Feature Img

Md. Jafar Iqbal ১.

আমি বানিয়ে বানিয়ে গল্প লিখি। বেশিরভাগ সময়েই বাচ্চা-কাচ্চাদের জন্যে লিখি বলে আমার লেখালেখিতে দুঃখ-কষ্ট বেশি থাকে না। যদি কখনও কাহিনির খাতিরে অল্পবিস্তর দুঃখ চলে আসে, সেটা লিখতেও আমার খুব সমস্যা হয়। মাঝে মাঝে কাল্পনিক চরিত্রের জন্যেই লিখতে লিখতে চোখ ভিজে আসে। যদি কখনও কেউ আমাকে বরিশালের বাসের হেলপার সোহাগ বিশ্বাসের কাহিনিটি দুঃখের একটা গল্প হিসেবে লিখতে বলত, আমি সম্ভবত লিখতে রাজি হতাম না; বলতাম, এটা মোটেও বাস্তব গল্প নয়– কোনো মানুষের জীবনে এত ট্র্যাজেডি হয় না। কিন্তু আমরা সবাই পত্রপত্রিকায় সোহাগ বিশ্বাসের কাহিনিটুকু পড়েছি; তাই সবাই জানি আমাদের দেশে মানুষের জীবনে এ রকম ট্র্যাজেডি হয়।

সোহাগ বিশ্বাসের বয়স মাত্র আঠার। বাবা নেই, মায়ের একমাত্র সন্তান। মা চোখে দেখেন না, সংসারে অর্থকষ্ট। সোহাগ শেষ পর্যন্ত বাসের হেলপারের একটা চাকরি পেয়েছে, বেতন তিন হাজার টাকা। প্রথম যেদিন কাজে যাবে, তার উৎসাহের সীমা নেই। মায়ের কাছে দোয়া নিয়ে কাজে যাবার আগে মাকে জিজ্ঞেস করেছে আজ রাতে কী খেতে চায়, সবকিছু সে কিনে আনবে।

সেদিন বরিশালে বিএনপি-জামাতের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, সোহাগ বিশ্বাসদের ট্রাকে তাই ভোরবেলা পেট্রল বোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দিল। ড্রাইভার কোনোমতে বেঁচে গেল, আঠার বছরের সোহাগ বাঁচল না, পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেল। মা চোখে দেখতে পায় না বলে সন্তানের পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়া দেহটি দেখতে পেল না। তার কবর স্পর্শ করে চুপচাপ বসে রইল।

আমরা এখন জানি, আগুন ধরিয়ে কাউকে পুড়িয়ে মারতে পারলে তার রেট বিশ হাজার টাকা। সোহাগ বিশ্বাসকে পুড়িয়ে মেরেও সম্ভবত কেউ একজন বিশ হাজার টাকা পকেটে নিয়ে বাড়ি গেছে। কিংবা কে জানে, হয়তো বিএনপি-জামাতের কর্মীরা নিজেরাই কাজটা করেছে, বিশ হাজার টাকা খরচ করতে হয়নি। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত যে, বিএনপি-জামাতের নেতাদের মুখে একটুকু হলেও উল্লাসের ছাপ পড়েছে যে, অন্তত আরও একজনকে পুড়িয়ে মেরে আন্দোলনটা আরও একটু এগিয়ে নেওয়া গেছে। আমি যখন এটা লিখছি, তখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে পুড়িয়ে কিংবা বোমা মেরে মারা হয়েছে, আন্দোলনের সাফল্যের জন্যে সংখ্যাটি কতদূর নেওয়া হবে আমরা কেউই এখনও জানি না।

এই ৩৬ জনের মৃত্যু তালিকায় মাহবুবুর রহমকান বাপ্পীর নামও আছে। সে ছাত্রদলের কর্মী, ঘরে বসে বোমা বানানোর সময় হঠাৎ করে বোমা বিস্ফোরিত হয়ে খুবই খারাপভাবে আহত হয়েছিল, ছিন্ন ভিন্ন একটা হাত কেটে বাদ দিয়েও তাকে বাঁচানো যায়নি। বিএনপির কোনো নেতা সম্ভবত তার এই কর্মীর জন্যে কোনো সমবেদনা জানাতে আসেনি। তার জন্যে নিশ্চয়ই কোনো শোকবই খোলা হয়নি, সেই শোকবইয়ে কেউ সাক্ষর দিতে আসেনি। আমার বাপ্পীর মায়ের কথা খুব মনে পড়ে। রাজনৈতিক দলের যে নেতারা তাঁর সন্তানকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে, তিনি কি কখনও তাদের ক্ষমা করতে পারবেন?

খবরের কাগজে একটি অত্যন্ত বিচিত্র খবর চোখে পড়েছে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান “এজেন্ট ও গোয়েন্দা দিয়ে পেট্রল বোমা মেরে নিরাপরাধ মানুষ পুড়িয়ে তাদের পোড়া দেহ নিয়ে কুৎসিত রাজনৈতিক বেসাতি বন্ধ” করার জন্যে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন। আমি ঠিক জানি না কোন অপরাধটি বেশি জঘন্য– মানুষ পুড়িয়ে মারা, নাকি মানুষ পুড়িয়ে মারার পর এ রকম একটি বিবৃতি দেওয়া!

আমি অবশ্য এ ধরনের রাজনৈতিক নেতাদের খুব একটা দোষ দিতে পারি না। আমাদের দেশের খুব গুরুত্বপূর্ণ খবরের কাগজ কিন্তু পেট্রল বোমা কে মারছে সেটা লিখতে খুবই সতর্ক। তারা সব সময় তাদেরকে ‘দুর্বৃত্ত’ বলে সম্বোধন করে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র যেহেতু এখনও জানে না কারা এই অমানুষিক নৃশংসতা করছে, তাহলে সেই সুযোগটি কেন জামাত-বিএনপি নেবে না? এই দেশে এত বড় সুযোগ আর কেউ কি তাদের জন্যে তৈরি করে দেবে? পত্রপত্রিকা পড়ে মাঝে মাঝে আমার গলায় আঙুল দিয়ে বমি করে ফেলতে ইচ্ছে করে।

২.

আমাদের দেশে রাজনীতির হিসাব খুব সোজা। যদি সোজাসুজি পাওয়া না যায় সেটা জোর করে আদায় করে দিতে হবে। গত বছর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনটা জোর করে বন্ধ করার জন্যে জামাত-বিএনপি অনেক চেষ্টা করেছিল, অনেক বেশি মানুষ পুড়িয়ে মেরেছিল। শুধু স্কুলই পুড়িয়েছিল প্রায় দেড়শত। তবু একটা নির্বাচন হয়েছিল এবং নির্বাচনের পর মানুষ পুড়িয়ে মারা বন্ধ হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলাম।

তারপর থেকে শুনেছি আন্দোলন হবে, সেই আন্দোলনে বেআইনি সরকার উৎখাত করা হবে। আমরা সবাই সেই আন্দোলন দেখার জন্যে অপেক্ষা করেছিলাম; কখনও ভাবিনি আন্দোলনের অর্থ ঘরে বসে অবরোধ-হরতালের ডাক দেওয়া, আর সেই অবরোধ-হরতালের ডাকটি যেন মানুষের কানে পায় সে জন্যে পথে-ঘাটে যেখানে সম্ভব পেট্রল বোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা। যত বেশি মানুষ মারা যাবে, পঙ্গু করা যাবে, তত সফল আন্দোলন।

রাজনীতির জন্যে আর সাধারণ মানুষের সমর্থনের প্রয়োজন নেই, দলের মানুষকে নৃশংস খুনি হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই হল। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির ভয় থাকলে টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া যায়, এক একজন মানুষকে খুন করার জন্যে বিশ হাজার টাকার চুক্তি। এই দেশে টাকার অভাব নেই। এক কোটি টাকার বাজেট করা হলে শ’ পাঁচেক মানুষকে নিশ্চিন্তে পুড়িয়ে মারা যাবে; কী সহজ একটা হিসাব!

রাজনীতির এই হিসাব আমাদের দেশে ছিল না, এটা নূতন আনা হয়েছে। আফ্রিকায় ‘বোকো হারাম’, মধ্যপ্রাচ্যে ‘আইএস’ এ রকম অবলীলায় মানুষ মারতে পারে। আমাদের খুবই দুর্ভাগ্য, এই দেশের বিএনপির মতো বড় একটা রাজনৈতিক দল জামাতের সঙ্গে একত্র হয়ে গেল, এখন বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্রটি ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছে। এখন মানুষকে পুড়িয়ে মারা আর নৃশংসতা নয়, মানুষ হত্যা নয়– এটা খুবই সাধারণ একটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া।

আমার সঙ্গে বিএনপির কোনো রাজনৈতিক নেতার পরিচয় নেই, থাকলে তার একটি আঙুল ধরে তার নিচে একটা ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে দেখাতাম পুড়ে গেলে কী অমানুষিক যন্ত্রণা হয়। তারা এই দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, ৩৬ জন মারা গিয়ে যন্ত্রণায় অবসান ঘটিয়েছেন, বেঁচে থেকে যন্ত্রণায় ছটফট করছেন আরও শত শত মানুষ।

৩.

বিশ্ব ইজতেমা এই দেশের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্যে অনেক বড় একটি ব্যাপার। টেলিভিশনে একজনের বক্তব্য শুনছিলাম, হতদরিদ্র মানুষটি বলছিলেন, “আমার তো আর হজ্বে যাবার মতো টাকা নেই, তাই কোনোদিন হজ্বে যেতে পারব না। শুনেছি এটা হজ্বের পর সবচেয়ে বড় সম্মেলন, তাই এখানে এসেছি।”

আমরা সবাই ভেবেছিলাম নিশ্চয়ই বিশ্ব ইজতেমার সময়টুকুতে অবরোধ তুলে দেওয়া হবে, দেওয়া হয়নি। শুধু যে তুলে দেওয়া হয়নি তা নয়, বিশ্ব ইজতেমা থেকে ফিরে আসা মুসল্লিদের বাসে পেট্রল বোমা মারা হয়েছে। নীলফামারীতে এভাবে একজন বিএনপি নেতার বাবা পুড়ে মারা গেছেন। বিএনপির সেই নেতা হতবাক হয়ে আছেন। এই ২৫ তারিখ সরস্বতী পূজা ছিল, কেউই আশা করেনি পূজার জন্যে অবরোধ তুলে দেওয়া হবে, কিন্তু অবরোধের সময় সেদিন আলাদাভাবে হরতাল ডেকে দেওয়া হবে সেটি বুঝতে পারেনি।

অবরোধ-হরতালের কারণে ‘ও লেভেল’, ‘এ লেভেল’ পরীক্ষাগুলো এদেশে বাতিল করতে হয়েছে; কাজেই এসএসসি পরীক্ষার সময় অবরোধ-হরতাল তুলে দিয়ে ছেলেমেয়েদের শান্তিতে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে সে রকম মনে হয় না। এই দুই দিনের অবরোধ-হরতাল হলে পরীক্ষা এক দুইদিন আগেপিছে নেওয়া যায়। অনির্দিষ্টকালের অবরোধ, হরতাল থাকলে পরীক্ষা আগে পিছে নেওয়া যায় না, মনে হয় এই অবরোধ-হরতালের মাঝেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। মা-বাবা তাদের সন্তানদের পরীক্ষা দিতে পাঠিয়ে দুর দুর বক্ষে অপেক্ষা করবেন।

এসএসসি পরীক্ষার সময় সন্ত্রাস, তাণ্ডব আরও বেড়ে যাবে কি না আমরা জানি না। যারা এই সন্ত্রাস, তাণ্ডব, নৃশংসতা করছে তাদের বলে কোনো লাভ নেই, তাই সে চেষ্টাও করছি না। খোদার কাছে দোয়া করি, আমাদের দেশের এই ছেলেমেয়েরা যেন ঠিকভাবে পরীক্ষা দিয়ে সুস্থ দেহে তাদের বাবা মায়ের কাছে ফিরে যেতে পারে।

৪.

আমরা খুব দুঃসময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। প্রতিদিন খবরের কাগজে মানুষ পুড়িয়ে মারার ছবি দেখে, মানুষকে হত্যা করার খবর পড়ে দিন শুরু করতে হয়। মাঝে মাঝে খবরের কাগজটি সরিয়ে রাখি, যেন চোখের সামনে থেকে সরিয়ে নিলেই সেই দুঃসহ ঘটনাগুলো জীবন থেকে সরে যাবে। তারপরও আমরা আশায় বুক বেঁধে আছি, এই দেশ এর থেকে অনেক বড় বিপর্যয়ের পরও মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। মানুষ হত্যার এই নৃশংসতা নিশ্চয়ই এক সময় বন্ধ হবে। মা তার সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর পর একটুখানি শান্তিতে থাকতে পারবেন। ট্রাক ড্রাইভারের স্ত্রী, হেলপারের আপনজনকে ভয়াবহ আতংক নিয়ে অপেক্ষা করতে হবে না। একজন বাসযাত্রীকে পুলিশ প্রহরায় পথ চলতে হবে না। একজন ট্রেনের যাত্রীকে নিজের জীবন হাতে নিয়ে ট্রেনে উঠতে হবে না।

সাধারণ মানুষের জন্যে গভীর ভালোবাসার কথা মনে করে এই নৃশংসতা আর তাণ্ডব বন্ধ হবে সেটা আমরা কেউ মনে করি না। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দল রাজনীতির কথা বলে এই হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যে এক সময় রাজনৈতিক জগতে পুরোপুরি মূল্যহীন হয়ে যেতে পারে, অন্তত সেই কথাটি মনে রেখে কি তারা এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে পারে না?

এই দেশের মানুষ তো খুব বেশি কিছু চাইছে না, শুধুমাত্র একটুখানি নিরাপদ জীবন চাইছে, সেটি কি খুব বেশি চাওয়া হল?

২৮ জানুয়ারি, ২০১৫

মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মুহম্মদ জাফর ইকবাললেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১ Responses -- “একটুখানি চাওয়া”

  1. মোঃ গোলাম মোস্তফা

    স্যার আপনার লেখা পরে বলার ইচ্চে হয় অনেক কিছু কিন্তু ছোট মুখে বড় কথা বেমানান, আপনারাতো অনেক পদ্দতির কথা জানেন। সরকার যখন সাধারণ মানুষের উপর অন্যায্য ভাবে চেপে বসে তখন কিভাবে বুঝাতে হবে যে, আপনারা অন্যায় করছেন। এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা বাদ দিয়ে এক তরফা কাউকে সব ন্যায় অন্যায়ের দায় চাপিয়ে দিলেতো আপনিও জ্ঞান পাপীদের মধ্যে পড়েযান। তাবলিগের বিষয়টা মনেহয় আপনার বিশ্বাস থেকে বলেননি। যদি ইতোমধ্যে আপনার বিশ্বাসে কোন বড় ধরনের পরিবর্তন হয়ে না থাকে, তবে কি নিজের সাথে বিশ্বস ঘাতকতা করে অপরের দোষের ঝুলি বড় করার চষ্টায় নেমে গেলেন?

    Reply
  2. আলামিন

    যতদিন নতুন কোন দল এ দেশের হাল তুলে নেবে না, যত দিন কোন সত্যিকারের নেতা মানুষ কে আশার আলো দেখাবে না, ততদিন এ দেশের জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিবো না।।।।।

    Reply
  3. রানা

    স্যার, লেখাটার সাথে হরতাল অবরোধের কারনটা উল্লেখ করলে ভালো হতো। সবাই আপনাকে পক্ষহীন বিশ্লেষক ভাবতো।

    Reply
  4. ashraful islam

    জামাত-বিএনপি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চুড়ান্ত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে- কেউ পছন্দ না করলেও এই আন্দোলনের পক্ষে অনেক যুক্তি আছে। কিন্তু, যে আন্দোলনে প্রতিদিন নিরীহ মানুষকে পেট্রোল বোমায় পুড়ে মরতে হচ্ছে – সে আন্দোলনের কষ্ট কিভাবে মেনে নেয়া যায়?

    মাগুরা উপ-নির্বাচন(১৯৯১),সার চাইতে গিয়ে ১৭জন নিরীহ কৃষককে গুলি করে হত্যা, চাপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে বিদ্যুৎ চাইতে গিয়ে আরও কয়েকজন কৃষককে গুলি করে হত্যা, নিরীহ বাসযাত্রী ইয়াসমীনকে দিনাজপুরে ধর্ষন ও হত্যা এবং তার পর এর প্রতিবাদকারী আরও কয়েকজনকে গুলি করে হত্যা এগুলো ছিল বিএনপির প্রথম মেয়াদের(১৯৯১-১৯৯৬) গণতন্ত্রে নমুনা;

    বিচারপতি লতিফুর রহমানের শপথ গ্রহনের আগের রাত্রে যমুনা ভবনে বিএনপিপন্থী আমলাদের নিয়ে ‘হোম-ওয়ার্ক’এর মাধ্যমে এবং ‘মাটির নীচের গ্যাস’ রফতানীর পূর্বশর্ত মেনে দ্বিতীয় মেয়াদে(১৯৯৬-২০০১) আমরা পেলাম বাংলা ভাই, শায়খ রহমান দিয়ে অসংখ্য বোমাবাজি এবং হত্যাযজ্ঞ (যাকে ম্যাডাম খালেদা বললেন মিডিয়ার সৃষ্টি, বাংলা ভাইকে গ্রেফতার করে রাখা হল এয়ার কন্ডিশন লাগানো ভাড়া বাড়ির স্পেশাল জেলে), প্রকাশ্য জনসভায় বোমা মেরে আইভি রহমানসহ ২৮ হত্যা, হাওয়া ভবন, নির্বাচিত বিরোধী দলীয় এম পি আহসান উল্লাহ মাস্টার-কিবরিয়া হত্যা—
    আর ৭১এ খুন-ধর্ষন কারী জামাতে ইসলামী যারা সংবিধান মানে না তাঁদের সাথে জোট বেধে আবার কি ধরণের গনতন্ত্র আনবে ২০দলীয় জোট?

    Reply
    • ashraful islam

      দুঃখিত বি এন পির দ্বিতীয় মেয়াদ ছিল ২০০১-২০০৬, ভুলক্রমে লিখেছি ১৯৯৬-২০০১, অনুগ্রহ করে শুধরে নিন

      Reply
    • মনসুরুল আলম

      বিএনপির দ্বিতীয় মেয়াদ (বিএনপি-জামাতের জোট সরকার) ১৯৯৬-২০০১ নয় ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল যুদ্ধাপরাধী বেষ্টিত সরকার, তখন আওয়ামী লীগের সভায় গ্রেনেড মেরে খুন, গ্রামে সমর্থকদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেয়া, মহিলাদের ধর্ষন করা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

      কি ঘটেছিল চট্টগ্রামের বাশখালীতে? যেখানে ঘরবাড়ীসহ মানুষ পুড়িয়ে মারা হয়েছিল ২০০১এ বিএনপি-জামাতের জোট ক্ষমতায় আসার পরে? পটুয়াখালীতে? সাতক্ষীরায়? বাগেরহাটে?

      আর এবার তো খালেদা-তারেক ঘোষনা দিয়েই রেখেছেন প্রতিশোধ নেবার- কি ধরণের গণতন্ত্র তারা দিতে পারেন তা তো বোঝাই যায়।

      Reply
  5. শাহ্‌ আসিফ আবদুল্লাহ

    স্যারের মত মানুষের এত বিজ্ঞ মানুষের কাছ থেকে পেইড ব্লগারদের মত লেখা আমাদের কারোর ই বোধ হয় কাম্য নয়। ভবিষ্যতে আমরা চাই দেশের সকল বিজ্ঞ বুদ্ধিজীবীরা দলীয় ও ধর্মীয় মতের উর্দ্ধে থেকে নিরপেক্ষ এবং গনতান্ত্রিক লেখা জাতীর কাছে তুলে ধরবেন। বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে আমরা তো এর বেশি কিছু চাই না!!!!!!!

    Reply
  6. R Masud

    বি এন পি জামাত এর শয়তান গুলো মানুষ পুড়িয়ে একবার গুনাহ করছে,
    তার সাথে আবার মিথ্যা বলে আরেকজনের গায়ে দোষ ছাপানোর চেস্টা করছে।
    আল্লাহ , ভগবান ঈশ্বর বলে কিছে থাকলে এদের কি অবস্তা হবে ভাবতেই ভয় হয়…

    Reply
  7. Rakib Hasan

    All the people of Bangladesh are now politicians. Some are BNP and some are awamiligue. But nobody wants to be a Bangladeshi. I dont know why. This is our country. Be a Bangladeshi and love this country.

    Dont love your girlfreind more than you mother. Just mind it Bangladesh is your mother and BNP or Awamiligue is just like your girlfriend………………………… 🙂

    Reply
  8. sheikh abdur rahim

    বি এন পির নেতা বা অন্ধ সমর্থকরা বলতে চান তারা বোমা মারেন না , সরকারী ষড়যন্ত্র !
    তা হলে বোমাবাজী বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপে তাদের আপত্তি কেন?
    যা হোক, পেট্রোলসহ বেশ কিছু নিয়ন্ত্রিত বা নিষিদ্ধ পদার্থ আছে যার বেআইনী পাচার বা ব্যবহার রোধে সরকার বেতন দিয়ে বিশাল কর্মচারী বাহিনী রেখেছেন, সদিচ্ছার সাথে সক্রিয় করা হলে পেট্রোল বোমাসহ সব সন্ত্রাস বন্ধ করা সম্ভব – এটা বাংলাদেশ , পাকিস্তান নয়!
    দালালরা যত খোয়াব দেখুন না কেন, ৭১এর পরিনতি তাদেরকে বারবার ভোগ করতে হবে ।

    Reply
  9. Ziad Afroz

    জাফর স্যারের প্রতিটি নৃত্যভঙ্গিমা বহুদিন আগে থেকেই বাংলার আবালবৃদ্ধবণিতার মুখস্থ হয়ে গেছে। একই জিনিসের পৌণঃপুনিক পুনরাবৃত্তি তাই নতুন করে আবেদন রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। ওনার মনে রাখা উচিত যে বেশিরভাগ আমজনতা কোন দলের হয় না। তাই ক্রমাগত অন্ধ একচক্ষু সমর্থন ওনার ক্রেডিবিলিটিকে ক্রমাগত শূণ্যের কোঠায় নিয়ে যাবে। অথবা নিয়ে গেছে ইতিমধ্যে। পরিশেষে _ অন্ধ লেজুড়বৃত্তি বন্ধ করে সাধারণ মানুষের কাতারে নেমে আসুন। নিরপেক্ষতার শ্বেতপত্রে হীরম্ময় শুভ্রতায় প্রস্ফূটিত হোক ন্যায়বোধ।

    Reply
  10. রবিন সাজিন

    আপনার মত ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ যখন পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে ৫ জানুয়ারির নাটককে নির্বাচন বলে, যখন দেশে গণতন্ত্রহীনতা না দেখার অভিনয় করে, বিচারবহির্ভূত হত্যা বিষয়ে নিশ্চুপ থাকে তখন জাতি নিরাপদে থেকেও অনিরাপদবোধ করে।

    Reply
    • জাহেদ

      গত কয়েক বছর যাবত আমরা দেখে আসছি আমাদের গনতন্ত্র এর নমুনা। প্রতি ৫ বছর পর ভোট হওয়ার পর গনতন্ত্র এর যে অনুশীলন আমরা দেখেছি এটাকে কি গনতন্ত্র বলা যায়? আপনার পরিবারের কেউ হয়তো এভাবে বিয়োগ হয়নি তাই এই ব্যাপার গুলো সমর্তন করতে পারেন। যার গেছে সেই বুঝে হারানোর ব্যথাটা কেমন। আপনাদের তথাকথিক গনতন্ত্র হরন যেহেতু বর্তমান ক্ষমতাশীনরা করেছে তাদের উপর যা ঢালার দরকার ঢালতে বলেন। সাধারন মানুষ এর তো আসলে এগুলোতে কোন লাভ নেই। ব্যপার হচ্ছে মূলত একপক্ষ খাচ্ছে আরেক পক্ষের তা সহ্য হচ্ছেনা এখানে গনতন্তের দোহায় দেয়া নিছক ছলনা মাত্র।

      Reply
      • মনসুরুল আলম

        গণতন্ত্র এবং রাজনীতি হল ব্যবসা, যে ব্যবসায় সাধারণ মানুষের কথা প্রচার করেন ‘উনারা’।
        কিন্তু আমরা কি দেখি?
        ক্ষমতায় থাকলে দূর্নীতি যার পরিনামে জনগনের উপর অতিরিক্ত বোঝা হয় করের (কারণ করের টাকায় জনকল্যান না করে লুটপাট চলে) আর নানাবিধ জনহয়রানির। অন্যদিকে ক্ষমতায় না গেলে ‘উনারা’ সংসদে না বসেই বেতন-ভাতা-শুল্কমুক্ত গাড়ী-প্লট-ফ্ল্যাট পাব বিরোধী দলের সদস্য হিসাবে।
        আজকে হয়তো বলছেন জনসভা করতে দেয়া হয় না, কিন্তু গ্রেনেড মেরে জনসভায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন, কিবরিয়া সাহেব বা আহসানউল্লাহ মাস্টার(যারা ২০০১-২০০৬ মেয়াদে নির্বাচিত বিরোধীদলীয় এমপি ছিলেন)কে হত্যা গনতন্ত্রীরাই তো করেছিল? অনুমতি নিয়ে সভা শুরু করে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিকাল ৪টায় সভা শেষ না করে হেফাজত ব্যাঙ্ক-মসজিদে আগুন দিলে খালেদা জিয়া টিভি স্ক্রলে অনুরোধ করেন ঢাকাবাসীকে হেফাজতের পাশে দাড়াতে, এই কি গণতন্ত্রের উৎকৃষ্ট নমুনা নয়?

    • nahid

      ভাই, ৫ জানুয়ারীর পুর্বে কোন ধরনের অনিরাপদ ফিল করেছেন। অবরোধ করতে জনগনের স্বতঃস্ফূর্তা লাগে। পেনিক দেয়া লাগে না। পাকিস্তানের প্রেতাত্মা পাকিস্তানে যা।

      Reply
  11. কান্টি টুটুল

    আওয়ামী লীগ এখন আর ভাত আর ভোটের অধিকারের পক্ষে শ্লোগান দেয় না!

    রাজনৈতিক দল, ভিন্ন পরিস্থিতিতে রং পাল্টাবে এটাই হয়ত স্বাভাবিক। কিন্তু এই দলটির কৃপাদৃষ্টি লাভের আশায় মরিয়া হয়ে ওঠা সুশীলগণও (?) যখন ক্ষণে ক্ষণে রং পাল্টায় তখন অবাক হতেই হয়।

    জাফর ইকবাল সাহেব কে বলতে চাই …..

    আমাদের ভোটের অধিকার কোন রাজনৈতিক দলের কাছে বন্ধক রেখে শুধুমাত্র একটুখানি নিরাপদ জীবনের আশায় জনগণ এদেশ স্বাধীন করে নাই।

    Reply
  12. হাসান

    জাফর স্যারের আজকের লেখাটি পড়ে বড়ই হতাশ হলাম। ফেসবুকে হাজার হাজার তরুণ রয়েছে যাদের লেখার/স্ট্যাটাসের মান, যুক্তি ও ধার স্যারের লেখনির চেয়ে অনেক উন্নত। এবার স্পষ্ট হলো জিয়া হায়দার, শর্মিলা বসু কিংবা নেয়ামত ইমামদের লেখা নিয়ে স্যারের কেন এত গা-জ্বালা।

    Reply
  13. মাসুম বাবু

    অব্রোধ ডাকার পরপরই পোড়াপুড়ি শুরু হয়, এই পোড়াপুড়ির কারন হচ্ছে বেশি সংখ্যক মানুষকে আতংকিত করা, যাতে মানুষ ঘর থেকে বের না হয়- রেজাল্ট হরতাল সফল।
    আওয়ামিলীগের লোকেরা এখানে পেট্রোল বোম মারবে কোন দুঃখে- দলকানাদের ধারণা আওয়ামিলীগের লোকজন বোমা হামলা করে বিএনপির উপর দোষ দিচ্ছে-খেকজ।
    আওয়ামিলীগ দেশ চালায়, আওয়ামিলীগ মারামারি করে, প্রশাসন চালায়, দেশের উন্নয়ন করে, বিদেশে চাল রপ্তানি করে, দেশের টাকায় চাল রপানি করে আবার ছাগুদের ভাষায় বোমও মারে- তাহলে লীগই যদি সব করে তাহলে এই দেশে জামাত বিএনপির দরকারটা কী ? এরা পাকিস্তানে যায় না কেন ?

    Reply
  14. বকর

    দেশে চলমান সহিংসতার পিছনে মুলত কাজ করছে পাকিস্তানের আই এস আই। খবরটা পত্রিকান্তরে প্রকাশিত হয়েছে। এটা পাকিস্তানের আই এস আই এর দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ মাত্র। আওয়ামী লীগকে সরিয়ে এখানে ক্রীড়নক সরকার বসিয়ে ভারতের পুর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন সৃষ্টি করাটাই মুল লক্ষ্য। ভারতের পুর্বাঞ্চলে এমন সমস্যা দেখা দিলে আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের দিকে ভারতের দৃষ্টি পড়বে এবং ফলত ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক শত্রুতায় রুপান্তরিত হবে। এতে লাভ হবে পাকিস্তানের সামরিক দিক থেকে। পাকিস্তান তাঁর প্রতিবেশী দেশ সমূহকে সর্বনাশের দ্বার গোড়ায় নিয়ে গেছে তার কুটিল নষ্ট চক্র দ্বারা। ১১০০মাইল দূরে বসে এবং ৭১ সালে পরাজিত হলেও আজ তারা আমাদের জনগনকে নিয়ন্ত্রন করছে এক অদৃশ্য আঙ্গুল দিয়ে। সেই আঙ্গুলটি কি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই?

    Reply
  15. Zikrul

    লেখাটার কোথাও একটা শব্দ পেলাম না যেখানে আওয়ামিলীগের কোন ভুল বা দায় আছে দেশের এ জঘন্য অবস্থার জন্য ! শেরাটনের সামনে বিআরটিসি বাসের ঘটনা, নির্বাচনের আগেই নির্বাচিত হবার মত বিষয়গুলো এরিয়ে একদলকে ফেরেস্তা আর অন্যজনকে ইবলিস প্রতিয়মান করার মত এধরনের লেখাকে দলীয় ছাড়া নিরপেক্ষ এবং বস্তুনিষ্ঠ বলবো কিভাবে ভাবছি !

    Reply
  16. Prodip

    আমি নিশ্চিত, এস এস সি পরীক্ষার সময় বিএনপি অবরোধ তুলবে না,তুলতে পারে না। এই ‘আন্দোলন’ বিরতিহীন এবং ক্লোজডোর । গুহায় বসে সেখানে বসে বসে আন্দোলন বেগবান করছে রিজভি । তার মাথার উপর খড়গ ধরে আছে জাঁহাবাজ বোম্বেটে তারেক এবং তার স্নেহময়ী জননী । আফগানিস্থানে তালেবান রা স্কুল কলেজ বন্ধ করতে করতে পাকিস্তানের সোয়াত অবধি এসে থেমে আছে কি, না থেমে নেই । তারা এখন বাংলাদেশে,শিবির এর হাত ধরে সেই তিন মাথাওলা সুচ্যাগ্র লোহার ফলা, সেটাও তালেবান দের। । কারা এই লেলিহান আগুনে নিরাপরাধ প্রান হননে মেতেছে ? বেগম খালেদা এবং তারেক ভুল করেনি , তারা যোগ্যদের বেছে নিয়েছে। তাই পরীক্ষার জন্য এই ‘তীব্র আন্দোলন’ এ বিরতি দেয়া যাবে না ।জামাত শিবির, বিএনপি নামক বোমার ডেনেটর এ দিয়াশলাই এর কাটি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। রাজবাড়ির হাতির বায়ু ত্যাগের মতো শব্দ করে বিএনপি হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে ।
    অন লাইনে এখন যারা জাফর ইকবাল কে গালিগালাজ করে, তারা কেউ বিএনপি র নয় , সবাই সেই বিষাক্ত জামাত শিবির এর । মানুষ ভুল বুঝে দখলদার দেরকে মালিক বলে ভাবে।
    এভাবে সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকুন , প্রিয় জাফর ইকবাল।

    Reply
  17. jahangir alom

    সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অবরোধের সময়ে পেট্রোল বোমায় আহত ও নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে … এই সময়ে আপনার কাছে আমার সম্পূরক প্রশ্ন:

    আন্দোলন করছে বিএনপি-জামায়াত, হরতাল-অবরোধ ডেকেছে বিএনপি-জামায়াত, কিন্তু বোমা বানাতে গিয়ে আহত হয় ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মী। কখনও কি ভেবে দেখেছেন এমনটা কেন হচ্ছে? কী উদ্দেশ্যে হচ্ছে? স্থিরচিত্তে কখনও কি ভেবে দেখেছেন আন্দোলনের নামে মানুষ মারলে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে তাতে কার লাভ? বিএনপি-জামায়াতকে সন্ত্রাসী দল আর এই আন্দোলনকে মানুষ হত্যার আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে কাদের লাভ?

    এরপরও বুঝতে না পারলে আপনাকে আরেকটি ঘটনা মনে করিয়ে দিই।

    আওয়ামী লীগ তখন বিরোধী দলে। ২০০৪ সালের ৪ঠা জুন। শাহবাগে হোটেল রূপসী বাংলার সামনে একটি চলন্ত গাড়িতে গান পাউডার ছিটিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছিল। বাসটি ছিল একটি দোতলা বিআরটিসি বাস। সেদিন আগুনে পুড়ে মারা যান ১১ জন সাধারণ যাত্রী। ওটাই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কোনো যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা। ঘটনাটি পরবর্তীতে নিজ মুখে স্বীকার করে নেন
    আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিম।

    জ্বী ভাই, আপনি, আমি, আমরা সবাই আওয়ামী লীগের নোংরা রাজনীতির শিকার। আপনার বাবা-মাকে হত্যাকারীরাই আপনার জন্য কান্নার অভিনয় করে যাচ্ছে, আপনি বুঝতে পারছেন না। আপনি বুঝতে পারছেন না আপনাকে গিনিপিগ বানানো হচ্ছে! আপনাকে মেরে ইমোশন সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের উপর ব্লেম দেওয়া হচ্ছে, আড়ালে তারা দাঁত কেলিয়ে হাসছে!

    এটা আপনি যত দিন না বুঝবেন, যত দিন আপনি বোকার মতো কেঁদে যাবেন, যত দিন আপনি হলুদ মিডিয়ার তালে চালিত হবেন, ঠিক তত দিনই আপনি গিনিপিগ থাকবেন, স্বজন
    হারাতে থাকবেন।

    চোখ খুলুন, সোচ্চার হোন, স্বজন হারানোর প্রতিবাদ করুন। ভয়ে আর কত কাল নিজের ও নিজের পরিবারকেই হিংস্র হায়েনার
    থাবায় ফেলে রাখবেন?

    Reply
  18. মহিউল আলম

    বাংলাদেশে বর্তমানে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, তার সূত্রপাত কোত্থেকে ?
    সূত্রপাত নিয়ে ভাবাটা কি খুব কঠিন কিছু ?

    Reply
    • Prodip

      সুত্রপাত বুঝাটা কঠিন কিছু নয়। এটাকে শ্রী যুক্ত করে বলার কিছু নয়। খালেদা কে জামাত নির্বাচনে আসতে দেয়নি। তাই তাঁর আগে করলো ধংসযজ্ঞ । কিন্তু খালেদা কে ক্ষমতা তুলে দেবার জন্যে কেউ আসে নি । সেটা করে মানুষকে ভোট কেন্দ্রে যেতে দেয়নি। ভবিষ্যতেও একই চিত্র ঘুরে ফিরে আসবে। আবার আবদার , আবার ধ্বংস যজ্ঞ । ৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ, তারেকের কাঁধে আইএসআই চেপে বসেছে ।

      Reply
  19. মনির

    বুধবার বিকেলে নরসিংদী জেলার মাধবদি পৌরসভার আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ নেতার ছেলেকে আটক করেছে গোয়েন্দা শাখার পুলিশ এবং তার কাছ থেকে ৫টি পেট্রল বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিকে সনাক্ত করা হয়েছে। নাম মো: মাসুম (২২) নুরালাপুর ইউনিউন আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেহার আলীর ছেলে। – See more at: #sthash.3eUsgq2c.4ECFLmdi.dpuf
    এর আগে মাধবদীতে ধরা পড়েছে তিন ছাত্রলীগ.. BAL এর সভাতেও ছাত্রলীগ ককটেল সহ ধরা পড়েছে…কিন্তু আপনাদের মত হাড্ডিচাটা কিছু লোক চোখ বন্ধ করে লিখে যায় একপেশে লেখা…সাহস থাকলে সত্যের পক্ষে লিখুন..দলের পক্ষে নয়…অন্যায় করলে এরা সবাই করছে..বিএনপি শিবির যদি শুরু করে থাকে তবে একে বৃহত আকার দিতে লীগ ঘি ঢালছে…বিএনপি নেতার সাথে পরিচয় না থাকলেও লীগের নেতার সাথেত দহরম মহরম আছে,পারলে তার আঙুল পুড়িয়ে জিজ্ঞেস করুন কেমন লাগে????
    জানি সেটা কোনদিনই পারবেননা

    Reply
  20. আনিস মাহমুদ

    “আমাদের দেশের খুব গুরুত্বপূর্ণ খবরের কাগজ কিন্তু পেট্রল বোমা কে মারছে সেটা লিখতে খুবই সতর্ক। তারা সব সময় তাদেরকে ‘দুর্বৃত্ত’ বলে সম্বোধন করে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র যেহেতু এখনও জানে না কারা এই অমানুষিক নৃশংসতা করছে, তাহলে সেই সুযোগটি কেন জামাত-বিএনপি নেবে না?”

    সেই ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ খবরের কাগজ’ না-হয় জামাত-বিএনপির নাম ছাপছে না, ‘দুর্বৃত্ত’ বলে সম্বোধন করছে। কিন্তু আপনি কেন প্রথম আলোর নাম না লিখে ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ খবরের কাগজ’ লিখছেন? চমৎকার একটা লেখার আবেদন হারিয়ে গেলো এটুকুতেই।

    Reply
    • মাসুম বাবু

      খুব গুরুত্বপূর্ণ খবরের কাগজ বলতে দেশের সব পেপারকে বুঝানো হয়েছে।
      এত্ত সুন্দর একটা লেখার কত জায়গায় আলোচনার-সমালোচনার দাবি রাখে আর আপনি একটা ছুপা ছাগু, নিজের ল্যাঞ্জাটা বাহির করে দিলেন একটা কমেন্টেই।

      Reply
  21. R Masud

    এই কেমন্ বাঙ্গালদেশ আর এই কেমন বাঙ্গালী
    একজন চোরের ( বাংলাদেশের কোর্ট, আমেরিকার এফ বি আই তা প্রমান করেছে, বিদেশ থেকে সেই চুরি করা টাকা ফেরতও এসেছে) মৃত্যু হয়েছে তার জন্য তার মা, আত্মীয় সজন কাঁদবে তাই তো স্বাভাবিক।
    অথছ হাজার হাজার, কেঊ বলেন লাখ মানুষ তার জানাজায় হাজীর হ্‌ গন মাধ্যমে গূলো সেই খবর পাতার পর পাতা ভরে সেই খবর প্রচার করে — এটা কেমন যেন খাপ ছাড়া নয়।
    আরো খাফ ছাড়া মনে হয়, যখন দেখি – আগুন্ দিয়ে পোড়া যাওয়া মানুষ গুলোর কথা তাদের উপর বিনা কারনে এই নৃশংসতা বাঙ্গালী মেনে নিয়ে, চোরের জানাজায় যায় ?
    তাই বলছি এই কেমন বাংলাদেশ আর এই কেমন বাঙ্গালী। এদের অন্য জাতীরা লাথি দেবেনা কেন?

    Reply
    • Prodip

      আমি একমত। এই জন্যেই বিএনপি তাদের মনমত নির্বাচন চায় । কারন তাঁরা জানে এদেশের লোকরা কোকো র মতো প্রমাণিত দুর্নীতিবাজ এর শোকে লুটিয়ে পড়বে, তারেকের নামে মানত করে। এ দেশ ভোটের উপযুক্ত নয় । মানুষ পুড়ে , দেশকে ছোবড়া বানানোর পর ও বিএনপি র ঝান্ডা ধারীরা দান দুব্বো দিয়ে আবার বরন করে নেবে। এই সব মানুষ কি ভোট দানে উপযুক্ত ??

      Reply
    • mozaffor

      হ ভাই। কোকো চোর। তা লীগের সোবাই কি তুলসি পাতা? Caretaker government এর দারা নিররবাচন হোবে নিরপেকষ ভাবে, এটা কি খুব বেশি চাওয়া?

      Reply
  22. Bulbul

    জাফর ইকবালে আমি অন্য কিছু ভাবলেও একজন ভাল মানুষ মনে করতাম ।এখন মনে হয় অন্ধ পক্ষপাত রাজনীতিবিদ কোন নেতা

    Reply
    • রাজীব

      কি করলে আপনি মনে করবেন উনি অন্ধ রাজনীতিবিদ নন? উনি যদি লিখতেন পেট্রোল বোমা মেরে সাধারন মানুষকে পোড়ানো ঠিক কাজ হচ্ছে এবং আরও বেশী করে মানুষ পোড়ানো উচিত- তাহলে কি আপনি খুশী হতেন? তাহলে কি প্রমানিত হত উনি একজন নিরপেক্ষ ভাল মানুষ?

      Reply
    • R Masud

      কোন কথাটার জন্য মহাশয় লেখক কে দোষ দিলেন?
      পেট্রল বোমা মেরে মানুষ মারাটাকে বি এন পি জামাতের কাজ বলেছে বলে?
      তুমি বুকে হাত দিয়ে বলোতো এই কাজ গুলোকি বি এন পি আর জামাতের নয়?
      অবশ্যই তা বলবেনা — বললে, তোমার আরো একবার জন্ম নেওয়া উচিৎ মানুষ হয়ে জন্মাবার জন্য।

      Reply
    • Prodip

      পেট্রোল বোমার একটা লজিক না দিলে নিরপেক্ষ হবার কোন আশা নেই । সেরকম হলে তো ,আর এই লেখার দরকার নেই। সুশীল পোশাক পড়ে নিয়ে টক শো তে হাজির হলে হয় ।

      Reply
    • kaya

      ধন্যবাদ ভাই আপনি লিখে ফেলেছেন আমিও এরকম একটা কিছু লিখতে চাচ্ছিলাম, তার আর প্রয়োজন নাই। আওয়ামীলীগ বিএনপি যেমন মানুষকে বোকা ভাবে জাফর ইকবাল সাহেবও তাই ভাবতে শুরু করেছেন।

      Reply
      • SB

        কোন জিনিষটা পক্ষপাতদুষ্ট বলে আপনার মনে হয়??বিএনপি এর মানুষ পোড়আনোকে স্যার কি ঠিক কাজ বলবেন?????দয়া করে জানান।।।

    • nahid

      আরে ভাই, বিএনপি যা শুরু করেছে স্বাভাবিক মানুষ মাত্রই এই রকম বলবে। জাফর স্যার পারফেক্ট বলেছে।

      Reply
  23. মেহেদি

    পাঁচটি পেট্রোল বোমাসহ নংরসিংদীতে এক আওয়ামী লীগ নেতার ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।

    😀

    Reply
  24. রফিক

    ওনি আ”লীগ ওনার কথায় বুঝা যায়,ওনি কি মনে করেন পেট্যল বোমা শুধু বি এন পি মারে? না আমি মনে করি সবদলই বোমা মারে কেন শুধু বি এন পি কে দোষারোপ করা হচ্ছে।বাঙালী জাতী বোকা নয় বাঙালী সব বুঝে।

    Reply
    • রাজীব

      আপনি কি মনে করলেন না করলেন সেটা তো আপনার ব্যপার। বোমা বানাতে গিয়ে ছাত্রদলের নেতা, শিবিরের কর্মী মারা গিয়েছে – এরপরও যদি আপনি না মানেন তাহলে তো কিছু করার নেই। যেইদিন আপনার গায়ে বোমা পড়বে সেইদিন আপনি হয়ত বুঝতে পারবেন। তার আগে বুঝবেন না আর যারা মারছে তাদের বিরুদ্ধে কথাও বলবেন না।

      Reply
    • sanjoy

      বাঙ্গালী কেমন বুঝে তার নমুনা এই- একজন চোর বাংলাদেশের কোর্ট, আমেরিকার এফ বি আই তা প্রমান করেছে, বিদেশ থেকে সেই চুরি করা টাকা ফেরতও এসেছে তার মৃত্যু হয়েছে তার জানাজায় লাখো মানুষ তখন খাফ ছাড়া মনে হয়, যখন দেখি – আগুন্ দিয়ে পোড়া যাওয়া মানুষ গুলোর কথা ও তাদের উপর বিনা কারনে এই নৃশংসতা বাঙ্গালী মেনে নিয়ে চোরের জানাজায় যায় ? আর এই বাঙ্গালী সব বুঝে ???????

      Reply
  25. Hasan Sakib

    সকল আওয়ামী ছাগুর মতো জাফর ইকবাল স্যারেরও ‘দূর্বিত্ত্ব’ শব্দটি পছন্দ নয়। তিনি আগুন দেয়া দূর্বিত্ত্ব মানেই বিএনপি-জামাত মনে করেন। স্যার ভালোই আবেগ ঝরঝরে লেখা দিয়েছেন, শুধু টাইমিং একটু খারাপ হয়ে গেছে। গতকালই এক আওয়ামী নেতার পুত্র আগুন দিতে গিয়ে ধরা খেয়েছে পুলিশের হাতে। অবরোধের শুরুর দিকে এক আওয়ামী নেতাজির গিন্নির হাতে নিজের বাসায় ফুটে গেছে বোমা। তারও আগে গতবছর যখন স্যার ভোট দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন আগুন দিতে গিয়ে আওয়ামী নেতারা ধরা পড়েছিল। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা!
    এখন কথা দাঁড়াচ্ছে, নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কি লিখে দেয়া যায় যে অমুকটি তমুক দলের আগুন? আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আওয়ামী আগুন ও বিএনপি-জামাতি আগুনের পার্থক্য বোঝার একটা ফিল্টার তৈরি করে দিলে জাতির খুব উপকার হয়।
    (COPY from বাঙ্গাল)

    Reply
  26. Hasan Sakib

    সকল আওয়ামী ছাগুর মতো জাফর ইকবাল স্যারেরও ‘দূর্বিত্ত্ব’ শব্দটি পছন্দ নয়। তিনি আগুন দেয়া দূর্বিত্ত্ব মানেই বিএনপি-জামাত মনে করেন। স্যার ভালোই আবেগ ঝরঝরে লেখা দিয়েছেন, শুধু টাইমিং একটু খারাপ হয়ে গেছে। গতকালই এক আওয়ামী নেতার পুত্র আগুন দিতে গিয়ে ধরা খেয়েছে পুলিশের হাতে। অবরোধের শুরুর দিকে এক আওয়ামী নেতাজির গিন্নির হাতে নিজের বাসায় ফুটে গেছে বোমা। তারও আগে গতবছর যখন স্যার ভোট দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন আগুন দিতে গিয়ে আওয়ামী নেতারা ধরা পড়েছিল। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা!
    এখন কথা দাঁড়াচ্ছে, নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কি লিখে দেয়া যায় যে অমুকটি তমুক দলের আগুন? আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আওয়ামী আগুন ও বিএনপি-জামাতি আগুনের পার্থক্য বোঝার একটা ফিল্টার তৈরি করে দিলে জাতির খুব উপকার হয়।

    Reply
  27. কান্টি টুটুল

    “আমার সঙ্গে বিএনপির কোনো রাজনৈতিক নেতার পরিচয় নেই …”

    বাহ্ কি সুন্দর সহজ সরল স্বীকারোক্তি!

    এই লেখায় পেট্রল বোমায় পুড়ে যাওয়া বরিশালের সোহাগ বিশ্বাসের মর্মস্পশী কথা আছে তবে বিএনপির শাসনামলে হোটেল শেরাটনের সামনে গান পাউডারে ঝলসে যাওয়া নয় জন বাস যাত্রীর কোন কথা নেই!!

    কারণ সম্ভবত একটাই, ঐ সহজ সরল স্বীকারোক্তি!!!

    Reply
    • সৈয়দ আলি

      আমি জাফর ইকবালের সাদাসিধে কথা নিয়ে সবসময়েই এই কথাটি বলি। তিনি খুব সরলভাবে একপেশে লেখা লিখেন যা অত্যন্ত হাস্যকর। তাঁর এই আপাতঃ সারল্যের পেছনে অনেক মজার মজার বৈষয়িক লাভালাভের ঘটনা আছে। তিনি সরলভাবে অর্ধসত্যটি বলেন, বাকী অর্ধেক কেউ জানতেও পারেনা।

      Reply
    • সৈয়দ আলি

      আরো দেখুন তিনি তাঁর লেখায় তবলিগ জামাতের ইজতেমার প্রতি কী সহানুভুতি দেখাচ্ছেন। আবার অতি সরলভাবে তিনি নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ বলেও দাবী করেন।

      Reply
    • Prodip

      ভাই আপনি কোথায় থাকেন ? শেরাটনের ঘটনা তো প্রমানিত,সেই একুশে আগস্ট এর জজ মিয়ার মতো। পুলিশের কাস্টডিতে থাকা লোক দিয়ে যে আগুন লাগানো হয়েছিল সেটা তো প্রমাণিত কোর্টের কাছে। আপনি কোথায় থাকেন ? বিএনপি মানেই কি শুধু মিত্যার বেসাতি ??

      Reply
    • মুখপোড়া

      যখনই বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পোড়ানোর প্রসঙ্গটা আসে, তখনই এই প্রসঙ্গটা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের উপর দায় চাপানো হয়।

      তারিখটা সম্ভবতঃ ২০০৪ সালের ৪ঠা জুন।

      এই ঘটনার প্রায় ১ সপ্তাহ পরে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে একটা ভিডিও ফুটেজ ডিবি অফিস থেকে সাপ্লাই দেয়া হয় এই মর্মে যে, বাধ্যতামূলক এটি প্রচার করতে হবে। ঐ ভিডিও ফুটেজে আরিফুল ইসলাম কালু নামে এক ব্যক্তির জবানবন্দী ছিল।

      ভিডিও ফুটেজের ঐ জবানবন্দীতে কালু বলেছিল, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, হাজী সেলিম, সাঈদ খোকনসহ আরও কয়েকজন বাসে মানুষ পোড়ানোর জন্য তাকে টাকা দিয়েছেন। কালু পুরান ঢাকা থেকে কেরোসিন কিনে তার ২/৩ জন সঙ্গী নিয়ে শাহবাগ পর্যন্ত রিক্সায় আসে। শাহবাগ থেকে হেটে এসে বাসে আগুন দিয়েছে। যে আগুনে ১১ জন বাসযাত্রী মারা যান।

      এই ভিডিও স্টেটমেন্ট প্রচারের কিছুদিন পর যুবলীগের পক্ষ থেকে একটা প্রেস কনফারেন্স করা হয়। যে প্রেস কনফারেন্সে প্রমাণ করে দেয়া হয়, ২০০৪ সালের ৪ঠা জুন তারিখে ঐ কালু পুলিশের রিমান্ডে ছিল। রমনা থানায় পুলিশ কাস্টডিতে ছিল।

      এই মামলায় এসব প্রমাণপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হলে প্রমাণিত হয় যে, কালু ঠিকই ঐ দিনগুলোতে পুলিশ রিমান্ডে ছিল।

      পুলিশের তৎকালীন ডিসি খান সাঈদ হাসান এর কথা প্রথম আলো পত্রিকায় ‘দিনের উক্তি’ হয়েছিল, “খান সাঈদ হাসান কোর্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ঐ জবানবন্দীদাতা কালুকে বলছে, তুই যে ঐ সময় জেলে ছিলি, এটা আমাদের বলবি না, বললে কি আর তোকে দিয়ে এই মামলা সাজাই?”

      মিস্টার কান্টি, এই হচ্ছে, মূল ঘটনা। আরও প্রমাণ চাইলে ঐ সময়ের প্রথম আলো, সেই ভিডিও জবানবন্দী বের করা সহজ। আরও সহজ হচ্ছে, একাত্তর জার্নালে সম্প্রতি প্রচারিত প্রতিবেদন।

      আল্লাহর ওয়াস্তে এই নিয়ে আর কোন মিথ্যাচার করবেন না।

      Reply
      • R Masud

        এই মুখপোড়ার কমেন্টা প্রতিটি পত্রিকায় বার বার চাপানো উচিৎ।
        তানা হলে গোয়েবলস এর প্রপাকান্ডার মতো বি এন পি র শয়তান্দের এই প্রচারটা (সেরাটনের সামনে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা টা) একদিন মানুষ সত্যি বলে বিশ্বাস করা সুরু করবে।
        আওয়ামীলীগের কর্তা গন এই সমস্ত ব্যাপারে ঠীক সময়ে ব্যাবস্তা না দিলে, পরে এটা মহিরুহ হিসাবে দাড়াতে পারে।

        ধন্যবাদ মুখপোড়া ভাই।

      • মুখপোড়া

        “এই লেখায় পেট্রল বোমায় পুড়ে যাওয়া বরিশালের সোহাগ বিশ্বাসের মর্মস্পশী কথা আছে তবে বিএনপির শাসনামলে হোটেল শেরাটনের সামনে গান পাউডারে ঝলসে যাওয়া নয় জন বাস যাত্রীর কোন কথা নেই!!”

        আপনি এই কমেন্ট অজ্ঞানে করেছেন, পাঠক বুঝবে কিভাবে? তাই তথ্য হাজির করেছি। অতীতের কোন বিষয় নিয়ে আলোচনায় তথ্যের চেয়ে শক্তিশালী আর কিছু আছে কি? নীচের এক কমেন্টে এ তথ্যের ভিডিওর লিঙ্কও শেয়ার করেছি।

      • সেলিম-চকরিয়া

        ভাই, কান্টি সাহেবরা অনেক কিছু বুঝেও না বুঝার ভান করে, তাই ওনারা কোন দিন কোন কিছু ভালোভাবে যাচাই না করে মন্তব্য করেন। চোখ খোলা থাকে কিন্তু চোখে দেখেন না।

      • Maharaja

        To Mukhpora, if your comments are true then how about the video footage of Sheikh Salim’s confessional statement after the then Shahbagh’s brutal torching of bus that killed innocent people? We general mass are very confused.

      • বৃদ্ধাঙ্গুলিহীন

        জ্বি, জ্বি… কালু রিমান্ডে ছিলো, আগুন দেয় নাই, অতএব নো ওয়ান কিল্ড জেসিকা! বাহ! আওয়ামীলীগেরই সাজানো একটা মামলার ঘটনা কে আওয়ামীলীগের নিরপেক্ষতার প্রমান হিসাবে উপস্থাপন করলেন, কিন্তু আফটার ওয়ান ইলেভেন, হাজি সেলিম যে আর্মির কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলো ওটার কথা বেমালুম চেপে গেলেন। নাকি ওই ভিডিও দেখেননাই? লিঙ্ক লাগবে? 🙂
        এই না হলে আওয়ামীলীগ সাপোর্টার। আপনাকে দিয়েই হবে। আপনারা মানুষ খুন করবেন, তারপর আত্মসমর্পন করে জবানবন্দি দিবেন যে আপনি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে খুন করেছেন। পরে আপনার উকিল প্রমান করবে যে গত ৫০ বছরে বাংলাদেশে কোন চাইনিজ কুড়াল ইম্পোর্টই হয়নি, অতএব আপনি বেকসুর, ভেরি গুড।

      • মুখপোড়া

        কমেন্টের সাথে শেয়ার করা ওয়েব লিঙ্ক বিডিনিউজে অনেক সময় পাবলিশ হয় না। তাই কমেন্টের সাথে আমি ঐ ভিডিওর লিঙ্ক দিইনি। নিন, আপনার কমেন্ট পড়ে আমি আমার বক্তব্যের সপক্ষে একাত্তর জার্নালের সেই ভিডিওর লিঙ্ক দিতে বাধ্য হলাম। আশা করি, আপনি আপনার হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ছাড়াই ভিডিও লিঙ্ক এখানে শেয়ার করবেন।

        http://goo.gl/5WwyIz

  28. srabon sarker

    সন্ত্রাসী দমনে আরও কঠোর হতে হবে।এসিড নিক্ষেপে যদি মৃত্যুদন্ড হয় তাহলে পেট্রল বোমায় কেনো মৃত্যুদন্ড দেওয়া হবে না।আশা করি অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধানে কেউ স্বপ্রনোদিত হয়ে কোর্টে রিট করবে।

    Reply
  29. Fabien

    সকল আওয়ামী ছাগুর মতো জাফর ইকবাল স্যারেরও ‘দূর্বিত্ত্ব’ শব্দটি পছন্দ নয়। তিনি আগুন দেয়া দূর্বিত্ত্ব মানেই বিএনপি-জামাত মনে করেন। স্যার ভালোই আবেগ ঝরঝরে লেখা দিয়েছেন, শুধু টাইমিং একটু খারাপ হয়ে গেছে। গতকালই এক আওয়ামী নেতার পুত্র আগুন দিতে গিয়ে ধরা খেয়েছে পুলিশের হাতে। অবরোধের শুরুর দিকে এক আওয়ামী নেতাজির গিন্নির হাতে নিজের বাসায় ফুটে গেছে বোমা। তারও আগে গতবছর যখন স্যার ভোট দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন আগুন দিতে গিয়ে আওয়ামী নেতারা ধরা পড়েছিল। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা!
    এখন কথা দাঁড়াচ্ছে, নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কি লিখে দেয়া যায় যে অমুকটি তমুক দলের আগুন? আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আওয়ামী আগুন ও বিএনপি-জামাতি আগুনের পার্থক্য বোঝার একটা ফিল্টার তৈরি করে দিলে জাতির খুব উপকার হয়।

    Reply
    • রাজীব

      আপনার কথা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ আগুন লাগাচ্ছে, তাইতো? ঠিক আছে, মেনে নিলাম। তাহলে নিচের ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা কি?
      – বিজিবির মহাপরিচালক, RAB এর মহাপরিচালক যেদিন বললেন পেট্রোল বোমা হামলাকারীদের দেখামাত্র গুলি করা হবে সেইদিনই রিজভী তাদের সমালোচনা করে বিবৃতি দিল। কেন?
      – শিবিরের কর্মী বোমা মারতে গিয়ে আহত হয়ে গত পরশু মারা গেল। কেন?
      – ছাত্রদল নেতা বোমা বানাতে গিয়ে মারা গেল। কেন?
      – টেকনিক্যালে ছাত্রদল নেতা বোমা হামলার পর গনপিটুনি খেল। কেন?
      – সারাদেশে বহু জায়গায় পেট্রোল বোমা বা ককটেল মারার সময় যারা আটক হয়ে গনপিটুনি খেয়েছে তারা বিএনপি বা শিবিরের কর্মী। কেন?

      Reply
    • Prodip

      তাহলে বিডিয়ার গুলি করতে বললে বিএনপি র পেটে কামড় দেয় কেন । শিবির তো সব জায়গায় ধরা পড়ছে। জাফর ইকবালের বর্ণনার বাইরে এই তথ্য তো আপনাদের মেশিনে তৈরি। আমার দেশ কি কম বানিয়েছে ??

      Reply
    • মুখপোড়া

      আওয়ামী নেতার পুত্র, আওয়ামী নেতার গিন্নি- এ দু’টি খবর তো এই বিডিনিউজেওতো দেখিনি। আপনি কোথায় পড়েছেন? বাশের কেল্লায়?

      Reply
  30. রুহান

    ake onner dush diye ar koto cholbe shushu vabe jodi na chole.Tobe ai jati akhon oshohoyae kintu rokte ৭১ ase jeta BNP o na awamiligue o na. Jokhon jagbe Dui শকুন ke e dhanda kore debe….

    Reply
  31. নাফিজ আরেফিন

    বিএনপি-জামাত জোট আন্দোলন করছে। আন্দোলন চলাকালীন মানুষ খুন হচ্ছে। সুতরাং বিএনপি-জামাত জোটই মানুষ খুন করছে। … সাদাসিধে কথা। এরকম সাদাসিধে চিন্তা মানুষ সুপ্রাচীন কাল থেকে করে আসছে। যেমন, চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা সবকিছুকে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে দেখা যায়। সুতরাং পৃথিবীই মহাবিশ্বের কেন্দ্রস্থল। হা হা হা.. এভাবে বিশ্লেষন করলে সেটা বিজ্ঞানের জগতে টেকে না। এমনকি আদালতেও টেকে না। তবে পত্রিকার পাতায় টেকে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে টেকে। বিরোধীকে দমন করতে খুবই ফলপ্রসু হয়।

    “আমাদের দেশে রাজনীতির হিসাব খুব সোজা। যদি সোজাসুজি পাওয়া না যায় সেটা জোর করে আদায় করে নিতে হবে।” একদম ঠিক কথা। আওয়ামী লীগ বুঝেছিলো তারা ভোট পাবে না। তাই ৫ জানুয়ারীতে নিজেরাই সীল মারার ব্যবস্থা করেছিলো। নির্বাচন কমিশনার থেকে শুরু করে রিটার্নিং অফিসার হয়ে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পর্যন্ত প্রশাসনের প্রতিটি ধাপকে তারা কিনে ফেলেছিলো। আমি একজন সরকারী চাকুরিজীবী। সে সুত্রে ঐ নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে পোলিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলাম। আমার কলিগরা প্রায় সবাই কোন না কোন কেন্দ্রে ছিলো। আমার নিজের অভিজ্ঞতা এবং তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমি খুব পরিস্কারভাবে জানি সেদিন কোন নির্বাচন হয়নি।

    বিশ হাজার টাকার চুক্তিতে যারা মানুষ খুন করে তারা নির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক দলের হবার কথা নয়। তারা প্রফেশনাল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের ব্যবহার করে। যে টাকা দেয় তার হয়েই তারা কাজ করে। এমন প্রফেশনালদের একজনকেও কি পুলিশ ধরতে পেরেছে? আমরা কিন্তু অতীতে দেখেছি পুলিশকে কোন অপরাধের নিষ্পত্তি করতে সিরিয়াসলী নির্দেশ দিলে পুলিশ তা সত্যিই করতে পারে। এরকম বহুবারই দেখা গেছে। আর এখনতো পুলিশ প্রশাসনে বেছে বেছে দলীয় লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে, হচ্ছে। আজকের পত্রিকায় দেখলাম আনসার নিয়োগেও দলীয় মতাদর্শ বিবেচনা করা হবে। তবুও কেন একজনও প্রফেশনাল কিলার ধরা পড়ছে না? আমরা কি আশংকা করতে পারি যে পুলিশকে সিরিয়াসলী নির্দেশ দেয়া হচ্ছে না? কেন দেয়া হচ্ছে না? বরং বিরোধী দলের (সংসদীয় বিরোধী দল নয়, বালাই ষাট!) উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের নামে মামলা করা হচ্ছে। কেন? বাসে আগুন দিয়ে মানুষ মারা তো আন্দোলন নয়, মার্ডার। মার্ডারারদের ধরতে পুলিশের সমস্যা কোথায়?

    Reply
  32. এনাম উদ্দিন

    জাতীর বিবেকদের এভাবে এগিয়ে না আসলে নি:সংশতার যে রুপ পরিগ্রহ করেছে আমাদের নোংরা প্রতিহিংসা পরায়ন রাজনীতি সেই গহব্বর থেকে উঠে আসা সম্ভব নয়….! মতি আলু দের সুমতি কখনো এদেশে হয়নি কোন দুর্যোগে, সুশিল নামক কু-শীল শ্রেনী এদেশের সংকট কে আরো উস্কে দিতে চামচিকার ভুমিকা পালন করেন সব সময়, কাজেই দুবৃত্ত পরিবেষ্টিত মিডিয়া ও চাটুকারবৃত্তিক কু-শীলদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েগেছে, এবার বর্জনের পালা…….।পেট্রল বোমার রাজনীতি বন্ধ হোক….. এদেগ্রেনেড বোমার সংস্কৃতি যারা চালু করেছিল তাদের পক্ষে জংগী রাষ্ট্র ফাকিস্তান থেকে ভিক্ষে করে হলেও পারমানবিম অস্র মানসিকতার কমতি থাকবেনা,পেট্রলবোমাতো তাদের কাছে তুচ্ছ…!!!ধিক এই হীন শয়তানী ও ক্ষমতা দখল কুট-বুদ্ভির ভিলেন’দের,,,,,,

    Reply
  33. রাজীব

    কিছুই বলার নেই স্যার। আপনার মত আমরাও শুধু খোদার কাছে প্রার্থনাই করতে পারি, আর কিছু করার ক্ষমতা আমাদের নেই। প্রতিদিন আতংক নিয়ে অফিসে যাই, আতংক নিয়ে ফিরে আসি। জানিনা কবে আমার পরিনতিও ঐ হেলপারের মত হয়।
    একটা স্বাধীন দেশে কেন আমাদের এরকম আতংকিত জীবন? এর শেষ কোথায়? রাজনীতির আগুন কেন সাধারন মানুষের গায়ে? এই গরীব অসহায় মানুষগুলো কি দোষ করেছে? তাঁরা কেন পুঁড়ছে?

    Reply
  34. নূর হোসেন

    স্যার, আপনার এই লেখাটি দুঃখজনকভাবে একপেশে হয়েছে। নিঃসন্দেহে পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ মারা একটি জঘন্য কাজ। এসব কাজের জন্য বিএনপি-জামাতকে উল্লেখ না করার জন্য পত্রিকাওয়ালাদের লেখা পড়ে বমি করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। আবার পত্রিকাওয়ালারা যখন বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে নিহত ছাত্রদল কর্মীর কথা উল্লেখ করেছে তার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদটুকু জানানোর ইচ্ছে পোষণ করেননি। পত্রিকাওালারা আপনার মত চোখ বন্ধ করে বা অনুমানের ভিত্তিতে সব অপরাধের জন্য বিএনপি জামাতকে দায়ী করার মত কাণ্ডজ্ঞানহীন নয়। আপনি যেমন বিএনপির আন্দলনের প্যাটার্ন দেখে অনুমান করছেন যে বিএনপি-জামত পেট্রোল বমা দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছে তেমনি ঠিক একইভাবে আন্দোলন দমনের প্যাটার্ন দেখে বলা যায় হয়ত ছাত্রলীগের কেউ একাজগুলো করছে বা করাচ্ছে। ছাত্রলীগের অপকর্মের খবরতো আমরা বিগত কয়েকবছরে কম দেখিনি। হয়ত তখনও আপনার বমি করতে ইচ্ছে হয়েছিল। গান পাউডার, লগি বইঠা দিয়ে মানুষ মেরে লাশের উপর নৃত্য, চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে বিশ্বজিৎকে হত্যা,ফেনীতে গাড়িতে গুলি করে ও পুড়িয়ে মারা, লীগের দলীও কোন্দলে অসংখ্য হত্যা, আর বিএনপি জামাতের নেতা কর্মীদের গুম ও হত্যার কথা না হয় বাদই দিলাম। এইকাজগুলো কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার এবং বিরধী দলে থাকা অবস্থায় করেছে। স্যার, বিএনপির কোন নেতার সাথে নাহয় আপনার পরিচয় নেই, কিন্তু আওয়ামীলীগের অনেক নেতার সাথে নিশ্চয়ই আপনার জানাশুনা আছে। তাদের কারও হাতে একটু চাপাতি দিয়ে কোপ দিয়ে দেখতে ইচ্ছে হয় না আপনার? অথবা লগি বৈঠা দিয়ে তাদের কারো মাথায় একটা বাড়ি দিয়ে টেস্ট করতে? স্পষ্টতই বিএনপি জামাতের সাথে জোট করে আন্দলন করছে বলে আপনি অসন্তস্ট। তাই বলে কি চোখ বন্ধ করে সব অপকর্মের দোষ বিএনপির উপর চাপিয়ে দেয়া আর আওয়ামী লীগের সব অপকর্ম মেনে নেয়া ঠিক? অনুমানের ভিত্তিতেতো এও বলা যায় যে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে আওয়ামী লীগই পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ মারছে বিএনপিকে জনগনের কাছে খারাপ বানাতে। বিএনপি যখনই সমাবেশ করতে চায়, আওয়ামী লীগ গাড়ী ঘোড়া বন্ধ করে দিয়ে অঘোষিত সরকারী হরতাল করে। কেন?

    আমি যতদূর বুঝি স্বাধীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্যই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। একদলীয় শাসনের জন্য নয়। দেশের পরিস্থিতির জন্য আওয়ামী লীগ সমভাবে দ্বায়ী কারন তারা বিএনপিকে তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেস করতে দেয়নি যেটা তাদের গণতান্ত্রিক অধীকার। খালেদাকে বন্দী করে রাখায় খালেদা অবরোধের ডাক দিতে বাধ্য হয়েছেন। অবরধে পেট্রোল বোমা কারা মারছে তা নিরপেক্ষ পুলিশী তদন্ত ও আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত পত্রিকায় তাদেরকে “দুর্বৃত্ত” উল্লেখ করাই উচিত। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আওামী লীগ ও বিএনপি সমভাবে দ্বায়ী কারন ৯০ এর পর থেকে এই দুদলই সরকার ও বিরোধীদল গঠন করেছে। সরকারে থাকলে বিরধীদলকে দমন করেছে আর বিরোধীদলে থাকলে আন্দলনের নামে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। সেই দমন আর আন্দলনের মাত্রা আজ চরম আকার ধারন করেছে। এই পরিস্থিতিতে কট্টরপন্থী বুদ্ধিজীবিদের একপেশে লেখা আগুনে ঘি ঢালা ছাড়া কোন সমাধান আনবে না। অবশ্য,পুলিশ-র‍্যাব বিজিবি দিয়ে প্রধান এবং প্রকৃত বিরোধীদল কে হত্যা ও গুমের মাধ্যমে নির্মূল করতে পারলে আলাদা কথা। আশা করি মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে শিখবেন, দলীও হিসাবে নয়। দেশে শান্তি আস্তে পারে দুটি উপায়ে – ১। শেখ হাসিনা বিএনপি সহ সব দলের সাথে আলচনায় বসে একটি নিরপেক্ষ নিরবাচনের ঘোষণা দিএ। ২। খালেদাসহ বিএনপিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তাদেরকে গুম করে দিএ। এবং সেতা অত্তন্ত দ্রুততার সাথে করা উচিত যেন আর কোন মানুষ পুড়ে না মরে। ধন্যবাদ।

    Reply
  35. mostafa kamal

    স্যার, খেয়াল করেছেন কি, বিএনপির বাঘা বাঘা নেতা/উপদেষ্টা/ব্যরিষ্টার/যোদ্ধারা কিন্তু ম্যাডামের অনুমতি ছাড়া গেট খোলার কিংবা একটু নড়াচড়াড়ার চিন্তাটুকুও করতে পারে না। তা’হলে বিএনপির কোন নেতার কোন আঙুলে একটুখানি একটা ম্যাচের কাঠি ধরতে চেয়েছেন, তিনি কি ম্যাডামের অনুমতি ছাড়া উঃ আঃ বলতে পারবেন ?
    আপনি ঠিকই বলছেন স্যার, আমাদের মহান মহান বুদ্ধিজীবি,বিশাল বিশাল টেলিভিশণ,বড় বড় পত্রিকার মানুসেরা খুজে পাচ্ছে না যে কে মানুষ পুড়িয়ে মারছে ? সেখানে বিএনপি কেন দেখতে যাবে ১৫ লক্ষ এসএসসি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারলো কি পারলো না । দেশ, প্রজন্ম ধ্বংস হলে তবেই তো নতুন গনতন্ত্র পাওয়া যাবে, তাই না ?

    Reply
  36. মাহমুদ

    আপনি তো 36 জনের কথা বললেন,কিন্তু আপনি কি জানেন,আওয়ামীলীগ সরকার আইনশৃংখলা বাহিনী এবং ছাত্রলীগ দিয়ে এপর্যম্ত কতজন মানুষকে গুম খুন করয়েছে?আপনি সেসব জানবেন না ৷করাণ আপনারা তো আর প্রথম আলো ছাড়া আর কোন পত্রিকাই পড়েন না ৷

    Reply
  37. Sujon

    যারা বলছেন বি,এন , পি এর উপর দোষ দেবার জন্য অন্য কেউ পেট্রোল বোমা মারছে , তাদেরকে বলছি, আপনারা বি, এন, পি,কে বলুন অবরোধ প্রত্যাহার করতে ,অবরোধের কারণে অন্য কেউ তাদের কে সন্ত্রাসী হিসেবে এস্টাবলিস করার সুযোগ পাচ্ছে | সত্যিই যদি বি ,এন , পি পেট্রোল বোমার সাথে জড়িত না থাকে তাদের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অবরোধ প্রত্যাহার করে নিজেকে রক্ষা করা | অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে অবরোধ চালিয়ে গেলে বুজতে হবে ‘ডালমে কুচ কালা হে ‘

    Reply
  38. আইয়ুব

    মানুষ পুড়িয়ে মারাটা কোন ভাবেই সমর্থন যোগ্য নই, তবে গণতান্ত্রিক কোন একটি দলের যদি আন্দোলনের সব পথ বন্ধ করে দেয় তাহলে তো তারা হিংস্র হবেই, এই মানুষ পুড়িয়ে মারার মধ্যে সরকারের ও অপরাধ কম নই, কারন সরকারই তাদেরকে ঐ পথে ঠেলে দিয়েছে, আর বর্তমান সরকারি দল ও বিরুধী দলে থাকার সময় কম মানুষ পুড়াননি, আসলে আমি এবং দেশের জনগন ফখরুলের শাসন আমলের মত শান্তিপূর্ণ শাসন আমল আর দেখিনি, সুতারাং বর্তমান সময়ের জন্য ও আমি ফখরুলের মত কাউকে আশা করছি,

    Reply
  39. শরীফ হোসেন

    স্যর যে পত্রিকাটির নাম বলেননি সেটা হলো প্রথম আলো। আপনার বাংলাদেশ নিয়ে অনেক অনেক ভালো কাজের ভেতর আরেকটা ভালো কাজ হচ্ছে এই পত্রিকাটিতে না লেখা। এই পত্রিকাটি সংবাদ টুইষ্ট করেনা, তবে সংবাদের মেরিট টুইষ্ট করে। সেখানকার পাঠকের মন্তব্য মডারেশন পার হয়ে আসে, আর সেই মন্তব্যতে এইসব পুড়িয়ে ও বোমা মেরে হত্যার প্রচ্ছন্ন সমর্থন থাকে। বিপরীতে কমেন্ট পাবলিশ হয়না বা হলেও কাটছাঁট করে পাবলিশ হয়।

    Reply
  40. munjor alam

    jafor vi can u give me an exemple of an election occured in bangladesh on 5 january2014 in the history of democracy. Pls see and tell the faults of BNP and rulling party. But u never see the both sides Because u r a biased person like a politician. How can we tell that u r an intelectull?

    Reply
  41. Shorafat Ullah

    জনাব, আপনি ধরেই নিয়েছেন যে এসব জ্বালাও পোড়াও এর কাজগুলি শুধু বিএনপি জামায়াতের লোকেরাই করছে। কি করে এত নিশ্চিত হলেন? সরকার কি তাদের ধরতে পেরেছে? সরকার কেন, এত পুলিশ, বিজিবি, মাস্তান বাহিনী নিয়েও ওদের ধরতে পারছে না কিংবা ধরতে চাচ্ছে না? আপনাদের মত বুদ্ধিজীবিদের বোধদয় হবে কবে? নাকি সব জেনে শুনেও গল্পের সেই উট পাখির মত বালিতে মাথা গুজে রাখবেন আর ভাববেন আমাকে কেউ দেখছে না.

    Reply
  42. ashik09

    খুব অবাক লাগে জখন দেখি বিনপি নেতারা বলে আমরা পেট্রোল বোমা মারি না,,,,,,,,,, অারে বাপ তোরা যদি বোমা না মারোছ তাহলে কি অামাদের গাড়ি চালাতে বলতেছ,,, সাংবাদিক ভাইরা দয়া করে তাদের প্রশ্ন টা করবেন plz…

    Reply
  43. রাকিবুল হাসান

    যারা অবরোধ হরতাল দিচ্ছেন,তাদের সাথেতো সাধারন মানুষের কোন শত্রুতা নেই। তাহলে কেন সাধারন মানুষের উপর আক্রমন? মানুষ পুড়ে মরছে আর আপনারা বলছেন অবরোধ সফল? এর মানে কি এই নয় যে আপনারা মানুষ হত্যাকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন?

    Reply
    • sunil akash

      Right you are. We are the hostage of two ‘pro-people’ parties. Let’s pray to Almighty to awake humanity and consciousness to our ‘powerful’ political parties who are fighting to ‘protect’ democracy..

      Reply
    • রবিন সাজিন

      সামনে বছর মানে বিএনপির আমলে আবার ‘যেকোন মূল্যে গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আহবান করবেন না তো? আবার কতহাজার গনতন্ত্রের জন্য প্রান দিছে, ইজ্জত দিছে ইত্যাদি বক্তৃতা দিবেন না তো?

      Reply
  44. Nazmus Sakib

    অসহায় এক জীবনধারা চারপাশে আজ আমার
    রাজনীতির শিকলে বাঁধা জীবন সবার
    কতকিছু ঘটে যায় তবু থাকতে হয় নির্বিকার
    কেটে যাবে একিভাবে কারো নেই যে কিছু করার

    আমারই দেশে এমনি জীবনধারা…..

    Reply
  45. শিবলী

    অনেকেই ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের অছিলায় সহিংসতাকে বৈধতা দিচ্ছেন তারা কি একটা প্রশ্নের উত্তর দিবে; ৫ জানুয়ারির আগে কেন সহিংসতা হচ্ছিল?

    Reply
    • নূর হসেন

      সহিংসতাকে কেউ বৈধতা দেয় না যেমনটা বৈধতা দেয়নি ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনকে। আপনি কি একটা প্রশ্নের উত্তর দিবেন? – কেন শেখ হাসিনা তত্তাবধায়ক সরকার বাতিল করে গায়ের জোরে ৫ই জানুয়ারী নির্বাচন করলেন? আর সংবিধানের খাতিরে যদি করেই থাকেন, তাহলে কেন দ্রুত আলোচনায় বসে একটি গ্রহণযোগ্য নিরবাচনের ব্যাবস্থা করছেন না?

      ক্ষমতায় থাকার জন্য উনি যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছেন। জনগন পুরে ছাই হোক, উনার ক্ষমতা থাকলেই হল।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—