Feature Img

nizamul-nasimযা হয়েছে, হয়তো ভালোই হয়েছে। আমার মামা সারাদিন বইপত্র, নথি নাড়াচাড়া করতেন। সাক্ষী-সাবুদদের জেরার রেকর্ড ঘাঁটতেন। প্রতিটি প্রসিডিংসের চুলচেরা বিশ্লেষণ করতেন। ট্রায়ালের শুরু থেকে প্রতিদিনের ঘটনার রেকর্ড ছিল তাঁর নখদর্পণে।

চাইতেন যেন বিশ্বমানের ট্রায়াল হয়। যেন খুব ফেয়ার হয় ট্রায়ালটি। দেশের কোটি-কোটি মানুষের প্রাণের দাবি ছিল যেন যুদ্ধপরাধীদের খুব দ্রুত বিচার হয়। কিন্তু মামা প্রসেসের ব্যাপারে ছিলেন সিরিয়াস। নিয়ম ভেঙ্গে কোনোকিছু করতে চাননি। আর আসামীদের ব্যাপারে ”ইনোসেন্ট আনটিল প্রুভেন গিল্টি”-এ এথিক্সে বিশ্বাসী ছিলেন। যত আসামীকে তাঁর এজলাসে আনা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেখিয়েছেন তিনি। ভালো ব্যবহার করেছেন সবার সঙ্গে। বিধি ভেঙ্গে তারা কথা বলতে চাইলে অন্যরা বাধা দিলেও উনি সুযোগ করে দিয়েছেন। আসামীপক্ষের জুনিয়র উকিলদের অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করেছেন দিনের পরদিন। পরে তারাই সিনিয়রদের নিয়ে তাঁর কাছে এসে মাফ চেয়েছেন। সাঈদী, সাকাচৌ-রা শুরুতে তাঁর ব্যাপারে আপত্তি জানালেও পরবর্তীতে তাঁর উষ্ণ ও মিষ্টি ব্যবহারের জন্য তাঁর পৌরহিত্য মেনে নিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক এক প্রসিডিং-এর সময় মামা কাঠগড়ায় দাঁড়ানো সদাউত্তেজিত সাকাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন- ‘আপনি কি আমাদের ট্রায়ালের এ যাবতকার কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট?’ সাকা চিৎকার করে হাত তুলে বলেছিলেন- ১০০% সন্তুষ্ট!

মামা আমার সহজ-সরল, তবে একটু রাগী। কোনোদিন তাঁকে অন্যায় করতে দেখিনি। আর্থিক, নৈতিক, আইনগত বিষয়ে তিনি সীমাহীন সৎ। ইডিয়োলজিকালি যারা তার ১০০% অপোজিট- সে জামাত-বিএনপির ঘাগু আইনজীবীদেরও দেখেছি তাঁর সততার প্রশ্নে তারা চুপ মেরে যান, মাথা নিচু করে ফেলেন। আমার প্রয়াত মা তাঁর এ ছোট ভাইটিকে ডাকতেন ‘মিঃ নো।’ কারণ যেকোনো নৈতিকতার বিষয়ে তিনি আপোষহীন; সামান্যতম এদিক-ওদিক দেখলেই ’নো’ বলে গর্জন করে উঠেন। আর সবাই যখন ২-১% এদিক-ওদিক মেনে নেয়, নাসিম মামা ঘাড় ত্যাড়া করে থাকেন। কোনোরকম ডেভিয়েশন মেনে নেন না। স্বাধীনতার পর ছাত্রনেতারা যখন গা ভাসিয়ে দিল, তখন হাতেগোনা কিছু ছেলে সরকারের নানা কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা শুরু করে দিয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন আমার নাসিম মামা।

এসএম হলে ডাকসু নির্বাচনে তৎকালীন সরকার-সমর্থক ছাত্রলীগের শক্তির বিরুদ্ধে ব্রিলিয়ান্ট ছাত্রটি নির্বাচন করে জিএস পদে জয়ী হয়েছিল। এরপর যখন শুরু হয়ে গেল ক্যাম্পাসে অস্ত্রের ঝনঝনানি, দু’পক্ষের নেতাদের রক্তপাত, জেলজুলুম ফলোড বাই সামরিক শাসন– তখন নাসিম মামা পড়াশুনা শেষ করে সরকারি চাকরিতে না গিয়ে যোগ দিলেন আইনকর্মী হিসেবে আদালতে। বাঘা-বাঘা সিনিয়র উকিলদের অধীনে শুরু করলেন নতুন সংগ্রাম; আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। পরবর্তী দীর্ঘ ২৫/৩০ বছর সুপ্রিম কোর্টে রাগী, প্রতিবাদী মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবে নিরলস কাজ করে গেছেন। বছরের পর বছর কারাগারে আটক রাজবন্দীদের মুক্তির জন্য হেবিয়াস কার্পাস করতেন ডঃ কামাল হোসেন বা অ্যাডভোকেট আমিনুল হকদের সঙ্গে বিনা পয়সায়। সামান্য ফি নিয়ে লড়াই করতেন বিনা বিচারে আটক সংগ্রামী রাজনৈতিক কর্মী, আদিবাসী পাহাড়িদের মুক্তির জন্য। অনেক সতীর্থ আইনজীবীর ততদিনে বাড়ি-গাড়ি হয়ে গেছে। মামা বৈষয়িক দিকটা গোছানোর চেষ্টাও করেননি। মামার বন্ধুরা বলতেন, উনি খুব ব্রিলিয়ান্ট এবং অনেস্ট। সব জাজরা উনাকে পছন্দ করেন। উনি যেকোনো সময় হাইকোর্টের জাস্টিস হয়ে যাবেন।

চিফ জাস্টিসের তালিকায় কয়েকবার নাম থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর অফিসে গিয়ে আটকে যেত। বিএনপির আমলে বলা হত, উনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক। অতএব আওয়ামী-ঘেঁষা। উনাকে নেয়া যাবে না। আর আওয়ামী নেতারা তাদের আমলে বলত, উনি তো জাসদ করতেন ছাত্রজীবনে। বিচারপতি হলে কারো কথা শুনবেন না। অতএব তাঁকে নিয়ে লাভ কী? এভাবে কয়েক বছর বাদ পড়তে পড়তে ২০০১ এ গিয়ে অস্থায়ী বিচারপতি হলেন। দুবছর পর বিএনপি এসে তাঁকেসহ দশজনকে চিফ জাস্টিসের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও স্থায়ী না করে বাদ দিলেন। নাসিম মামারা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকারের এ সিন্ধান্তকে বেআইনি প্রমাণ করে আবার হাইকোর্টে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে ফিরে এলেন ২০০৯ এর শুরুতে।

পরে মাত্র এক বছর তিনি ছিলেন হাইকোর্টে। এ সময় হাইকোর্টের যেকোনো আইনজীবীর কাছে মামার নাম করলেই বলতেন, উনার মতো সৎ, ভালো জাস্টিস খুব কম আছেন। উনি সবার খুব প্রিয়। কুইক এন্ড জাস্ট ডিসপোজালের ক্ষেত্রে উনার জুড়ি মেলা ভার। এক বছর পরই ট্রাইবুন্যাল গঠিত হলে নাসিম মামাকে চেয়ারম্যান করা হল। আমি খুব উল্লসিত হলাম। যুদ্ধাপরাধী ট্রাইবুন্যালে এমন লোকই দরকার যার স্পিরিট থাকবে বিচার করার কিন্তু পদ্ধতি বা প্রসেসে যিনি উঁচুমান বজায় রাখতে পারবেন। ট্রাইবুন্যাল গঠনের পর তাঁর প্রথম এবং শেষ কমেন্টে বলেছিলেন; ‘‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার সময় আমার চোখের সামনে থাকবে আদালতে উত্থাপিত ফ্যাক্টস ও এভিডেন্স।’’ এরকম এক ব্যক্তিকে বিচারকের জায়গায় বসানোয় দেশে সবাই খুশি হয়েছিলেন। যখন জামায়াতীরা তাঁর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছিল তখন কোনো এক আইনজীবী মিডিয়াতে বলেছিলেন, ‘জামায়াত, বিএনপি কী চায়? তারা কি ট্রাইবুন্যালে একজন রাজাকারকে বসালে খুশি হবে?’

বিশ্বমানের ট্রায়াল চাইতে গিয়ে, ইন্টারনেটে ডঃ জিয়ার সঙ্গে বিচারের নানা বিষয়ে আলোচনা করেছেন। কিন্তু কোথাও কি একবারও বলেছেন, রায় কী হবে? একবারও কি তিনি রায় নিয়ে আলোচনা করেছেন? করেননি। উনারা দুজনেই রায়ের আকার, আকৃতি, উপস্থাপনা ও বিভিন্ন রেফারেন্স নিয়ে আলোচনা করেছেন। কীভাবে রায়কে আন্তজার্তিকমানের করে তৈরি করা যায় তা নিয়ে কথা হযেছে। যেন বিশ্বের চোখে বাংলাদেশ প্রমাণ করতে পারে যে, ১৯৭১ এ সংঘটিত অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা, অধিকার ও যোগ্যতা বাংলাদেশেরই আছে। আমাদের জাতিসংঘ, আমেরিকা, ভারত বা সৌদি আরবের কাছে যেতে হবে না। আমরা আমাদের আইনে আমাদের দেশীয় বিচারকদের দিয়েই এ বিচার সম্পন্ন করতে পারব।

যারা ওই পূর্ণাঙ্গ কথোপকথন পড়েছেন, তারা প্রত্যেকে স্বীকার করেছেন, কোথাও কোন অসৎ উদ্দেশ্য চোখে পড়েনি। কোথাও রায় কী হবে তা নিয়ে তিনি আলোচনা করেননি। তারপরও মানুষ না পড়েই সমালোচনা করে। না পড়েই বলে ওঠে তিনি অন্যায় করেছেন, আইন ভেঙ্গেছেন। তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত আলাপচারিতার মধ্যে অনুপ্রবেশ করে তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্য এবং তা ছাপানোর জন্য ‘আমার দেশ’ পত্রিকাকে যারা ধিক্কার দিল না; তাদের কেবল দুটি কথা বলতে চাই:

১. আমার মামা আপাদমস্তক সৎ এবং ট্রাইবুন্যালে থাকাকালীন তিনি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে, কারও চাপের কাছে নতি স্বীকার করে কোনো ধরনের নৈতিক বা আইনগত অন্যায় করেননি।

২. যারা তাঁর এ একান্ত ব্যক্তিগত আলাপচারিতা আড়ি পেতে রেকর্ড করেছেন এবং অন্যায় কিছু করেননি জেনেও তাঁর ক্ষতি করার জন্য তা ছেপেছেন– তারা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধাপরাধের বিচার চান না, ছলে-বলে-কৌশলে এর বিলম্ব ঘটাতে চান এবং কারও প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপে সমর্থন দিয়ে তারা দেশে নতুন এক নোংরামিকে প্রশ্রয় দিলেন যার ছোবল একদিন তাদের গায়েও লাগতে পারে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রায় শত বছর আগের সতর্কবাণী তাদের জন্য তুলে দিলাম; হে মোর দূর্ভাগা দেশ/ যাদের করেছ তুমি অপমান/ অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।

মোস্তফা শিবলী: লেখক আর্ন্তজাতিক অপরাধ আদালত-১ এর পদত্যাগী চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম-এর ভাগ্নে, পেশায় ব্যবসায়ী।

৫০ Responses -- “আমার নাসিম মামা”

  1. mrinal

    যাদের বিচার হচ্ছে তারা কি ভদ্দরলোক???

    ভাই, একটা সত্য কথা, রাজাকার আছে, এদের বাচ্চারাও আছে।

    Reply
  2. মোস্তফা শিবলী

    আমার “আত্মীয়তাজনিত” আবেগের জায়গা থেকে লেখা এই প্রবন্ধটি যারা পড়েছেন, তাঁদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। যারা কমেন্ট দিয়েছেন, পক্ষে কিংবা বিশেষ করে বিপক্ষে, সমালোচনামূলক, তাদেরকে শ্রদ্ধা ও অজস্র ধন্যবাদ। সবার অংশগ্রহণে, তর্কে-বিতর্কে প্রিয় বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী ও যুক্তিবাদী হয়ে উঠুক, এটাই আমার এবং সবার কামনা। পাশাপাশি স্বচ্ছ ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালের কার্য সম্পন্ন হোক এবং পরবর্তীতে দেশের সব মানুষ; ভিন্ন মত, পথ, ধর্ম ও বর্ণের সবাই; সব রাজনৈতিক দল ও তাদের সমর্থকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করুক- বেঁচে থাকতে এটাই দেখে যেতে চাই।

    সবাই ভালো থাকুন।

    Reply
  3. Rabbi

    “বিএনপির আমলে বলা হত, উনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক। অতএব আওয়ামী-ঘেঁষা।”

    কথাটা খুবই দৃষ্টিকটু এবং পক্ষপাতদুষ্ট। লেখক নিজের মামার নামে সাফাই গাচ্ছেন এবং দলীয় পরিচয় দিয়ে আরও সন্দেহের বীজ পুঁতেছেন।

    Reply
  4. kaya

    মামার জন্য ভাগ্নের দরদ, খুবই স্বাভাবিক। বিএনপি সরকারের সময় বারবার ধরে নিলাম বঞ্চিত হয়ে তিনি সঠিক মূল্যায়ন পেয়েছেন আওয়ামী আমলে। উনার হয়তো দোষ ছিল না যেমন ছিলনা বিচারপতি হাসান সাহেবের। সৎ এবং নিরপক্ষ বিচার করেও তিনি আওয়ামী লীগের আস্থা অর্জন করতে পারেননি। পরিণতিতে দেশকে একটি চরম পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছিল।

    বিচার বিভাগের বর্তমান যে অবস্থা এতে কোনো জনগুরুত্বপূর্ণ মামলাই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। এর জন্য দায়ী প্রতিটি সরকার। ৪১ বছর পর এরকম একটি স্পর্শকাতর মামলার বিচার করতে হলে যে ধরনের বিচারবাবস্থার প্রয়োজন ছিল তা আমাদের দেশে বর্তমানে উপস্থিত নেই। আগে বিচারব্যবস্থাকে পুরোপুরি ক্লিন করতে হবে এবং একে সত্যিকারের স্বাধীনতা দিতে হবে। তারপরই কেবল এ মামলাগুলো গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

    Reply
  5. Babu

    ১। আবেগের দিক থেকে বলছি, সুন্দর লেখা। জনাব নাসিম সম্পর্কে এসব আমরা জানতাম না। জেনে ভালো লাগল।

    ২। নিরাবেগের দিক থেকে বলছি, ‘আমার দেশ’ আড়ি পেতে কথাগুলো সংগ্রহ করেনি। তারা শুধুমাত্র ইকোনোমিস্টের লেখা কপি করেছে। যদি নাসিম সাহেবের ব্যাপারে ভাগ্নের এ সুন্দর কথাগুলো সত্যি হয় (এবং আমরা মনে করি তা ১০০% সত্যি) তা হলে আরো সুদৃঢ়ভাবে প্রমাণ হচ্ছে, ট্রাইবুনালকে বিতর্কিত করার সবরকম কাজ বর্তমান সরকার সম্পন্ন করেছে। তাতে নাসিম সাহেবের কোনো ভূমিকা নেই।

    ৩। বিচারকার্য চালানোর সময় যুদ্ধাপরাধীরা সবরকম বাধা সৃষ্টি করতে চাইবে, এর মধ্যে কোনো নতুনত্ব আছে কি? সেটাই কি স্বাভাবিক নয়?

    ৪। আমরা বিচার চাই, দেশকে কলঙ্কমুক্ত করতে। নতুন কলঙ্কের বোঝা জাতির ঘাড়ে চাপানোর জন্য নয়।

    Reply
  6. সুমন সাজ্জাদ

    ঊনাদের আলাপচারিতায় রায়ের ব্যাপারে কিছু না বললেও বোঝা যাচ্ছে রায় কি হতে পারে। যদিও নাসিম সাহেব এ ব্যাপারে খুব এক্টিভ নন। কিন্তু যাদের নাম এসেছে তারা কি নাটের গুরু নয়? যুদ্ধাপরাধের বিচার হওয়া খুব জরুরী, কিন্তু সেটা কেন হবে একটি প্রশ্নবিদ্ধ উপায়ে। নতুন প্রজন্ হিসেবে আমরা যে বিচারটি চাই স্বচ্ছ হোক , তবে পরবর্তীতে কেউ যেন এই বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে।

    Reply
  7. Manik

    আমরা সাধারন পাবলিক শুধু লেখাই দেখি, এইখানে পক্ষে লেখা তো অন্য জায়গায় বিপক্ষে লেখা, আসল সত্য ঘটনা আমরা কোনদিন ও জানতে পারি না। লেখাটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

    Reply
  8. niaz

    পড়ে মনে হলো বিচারপতি নাসিম সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি। কিন্তু বর্তমান সরকার সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে পছন্দ করে না। তার প্রমাণ আছে ভুরি ভুরি। বিচারপতি নাসিম সৎ ও যোগ্য তাই কোনমতে তাকে বিচারপতির আসন না দিয়ে পারেনি সরকার।

    Reply
  9. Munirul Islam

    একজন মানুষ সৎ হলেই যে একইসাথে উনি নিরপেক্ষ, দক্ষ এবং দূরদর্শী হবেন এমন কথা যুক্তি এবং বাস্তবতার ধোপে টেকে না। মিঃ নাসিমই তার বাস্তব প্রমান। অতএব লেখকের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করার যথেষ্ট অবকাশ আছে। তদুপরি লেখকের ‍
    ১. আমার মামা আপাদমস্তক সৎ এবং ট্রাইবুন্যালে থাকাকালীন তিনি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে, কারো চাপের কাছে নতি স্বীকার করে কোনো ধরনের নৈতিক বা আইনগত অন্যায় করেননি।

    ২. যারা তাঁর এ একান্ত ব্যক্তিগত আলাপচারিতা আড়ি পেতে রেকর্ড করেছেন এবং অন্যায় কিছু করেননি জেনেও তাঁর ক্ষতি করার জন্য তা ছেপেছেন– তারা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধাপরাধের বিচার চান না, ছলে-বলে-কৌশলে এর বিলম্ব ঘটাতে চান এবং কারও প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপে সমর্থন দিয়ে তারা দেশে নতুন এক নোংরামিকে প্রশ্রয় দিলেন– যার ছোবল একদিন তাদের গায়েও লাগতে পারে।

    ৩. যারা ওই পূর্ণাঙ্গ কথোপকথন পড়েছেন, তারা প্রত্যেকে স্বীকার করেছেন, কোথাও কোনো অসৎ উদ্দেশ্য চোখে পড়েনি। কোথাও তিনি রায় কী হবে তা নিয়ে আলোচনা করেননি। তারপরও মানুষ না-পড়েই সমালোচনা করে। না-পড়েই বলে ওঠে, তিনি অন্যায় করেছেন, আইন ভেঙ্গেছেন। – লেখকের এই কথাগুলিতে আত্মীয়তাজনিত আবেগানুভূতির প্রশ্রয় লক্ষ্যনীয়।

    Reply
  10. Md. Anisuzzaman

    চমতকার স্টোরি। এ জন্য লেখককে আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনি একজন ব্যবসায়ী হয়েও একজন সৎ মানুষের পক্ষে কলম ধরেছেন। অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় গুছিয়ে লিখেছেন। তবে আপনার জন্য একটি কথা বলতে চাই, তা হলো আমাদের বর্তমান সমাজে ভালো মানুষের খুব অভাব। এ কারণে একজন ভালো মানুষের পাশে সহজে কেউ দাঁড়াতে চান না। আসলে না জেনে, না বুঝে সবাই অন্ধকারে ঢিল মেরে অন্যকে পচিয়ে নিজে ভালো সাজতে চান, এই হলো আমাদের শিক্ষিত সমাজের বর্তমান অবস্থা। যা হোক আমিও শ্রদ্ধা জানাই বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমকে।

    Reply
  11. Hira

    লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। বিচার বাধা-প্রদানকারী দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক চক্রকে বিচারের আওতায় আনা উচিত।

    Reply
  12. khan

    এধরনের দায়িত্বে থাকা কারও স্কাইপ বা ফেসবুকের মাধ্যমে কারও সঙ্গে কিছু শেয়ার করা অনুচিত যা কিনা দেশের ক্ষতি করতে পারে। তবু আশা করি, বিচার নির্বিঘ্ন হবে।

    Reply
  13. Redwan

    ‘আমার দেশ’ পত্রিকা বরাবরই যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিপক্ষে। সম্পাদক নিজে একটি দলের কমিটিতে আছেন। তারা চাযন যেকোনো মূল্যে বিচার বানচাল করতে। একটি পত্রিকা কীভাবে একজন বিচারকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেতে পারল? এত বড় একটা অন্যায় করে সেটা নিয়ে আবার বিতর্ক করে! এর অবশ্যই বিচার হওয়া দরকার।

    Reply
  14. Pak

    সত্যের পূজারি কি ডরায় শয়তানের হুমকি? বিচার বিলম্বিত করা, বিচারে বিঘ্ন সৃষ্টি করা, অপবাদ দেওয়া জামায়াতিদের কাজ। মানুষের জন্য মানবতা, পশুর জন্য নয়। পশুর জন্য দরকার পশুর আইন…

    Reply
  15. বাবু

    বিচারকের প্রতি আমার শ্রদ্ধা, উনি পদত্যাগ করেছেন বলে। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। স্কাইপ-কেলেঙ্কারি প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক চক্র বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার জন্য কতটা মরিয়া। বিচার নির্বিঘ্নভাবে চালাতে হলে, বিচার সংশ্লিষ্ট সবাইকে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, নিজের যোগ্যতার প্রতি আস্থাশীল, বিচারিক গোপনীয়তা রক্ষায় সফল এবং সঠিকভাবে আইনের প্রয়োগে সচেতন হতে হবে।

    আশা থাকল, “crime against humanity” এর বিচার হবে। একাত্তরের এত বড় বর্বরতার বিচার না হলে জাতি হিসেবে আমরা এগুতে পারব না।

    Reply
  16. কেরামত আলী

    সুন্দর লেখাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি শুধু বিচারপতি হিসেবে নৈতিক সততার বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করতে চাই। আমি বলতে চাই না যে জনাব নাসিম কারও প্রভাবে পক্ষপাতদুষ্ট রায় দিতেন। তবে তিনি যেহেতু ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বিচারকদের একজন ছিলেন, নৈতিকভাবে তিনি এ ট্রাইবুনালের মেম্বার হতে পারেন না। কারণ ইতোমধ্যে অন্যপক্ষ তাঁর নিরপক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। আমি যতদূর জানি, এ বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে একটা বিভক্ত রায় হয়েছিল। একজন বিচারপতি বলেছিলেন, ‘‘তিনি এ পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করবেন কিনা তা তাঁর নিজের বিষয়।” অর্থাত্‍মাননীয় বিচারপতি মনে করেছিলেন যে এ পদে তাঁর না থাকাই উচিত।

    Reply
  17. Shahjahan Siraj

    পারিবারিক পরিমণ্ডলে মানুষের প্রকৃত চরিত্র গড়ে উঠে, প্রকৃত রূপ ফুটে উঠে। একজন মানুষ পারিবারিক ক্ষেত্রে যেমন– সামাজিক ক্ষেত্রেও ঠিক তেমন। অভিভাবকত্ব, সততা ও নিষ্ঠার জন‍্য নিজামুল হক নাসিমকে অসংখ‍্য ধন‍্যবাদ।

    Reply
  18. শেখ মুস্তাক আহমেদ

    অনেক ধন্যবাদ জনাব মোস্তফা শিবলীকে এত সুন্দর একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।

    Reply
  19. নূরে আলম

    লেখকসহ লেখককে বাহবা দেওয়া সবার উদ্দেশে বলছি: আপনাদের এ বাহবা এবং রাজার পোশাকের গুণগান কিন্তু ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে যাচ্ছে। বলা যায় না, ৫ বা ১০ বছর পর গুগল সার্চে কিংবা কোনো ব্লগে আপনাদের এ বেহায়াপনা দেখে আপনাদের সন্তানরাই আপনাদের প্রশ্ন করতে পারে। তখন কী জবাব দেবেন?

    অবশ্যই হ্যাকিং একটি অপরাধ। কিন্তু এখানে হ্যাকিং হয়েছে কিনা, সেটা আগে নিশ্চিত হয়ে তারপর অভিযোগ তুলতে হবে।

    দ্বিতীয়ত, ইকোনমিস্ট ও আমার দেশ পত্রিকা দাবি করছে তারা হ্যাকিং করেনি। সুতরাং, আপনারা যদি অভিযোগ করেন, তাহলে তথ্যপ্রমাণ দেখান।

    Reply
  20. মঈনOttawa,Canada

    আমি নাছিম সাহেবকে জানি। খুলনার এক হতদরিদ্রের জামিন উনি বিনা পয়সায় করেছিলেন। লেখক যা বলেছেন একশত ভাগ সত্য।

    Reply
  21. এফ কে এস

    আপনার কথামতো তাঁকে সবাই যদি সৎ জানেন, তাহলে তাঁর ব্যাপারে লিখতে একজন ভাগ্নেকে এগিয়ে আসতে হল কেন? তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর একজন সিনিয়র আইনজীবীকেও তো তাঁর পক্ষে কথা বলতে দেখলাম না!

    Reply
  22. ড: অনিক আহসান

    আমি জাষ্টিস নাসিমকে স্যালুট জানাই তাঁর ডেডিকেশনের জন্য। ট্রাইবুনালে বিচার শুরু হওয়ার দিন থেকে পদত্যাগ করার আগ পর্যন্ত কয়েক বছরে উনি একদিনও কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকেননি যেটা আমাদের সমাজে বিরল। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিচারের কাজ করতেন। সেটা শেষ করে আবার রাতে স্কাইপে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনের উপর পিএইচডি ডিগ্রিধারী ড: আহমেদ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে আলোচনা করতেন কীভাবে বিচারের প্রসেসকে হাই-কোয়ালিটি করা যায় তা নিয়ে। এরকম কঠোর পরিশ্রমী ও প্রফেশনের প্রতি ডেডিকেটেড মানুষই আমাদের দরকার।

    ধন্যবাদ।

    Reply
  23. ishteaq

    এতকিছু সত্ত্বেও বলব, বিচারক যে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে বোঝা যায়, তিনি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    Reply
    • ম্যানিলা নিশি

      স্কাইপি স্ক্যান্ডালের কারণে পদত্যাগের সিদ্ধান্তটি বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম স্বীকার করে নিলে বিচার প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু করার পথ খোলাসা হত,যা তিনি করেন নি।

      Reply
  24. আবু বাবু

    আপনার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া যায় ন। এদেশে ব্যাক্তিগত গোপনীয়তার কথা বলা অবান্তর নয় কী।

    Reply
  25. ইরফান ইউসুফ

    যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য মেধাবী লোক দরকার, সততা থাকলে ভালো, না থাকলেও সমস্যা নেই। সাকা চৌধুরিকে সন্তুষ্ট করতে ব্যস্ত লোকের দ্বারা এ বিচার সময়মতো হওয়া কঠিন। তাঁকে তো ইতিহাস বুঝতে হবে, বিচারের কনটেক্সট জানতে হবে।

    ৪১ বছর দেরি হয়ে গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকলে এ অপরাধীরা আর বিচারের আওতায় আসবেই না। এ বাস্তবতা অস্বীকার না করে আমাদের উচিত হবে দ্রততার সঙ্গে বিচার শেষ করার জন্য যোগ্য লোকের ওপর ভরসা করা।

    Reply
  26. সৈয়দ আলী

    প্রথমত, ঘনিষ্ঠ স্বজন হয়ে লেখকের কলম ধরাটি ভালো লাগেনি। দ্বিতীয়ত, সাইফের সঙ্গে আমি একমত, স্কাইপের কিছু কথোপকথন ব্যাখ্যার দাবি রাখে।

    তবে আমি জনাব নাসিমের নিরোগ দীর্ঘজীবন কামনা করি।

    Reply
  27. সৌমিত্র

    জামায়াতিদের বিচার করা হচ্ছে, তা-ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে- এটাই তো বেশি! এদের তো স্বাধীনতার পরপরই হত্যা করা উচিত ছিল। তা না করে ওদের সঙ্গে যথেষ্ট মানবিকতা দেখানো হচ্ছে। আর কত চান?

    Reply
  28. Hajee Rafique

    লেখাটা পড়লাম। নাসিম সাহেবের সততা দেখে ভালো লেগেছে। শুরু থেকেই বিষয়টা নিয়ে আমি আগ্রহী। তাই ‘আমার দেশ’ যেদিন থেকে প্রিন্ট করল সেদিন থেকেই কালেক্ট করছি। আমার মনে হয়েছে, আহমাদ জিয়াউদ্দিন নন, আমাদের দেশেই ওয়ার ক্রাইম নিয়ে যারা ভালো জানেন উনি তাদের সঙ্গে কথা বললে ভালো হত। ড. কামাল, আমির-উল-ইসলাম, হারুনর রশিদ, এস আর পাল, অলিউর রাহমান, আজিমুদ্দিন আহমেদ আছেন—যাঁরা ১৯৭৩-এর আইনটি করার কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁরা তো বেঁচে আছেন।

    কথোপকথনটি এখানে লিক হয়েছে না বেলজিয়ামে হয়েছে তা আল্লাহ জানেন। তবে আশা করি নাসিম সাহেব এ ট্রমা কাটিয়ে উঠবেন।

    Reply
  29. ALIM ULLAH LITON

    লেখায় যথেষ্ট যুক্তি আছে। আমি তাঁর সঙ্গে একমত। ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদকের চিন্তা করা উচিত ছিল যে বিচার দীর্ঘায়িত করার উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে।

    Reply
  30. আবু সালেহ

    তিনি পদত্যাগ করে আরেকটি বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র বন্ধ করে দিলেন।

    বিচার নিয়ে প্রশ্ন ওঠার আগেই তিনি পদ ছেড়ে চলে গেলেন। অন্য অনেকের মতো বললেন না -“যিনি আমাকে পদ দিয়েছেন একমাত্র তার কথায় পদত্যাগ করব।’’ অবশ্যই তিনি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।

    Reply
  31. সাইফ

    সুলিখিত প্রবন্ধটি পড়ে ভালো লাগল। তবে ‘কথিত‘ কথোপকথনে এমন কিছু বিষয় এসেছে যেগুলো ব্যাখ্যার দাবিদার।

    Reply
  32. সুশান্ত

    খুব ভালো লাগল লেখাটি পড়ে। বিশেষ করে এ অংশটুকু:

    ”যারা তাঁর এ একান্ত ব্যক্তিগত আলাপচারিতা আড়ি পেতে রেকর্ড করেছেন এবং অন্যায় কিছু করেননি জেনেও তাঁর ক্ষতি করার জন্য তা ছেপেছেন– তারা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধাপরাধের বিচার চান না, ছলে-বলে-কৌশলে এর বিলম্ব ঘটাতে চান এবং কারও প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপে সমর্থন দিয়ে তারা দেশে নতুন এক নোংরামিকে প্রশ্রয় দিলেন যার ছোবল একদিন তাদের গায়েও লাগতে পারে।”

    Reply
  33. samsul alam dueel

    ১. আমার মামা আপাদমস্তক সৎ এবং ট্রাইবুন্যালে থাকাকালীন তিনি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে, কারো চাপের কাছে নতি স্বীকার করে কোনো ধরনের নৈতিক বা আইনগত অন্যায় করেননি।

    ২. যারা তাঁর এ একান্ত ব্যক্তিগত আলাপচারিতা আড়ি পেতে রেকর্ড করেছেন এবং অন্যায় কিছু করেননি জেনেও তাঁর ক্ষতি করার জন্য তা ছেপেছেন– তারা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধাপরাধের বিচার চান না, ছলে-বলে-কৌশলে এর বিলম্ব ঘটাতে চান এবং কারও প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপে সমর্থন দিয়ে তারা দেশে নতুন এক নোংরামিকে প্রশ্রয় দিলেন– যার ছোবল একদিন তাদের গায়েও লাগতে পারে।

    ৩. যারা ওই পূর্ণাঙ্গ কথোপকথন পড়েছেন, তারা প্রত্যেকে স্বীকার করেছেন, কোথাও কোনো অসৎ উদ্দেশ্য চোখে পড়েনি। কোথাও তিনি রায় কী হবে তা নিয়ে আলোচনা করেননি। তারপরও মানুষ না-পড়েই সমালোচনা করে। না-পড়েই বলে ওঠে, তিনি অন্যায় করেছেন, আইন ভেঙ্গেছেন।

    একমত হতে পারলাম না।

    Reply
      • লরা এম

        “যারা ওই পূর্ণাঙ্গ কথোপকথন পড়েছেন, তারা প্রত্যেকে স্বীকার করেছেন, কোথাও কোনো অসৎ উদ্দেশ্য চোখে পড়েনি।”

        এ তথ্য আপনি কোথায় পেয়েছেন? অনেকেই দ্বিমত পোষণ করছেন। তাই “প্রত্যেকে স্বীকার করেছেন”-এর তথ্যসূত্রটি জানালে বাধিত হব।

Leave a Reply to সুশান্ত Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—