মুসলিম সংখ্যালঘু দেশে “ইসলাম ভিত্তিক” রাজনৈতিক সন্ত্রাসীরা যখন হামলা চালায় তখন সেদেশে বসবাসকারী মুসলমানদের পরিণতি পরবর্তীতে কি হতে পারে সেটা তারা কখনো ভেবে দেখে না। ৯/১১ এর হামলার পর আমেরিকাতে সবচেয়ে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল সেখানে বসবাসকারী এক শতাংশ মুসলমানদের জীবন, যার জের এখনো তাঁরা ভোগ করছেন। তেমনি, এ হামলার পর আজকে শ্রীলংকাতে বসবাসকারী ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলমানদের অবস্থা সেখানে সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে কি হতে পারে সেটা সহজেই অনুমেয়।
  • Comment 5
গণতন্ত্র, সেকুলারিজম, মানবাধিকার, উদারনৈতিক সমাজের কথা বললেও এবং দেশের অভ্যন্তরে কম বেশি এসবের চর্চা থাকলেও শীতল যুদ্ধকালীন সময় থেকেই ব্রিটিশ সরকার উপরোক্ত ধারণা সমূহের বিরোধীতাকারী “ইসলামপন্থী” দল ও গোষ্ঠী সমূহকে আশ্রয়, প্রশ্রয় এবং পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। এর মূল কারণ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ক্রীড়ানক হিসাবে তাদের ব্যবহার করা। বাংলাদেশের গোলাম আযমসহ সারা বিশ্বের “ইসলামপন্থীরা” বিপদে আপদে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজেছে ব্রিটেনে।
  • Comment 12
১৯৮৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বিজয়ী হলে ছাত্রদলের কর্মীরা নির্মমভাবে ছাত্রীদের বিজয় মিছিলে হামলা চালায় এবং অনেক ছাত্রীকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করে। তখন ক্যাম্পাসে অনেককেই বলতে শোনা গিয়েছিল ছাত্রদল যেহেতু এভাবে হামলা চালাতে পেরেছে, সেহেতু আগামী নির্বাচনে ছাত্রদলই বিজয়ী হবে, এবং হয়েছিলও তাই। তার চেয়েও যে বিষয়টা সবাইকে বিস্মিত করেছিল তাহল তখনকার দুটো ছাত্রী হলের দুটোতেই ছাত্রদলের জয়লাভ।
  • Comment 4
বাংলাদেশে একটি দল তিনবারই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসলে মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি হয় কেন? এর মূল কারণ বাংলাদেশের সাতচল্লিশ বছরের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোনও দল বা সরকার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হয়নি।
  • Comment 5