শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট একজন নাগরিক হিসেবে কল্পনা করি, যদি দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে একটি করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হতো। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছয়টি করে ফ্যাকাল্টি থাকবে: (ক) ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স, (খ) ফ্যাকাল্টি অব আর্টস, (গ) ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং, (ঘ) ফ্যাকাল্টি অব কমার্স, (ঙ) ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিন ও (চ) ফ্যাকাল্টি অব এগ্রিকালচার।
  • Comment 12
বিজ্ঞান কিংবা প্রকৌশল বিষয়ে বছরে একটি আন্তর্জাতিক মানের কনফারেন্স করার মতো সামর্থ্য এবং গবেষণা- দুটোই আমাদের রয়েছে। অনেকের ধারণা বিদেশি গবেষক থাকলেই কনফারেন্সের মান ভালো হয়, যা একদম ভুল কথা।
  • Comment 2
২০১৪ সালের অক্টোবর সেমিস্টারে বুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে যে সকল ছাত্র দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদী ‘বিএসসি অনার্স’  ডিগ্রি সম্পন্ন করে ‘এমএসসি’ ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছিল তার মধ্য থেকে তিনজন আমার তত্ত্বাবধানে গবেষণা শুরু করে। এই তিনজন ছাত্র সার্বক্ষণিক আমার ‘ন্যানোটেকনোলজি রিসার্চ ল্যাবরেটরি’তে কাজ করতো, গবেষণা ল্যাবের নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্টাল সেট আপ তৈরি থেকে শুরু করে সার্বিক উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতো
  • Comment 16
শিক্ষকদের একটি অংশ রাজনীতি নিয়ে থাকেন, বিভিন্ন পদ-পদবীর লোভ তাদেরকে গ্রাস করে এবং ওইভাবেই শিক্ষকতা জীবন অতিবাহিত করেন। দুঃখজনক হলেও বলতে হয় এই ধারণাটি একদম ভুল নয়। কিন্তু অনেকের যা অজানা তা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক এখনো পড়ানোর পাশাপাশি জ্ঞান সৃষ্টিতে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। এর সুফল দুই এক কথায় বুঝানো যাবে না। এই রকম একজন শিক্ষক গবেষকের সান্নিধ্যে থেকে অনেক ছাত্রের জীবন দর্শন পরিবর্তন হয়ে যায়।
  • Comment 1