প্রথমে ‘এযাফে’ শব্দটির পরিচয় দিয়ে নিই। আরবি ব্যাকরণের ‘এদাফে’ বা ফার্সি ব্যাকরণের ‘এযাফে’ এমন একটি শব্দগঠন কৌশল যা দিয়ে পরষ্পর সম্পর্কিত দুটি পদকে জোড়া দেওয়া হয়। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ‘শের-এ-বাংলা’, ‘বুলবুল-এ-বাগদাদ’ এযাফের উদাহরণ। এই একই প্রক্রিয়ায় গঠন করেছি নতুন দুই শব্দ: ‘ঈদ-এ-আওয়াম’ ও ‘ঈদ-এ-খাস’ যার মানে যথাক্রমে ‘জনগণের ঈদ’ এবং ‘সরকারি ঈদ’। বর্তমান প্রবন্ধে ধর্মীয় উৎসব ঈদ, পঞ্জিকা ও ভূগোল তথা বিজ্ঞান এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে টানাপড়েনের এক বিচিত্র সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে বলে এর শিরোনামে ‘এযাফে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।

আসল কথায় আসি। ৪ঠা জুন, ২০১৯ তারিখ রাত ৮টার দিকে ঈদ কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলাম ঢাকার গাউসিয়া মার্কেটে। ইতিমধ্যে সরকারি ঘোষণা হয়েছে, বাংলাদেশের কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি বলে ৫ জুন ঈদ হবে না। ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেককে উৎফুল্ল দেখা গেল। একদিন পরে ঈদ হওয়া মানে আরও একদিন পণ্যবিক্রির সুযোগ পাওয়া। সরকারি সিদ্ধান্তে যাদের আপত্তি, তাদের স্বমতে আনতে এমনও বলতে শুনলাম: ‘সেহরি-ইফতার করবেন আমাগো লগে, আর ঈদ করবেন সৌদিগো লগে!’

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে ৩রা জুন। প্রথমত, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য যেহেতু চার ঘণ্টার মতো, সেহেতু ৪ঠা জুন সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবার কথা। দ্বিতীয়ত, চাঁদের প্রথম তিথি প্রতিপদ কতটা কত মিনিটে শুরু হবে সেটাতো পঞ্জিকাতেই লেখা আছে। ঈদের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই দুই যুক্তির যে কোনো একটি বা উভয়ই অনুসরণ করা যেত।

যুক্তি এখানে অচল, কারণ ঐতিহ্যগতভাবে রোজার শুরু এবং সমাপ্তি উভয়ের নিয়ামক বিজ্ঞান বা পঞ্জিকার মতো জটিল, পণ্ডিতী কোনো বিষয় নয়, বরং পৃথিবীর মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রতিপদের চাঁদ দেখার মতো অতি সহজ একটা বিষয়। বলা হয়ে থাকে, ইসলাম অতি সরল ধর্ম এ অর্থে যে পুরোহিত/পণ্ডিত জাতীয় কারও সাহায্য না নিয়ে আপনি নিজেই নিজের ধর্ম পালন করতে পারেন। চাঁদ দেখে রমজান শুরু বা শেষ করার ব্যাপারটা ইসলামের সারল্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

স্বচক্ষে চাঁদ দেখলেতো কথাই নেই, দেখাটা পূণ্যের কাজও বটে। কিন্তু এলাকার আকাশে যদি মেঘ থাকে, তবে অন্য কোনো এলাকায় অন্য কেউ চাঁদ দেখেছে বলে শুনলেও চলবে। এই যুক্তি থেকেই সম্ভবত কয়েক দশক আগে গঠিত হয়েছিল সরকারি চাঁদ দেখা কমিটি। প্রত্যেক জেলায় এই কমিটির সদস্যরা রয়েছেন। আশা করা যেতে পারে যে এদের সবার কাছ থেকে পাওয়া খবরের উপর ভিত্তি করেই ৬ জুন ঈদের তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল।

মুখপুস্তিকাসহ সামাজিক গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হতে দেরি হলো না। চট্টগ্রামী ভাষায় প্রবাদ আছে: ‘হুইন্যে বঅনা চুড়ার নাম, এইরগে বঅনা হাতর কাম’, অর্থাৎ হাভাতে বামুন যেই চিড়া পরিবেশিত হবার খবর শুনেছে, অমনি অন্য সব কাজ মুলতুবি রেখে খাবার অপেক্ষা করছে। তাদের কথায় যুক্তিও ছিল বৈকি। পাশ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের সরকার যেহেতু ৫ তারিখ ঈদের ঘোষণা দিয়ে ফেলেছে, সেহেতু বাংলাদেশে কীভাবে একদিন পরে ঈদ হয়? ৪ তারিখ সন্ধ্যায় কয়েকটি ঘণ্টা সরকারের ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ অবস্থা। চারিদিকে ‘শেইম শেইম’ শুনে সরকার নিজেকে আর ‘কুউল’ রাখতে পারলো না – ‘কুড়িগ্রাম বা লালমণিরহাটে অমুক বা ফলনা চাঁদ দেখেছে’ বলে ঈদের তারিখ একদিন এগিয়ে আনতে বাধ্য হলো। ততক্ষণে যারা তারাবির নামাজ পড়ে ফেলেছেন কিংবা সেহরির জোগাড় করে ফেলেছেন যারা, সরকারের অবিমৃশ্যকারিতা কিংবা সিদ্ধান্তহীনতায় বিরক্ত হলে তাদের দোষ দেওয়া যাবে না।

২০১৯ সালের ঈদের তারিখ নির্ধারণ নিয়ে সাম্প্রতিক সরকারি সিদ্ধান্তহীনতাকে ধর্ম, বিজ্ঞান ও রাষ্ট্রের টানাপড়েনের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে। রোজার শুরু ও শেষ, অর্থাৎ সেহরি ও ইফতার বিজ্ঞান মেনে অর্থাৎ ঘড়ি বা পঞ্জিকা দেখে করা হয়। সাদা বা কালো সূতার পার্থক্য করা যাচ্ছে কিনা, কিংবা গায়ের লোম দেখা যাচ্ছে কিনা– এই সব প্রাক-ঘড়ি আমলে চালু থাকা প্রাচীন পদ্ধতি অনুসরণ করে সম্ভবত কেউ আর সেহরি খান না (সাদা সুতা কতটা সাদা, কালো সুতা কতটা কালো হলে ঊষাকালে দৃশ্যমান হবে? সব মানুষের গায়ের লোমও কি ঊষাকালে সমভাবে দৃশ্যমান? – এসব প্রশ্ন না হয় বাদই দিলাম!)।

ধর্মীয় সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে মানুষ কখনও বিজ্ঞান ব্যবহার করে, কখনও করে না। বিজ্ঞান মেনে রোজার ‘দিন’ শুরু বা শেষ হয়। কিন্তু রোজার ‘মাস’ বিজ্ঞান বা পঞ্জিকা মেনে শুরু বা শেষ করা হয় না। এর কারণ, প্রথমত, মানবচরিত্র বড়ই বিচিত্র। দ্বিতীয়ত, ধর্ম একটি বিশ্বাস, একটি জীবনাচরণ। বিশ্বাস যুক্তিনির্ভর না হবারই কথা এবং বিবিধ কারণে মানুষের জীবন কখনই শতভাগ যুক্তিনির্ভর হয়ে ওঠে না। রমজানের শুরু এবং শেষে প্রতিপদ তিথির চাঁদ দেখাটাকে মানুষ এখনও গুরুত্ব দেয়। কেন দেয়, আরও কতদিন দেবে – সে প্রশ্ন অবান্তর।

এক শিক্ষিত, সমজদার রোজাদারকে বলতে শুনেছি: ‘আমরা সাধারণ মানুষ একটা রোজা কম রেখে কিংবা ঈদের দিন রোজা রেখে যদি গুনাহগার হই, সে দায়িত্ব সরকারের। তবে ফিৎনা সৃষ্টি করা যাবে না। আজ এখানে ঈদ, কাল ওখানে– এমনটা চলবে না।’ সাধারণ মানুষও জানে, চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ একদিন আগে পরে হতেই পারে। রাশিয়া, কানাডা বা চীনের মতো বড়সড় দেশের দুই প্রান্তে ভিন্ন দিনে ঈদ হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো ছোটখাট একটি দেশে সন্ধ্যায় বলা হলো পরশু ঈদ, আবার রাত গভীরতর হলে থুক্কু দিয়ে বলা হলো, পরদিন ঈদ– আধুনিক একটি রাষ্ট্রে সরকারের এমনধারা শিশুতোষ, হাস্যকর আচরণ প্রত্যাশিত নয়। ‘ঈদ-এ-আওয়াম’ এবং ‘ঈদ-এ-খাস’ পৃথক দিনে না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক আছে, সরকারি ছুটির সম্পর্ক আছে, ধর্মীয় অনুভূতির সম্পর্ক আছে, রাষ্ট্র ও জনগণের ঐক্যের সম্পর্কও আছে। সুতরাং সরকারকেই উৎসবের তারিখ ঘোষণা করতে হবে, অন্য কাউকে সে দায়িত্ব দেয়া যাবে না। তবে কিনা চাতুর্য ও মুন্সিয়ানার সঙ্গে বিজ্ঞান, কাণ্ডজ্ঞান ও প্রথার মধ্যে একটি রফায় আসতে হবে সরকারকে। চান্দ্রবর্ষের কমবেশি ত্রিশ বছরের চক্রে যে দশ বছর ঈদ বর্ষাকালে পড়ে, তখন আকাশে প্রতিপদের চাঁদ নাও দেখা যেতে পারে। সে বছরগুলোতে সরকার পঞ্জিকা বা ভূগোল অনুসরণ করে কিংবা অন্য কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাহায্যে আকাশে চাঁদের অবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। কীসের ভিত্তিতে ঈদের তারিখ ঘোষণা করা হবে, সেটা সরকারের সমস্যা। আ(ওয়া)ম জনতা রোজা রাখবে, ঈদ করবে সরকারের ঘোষণা মেনে। সিদ্ধান্তের জন্যে ‘দিওয়ান-এ-আম’ যার দিকে তাকিয়ে থাকে, থাকতে বাধ্য, সেই ‘দিওয়ান-এ-খাস’ বা সরকারের কাছ থেকে জনগণ কোনও প্রকার ধানাইপানাই, অস্থিরতা নয়, বরং একটি স্থির সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করে। ‘আওয়াম’ বা ‘আম’ দিওয়ানা হতে পারে, ‘খাস’ দিওয়ানা হলে সমূহ বিপদ।

প্রতি বছরের মতো সরকার এবারও ঈদের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রথমে বিজ্ঞান বা পঞ্জিকার পরিবর্তে চাঁদ দেখার প্রাচীন প্রথাকে গুরুত্ব দিয়েছিল। ৪ তারিখ সন্ধ্যায় চন্দ্রদর্শন কমিটির কোন সদস্যই যদি বাংলাদেশের কোথাও চাঁদ না দেখে থাকেন, তবে পরদিন ঈদ হবে না এটাই স্বাভাবিক, অন্ততপক্ষে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেতো বটেই। এদিক থেকে দেখলে সরকারের প্রথম সিদ্ধান্তটি সরল, সৎ সিদ্ধান্তই ছিল। কিন্তু খাঁটি সোনায় যেমন অলঙ্কার হয় না, সোজা আঙ্গুলে যেমন ঘি ওঠে না, তেমনি শতভাগ সততা ও সরলতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নিলেও যে সমস্যা হতে পারে, এবারের ঈদ-তারিখ-বিপর্যয় তার অন্যতম প্রমাণ।

সন্ধ্যায় যে চাঁদ সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বত্র অদৃশ্য ছিল সেই একই চাঁদ রাতের বয়স বাড়ার পর দৃশ্যমান হওয়ার কথা নয়। এর মানে হচ্ছে, জনমতের চাপে সরকার বাহাদুর প্রথা থেকে সরে এসে বিজ্ঞান ও ভূগোলের উপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়েছেন। সরকার দ্বিতীয়বারও সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন, তবে বেশ দেরিতে। এই বাহাদুরি ও কাণ্ডজ্ঞান সন্ধ্যায় দেখালে সব কিছু এমন লেজেগোবরে হতো না। লালমনিরহাটের অমুক বা ফলনার দোহাই সন্ধ্যায় দিয়ে ফেললে সরকারের মুখরক্ষা হতো এবং আমলাতন্ত্রের সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে জনমনে বেহুদা প্রশ্ন উঠতো না। এখন তো জনগণ নিশ্চিত ভাবছে: ‘চাঁদ দেখতে গিয়ে আমি তোমায় দেখে ফেলেছি! কোন জোছনায় বেশি দ্বিধা, এই দোটানায় পড়েছি!’

প্রশ্ন হতে পারে, এমন অদ্ভুত, অস্বাভাবিক আচরণ কেন করতে গেল সরকার? গাছ যখন অ-স্বাভাবিক হয়, তখন ফলও স্বাভাবিক হওয়ার কথা নয়। বাপকা বেটা, সিপাহিকা ঘোড়া। দুর্বল শাসনব্যবস্থার অন্যতম ব্যাধি একমুখাপেক্ষিতা। ধর্মপ্রাণ আওয়াম যখন ঈদের চাঁদের অপেক্ষায় আকাশের দিকে ঠায় তাকিয়েছিল, ধামাধরা খাস আমলাতন্ত্র তখন এমন কোনো ব্যক্তিবিশেষের (ধরা যাক, তিনি ছাড়া আর কেউই রাষ্ট্রের কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার লায়েক নন!) মুখের দিকে তাকিয়ে নির্দেশের অপেক্ষায় হাপিত্যেশ করছিল, যিনি সেদিন অনুপস্থিত ছিলেন কিংবা অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এমনটাই ঘটেছে বলে যদিও অনেকে বলছেন, তবুও বাংলাদেশের সরকার-পরিচালনা-ব্যবস্থা এতটা ‘একমুখাপেক্ষী’ হতে পারে না বলেই আমার মতো অনেকের বিশ্বাস। তবে কিনা বিশ্বাস মাত্রেই অন্ধ এবং মানব-সভ্যতার ইতিহাসে একটি বিশ্বাসও কখনও সত্য প্রমাণিত হয়নি – এই যা সমস্যা।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাশাস্ত্রে উপসর্গ দেখে রোগ নির্ণয় করা হয় এবং রোগের নয়, রোগীর চিকিৎসা করা হয়। আড়ংয়ের ঘটনা, অস্ত্র নিয়ে একাধিক যাত্রীর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করা, বিনা পাসপোর্টে পাইলটের বিদেশযাত্রা ইত্যাদি গভীরতর কোন আমলাতান্ত্রিক অ-সুখের উপসর্গ, ইশারা বা শানে নজুল হলেও হতে পারে। এছাড়া একটি কাঠামোর কোনো একটি জায়গায় দুর্বলতা ধরা পড়লে অন্য সব জায়গাও যে খুব একটা সবল নয়, সে সন্দেহ থেকেই যায়।

পুনশ্চ: [ঈদের বাজারে বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় গুজব-গুঞ্জন: আমলাদের উচ্চশিক্ষার জন্যে নাকি কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উচ্চপদস্থ খাস আমলা মহোদয়গণের নামের আগে (পিএইচ) ড. লাগাতে হবে যাতে লোকে তাদের নাম দেখেই ড-রায়। বর্তমান সরকারের কাছে এটি নাকি একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক খাস জাতীয় প্রয়োজন বলে বিবেচিত হচ্ছে। শিক্ষা ও গবেষণায় বরাদ্দের পরিমাণ না বাড়িয়ে যে দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উচ্চশিক্ষার জন্যে উচ্চ অংকের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়, গাড়ি-বাড়ি-ঋণ দিয়ে তাদের তেলা মাথায় প্রয়োজনাতিরিক্ত তৈলসিঞ্চন করা হয়, সে দেশে ঈদের তারিখ বিপর্যয় সর্বশেষ উচ্চপর্যায়ের বিপর্যয় হতেই পারে না। এই দিন দিন নয়, আরও দিন আছে। লাঙলের অগ্রভাগে নয়, গোবর মাঠে দিতে হবে, চাষা যদি আদৌ ফসলের আশা করে’ – এই আপ্তবাক্য রচনা করে অভাগা বাঙালি আওয়াম এবং ঈদবিপর্যয়ে পর্যুদস্ত খাস সরকারকে (হিন্দিতে) ‘চেতাবনি’ বা (বাংলায়) আগাম সতর্কবার্তা দিলাম।

শিশির ভট্টাচার্য্যঅধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

১১ Responses -- “ঈদ-এ-আওয়াম বনাম ঈদ-এ-খাস: বিজ্ঞান, ধর্ম ও রাজনীতির টানাপোড়েনের এযাফে”

  1. Enamul Hoque Bhuiyan

    বিভিন্ন জেলা প্রশাসকেরা প্রায় ৫০টির অধিক প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সম্মেলনে এসব উপস্থাপন করা হবে। আমি বিস্তারিত সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলাম পারিনি। আমার বিশ্বাস লিংকের সংবাদটি পড়েছেন।

    https://www.thedailycampus.com/national/23360/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0

    Reply
  2. পারভেজ

    আমি সবসময়ই মূল খবরের চেয়ে সম্পাদকীয় বা মতামত পড়তে বেশী ভালবাসি। আমার এই দীর্ঘ পাঠক জীবনে আমি আজকের এই লেখাটির মতো লেখা খুব কমই পড়েছি। আমি সবসময়ই বিশ্বাস করেছি সঠিক শব্দ চয়নের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ উচ্চমার্গীয় শিল্পের পর্যায়ে পড়ে। আজকের এই লেখাটি পড়ে সেই কথাটিই বার বার মনে পড়ছে। এখন যাদের বোধগম্যের জন্য লেখা তাদের কতটুকু বোধোদয় হয় তাই দেখবার বিষয়।

    Reply
    • শিশির ভট্টাচার্য্য

      প্রিয় পাঠক, আপনার দেয়া এই সনদটি আমি মাথায় তুলো নিলাম। আপনি সুস্থ শরীরে দীঘজীবী হোন।

      Reply
  3. Sam Alam

    বরাবরের মত সুন্দর এবং ব্যঙ্গরসে ভরা লেখাটি খুব ভাল লাগলো। আমলাদের ডক্টর ডিগ্রি নেয়ার ফন্দির খবর জেনে খুব হতাশ লাগলো। আর কতটা সুবিধা নিলে তাদেরকে আমলা না বলে সুবিধাবাদী বলে সম্বোধন করা হবে তাই ভাবছি। শামসুল আলম মুকুল

    Reply
  4. Enamul Hoque Bhuiyan

    এক কথায় চমৎকার। ভাষার মারপ্যাঁচে অনেক অপ্রিয় কথা বলছেন। কিন্তু কে শুনে কার কথা। শুনলাম বিভিন্ন জেলায় ডিসিরা একটা সমান্তরাল শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরবর্তী সাক্ষাতে তা উপস্থাপন করা হবে। এ বিষয়ে আপনার একটা লেখা আশা করছি।

    Reply
    • শিশির ভট্টাচার্য্য

      এই শিক্ষানীতির একটি অনুলিপি পেতে চাই। ধন্যবাদ।

      Reply
  5. Qudrate Khoda

    চমৎকার, চিন্তাশীল রচনা, ধন্যবাদ। তবে এসব মনে হয় উলুবনে মুক্ত ছড়ানো।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—