বিডিনিউজে ছাপা হ্ওয়া আমার প্রথম লেখা, যেটা কিনা ল্যারি কিং নিয়ে লিখতে গিয়ে আসলে একটি অটিস্টিক বাচ্চার গল্প। সেই লেখাটা পড়ে নবনীতার গালাগাল (আপনারা অনেকেই একাত্তর টিভির বিখ্যাত প্রেজেন্টার নবনীতাকে চেনেন, তার কথা বলার ঝাল বুঝতে পারেন)– ‘‘আপনি কেন এমন ঢঙু ঢঙু মার্কা করে লিখলেন যে, আমাকে অনেকেই পছন্দ করে না, এই ফেসবুকের ছেলেমেয়েরা… এইসব এইসব!’’

আমি বললাম, ‘‘করে না তো, দেখ না কি আবোল-তাবোল কমেন্ট করে; যা করিনি তাও আমার নামে চালিয়ে আমার পিণ্ডি চটকিয়েই যাচ্ছে, ‘বাকারা’ বানাচ্ছে?’’

নবনীতা আমাকে চেনে অনেক দিন, সেই ভোরের কাগজে যখন কাজ করেছি, তখন থেকে। ষোল-সতের বছরের পুরোনো কথা তুলে নবনীতা বলল, ‘‘মুন্নী আপা, আপনার মনে নাই, আপনি যাই করতেন, তাই-ই নিয়ে আপনার পিছে লাগত। তখন কি ফেসবুক ছিল? আপনার বন্ধু, সহকর্মীরাই তো সারাক্ষণ হিংসায় মরত আর উল্টাপাল্টা কথা ছড়াইত। আপনি এত চিকন কেন, সেইটাও ওদের হিংসার কারণ। তাতে কি আপনারে আটকাইতে পারছে? আপনি মুন্নী সাহা, মুন্নী সাহাই হইছেন…।’’

বললাম, ‘‘হ্যাঁ রে, আমার সাংবাদিক বন্ধু, কলিগ বা পরিচিতজনরা কি রণে ভঙ্গ দিয়েছে? দেয়নি। একটার পর একটা মিথ্যা কথা ফেসবুকে ছড়ায়, আর ফেসবুকিং করা পিচ্চি-পাচ্চারা সেটা নিয়ে মেতে থাকে, আমার কার্টুন করে, গালাগাল দেয়। এসব আমার গায়ে লাগে না। তবে বাচ্চাদের জন্যে আমার মায়া হয়, যারা আমার নাম দেখলেই পিরিং করে একটা মন্তব্য দেয় যে, ‘আপনার অনুভূতি কী’।’’

নবনীতা বলল, ‘‘হ্যাঁ… ওই যে, আপনি যে রেশমারে জিগাইছিলেন…।’’

নবনীতাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘‘তুই কি দেখেছিলি আমার করা রেশমার ইন্টারভিউ?’’

‘না’ বলে মাথা নাড়ল সে। তাহলে কে দেখেছে? নবো বলল, ‘‘ঠিক দেখেছে এমন কারও কাছে শুনি নাই, তবে ফেসবুক খুললেই আপনার প্রসঙ্গ এলেই এই ডায়ালগ!’’

বললাম, হ্যাঁ… এটা ডায়ালগই। কারণ আমি রেশমার ইন্টারভিউ করি নাই। রেশমাকে রানা প্লাজা থেকে বের করার সময় স্পষ্ট দেখতেও পাইনি ও কী জামা, কী ওড়না পরা ছিল। ওকে বের করার আগে আমি লক্ষ করেছিলাম, পাশের পাঁচতলা থেকে কেউ একজন একটা সাদা কাপড়ের বান্ডেল ছুঁড়ে মারল। সঙ্গত কারণেই আমি ধরে নিয়েছিলাম যে গর্তের ভেতর থেকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো, আধমরা একটা মহিলাকে টেনে বের করা হবে। ১৭ দিন চাপা পড়ে থেকেও বেঁচে যাওয়া মিরাকল কন্যার জন্যে তাই দূরে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করছিলাম।

তবে রেশমাকে বের করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় ওর কামিজের ডানহাতের ওপরের অ্যামব্রয়ডারি আমি খেয়াল করেছি। মেরুন, ভায়োলেট ও সাদার কম্বিনেশন। রেশমার সঙ্গে কথা বলতে দিলে এসব জামা-কাপড়ের প্রশ্ন আমি করতাম কিনা জানি না, তবে এভাবে ‘মিরাকল গার্ল’ হয়ে বেঁচে ওঠার অনুভূতি জানতে চাইতাম। আমার সাংবাদিকতা জ্ঞানে এতে কোনো ভুল নেই, কেননা ১৭ দিন পরে যদি কোনো সারভাইভার কথা বলতে পারে এবং চিকিৎসক, উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষ যদি কথা বলতে অ্যালাউ করেন, তাহলে ঘুরেফিরে এসব বিস্ময়ভাঙা প্রশ্নই আসে বা আসত। সেটা আমি হই বা ক্রিশ্চিয়ানা আমানপোর হোন– সবাই খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে এসব জানতে চাইত।

তবে সত্য এটা যে সেদিন রেশমা কোনো সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেনি, কথা বলার সুযোগ পায়নি। আমার ক্যামেরাপারসন ছবি তুলছিল যখন, রেশমা আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকায়। আমি খুব স্বাভাবিক আচরণের ভাব দেখিয়ে জিজ্ঞেস করেছি, ‘কতদিন আটকা ছিলা জান?’ রেশমা মাথা নেড়ে জানাল, না। আমি বললাম, ১৭ দিন। উত্তরে রেশমা বিস্মিত কণ্ঠে বলেন, ‘স-তে-রো দি—ন!’ এটিএন নিউজে এর পুরোটাই প্রচার করেছিল। এছাড়া আর কোনো টিভিতে রেশমার আর কোনো আওয়াজ শোনা যায়নি। বলছি সেদিনকার কথা যেদিন উদ্ধার হল।

আর রেশমার ছবি তুলতে আমাদেরকে নেওয়ার আগে রানা প্লাজার সামনে দাঁড়িয়ে একজন ওয়ারেন্ট অফিসার বলার চেষ্টা করছিলেন গর্তের ভেতর থেকে রেশমা ওনাকে কী কী কথা বলেছিলেন সেই সব। সেখানে কিছু কথা অপ্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছিল। তাই আমি হয়তো কিছুটা ধমকের সুরে কথা বলছিলাম। আর এতেই কাল হল, সাভার থেকে ঢাকায় ফিরতে ফিরতে ফেসবুক সয়লাব, আমি কী কী প্রশ্ন করেছি তাই নিয়ে।

একাত্তর টেলিভিশনের ফ্লোরে দাঁড়িয়ে নবনীতাকে এত বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিইনি, শুধু বলেছি ‘আপনার অনুভূতি কী’ এমন কোনো কথা বলার সুযোগ আমি রেশমার সঙ্গে পাইনি। আর এতেই আরও চটে গেল নবনীতা– ‘তাইলে মুন্নী আপা, এই সব ঢঙঢাঙ-এর লেখা না লিখে বরং এইটা লিখেন না কেন’, এই বলেই গটগট করে চলে গেল ও।

আসলে আমি অনেক দিন বুঝিই-নি যে ফেসবুকে যখন-তখন আমার ছবি, কার্টুন করে এই মন্তব্যটি জুড়ে দেওয়া হত কেন। আমার বোঝার কথা কি? হঠাৎ আশীফ এন্তাজ রবির কাছে জানতে চাই, কেন এই একটি প্রশ্ন? বিশেষ কোনো কারণ কি আছে? রবি মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল, ‘‘না দিদি… মানে, আপনি রেশমাকে…।’’

পরে চাপাচাপিতে রবি পুরোটা খোলাসা করল। এবার আমার চাপাচাপি, ‘‘রবি, তোমরা ফেসবুকে আসক্ত পোলাপান, প্লিজ গুগল কর, আমাদের মানে এটিএন নিউজের আর্কাইভ বের কর, দেখ কোথাও পাও কিনা যে আমি এমন প্রশ্ন করেছি বা সুযোগ পেয়েছি। সুযোগ পেয়েছি বলছি এ জন্যে যে, আমি সুযোগ পেলে অবশ্যই জিজ্ঞেস করতাম।’’

খানিক বাদে চোখ-মুখ লাল করে রবি ফিরে এল; বলল, ‘‘দিদি, সরি।’’

রবির ‘সরি’ বলার কিছু নেই। রবি এটা করেনি। করেছে আমাদের গোত্রের একজন। তিনিই ছেড়েছেন। আমি সূত্র খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে গেছি। অবাক হইনি। অনেকটা যা ভেবেছিলাম তাই। আমি শুধু আমার প্রতি ঈর্ষাকাতর এইসব বন্ধুদের (!) দিকে তাকিয়ে হেসেছি। তারপর কেটে গেছে আরও কতদিন, কতগুলো মাস। আমার মনেই হয়নি, এই সব ট্র্যাশ নিয়ে লিখি, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিই। আমি জানি আমি কী…।

তবে বিডিনিউজে আমার প্রথম লেখাটা ছাপা হওয়ার পর অনীক খান সেটা ট্যাগ দিয়েছিল। সেখানে কিছু বিষাক্ত মন্তব্য আমার দৃষ্টি এড়ায়নি। আমার চামড়া মোটা। মুর্খ, স্নবিশদের মন্তব্যে আমার কিছুই যায় আসে না। আহত হয়েছি অনীকের জন্যে। অনীক আমার ইয়াং knight, ওকে দেখেই আমি এটিএন নিউজে তরুণদের প্লাটফর্ম ‘ইয়াং নাইট’ অনুষ্ঠানটি শুরু করেছিলাম। রাত সোয়া একটায় হিট প্রোগ্রাম। আমি কত কিছু যে শিখি এদের কাছ থেকে!

আর আমার দেখা মেধাবী তরুণদের প্রতীক অনীক খান। কী তার পড়াশোনা, কাব্যজ্ঞান এবং উইট! দারুণ এই ছেলেটির ফ্রেন্ডলিস্টে দারুণ দারুণ যুক্তিবাদী বন্ধু থাকবে এই আমার প্রত্যাশা, আর এই তো আমার গর্বের ইয়াং বাহিনী। যাদের লেখা, ক্রিয়েটিভিটি দেখে আমি মুগ্ধ। এই ক্রিয়েটিভ বাহিনী, জেনে বা না জেনে আমাকে যে ব্যাশিং করে, আমার ভালোই লাগে।

কারণ ভার্চুয়াল এই জগতে আমি বিচরণ করি কম। আমার কাছে, সত্যি সত্যি মুখ আর সত্যি সত্যি স্পর্শের মূল্য অনেক। সুতরাং আমার অত্যন্ত দামি সময়টা আমি জৈবিক স্পর্শে, কাজ আর ভালোবাসার কাছেই রাখতে চাই। আবার অনীকের ভার্চুয়াল ক্রিয়েটিভ জগতটাতে আমার কৌতূহল। সেই কৌতূহলের জগতে ফাও ফাও আমি আলোচ্য, হোক না তা মিথ্যে, তাও আলোচনায় থাকতে ভালোই লাগে।

আর এমনি ভালোলাগার জায়গায় অনীকের এক ফ্রেন্ড (ছবিতে একটি মেয়ের মুখ দেখেছি) যে বিরক্তি নিয়ে কয়েকটি লাইন লিখেছেন তাতে শঙ্কিত হলাম। যে জেনারেশন কিছু না দেখে বিশ্বাস করে না বলে আমার অগাধ শ্রদ্ধা, সেই জেনারেশনের এই বন্ধুটি এত সেকেলে আর বিদ্বেষপূর্ণ দেখে দায়টা আমারই নিতে ইচ্ছে করল। দোষটা আমারই, আমাকে নিয়ে এই হাসিখুশি মেধাবী জেনারেশন ঠাট্টা-মশকরা করতে থাক, মজার মজার কার্টুন বানাক, আমি সত্য-মিথ্যায় আলোচনায় থাকি– এইসব চেয়েছি বলে আমার অনুভূতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করিনি।

কিন্তু সেই মেয়েটির হেইট্রেট, জামাতি বর্বরতার কাছাকাছি। আমি আমার ফেসবুকের ইয়াং নাইটদের ভালোবাসি। আমার অনুরোধ, তোমরা আমাকে ছেড়ে দিও না, যা খুশি বল। তবে তোমরা খোঁজ, দেখ এবং কান পেতে শোন। এখান থেকে হারিয়ে গেলে, জীবন-সময় তোমাদের হারিয়ে ফেলবে।

আর তখন মুন্নী সাহার কার্টুন এঁকে যদি প্রশ্ন রাখ, আপনার অনুভূতি কী– দেখবে তোমাদের জন্যে দু ফোঁটা জল, চোখে।

৬৩ Responses -- “আমার অনুভূতি কী”

  1. জাহাঙ্গীর আকবর শাকিল

    সংবাদ বা তথ্যের সত্যতা যাচাই না করেই বিশ্বাস ও অন্যের সমালোচনা করার প্রবণতা এ সমাজে ভয়ংকরভাবে বেড়ে গেছে । জ্ঞানের দূর্বল পরিধি, পরশ্রীকাতরতা ও নীতিভ্রষ্ট সাংবাদিকতাকেও এর জন্য দায়ী করতে চাই আমি ।

    Reply
  2. সৈয়দ কামরান আহমেদ

    যে কথাটি আড়ালে চলে গেল সেটি হচ্ছে– ‘আপনার অনুভূতি কী’ ব্যাপারটি ঘটেছে রানা প্লাজা থেকে মৃত-অর্ধমৃত ভিকটিমদের উদ্ধারকালে। একজন মৃতপ্রায় আটকে থাকা ভিকটিমকে ওই সময়ে তার অনুভূতি জানতে চাওয়া এক ধরনের উপহাস বটে!

    সেই থেকে মুন্নী সাহা অনুভূতি প্রকাশের ট্রেডমার্ক। রেশমা নাটক তো আরও পরের ঘটনা।

    Reply
    • tuhin islam

      আপনার সঙ্গে একমত। প্রকৃতপক্ষে মুন্নী সাহা অসংবেদনশীল সাংবাদিকতার প্রতীক হিসেবে নিজেকে ইতোমধ্যে বেশ ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মৃতপ্রায় মানুষকেও ‘আপনার অনুভূতি কী’ মার্কা রাবিশ প্রশ্ন করতে তাই তাঁর কোনো ‘অনুভূতি’ হয় না। তিনি সারাক্ষণ দৌড়ান সস্তা জনপ্রিয়তার পিছনে; এ ক্ষেত্রে তাঁর সাফল্যও কম নয় বলেই দেখা যাচ্ছে। যেমন জনাব আরেফীন এখানে বলেছেন, “যিনি সর্বদা আত্মপ্রচার আর আত্মসম্পদোন্নয়নে ব্যস্ত আছেন এতগুলো বছর ধরে, তার ঘুম আর না ভাঙানোই ভালো।”

      ইদানিং তিনি সাম্প্রদায়িক মন্তব্যও করছেন: উদ্দেশ্য সাম্প্রদায়িকতার সুড়সুড়ি দিয়ে বাড়তি প্রচার বা সুবিধা বাগিয়ে নেওয়া। প্রমান চান? বিডিনিউজে তাঁর প্রথম লেখা থেকে উদ্ধৃত করছি–

      “ফেসবুক-ব্লগ, বিভিন্ন আড্ডার গুজবের কল্যাণে আমি একটা ধারণা নিয়ে বসে আছি যে, আমার বয়েসী এবং আমার চেয়ে কম বয়েসী, আমার প্রফেশনের যারা, তারা তো বটেই– তাদের ফ্রেন্ডলিস্টের তাবৎ বুদ্ধিমান-চৌকষ-ইংরেজি বলতে পারা জেনারেশন আমার কাজ পছন্দ করে না। হয়তো পছন্দ করে, কিন্তু সহ্য করতে পারে না। সম্ভবত আমার চেহারা খারাপ, এ জন্যে। নয়তো আমার নাম ‘মুন্নী সাহা’ সে জন্যে, অথবা অন্য কোনো এক্স ফ্যাক্টর কাজ করে ওদের ভেতর।”

      মুন্নী সাহার ভক্তদের জন্য এসব চিন্তার খোরাক হওয়া উচিত।

      Reply
    • sk. uzzal

      সৈয়দ কামরান আহমেদ সাহেব,

      আপনি যে বললেন “রেশমা নাটক তো আরও পরের ঘটনা” রেশমা কিন্তু নাটক নয়, এটা সৃষ্টিকর্তার কারিশমা।

      সাংবাদিকদের কাজই হচ্ছে, মানুষের কাছে সত্য ও বাস্তব ঘটনা প্রচার ও প্রকাশ করা। উদ্ধারকাজে বিভিন্ন পেশার হাজার হাজার মানুষ এগিয়ে এসেছে, অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে আর কিছু মানুষ এসি রুমে বসে তার দোষ-ত্রুটি বের করার চেষ্টা করেছে। আপনি সম্ভাবত তাদের একজন অথবা “চিলে কান নিছে”-এর মতো অবস্থা।

      ভাই, সত্য ঘটনা না জেনে হুজুগে মন্তব্য না করাটা অনেক ভালো।

      Reply
      • sk. uzzal

        জনাব তুহিন ইসলাম ভাই,

        “আত্মপ্রচার আর সুবিধা” নেওয়ার জন্য মুন্নী সাহার সুড়সুড়ি দিতে হবে, কলাম লিখতে হবে, আবার উল্টাপাল্টা মন্তব্য করতে হবে… বিষয়টা হাস্যকর এবং অর্থহীন!

        মুন্নী সাহা একটা ব্রান্ড। সাংবাদিকতার এই পর্যায়ে এসে প্রচারের জন্য তাকে এইসব করতে হবে? ভাই মিথ্যা অপপ্রচার না করলে কি হয় না?

        এটা এক রকম গীবতের মধ্যে পড়ে….

      • tuhin islam

        জনাব উজ্জল সাহেব, কী বলছেন আপনি!

        বিষয়টা হাস্যকর আর অর্থহীন কেন ভাইয়া? মুন্নী সাহা তো প্রথম ব্যক্তি নন যিনি বাড়তি প্রচারের জন্য এ রকম ছেলেমানুষি করছেন; এর আগেও অনেকে এ পথে হেঁটেছেন। মুন্নী সাহাও কোনো ব্যতিক্রম নন; যদি তাই না হত তাহলে তিনি এ রকম অপ্রাসঙ্গিক লেখা লিখে আমাদের সবার সময় নষ্ট করতেন না বা বিডিনিউজের এ কলামের পাঠকদের রুচি নিয়ে এমন ছেলেখেলা খেলতেন না।

        আপনার কাছে মুন্নী সাহা ব্রান্ড বা আরও অনেক কিছু হতে পারেন– আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু এটা একটা পাবলিক ফোরাম। বিডিনিউজের এ কলামের কিছু মানদণ্ড আছে যা মেনে চলা খুব জরুরি। এ কলামে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অনেক লেখক লেখালেখি করেন। আমরা সেগুলো পড়ে ধন্য হই। অনেক কিছু জানতে পারি।

        এঁদের পাশে আপনি কি মুন্নী সাহার মতো সস্তা জনপ্রিয়তার পিছে সতত-ধাবমান (রানা প্লাজা থেকে শুরু করে গণজাগরণ মঞ্চ সর্বত্রই সেটা প্রযোজ্য) একজন মানুষকে এক কাতারে নিয়ে আসতে চাইছেন?

        আপনার ব্রান্ড মুন্নী সাহা সম্পর্কে একজন বিদগ্ধ পাঠকের (রামারাও সিদ্ধা) মতামত আপনার অবগতির জন্য তুলে ধরলাম– এই আশায় যে কখনও যদি আপনার ঘুম ভাঙে–

        ” রামারাও সিদ্ধা on জানুয়ারী ২২, ২০১৪ at ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
        বিডিনিউজে যে মতামতগুলো প্রকাশ করা হয় তার একটা ন্যূনতম গুনণত মান এই লেখা প্রকাশের আগে পর্যন্ত ছিল। এখন থেকে থাকবে কি না তার উত্তর সময়ই বলে দিবে।

        বিভিন্ন সময়ে অনেকে এইখানে গুরুত্বপূর্ণ মতামত, বিশ্লেষণ কিংবা বৈজ্ঞানিক বিষয় নিয়ে আমাদেরকে জ্ঞান দিয়েছেন। কিন্তু তাদের সেই পরিশ্রমলব্ধ লেখার সঙ্গে এই অনুভূতির লেখা কি আসলেই যায়? এই লেখাতে লেখিকা আসলে কী বলতে চেয়েছেন তা মোটেও পাঠক শ্রেণির কাছে পরিষ্কার নয়। তবে পরনিন্দার ব্যাপারটি ভীষণ প্রকট। এই ধরনের পরশ্রিকাতর লেখা পড়তে চাই না বিডিনিউজে।”

        — আপনি গীবতের কথা বলছিলেন না? পরনিন্দার ব্যাপারটিই বোঝাতে চেয়েছিলেন নিশ্চয়ই!!

        ধন্যবাদ।

      • sk. uzzal

        জনাব তুহিন ইসলাম সাহেব,

        বিডিনিউজ এবং এই কলাম কোনো নির্দিষ্ট পাঠকশ্রেণি বা কোনো বিশেষ ব্যক্তিশ্রেণির জন্য নয়। তাছাড়া আপনি বিডিনিউজের পাঠকশ্রেণির দায়িত্বরত কেউ নন যে, সবার মতামত আপনি দিয়ে দিলেন। এটা সবার জন্য, তাই না?

        আপনার এত সময় যে নষ্ট হল বললেন, কিন্তু সময় নষ্ট করে উনার মিথ্যা সমালোচনাযুক্ত সব খবরই তো রাখেন– “যেগুলো অপপ্রচার এবং মিথ্যা যার কোনো প্রমাণযুক্ত বাস্তব ভিত্তি নেই। এই কলাম পাঠককে সুযোগ দিয়েছে মতামত দেওয়ার, সেহেতু লেখাটা আপনার ভালো না লাগলে সমালোচনা করতেই পারেন। কিন্তু আপনি যেটা করছেন এবং বলছেন ভাই, সেটা সমালোচনা নয়, সেটা হচ্ছে হিংসাত্মক, পরনিন্দা বা ব্যক্তিআক্রোশ।’’

        আপনি যার উদাহরণ টানলেন, ‘রামারাও সিদ্ধা’র– সেটা তো আরও আক্রোশপূ্র্ণ, বিডিনিউজে একান্ত নিজস্ব ব্যাপার তারা কার লেখা ছাপাবে বা কী করবে– তারপরও যদি কোনো মতামত থাকে সেটা কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেন, এখানে লেখার তো দরকার নেই, তাই নয় কি?

        সুতরাং ঘুমের ঘোরে মিথ্যার মধ্যে না থেকে বাস্তবভিত্তিক সমালোচনা করুন, কিন্তু অপপ্রচার বাদ দিন।

      • tuhin islam

        জনাব উজ্জল সাহেব,

        আপনি একদম ঠিক বলেছেন। বিডিনিউজের এ কলামটি সবার জন্য এবং ঠিক সে কারণেই এটার একটা নূন্যতম মানদণ্ড থাকা একান্ত জরুরি। এটা হলুদ সাংবাদিকতার জায়গা নয়। যারা হলুদ সাংবাদিকতা করেন আর নিজের পেশার সব মানুষের দোষ খুঁজে বেড়ান– এ কলাম তাদের জন্য নয়।

        আর লক্ষ্য করে থাকবেন, কথাটা আমি বিশেষ করে বিডিনিউজ কর্তৃপক্ষকে দৃঢ়ভাবে জানিয়েছি; একটি সম্পাদকীয় বোর্ডের মাধ্যমে ছাপার জন্য লেখা নির্বাচনের পরামর্শ দিয়েছি। এখন এটা বিডিনিউজের ব্যাপার।

        ধন্যবাদ।

  3. আরেফীন

    মুন্নী সাহার এই লেখাটি ২২ জানুয়ারি ২০১৪ (বুধবার) বিডিনিউজে প্রকাশ হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। সম্ভবত উনিশ কিংবা কুড়ি অথবা একুশ জানুয়ারি লেখাটি লিখেছেন তিনি। মুন্নী সাহার লেখাটি নিতান্তই তার আত্মপ্রচার-সম্পর্কিত, আর এই লেখাটি বাদে আশেপাশে যতগুলো লেখা চোখে পড়ছে, সবগুলোই দেশজুড়ে চলমান ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতন বিষয়ে, সবগুলোতেই লেখক বা কলামিস্টদের স্পষ্ট উদ্বিগ্নতা প্রকাশ পাচ্ছে।

    তারাও হয়তো লেখাগুলো প্রকাশ হবার দিন থেকে এক বা দুই বা তিন দিন আগে লিখেছেন। সবার মধ্যেই আমাদের হিন্দু আত্মীয়দের নিয়ে উদ্বিগ্নতা থাকলেও মুন্নী সাহা’ৎর তা আছে নাকি নেই স্পষ্ট নয়। স্পষ্ট হওয়ার দরকারও নেই। যিনি সর্বদা আত্মপ্রচার আর আত্মসম্পদোন্নয়নে ব্যাস্ত আছেন এতগুলো বছর ধরে, তার ঘুম আর না ভাঙানোই ভালো।

    Reply
  4. রুদ্র সাইফুল

    মুন্নী দি,

    ভালোই লিখছেন, তবে এভাবে জল ঘোলা না করলেও পারতেন। বিষয়গুলো নিয়ে টানাহেঁচড়া করা আপনার উচিত হয়নি। আপনার অবস্থানটি আগে বুঝতে হবে, এরপর কে আপনার সম্পর্কে কী বলল সেটাকে কাউন্টার দিতে হবে।

    যাই হোক, নিজেকে কাউন্টার দেওয়ার মতো তথ্য আপনি উপস্থাপন করতে পারলেন না দেখে খারাপ লাগল। আমার বার বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আপনার এই মামুলি যুক্তিগুলো ধোপে টিকবে না।

    Reply
  5. আশিকুর রহমান শোভন

    আমি নিজেই ফেসবুকে আসক্ত একটা ছেলে, আমি আমার আশেপাশের বন্ধুদের দেখে অনেক কিছু শিখি। এদের প্রায় অনেকেই ফেসবুকে ‘সুশীল সেলিব্রেটি’ তত্বে বিশ্বাসী।

    অর্থাত্‍ ধরলাম, ফেসবুকে বেশি লাইক পাওয়া একজন ব্যক্তি যদি স্ট্যাটাস আপডেট করেন– “আজকের আকাশটা সবুজ”… ঠিক তখনই নিচে মন্তব্য পড়তে শুরু করবে– ‘‘আসলেই সবুজ ছিল’’, ‘‘হ্যাঁ, আপনি আমার মনের কথা বলছেন’’, কী জোশ, সবুজ আকাশ’’“

    কিন্তু সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা তারা করে না ..

    মুন্নীদি, আমার ফেসবুক প্রোফাইল পিকচারে একদিন ছোট একটা মন্তব্য করেছিলেন, আমার বন্ধুরা সেখানেও মন্তব্য ছুঁড়েছে– ‘‘দোস্ত, মুন্নী সাহা তোর ছবিতে কমেন্ট করছে, অনুভূতি কী?

    এর কোনো জবাব আমার কাছে ছিল না… 🙂

    বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর….

    Reply
  6. আবু শাকিল

    যে যার অবস্থান থেকে লিখেন, কথা বলেন।

    আমরা মূর্খ জাতি যা শুনি, পড়ি, দেখি… সবই ভালো লাগে না। আমাদের বলারও জায়গা নেই, কাউকে শুনানোর জায়গা নেই।

    Reply
  7. ষাইফ ঋাষেল

    হুট করে আমি নিজেও একটু কনফিউজড হয়ে গেলাম!!!

    আচ্ছা “চিলে কান নিয়েছে শুনলেই আমরা চিলের পিছে দৌড়াই কেন” এই প্রশ্ন আমার অনেক দিন থাকলেও আজকে অবাক হয়ে আবিষ্কার করছি, আমি নিজেও সেই কাজটিই করেছি আনন্দের সঙ্গে! কিঞ্চিত লজ্জাবোধ আমাকে গ্রাস করছে। আমি নিশ্চিত হবার জন্য গুগল করছি, কিন্তু আদতেই এই ধরনের কোনো কথা কোথাও খুঁজে পেলাম না।

    রেশমাকে এই ধরনের কোনো প্রশ্ন আসলে করাই হয়নি অথবা করা হলেও সেটা অন্য কাউকে করা হয়ে থাকতে পারে, অন্তত রেশমাকে নয়। তবে আমার স্বল্প ইন্টারনেট জ্ঞান থেকে হয়তো আমি সঠিক তথ্যের কাছে নাও গিয়ে থাকতে পারি!!

    দয়া করে যারা ব্যাপারটি সত্য বলছেন তারা কেউ কি এই সংক্রান্ত কোনো তথ্য দিতে পারেন? আমি ভুল এবং সঠিকের মাঝে থাকতে চাই না।

    ধন্যবাদ।

    Reply
    • sk. uzzal

      ষাইফ ঋাষেল ভাই,

      আপনি এখন যেটা জানেন এটাই সত্য। আপনার কি মনে হয়… কেউ যদি এর প্রমাণ দিতে পারত বা বিষয়টা সত্যি হত, তবে প্রকাশ না করে ঘরে বসে থাকত? আর বাজে মন্তব্য করত?

      সুতরাং যারা এ অপপ্রচার করেছে.. তারা কীভাবে এর প্রমাণ দিবে?

      Reply
  8. সত্য বচন

    প্রিয় মুন্নী সাহা,

    আপনার ‘ল্যারি কিং’-এর লেখায় একটা কথাই ভালো লেগেছিল– “এটা হল ‘শেখ হাসিনা’ রাশি”। তবে এর মাধ্যমে আপনি তাঁকে ‘কমপ্লিমেন্ট’ দিয়েছেন না ‘কমপ্লেইন’ করেছেন– সে বিতর্ক অপ্রাসঙ্গিক।

    নবনীতার কথার ঝাল সমর্থনযোগ্য, তবে সব ক্ষেত্রে নয়। মাঝে মাঝে সেটা তিতা হয়ে অখাদ্য হয়ে যায়।

    ‘বাকারা’ শব্দটি হবে ‘বকরা’ (অর্থ- ছাগল), যদি আপনি এটি বুঝিয়ে থাকেন।

    ‘ফেসবুকিং করা পিচ্চি-পাচ্চারা’-ই কিন্তু এখন বাংলাদেশকে নতুন পথে নিয়ে যাবার স্বপ্ন দেখাচ্ছে, যেটা আপনারা যখন ওই বয়সে ছিলেন করে দেখাতে পারেননি।

    ক্রিশ্চিয়ানা আমানপোর!!! তিনি নিজেই তো বিতর্কিত। তার কথা এখানে আনার কোনো প্রয়োজন ছিল কি?

    আশীফ এন্তাজ রবি???? আর পরলাম না দিদি!!!

    আপনার প্রশংসা করলেই মানুষ আপনার ‘গর্বের ইয়াং বাহিনী’ হয়ে যাবে?? সমালোচনাও তো সহ্য করা উচিত।

    বলেছেন “আমি জানি আমি কী’– যদি জেনেই থাকেন তাহলে তাতেই মনোনিবেশ করুন। অযথা এতদিন পরে এসব লিখছেন কেন?

    তবে সবকিছুর পরে আপনার একটি কথাই সবচেযে ভালো লেগেছে যে আপনি এখনও ‘জামাত’ কে বর্বরই মনে করেন।

    ধন্যবাদ।

    আপনার মঙ্গল হোক। ভালো থাকুন।

    Reply
    • sk. uzzal

      সত্যবচন, সত্যের মতো কিছু ভালো কিছু বচন (কথা) আপনি বলেছেন, তবে–

      ১. ‘ফেসবুকিং করা পিচ্চি-পাচ্চারা’ এটা কথার কথা (ভালোবাসা মাখানো)। কারণ যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে শাহবাগে তরুণরা যখন জেগে উঠেছিল, সেই শুরুর দিনের প্রথম প্রহর থেকেই প্রত্যেকটা ক্ষণ, প্রত্যেকটা দিন শাহবাগে অবস্থান করেছেন শুধু সাংবাদিক হিসেবে নয়, সহকর্মী হিসেবে। তার সাংবাদিকতার হিসেবে (ওই বয়সে) দেশের প্রত্যেকটা সংকট মূহুর্তে রাজনৈতিক আর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জনগণের মনের কথা, গণতন্ত্রের কথা অবহিত করার চেষ্টা করেছেন। রাস্তায় থেকেছেন দিন-রাত, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল কর্মকাণ্ডে তার আগ্রহ সবসময়।

      ২. আর ‘ইয়াং নাইট’ প্রোগ্রামটা (শুধুমাত্র তরুণদের প্লাটফর্ম) চলছে একমাত্র দিদির আগ্রহের কারণে।

      ৩. “আমি জানি আমি কী”, প্রত্যেকটা মানুষই তার নিজের খবর জানে যে সে কী। অযথা নয় … আমাদের জন্য লিখছেন, আমাদের জানা দরকার … না হলে যে অসত্যের জয় হয়ে যাবে।

      নিশ্চয়ই গত লেখাটা পড়েছিলেন, শাহ আলী সরকারকে (কণ্ঠযোদ্ধা) নিয়ে।

      Reply
  9. আরিফ জেবতিক

    যারা গালাগালি দেয় বা বাজে কথা বলে তারা বেশিরভাগই ‘ফেক’, মুখোশের আড়ালের লোক। পাবলিক প্লেসে এদের যন্ত্রণাটা সহ্য করতে হবেই, তবে এটা নিয়ে ভাবনার কিছু নেই।

    ১ কোটি মানুষের হাতে ইন্টারনেট আছে। ভালো লোকও যেমন আছে তেমনই সুযোগ পেলে প্রতিবেশির বারান্দায় পানের পিক ফেলে ‘হুদাই’ মজা নেওয়া ‘সিক’ লোকের হাতেও আছে!

    Reply
  10. Erfan

    কোনটা সত্য?কোটি কোটি মানুষের চোখ আর কান-নাকি আপনার এই লেখা?

    তবে মনে হচ্ছে, আপনার এই লেখাটা দিয়ে পানি আরও ঘোলাই করলেন।

    Reply
    • sk. uzzal

      ভাই, আগে লেখাটা ভালো করে পড়েন। এখানে তিনি বিষয়টা আরও পরিষ্কার করেছেন এবং উদাহরণসহ লিখেছেন।

      সুতরাং ভাই, অযথা উল্টাপাল্টা প্রশ্ন/মন্তব্য করে পানি ঘোলা বানিয়ে সেই পানি সবার মাঝে না ছিটানোই ভালো…

      Reply
    • বাংগাল

      মাজেজা?

      মুন্নী সাহা, ক্রিশ্চিয়ানা আমানপোর, ল্যারি কিং, সিএনএন বা এটিএন– কোনো ফারাক নেই, সমপর্যায়ের ও সমগোত্রীয় ভাববার বা প্রচারের হ্যাংলাপনা!!!

      Reply
    • tuhin islam

      এখানে যারা এ যাবৎ মন্তব্য করেছেন তাদের কেউই এই ‘অসাধারণ’ লেখার মাজেজা বুঝেছেন বলে মনে হয় না। আপনি বরং মুন্নী সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন। আমি মোটামুটি নিশ্চিত লেখিকাও এ বিষয়ে আপনাকে তেমন সাহায্য করতে পারবেন না।

      ধন্যবাদ।

      Reply
  11. REZWAN FAIZ

    যারা না জেনে এই বিষয়টি নিয়ে এতদিন মুন্নী সাহার সমালোচনা করেছেন, আশা করি এবার তাদের ভুল ভাঙবে। আর যারা জেনেশুনে এই মিথ্যা কাহিনীটি ছড়ান তাদেরকে বলার কিছু নেই।

    রেশমা উদ্ধারের সময় সংবাদকমর্মী হিসেবে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তাই ভেবে পাই না এতবড় মিথ্যে কথা কীভাবে মানুষ ছড়ায়, আর কীভাবেই-বা অন্যরা বিশ্বাস করে! বিশেষ করে অনেক নামিদামি সংবাদকর্মীকেও যখন এই কাতারে দেখি।

    …ভাইরে একটু যাচাই করে সমালোচনা করেন না। মুন্নী সাহার সব পছন্দ করতে হবে এই দিব্যি তো কেউ আপনাকে দেয়নি ..ত বে পছন্দ হয় না বলে এত্তবড় মিথ্যা কথাটা বলতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে..?

    Reply
  12. sk. uzzal

    দিদি,

    আমার সংক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতায় যেটুকু বুঝি– সাংবাদিকতা আবেগ দিয়ে হয় না, সংবাদ সংগ্রহ করতে অবশ্যই কৌতূহলী, কৌশলী আর সন্দেহপ্রবণতা (সত্য উৎঘটনের জন্য) থাকা দরকার।

    শত শত লাশ আর ভাঙা স্তূপ থেকে ১৭ দিন পর জীবিত কাউকে বের করা হচ্ছে (হল), এটা অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার রহমত। কিন্তু আমি যতদূর বুঝি, ওই মুহূর্তে সাংবাদিক হিসেবে প্রখর দৃষ্টি এবং পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বিশেষ করে জিজ্ঞাসাদৃষ্টি থাকা উচিত যেটা সাংবাদিকতার মূল অস্ত্র।

    যেহেতু দিদি, ‘পাছে লোকে কিছু বলে’ আমার বাস্তব অভিজ্ঞতায়, সাধারণ দর্শকরা (বিশেষ করে মফস্বলের এবং গ্রামের) অনেকেই এটিএন বাংলা আর এটিন নিউজ নামে গুলিয়ে ফেলে, কিন্তু মুন্নী সাহার চ্যানেলে দেখেছি এটা ঠিক বলতে পারে। সাংবাদিক হিসেবে সাধারণ দর্শকই বেশি প্রয়োজন।

    আর ‘আলোচিত’ ব্যক্তিরাই ‘সমালোচিত’ হবে এটাই স্বাভাবিক।

    Reply
  13. ইমরান হোসেন সুমন

    আজকে অনেকেই অনেক কথা বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে, কাউকে সহ্য করতে না পারা, হিংসাত্মক মনোভাব অনেক সিনিয়র সহকর্মীর মধ্যেই প্রত্যক্ষ করছি।

    তবে বাংলাদেশে মুন্নী সাহা একজনই। তরুণ প্রজন্মের সংবাদকর্মীদের কাছে তিনি আদর্শই বটে। যেমনটা মুন্নীদি শিখেছেন মিশুক মুনীরের কাছ থেকে। আমরাও কিছুটা।

    সমালোচনা করে কিছু মানুষ নিজেদের আলোচনায় রাখতে চান। দিদিকে নিয়ে সেইসব মানুষের সমালোচনা শুধু ব্যক্তিগত আক্রোশ ছাড়া আর কিছু নয়। আজকে টেলিভিশন টকশোগুলোতে আমরা তো দেখি মুন্নীদিকে অনুকরণ করছেন অনেকেই। কিন্তু তারা কখনই মুন্নীদির জায়গায় যেতে পারবেন না।

    আমরা বলতে চাই, পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করতে গেলে অনেকেরই গা জ্বালা করে।

    Reply
  14. Arifa

    প্রিয় দিদি,

    আমাদের সঙ্গে আপনার অনুভূতি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমাদের মতো অনেকেই আপনার মতো সাহসী ও সৎ হতে আপনাকে অনুকরণ করে। এটা বলা এজন্য যে, তরুণদের কাছে আপনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা জানানো।

    আমার কিছু প্রশ্ন আছে।

    আপনার কি কখনও মনে হয়েছে রানা প্লাজার ব্যাপারটি একটি নাটক???

    তরুণদের বড় অংশের মনে যেসব প্রশ্ন আছে সেগুলোর উত্তর জানা কি জরুরি নয়?

    যারা ফেসবুকে আপনাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে তাদের পক্ষ হয়ে আপনার কাছে ক্ষমা চাই। দুঃখিত, আপনাকে শ্রদ্ধা করি, আগে যেমন, এখনও তেমন।

    Reply
  15. মোস্তাফিজ রিপন

    নানা সূত্র ধরে মুন্নী সাহা অনলাইনে আছেন। ফেসবুকে, ব্লগে, ইউটিউবে। অনিয়মিত পড়াশুনা করা, রাজনীতি-সাহিত্য নিয়ে টুকটাক জানে, এমন বেশকিছু মানুষের অনলাইন চরিত্র এটি… না জেনে ওজনদার কথা বলা, ট্যাগ করা এদের প্রিয় কাজ।

    Reply
  16. মাঈনুল

    আপু, লেখাটি পড়ে খুব তৃপ্তি পেলাম। আমি নিউজ টুডে-তে কিছুদিন কাজ করেছিলাম এবং দু-তিনটা জায়গায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আপনার সঙ্গে সাক্ষা্তও হয়েছিল। যে যাই বলুক আপু, আমি আপনাকে খুব শ্রদ্ধা করি।

    আমি বলব, ”নিন্দুকেরা নিন্দা করবে, এটাই নিয়ম। তাই বলে যারা স্পষ্টভাষী তার যে থেমে থাকবে তা নয়।”

    আপনি চালিয়ে যান…. আল্লাহ আপনার সহায় হোন।

    আমিন।

    Reply
  17. Yusuf

    আমি মুন্নী সাহার নামে ফেসবুকে মানুষের কিছু কমেন্ট দেখেছি, তাদের আমি কী বলব বুঝতে পারছি না। নির্বোধ অথবা চোখ থাকিতে অন্ধ যারা তারা রানা প্লাজায় ভয়াবহ ১৭ দিন কাটানো সেই মেয়েটির কথায় বিশ্বাস করে!

    ধন্যবাদ মুন্নী সাহাকে।

    Reply
  18. Mubin

    আমি নিজে আপনার ওই লাইভ অনুষ্ঠান দেখেছি। রেশমাকে বের করার সময় আপনি নিজে প্রশ্ন করেছিলেন তার কাপড় এত পরিষ্কার থাকল কীভাবে এ নিয়ে। এরপর আপনি তাকে প্রশ্ন করতে গেলে কিছুক্ষণ আপনি কোথায় যেন হারিয়ে যান এবং এ ব্যাপারে আর কোনো প্রশ্ন তুলেননি।

    ১৭ দিন পর একজন মানুষ কীভাবে এত বলবান থাকে, নিজে নিজে হাত-পা নাড়তে পারে, কথা বলতে পারে? আমি নিশ্চিত, আপনাকে এ ব্যাপারে নাক না গলানোর জন্য বলা হয়, আর আপনি আপনার সাংবাদিকতার সততা এখানে দেখাতে পারেননি। কেন পারেননি তা আপনার চেয়ে ভালো কেউ বলতে পারবে না।

    আপনি ওই কয়েক মিনিট কোথায় ছিলেন জবাব দেবেন কি?? মনে করার জন্য ওই সময়ের ভিডিও দেখুন আর মুছে ফেললে আমার করার কিছুই নেই। কারণ আমি তো আর আপনার প্রোগ্রাম রেকর্ড করিনি।

    আপনার অনেক কার্যকলাপ আপনার নিরপেক্ষতার বিপক্ষে যায়…..

    Reply
  19. রহমান মুফিজ

    আমি ভাবছিলাম, আপনি চুপই থাকবেন। কোনো কৈফিয়ত দেবেন না। আর কৈফিয়ত দেবার গরজই-বা কী?

    কিন্তু লেখাটি পড়ে মনে হল– না, একটা কিছু জবাব বোধহয় আপনার করা উচিত ছিল এবং আপনি তা-ই করেছেন। ঠিক আপনার মতোই লেখাটা ‘শিরোন্নত’।

    ধন্যবাদ মুন্নী সাহা।

    Reply
  20. এফ রহমান

    মুন্নী সাহা সাহসী সাংবাদিকতার জন্য প্রশংসিত। কিন্তু আজকাল মনে হয় তিনি আওয়ামী সাংবাদিক লীগের সভাপতির পদ পেয়েছেন।

    Reply
  21. রামারাও সিদ্ধা

    বিডিনিউজে যে মতামতগুলো প্রকাশ করা হয় তার একটা ন্যূনতম গুনণত মান এই লেখা প্রকাশের আগে পর্যন্ত ছিল। এখন থেকে থাকবে কি না তার উত্তর সময়ই বলে দিবে।

    বিভিন্ন সময়ে অনেকে এইখানে গুরুত্বপূর্ণ মতামত, বিশ্লেষণ কিংবা বৈজ্ঞানিক বিষয় নিয়ে আমাদেরকে জ্ঞান দিয়েছেন। কিন্তু তাদের সেই পরিশ্রমলব্ধ লেখার সঙ্গে এই অনুভূতির লেখা কি আসলেই যায়? এই লেখাতে লেখিকা আসলে কী বলতে চেয়েছেন তা মোটেও পাঠক শ্রেণির কাছে পরিষ্কার নয়। তবে পরনিন্দার ব্যাপারটি ভীষণ প্রকট। এই ধরনের পরশ্রিকাতর লেখা পড়তে চাই না বিডিনিউজে।

    খাবারের থালায় খাবারের সঙ্গে অখাদ্য কুখাদ্যের দেখা মিললে মানুষ দুইটা কাজ করে। ধনীরা থালার পুরো খাবারটাই ফেলে দেয়, আর গরীবেরা অখাদ্যটাকে সরিয়ে খাবারটা ঠিকই খায়।

    জাতে গরীব আমরা, তাই মুন্নী সাহার এই অখাদ্য পাস কাটিয়েই বিডিনিউজ পড়তে হবে।

    Reply
    • tuhin islam

      আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের প্রতিটি শব্দের সঙ্গে একমত। অসাধারণ মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

      বিডিনিউজকে সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি এ ধরনের সস্তা লেখা আমরা এই কলামে পড়তে চাই না। লেখা পেলেই তা ছাপানোর নীতি পরিবর্তন করে একটি শক্তিশালী সম্পাদকীয় বোর্ডের ছাড়পত্রের মাধ্যমে লেখা নির্বাচনের পদ্ধতি গ্রহণ করা বিডিনিউজের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় আজকের এই জনপ্রিয়তা ধরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে।

      মনে রাখবেন, কোনো কিছুই জবাবদিহিতার বাইরে নয়। আপনাদের জনপ্রিয়তাও ধরে রাখতে হবে দায়িত্বশীল পরিচালনার মাধ্যমে। বাংলাদেশের মানুষ যেমন হৃদয় দিয়ে বিডিনিউজকে আজ গ্রহণ করেছে, তেমনি তারা বিডিনিউজকে নিম্নমানের কারণে ছুঁড়ে ফেলে দিতে মুহূর্তের জন্যও দ্বিধা করবে না।

      ইংরেজিতে যেমন বলে, You should not take anything for granted…

      ধন্যবাদ।

      Reply
  22. ফওজিয়া হাসনাত চৈতি

    লেখা অনেক ভালো লাগল। সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে প্রয়াস করছি। অনুশীলনে আছি। অনেকে শুনে ঠাট্টা করে, ‘মুন্নী সাহা হবা??’ …

    আমি গর্ব বোধ করি। কারণ মুন্নী সাহা কোনো সাধারণ সাংবাদিকের নাম নয়। মুন্নী সাহা একজন আইকন। ম্যাম, ইউ আর দ্য বস।

    ফালতুরা ‘ফালতু’ কথাই বলে …. doesn’t matter

    🙂

    Reply
  23. Al Amin chowdhury

    আপনি এই প্রশ্ন করেছিলেন বলেই জাতির মনে প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। এজন্য অন্তত বিবেকবানরা আপনাকে মনে রাখবে। ধন্যবাদ মুন্নী আপা।

    Reply
  24. Harun Rashid Roni

    শেখাটি পডে অনেক ভাল লাগল। সত্যি কথা বলতে কী, আপনি স্পষ্টভাষী। আর এইরকম লোক অনেকের অপছন্দ। আপনি চালিয়ে যান, আমরা আছি। ভাল থাকবেন।

    Reply
  25. Khaled

    .এটাই এই গল্পের আরেকটি দিক। ঈশ্বর জানেন সেদিন কী হয়েছিল। আপনি যেভাবে কাজ করছেন চালিয়ে যান।

    Reply
  26. হাসান আদিল

    ভালো লাগল লেখাটা পড়ে। তবে আপনার একটা কথা বিরক্তির উদ্রেগ করল এ কারণেই যে, এই জেনারেশ দেখে বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়, দেখে বিশ্বাস করে। আপনার বুদ্ধির তারিফ করছি কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই একথা জানেন যে, অলক্ষ্যে অনেক বস্তুর অস্তিত্ব রয়েছে যা দৃশ্যমান নয়।

    Reply
  27. Shiblu Mokammel Hoque

    Do not let what you cannot do stop you from doing what you can do — John Wooden

    ‘চলতিপত্র’তে আমি, রবি ও অন্যরা যখন আপনার সঙ্গে লিখতাম তখন থেকে আপনার লেখা দেখি। আপনার প্রোগ্রামটি ভালো লাগে। মনে রাখবেন, কিছু আপনি কীভাবে অর্জন করবেন, যদি তাতে আপনাকে মূল্য দিতে না হয়? আপনি তো মানুষ, সুতরাং….

    Reply
  28. Abul kashem

    ম্যাডাম, ওয়েবে রেপুটেশন ম্যানেজমেন্ট আর সোশ্যাল মিডিয়া ক্রাইসিস বলে একটা বিষয় আছে। ঠিক এই ধরনের পরিস্থিতি নিয়ে এক্সপার্ট সার্ভিস বা গাইডেন্স দরকার। যারা আপনাকে নিয়ে এই মন্তব্য করে তাদের “ফেসবুকিং করা পিচ্চি-পাচ্চা…” বলা কিংবা “আমার চামড়া মোটা। মুর্খ, স্নবিশদের মন্তব্যে আমার কিছুই যায় আসে না” বলাটা আমার মতে বোকামি।

    এরা সবাই আপনার টার্গেট অর্ডিয়েন্স। কাউকে বাদ দেওয়া তো ঠিক নয়। তাছাড়া কোনো পত্রিকায় প্রথম লেখাই যদি কোন বিষয়ে হয় তাতে বোঝা যায়, বিষয়টি তাকে প্রভাবিত করেছে।

    পরামর্শ: রেপুটেশন ম্যানেজমেন্ট আর সোশ্যাল মিডিয়া ক্রাইসিস বিষয়ে গুগল করুন।

    Reply
  29. মনসুর নাদিম

    মুন্নি সাহা আমার এক প্রিয় সাংবাদিক। সেই একুশে টি ভি থেকে আমি তাঁর ভক্ত। কিন্তু এখন তিনি কেন এতো আলোচিত/সমালোচিত হচ্ছেন আমি ঠিক জানিনা।তিনি কি আসলে কারো ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন ? নাকি বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের প্রচারনা চাচ্ছেন ? যদি প্রথমটা সত্য হয়, তবে অবশ্যই খুবই খারাপ হচ্ছে। আর যদি শেষেরটা সত্য হয় তবে মনক্ষুন্ন হবো।

    Reply
  30. bangali.bangladeshi

    হুমমম বুঝলাম… সব ঘোরের মধ্যেই এখন প্যাঁচ আর সব প্যাঁচের মধ্যেই ঘোর — দুইয়ে মিলে ঘনঘোর প্যাঁচ —

    কেউ কুমির কেউ বাঘ — আচরণে স্বগোত্রীয়ই বটে মনে হচ্ছে!

    Reply
  31. সোহরাব শান্ত

    আপনার সাংবাদিকতা, এবং অবশ্যই সহসীকতা অটুট থাকুক দিদি। ইতিহাস সবসময় স্পষ্টবাদিদের পক্ষেই থাকবে।

    Reply
  32. TALUKDER APURBA DEV

    লেখাটা ভালো লাগল না। হয়তো আপনার মতো করে বুঝিনি তাই! কেন লিখলেন, কী লিখলেন, কী বুঝালেন জানি না।

    যাই হোক, একটু সময় নিলাম বুঝবার জন্য। তাছাড়া আপনাকে আমি অত ভালো জানি না, চেষ্টাও করিনি কখনও। ভালো থাকুন। লিখবেন আবার।

    Reply
  33. Arfanur Rahman

    প্রিয় মুন্নী সাহা,

    একটা কথা আছে ‘‘পাছে লোকে কিছু বলে”.. যে যাই বলুক তাকে বলতে দিন, বানাতে দিন। সে যে আপনাকে নিয়ে একটু চিন্তা করে এটাই আপনার বড় গর্ব ও পাওয়া। নিজেকে সবসময় একজন আইকন মনে করবেন।

    শেষে একটা কথা বলতে চাই, যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে।

    ধন্যবাদ।

    Reply
  34. Rashid

    দিদি, আপনি নিজে বুঝে যা লেখেন তাই যথেষ্ট। ল্যারি কিং বা ‘ক্রিশ্চিয়ানা’ আমানপোর অথবা অন্য যেকোনো বই থেকে উদ্ধৃতি না দিলেই কি নয়!

    Reply
  35. muhib

    আমি মুন্নী সাহাকে এই প্রশ্ন করতে শুনিনি। তবে আমার ধারণা ছিল মিজ মুন্নী এই প্রশ্ন রেশমাকে নয়, তার আগে অন্য একজনকে করেছেন। তিনি রানা প্লাজা থেকে তখনও বের হননি, কোনো ফাঁক-ফোকর দিয়ে তাকে দেখা যাচ্ছিল।

    কিন্তু ম্যাডাম, আপনার এক্সট্রা আওয়ারের প্রশ্ন অনেক বড় বড় যার ভেতরে উত্তরও আপনি দিয়ে দেন। তবু আপনাকে আমরা এখনও লাইক করি।

    Reply
  36. Ahmed Abid

    কোনো ব্রান্ড মিডিয়াতে কাজ করিনি। তবে জীবনের প্রথম দিকে মিডিয়াতে ক্যারিয়ার গড়েছিলাম। মুন্নী সাহার সঙ্গে অনেকবার দেখা হয়েছে। কলিগদের ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্ট ও শিক্ষার ব্যাপারে তার ব্যক্তিগত উৎসাহের ব্যাপরটি দেখেছি।

    Reply
  37. Bablu

    মুন্নী সাহা অন্ততপক্ষে আমাদের সেই ধরনের সাংবাদিকদের একজন যারা সত্য বলতে চেষ্টা করেন। এখনকার রাজনৈতিক অবস্থায় একজন সত্যিকারের সাংবাদিক পাওয়া– যারা প্রদর্শিত সত্যের বাইরে আসল সত্যটি তুলে আনতে চান– কঠিন। এতে প্রমাণ হয়, সিচুযেশন এত জটিল হলেও, কারও কারও বাস্তব তুলে ধরার মতো দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি আছে।

    আমরা রানা প্লাজার খুব কাছে ছিলাম। আমরাই সত্যটা সবচেয়ে ভালোভাবে জানি। সত্যি বলতে কী, দুঃখটা প্রকাশের কোনো উপায় ছিল না আমাদের।

    আমাদের প্রবীণরা বলেন, ‘মেয়েদের বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না।’’ আমি বলব, বেশিরভাগ বাঙালির অবস্থা এ রকমই। আমরা আমাদের রাজনীতিবিদদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপাদান মাত্র। তবু আমরা বিশ্বাস করি, সত্য কোনোদিন চাপা থাকবে না। একদিন এটা বেরিয়ে আসবেই।

    এই প্রত্যাশায় আমরা সাধারণ বাঙালি দিন গুনছি … ১, ২, ৩, ৪ …………

    Reply
  38. সৈয়দ আলী

    লেখাটি কোন গোত্রের? স্মৃতিচারণ? বাষ্পনিষ্ক্রমণ? নবনীতার ঢঙু ঢঙু মার্কা কথা বলা বিষয়ক? ইয়ং নাইটদের পৃষ্টকুন্ডয়ন?

    বোঝা গেল না…

    Reply
    • Alfred Samaddar

      কিন্তু মুন্নী সাহা, আমরা অনলাইনে ‘পড়ে’ থাকতে পারি, কিন্তু আমরাও আপনার চেয়ে কম ‘ভার্চুয়াল’।

      আপনার প্রোগ্রামে এই ২০১৪ সালে এসেও ‘পাকিস্তান এখন বাংলাদেশকে আক্রমণ করলে আমাদের কী হবে’ মার্কা প্রশ্ন গা-জ্বালানিয়া।

      আপনি ‘জৈবিক স্পর্শ’-কে অনেক দাম দেন জানা গেল, সেটা আপনার নিতান্তই নিজের ব্যাপার। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি আরও বস্তুনিষ্ঠ, আরও ‘রিয়েল’ হয়ে উঠতে পারবেন না।

      Reply
    • tuhin islam

      আমিও বুঝলাম না; অতি উচ্চমার্গের কিছু একটা হতে পারে। তবে বিষয় বা বক্তব্য কিছু নেই, যাকে বলে ‘অসার’। আছে শুধু আমি, আমি আর আমি। ‘আমি’ এত বড়, তাই সবাই আমার পিছে লাগে; আমার ‘সাফল্যে’ ঈর্ষান্বিত হয়ে দলে দলে মানুষ (মুন্নী সাহার ভাষায় মুর্খ, স্নবিশরা) আজেবাজে কথা ছড়ায়…

      খুশি হতাম যদি তিনি বিডিনিউজে তার প্রথম লেখায় অত্যন্ত আপত্তিকর সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এই লেখায় তা উল্লেখ করতেন। সেটা হত তার সততার পরিচায়ক।

      কিন্তু তিনি তা করবেন কেন? তিনি তো বিশাল মানুষ, এত বড় যে আমরা মূর্খরা তার উচ্চমার্গের চিন্তাধারার কোনো কুলকিনারাই করতে পারি না…

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—