কয়েক দিন আগে বর্তমান বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে টিভি চ্যানেলগুলোতে কাঁদতে দেখে সবার মতো আমারও খুব খারাপ লেগেছে। সেদিনই তাঁকে সেনানিবাসের বাড়ি ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল। তিনি বারবার রুমালে চোখ মুছছিলেন, আর সাড়ে তিন দশকের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটির কথা বলছিলেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান, বাড়ি থেকে তাঁকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। সেনাসদস্যদের বিরুদ্ধে তিনি দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ করেছিলেন। অবশ্য, সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ বা আইএসপিআর এর পাল্টা বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, হাইকোর্টের দেওয়া সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে চলে যান।

তারা উল্টো অভিযোগ করেছেন, একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য তিনি বরং সেনাসদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। এমনকি, গালিগালাজও করেছেন। এখন কোন বক্তব্য সঠিক তা বলা মুশকিল। তবে, একটি বিষয়ে তাঁর বক্তব্য অনেকের মতোই আমার কাছেও হাস্যকর মনে হয়েছে। সেটি হলো, সেনানিবাসের বাড়ি হারিয়ে তিনি এখন ‘বাস্তুহারায়’ পরিণত হয়েছেন। তাই বাস্তুহারা প্রসঙ্গটি নিয়ে দুয়েকটি হালকা কথার এই অবতারণা।

আমার কৈশোর কেটেছে গ্রামে। শহরের প্রতি ছিল দুর্নিবার আকর্ষণ। আর তাই সে সময় ঘর-পালানোর একটি বদ-অভ্যাস আমার মধ্যে গড়ে উঠেছিল। পালিয়ে আসার কারণে শহরে কোনো আত্মীয়ের বাসায় উঠতাম না। আমার সঙ্গী হতো আমার সমবয়সী এক খালাতো ভাই। আমাদের রাত কেটে যেত নির্মাণাধীন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। ট্রেন তখন ফুলবাড়িয়া স্টেশনেই যাতায়াত করত। মাঝে মাঝে রাতে সেখানেও ঘুমাতাম। সে সময় কমলাপুর ও ফুলবাড়িয়া স্টেশনে অনেক বাস্তুহারাকে দেখেছি।

শীতের এক রাতে কমলাপুর স্টেশনে শুয়ে আছি। কনকনে শীত, সেই সঙ্গে জোড় উত্তুরে বাতাস। সুঁইয়ের মতো শরীরে বিঁধে যাচ্ছে। স্টেশনের মোটা থামের আড়ালে জবু-থবু বসে আছি। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। অথচ সে রাতেও সেই প্লাটফর্মে শতাধিক পরিবারকে দেখেছি, কোনো রকমে ছেঁড়া কাথা মুড়ি দিয়ে সন্তান-সন্তুতিসহ আধমরার মতো শুয়ে থাকতে। তারাই তো সত্যিকারের বাস্তুহারা। কারো ঘরবাড়ি কেড়ে নিয়েছে সর্বনাশা নদী। কেউ দায়-দেনায় সর্বস্ব হারিয়ে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হয়ে স্টেশনের প্লাটফর্মে আশ্রয় নিয়েছে। কেউবা কাজের আশায়, বেঁচে থাকার মতো জীবিকা অর্জনের জন্য ঢাকায় এসে প্লাটফর্মে ঠাঁই নিয়েছে। এ ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না। তারাই প্রকৃত বাস্তুহারা। বর্তমানে শুধু রেল স্টেশন বা লঞ্চ টার্মিনালই নয়, যেকোনো রাস্তার ফুটপাতে হাজার হাজার পরিবারকে শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে দেখা যায়। প্রকৃত বাস্তুহারা তো তারা। সারা দুনিয়াই এ রকম কোটি কোটি বাস্তুহারা রয়েছে। যাদের জীবনের দুঃখকষ্টের চিত্র কল্পনা করলেও চোখের কোণায় জল জমে যায়। কিন্তু তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর নিজেকে ‘বাস্তুহারা’ দাবি করেন কীভাবে? তাঁর এই দাবির পেছনে কী যুক্তি আছে? একটু খতিয়ে দেখা যাক।

সরকারিভাবে তাঁকে দুটি বাড়ি দেওয়া হয়েছিল। সেনানিবাসের বাড়িটি ছাড়তে হলেও গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় ৩১ কাঠা জমির ওপর তাঁর আরেকটি বাড়ি রয়েছে। আত্মীয়-স্বজন এবং পরিবারের সদস্যদেরও অনেকের সরকারিভাবে পাওয়া প্লট বা বাড়ি রয়েছে। সর্বোপরি, বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে তাঁর জন্য বরাদ্দ করা একটি সরকারি বাড়ি সম্পূর্ণ খালি পড়ে রয়েছে। তারপরও তিনি ‘বাস্তুহারা’ হন কী করে? তাঁর এভাবে নিজেকে ‘বাস্তুহারা’ দাবি করা কি প্রকৃত বাস্তুহারাদের সঙ্গে পরিহাস করার শামিল নয়? সম্ভবত সে কারণেই সেদিন বাস্তুহারা কল্যাণ সমিতির একজন নেতা ঠাট্টা করে বলছিলেন, ‘আমরা তাহলে ওনাকে সমিতির সদস্য করে নিলেই পারি!’

Khaleda Zia - 16111

শুধু তাই নয়, দিনাজপুর শহরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মা ‘রানীমাতা’ নামে সমধিক পরিচিত। সেই মায়ের নামে সেখানে রয়েছে প্রাসাদোপম ‘তৈয়বা ভবন’। দিনাজপুরে কান্তজির মন্দির বানিয়েছিলেন যে মহারাজা, তিনি সেখানে পাঁচটি বড় দিঘি কাটিয়েছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মাতাসাগর। ৪৬ একর জমির ওপর কাটা এ দিঘিটি তীরবর্তী কিছু জমিসহ লিজ দেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়ার বাবাকে। জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসনামলেই এ লিজ দেওয়া হয়েছিল। জানা যায়, লিজের জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল চার লাখ টাকার মতো, যা তিনি কখনো জমা দেননি। অথচ মাতাসাগর ভোগদখল করে আসছিলেন তারা। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হন। ইতিমধ্যে তাঁরা বাবা মারা গেছেন। সম্ভবত ১৯৯৪ সালে সেই মাতাসাগরের লিজ হস্তাস্তর করা হয় তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল ও তাঁর ভাইদের নামে এবং তখন লিজের টাকা পরিশোধ করা হয়।

দিনাজপুর পৌরসভার অবিভক্ত বাংলার এককালীন চেয়ারম্যান বাবু যতীন্দ্র মোহন সেনের বাড়িটা লিজ দেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা বেগমের গড়া একটি এনজিওকে। সেই এনজিওটির কমিটিতে তাদেরই আত্মীয়স্বজন এবং বিএনপির কিছু লোক রয়েছেন। পঞ্চগড়ে ঐতিহ্যবাহী জাজ ডিস্টিলারির মালিক হয়েছিলেন তার ছেলে ও ভাগ্নে। সেখানেও প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। বগুড়ায়ও তাঁর স্বামীর এবং পরবর্তীকালে ছেলের অর্জিত বেশ জায়গাজমি ও বিশাল বিশাল স্থাপনা রয়েছে। খালেদা জিয়ার বাবার আদি বাড়ি ছিল বৃহত্তর নোয়াখালীর ছাগলনাইয়ায়। তিনি সেখান থেকে নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেখানেও জমিজমার অধিকার তারা ছাড়েননি। সাভারেও তাদের নামে-বেনামে অনেক জমি আছে। ছোট ভাই ইস্কান্দারের সেখানেও রীতিমতো রাজত্ব রয়েছে। সারা দেশে তাদের এ রকম আরও কত সম্পত্তি রয়েছে, তার সব হিসাব আমাদের জানা নেই। একটি পরিবারের অনেক সম্পত্তি থাকতেই পারে। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার আমাদের নেই। কিন্তু রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি আইনবহির্ভূতভাবে যদি কাউকে দেওয়া হয়, তাহলে প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক। আর তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী অশ্রুসজল চোখে নিজেকে ‘বাস্তুহারা’ দাবি করাটা সম্ভবত সঙ্গতও নয়।

প্রথমেই বলেছি, বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ি ছাড়া কিংবা উচ্ছেদের ব্যাপারে দু ধরনের মতই আমরা পেয়েছি। কোনটি বিশ্বাসযোগ্য তা ভবিষ্যৎই বলতে পারবে। তবে কিছু ঘটনার কথা এখানে উল্লেখ করা যায়। যেদিন খালেদা জিয়া বাড়িটি ছেড়ে যান, তার আগের দিন দৈনিক প্রথম আলো প্রধান শিরোনামে যে খবরটি ছাপা হয়েছিল, তা প্রণিধানযোগ্য। ‘বাড়ি ছাড়ার প্রস্তুতি খালেদার’ শিরোনামের খবরটিতে বলা হয়, তিনি ১ নভেম্বর থেকেই বাড়ি ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে থাকেন এবং বাড়ির মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেন। এ কাজে তিনি সেনাবাহিনীর সহায়তাও চেয়েছিলেন। ১, ৪, ৯ ও ১০ নভেম্বর অর্ধশতাধিক কার্টন মালামাল, কয়েকটি বড় ব্যাগ, স্টিলের বড় ট্রাংক ইত্যাদি সরিয়ে নেওয়া হয়। অধিকাংশ মালামাল নেওয়া হয় ছোটভাই এস্কান্দার ও ছেটো ছেলে কোকোর শাশুড়ির বাসায়। খবরে বলা হয়, খালেদা জিয়া বাড়ি ছাড়ার ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলেছেন এবং পরদিন (১৩ নভেম্বর) বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে আইএসপিআরের দাবিকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তা ছাড়া হাইকোর্টের রায়ের বিপরীতে আপিল করার সময় স্থগিতাদেশ না চাওয়াটাও বিশেষ অর্থ বহন করে। এ নিয়ে খোদ বিএনপির আইনজীবীদের মধ্যেই ভিন্নমত রয়েছে। অনেকে একে একটি বড় ভুল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

যাহোক, আমরা চাই মহাজোট সরকার বিরোধী দলীয় নেতার সেনানিবাসের বাড়ির ব্যাপারে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দেবে। কোথাও যেন কোনো রকম বাড়াবাড়ি না হয়, সে ব্যাপারে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। এ ব্যাপারে কেউ যেন অনাহুত কোনো বক্তব্য দিয়ে অযথা পরিস্থিতি ঘোলাটে না করে, সেদিকে সরকারকে সাবধান হতে হবে। বিরোধী দলীয় নেতার প্রতি দেশবাসীর স্বাভাবিকভাবেই একটি সহমর্মিতা থাকবে। এ ব্যাপারে আদালত যেভাবে রায় দেবে সেভাবেই ব্যবস্থা নিতে হবে। আর বিরোধী দলীয় নেতারও উচিত হবে, এ ব্যাপারে যা সত্যি তাই প্রকাশ করা। জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হলে তা হিতে-বিপরীত হবে। আর এই ইস্যুতে হরতাল ডেকে কিছুদিন আগে অনেক রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করা হয়েছে। আবারও হরতাল ডাকা হয়েছে। দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বিকাশের স্বার্থে, সর্বোপরি জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে হরতালের রাজনীতি বিসর্জন দেওয়া উচিত বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। তাই আগামী ৩০ নভেম্বরের হরতাল প্রত্যাহার করে নেওয়াটাই সম্ভবত বিএনপির জন্য সবচেয়ে সমীচিন হবে। বিষয়গুলো বিরোধী দলকে আন্তরিকভাবে ভেবে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ফরহাদ মাহমুদলেথক, সাংবাদিক

৫৬ Responses -- “একজন ‘বাস্তুহারা’র প্রতিকৃতি”

  1. Ershad Mazumder

    আপনাদের আলোচনার ভাষা আরও পরিশীলিত হওয়া দরকার। কারোই কোন দলে থাকার দরকার নেই। যে কোন বিষয় বা ঘটনাকে আপনি যে ভাবে দেখছেন বা শুনছেন তা খুব সুন্দর করে পরিশীলিত ভাবে উপস্থাপন করুন। মনে রাখবেন আপনি একজন লেখক বা মতামত প্রকাশকারী। খিস্তি খেউর করার কোন প্রয়োজন নেই। দলীয় কর্মী হলেও বলবেন বা লিখবেন। কিন্তু খুবই পরিশীলিত ভাবে।

    Reply
  2. Shahed

    Mr. Farhad,
    Your article is totally politically motivated. BNP only call 3 countrywide strikes. Where were you? When BAL called strike for 173 days during BNP government? Now BAL in power, so try to asses BAL, otherwise keep quit. People of Bangladesh are suffering by misrule of BAL. Thousands of case withdrawn by BAL Govt what is totally violation of constitutin. Why Mahmudur Rahman in jail? Can you give the proper answer? Remember Newtons 3rd law. Nobody will be spared.

    Reply
    • Md. Golam Shahriar Majumder

      Yes buddy…Newton’s 3rd law is being followed here. When your Basically No Party (BNP) were in power, thousands of cases were withdrawn & not a single case of Al members were withdrawn. This govt. at least withdrew 3 of BNP members’ cases..And about da hortal, of course Al called strike that much days but have a look at thier issues & ur issue. There were 17 Aug, 21 Aug, Kibria, AhsanUllah killing, mass reap of hindus by Chatradal, Jubodol etc., frod voter list etc. etc. etc. What’s ur issue buddy?? & Mahmudur Rahman…ha ha ha…u wanna talk about ‘politically motivated’…shame on u. Who do u think he works for?? His writing is the least decent writing in dis world- any1 with a little sense of journalism would say that. His ‘Amar Desh’ is not a newspaper it’s only a poster of BNP…what a shame in da name of press!! Of course u can talk like- ‘Nobody will b spared’. Coz that shows u r nothing but a violent party who can only rely on da guns & cantonment to take da power not da jonogon… Go ahead!! Just remember ‘ei BAL-er netrittei ei desh aj shadhin, rajakarder netritte noi…BAL bole gali deoar age nijer otit itihash shudhu matro political speech na shune ektu boi-potro pore, research kore janun…’ Nobody will b spared in ‘Hashr’…remember!!!

      Reply
  3. এম. ইউ খান খোকন

    খালেদা জিয়ার অপরুপ সৌন্দর্য দেখে পাগল অনেক বিএনপি সমর্থক এখনো কোন যুক্তির ধারে কাছে নাই । এরা হলো ঞ্জানপাপী । জেনে না জানার ভান করা- বুঝে না বোঝার ভান করা এদের অভ্যাস।মোগল সাম্রাটের রানীদের ৬৭ জন সেবক ছিল কিনা জানিনা । এরকম বিলাস বহুল জীবন যিনি যাপন করেন তিনি এদেশের গরিব মানুষের কথা ভাববেন কী করে ? ফরহাদ মাহমুদ সাহেবকে ধন্যবাদ খালেদা পরিবারের বিপুল সম্পদের তথ্য সম্বলিত লিখাটির জন্য । খালেদা নিজেকে বাস্তহারা বলে এদেশের দরিদ্র বাস্তহারাদের সাথে ঠাট্টা করেছেন । এ ঠাট্টার জবাবও তিনি পাচ্ছেন । রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সহ নানা কারনে এদেশের বহু মানুষ নস্ট হয়ে গেছে-মানসিকতার দিক দিয়ে পচে গেছে, এরাই বিএনপির মতো- খালেদার মতো, মওদুদ, খন্দকার দেলওয়ারের মতো লোকদের সমর্থন করে…এ বড়ই দু:খজনক ।

    Reply
  4. অরণ্যক

    এতো দেখি কানার হাটবাজার। যে সরকার আসলে একটা সেনাসমর্থিত সরকার। সেই সরকারের অনুগত আদাতল, এদের কাছে আর কি আশা করা যায়। এই আদালতে সুবিচার পাওয়ার তো প্রশ্নই আসেনা। অন্ধ অনুগতরা ছাড়া এখন সবাই একমত যে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এগিয়ে চলেছে বর্তমান বাংলাদেশে। খালেদা জিয়াকে তার বৈধ বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা এই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রথম সোপান। সরকারের মতলবও খুবই পরিষ্কার। তারা আর গদি ছাড়তে চায় না। পেশিশক্তির বলে রাজনৈতিক বিরোধিতা উপড়ে ফেলে তারা বাকশালী কায়দায় একদলীয় শাসন কায়েম করতে চায়।

    Reply
    • Md. Golam Shahriar Majumder

      Vaijan bodh hoy tax den na, tai onar tax-er poishar maya-o nai. Na hole uni amader tax-er poishay paoa bari, gari and all the maintenance of that bari, gari-k kivabe boidho bolen.. R shena shomorthito shorkarer jonmodata kara ata shobai jane.. BAKSHAL-er 1st 10 jon member-er modhe 1 jon chilen amader Ziaur Rahman. How funny..tara oboidho akta barir jonno 2 din hortal die dilo!! Ei tader rajniti?? Dhik oishob sharthopor politician-der..Dhik jara lekhapora shikhe-o gyan khoroch na kore ondher moto akta party (dui dol-e) support kore!!!

      Reply
  5. ফাহিম

    ধন্যবাদ আপনাকে
    আমাদের সমস্যা হল লেখা পরলে বুঝা যায় কে কোন পার্টি করেন।

    Reply
  6. Rajsree Aice

    সরকার যেভাবে যে প্রক্রিয়ায় বেগম জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেছে সেটা শোভনীয় ছিলনা। প্রথমে এটার নিন্দা জানাই। অবশ্য এ উচ্ছেদ নিয়ে ভিন্নমত আছে। আইএসপিআর একটা বিবৃতি দিয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন কান্নকাটি করে বলেছেন সরকার তাকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তর্কের খাতিরে বেগম জিয়ার বক্তব্যকে সত্য ধরে নিয়ে বলতে পারি সরকার কিংবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ধৈর্য্য ধরতে পারত, চূড়ান্ত মুহুর্ত পার হবার পর কিংবা আদালতের সর্বশেষ নির্দেশনা পাবার পর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিলে সেটা দৃষ্টিকটু হতনা। সরকারের তড়িঘড়ি পুরো প্রক্রিয়াটিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে দিয়েছে।
    তবে একজন জাতীয নেত্রী হয়ে সেনানিবাসের ভেতর এত বিশাল সম্পত্তি দখল করে থাকা, রীতিনীতি উপক্ষো করে সেনানিবাসের ভেতরে রাজনীতি করা এগুলোও মোটেই শোভন নয়। তিনি তো আপোষহীন, জনগণের দেশনেত্রী। হয়ত এরশাদের মতো এক বিশ্ববেহায়া অবৈধ সামরিক শাসক ক্ষমতায় এসে তাকে আইনের তোয়াক্কা না করে একটি বাড়ি দান করেছিলেন। অসহায়, স্বামী হারানো খালেদা জিয়ার সে বাড়ি গ্রহণের মধ্যেও হয়তো সেসময় তেমন কোন অনৈতিকতা ছিলনা। কিন্তু তিনি যখন সক্রিয় রাজনীতিতে জড়ালেন, তিন-তিনবার প্রধানমন্ত্রী হলেন, দু’দুবার বিরোধীদলীয় নেত্রী হলেন তখন কী বিবেকের তাড়নায় তার বাড়িটা ছেড়ে দেয়া উচিৎ ছিলনা ?
    আর যে দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে, কোটি কোটি মানুষ যেখানে দারিদ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে বেঁচে থাকে, কোটি কোটি মানুষের যেখানে মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই সেখানে এত বিশাল সম্পত্তি নিয়ে একটি পরিবারের বসবাস,এত বিলাসবহুল জীবনযাপন একজন বিবেকবোধ সম্পন্ন জাতীয় নেত্রী কীভাবে পারেন সেটা ভাবকতও অবাক লাগে।
    আমি জানিনা আমাদের আরেক জাতীয় নেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুধাসদনের বাসভবনের ভেতরের চিত্র কী? সরকার একজনের বাড়ির ভেতর ক্যামেরা পাঠিয়ে সেটা দেশবাসীর সামনে উন্মুক্ত করেছে, এখন স্বচ্ছতার স্বার্থে সুধাসদনের ভেতরের চিত্র কী সেটাও পরিস্কার করা দরকার। আর সেনাশাসক এরশাদ কিংবা ধর্মব্যবসায়ীদের বাসার ভেতরকার খবর না-ই বা জানতে চাইলাম। তবে এখানে একটি বিষয় পরিস্কার বেগম জিয়া ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন রাজনীতিবিদ কিন্তু রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য নিয়ে এত বিত্তবৈভবের অধিকারী হননি।
    বৈধভাবে হোক আর অবৈধভাবে হোক, নৈতিকতাবোধ থাকুক আর না থাকুক রাষ্ট্র বেগম জিয়াকে অনেক কিছুই দিয়েছে। যে ব্যক্তিকে রাষ্ট্র এতকিছু দিয়েছে তিনি সে রাষ্ট্রের গরীব, ভুখানাঙ্গা মানুষগুলোর কথা একবার ভাবেন না, বিলাস হারিয়ে নিজেকে বাস্তুহারা বলে দেশের আসল ভূমিহীনদের উপহাস করবেন– সত্যি ভাবতে এটা লজ্জা হয়। ভাবতে অবাক লাগে তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। ভাবতে কষ্ট হয় এদেশের স্বাধীনতার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়েছে কী মুষ্টিমেয় কখেয়টি পরিবারের মানুষকে বিলাসী জীবন উপহার দেয়ার জন্য। কোটি কোটি মানুষ যেখানে দু’বেলা খেতে পায়না সেখানে আমাদের দেশের নেতানেত্রীরা রাষ্ট্রের সম্পদ নিয়ে, একটি বাড়ী নিয়ে প্রতিহিংসায় মেতে উঠেন,হরতাল-ভাংচুর করেন, গরীব মানুষের জীবিকায় আগুন দেন।
    চোখের জল নিয়ে বলছি, যারা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন, যেসব মা সন্তানহারা হয়েছেন, যেসব সন্তান অনাথ হয়েছেন, স্ত্রী হয়েছেন স্বামীহারা আপনারা আমাদের ক্ষমা করুন। কিছু নষ্ট রাজনীতিবিদ, কিছু সেনাশাসক আর ধর্মব্যবসায়ীদের কারণে আপনার স্বপ্নের স্বদেশ আমরা গড়তে পারিনি।
    আসুন,যারা স্টেশনে, রেললাইনের ধারে, ফুটপাতে লক্ষ লক্ষ গরীব মানুষ রেখে বাথরুমে এসি আর টাইলস বসিয়ে বিলাসিতা করেন আবার হাজার-হাজার টাকার পোশাক পরে যারা নিজেকে বাস্তুহারা পরিচয় দেন, এক সেনাশাসকের স্ত্রী কেন শত কোটি টাকার সম্পধ পেয়েছে সেজন্য যারা এক টাকায় রাষ্ট্রের সম্পদ দখলের চেষ্টা করেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে যারা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ীর জন্য নিকৃষ্ট প্রাণীর মোত আচরণ করেন, যারা খাল বিল জলাশয় সরকারী খাসজমি দখল করেন,ঠুনকো দেশপ্রেমের ফাঁকা বুলি ছড়িয়ে যারা এদেশকে নিজের ভোগের সামগ্রী বানিয়ে ফেলেছেন, ধর্মের লেবাস পরে যারা মিথ্যাবাদিতার নষ্ট রাজনীতিতে নিমজ্জিত থেকে এদেশকে অনন্ধকারে নিয়ে যেতে চান, আসুন আমরা সম্মিলতিভাবে একবার তাদের জন্য প্রদর্শন করি সর্বোচ্চ ঘৃণা।
    আসুন আমরা নষ্ট রাজনীতিবিদ, সেনাশাসক আর নষ্ট ধর্মব্যবসায়ীদের হাত থেকে এদেশকে মুক্ত করি। শহীদের রক্তের ঋণ শোধ করতে আসুন আমরা ঐক্যবদ্দ হই। নষ্টদের পেছনে যেন আমরা আর না চলি।

    Reply
  7. mohammod

    সরকারের কাছ থেকে পাওয়া ২য বাড়িটা তো উনি চড়া দামে ভাড়া দিয়েছেন বহুজাতিক সংস্থার কাছে. উনার ছেলেরা বাংলাদেশের সব চাইতে বড়লোক. উনি যদি বাস্তহারা হন তাহলে আমাদের কিছু নাই. ফাউ পাওয়া ১৭৬ কাঠা জমি ছেড়ে দেবার কষ্টে উনি কাদছেন.

    Reply
  8. joy

    একটা বাড়ি নিয়ে এত বাড়াবাড়ি! কেন তাকে বাড়িটি দেয়া হলো? কেন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হলো? কেন ই বা শুধু একটা বাড়ি নিয়ে এতো হরতাল দেয়া হলো এবং আরো হরতাল হবে? একটা বাড়ি নিয়ে এত লেখালেখি ই বা কেন? হায়রে আমাদের দেশের রাজনীতি?

    Reply
  9. yousef

    thanks for exposing zia poribar.Better we called Khaleda zia poribar.

    Tariq is so shrewed that he put all his ill gotten money in the the account of his friends, one of them is gias uddin mamun.
    so far we know Zia’s family is not involved in such corruption, even we don’t know who and where are they.

    Reply
  10. Kamal

    apner lekha ta sudhu Hotasha bariya dilo…
    Manusher Lobher kono shima porishima nai, koto dhon shompod thakle Kkaleda Zia sontosto hote parben.

    eishob kotha net e onek alochito hoyese kinto, amader rajnithibid ra tar thorai care koren.

    Reply
  11. kamal uddin

    forhad bhai apnar lekhar hat bhalo. bhalo jukti-torko koren. sob thik ache. tobe ekto awamilig(al) koren.
    protham alo jothoy likuk r ispr jothoy dabi koruk- sottiy khaleda zia ke ber kore deya hoyeche. ete kono bhul nei.

    ami khaleda zia ke jor kore ber korar bepare 1000 jukti dekhate parbo. pls bayas lekha likben na. next janaretion koma korbe na.

    Reply
  12. Rahman

    লেখাটি পড়ে ভালোলাগোল। ধন্যবাদ।
    তারা (আমাদের রজনীতিবিদরা) সব পারেন। এতোদিন তারা জাতির অর্থ এবং সম্পদ খেলা করেছেন আর এখন আমাদের দরিদ্রতা নিয়েও রাজনীতি এবং উপহাস করছেন। পৃথিবীর সব প্রানীর লজ্জা আছে কিনতু আমাদের দেশের রাজনীতিবিদের নাই।
    ভাবতে অবাক লাগে ব্যক্তি সম্পদ নিয়ে একটি দেশে হরতাল।
    PM and Opposition Leader হলে কি তারা আইনের আওতার বাইরে?
    বিচিএ আমার দেশ। ধন্য জন্ম আমার এমন একটি দেশে।
    কেমন সুশিক্ষিত BNP অনান্য নেতৃবিন্দ যে আপরের জমির জন্য আমরা হরতাল করব। দেশের জন্য BNP নাকি খালেদা জিয়ার জন্য?
    সবাই একটু ভেবে দেখবেন আমার অনুরোধ।

    Reply
  13. কামরুল

    মৃত জিয়ার পরিবার যে এদেশের সবচেয়ে ধনী পরিবার, তাতে মনে হয় কারো দ্বিমত নেই। এই ধন সম্পত্তির সবটাই চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্জিত। তাই এদের প্রতি সহানুভূতির কোন সুযোগ নেই। তাছাড়া খালেদার মত সৌভাগ্যবান রাজনীতিবিদ তো আর কেউ নেই যে সারাজীবন বিনাকষ্টে সবকিছু পেয়ে গেছেন। এই প্রথমবারের মত খালেদা জিয়াকে একটু কষ্ট সহ্য করতে হল, তাই একটু চোখের পানি তো আসবেই, যদিও দুর্মোখেরা প্রশ্ন তুলছে এটা সত্যিকার চোখের পানি কি না! তবে এর মধ্য দিয়ে একটা সত্য প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেল, পাপ বাপকেও ছাড়ে না।

    Reply
    • Md. Golam Shahriar Majumder

      BNP-r joggo vai-ra khub valo(?)desh chalaisilo… Propaganda-r rajnitite expert to tarai. Feni porjonto India hoe jabe, Moshjide ullu dhoni shona jabe, sub-marine cable-e jukto hole desher gopon tottho pachar hoe jabe, Sheikh Hasina vanity bag-e kore bomb nie gesilen 21 Aug-e…..ufff bolte gele shesh-e hoi na.. Amar BAL-er netritte shadhin hoa desher ei bideshi shahebke boli- Nijer bam kadhe akta Fereshta boshe ase, j shudhu tar amolnama-e likhtese, onno karo na…Tai nijer honesty rokkha kore comment kora uchit!!

      Reply
  14. আল মামুন সুমন

    উনারা দু’জনই কাদেঁন । একজন কাদেঁন বাড়ীর ,ছেলেদের জন্য অন্যজন কাদেঁন বাড়ী না পাওয়া ও জীবনের জন্য ।… দেশের জন্য কেউ কাঁদেন না । কাঁদি শুধু ১৫ কোটি মানুষ ।

    Reply
  15. Tareq Zia

    Good writting and findings…..enlightened our knowledge…but Begaum Khaleda already declared through her spokesmen that her party wont be joining to JS….what is the future….of the country. Begum Khaleda wants to be in POWER….

    Reply
  16. Patriot U.S.A

    It’s hard to believe khaleda stayed in cantonment house illegally for 30 years.
    Its hard to believe she made her sons world thief .
    Its a harassment to the poor people while she talks as a greedy homeless.

    Reply
  17. AALLVVII

    BEPAR TA ASOLEI PROTIHINGSAPORAYAN HOE SK. HASINA KORLEN. TOBE POLITICS THEKE TAR PROTIHINGSA TA DUR KORAR KONO UDDAYAG BA MONTOBBO KEU KINTU KORCHENA. GOVT POWER E THEKE OPPOSITION PARTY K KHOCHA/ PROTIHINGSA PORAYON VHABE EISHOB KORE DESHER KHOTI KORCHEN. JEHETU AWAMI LEAGUE POWER E SO DESH K POLITICAL SILENCE RAKHA TADER KAAJ. KHALEDAR BARI GOVT ER UNNAYAN KORMO KANDER KONA BADHA HOE NISCHOI DARAE NI. SO SO ALOCHONA O SOMALOCHONA KARI MOHA MANOB DER EI BEPAR TA EXPLAIN KORA UCHIT.

    Reply
    • manik

      BNP fall in the trap of Awame politics and as long as they will do politics in connection like this illeagal personal properties. their credit will be lost day by day even it may zero in course of time, like Muslim league.

      Reply
  18. Mona Pagla

    কত বড় নিলর্জ্জ আর ভন্ড হলে এই গরীবদেশের কোটি কোটি মানুষকে এভাবে প্রতারনা করতে পারে, ধিক!!! ধিক!!!!!!!

    Reply
  19. মাহমুদ হোসেন

    তথ্যবহুল লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। জানলাম একজন “ধন্যাঢ্য বাস্তহারা”র কাহিনী। আমারতো মনে হয় বাংলদেশে আইনের শাসনের অনুপস্থিতিটাই এসবের মুল কারন। যিনিই ক্ষমতায় আরোহন করেন তিনিই দেশটাকে তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি ভেবে বসেন। নিজের বা পরিবারের এমনকি দলের অনেক লোকদের সম্পত্তি সেইসময় কয়েকগুন হয়। এটাই যেন বাংলাদেশের চিরস্থায়ী ঐতিহ্য হয়ে দাড়িঁয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া যে এই তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছেন সেটা আগেই নানান সুত্রের তথ্য থেকে জেনেছিলাম। এ লেখাটি থেকে কয়েকটি নতুন তথ্য জানলাম। ধিক আমাদের সেইসব নেতৃত্বকে যারা দেশের সম্পত্তি গ্রাস করতে একটুও লজ্জাবোধ করেন না। এসব থেকে আমাদের মুক্তি কবে হবে কেউ জানেনা। মানুষেরা আসলেই হতাশ। দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতির সঠিক তথ্য সাহস করে মানুষের সামনে তুলে ধরলে সেটাও একটা প্রতিবাদ হয়ে ওঠে। লেখাটির জন্য লেখককে আরো একবার ধন্যবাদ।

    Reply
    • Jamil

      ভাই, তারা আমাদের সতিকারের নেতা নন।তারা ভাগ্যগুনে নেতা।দেশ গড়ার নেতার অপেক্ষায় আছে সারা জাতি এবং আমারা তাকে পাবই।

      Reply
    • zakia

      lekhok je awamilegue er gora kormi ta lekha pore bujha jay. doya kore jonogon ke bvranto ebong ekjon desh borenno netri ke niye kothar jadur bole emon mitha likhben na . shomoy abar fire ashbe. sena bahini je dur babohar koreche ete ki porer din sangbadik deke niye ghor thik kore dekhanor por o apnar bishash hoy ni?

      Reply
      • Md. Golam Shahriar Majumder

        uni birat desh-borenno netri..tai to desher manusher upor onar kono vorsha nai.. Uni cantonment-er vetor boshe politics koren karon onar power-er root holo shena bahini not jonogon!! Onar moto rashtrio shubidha to Bongobondhu-o pay nai.. Rashtrer shubidha nie koti koti takar shompotti gorechen koy jon?? Rajakarer garite flag uthie uni birat desh premer porichoy diyechen!!! Hats off to this creature!!!!

      • akjon pathika

        kisu manush er jonno kosto hoi jara chokh thakteo dekhte pai na.uporokto pathikar kothito “ekjon desh borenno netri”r “Samanno” sompoder biboron dekheo uni jokhon bishash korte paren na j Khaleda Zia bastuhara non, tokhon dukho prokash kora chara ki korar ache?

        “shomoy abar fire ashbe?”-kar shomoy fire ashbe??

        apni kivabe sure holen j shenabahini unar sathe durbabohar koreche?
        Katha bolar age onugroho kore chinta kore bolben..

  20. kasem,

    Dear all,
    Believe it or not, zia family is the richest family in Bangladesh,
    90% of their cash and properties is totally hidden and that’s only reason Tarek and koko still away from Bangladesh.
    Party tax, shifting tax, Approval tax, permit tax & specially T/tax is widely known, Free-style tax applied by tarek zia under the name of T/tax. For the first in 40 years we have seen her crying on Media, we are experienced of over acting in Bangladesh. Zia teach them how to make fool us.

    Reply
  21. ফারসীম

    “তারাই তো সত্যিকারের বাস্তুহারা। ” – চমত্কার কথা।
    সরকারী বাসা ছাড়া আর বাস্তুহারা হওয়া কি সত্যিই এক কথা ? কে জানে !

    Reply
  22. joy

    ore baba khandani dhokhol dar.
    khaleda medam tar baba-maer gorbito shontan.
    Bongso Porokroma te dhara bahikota ache.
    wish u all the best medam.
    jara apnar Bongsha nukromik dhara bahikota.
    vhang te chai tader bichar alaha korben.

    Reply
  23. Rana

    আইএসপিআর যে বক্ত্যব দিয়েছে সেটাতো সরকারী বক্ত্যব সরকার যা বলেছে আইএসপিআর তাই বলেছে।আপনাকে যদি অন্যায় ভাবে আপনার বাপ দাদার বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হয় থখন আপনার থেকে কি রকম লাগবে?খালেদা জিয়া যদি সেনানিবাসের বাড়িতে থেকে অন্যায় করে শাস্তি পেয়ে থাকে তাহলে যারা বাড়ি বরাদ্ধ দিয়েছে তাদের শাস্তি হবেনা কেন?তাদের কে তো শেখ হাসিনা পুরস্কার দিতেছেন।

    Reply
    • joy

      “আপনাকে যদি অন্যায়ভাবে আপনার বাপ দাদার বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হয় তখন আপনার কী রকম লাগবে?”

      Vhai apnar ai prosner answer holo “people will never support it.”

      Reply
  24. aminul, Ph.D schlor, Malaysia

    Thank you for writing informative article. It would be more informative if the people of Bangladesh know the actual properties of zia family in detail and source of achievement of the properties.

    Reply
    • noyon

      আমার ধারনা বাংলাদেশের ৯৯% রাজনীতিবিদ, আমলা এবং ব্যবসায়ীরা যে কত সম্পদের অধিকারী তা নিজেরাও জানেনা। খালেদা জিয়া আর তারেক রহমান বলে বলে আমরা অন্যান্যদের দেবতা ভাবার ক্ষেত্র তৈরী করছি। আসুন বিভেদ, বিভক্তি নয়, দেশের উন্নয়নের জন্য কীভাবে জাতিকে একত্র করা যায় তা নিয়ে সবাই ভাবি। ভাঙ্গা খুবই সহজ, গড়তে মনোনিবেশ করি।

      Reply
  25. সৈয়দ আলি

    লেখক বিনয়ী তাই তাঁর রচনায় তা ফুটে উঠেছে। আমি বিনয়ের ধার ধারি না।এখন আর বিনয়ের কাল নয়। খালেদা যখন টিভিতে নিজেকে বাস্তুহারা বলে দাবী করলেন, আমার মনে হলোও, খালেদা এ পর্য্যন্ত যত নিষ্ঠুরতা দেখিয়েছেন, এটি ছিল সবচেয়ে নির্মম নিষ্ঠুরতা। খালেদা জানেন না মানুষ কী করে বাস্তুহারা হয় আর বাস্তুহারার কী ভাবে জীবনযাপন করে। তাঁর যে চামচ এই অভিধাটি তাঁকে ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিল, আমি তাকে অভিসম্পাত দেই, “মূক হবি তুই”।

    Reply
    • Mahabub

      আমার কথাও এটাই। বাস্তুহারা গরীবদের সাথে নির্মম নির্দয় নিষ্ঠুর রসিকতা।
      বাংলার মানুষ যেখানে কষ্ট করে দিনরাত নানা প্রতিকুলতায় জীবন কাটিয়ে দেয়, সেখানে তার ৬৭ কর্মচারী সহ রংমহলের দামি চোখ ধাধানো বাড়ী ভোগবাদি জীবনের প্রকাশ পায়, উনি কী করে গনমানুষের সুখ লাভের জন্য কাজ করেন, তার নেতৃত্ব দেন। তিনিতো নিজেই ভোগবাদিতার নিকৃষ্ট প্রতীক হয়ে আছেন। তিনিতো নিজের সুখ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। ভোগবিলাসী রাজনীতির কবল থেকে দেশকে উদ্ধার করতেই হবে।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—