অনেক দিন ধরেই বলছি, কেউ যেন একাত্তরের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে না পারে অথবা সর্বজনস্বীকৃত ইতিহাস যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে জন্য জার্মানির ‘হলোকস্ট ডিনায়াল’ আইনের আদলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-বিকৃতির বিরুদ্ধে একটি আইন আমাদেরও প্রয়োজন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে না গেলে যেন আমাদের বোধোদয় হয় না। জাতির সবচেয়ে মূল্যবান রক্তে লেখা যে গর্বিত ইতিহাস তা হারিয়ে যাক, তা ঘিরে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হোক– আমাদের পরাজিত শক্তি এর চেয়ে বেশি আর কী চাইতে পারে!

প্রশ্ন হল, আমরা কেন সেটা হতে দিচ্ছি? দিচ্ছি বলেই কি আজ ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের ছেলের স্পর্ধা হয় ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলার।

পঁচাত্তরের পর থেকেই মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা, চার মূল নীতি, সব মুছে দেবার চেষ্টা হয়েছে। শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের সংখ্যা নিয়ে বার বার বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা দেখছি আমরা। নিজামী, মুজাহিদ শহীদের রক্তে রাঙানো লালসবুজ পতাকা গাড়িতে লাগিয়ে দম্ভভরে বলেছে, ‘কীসের গণহত্যা!’ তারা বলার সাহস করেছে যে, একাত্তরে নাকি কোনো গণহত্যাই হয়নি। পাকিস্তানিরা যেমন বলে, তেমনি তাদের দালালের দল রাজাকাররা এমন পর্যন্ত বলতে সাহস করেছে যে, একাত্তরে এদেশে কোনো ধর্ষণ হয়নি। অথচ আজও এদেশে বীরাঙ্গনা, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদজায়ারা বেঁচে আছেন। তাঁরা সাক্ষ্য দিচ্ছেন আদালতে। তার ভিত্তিতে শাস্তি পাচ্ছে যুদ্ধাপরাধীরা। কী বিচিত্র এই দেশ!

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দিতে না চাইলে ‘হলোকস্ট ডিনায়াল আইন’এর আদলে আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-বিকৃতি রোধে আইন করা জরুরি। চার মুলনীতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, জয় বাংলা শ্লোগান, শহীদের পরিসংখ্যান, বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগ, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা– এ সব বিষয় শ্রদ্ধার সঙ্গে সবাইকে মেনে নিতে হবে। যে স্বীকার করবে না, এই দেশে তার রাজনীতি করা তো দূরে থাক, তার এ দেশের নাগরিকত্ব থাকাও উচিত নয়। আমার দেশের মুক্তিযোদ্ধার রক্তে রাঙানো মাটিতে এদেশের জন্মের ইতিহাস স্বীকার করতে হবে। তা না হলে জেলে যাওয়া অনিবার্য, এমন আইন করতে হবে।

অনেকের কাছেই আমাদের এই দাবিটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে না বা তারা গ্রাহ্য করছেন না। ফলে গোলাম আযমের মতো যুদ্ধাপরাধীর ছেলে সেনাবাহিনীর উচ্চপদের চাকরি হারানোর পর এখন মিডিয়ায় ও ফেসবুকে দেশবিরোধী কথা বলছে, মুক্তিযোদ্ধার ছেলেকে দালাল বলার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। সেনাবাহিনীতে থেকে দেশবিরোধী কার্যক্রম সে চালিয়েছিল কিনা সে প্রশ্নও থেকে যায়। শুনতে পাই আরেক যুদ্ধাপরাধী মুজাহিদের ছেলে গ্রামীণ ফোনে উচ্চ পদে চাকরি করে। যেখানে দেশের তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি রয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। আমরা দেখেছি কীভাবে যুদ্ধাপরাধী কামারজ্জামানের ছেলে মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে অবমাননাকর কথা বলেছে। কীভাবে গোলাম আযমের নাতি জনতার হাতে ধোলাই খেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি নিয়ে মিথ্যাচার করতে গিয়ে।

শুধু এটাই নয়, সম্প্রতি দেখেছি সিলেটের এক এমপি শহীদ সন্তান মোহাম্মদ জাফর ইকবালকে চাবুক মারার কথা বলার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছেন। যে মানুষটির মেধা, মনন ও যোগ্যতার ক্ষুদ্র অংশও সে এমপি নিজে অর্জন করতে পারেননি। শুধু শ্লোগান দিলেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক হওয়া যায় কি? জাফর ইকবাল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে কত কিশোরের বুকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আবেগের জন্ম দিয়েছেন, শহীদদের জন্য চোখে পানি এনে দিয়েছেন। ওই এমপির বাবাও রাজাকার ছিল বলে শুনেছি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনো দল করলেই যে রাজাকারের ছেলের ভিতরের রূপটা বদলে যায় না তার প্রমাণও এই এমপি।

এরা যে যে দলই করুক, যে পদেই চাকরি করুক, এরা বাংলাদেশবিরোধী কাজই করবে। উইপোকার মতো আমাদের অজান্তেই আমাদের এত কষ্টে অর্জিত দেশের ভিত কুরে কুরে খেয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে এ রকম কিছু মানুষ। বড় বড় অনেক পদে এরা বসে আছে। আমাদের আশেপাশে আমরা সবাই নিজ নিজ পেশায় এমন রাজাকার পুত্রকন্যাদের অবস্থান জানি। অস্বীকার করার জো নেই।

সমস্যা হল, এসব কথা বললে অনেক ‘নিরপেক্ষ’ সুশীল আছেন যারা বলেন, বাবার কর্মদোষে ছেলে কেন ভুক্তভোগী হবে? তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম যে এটা ঠিক, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীরা যখন দেশের ক্ষমতায় ছিল, তখন মুক্তিযোদ্ধা পিতার কারণে কত কত পরিবার ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। তখন কিন্তু এই ‘সুশীলদের’ কেউ এটা বলতে আসেননি যে, এসব অন্যায়। সুশীলদের নিরপেক্ষতা কীভাবে কীভাবে যেন কেবল স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে। এটাই যেন বাকস্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নিরপেক্ষতার প্রতীক।

আমরা এটাও বলতে চাচ্ছি না যে, একজন অন্য কারো দোষের জন্য দায় বহন করবে। কিন্তু যখন যুদ্ধাপরাধীর সন্তানরা তাদের কথা ও কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করে দেয় যে, তারা তাদের ঘৃণিত পূর্বপুরুষদেরর অপরাজনীতিরই ধারক ও বাহক, তখন কি কিছু করা বাঞ্ছনীয় নয়? লক্ষণীয় যে, এদের কেউ কিন্তু তাদের পূর্বপুরুষদের দোষ স্বীকার করেনি বা তাদের অনুসৃত রাজনীতির পথ পরিহার করেনি, বরং একই বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রজন্মান্তরে। তাই এরাও আমাদের ক্ষমাসুলভ দৃষ্টি পাবার অযোগ্য।

গণতন্ত্র আর বাকস্বাধীনতার ছুতোয় এবং তথাকথিত নিরপেক্ষতার ধোঁয়া তুলে আমাদের ভিতরের কিছু মানুষও এসবের প্রচারে ও প্রকাশে সাহায্য করছেন। তথাকথিত কিছু সুশীল, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, মিডিয়া, রাজনীতিবিদ– অনেকেই অজান্তে এমন কিছু লিখছেন বা করছেন যা প্রকারান্তরে দেশবিরোধীদের উদ্দেশ্য সিদ্ধ করতে পারে।

তাদের অনুরোধ জানাই, নিজেদের কাজের ফল একবার ঠাণ্ডা মাথায় বিবেচনা করে দেখুন। অন্যায়ের ব্যাপারে নিরপেক্ষতা বলে কিছু কি থাকা সম্ভব? হয় আপনি ন্যায়ের পক্ষে না হয় বিপক্ষে। আপনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকতে না পারলে বিপক্ষের লোক বলে বিবেচিত হবেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে অথবা বিপক্ষে, এটাই সরল হিসাব। এসব ক্ষেত্রে ‘কিন্তু’, ‘তবে’ ইত্যাদির কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখতে হবে, অন্যায়ের ক্ষেত্রে আপনি যখন নিরপেক্ষ থাকবেন তখন প্রকারান্তরে আপনি কিন্তু অন্যায় সমর্থন করছেন।

জার্মানিসহ ১৬ট দেশে ‘হলোকস্ট ডিনায়াল ল’ আছে। এই আইন প্রয়োগের ব্যাপারে তারা খুব তৎপর। শুধুমাত্র জোক হিসেবে নাৎসিদের ভঙ্গিতে হাত তুলে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার জন্য শাস্তি হয়েছে একজন পর্যটকের। গ্যাস চেম্বার অস্বীকার করায় প্রখ্যাত লেখকের সাজা হয়েছে সেখানে। আর আমাদের এখানে স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাসের মিথ্যা ব্যাখ্যা দিয়ে একটি বৃহৎ দল তাদের পুরো রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছে। কী আশ্চর্য!

যারা এই ঘটনাগুলোর নায়ক তারা এখনও অনেকেই বেঁচে আছেন, বই লিখেছেন, বার বার সঠিক ইতিহাস বলছেন– তাও কাজ হচ্ছে না। মিথ্যাচার চলছেই। জীবন্ত সাক্ষীরা যেদিন থাকবেন না তখন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এই মিথ্যাবাদীদের হাত থেকে কে রক্ষা করবেন? কীভাবে? এসব ভেবে ভয় ধরে যায়। সে জন্যই আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-বিকৃতির বিরুদ্ধে একটি আইন করে তা সুরক্ষিত করে যাওয়া খুব জরুরি।

মোদ্দা কথা হল, রাজাকারের সন্তান হোক, নব্য রাজাকার হোক বা তাদের সহযোগী– মিডিয়াই হোক বা ‘অতিনিরপেক্ষ’ সুশীল– কাউকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী কোনো কথা বলতে বা কাজ করতে দেওয়া যাবে না, রাজনীতি করতে দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে যে কনফিউশন বিএনপি তৈরি করেছে এবং তাকে পুঁজি করে রাজনীতি করছে, তার থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায়ও হতে পারে স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস-বিকৃতির বিরুদ্ধে আইন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সকল বিভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে এ আদর্শ টিকিয়ে রাখার বড় উপায় এ আইন।

আজ এ আইন করতে আমরা ব্যর্থ হলে সব গর্বিত অর্জনের ইতিহাস হারিয়ে যাবে। মুছে যাবে আমাদের জাতিপরিচয়, জাতিসত্তা। এখনই এ আইন প্রণয়নের পদক্ষেপ নেওয়া তাই খুব জরুরি। মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়স বেড়ে যাচ্ছে। তাঁরা আর কত দিন আছেন আমাদের মাঝে কে জানে। ভয় হয়, শম্বুক গতিতে চলতে চলতে এই সময়টা না আবার হাতছাড়া হয়ে যায়। সময় কিন্তু কারও জন্য বসে থাকে না।

ডা. নুজহাত চৌধুরীসহযোগী অধ্যাপক (চক্ষু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

৩০ Responses -- “ইতিহাস-বিকৃৃতিরোধে আইন করার এখনই সময়”

  1. আলী আদনান

    আপু,
    আমরা এদেশ নিয়ে খুব আশাবাদী। এমন এক সময় এদেশে ছিল, যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বললে সবাই হাসাহাসি করতো। কিন্তু ঠিকই এই বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাযক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেদিন খুব বেশী দূরে নয়, যেদিন মুক্তিযুদ্ধের সকল অমীমাংসিত দাবি বাস্তবয়িত হবে। তব হ্যাঁ, সেটার জন্য আমাদের সোচ্চার ও সজাগ থাকা উচিত।

    Reply
  2. লিয়াকত আলী

    এখনই আইন করতে হবে। ইতিহাস-বিকৃতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখতে হবে। তথাকথিত গণতন্ত্রের দোহাই দিযে আমাদের শহীদ, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের দেশ, আমাদের বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে কোনো রকম তর্ক-বিতর্ক করার সকল পথ বন্ধ করে দিতে হবে।

    Reply
  3. রাজীব আহমেদ

    প্লিজ, আইন করবেন না এই রকম।

    ম্যাডামের বাকস্বাধীনতার জন্য প্রয়োজনে জীবন দিব…

    Reply
  4. এস এম সারফুদ্দিন শাওন

    আমার জীবনে যতটুকু অধ্যায়নের সুযোগ পেয়ছি ডা.নুজহাত চৌধুরীর লেখা অসাধারন চেতনার ত্যাজদীপ্ত এক মাইল ফলক সময়ের দাবীর কথা
    তুল ধরেছেন।বয়সে কম হলেও স্যালুট তাহারর লেখনী।শুধু একমত নই জীবন দিয়ে হলেও এ দাবী পুরন করে ছাড়ব।ইনশাল্লাহ।

    Reply
  5. Masud

    মোদ্দা কথা হল, রাজাকারের সন্তান হোক, নব্য রাজাকার হোক বা তাদের সহযোগী– মিডিয়াই হোক বা ‘অতিনিরপেক্ষ’ সুশীল– কাউকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী কোনো কথা বলতে বা কাজ করতে দেওয়া যাবে না, রাজনীতি করতে দেওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে যে কনফিউশন বিএনপি তৈরি করেছে এবং তাকে পুঁজি করে রাজনীতি করছে, তার থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায়ও হতে পারে স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস-বিকৃতির বিরুদ্ধে আইন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সকল বিভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে এ আদর্শ টিকিয়ে রাখার বড় উপায় এ আইন।

    Reply
  6. ডেভিড রহমান

    সঠিক ভাবেই লিখেছেন|আমিও আপনার প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করি | জার্মানিতে যদি Holocaust আইন থাকতে পারে তাহলে আমাদের দেশে কেন এই রকম একটি আইন থাকবে না?

    Reply
  7. Anwar A. Khan

    Dr. Nuzhat Chowdhury:

    First of all, Jononi, khub sundar likechen! Nobody did say or raise this type of proposal earlier in time. My heart-felt panegyric is to you for writing such a new and brilliant piece having intellectual depth. In the light of your statement, a new law is imperative and the government should consider it in a serious degree to implement it.

    When we are at the worst times of our lives, when we are battling with something, or struggles, whatever it may be, when we are at our highest point as well, when things are not going really well, we want somebody to comfort us and be there for us and to say, ‘Well done.’ That’s Dr. Nuzhat Chowdhury!

    Your article is commendable and I wish to quote Mr. Carlos Ghosn, Chairman and CEO of the Renault-Nissan Alliance : “Any job very well done that has been carried out by a person who is fully dedicated is always a source of inspiration for us all”. This holds so true for Dr. Nuzhat.

    Congrats to Mom!

    Reply
  8. sundar swapan

    Proposal is good but for identification of distortion a national consensus is needed about the correct or genuine history of our liberation struggle. And there lies the insurmountable difficulty. Mahfujullah -Afsan chowdhury gong and Shariar Kabir Muntasir Mammon gong will never arrive at a consensus on the history of our liberation war. To arrive at a consensus they may start a fresh war.

    Reply
  9. Bangladeshi

    বিডিনিউজও ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। তাই তারা প্রবন্ধের বিপরীতে তথ্য সহ ভিন্ন কোন মতামত দিলে তা প্রকাশ করে না। যেমন আমার আগের মন্তব্যটি করে না। শুধু পক্ষে বললে প্রকাশ করে। এই যদি হয় সম্পাদনা পলিসি তাহলে মন্তব্য প্রকাশের সিস্টেমটি তুলে দিলেই হয়।

    Reply
  10. আমি তোমাদের কেউ নই

    অসাধারণ একটি লেখার জন্য ডা.নুজহাত চৌধুরী কে ধন্যবাদ, কিন্ত যাদের উদ্দেশে এই লেখা তাদের বোধউদয় হবে কি??

    Reply
  11. hasan mahbub bablu

    As a national soldier ( Freedom Fighter) we badly need a Law which can protect us as a Bangaldeshi in all respect

    Reply
  12. Dharmendu kar

    ম্যাডাম সকল শ্রদ্বাভরে আপনাকে আমার অভিনন্দন জানাই । আপনার উপরের এত বড় একটা বাস্তব সত্য তুলে ধরার জন্য এবং কঠোর ভাষায় আপনার বক্তব‌্য পরিস্কার করে উপস্থাপন করার জন্য । আপনাদের মত লোক আরো বেশী দরকার আমাদের এই দেশে তানাহলে পরিণতির কথা আপনি যা লিখেছেন বরাবরই আপনার ধারণা ঠিক । ধন্যবাদ

    Reply
  13. Anonto

    Arif,

    I would not call him that if he had agreed that his daddio was a Razakar.
    But again he is the son an infamous Razakar who is taking his daddy’s side, so it’s definitely justified to call him a razakarer bachhca.

    Reply
  14. Fazlul Haq

    মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়নের জন্য স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনকে আন্দোলন গড়ে তোলার একনই সময়। অতএব সময় নষ্ট না করে সবাই আওয়াজ তুলুন। এই দাবি নিয়ে গড়ে উঠুক আরও একটা শাহবাগ আন্দোলন।

    Reply
  15. ওবায়েদ

    সব চেয়ে আগে এদেরকে নিশ্চিহ্ন করা দরকার, যারা বলছে যে ৪৩ বসর পরে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার করে জাতিকে বিভক্ত করা হয়েছে । এরাই হোল দেশের প্রকৃত শত্রু ।।

    Reply
  16. ripon

    in order to mum the critics of 3 million martyrs we should put some newspapers like calcutta telegraph,BBC or even Pakistani Dawn ( it’s reporter anthony mascarenhas was first to let the world know about massacres) archives of those turmoil period from march 26 thru dec 16 online. News of those era will be self explanatory about the number of people died in 1971.

    Reply
  17. অরণ্য জুয়েল

    ইতিহাসে সম্মান না করলে, ইতিহাস রক্ষা করা যায় না। বাংলাদেশের সকল ইতিহাসের মধ্যে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস আমাদের জন্মের ইতিহাস। এ ইতিহাস বিকৃত করার অপচেষ্টা মানেই রাষ্ট্রদ্রোহিতা। এখনই সময় আইন করে এসব অপচেস্টাক রোধ করার।

    Reply
  18. মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন

    অবশ্যেই আমাদের মুক্তিযুদ্দ্বের ইতিহাস কে,যাতে বিকৃত না করতেপারে,সেজন্য সরকার কে এখন আইন তৈয়ার করতে হবে। এখনি উপযুক্ত সময় বলে আমি মনেকরি। বর্তমানে মুক্তিযুদ্দ্বও স্বাধীন্তার পক্ষের শক্তিক্ষমতায়, এখন নাহলে সামনে কোন দিন সরকার পরিবর্তন হলে,আর সুযোগ পাওয়া যাবেনা। ইতিহাস বিকৃতকারীদের বিরুদ্দে কঠিন আইন তৈয়ারী করতে,কমপক্ষে যাবতজীবনকারাদণ্ডের বিধান রাখতে হবে।মুক্তিযুদ্দের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারা ইতিহাস বিকৃত,করার সাহস কিক্রে পাই। তা ভাবনার বিষয়,১৯৭১সালের স্বাধীন্তার মুক্তির সংগ্রামে,৩০লাখ,বাংগালী জীবন দিয়েছে,দুইলাখ,মা,বোন ইজ্জত এর বিনিময়ে,এই দেশ স্বাধীন হয়েছে, আর আজ স্বাধীন্তার ৪৩বছর যুদ্দাপরাধীদের ছেলেও ভাই বাদারদের কাছ থেকে আমাদের নতুন করে ইহাস শিখতে ববে। আজ থেকে আমাদের শপথ নিতে হবে,মুক্তিযুদ্দের পক্ষের লোক দের,শহিদপরিবারের সন্তান,মুক্তিযোদ্বাজীবিত যারা আছেন ,মুক্তযুদ্দার সন্তান্ রা বর্তমান প্রযন্মের ছেলে,মেয়েরা, কবি,লেখক,সাংবাদিক,সাহিত্যক,কলামিস্ট,সবাইকে,এক কাতারে এসে, এই ইতিহাস বিকৃতকারীদের প্রতিরোধ করতে হবে। এবং বিকৃতকারীদের বিরুদ্দে যাতে সরকার কঠোর আইন করে,সেজন্য সরকার কে চাপ দিতে হবে।

    Reply
  19. Bangladeshi

    আহা রে, হলোকাস্টের মতো আইনের কাকুতি! আচ্ছা, এক মুক্তিযোদ্ধার তালিকা নিয়ে কত কিছু হয়, এখনও পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার জন্ম হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যাদের রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা, সেই শহীদদের তালিকার কথা বললেই আপনাদের গায়ে আগুন লেগে যায় কেন? কাদের জীবনের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা তা কি নতুন প্রজন্মের জানার অধিকার নেই?

    তাদের তালিকা যদি প্রতিটি ইউনিয়নে/মহল্লায় থাকে, তাহলে কি শহীদদের অসম্মান হয়, না সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান জানানো হয়? আর্মির সাতজন শহীদকে যদি বীরশ্রেষ্ঠ দেওয়া হয়, তাদের জীবনী যদি সবাইকে পড়ানো হয় তাহলে আপনাদের কথা অনুযায়ী বাকি ২৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯ শত ৯৩ জনের নাম কেন জাতি জানবে না? তাদের ইতিহাস কেন লেখা হবে না? কারা সেই শহীদ তা কেন জানবে না? কেন তাদের নাম জানতে চাইলে আপনাদের হলোকাস্ট আইনের কথা মনে পড়ে?

    কিছু কি তাহলে লুকাতে চান? কী তা? মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের নামে আপনারা যে মিথ্যাচার/নাটক করে যাচ্ছেন তা বের হয় আসবে শহীদের নামের তালিকার সাথে সাথে, সে ভয়েই কি হলোকাস্ট আইনের জন্য আহাজারি?

    Reply
    • hassan imam

      ঠিক বোললেন, ভায়া! আমাদের কোন ইটিহাস? আমাদের ইতিহাস কি ওরিজিনাল ইতিহাস? না ভায়া! আমরা ভারোতিও ইতিহাস কে নিজের ইতিহাস মোনে কোরি। আমাদের ইতিহাস লেখা হওয় ভারতে!! তারা জা লিখে আমরা বিশাস কোরি আর আমাদের ইটিহাস বোলে বুকে আকরে ধরি!! আ্বায়ামি লিগরা ই মুক্তিযোদ্ধা, বাকি শোব রাজাকার!!! ‘হলোকস্ট ডিনায়াল আইন’এর দরকার অনুভব হল কেন? আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-বিকৃতি কারা করে? আমরা মিথার সাহাজ্জে নিজের মরজাদা বারাতে চাই কেন? আজব আইন করার প্রচেসটা কেন?!! ঈহুদিরা এক ভয়াভহ মিথ্যাচার / নাটকের জন্নে এই জঘন্ন আইনের সাহারা নিইচ্চে – আমরাও কি তাই চাই? সত্ত কে সত্ত থাকতে দিন, অজথা মিথ্থা প্ররচার করে শহীদদের অসম্মান কর না ভাই! আমাদের ইতিহাস বিকৃত করেচে আমাদের সাধিনতা-দাতা! মক্কা বিজয়ের পর আমাদের নবি যুদ্ধাপরাধীর সাথে কি রকম বাভার করেচিলেন, আমাদের সাই সুন্নত ভুলা উচিত না!!!

      Reply
  20. R. Masud

    মনের কথাটা বলেছ দিদি।
    তোমার সাথে একমত, স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ডিনায়াল আইন করার পক্ষ্‌ আর তা অতি শীগ্রই–
    তবে তার জন্য স্বাধীনতার পক্ষের লেবাস পরা কৃত্রিম উপাদান গুলোকে (যেমন সিলেটের তথাকথিত এমপি টি) বেছে বের করা জরুরি।
    তানা হলে শিগ্রই তো দূরে থাক আদতেই হবেনা।

    Reply
  21. arif

    Law can be passed to protect history.but ” razakarer chele” can not be an identity of a perso. Using such a term to one is against humanity.if u are against humanity; then how can u make proper judgement for humanity.inorder to purify your country and history;at first u judgement;sentence should be pure.otherwise you are also against humanity like a “razakar”.

    Reply
    • yhoque

      Ahhare, your heart bleeds that the son of a rajakar, is being called as such. I wonder where your humanity was when this rajakar er baccha’s father was endorsing the killing of millions during 1971. It is for people like you that such a law is required to preserve history from.

      Reply
    • ইকবাল

      সমস্ত হিউমিনিটি রাজাকারদের (দুঃখিত) বেলায়, অত্যাচারীর বেলায়। তাদেরকে শাস্তি দিলেই মানবতার কথা আসে, কিন্তু তারা যখন অপকর্ম করেন তখন কোথায় থাকে মানবতাবাদ। দেশবিরোধীদের বেলায় মানবতা, নিরপেক্ষতা শব্দ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। আর একজন অপরাধীর সন্তান কিংবা পরিবার যদি সেই অপরাধকে সমর্থন করেন তবে তাদেরও শাস্তি হওয়া উচিত। আর সকল যুদ্ধাপরাধীর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা জরুরী। আর যারা এদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে তাদের এদেশে থাকার কোনো অধিকারই নেই।

      Reply
    • R. Masud

      To Mr. Arif
      When son/daughter of Rajakar talks like a Rajakar he or she deserved to call that way.
      Ms. Nujhat also mentioned the same; you better re-read her article one more time or more and try to understood the core concept of this article.

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—