আমাদের বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। যখন দেখি মৌলবাদীরা প্রকাশ্য জনসভায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙ্গে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয়। আর তা শুনে আওয়ামী নেতারা মুখে কুলুপ এটে বসে থাকে! আওয়ামী সরকার ক্ষমতায়, সংসদ নেত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা অথচ এই মুজিব বর্ষে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ 'এডিট' করে বাজানো হয়, কিন্তু কেন? ওই মৌলবাদীদের ভয়ে? নতুবা সংসদে প্রচারিত বঙ্গবন্ধুর ওই বক্তব্যের কেন ধর্মনিরপেক্ষতার অংশটুকুই 'এডিট' করা হবে!
অর্থ সংকটে ভোগা বাংলাদেশ ফুটবলকে ফিফার র্যাঙ্কিংয়ে ১৫০ তম বা এর কাছাকাছি আসতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে নজর দিতে হবে। বয়সভিত্তিক লীগগুলো নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার করে পরিচালনা করতে হবে। সেখানে কড়া নজর রাখতে হবে যেন কোনওদলেই নির্ধারিত বয়সের বেশি বয়স্ক খেলোয়াড় খেলতে না পারে।
প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স নীতি ঘোষণাকে কেউই কানে তুলছে না। তাই জনমানুষের মনে আজ প্রশ্ন উঠছে- তাহলে দেশ পরিচালনা করছে কে? রাষ্ট্রক্ষমতার অসামঞ্জস্যতা তৈরিতে কারা কলকাঠি নাড়ছে- যেমনটা হয়েছিল খুনি খন্দাকার মুশতাক বা ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়।
আমরা প্রায়ই শুনে থাকি, সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে বলা হয়ে থাকে বিদেশে প্রশিক্ষিত শ্রমিক পাঠানোর কথা। এ লেখার মাধ্যমে আমি আপনাদের অনুরোধ করবো, শুধু প্রশিক্ষিত শ্রমিকই নয়, এখন থেকে দূতাবাসগুলোতে প্রশিক্ষিত সরকারি কর্মচারী পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। যেন তারা পেশাদারী মনোভাব নিয়ে খেটে খাওয়া প্রবাসী, আপনাদের ভাষায় ‘রেমিটেন্স যোদ্ধা’-দের সাথে সুন্দর ব্যবহারটা অন্তত করতে পারে।

