১৯৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কারাগার থেকে পালানোর চেষ্টা করার সময় একদল বন্দি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এরা সবাই ছিলো ইসলামী ছাত্র সংঘের (বর্তমানে ইসলামী ছাত্র শিবির) আল-বদর বাহিনীর সদস্য। সেই নিহত ১৮ জন আল-বদরকে জামায়াত শহীদি মর্যাদায় এদিন গোপনে স্মরণ করে।
  • Comment 8
আজকে বাকশালকে গালি দিয়ে একদল সর্বহারার বিপ্লবের কথা বলে, চীনের আদলে কিউবার আদলে, আরেকদল বলে ইসলামী বিপ্লবের কথা, ইরানের আদলে। জানতে ইচ্ছা সেগুলো একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বলে এই বিপ্লবীরা মানেন কিনা? জানেন কিনা? সেখানে গণতন্ত্র নেই স্বীকার করেন কিনা? বাকশাল ছিল একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যার অর্থনৈতিক অংশটুকু ছিলো সমাজতান্ত্রিক। এটাই ইমপ্রোভাইজেশন, এটাই বিপ্লব।
  • Comment 16
মাত্র সাড়ে চারহাজার পাকিস্তানি মারা নিয়ে হতাশ হবেন না প্লিজ। মনে রাখবেন নিয়মিত বাহিনীর প্রশিক্ষিত সেনা অফিসাররা এই অসীম সাহসী আবেগীদের একটু গুলি ছুঁড়তে শিখিয়ে মরতে পাঠিয়ে দিয়েছে প্রাথমিক ঝামেলা সেরে যুদ্ধটা তাদের জন্য একটু নিরাপদ করতে। আসল কাজটা এরাই সেরেছে।
  • Comment 9
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিল? মুক্তিযুদ্ধ কি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ছিল? আত্মসমর্পন দলিলে কেন ওসমানীর পরিবর্তে ইন্ডিয়ান জেনারেল সাইন করেছে? আত্মসমর্পনের দলিল ভারতে, মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের সব অস্ত্র ভারত নিয়ে গেছে- এমন প্রশ্ন ও আলোচনার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতাকারীরা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টায় সবসময়ই লিপ্ত।
  • Comment 13