Salek Khokonজন্ম ১০ আগস্ট, ১৯৭৪। ঢাকায়। ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ঢাকার কাফরুলে। নানান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং আছেন। যুক্ত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও থিয়েটারের সঙ্গেও। মুক্তিযুদ্ধ, আদিবাসী ও ভ্রমণ-বিষয়ক লেখায় আগ্রহ বেশি। নিয়মিত লিখছেন দেশের প্রথমসারির দৈনিক, সাপ্তাহিক, ব্লগ ও অনলাইন পত্রিকায়।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে একাত্তরের গণহত্যা ও গণকবরের তথ্য অনুসন্ধান, প্রত্যক্ষদর্শী ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাষ্য তুলে আনাই বর্তমান নেশা। লেখার পাশাপাশি আলোকচিত্রে নানা ঘটনা তুলে আনতে সমাপ্ত করেছেন ফটোগ্রাফির কোর্স। স্বপ্ন দেখেন মুক্তিযুদ্ধ, আদিবাসী এবং দেশের কৃষ্টি নিয়ে ভিন্নধরনের তথ্য ও গবেষণামূলক বড় ধরনের কাজ করার।

এ পর্যন্ত প্রকাশিত গ্রন্থ ৯টি–

১. রক্তে রাঙা একাত্তর (গণহত্যা, গণকবর ও যুদ্ধাহতদের ভাষ্য);

২. আদিবাসী মিথ এবং অন্যান্য;

৩. সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে আদিবাসী;

৪. কালপ্রবাহে আদিবাসী;

৫. যুদ্ধাহতের ভাষ্য;

৬. আদিবাসী জীবনগাথা;

৭. ভিন্ন জাতির লোকজ উৎসব;

৮. যুদ্ধদিনের গদ্য ও প্রামাণ্য;

৯. আদিবাসী উৎসব।

Responses -- “সালেক খোকন”

  1. ABUL AZAD

    আমার ভাই সালেক,

    আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের আনসাং হিরোদের গল্পগুলো আলোয় তুলে আনছেন বলে আপনাকে আমার অন্তরের গভীর থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের যুদ্ধের হিরোদের জীবনের এই নির্মম বাস্তবতার কথা জেনে আবেগাপ্লুত হচ্ছি।

    এ ধরনের অনেক কাহিনি আগেও পড়েছি। এটা আমাদের জন্য বড় লজ্জার যে, যাঁরা দেশকে মুক্ত করতে জীবন বাজি রেখেছেন তাদের প্রতি আমরা যথাযথ সম্মান দেখাতে পারছি না। এই গল্পের তারা মিয়ার মতো মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করা আমাদের কর্তব্য। বাংলাদেশে বা বাইরে অবস্থানকারী যে ভাইবোনরা এই লেখাটি পড়ছেন, তাদের সবাইকে অনুরোধ করব, দয়া করে তারা মিয়া এবং তাঁর মতো মহান মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করুন। প্রথমে তাদের অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানান। তারপর তাদের আর্থিক সহায়তার কথা বলতে পারেন।

    ভাই সালেক খোকনকে অনুরোধ করব যেন তিনি আমাদের অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি ফাউন্ডেশন করার কথা বিবেচনা করেন।

  2. আহমেদ তৌফিক

    ভাইয়া, আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম।

    যে দায় অনেক তথাকথিত দায়িত্বশীল মানুষই পালন করছেন না, সে দায় মাথায় নিয়ে আপনি ছুটে চলেছেন। আজই প্রথম ‘‘যুদ্ধাহতের ভাষ্য: ১২ ‘শেখের মাইয়াই আমগো খেয়াল রাখে’ ’’ লেখাটি চোখে পড়ল। আমাদের পাঠকের সঙ্গেও শেয়ার করতে চাই। তাই নিয়ে নিলাম। উঁচু প্রাসাদের পাচিল ভেদ করে আপনার লেখাগুলো সঠিক জায়গায় পৌঁছে অসহায় মানুষদের মুখে দেরিতে হলেও হাসি ফোটাক, এটাই প্রত্যাশা।

    ভালো থাকবেন।

Comments are closed.