অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং প্রবৃদ্ধির নামে জনজীবন যাতে ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে সে দিকে কড়া নজরদারি করা সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। জনজীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে, পরিবেশকে বিপন্ন করে প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন অর্থহীন।
রিকশা কিছুদূর যেতেই মিলন বলে ওঠেন- “জালাল ভাই, দেখেন তো, আমার কী হয়েছে”। ডা. জালাল দেখতে পান ডা. মিলনের শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। মিলন গুলিবিদ্ধ। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সহকর্মী চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টার পরও তাকে বাঁচানো যায়নি। নিজের কর্মক্ষেত্রেই সহকর্মীদের হাতের উপর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।
সূচনা বক্তব্যে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় বলেন- “নূর হোসেন আত্মাহুতি দিছে, নাকি তাকে দেওয়াইছেন? পুলিশ গুলি করছে সামনে থেকে, তাইলে তো তার বুকে লাগার কথা, কিন্তু লাগছে পিঠে। নূর হোসেনকে বানানো হয়েছিল বলির পাঁঠা। নূর হোসেন দিবস একটা কল্পনাবিলাসী সাজানো নাটক”।
কারা কর্মকর্তারা যখন ঘাতকদের ঢুকতে না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, এমন সময় কারাগারের অফিস কক্ষের টেলিফোনে তথাকথিত রাষ্ট্রপতি মোশতাক যখন আদেশ করেন যে ওরা যা করতে চায় করতে দাও, তখন কারা কর্মকর্তাদের প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে।


