০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১
মান্দালয়, সাগাইং ও রাজধানী নেপিদোর মতো ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতেই বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
"আমি যখন তাদের কথা ভাবি, বিশেষ করে তাদের সন্তানদের কথা, অনেকে তো একেবারেই ছোট—আমি আমার চোখের পানি ধরে রাখতে পারি না।”
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত অনেক এলাকায় আশ্রয়, পানি ও ওষুধের তীব্র ঘাটতি দেখা দেওয়ার কথা বলছে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো।
গত শুক্রবারের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৪৬৩৯ জন আহত এবং ৩৭৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
চীনা ত্রাণবহরটি তাদের গন্তব্য, যে পথ দিয়ে তারা যাচ্ছে ও সরবরাহ পরিকল্পনা সামরিক জান্তাকে অবহিত করেছিল বলে জানিয়েছে।
“জরুরি অনুসন্ধান ও উদ্ধারের সময়সীমা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। অনেক মানুষ খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন।”
“বড় ভূমিকম্প আসার আগে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়, আমরা বলি ফোরশক। ফোরশক অনেক হচ্ছে, গত দু্ই-তিন মাসে ভূমিকম্প অনেক বেড়ে গেছে।”
মিয়ানমারে সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে স্পষ্ট হচ্ছে ভূমিকম্পের ভয়াবহতা আর বাড়ছে প্রাণহানির মাত্রা