Feature Img

Imtiaz-f11133333স্বাধীনতার মাত্র কয়েক বছর পর থেকেই আমাদের দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে সামরিক শাসকদের দেখা যেতে থাকে। প্রায় আড়াই যুগের সামরিক শাসনের পর নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তন করেছি। যদিও গত দুদশকের বেশি সময়ে ব্যবস্থাটি একটি নির্বাচনমুখী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। আর এর ফলেই নির্বাচনের বছর এলেই আমরা দেশজুড়ে সংঘাত-সহিংসতা ছড়িয়ে পড়তে দেখি।

১৯৯৬ সালে যেমন এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তেমন ১৯৯৬ বা ২০০৬ সালেও হয়েছে। এসব সহিংসতার পথ ধরেই কিন্তু ২০০৬ সালের পর আমরা দুবছরের জন্য একটি সেনা-নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ক্ষমতায় আসতে দেখেছি।

এসব পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে দেশের জন্য অনুকূল কিছু নয়। যারাই পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকেন, তারাই এত বেশি দুর্নীতি করেন যে, পরের বার ক্ষমতায় যেতে পারবেন কিনা তা নিয়ে নিজেরাই সন্দিহান হয়ে পড়েন। ফলে তারা নানাভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতি শুরু করেন। ২০০৬ সালে আমরা দেখেছি যে, কীভাবে তখনকার সরকার বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন যাতে তাদের সমর্থিত ব্যক্তি প্রধান বিচারপতি হিসেবে সরাসরি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হতে পারেন।

অন্যদিকে ক্ষমতায় থাকার সময় সরকারি দলটি এমনভাবে প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যে, বিরোধী দল নির্বাচনটি নিরপেক্ষ হবে কিনা সে ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে পড়ে। প্রশাসনের এ দলীয়করণ কিন্তু কখনও কখনও আত্মীয়করণের পর্যায়েও পড়ে। ক্ষমতাসীনদের এসব কাজকর্মের জন্যই আমাদের দেশে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা অনেক।

আমাদের রাজনীতির এ ডামাডোলের মধ্যে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নটিও আলোচনায় এসেছে। এটি আসলে ন্যায়বিচারের প্রশ্ন, রাষ্ট্রীয় বিষয়। কিন্তু অনেকে বলছেন যে, এ নিয়েও রাজনীতি করা হচ্ছে। আসলে এ বিচারপ্রক্রিয়া বিতর্কিত হত না যদি নির্বাচনের পদ্ধতিটির ফয়সালা হয়ে যেত। নির্বাচন কীভাবে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় সন্দেহ ঘনীভূত হচ্ছে। হয়তো এর মধ্যে সত্যতা নেই, তবুও সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ জাগছে নানা কারণে।

জামায়াতে ইসলামী এ পর্যন্ত কখনও-ই নির্বাচন বর্জন করেনি। তাই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ভাবছে, যেহেতু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজনে একতরফা নির্বাচন করতে চায় তাতে তারা জামায়াতকে প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে। এটা সত্য যে, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো নানা সময়ে জামায়াতকে নিজেদের প্রয়োজনমতো ব্যবহার করেছে। ১৯৯৬ সালে একভাবে হয়েছে। আবার ২০০১ সালে বিএনপি তো তাদের জোটভূক্ত করে নির্বাচন করেছে। ফলে বিএনপি এখন মনে করছে যে, সরকারি দল হয়তো জামায়াতকে নিয়ে একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠান করে ফেলতে পারে।

তাতে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দল দুটোরই রাজনীতি এখন আবর্তিত হচ্ছে জামায়াতকে কেন্দ্র করে। একে রাজনীতিতে বারবার টেনে আনছে এবং একে নিজেদের সুবিধামতো ব্যবহারের মাধ্যমে জামায়াতকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

আমার মতে, এ জন্যই আমাদের এখন বিচারের বিষয়টি ফয়সালা করে ফেলা উচিত। সেক্ষেত্রে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প নেই। কারণ প্রশাসনসহ সর্বস্তরের নিয়োগ, পদোন্নতিতে যে ব্যাপক দলীয়করণ ও আত্মীয়করণের সিস্টেম এখানে চালু রয়েছে- তা বিরোধী দলের মধ্যে অনাস্থা তৈরি করে। সে জন্য যতদিন আমরা এসব বিষয় ঠিক করতে না পারব, একটি লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারব, ততদিন এ ধরনের সরকারের প্রয়োজন।

বর্তমান সংকটের ব্যাপারে বলব- আমি এখনও আশাবাদী যে আমাদের রাজনীতিকরা যথেষ্ট সচেতন, তারা বিষয়টি ফয়সালা করবেন। তিনটি কারণে তাদের এটি করতে হবে। প্রথমত, সংলাপের মাধ্যমে আসলে রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হবে না, শুধু সময় নষ্ট হবে। এর আগে আমরা দুই দলের দুই মহাসচিব আবদুল জলিল ও মান্নান ভূইয়ার মধ্যে সংলাপ চলতে দেখেছি। তাতে কোনো ফয়সালা হয়নি। দ্বিতীয়ত, ১৯৯৬ সালে আমরা দেখেছি একতরফা নির্বাচনের পরিণতি। তখনকার ক্ষমতাসীন দল বিএনপি এমন একটি নির্বাচনে গিয়েছিল যা শেষ পর্যন্ত বৈধতা পায়নি। তৃতীয় যে কারণের কথা বলব তা হল, ২০০৬ সালে দু’দলের রশি টানাটানিতে আমরা দেখেছি যে, এক-এগারোর মতো একটি ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ সেনা-নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসেছে যেটা কোনো দলের জন্যই ভালো কোনো ঘটনা ছিল না, এমনকি ব্যবসায়ীদের জন্যও নয়।

তাই এবার আশা করি, দলগুলো ইতিহাসের দিকে চোখ রেখে এগুবে। কারণ সংলাপে কোনো ফায়দা হবে না এবং শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন দল একতরফা নির্বাচনে যেতে চাইলে বিরাট সংঘাত-সংঘর্ষের মাধ্যমে এক-এগারো এলে তা গণতন্ত্রের জন্য কোনো সুখবর হবে না। এর আগে আমাদের এক-এগারোর অভিজ্ঞতা ছিল না, এখন তো আছে। তাই সেভাবেই পদক্ষেপ নিবেন রাজনীতিবিদরা এটাই আমরা আশা করি।

মূলত চারটি কারণে ক্ষমতাসীন দলকে নির্বাচন-প্রক্রিয়া নিয়ে ভাবতে হবে। প্রথমত, ইতোমধ্যেই দেশ অনেক সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শ’খানেকের বেশি লোক মারা গেছেন। সংখ্যাটিকে অনেকেই অগ্রহণযোগ্য মনে করছেন। এসব সংঘাত ও হতাহতের ঘটনা এড়াতে হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক মহল থেকে এরই মধ্যে একটি চাপ এসেছে যাতে এসব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হয়। ওরাও একতরফা নির্বাচনের বিষয়ে সন্দিহান। তৃতীয়ত, আঞ্চলিকভাবেও নির্বাচন একতরফাভাবে না করার বিষয়ে চাপ আছে। এমনকি ভারতও মনে করে যে, এদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে হবে।

চতুর্থত, এবং এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে, আমাদের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় আবার একটি এক-এগারো আসুক, সেটি চাইবে না। কারণ গতবারের অবস্থায় এদেশের অনেক ব্যবসায়ীকে নানাভাবে বিপদের মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকেই দীর্ঘ একটি সময় দেশের বাইরে কাটিয়েছেন। কাজেই আগের ওই পরিস্থিতি নিশ্চয়ই তাদের কাছেও গ্রহণযোগ্য হবে না। বিশেষ করে আমাদের বর্তমান পার্লামেন্টে যেখানে প্রায় বায়ান্ন শতাংশ ব্যবসায়ী। তাছাড়া যে পঁচিশ শতাংশ প্রফেশনাল তাদেরও অনেকে অপ্রত্যক্ষভাবে ব্যবসায়ী। এদের দিক থেকে বড় ধরনের একটি চাপ থাকবে যাতে নির্বাচনের প্রশ্নে দু’দলের মধ্যে সমঝোতা হয়।

এখন কথা হচ্ছে, ৩০ এপ্রিল না ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এ সমঝোতা হবে। প্রধান বিরোধী দল কিন্তু চাইবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আন্দোলন টেনে নিয়ে যেতে এবং এরপর সমঝোতা করতে। কারণ ওরা দেখাতে চাইবে যে, ওদের আন্দোলনের ফলেই সরকারের পতন হয়েছে। তাতে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনের ফলাফল ওরা অনুকূলে নিতে পারবে। কিন্তু এটা ক্ষমতাসীন দলের জন্য ক্ষতিকর হবে। তারা যদি ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই সমঝোতা করে তবে সংঘর্ষ কমাতে পারবে, এবং সেক্ষেত্রে বিরোধী দল পরের ছয মাসে তাদের অর্জিত সাফল্যের জন্য বিজয় উদযাপন করে যেতে পারবে না।

কীভাবে তাহলে সমঝোতা হবে, কোন ফর্মূলায়? ইতোমধ্যে বাজারে অনেকগুলো ফর্মূলা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ব্যরিস্টার রফিক-উল-হক থেকে শুরু করে আকবর আলি খান পর্যন্ত অনেকেই নানা ফর্মূলা দিয়েছেন। সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ওদিকে ক্ষমতাসীন দল বলছে তারা কোনো অনির্বাচিত সরকার মেনে নেবে না। বিরোধী দল বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সদস্যদের নন-পার্টিজান হতে হবে।

তাহলে সমাধান এরকম হতে পারে যে, ক্ষমতাসীন দলের পাঁচজন এবং বিরোধী দলের পাঁচজনসহ টেকনোক্রেটদের মধ্য থেকে পাঁচজনকে নিতে হবে। এরপর নির্বাচনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানকে পাওয়া যেতে পারে। এরপর এ সরকারকে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে আমরা একটি নির্বাচিত সরকার পেতে পারি।

আমার কথা হল, গণতন্ত্রে পলিটিক্স হল ‘আর্ট অব কমপ্রোমাইজ’, ক্ষমতা দখল নয়। আর ক্ষমতা দখল লক্ষ্য হলে সেটা অন্তত গণতন্ত্র হবে না। গণতন্ত্র মানে সেখানে বিরোধী দল ও বিরোধী মত থাকবে। কিন্তু আমাদের রাজনীতিবিদরা এ সমঝোতার পথে না হেঁটে সংঘাতে লিপ্ত হন বলে জনগণের মধ্যেও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি এক ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি হতে পারে। গণতন্ত্রের জন্য এটা মোটেই সুখবর নয়।

পাশাপাশি, যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টির ফয়সালা করতে হবে। প্রতিটি মামলায় যথাযথ সাক্ষ্যপ্রমাণ জোগাড় করে বিচারপ্রক্রিয়া সুষ্ঠু করতে হবে যাতে এ বিচার নিয়ে ভবিষ্যতেও কেউ কোনো প্রশ্ন করতে না পারে। যেহেতু চল্রিশ বছর পর এ বিচারকাজ হচ্ছে তাই এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন কখনও উঠলে সেটা হবে দুঃখজনক।

সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের নেতাদের জনগণের ওপর আস্থা রাখতে হবে। জনগণই দেখবে কী করলে দেশের উন্নয়ন হবে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। এ সব না করে জিলিপির মতো প্যাঁচাতে থাকলে আমরা একটি বৃত্তের মধ্যে ঘুরপাক খেতেই থাকব।

আর সমঝোতায় গেলে আমাদের দেশে সত্যিকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জগুলো এখনও রয়ে গেছে আগামীতে তা আর থাকবে না্

ড: ইমতিয়াজ আহমেদ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক।

ড. ইমতিয়াজ আহমেদঅধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Responses -- “গণতন্ত্র মানে ‘সমঝোতার শিল্প’”

  1. razzakul hyder

    স্যার, আপনার লেখাটি সময়োচিত। তবে আমরা যে ওয়েস্ট মিনিস্টার ধাঁচের ডেমোক্রেসি বেছে নিয়েছি তাতে সামনের দিকে যেতে হলে সংসদের মাধ্যমে সমাধানই শোভন হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অপছন্দ এবং প্রধান বিরোধী দল কর্তৃক সংসদে না গিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে পেশকৃত দাবি বিবেচনা কীভাবে শোভন হতে পারে সেটা ভেবে এগুনো উচিত।

    ব্যাপারটা হচ্ছে সংবিধানে আবার সংশোধনী আনা, তা হলে তা হতে হবে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান। তাই কি ভাবা হচ্ছে? শাসক দল আগ্রহী হতে পারে, আবার বিরোধী দলও সহজে রাজি হয়ে যেতে পারে এ রকম প্রস্তাবের খসড়া তৈরিতে কেউ এগিয়ে আসছেন না কেন? আমার মতে, সংসদ নির্বাচনের কোনো আসনে পঞ্চাশ ভাগের বেশি ভোট না পেলে প্রথম দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা নির্বাচন এবং চতূর্থ বছরান্তে সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের আস্থা না পেলে শেষ বছরের জন্য সর্বদলীয় সরকারের বিধান রেখে সংবিধানে সংশোধনী আনা যেতে পারে।

    তাতে উভয় প্রধান দল দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবে। জার্মানির মতো ৫ বছরের সর্বদলীয় সরকারের ব্যবস্থা রাখা উচিত হবে না। কারণ তাতে বাধাহীনভাবে দুর্নীতি আর তদবিরবাজি হতে পারে।

    Reply
    • abdus salam

      আরেকটু সহজ করা যায়। প্রথম চার বছর স্বাভাবিক নিয়মে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল দেশ চালাবে। চতুর্থ বছরান্তে শুধু শেষ এক বছরের জন্য সর্বদলীয় সরকারের বিধান রেখে সংবিধানে সংশোধনী আনা যেতে পারে। বর্তমান নির্বাচনের সবকিছু একই রকম থাকতে পারে যাতে কোনো জটিলতা না হয়। জটিলতা এড়াতে শতকরা দুই ভাগের বেশি ভোট পাওয়া দলপিছু প্রতি দুই শতাংশের জন্য একটি করে মন্ত্রীত্ব দেওয়া এবং পর্যায়ক্রমে একটির পর একটি দফতর প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলের নেতা কর্তৃক বন্টনের বিধান রাখা যেতে পারে।

      Reply
  2. Moin uddin

    এ সব কথা কি সরকার বা বিরোধী দলের নীতিনির্ধারকদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করবে? যদি করে ভালো। না হলে ভাবব আসলে রাজনীতিবিদরা দেশের জন্য নয়, নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য রাজনীতি করেন। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের ধারণা পাল্টে দেওয়ার মতো কোনো রাজনীতিবিদ কি আছেন? দেশের স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজেকে পরবতী বংশধরদের কাছে অনুকরণীয় করে রাখতে পারবেন কেউ?

    Reply
    • মুফিজ উদ্দিন

      মানবতায় হল আসল কথা।তারা সীমাহীন
      অত্যাচারীত জাতি এটা মাথায় রাখতে হবে কিন্তু

      Reply

Leave a Reply to razzakul hyder Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—