বর্তমানে শারিয়া ও ফিকহ- এর জগতে ড. মুহাম্মদ হাশিম কামালী সর্বোচ্চ বিশেষজ্ঞদের অন্যতম। বিপুল তথ্য ও গবেষণা ভাণ্ডার তার বিশাল বই ‘প্রিন্সিপলস অব ইসলামিক জুরিস প্রুডেন্স’।   এই অমূল্য বইটি ‘ইসলামি আইনের মূলনীতি’ নামে অনুবাদ করে অনুবাদক  মো. সাজ্জাদুল ইসলাম ও প্রকাশক ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট’ (বিআইআইটি) মুখবন্ধে বলেছেন, “বইটি সর্বাধিক পঠিত রেফারেন্স গ্রন্থে পরিণত হয়েছে… ইসলামী শরিয়াহ’র এ বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে অনুধাবন করার জন্য ইংরেজী বইটি বাংলায় অনুবাদ করা প্রয়োজন”। এ অনুবাদের জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ।

ইংরেজি বইটার ৩য় সংস্করণ আমার কাছে আছে, বাংলায় অনূদিত বইটা আমি ইন্টারনেটে ‘পিডিএফইসলামিককিতাব.ওয়ার্ডপ্রেস’ থেকে সংগ্রহ করেছি। মূল ইংরেজি বইটিতে মোট ২০টি অধ্যায় ও উপসংহার (কনক্লুশন) আছে। কিন্তু অনূদিত বইতে মূল বইটির শেষ দুটো অধ্যায় ‘A New Scheme For Usul al- fiqh’ ও ‘কনক্লুশন’ বাদ দেয়া হয়েছে। ওখানে ড. কামালী দেখিয়েছেন ফিকহ ও শারিয়া আইনে এই এই কারণে এই এই সমস্যা আছে এবং সেগুলো এই এইভাবে সমাধান করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞের সমস্যা নির্ণয় ও সমাধানের প্রস্তাব থেকে জাতিকে কেন বঞ্চিত করা হলো তা স্পষ্ট নয়, বইটির মুখবন্ধে তা ব্যাখ্যা করাও হয়নি। পাঠক জানবেনও না মূল ইংরেজি বইতে ওই অংশ আছে এবং সেখানে কি আছে। এ যেন বিশ্ববিখ্যাত ডাক্তার একটা অসুখ ডায়াগনোসিস করে গেলেন, আমরা তার চিকিৎসা করা তো দূরের কথা অসুখের খবরটাই লুকিয়ে রাখলাম।

প্রসঙ্গত, অন্যান্য অনেক ইসলামী বিশেষজ্ঞরাও উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের বইতে এই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন যেমন ড. আবদুল্লা আন নঈম, ড. বাসাম তিবি ইত্যাদি। কেন তারা দল শারিয়া আইন সংস্কারের প্রস্তাব করছেন তা শারিয়া আইন নিজেই প্রমাণ করছে-    

(১) খুন, জখম, চুরি ডাকাতি ব্যাভিচারসহ হুদুদ মামলাগুলোতে চাক্ষুস হলেও নারীদের সাক্ষ্য চলবে না, চারজন পুরুষ মুসলমানের সাক্ষীর প্রয়োজন- এ আইন আছে হানাফি আইন হেদায়া পৃষ্ঠা ১৭৬ ও ৩৫৩, শাফি-ই আইন উমদাত আল সালিক #o.24.9, মওলানা মুহিউদ্দিনের অনুদিত বাংলা কোরান পৃঃ ২৩৯ ও ৯২৮, ক্রিমিনাল ল’ইন ইসলাম অ্যাণ্ড দ্য মুসলিম ওয়ার্ল্ড পৃঃ ২৫১, দ্য পেনাল ল অব ইসলাম পৃঃ ৪৪, ৪৫ ইত্যাদিতে। কারণ, ‘বোধশক্তির ও স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা ও পরিস্থিতিকে আয়ত্তে রাখিবার ক্ষমতার অভাবের জন্যই নারীদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নহে’ (দ্য পেনাল ল অব্ ইসলাম ৪৪ ও ৪৫ পৃষ্ঠা)।

(২) তওবা করলে গণহত্যাকারী গণধর্ষণকারী গণলুণ্ঠনকারীদের শাস্তি হবে না। (বাংলাদেশ ইসলামী ফাউন্ডেশন প্রকাশিত বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন ১ম খণ্ড ধারা ১৩)।

(৩) চুরি, ডাকাতি, পরকীয়া, মদ্যপান ইত্যাদি অপরাধের জন্য রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে হুদুদ মামলা করা যাবে না। (বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন ৩য় খণ্ড নং ৯১৪গ এবং হানাফি আইন হেদায়া পৃঃ ১৮৮)।

(৪) বাবা মা, দাদা-দাদি বা নানা-নানি যদি ছেলে-মেয়ে বা নাতি-নাতনিকে খুন করে তবে খুনির হুদুদ শাস্তি হবে না। (বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন ১ম খণ্ড, ধারা ৬৫ ক ও খ; শাফি’ই আইন উমদাত আল সালিক #o.1.2.4)।

এরকম বহু উদ্ধৃতি আছে “শারিয়া কি বলে, আমরা কি করি” বইতে, ওটা ইন্টারনেটে ফ্রি পাওয়া যায়। আসলেই ওই বাদ দেয়া অংশ দুটোয় কি আছে যা তারা জাতিকে জানাতে চান না? বইটার মুখবন্ধে ড. কামালী বলেছেন-

“I have consequently commented on the nature of the challenge that Muslim scholars and jurists must take up if the methodology of usul al-fiqh and ijtihad are to be revitalized and integrated into the processes of law and government in modern times”.   

অর্থাৎ তিনি সতর্কবাণী দিয়েছেন বর্তমান যুগের রাষ্ট্রব্যবস্থায় উসুল আল-ফিকহ ও ইজতিহাদ প্রয়োগ করতে হলে তার বিস্তর ঘষামাজা প্রয়োজন। বইয়ের ওই বাদ দেয়া অংশ থেকে আমি কিছু উদ্ধৃতি দেব। এ উদ্ধৃতি তার প্রগাঢ় পাণ্ডিত্যকে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত করেনা, আমি শুধু রূপরেখা দিচ্ছি।

“আদিতে যে উদ্দেশ্যে গঠিত ও বিকশিত হইয়াছিল, বিভিন্ন কারণে উসুল আল ফিকহ আজ সেই উদ্দেশ্য সাধনে আর সক্ষম নহে। প্রায়শই উসুল আল ফিকহ-কে একটি তাত্ত্বিক ডিসিপ্লিন বলা হয় যাহা সামাজিক বাস্তবতা হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া গিয়াছে, নতুন নতুন বিষয়ে ইজতিহাদকে উদ্বুদ্ধ করার ব্যাপারে ইহার সক্ষমতাও বর্ধমানভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।… উসুল-এর আইন-তত্ত্বটি উহার পদ্ধতির (মেথোডলজি) মধ্যে স্থান-কালের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে নাই… কোরান ধীরে ধীরে ক্রমাগত ২৩ বছর ধরিয়া নাজিল হইয়াছিল, এ-সত্য ইহাই প্রমাণ করে যে কোরান সেই সময়ের পরিবর্তনগুলিকে গণনায় ধরিয়াছিল… কোরান-সুন্নাহ-এ ‘নসখ’- এর সর্বপ্রধান কারণই হইল স্থান-কালের বিষয়টি… ইসলাম আসিবার প্রথম দিকে যখন মুসলিমেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ অমুসলিম সমাজে বাস করিত তখন কিছু বিধান প্রয়োগ (ইন্ট্রোডিউসড) করা হইয়াছিল। পরে যখন তাহারা সার্বভৌম কর্তৃত্ব অর্জন করিল তখন কিছু নুতন আইন দ্বারা পূর্বের কিছু আইন বাতিল ও প্রতিস্থাপিত হইল … ‘নসখ’-এর উপলব্ধি আসিয়াছে মানুষের উপকারের জন্য সমাজের বিদ্যমান পটভূমি ও আইনের সমন্বয় করার প্রয়োজন হইতেই… শারিয়াকে যদি স্থবির (ফিক্সড) ও অপরিবর্তনীয় (আনচেঞ্জেবল) ধরা হয় তাহা হইলে উসুল আল-ফিকহ-এর পদ্ধতির (মেথডোলজি) অর্থ ও উদ্দেশ্য গৌণ হইয়া পড়ে”।

‘নসখ’ হলো সমাজের মঙ্গলের প্রয়োজনে পরিবর্তিত বাস্তবের প্রেক্ষাপটে আগের নির্দেশ বাদ দিয়ে নুতন নির্দেশ প্রতিষ্ঠিত করা। এর ব্যাখ্যা আছে মওলানা মুহীউদ্দিনের অনূদিত কোরানে পৃষ্ঠা ৩৩৪ ও ৫৩। বইয়ের ওই বাদ দেয়া অংশে ড: কামালী বলেন:-

“কোরানকে বুঝিবার ব্যাপারে স্থান-কালের বিষয়টি উপেক্ষা করাটা উৎসাহিত করিয়াছে বিভক্তি ও ইহার অন্তর্নিহিত মূল্যবোধকে উপেক্ষা করার প্রবণতাকে। উদাহরণ স্বরূপ: “মুশরিকদিগের সহিত তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে যেমন তাহারাও তোমাদিগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়া যাইতেছে  সমবেতভাবে (তওবা ৩৬)” – ইহা (এই দাবিটি- লেখক) বাতিল করিয়াছে কোরানের হুকুম যাহা অমুসলিমদিগের সহিত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বৈধ করে- “ধর্মের ব্যাপারে যাহারা তোমাদিগের বিরুদ্ধে লড়াই করে নাই এবং তোমাদিগকে দেশ হইতে বহিষ্কৃত করে নাই, তাহাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ করিতে আল্লাহ তোমাদিগকে নিষেধ করেন না” – (মুমতাহিনা ৮)।… ইহাও দাবি করা হয় যে, “তলোয়ারের আয়াত”-টি (তওবা ২৯ – লেখক) কোরানের দয়া, ক্ষমা, শান্তি, সু-ব্যবহার ও অমুসলিমদিগের প্রতি সহনশীলতা ইত্যাদি একশতটিরও বেশি আয়াতকে বাতিল করিয়াছে।” -(পৃঃ ৫০৭)।  

ওপরের বাক্যটি- “ইহাও দাবী করা হয় যে, “তলোয়ারের আয়াত”‘-টি.…….একশতটিরও বেশী আয়াতকে বাতিল করিয়াছে” – উনি এর সূত্র উল্লেখ করেন নি। আসলে ওটা আছে মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড: মুহসিন খান অনূদিত অখণ্ড সহি বুখারীর ১০৮১ পৃষ্ঠায়। ইসলামের প্রথম দিকেই এই ব্যাখ্যাটা করা হয়েছিল:-

“তখন আল্লাহ সুরা তওবা-তে সমস্ত বাধ্যবাধকতা (অমুসলিমদের সাথে শান্তিচুক্তি ইত্যাদি – লেখক) বাতিল করিতে হুকুম জারি করিলেন। এবং আদেশ করিলেন যুদ্ধ করিতে সকল মুশরিকদের সহিত এবং ইহুদী-খ্রিস্টানদের সহিত যদি তাহারা ইসলাম গ্রহণ না করে, অথবা স্বেচ্ছায় অপমানিতভাবে আত্মসমর্পণ করিয়া জিজিয়া কর না দেয় যাহা সুরা তওবা আয়াত ২৯-এ নাজিল হইয়াছে। সুতরাং পৌত্তলিক, ইহুদী ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বাতিল করার বা সমঝোতায় আসিবার বা সংঘর্ষ বাতিল করার অনুমতি মুসলমানদিগকে দেওয়া হইল না চিরকালের জন্য, যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলমানেরা তাহাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার শক্তি রাখে। সুতরাং ইহা স্পষ্ট যে, প্রথমে যুদ্ধ নিষিদ্ধ ছিল। তারপর যাহারা মুসলমানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং যাহারা আল্লাহ ছাড়া অন্যের উপাসনা করে তাহাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হইল ও পরে যুদ্ধকে বাধ্যতামূলক করা হইল”।

এটা পৃথিবীর সমস্ত অমুসলিমের বিরুদ্ধে খোলাখুলি চির-যুদ্ধ ঘোষণা ছাড়া আর কিছুই নয়। অনেক মুসলিম বিশেষজ্ঞ ইসলামের এই যুদ্ধভিত্তিক ব্যাখ্যার প্রতিবাদ করেছেন (কুরানিক ল অব ক্রাইমস”, ডেমোক্র্যাটিক প্লুরালিজম ইন ইসলাম ইত্যাদি বই)। ড. কামালীও বলেছেন: ”নসখ”-কে এইভাবে কাজে লাগানো হয়ত তখন ফলপ্রসূ হইয়াছে যখন মুসলমানেরা পৃথিবীতে রাজনৈতিক-সামরিক শক্তিতে অনন্য ছিল। কিন্তু ইহা তখনো প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, এখনো এই পরিবর্তিত বিশ্বে ইহা গ্রহণযোগ্য নহে”।  

কিন্তু ইসলামের ওই যুদ্ধভিত্তিক ব্যাখ্যায় বিশ্বাসী বহু মওলানা আছেন এবং তাদের অসংখ্য অনুসারীও আছে। মওলানা মওদুদি তো সরাসরিই বলেছেন- “মুসলিমদের শক্তি-সম্পদ থাকিলে তাহারা বিশ্বের সকল অমুসলিম সরকারকে উচ্ছেদ করিয়া সেস্থলে ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠা করিবে… ইসলামের দর্শন ও কর্মপদ্ধতির পরিপন্থী সকল রাষ্ট্র ও সরকারকে ইসলাম পৃথিবী হইতে ধ্বংস করিতে চায়” – (জিহাদ ইন ইসলাম পৃঃ ৬ ও ২৩)। 

এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে যারা বাংলাদেশে শারিয়া আইনভিত্তিক ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চান তারা জাতিকে জানতে দিতে চান না যে ড. কামালীর মতো অনেক মুসলিম বিশেষজ্ঞেরা শারিয়া আইনের সমস্যাগুলো সম্পর্কে বিশ্ব-মুসলিমকে কী কী দলিল দিয়ে কেন, কিভাবে সতর্ক করছেন ও সমাধানের কী কী প্রস্তাব দিয়েছেন। বিদেশি বিশেষজ্ঞদর বই আমরা পড়ি, তাদের উদ্ধৃতি দেই কিন্তু আমাদেরও কিছু আন্তর্জাতিক মানের ইসলামী বিশেষজ্ঞ আছেন। বাহরায়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও ইসলামিক ব্যাংকিং- এর শিক্ষক, বাহরায়েন রয়েল ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন- এর বিজনেস ও ফিন্যান্সিয়াল বিভাগের প্রাক্তন অ্যাক্টিং ডিন ও আমেরিকার আপার আইওয়া  বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষক (সিরাজগঞ্জের) ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক তাদের অন্যতম। ইসলামী গবেষকদের অবশ্যপাঠ্য তার বই “টুওয়ার্ড আওয়ার রিফর্মেশন – ফ্রম লিগ্যালিজম টু ভ্যাল্যু ওরিয়েন্টেড ইসলামিক ল’ অ্যান্ড জুরিসপ্রুডেন্স”

** নিবন্ধের সূত্রগুলো প্রায় সবই আমার কাছে আছে, কেউ চাইলে কেতাব থেকে পৃষ্ঠাগুলো স্ক্যান করে পাঠানো যাবে। 

হাসান মাহমুদমুসলিম রিফর্ম মুভমেন্ট-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার কর্মী, শারিয়া আইনের ওপর গবেষক, লেখক ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বক্তা।

Responses -- “ইসলামী কেতাব- বাংলা অনুবাদে দুটো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উধাও কেন?”

  1. হাসান মাহমুদ

    সংশোধনী : নিবন্ধে লেখা হয়েছে:- “কিন্তু অনূদিত বইতে মূল বইটির শেষ দুটো অধ্যায় ‘A New Scheme For Usul al- fiqh’ ও ‘কনক্লুশন’ বাদ দেয়া হয়েছে”। আসলে ‘কনক্লুশন’ অংশটি ওই ‘A New Scheme For Usul al- fiqh’ অধ্যায়েরই শেষ অংশ। অনিচ্ছাকৃত এ ভুলের জন্য দুঃখিত। অনূদিত বইতে ওই অধ্যায় ছাড়াও অন্য অধ্যায়ের কিছু অংশ বাদ দেয়া হয়েছে – দরকার হলে সেটাও দেখানো হবে – লেখক।

    Reply
  2. Mohammed Sultanul Arefin

    – আর আল্লাহ যখন আহলে কিতাবদের কাছ থেকে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করলেন যে, তা মানুষের নিকট বর্ণনা করবে এবং গোপন করবে না, তখন তারা সে প্রতিজ্ঞাকে নিজেদের পেছনে ফেলে রাখল আর তার কেনা-বেচা করল সামান্য মূল্যের বিনিময়ে। সুতরাং কতই না মন্দ তাদের এ বেচা-কেনা।(সূরা আল ইমরান:১৮৭)
    আল্লাহ্ ছুবহানাহু ওয়া তায়ালার এমন নির্দেশ বরখেলাপকারি নয় কি ?

    Reply
  3. wahed

    শয়তানেরা রাজত্ব কায়েম করতে চাস্সে, সেই পরিকল্পনার একটা অংশ হলো এই কাজ

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—