বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৫ সালে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ‘সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরি (CTL)  এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) এক জায়গা নিয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠা করে।

এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠা করার প্রধান লক্ষ্য ছিল, পণ্য ও সেবার মান প্রণয়ন,  গুণগতমান ও পরিমাপ নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক/আঞ্চলিক মানদণ্ডে উন্নীতকরণ এবং সেবাগ্রহিতাদের স্বার্থ রক্ষাক্রমে  জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে  সহায়তা করার কথা বলা হচ্ছে।

পাশাপাশি, স্বায়ত্বশাসিত এই প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার বাইরে আরও ৫টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করে সেই পণ্যের জন্য সনদ সরবরাহ করে আসছে। তারা প্রায় ১৬৬টি পণ্যকে নিজেদের বাধ্যতামূলক সার্টিফিকেশন মার্কস এর আওতায় নিয়েছে বলে বিএসটিআই ওয়েব সাইটে বলা হচ্ছে।

কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক জাতীয় সংস্থা রয়েছে, যারা সেই দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছে।

বিএসটিআই প্রতিষ্ঠার পর বাংলাদেশের মানুষদের একটা সময় আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছিল। মানুষ কোনও পণ্য বাজারে কিনতে গেলে, সেই পণ্যের প্যাকেটে বিএসটিআই লোগো দেখে নিশ্চিত হতো যে সেই পণ্যের মান সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সেই আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা ক্ষয়ে তলানিতে নিয়ে গিয়েছে স্বায়ত্বশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি। যে সংস্থাটি মানুষের জীবন রক্ষার খাদ্যের মান  নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে সেই প্রতিষ্ঠানটির মান নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর শঙ্কা হবেই না কেন, তার যে কারণ রয়েছে তা নেহাত কম নয়।

খোদ আদালত গত মে মাসে এক রায়ে, বিএসটিআইয়ের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে।

জাতীয় নিরাপদ খাদ্য গবেষণাগারের (এনএফএসএল) করা এক পরীক্ষায় দুধ, দই, গো-খাদ্য মান মারত্মকভাবে বিপর্যয় দেখার খবর দেয়ার পর স্বায়ত্বশাসিত এ বিএসটিআই নিজেই তার বিরোধিতা করে।

ওই সময় এনএফএসএল পরীক্ষায় দেখা যায় গোখাদ্যের ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করে- কীটনাশক দুটি নমুনায়, ক্রোমিয়াম ১৬টি নমুনায়, টেট্রাসাইক্লিন ২২টি নমুনায়, এনরোফ্লোক্সাসিন ২৬টি নমুনায়, সিপ্রোসিন ৩০টি নমুনায় এবং আফলাটক্সিন চারটি নমুনায় পাওয়া।

শুধু গো-খাদ্য নয়, দুধ ও দইয়ে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক উপস্থিতি দেখা মিলে। আর এইসব তথ্যকে মিথ্যা দাবি করে আদালত পর্যন্ত গিয়েছিল বিএসটিআই।

বিএসটিআই মান নিয়ন্ত্রণের কেরামতি কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে তা আদালতের ওই পর্যবেক্ষণে উঠে আসে।

এরপর তাদের নিজস্ব পরীক্ষাগারে ৪০৬টি পণ্যের নমুনায় প্রথম ধাপে ৫২ টি পণ্যে নিম্নমান দাবি করে তা নিষিদ্ধ করে।

দ্বিতীয় ধাপে আরও ২২টি পণ্যের নিষিদ্ধ করার খবর গণমাধ্যমে আসে। কিন্তু এর কিছুদিন পর প্রথম ধাপে নিষিদ্ধ হওয়া ৫২টি পণ্যের মধ্যে ২৫টি লাইসেন্স বাতিল করে, ১টির স্থগিত ও ২৬টিকে ফের অনুমোদন দেয় এই সংস্থাটি।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের করা পরীক্ষায় উঠে আসে আমাদের ভোগ্যপণ্যের বিষাক্ত তথ্য।

বাজারের বেশ কয়েকটি নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ভেজালের চিত্র উঠে আসে তার এই পরীক্ষায়।

সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল, দুধে অ্যান্টিবায়োটিক। অক্সিটেট্রাসাইক্লিন, এনরোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন এবং লেভোফ্লক্সাসিন নামের এই অ্যান্টিবায়োটিক মানবদেহে থাকার কথা থাকলেও সেটি চলে গিয়েছে দুধে। গাভীর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই অ্যান্টিবায়োটিক জনস্বাস্থ্যের জন্য শুধু হুমকি নয়, শরীরে মারাত্মক অ্যান্টিবায়োটিক সহনশীলতা তৈরি করে ফেলতে পারে।

অধ্যাপক এবিএম ফারুকের করা এই পরীক্ষায় দুধ, তেল, ঘি, হলুদসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রীতে ভেজালের উপাদান থাকার তথ্য উঠার পর নীরব ছিল বাংলাদেশের পণ্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসটিআই।

অথচ এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব ছিল, সেই বাজারের পণ্যগুলোর মাননিয়ন্ত্রণ করার। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের হাত থেকে বিএসটিআই অনুমোদন পাওয়া কোম্পানির দুধে অ্যান্টিবায়োটিক সারা দেশেই বেশ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

দেশের ডেইরি শিল্প রক্ষায় দায়িত্ব থাকা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাও এই অধ্যাপককে হুমকি দিতে ছাড়েনি। গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত থাকা এই কর্মকর্তার চোখ টিপ্পনী শুধু স্বাধীন গবেষণায় নয়, দেশের ভবিষ্য ভোগপণ্যর মান নিয়ন্ত্রণে হুমকি বলা চলে।

শুধু অধ্যাপক ফারুকই নয়, বিএসটিআই যে ১৪ কোম্পানির পাস্তুরিত দুধকে জনস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ বলছে, তার ১১টির নমুনায় সীসার উপস্থিতি পাওয়ার কথা গত সপ্তাহে হাই কোর্টকে জানিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, বিসিএসআইআর, প্লাজমা প্লাস, ওয়াফেন রিসার্চ, পারমাণু শক্তি কমিশন ও আইসিডিডিআরবি’র ল্যাবে পাস্তুরিত দুধ, খোলা দুধ ও গোখাদ্য পরীক্ষা করে অনেকটা নিশ্চিত হয়ে আদালতে নিজেদের ফলাফল তুলে ধরেছে।

দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টের খবর পত্রিকায় দেখে আমার সাংবাদিক সহকর্মী ফোন দিয়ে চানতে চেয়েছেন, তার ছোট সন্তানকে দুধ খাওয়ানো নিরাপদ কিনা।

আমি এর উত্তর দিতে পারিনি। সুষম খাদ্য হিসেবে দুধ যে শিশুদের অতি প্রয়োজনীয় সেই দুধ দিতে ভয় পাচ্ছেন এক মা! কতটা ভয়ানক খবর হলে মানুষ এই আতঙ্কে থাকতে পারে।

আমি শুধু উনাকে দুধ খাওয়ানো বাদ রেখে বাচ্চাদের সবজি ও ফলমূলই খাওয়াতে পরামর্শ দিয়েছি।

তাই বিষয়টি খোলসাভাবে বললে বলা চলে, বিএসটিআইকে আর কেউ বিশ্বাসের খাতায় রাখতে চায় না। দুর্নীতিবাজ ও অপেশাদার কর্মকর্তাদের হাতে প্রতিষ্ঠানটি চলে গিয়েছে কী না তা ভাবনার বিষয়।

প্রশ্ন হলো, বিএসটিআইকে দেখবে কে? যাদের মান নিয়ন্ত্রণের দেখভালের দায়িত্ব এখন তাদের কার্যক্রম দেখে তাদের মাননিয়ন্ত্রণের ভার নেবে কে?

বিজ্ঞান গতিশীল প্রক্রিয়া। বিজ্ঞানের নতুন উদ্ভাবনের সাথে পরিচয় হওয়া গবেষকদের দায়িত্ব কতর্ব্য বটে। খাবারের ভেজালের ধরন প্রতি নিয়ত পাল্টে যাচ্ছে। নতুন নতুন রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য। বিএসটিআই যদি এসব নব্য আবিষ্কারের সাথে নিজেদের পরিচয় ঘটাতে ব্যর্থ হয় তাহলে কোটি কোটি মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। আর এই জন্য প্রয়োজন গবেষণা।

কিন্তু যতটুকু তথ্য বিএসটিআই তাদের ওয়েব সাইটে রেখেছে, তা দেখে অনেকটাই নিশ্চিত এখানে পেশাদার কোনও গবেষক নেই। পিএইচডিধারী কয়জন রয়েছে তা প্রশ্ন করা যেতে পারে! সত্যি কথা বলতে কী কর্মকর্তাদের তালিকায় পিএইচডিধারী কোনও কর্মকর্তার নাম দেখতে পাইনি (যদিও এই তথ্য ভুল হতে পারে)।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, অনেক পদ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও, সেই পদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা কিভাবে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হয় সেটাই ভাবনার বিষয়। মাস্টার্স পাস করে গবেষণার অভিজ্ঞতাহীন এমন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কিভাবে পরবর্তীতে সেখানে কিভাবে সায়েন্টিফিক কার্যক্রম করে তা আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে আসছে না।

বিশ্বের বহু দেশের পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকরা পণ্যের মান পরীক্ষা করতে পারে। তবে এইক্ষেত্রে ব্যতিক্রম বুঝি আমরাই। যদিও বিএসটিআই দাবি করছে, তাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের যন্ত্রপাতি তাদের রয়েছে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, বিএসটিআই প্রতি মানুষের আস্থা কিছুটা হলে কমেছে। মানুষ বিএসটিআই লোগো দেখে আর কেউ পণ্য কিনে না। এই অবিশ্বাসের জন্য খোদ এই প্রতিষ্ঠানটির খাম খেয়ালিপনাকে দায়ী করা চলে। তাই আমি মনে করি, বিএসটিআই মান নিয়ন্ত্রণের প্যানেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের রাখা উচিত। যারা যে বিষয়ে গবেষণায় অভিজ্ঞ তাদেরকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন প্যানেল করা দরকার। এই প্যানেল তিন মাস পর পর বাজারের পণ্যের মান পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করবে।

কিংবা বিএসটিআইকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে বিএসটিআই বাজারের যে পণ্যে মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবগুলোতে সেই টেস্ট করবে। যদি এই দুই ল্যাবের ফলাফলে জটিলতা তৈরি হয় তবে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে দেশের বাইরের কোনও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে কোলাবোরেশন করা যেতে পারে।

সেটাতেও যদি কাজ না হয়, তাহলে সরকার নতুন করে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারে। যেখানে দেশি-বিদেশি গবেষক থাকবে। যারা খাদ্য নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি বাজারের পণ্য সামগ্রীর মানও দেখভাল করতে পারে।

শুধু ফল নয়, বিএসটিআই গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। খাদ্যের মান নিয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবন সারা বিশ্বেই হচ্ছে। তাহলে আমরা কেন পারছি না?

খাদ্যের মতো একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যভাবে দেখার কিছু নয়। বিএসটিআই যেখানে ‘অজ্ঞাত’ কারণে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পণ্যেকে সনদ দিয়ে ব্যবসা করার অনুমতি দেয়, সেখানে কর্মকর্তাদের মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলের জন্য শাস্তির বিধান চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে। লাগাম টেনে না ধরলে তাদের হাত দিয়ে চলে আসা বিষ আমাদের খেয়ে ফেলবে।

তাই সময় থাকতে সরকার এই বিষয়ে তৎপর হতে হবে। বিএসটিআইয়ের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতা বন্ধ করতে হবে। আর এই জন্য প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা। গবেষণায় অভিজ্ঞতা সম্পূন্ন ব্যক্তিদের এই জায়গায় আনতে হবে। শুধু মাত্র পরীক্ষাগারের ট্রাইট্রেশন জানা মানুষকে নিয়োগ দিয়ে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এই মান নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নিয়োগ ব্যবস্থার মান নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান শুধু কাগজে কলমে না হয়ে প্রকৃতপক্ষে এই প্রতিষ্ঠানটিকে শক্তিশালী করতে হবে। যাতে করে কর্পোরেট ব্যবসায়ীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সঠিকভাবে খাদ্য সামগ্রীর মান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

মানহীন কোম্পানির বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করার সক্ষমতা এই প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করতে হবে। এইভাবে প্রভুদের সন্তুষ্টি দেবার জন্য নামে মাত্র পরীক্ষায় পণ্যে বাজারে ছাড়ার সনদ বেচাকেনা বন্ধ করতে হবে। তাহলে বিএসটিআই প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে। ভেজাল খাবারের দাপট কমবে। সেটা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

নাদিম মাহমুদজাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত

One Response -- “বিএসটিআই এর মান নিয়ন্ত্রণ করবে কে?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—