১৫ ডিসেম্বর রাতে (ক্যালেন্ডারে ১৬) বেশ কিছু সেনা কর্মকর্তার পরিবার নিয়ে কিছু হেলিকপ্টার নিরাপদে বার্মা পৌঁছায়। এদের মধ্যে ছিলেন কুখ্যাত খুনি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ রহিম খানও। ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পনের ঘণ্টা খানেক আগে ভারতীয় বাহিনীর নাকের ডগা দিয়ে ঢাকা ছাড়ে আরো দুটো হেলিকপ্টার। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফোরামে এই পলায়নকে বেশ বীরত্বের বলে চিত্রায়িত করা হয়েছে।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পর্বে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতিটি পর্যায়েই নারীর অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখ্যযোগ্য। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ক্রম-বর্ণনা উপস্থাপন করতে গেলে প্রথমেই বলতে হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কথা। বেতারে ভেসে আসা শব্দ যে বুলেটের চেয়েও প্রচণ্ডতম শক্তি নিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে আঘাত হানতে পারে তার প্রমাণ হচ্ছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।
‘মানুষের সীমাহীন লোভের খবর শুনলে খারাপ লাগে। দুর্নীতি দেখলে মন খারাপ হয়। কাজ করতে গেলেই দেখি ঘুষ চায়। ভালোরা কাজ পায় না। আগে নেতারা নিজের বাজারের পয়সা কর্মীদের দিয়ে যেত। তারা ত্যাগী ও দেশপ্রমিক ছিলেন। এখন তো খাই খাই নেতাই বেশি। তারা বঙ্গবন্ধু বা শেখ হাসিনার মতো নীতিবান হতে চায় না। বরং বাড়ি-গাড়ি, অর্থ-বিত্তের জন্য রাজনীতি করেন।
"এ দেশের এক শ্রেণির মানুষ এখনও মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে শেখেনি। স্বার্থের জন্য জয় বাংলা ও বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করছে যারা তারাই আওয়ামী লীগ ও দেশের শত্রু। আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে কোটি টাকার ধান্ধা করছে কারা? তাদের খুঁজে বের করে কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারের সব অর্জন ম্লান হয়ে যাবে।"


