বছর সাতেক আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘আমাদের পানিতে বিষ। বাতাসে বিষ। পলিটিশিয়ানদের মুখেও বিষ। দিন যতই যাচ্ছে, ততই আমাদের মুখের বিষ তীব্র হচ্ছে।’ (সমকাল, ৪ এপ্রিল ২০১২)। এখানেই তিনি থেমে থাকেননি। প্রখ্যাত কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, ‘শরীরের শক্তি কমতে থাকলে মুখের বিষ বাড়ে।’

সম্প্রতি মন্ত্রী-এমপি-মেয়রসহ বিভিন্ন বিশিষ্ট্যজন যেভাবে ‘মুখের বিষ’ ছড়াচ্ছেন, তাতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, আমাদের সমাজ ও রাজনীতির মানুষগুলোর ‘শরীরের শক্তি’ সত্যিই কী কমছে? আর তাই ‘মুখের বিষ’ বাড়ছে? নাকি তাদের মগজের শক্তি কমছে?

প্রাণঘাতী ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে যখন হাজার হাজার মানুষ ধুঁকছে তখন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বললেন, দেশ উন্নত হচ্ছে বলেই বাংলাদেশে এই রোগ দেখা দিয়েছে। তার ভাষ্যমতে, ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস ইজিপ্টি ‘এলিট শ্রেণির’ মশা এবং তা বাংলাদেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর, ব্যাংককের মতো শহরে দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এখন উন্নত দেশ হতে যাচ্ছে। তাই এখন দেশে ডেঙ্গু এসেছে। মানুষের যত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে তত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

স্বপন ভট্টাচার্য্যর কথায় আবারও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে বলছেন, কোনো ইতিবাচক কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপনে ব্যর্থ মন্ত্রীরা কেন এমন সব বেহুদা মন্তব্য করছেন? কেন মানুষের ক্ষোভকে উস্কে দিচ্ছেন? আক্রান্ত মানুষ সেবা চায়, সুশ্রূষা চায়, প্রতিকার ও সান্ত্বনা চায়। কিন্তু সে সবের ধারে কাছে না গিয়ে যুক্তি ও কাণ্ডজ্ঞানহীন বিভিন্ন মন্তব্য করে মন্ত্রীরা নিজেরাই নিজেদের ভিলেনে পরিণত করছেন। মানুষের মনকে বিষিয়ে দিচ্ছেন।

এ বছর বর্ষা মৌসুম শুরুর পর গত জুনের প্রথম দিকে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। এরপর দুই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ হাজার ছাড়িয়েছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯০ জনের বেশি। ডেঙ্গু এত ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার জন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন অনেকে। অনেকে সরকারের গাফিলতিকেও দায়ী করছেন। দুই মেয়র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। ডেঙ্গু-আক্রান্ত অসহায়, হতাশ, ক্ষুব্ধ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বদলে নানা ধরনের চটুল মন্তব্য করে নেতামন্ত্রীরা যেন আক্রান্ত মানুষের সঙ্গে তামাশায় লিপ্ত হয়েছেন। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।

এর আগে ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশার বংশবিস্তার নিয়ে এক মন্তব্যের জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছিলেন, “সামহাউ উই কুড নট ম্যানেজ কন্ট্রোল দা মসকুইটো পপুলেশন। যেভাবে রোহিঙ্গা পপুলেশন বাড়ে.. আমাদের দেশে এসে। সেভাবে মসকিটু পপুলেশন বেড়ে যাচ্ছে। .. প্রডাকশন যদি কম হত, এডিস মশা কম হত। মানুষ আক্রান্ত মশার কামড় কম খেত, ডেঙ্গু কম হত।”

সরকারের মন্ত্রী-এমপিরাই শুধু নয়, কাণ্ডজ্ঞনহীন মন্তব্য করার ক্ষেত্রে দেশের বিরোধী দলও পিছিয়ে নেই। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগ ১৯৯৭ সালে মারণঘাতি ডেঙ্গু জ্বর আমদানি করেছে। তখন থেকে এই এডিস মশা ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপকভাবে।

দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা আমাদের পুরো দেশটাকেই যেন এক ‘পাগলা-গারদে’ পরিণত করেছে। অনেকে বলতে পারেন, কথায় কী হয়? এ কথার জবাবটা বোধহয় সহজ নয়। কথায় অনেক কিছু হয়। হতে পারে। আবার নাও হতে পারে। মূল ব্যাপার হলো—কোন কথা, কেমন কথা, কে বলছেন, কাকে বলছেন! ভাবুকরা বলে থাকেন, ‘কথা শতধারায় বয়’।

আসলে বেশি কথা বললেও কিন্তু সমস্যা হয় না, যদি সেটা কাজের কথা হয়। আবার অকাজের কথা বা বাজে কথা কম বললেও তা অনেকের কাছে সহনীয় মনে হয় না। পৃথিবীতে এমনও মানুষ আছে যারা হয়তো একদিন না খেয়ে থাকতে পারবে কিন্তু কথা ছাড়া থাকতে পারবে বলে মনে হয় না! একদিক থেকে দেখলে আসলে কথাই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। সুখের কথা যদি আমরা কাউকে না বলি সে সুখের মূল্য কি? আবার যখন দুঃখ আসে তখন কারো মুখের দুটো কথাই বাঁচার আশা জাগায়। কথাই অনেক সময় আনন্দ, আবার কথাই দুঃখ। কথার কারণেই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়, আবার কথা দিয়েই তা ভাঙানো হয়। কথাই মানুষকে বড় করে, কথাই আবার মানুষকে নিচে নামায়। কথাতেই সত্য প্রকাশ পায় আবার মিথ্যাও কথার মাধ্যমেই আসে। সবটা আসলে নির্ভর করে আমাদের মর্জির ওপর। আমরা কোন কথা মুখ দিয়ে বলার জন্যে বেছে নেব। আর কোন কথাটা এড়িয়ে চলব।

অনেকে কম কথা বলেন, কাজ বেশি করেন। কেউ কথা বেশি বলেন, কাজ কম করেন। অনেকে যতটুকু বলেন, ততটুকু করেন। কেউ আবার না করেও বলেন। আর কেউ না বলেও করেন। এই কথা ও কাজের ক্ষেত্রে কে ভালো কে মন্দ, তা সবাই জানেন। তারপরও একটা মান বা স্ট্যান্ডার্ড বোধহয় আমাদের চারপাশ থেকেই বোঝার আছে।

কম কথা বলে যে কাজ করে যায়, তার কাজই তাকে মানুষের কাছে স্মরণীয় করে রাখে। কথার মানুষ আর কাজের মানুষ এক নয়। অনেকে নিভৃতচারী, কেবল কাজই করে যান। আপাতদৃষ্টিতে তাদের কেউ অনেকটা অবহেলিত কিংবা তার সময়ে তেমন দাম পান না। কিন্তু মৃত্যুর পর ঠিকই তার কাজ তাকে অবিস্মরণীয় করে রাখে। কাজ করলে তা বলা দরকার, তাতে হয়তো মানুষ বুঝতে পারে। কাজ না করে বলাটা নিশ্চয়ই সমীচীন নয়। অল্প করে বেশি বলাও উচিত নয়।

অন্য সব আদর্শের সঙ্গে পরিমিত ভাষণের জন্য বিখ্যাত হয়ে রয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, যিনি ছিলেন ভারতবর্ষের এক মহান ব্যক্তি। তিনি চাইলে নিজের জীবনকেও ত্যাগ করতে পারতেন, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই সত্যকে ত্যাগ করতে পারতেন না। রাজনীতির মধ্যে তিনি জীবনসত্যকেই খুঁজে ফিরেছিলেন, রাজনীতি ছিল তাঁর কাছে ধর্মবোধেরই একটি রূপ। ধর্মের স্পিরিটটাকেই রাজনীতির কাজে লাগিয়েছিলেন মহাত্মা।

‘আমার জীবনই আমার বাণী’ বা ‘আমার জীবন একটি খোলা বই’—এমন কথা মহাত্মা গান্ধী বলতে পারতেন, এ যুগের মানুষ কি সেইসব সত্য-জীবনাচরণ অংশতও পারেন? হয়ত কেউ-কেউ পারেন, আমরা হয়ত তাদের খবর জানি না। বলাবাহুল্য যাঁর জীবন খোলা বই, তাঁর পক্ষে দুর্নীতি করা মোটে সম্ভব নয়। সত্যের একটা সরল চেহারাও থাকে, যার অবিরল উদ্ভাস ছিল মহাত্মার চরিত্রে। কিন্তু আমাদের চারদিকের চেনা চরিত্রগুলোর মধ্যে কি সারল্য বা সত্যবাদিতা আছে? যিনি যা বলেন, তা করার চেষ্টা করেন? আর যা পারেন না, তার জন্য অকপটে ক্ষমাভিক্ষা করেন? প্রতিশ্রুতি দেওয়া অনেক নেতার জন্যই খুব সহজ। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে তিনি যদি ব্যর্থ হন, তাহলে মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দৃষ্টান্ত আমাদের সমাজে আছে কি? ক্ষমা চাওয়ার মধ্যে একজন ব্যক্তির সারল্য ও অকপাট্য প্রকাশ পায়। এর ফলে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে।

কিন্তু আমাদের নেতানেত্রীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য তাদের মধ্যে কোনো খেদ বা অনুশোচনা কখনও দেখা যায় না। কথা পরিণত হচ্ছে ‘কথার কথায়’। যা রাখা না-রাখার কোনো দায় নেই। কি নিজের কাছে, কী অন্যের কাছে। 

কথা দিলে কথা রাখতে হয়, এটা মূল্যবোধ, কথায় কাজ হয়, এটাও মূল্যবোধ। দাগা খেয়েও মানুষ কথাতেই ভরসা রাখে। এর কারণ কী? কারণ কথায় বিশ্বাস না রাখলে গরিব তার আহত-মলিন জীবনটাকে সামনের দিকে ঠেলে ঠেলে নিয়ে যেতে পারে না। কথা বলতে হবে। কথা বলতে দিতে হবে। কথা যেন বিশ্বাসযোগ্য ও যৌক্তিক হয়, সেদিকটাও খেয়াল লাখতে হবে। কথা যেন মানুষের মুখশ্রী হয়, মুখোশ নয়। পরিশেষে কবির ভাষায় নিবেদন: ‘সবাই শুধু কথা বলে/কাজ করে না কেউ/মিটিং সিটিং চারিদিকে/কথার কেবল ঢেউ।/টকশোতে হয় নানান কথা/দেয় উপদেশ হাজার/কেমন করে হাঁটতে হবে/করতে হবে বাজার/কথার মেলা, কথার খেলা/কথার কত রং/কথায় কথায় বাড়ছে শুধু/কথারুদের ঢং।/সবকিছু তাই ‘কথার কথা’/হচ্ছে বুঝি আজ/কথা ছেড়ে আসুন সবাই/করি নিজের কাজ—জাহিদ রহমান, কথার কথা)।

পুনশ্চ: কয়েকদিন আগে আমার এক সাংবাদিক বন্ধু প্রস্তাব করেছিলেন: মনুষ্য বর্জ্যের মতো মানুষের মুখনিঃসৃত বাণীগুলো ঠেকানোর জন্য মুখের কনডম আবিষ্কার জরুরি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘এডিস মশার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের প্রজনন ক্ষমতা’র তুলনা, ‘ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ছেলেধরা গুজবের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা’ বলে মেয়র সাঈদ খোকনের মন্তব্যের পর তিনি ওই প্রস্তাব রেখেছিলেন। ডেঙ্গু নিয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য শোনার পর এখন মনে হচ্ছে: এডিস মশা দমনের সর্বাত্মক অভিযানের পাশাপাশি নেতানেত্রীদের বাহুল্য কথা ঠেকানোর ‘কন্ডম’ আবিস্কারও সমান জরুরি।

চিররঞ্জন সরকারকলামিস্ট।

Responses -- “মন্ত্রীদের যত বাহুল্য কথা”

  1. ফারুর আহাম্মেদ

    জনাব ভাল লিখেছেন ধন্যবাদ। তারপরেও আমাদের বোদধয় হবে নাহ। কারন যদি জনগণের কাছে আপনার জবাব দিহিতা না থাকে তখন তো আপনি কাজের বদলে তামাশা করবেন এতাই স্বাভাবিক।

    মূদ্দা কথা হলঃ কথা বলা শিখতে ১-২ কারোও একটু বেশী লাগে কিন্তু কোন কথা কোথায় বলতে হবে আর কোথায় বলা যাবে নাহ সেটা শিখতে সাড়া জীবন লাগে।

    Reply
  2. সেলিম রহমান

    লেখককে অসংখ্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

    প্রসঙ্গক্রমে একটা আঞ্চলিক প্রবাদ বলি! প্রবাদটা হলো ‘ব্যাক্কলের বৌ হগ্গলডির ভাউস’। প্রবাদটার অর্থ হয়তো অধিকাংশ মানুষই বুঝবেন। তবুও অর্থটা এরকম : নির্বোধের বৌ সকলেরই ভাবী, এবং এই সুবাদে যে কেও তাকে যা তা বলে যায় যা তা করেও যায়। এই বলে যাওয়া করে যাওয়ার বিপরীতে থাকেনা কোনো বাদ-প্রতিবাদ। বাংলাদেশের নেতানেত্রীদের বলার ঢং করার ঢং-এর বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বার বার ঘুরে ফিরে মনে আসে প্রবাদটা। সম্প্রতি স্বাস্থ মন্ত্রীর বক্তব্য শুনে তো আক্কেল গুড়ুম ! ওনার মন্তব্য “কিন্তু আপনি যদি মনে করেন, আমার শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া মন্ত্রণালয় স্থবির হয়ে যাবে তখন এটা একটা অপরাধ। তাহলে তো আপনি ডিজিটাল বাংলাদেশের অবমূল্যায়ন করছেন।”। আসলে উনি যে প্রধান মন্ত্রীর অস্সুস্থতা, দেশের বাইরে চিকিৎসা নেয়া এবং দেশে উপস্থিত না থাকাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন বুঝা গেলো তার ডিজিটাল বাংলাদেশের উদাহরণে। অনেক স্পর্ধার কথা বৈকি! চোখের সামনে দেখছি যার যা খুশি তাই করে যাচ্ছে; যার যা খুশি তাই বলে যাচ্ছে। দেখতে দেখতে সত্যিই ক্লান্ত হয়ে গেছি। আশাহীন হয়ে গেছি। বড্ডো ভাগ্যহীন লাগে। বড্ডো বিপন্ন লাগে নিজেকে। হতাম না যদি এর সঠিক বিহিত দেখতাম। এই সব উচ্ছিষ্টের উগরানো বমিতে দেশ দুর্গন্ধময় হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। আর ভালো লাগছে না। এর একটা কঠিন বিহিত হওয়া দরকার।

    Reply
  3. হাসান মাহমুদ

    শুক্রকীট ও রাজনীতিকের,
    মিল বলতো কোন সে দিকের? কোথায় গরল ভেল?
    লক্ষ কোটি হন বাবাজী,
    একটাই হন কাজের কাজী, বাদবাকি সব ফেল !!

    Reply
    • Md. Mahbubul Haque

      আমড়া গাছের কাঠ দিয়ে ঢেঁকি অথবা ধান গাছের তক্তা দিয়ে যদি খাট বানানো যায় তাহলে আমি ঠিক দেশেই জন্মেছি।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—