বন্যায়, শীতে ছাত্র সমাজ সেবার ব্রত নিয়ে মাঠে নামার ঐতিহ্য নতুন নয়। এবার যোগ হয়েছে ধান কাটায় অংশগ্রহণ। ধান ৫০০ টাকা মণে বিকাচ্ছে। ধান বেঁচে কৃষক তার উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না। তার উপর ক্ষেতমজুরের জোগান কম থাকায় দিনের মজুরি হু হু করে বেড়ে ৮০০/১০০০ টাকাও হয়েছে বলে অন্তত সোশ্যাল মিডিয়া সরব।

এমন প্রেক্ষিতে এক কৃষক তার পাকা ধানে অদৃশ্য মই দেওয়া সহ্য করতে না পেরে নিজেই আগুন দিয়েছেন, খবরও হয়েছে। আমি এমন দৃশ্য আগে দেখিনি। দুধের দাম পড়ে যাওয়ায় রাস্তায় দুধ ফেলে প্রতিবাদ দেখেছি। ভাঙা রাস্তায় ধানের চারা বুনে বিক্ষোভ করতেও দেখেছি। কিন্তু ক্ষেতের সোনালী ধানে আগুন কখনো দেখিনি। বোধ করি সে কারণেই আমার মতো দেশের হাজার মানুষের মনে এই দৃশ্য ভীষণ নাড়া দিয়েছে। আর তারই ফলে ময়মনসিংহে একদল স্কাউট বিনা পারিশ্রমিকে এক অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে। এটাও খবর হয়েছে। সাড়া পড়েছে বোঝা যাচ্ছে-এরপর থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে ছাত্ররা ধান কাটতে নেমে পড়েছে। বামপন্থি ছাত্র সংগঠনের কর্মীরাও রাজনীতির মাঠ থেকে নেমে ক্ষেতে গিয়ে ধান কাটছে।

শুধু তাই নয়, ফেইসবুকে চেনা-অচেনা অনেকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তরুণদের এই ধান কাটাকে উৎসাহ দিচ্ছে। এটাকে এক রকম বিপ্লবী কাজ হিসেবেই দেখছেন তারা। এই ধান কাটায় হাজারে হাজারে তরুণরা ঝাঁপিয়ে পড়লে কৃষকের উৎপাদন খরচ কিছুটা লাঘব হয় বটে, তবে মারা পড়ে তারও তলে পড়ে পড়ে মার খাওয়া ক্ষেতমজুররা।

গ্রামে সারা বছর ক্ষেতমজুরদের কাজ থাকে না। ধান কাটা, লাগানো- এমন মৌসুমগুলো ছাড়া অন্য সময় বাঁচার তাগিদে বউ ছেলেপুলে ফেলে শহরে এসে মজুরগিরি করতে হয়। ফলে ধান রোপা-কাটা-মাড়াইয়ের কাজের মৌসুম যে তাদের কাছে বাড়তি কামিয়ে নেবার সময় সেটা বুঝতে অসুবিধা হয় না। ভাববার কোন কারণ নাই গাঁয়ের এইসব মজুর ক্ষেতে কাজ না থাকলে শহরে এসে রিকশা চালিয়ে বা দিন মজুরি করে সারা বছর উপার্জনের ছন্দ ধরে রাখতে পারেন। তাদের সারা বছর কাজের কোন ব্যবস্থাই নাই।

আপনার শহরে দিনমজুরের যে হাট বসে সেখানে গেলেই বুঝবেন প্রতিদিন সবার কাজ জোটে না। ঝাকা, কোদাল নিয়ে তারা বসে থাকে খদ্দেরের আশায়। কারো কারো কাজ জোটে। বেলা যতই গড়াতে থাকে ততই বাকীরা বুঝতে পারে আজ ‘ছুটি’-‘নো ওয়ার্ক নো পে’ ভিত্তিতে অবশ্য। মাসের ত্রিশ দিন তাদের কাজ জোটে না সেটা তারা ঢের জানে। কিন্তু তাই বলে এসব ‘ছুটির’ দিনে চলার মতো সঞ্চয় সবার থাকে না। আমার নিজেরই এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে- বিকেলে এমন দিনমজুর কাচুমাচু করে বলছে কোন কাজ আছে কিনা। ওরা ভিখিরি নয় যে ভাত চাইবে- তারা কাজ চায়- বুঝতে অসুবিধা হয় কি শুধু কাজ নয়, সেদিন তার ভাত-ও নাই?

ফলে শহুরে তরুণদের রোমান্টিক ধান কাটার অভিযানে প্রথম যে আঘাতটা আসে তা গ্রামীণ ক্ষেতমজুরের উপর। দেশে শ্রমিক মজুররা যে ন্যায্য মজুরি পান না তা আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীকে লোভ দেখানো হয়-‘সস্তা শ্রমের দেশ’ বলেই। সেখানে হাজার হাজার তরুণ বিনামূল্যে ধান রোপা আর কাটায় মেতে উঠলে মুক্তবাজারের চাহিদা-জোগানের লীলা খেলায় ক্ষেতমজুরের মৌসুমী বাড়তি মজুরির সুযোগটিই প্রথম হাত ছাড়া হয়ে যায়। এক চিলতে ঈদের চাঁদের মতো দু-একদিন বিনাশ্রমে চলার মতো অতি সামান্য সঞ্চয়টাও তারা এতে হারাবে। ওদের চেয়ে কিছুটা স্বচ্ছল জমি-জিরতের মালিক কৃষকের তাতে অবশ্য স্বস্তি ষোলো আনা।

কৃষক যে লাট সাহেব তা-ও কিন্তু নয়। আমরা জানি, কৃষকও মুক্তবাজারি লুটপাটের সিস্টেমের ফেরে পড়ে আছে। তারা ফসল ফলাতে খরচের টাকাটাই তুলে আনতে পারছেন না। আবার জমি ফেলে রেখে অন্য কাজে মন দেবার মতো ফুসরত সব কৃষকের নাই।  কাজেই জেনে শুনে বিষ পানের মতোই ফি বছর ফসল বোনায় নামতে হয়ই। তাহলে তাকেও তো উদ্ধার করা কর্তব্য। কিন্তু কী উপায়ে সেটাই জরুরি প্রশ্ন।

ধান যখন পাকে তখন সরকারি ভাবে ধান কেনা হয় না এটা কোন নতুন কথা নয়। অনেক আগে থেকেই এই কৌশল চালু। এ নিয়ে কৃষক সংগঠনগুলো সোচ্চার ছিল। এখন নেতাদের সাথে সাথে সংগঠনগুলোও বুড়ো হয়ে থুত্থুড়ে হয়ে গেছে। নতুন রক্ত সঞ্চারিত হয়নি কৃষক আন্দোলনে। যদিও একবিংশ শতাব্দিতেও কৃষকরা সারের দাবিতে, বিদ্যুতের দাবিতে, সংবাদপত্র কাঁপানো আন্দোলন করেছে। পুলিশের গুলিতে জীবনও দিয়েছে। কিন্তু এর বেশ আগেই কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠনগুলো চর পড়া নদীর মতো শুকিয়ে গেছে। কেন? বাস্তাব জীবন ও জীবিকায় এত এত সংকট থাকার পরও কৃষক আর ক্ষেতমজুরদের সংগঠিত হতে অনীহা কেন?

ধানের উৎপাদন খরচ কৃষক তুলতে না পারার প্রশ্নের মুখে একবার আগের অর্থমন্ত্রী মুহিত জানিয়েছিলেন, সরকারের লক্ষ্য ফসলের ‘বৈচিত্র্যকরণ’- মানে শুধু ধান নয়, পুষ্টির মান বাড়াতে অন্যান্য ফসলের দিকে কৃষক যেন মনযোগী হন সেটাই তাদের কাম্য। ফলে বুঝতে অসুবিধা হয় না ধান উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ায় লক্ষ্য আরও এক ধাপ সামনে এগিয়ে গেছে। ফলে ধানের বাজার মূল্য খুব স্পর্শকাতর বিষয় সরকারের কাছে থাকে না।

ধানের মণ ৫০০ টাকা আর মজুর সংকট নিয়ে প্রশ্নের প্রেক্ষিতে কৃষিকর্মকর্তাদের চাষাবাদ যান্ত্রিকীকরণের পরামর্শ দিতে দেখা গেছে। যান্ত্রিকীকরণের উৎসাহ দিতে সরকারি প্রণোদনার কথাও জানতে পাচ্ছি। কৃষক যখন ফসল বিক্রির উদ্দেশ্যে চাষ করে তখন কৃষিতে ধনতন্ত্রায়ন নিয়ে আলাদা প্রসঙ্গ ওঠে না। ধনতন্ত্রায়ন কৃষিতে প্রযুক্তির বিকাশ তাড়িত করবে। এত দূর ঠিক আছে। এখন দেখবার বিষয় যারা ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করছেন তাদের ধান উৎপাদনে খরচ কত পড়ছে? ৫০০ টাকা মণে হলেও কি তারা টিকতে পারছেন? কোন খবরেই এই হিসেবটা আসেনি। এতটুকুন বলা যায়, এ পরিস্থিতিতে বিনামূল্যে কৃষককে ধান কেটে দেওয়ার প্রভাব শুধু উৎপাদন খরচ তোলায় হেরে যাওয়া কৃষককে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি মজুরের মজুরির দর কষাকষির ক্ষমতা হারানোয় এবং কৃষিতে প্রযুক্তির বিকাশ বিলম্বিত করায় প্রভাব ফেলে। কিন্তু ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় আসল খলনায়কটি।

মজুরের থোতা মুখ আরও ভোতা হয়ে পড়লেও কৃষক ও ভোক্তার মাঝের স্তরের কেশটিও ছোঁয় না এই ধান কাটা আন্দোলন। যে লাভটা এতে হয় সে কথায় পরে আসছি। যে দেশে দক্ষ-অদক্ষ সব স্তরেই এত বিপুল বেকার মানুষের ভিড়, সেদেশে ধান কাটায় মজুরের অভাব দাবিতে মন সায় দেয় না। বাস্তব যে অভাবটা আমরা দেখি সেটা হচ্ছে- কত মজুরিতে লোক খাটানোর কথা ভাবা হচ্ছে সেটা। ধান কাটার মৌসুমে অন্য সময়ের সাধারণ মজুরিতে লোক মজুর না পাওয়া অতি সত্য। শহরে দিনমজুরির হারের চাইতে গ্রামের হার বেশি হলে খুব স্বাভাবিকভাবেই শহুরে মজুররা গ্রামে ভিড় করবেই। কিন্তু কথা হচ্ছে এতে কৃষকের পোষাচ্ছে না। তার দায় কার?

সামান্য পেছন ফিরলেই দেখা যাবে, গত জানুয়ারিতে ধান চালের দাম বাড়া নিয়ে উদ্বেগের খবর হয়েছিল। যদিও চাতাল মালিকরা একে ইতিবাচক বলেন। সে সময় মন্ত্রীরা দাম বাড়ার কথা অস্বীকার করেছিলেন। আর সংবাদপত্রে খবর যে দাম বৃদ্ধি সামলাতে মন্ত্রীরা বৈঠক করেছিলেন। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে পাশা উল্টে গেছে। ধানের দাম কম। শুরু হয়েছে উল্টো উদ্বেগ। এই উদ্বেগে নজিরবিহীনভাবে শহুরে শিক্ষিত তরুণরা গ্রামে গিয়ে হাতে তুলে নিয়েছে কাস্তে। চালের দাম বাড়লে যে শহুরে ভোক্তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন তারাই আবার ধানের দাম পড়ে যাওয়ায় ইতিহাস গড়ছেন।

তাহলে বোঝা যাচ্ছে মূল সংকট বর্ধিত চালের দামে। সচরাচর বলা হয় ধানের দাম বাড়লে চালের দাম বাড়বে। শুনতে খুব স্বাভাবিক লাগে। একবার দেখা দরকার, কত ধানে কত চাল হয়।

কারো কারো হিসেবে এক মণ ধান থেকে ২৮ কেজি চাল পাওয়া যায়। ৫০০ টাকা মণ ধানের থেকে সরল হিসেবে চালে দাম পড়ে- ১৭ টাকা ৮৫ পয়সা, এর সাথে ভাঙানোর খরচ আড়াই টাকা যোগ করলে দাঁড়ায় ২০ টাকা ৩৫ পয়সা। সুযোগ আছে এর থেকে নয় কেজি তুষের দাম বাদ দেওয়ার। তাহলে কেজি প্রতি চাল উৎপাদনের খরচ কত হবে আন্দাজ করা যায়। কিন্তু বাজারে কত করে চাল বিক্রি হচ্ছে? খুব কম করে ধরলেও ৩৫ টাকা কেজি। দুই আড়াই মাস রোদে পুড়ে, জল-কাদা মাড়িয়ে, বীজ-সার-কীটনাশক খরচা করে ধান ফলিয়ে যে টাকা মেলে, তার প্রায় সমান পরিমান টাকা মেলে ধান ছেটে চাল করে বেঁচলে। যেখানে আমরা জানি ধান ভাঙানোর খরচ কেজিতে আড়াই টাকার মতো! প্রশ্ন জাগেই পণ্ডিত কৃষি কর্মকর্তারা চাষিকে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দেন অথচ বণ্টন ব্যবস্থা নিয়ে বোবা হয়ে থাকেন কেন? এই মধ্যস্বত্বরা কি রাষ্ট্রের চাইতে শক্তিশালী, যাকে ছুঁতে এত দ্বিধা?

শহুরে তরুণদের এই ধান কাটা আন্দোলনে যাদের নাগালেই পাচ্ছে না। ফলে বহাল তবিয়তে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে প্রচলিত ধান-চাল বণ্টন প্রণালী চলতেই থাকবে। আমরা দেখি পোশাকশিল্পে সরকার কারখানা মালিকদের রপ্তানীর বিপরীতে আর্থিক প্রণোদনা দেয়। এর পুরোটাই যে গার্মেন্ট মালিকরাই হজম করেন তা কিন্তু নয়। বিদেশি ক্রেতা কম দামে পোশাক কেনার সুযোগ পান এতে। তেমনই মজুর খরচ শূন্যর কোঠায় নামিয়ে আনলেও কৃষকের অবস্থার হেরফের হবে না। কারণ ধানের দাম চলতি বাজার প্রক্রিয়ায় কমতেই থাকবে। উৎপাদন খরচ না ওঠার হাহাকার শোনা বন্ধ হবে না।

মানবিক কারণে শহুরে যে তরুণ বিনা পারিশ্রমিকে কৃষকের ধান কাটতে যাচ্ছে, আবার কম দামে চাল পাওয়ায় তার স্বার্থ জড়িত। ফলে তাকে কৃষক ঠকানোর চিরস্থায়ী ব্যবস্থা ভাঙার কাজে হাত দিতেই হবে। কিন্তু বেশি টাকা চায় বলে বেটা মজুরের প্রতি গোস্সা করে বসে থাকা কৃষকের মুখ উল্টো দিকে ঘোরানোটাই আসল কাজ। ক্ষেতমজুর নয় তার আসল সংকট বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রকরা- যারা কম দামে ধান কিনে চড়া দামে চাল বিক্রি করে দুভাবেই পেষণ করছে সবাইকে। কাজটা প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যাবে বলে অনুমান করা কঠিন।

তবে শহুরে তরুণ মেধা নতুন করে গ্রামের কৃষকদের সাথে সরাসরি মেলবন্ধনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই তরুণরা কৃষকদের মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আস্থা যোগাতে পারলে তবেই সুফল আশা করা যায়। নয় এত এত শ্রম পুরোটাই কেঁদেকেটে আঁচল ভেজানো হয়েই থাকবে।

সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার যে দাবি এরই মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে আছে তাকেই এগিয়ে নিতে হবে-সরকার যেন বাধ্য হয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে। প্রধানমন্ত্রী তো বলেনই আন্দোলনে বিজয়ী হলে মেনে নেন! বণ্টন ব্যবস্থার পরিবর্তনে এবার সেই আন্দোলনের পালা। ধান ও চালের দামের ব্যবধান ইঙ্গিত দেয় বণ্টন প্রচলিত ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে উপযুক্ত পন্থা কার্যকর করতে পারলে বাড়তি মজুরি দিয়েও কৃষক ও ভোক্তার লাভবান হওয়ার সম্ভাবনার পথ খোলা আছে। ভোক্তা-কৃষক আর ক্ষেতমজুর এক হলে তা অর্জন অসম্ভব নয়। এই ভোক্তাদের প্রতিনিধি তরুণরা কি পারবে? আশায় বুক বাঁধায় দোষ কি?

মুজতবা হাকিম প্লেটোসাংবাদিক

One Response -- “গ্রামে চলো ধান কাটি, কার লাভ কার ক্ষতি”

  1. সৈয়দ আলি

    আন্দোলন করতে গেলেতো পরের কথা, সামান্য মানববন্ধন মনোঃপূত না হলেও সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় যেভাবে রাষ্ট্রীয় গুন্ডাবাহিনী নামিয়ে দেয় সেখানে শহীদ হতে কে আর এগোবে? অথচ তরুন-কিশোরদের সামান্য দাবী পুরনের জন্য দেশব্যাপী আন্দোলনের সামান্য আভাস পেয়ে সরকারের কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গিয়েছিলো।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—