২০০৯ সালের ৫ মে তারিখে তার ছেলে নূর আলম বাবু র‌্যাবের ক্রস ফায়ারে নিহত হন। বাবু কোনও সন্ত্রাসী নন, বরং যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ নিয়ে সেসময় গণমাধ্যমে নানা প্রতিবেদনও প্রকাশ ও প্রচারিত হয়। ফলে সরকারের শক্তিশালী তদন্ত টিম অনুসন্ধানে নামে। তদন্তে প্রমাণিত হয় মুক্তিযোদ্ধা আক্কাস আলীর ছেলে বাবুকে ক্রস ফায়ারে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে।
  • Comment 0
নিমতলির আগুনের পর ২০১০ সালের ১৫ জুন তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে ১৭টি সুপারিশ করে। যার মধ্যে প্রধান ছিল পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিক কারখানা ও গুদামগুলো সরানো। এ বিষয়ে দক্ষিণের মেয়র গণমাধ্যমে বলছেন, তদন্ত রির্পোটের সাত বছর পর অর্থাৎ ২০১৭ সালের মার্চে উনি একবার অভিযান শুরু করলেও শিল্প মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের সংগঠনের অনুরোধে তা আর এগোয়নি।
  • Comment 6
মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম অকপটে তুলে ধরেন নিজের মত। তার ভাষায়, "বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রতি মানুষের আস্থা অবশ্যই আছে। তবে প্রধানমন্ত্রীকে আরও কঠোর হতে হবে। রাজনীতিবিদদের পরিচ্ছন্ন হতে হবে, নিয়ন্ত্রিত আচরণ করতে হবে। পলিটিক্যাল লোকদের করাপশন বন্ধ হলে, তৃণমূলের করাপশনও বন্ধ হতে থাকবে। শেখ হাসিনা নিজে সৎ বলেই সততাকে প্রতিষ্ঠা দিতে চান। তার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ আমাদের পথ দেখাবে। উনি গুড হয়েছেন, এখন আমরা ভেরি গুড চাই।"
  • Comment 3
"দেশ তো স্বাধীন হয়েছে শুক্রবারে। যুদ্ধে যায় নাই। কিন্তু অস্ত্র একটা জোগাড় করে, লাঠিসোটা নিয়া আইসা বলছে ‘জয়বাংলা’। এরা হচ্ছে শুক্রবারি মুক্তিযোদ্ধা। আর যাদের টাকা-পয়সা ছিল। যুদ্ধের সময় ভারতে গিয়া হোটেলে আরাম করছে। দেশ স্বাধীন হলে আইসা বলছে বিরাট সংগঠক ছিলাম। এরা সুবিধাবাদী মুক্তিযোদ্ধা। আর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তারা, যারা জীবন বাজি রেখে ফ্রন্টে যুদ্ধ করছে।"
  • Comment 1