?’’

আমি জিজ্ঞেস করি, এই নিরীহ লোকগুলাই দশ মিনিট আগে আমাকে ঘিরে ধরেছিল পিষে ফেলবে বলে, তখন তাদের মানবতা কোথায় ছিল?

ছেলেটা বলতে থাকে, ‘‘তবু…।’’

২.

পুলিশ-পর্ব। লোকগুলোর সঙ্গে কথা শেষ করে সিগন্যালের কাছে সড়কদ্বীপে ট্রাফিক অফিসারদের জটলার দিকে যাই। তাদের জানাই আমি যৌনহয়রানির শিকার হয়েছি। সার্জেন্টটি পাশের ট্রাফিক বুথ দেখিয়ে বলেন, ‘‘ওরা ক্রিমিন্যাল বিষয় ডিল করে। আপনি ঐখানে যান।’’

আমি ভাবি, সার্জেন্ট আমার অভিযোগ শুনে একবারের জন্য হলেও তো সেই জায়গায় গিয়ে ঘটনাটা শুনতে পারত। এটা যান-চলাচলের সমস্যা নয়। যৌনহয়রানির কোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশ মাত্রেরই সাড়া দেওয়ার নির্দেশনা থাকা উচিত।

যাহোক, আমি বুথে গেলাম। পুলিশ কর্মকর্তা বিরক্ত-চক্ষু নিয়ে তাকালেন। কী হয়েছে জানতে চাইলেন। পাশে দুটো চেয়ার খালি থাকা সত্ত্বেও আমাকে বসতে বললেন না। আমি ঠাণ্ডা গলায় জানাই যে, আমাকে বসে বলতে হবে। একটু থতমত খেয়ে বসতে বললেন। আমি অভিযোগ জানাই। উনি বললেন যে, মহাখালী সিগন্যালের এই চত্বরটুকু চারটা থানার অধীনে। জিআরপি বা গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ, তেজগাঁও, বনানী আর কাফরুল।

‘‘এখানে নানা ধরনের ক্রাইম ঘটে; কারণ অপরাধীরা বিষয়টা জানে।’’

অর্থাৎ ঘটনা তদন্তের এখতিয়ার নিয়ে পুলিশি টানাহেঁচড়ার সুযোগ নেয় অপরাধীরা। কেন পুরো সিগন্যাল চত্বরটাকে একটা থানার আওতায় আনা যায় না তা নিয়ে আলাপ করার মতো অবস্থা আমার ছিল না। আমি শুধু জানতে চাইলাম, আমার মামলা কোন থানায় পড়বে। ভদ্রলোক আর তার সহকর্মী মিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত দিলেন, আমাকে কাফরুল থানায় যেতে হবে। উনি জানালেন যে, এটা কাফরুল থানার শেষ সীমানা। কাফরুল থানার ওসির নম্বরও দিয়ে দিলেন। সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে বের হয়ে অফিসের উদ্দেশে রিকশা নিই।

অফিস থেকেই কাফরুল থানার ওসিকে ফোন দিলাম। উনি থানায় আসতে বললেন। পুলিশ বিভাগে এই একটা ভালো ব্যাপার হয়েছে। যে কোনো থানার ওসিকে ফোন দিলে তারা ফোন ধরেন এবং একটা পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর আগে আরেকটা ঘটনায় আমার একই অভিজ্ঞতা হয়েছে।

বন্ধু, প্রামাণ্য চলচ্চিত্রকার ফৌজিয়া খানকে ফোন দিয়ে জানাতেই সে মোহাম্মদপুর থেকে সঙ্গে সঙ্গে সিএনজি নিয়ে চলে আসে। এরপর দুজনে মিলে কাফরুল থানায় গেলাম। ওসিকে তার ঘরেই পাওয়া গেল। আরও দুজন দর্শনার্থী সোফায় বসে আছেন। টেলিভিশনে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ চলছে। ওসি ফোনে ব্যস্ত। অপর প্রান্তের ব্যক্তিকে বারবার অনুরোধ করছিলেন যেন তাকে হৃদয়ে একটু স্থান দেওয়া হয়। ‘ভাই’ সম্বোধন না করলে মনে হত অপর প্রান্তে বুঝি কোনো নারী আছেন। মিনিট বিশেক পর আমাদের দিকে তাকানোর অবসর হল তার।

 

যৌনহয়রানির কোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশ মাত্রেরই সাড়া দেওয়ার নির্দেশনা থাকা উচিত

 

মন দিয়েই আমার কথা শুনলেন তিনি। শেষে বললেন, যে লোকটি আমাকে যৌনহয়রানি করেছে সে আমার প্রতিবাদে পালাতে উদ্যত হয়েছিল, কিন্তু আমার বিপদটা ডেকে এনেছিল সেই তরুণ অফিসযাত্রী। তার কারণেই এলাকার জনতা আমার প্রতি মারমুখী হয়েছিল। আমি কি সেই যৌননিগ্রহকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে চাই, নাকি সেই তরুণ ও জনতার বিরুদ্ধে?

আমি উত্তর দিই, আমি আমার যৌননিগ্রহকারীর বিচার চাই; কারণ এদের শাস্তি হলে তবেই লোকে বুঝবে যৌনহয়রানিকারীকে সমর্থন করার অধিকার তাদের নেই।

ফৌজিয়া জানায়, আমি, সে এবং আমাদের আরও কয়েক বন্ধু রাস্তায় যৌনলাঞ্ছনাকারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার বিষয়টি নারীর নিরাপত্তার জন্য জরুরি বলে বিশ্বাস করি। বিশ্বাস করি এটি প্রত্যেকের সামাজিক কর্তব্য। আমার মনে পড়ে যায়, কয়েক বছর আগে কাঁঠালবাগানে ফৌজিয়াকে হামদর্দের এক কর্মী যৌনলাঞ্ছনা করেছিল। ফৌজিয়া প্রতিবাদ করলে হামদর্দের কর্মীরা তার তখনকার কর্মস্থল সময় টেলিভিশনে তাণ্ডব চালিয়েছিল।

ওসি আমাকে অভিযোগ লিখতে বললেন। তারপর এসআই কামরুজ্জামানকে নির্দেশ দিলেন ঘটনাস্থলে যেতে। আমরা অভিযোগ লিখে জমা দিয়ে মহাখালীর উদ্দেশে রওনা দিই।

বৃদ্ধ বরাহ কি আর থাকে? সকালের মারমুখী জনতাও গর্তে লুকিয়েছে। মহিলার গায়ে হাত দেওয়ার ঘটনা কি আদৌ কিছু? সকালের হিংস্র মজা নেওয়া গেছে, এই ঢের। এসআই আমাদের জানালেন, এলাকাবাসীর সঙ্গে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, সকালে এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে। তিনি ওসিকে সে মতোই জানাবেন।

‘‘তাহলে আমরা মামলা নিচ্ছি’’, তিনি আমার কাছে জানতে চান। আমি মামলা নিতে বলি। তিনি জানালেন, তিনি আশা করছেন পরদিন আমাকে মামলার কাগজের কপি দিতে পারবেন।

কাফরুল মডেল থানার দ্রুত সাড়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই আমরা। এসআই বলেন, এ তাদের কর্তব্য।

পরদিন থেকে এখন পর্যন্ত এসআইকে কয়েক বার ফোন দিয়েছি। ভদ্রলোক ফোন ধরেননি। আশা করছি, তিনি ফোন ধরবেন অথবা নিজেই জানাবেন।

কলাবাগান, ঢাকা; ৭ জুলাই, ২০১৫

প্রিসিলা রাজসাংবাদিক, অনুবাদক ও গবেষক

৩৬ Responses -- “যৌননিগ্রহ: মানুষ যখন শয়তানের বন্ধু”

  1. কানন

    যতটুকু করেছেন ততটুকুতে মনে হয় ঐ মুক্তিযোদ্ধা সাবধান হবে। সেক্ষেত্রে পুলিশ কিছু করুক না করুক আপনি সফল হয়েছেন বলে আমি মনে করি। ভদ্র পুরুষটার সম্পর্কে বলব, তিনি না জেনে মন্তব্য করে ঠিক করে নাই। অপরদিকে আমার ঘরে যদি কোনও মূল্যবান জিনিষ থাকে তা সাবধানে রাখি এবং ঘরে না থাকা অবস্থায় তালাবদ্ধ রাখি, ঘরে থাকলে নিরাপত্তার জন্য দরজা বন্ধ রাখি। ঘরে কি মূল্যবান জিনিষ আছে তা যদি চোরে জানতে পারে তাহলে সে সুযোগ খুজবে। অতএব, আমার ঘরের মূল্যবান জিনিষ/মালামাল আমাকেই নিরাপদে রাখতে হবে এবং আমার কোন মূল্যহীন জিনিষ অন্যের কাছে মুল্যবান হতে পারে এটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। সমাজে নানান পরিবেশে নানান মনোভাবের মানুষ থাকে সেখানে সকল ধরনের অবয়ব সবাই পছন্দ করবে না তাই যে পোষাক/অবয়ব ধারণ করা হোক না কেন সমালোচনার স্বীকার হতে হবে।

    Reply
  2. ahadakond

    though we are a independent nation,the rights of the women are not established properly.some people think that women are the medium of enjoyment.they never think that they also have women in their house those are addressed as their mother,sister,wife e.t.c.We the mass people of our country should raise our voice against it.Our government should enforce the act appropriately.Besides these the police sectors must be show their efforts for solving this problem.overall all of us should protest against such shabby crime

    Reply
  3. Bidhan paul

    কিছুটা সাজানো মনে হলো । সব চাইতে উত্তম উপায় হলো, নিজেকে নিজে সেইফ রাখা । উগ্র পোষাক,উগ্র চলাফেরা নিগ্রহ কিছুটা দায়ী । হিজাব পড়া নারীরা কিন্তু কম হয় ।

    Reply
  4. asma akter

    আপু তোমার সাহসিকতার প্রশংসা করার ভাষা আমার নেই। তোমার মত প্রতিবাদী আমিও, ২ বার মোকাবেলাও করেছি, সাথে আমার স্বামীও ছিলেন। একবার গাউছিয়া মার্কেটে আরেকবার গুলিস্তানে। তখন অবশ্য আমি অনেক সাপোর্ট পেয়েছিলাম। পরিবেশ আমার অনুকূলে ছিল। এতোদিনে দেশের পরিবেশ, পরিস্থিতি, আইন-শৃঙ্খলা অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। সে যাই হোক, তোমার সেল নাম্বারটা যদি দাও, তাহলে ভবিষ্যতে বিপাকে পড়লে তোমাকে জানাব। আমিও তোমার মত চাকুরীজীবি।

    Reply
  5. Anwar A. Khan

    Shahoshika Jononi,

    I commend you for the bravery you have shown. You have written the entire episode so eloquently. I wish to salute you. We are with you.

    Down with those type of criminals!

    Reply
  6. israt

    Shabash apu, ekdin brtc ac bus e ek buro norposhur oshalin kormokande protibad kori ami bus e boshei, almost shob purush i oi norposhur pokhkhe obosthan niesilo, ses porjonto ami jei stopage e nami oi burota oikhane namle ami shahosh kore or shart er collar dhore boli ” tor boyosher kotha vebe sere dilam naile aj toke police station e ditam”…ami chai ekdin shob meyerai shahoshi hoe uthbe, proyojone protibad korbe.

    Reply
  7. Shahjahan Siraj

    We are living in ‘Complete Testament Age’; not that of ‘Old Testament’ or ‘New Testament’! The norms of ongoing civilization has been changed!…However the purposes of sex are mainly creation and recreation. If homosexual practitioners have confidence to accomplish the purposes of sex, they can move ahead. They deserves their rights to practices without disturb other practitioners , as mentioned in UN human rights declaration! Anybody should not feel disturb, even does not have option to create chaos!

    Reply
  8. Mushfika Jahan

    অনেক ধন্যবাদ প্রিসিলা আপাকে। মানুষরুপী এই জানোয়ারগুলোকে নিরবে চলে যেতে দেওয়া ভুল​। আমরা অনেক চুপ করে থেকেছি। আর না। ওদেরকে আমরা ছেড়ে দিলে ভবিষ্যতে আমাদের কন্যাসন্তানেরা আরও বেশি অনিরাপদ হ​য়ে যাবে। আর নিরবতা ন​য়​, এই নিরবতার সংস্কৃতি ভাঙ্গতে হবে।

    Reply
  9. রিয়াজ ওসমানী

    পুরূষদের হাত থেকে যৌননিপীড়নের প্রতিবাদ মহিলাদেরকেই করতে হবে। জোড় গলায় এসকল মানুষদের প্রকাশ্যে লজ্জিত করতে হবে। মানে রাখবেন, এখানে আপনাদের লজ্জার কোন কারন নেই। আপনারা স্বেচ্ছায় নিপীড়ন ডেকে আনেন না। আপনারা কয়েক জন সোচ্ছার হলেই আরও মেয়েরা সাহস পাবে। আস্তে আস্তে পুরূষদের লজ্জাবোধ আসবে। আর হ্যাঁ, মামলা যেন চলতে থাকে।

    Reply
  10. অমিত কুমার

    একজন মুক্তিযোদ্ধা কখনো’ই নিজেকে ’মুক্তিযোদ্ধা’ বলে দাবি করে না ! এরা ৭১ এ ছিল রাজাকার, ধর্ষক !! আর আমরা যাকে মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী সরকার মনে করি তারাই স্বীকৃতি দিয়েছে ’কার্ড করে দিয়েছে এসব ধর্ষকদের …

    : ‘‘আমি মুক্তিযোদ্ধা। মাইয়া মানুষ বইলা তোরে ছাইড়া দিতাছি। নাইলে…।’’
    .
    আপনার সাহসের প্রশংসা করি_ আপনার মত সাহসী হোক এদেশের প্রতিটি নারী …

    Reply
  11. সাইফ

    আমার মতে, আমরা পুরুষরা (ধর্ম,বর্ণ, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, গরিব, বড়লোক, বয়স, নির্বিশেষে ) ইতিমধ্যে অনেক প্রমান দিয়েছি এবং আমি নিশ্চিত আরও অনেক বার প্রমান করবো যে আমরা যৌন হয়রানির (শুধু নারীর প্রতি না, সব সেক্স নির্বিশেষে ) পক্ষের শক্তি। ফেসবুক-টেসবুক এ, মানব বন্ধনে, বিভিন্ন প্রতিবাদ সমাবেশে (বিশেষ করে ডোনার ফান্ডেড – কিছু পুরুষ এনজিও এক্টিভিস্টদের এই টাইপের সমাবেশে দেখলে পুরুষ হয়েও আমার গা জ্বলে ) আমরা খুবি এক্টিভ। ফেসবুকে বা অন্যান্য সেফ মিডিয়ায়,বিশেষ করে যখন কোনও নারী এই বিষয়ে কিছু লেখেন আমরা সহমত জানাতে বা প্রতিবাদ জানাতে খুবি পছন্দ করি। কিন্তু রাস্তা ঘাটে- হয় এই ধরনের ঘটনা ঘটাই নয় তো না দেখার ভান করে পালাই। তবে যখন অন্য পুরুষ আমার সম্পত্তিতে (বান্ধবি, বউ) বা অবলা মা-খালার গায়ে হাত দেয় তখন আমি আমার সর্বোচ্চ শক্তি, বন্ধু-বান্ধব, পলিটিকাল বা মিডিয়া কানেকশন নিয়ে ঝাপিয়ে পরি- অনেক সময় যুদ্ধও বাধিয়ে দেই। সুতরাং, শ্রদ্ধেয় ( মন থেকে বলছি কিনা কে জানে) নারী সমাজ, প্রিসিলা রাজ, ফোউজিয়া আপা এবং তাঁদের মতো আর যারা আছেন তাদের ফলো করুন, স্ট্রাটেজিক হোন, প্রয়োজনে আপনার পরিচিত-অপরিচিত পুরুষদের কাছে সাহায্য দাবি করেন, কেউ কেউ হয়তো লোক দেখানোর জন্য হলেও বা ক্রেডিট নেয়ার জন্য হলে্ও এগিয়ে আসতে পারেন । আমরা পুরুষরা যেমন রাস্তা-ঘাটে ভিক্টিম নারীর বিরুদ্ধে একাত্ম হই, আপনারাও যৌনহয়রানিকারির বিরুদ্ধে একাত্ম হন। আমাদের (পুরুষদের) মানসিকতা পরিবর্তন করতে বাধ্য করুন।

    Reply
  12. ফরহাদ হামিদ

    অাপা, আপনাকে স্যালুট এরকম একটা সাহসী উদ্যোগের জন্য। আপনার প্রতিবাদ হোক আমাদের নতুন শিক্ষা।

    Reply
  13. mizan

    আপু প্রথমেই আপনার সাহসের জন্য ধন্যবাদ জানাই। আপনার লেখাটা পরে মনে হচ্ছে সবাই যদি লজ্জাকে উপেক্ষা করে এমন সাহসী হত তাহলে আজ এমন ঘটনা অনেক কমে যেত । প্রতিদিন এমন ঘটনা অহরহ ঘটে যাচ্ছে কিন্তু অনেকেই লজ্জার কারনে মুখ বুজে সহ্য করে নেয় । জন সচেনতাই পারে এই অবস্থা থেকে সমাজকে বাচাতে-কারন যারা এই কাজ করে তাদের বোঝা দরকার তার পরিবারের কেউ হয়ত তার মত কারো দ্বারা……(বলতে ঘেন্না লাগে)।

    Reply
  14. swapon roy

    আপনার মত সবাইকে প্রতিবাদী হতে হবে, তাহলে কেউ ভয়ে এসব করার সাহস পাবেনা।

    Reply
  15. আফজাল হোসেন সজীব

    দিদি, আপনি সুবিচার পাবেন – এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

    Reply
  16. সপ্তম

    ধন্যবাদ আপনারা সাহসী পদক্ষেপের জন্য। সাহস করে এগিয়ে গেলেই কেবল এদের রুখে দেয়া সম্ভব হবে।

    Reply
  17. SANJIB ROY

    লিখাটা সাহসী এবং অত্যন্ত স্পষ্ট। জরুরি লিখাও বলে। সংসদে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত সম্প্রতি যখন বাংলাদেশের নারী নেতৃত্বকে যখন “শো-পিস” এর সাথে তুলনা করলেন তখন আমাদের নারী নেতৃত্ব বেজায় চটে গিয়েছিলেন, তার বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করাও হয়। ব্যক্তিগতভাবে এই বক্তব্য এবং বক্তব্যদাতার প্রতি কোন সমর্থন নেই। কিন্তু এই যে এই বক্তব্য আমাদের যতোটা অসন্তুষ্ট করে ঠিক ততোটাই কি আমরা সচেতনভাবে নারীর সামাজিক অবস্থান ও মর্যাদা নিয়ে খোলামেলা কথা বলছি। নাকি, নারীর অভাবনীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে এদেশে, সেই আত্মসুখে সব বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে পছন্দ করি আমরা। প্রধানমন্ত্রী-বিরোধীদলীয় নেত্রী-স্পীকার কে হয়তো অনেক কিছুরই মুখোমুখি হতে হয়না, কর্মক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় নারীদের স্বাধীন চলাফেরা, কর্তৃত্ব, পোশাক-পরিচ্ছদ নিয়ে যে অসুস্থ বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়, তা নিয়ে কথা এবং করণীয় দুটোরই যথেষ্ট অভাব। আমাদের সবকিছু চেপে যাওয়া আর মিটিয়ে ফেলার প্রবনতা শিক্ষিত সমাজেই সবচে বেশি। ফৌজিয়া আপা সময়ে আমার সহকর্মী ছিলেন, সুতরাং কিছু বাস্তবতা জানা আছে। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, সামাজিক নানান আন্দোলন করছি কিন্তু একইসাথে যৌননিগ্রহের যে নিত্যনতুন ধরন ও উপায় প্রতিষ্ঠা করছি তা প্রতিকারের কথা কি ভাবছি?

    Reply
  18. Sariful Islam

    আপু প্রথমেই আপনার সাহসের জন্য ধন্যবাদ জানাই। আপনার লেখাটা পরে মনে হচ্ছে সবাই যদি লজ্জা কে উপেক্ষা করে এমন সাহসী হত তাহলে আজ এমন ঘটনা অনেক কমে যেত । প্রতিদিন এমন ঘটনা অহরহ ঘটে যাচ্ছে কিন্তু অনেকেই লজ্জার কারনে মুখ বুজে সহ্য করে নেয় ।আমার মনে হয় লজ্জার চেয়ে আত্মরক্ষা জরুরি ।যারা এমন অপরাধের শিকার হয়ে মুখ বুজে সহ্য করে নিচ্ছে তারাও এই মানুষ রুপি শয়তান গুলকে অপরাধ করতে সহায়তা করছে । সবাই যদি আপনার মত প্রতিবাদী হত তাহলেই কেবল এই অপরাধ কে কমানো সম্ভব ।আর মানুষ রুপি যে জানোয়ার গুলা আপনার বিপক্ষে কথা বলেছে তারাও ত একই দলের । যেদিন তাদের মা, বোন এবং স্ত্রী এমন ঘটনার মুখোমুখি হবে তখন বুজবে কেমন লাগে ।কি জানি হয়ত সেই দিন তারা মন কে সান্ত্বনা দিবে এই ভেবে যে এটা কোন বেপার না কারন সে নিজেও এমন অসভ্যতা করে।আমি অনেক দিন যাবত ভাবতেছিলাম মেয়েদের সাহসী হতে হবে কারন আমার পরিচিত একজন এমন পরিস্থিতির শিকার। তাকে অনেক দিন যাবত ই প্রতিবাদী হতে বলেতেছিলাম ঠিক আপনি যে কাজ করেছেন এমন প্রতিবাদি না হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা অহরহ ঘটবে । আপনি সত্যি সেই নারীদের জন্য দৃষ্টান্ত যারা নিরবে সহ্য করে।

    Reply
    • রশীদুল হক

      আমি বুঝতে পারছি না কেন একজন লোকও মহিলার পক্ষে এগিয়ে আসেনি – – তবে বুঝতে পারছি এটা নির্মম বাস্তবতা। এই পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী সরকার। যানজটের জন্য মা-বোনেরা ভীড়ের মধ্যে বাসে চড়ে চরম দুঃখজনক এসব ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন।

      কেন সরকার দায়ী ?

      কারণঃ
      ১-সরকারী বাস থেকেও নেই !
      ২-বেসরকারী বাস সাড়ে সাত হাজার (২০০৫ সালে) থেকে কমে হয়েছে তিন হাজার !
      ৩-ফুটপাথে হাটা প্রায় অসম্ভব !
      ৪-রাস্তায় চলাচলের বড় একটা অংশ হেঁটে সারতেন আগের দিনে শহরের মানুষ, আজ কি তা সম্ভব !

      Reply
  19. রাসেল

    আপনি সাংবাদিক বলেই হয়ত এতটা সাহস দেখিয়েছেন। তবুও আপনি সাধারন মানুষের সহযোগিতা পাননি। সাংবাদিক বলেই হয়ত পুলিশ আপনার কথা শুনে আপনার সাথে পুলিশ পাঠিয়েছে। তবুও কোন রেজাল্ট আসেনি আর সাধারন মেয়ে হলে কি অবস্থা হত সেটা নিশ্চয় বুঝতেই পারছেন। এমন ঘটনা অহরহ ঘটছে কেউ কেউ হয়ত আপনার মত প্রতিবাদ তবে বেশির ভাগই মুখ বুজে সহ্য করে যাচ্ছে। যারা এসব কাজ করছে তাদের ধরে কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যৎতে কেউ এমনটি করার সাহস না পায়।

    Reply
  20. মিল্টন বিশ্বাস

    রামদা ও চাকু-ছুরি রাখুন। কোপ বসিয়ে দিন। যিশু আপনাকে রক্ষা করবেন।

    Reply
  21. শান্তা মারিয়া

    আপনি যে অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন তেমন অভিজ্ঞতা ঢাকা শহরের কর্মজীবী প্রায় সব নারীর রয়েছে। তবে অনেকেই সেকথা স্বীকার করেন না। এসব ঘটনার প্রতিবাদ না করে আমরা জানোয়ারগুলোর সাহস বাড়িয়ে দিয়েছি। আর যে জনতা ওই জানোয়ারকে সমর্থন করছিল তারাও ভিতরে ভিতরে ধর্ষকামী। এখন থেকে রাস্তাঘাটে যেখানেই আমরা হয়রানির শিকার হব তার তীব্র প্রতিবাদ জানাব। সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখেই একমাত্র এই শয়তানগুলোকে শায়েস্তা করা সম্ভব হবে। আপনাকে অভিনন্দন সাহসী ভূমিকার জন্য।

    Reply
  22. Fazlul Haq

    ধর্মের মুখোশে দেশে নরপশুদের সাথে নারীপশুদের সৃষ্টি হয়েছে এ ঘটনা তারই প্রমাণ দেয়।

    Reply
    • Ekram

      অসভ্য অভ্যাসে অভ্যস্ত যারা তারা মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত এসব ব্যপারে ফুন্দি ফিকিরে ফায়দা লুটে চলে। এখন বড় শক্তির হাত হলো অবৈধ মুক্তিযোদ্ধার দাবী। তাই অন্যায়কে তারা এখন পুঁজি করে চলে। আসলে নারীদের সোচ্চার হবার ক্ষেত্রে প্রচুর বিপত্তি এ ক্ষেত্রে পুরুদের সোচ্চার ও সহযোগিতার বেশি প্রয়োজন।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—