প্রবাহমান ভারতের সমন্বয়ী চেতনার মূর্ত প্রতীক মহাত্মা গান্ধীকে হিন্দু সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী শক্তি নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে প্রধানত, তার হিন্দু – মুসলমান সম্প্রীতি এবং সংখ্যালঘুর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তীব্র সাওয়ালের প্রেক্ষিতে।

আমাদের জাতীয় আন্দোলনে বিশ শতকের প্রবাহে গান্ধীজী ছিলেন প্রধান ঋত্ত্বিক। ঔপনিবেশিকতার শৃঙ্খল মোচনে সূচনাতেই তার কাছে প্রথম থেকে উপপাদ্য বিষয় ছিল হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতি। জাতীয় আন্দোলনে তার মতাদর্শের বিপরীতমুখী সশস্ত্র বিপ্লবী ধারার সঙ্গে হিন্দু- মুসলমানের সম্প্রীতি ও সন্মিলিত ধারার সংযুক্ত স্রোতে, প্রবাহে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের হাত থেকে ভারতবর্ষকে মুক্ত করে আনার প্রশ্নে তার কোনও মৌলিক বিরোধ ছিল না। পথ ও মতের প্রশ্নে কোনো কোনো সময়ে রবীন্দ্রনাথ বা সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে মহাত্মার বিরোধ ঘটলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে তারা চিরদিন অভিন্ন অবস্থানে থেকেছেন।

প্রবাহমান ভারতের সমন্বয়ী চেতনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রশ্নে মহাত্মা এবং তার মতাদর্শের সঙ্গে একমাত্র সংঘাত ছিল রাজনৈতিক হিন্দু সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী শক্তি আরএসএস বা তাদের তৎকালীন রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভা, যার বিবর্তিত রূপ হলো আজকের বিজেপি।

গান্ধীজীর বিশ্বাস ছিল, হিন্দু-মুসলমানের মিলনে। আরএসএস-হিন্দু মহাসভা বা তাদের সঙ্গীসাথীরা বিশ্বাস করতো হিন্দু-মুসলমানের সংঘাতে। গান্ধীজী চিরজীবন চেয়েছিলেন, হিন্দু- মুসলমান সর্বত্র একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকুক, রুটি-রুজির লড়াই করুক।

পাশাপাশি থেকে যে যার নিজের ধর্ম মর্যাদার সাথে পালন করুক- এটাই ছিল মহাত্মার স্বপ্ন। অপরপক্ষে আরএসএস-হিন্দু মহাসভার আকাঙ্ক্ষা ছিল রাজনৈতিক হিন্দুদের জন্যে পৃথক রাষ্ট্র।

গান্ধীজীর মতো আপামর হিন্দুদের কথা আরএসএস বা তাদের রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভা কিংবা সেই রাজনৈতিক সংগঠনের বিবর্তিত রূপ ভারতীয় জনসঙ্ঘ কিংবা আজকের বিবর্তিত সংস্করণ বিজেপি কোনওদিন চায়নি। হিন্দু সাম্প্রদায়িকরা চিরদিন চেয়েছে আর্যরক্তের গরীমায় গরীয়ান হয়ে, হিটলার, মুসোলিনীর জাতিতত্ত্বের নাগপুরীয় প্রয়োগ। তাই গান্ধীজীর জীবন, কর্ম এবং দর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরু ভাবনা হিসেবে আরএসএস এর সরসঙ্ঘচালক এম এস গোলওয়ালকর অবতারণা করেছিলেন, ‘সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদে’ র তথাকথিত তত্ত্বের। পরবর্তীতে সেই উগ্র মুসলিম বিদ্বেষী তত্ত্বকে আরও ভয়ঙ্কর অভিঘাতে পরিচালিত করেছিলেন দীনদয়াল উপাধ্যায় তার তথাকথিত তত্ত্ব, ‘একাত্ম মানবতাবাদ’ এর ভিতর দিয়ে।

জাতীয় আন্দোলন যখন উচ্চ শিখরে উপনীত হয়েছে, তখন সেই আন্দোলনকে সাম্প্রদায়িক অভিঘাতে প্রবাহিত করে মহাত্মার স্বপ্নকে বানচাল করতে চেষ্টার ত্রুটি করেনি হিন্দুত্ববাদী শক্তি। এভাবেই আমাদের জাতীয় আন্দোলনে বিশ শতকের বিশের দশকের মধ্যভাগ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তির শ্রেণীস্বার্থ রক্ষার তাগিদে নানা অপকর্ম করে গেছে এই আরএসএস, তাদের রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভা এবং ওদের সহযোগী হরেক রকমের সংগঠন, যাদের আমরা এককথায় ‘সঙ্ঘ পরিবার ‘ বলে অভিহিত করে থাকি।

মহাত্মার আত্মবলিদানের পর তাকে হত্যা করার দায়ে আরএসএস-কে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর চাপে। জাতীয় আন্দোলনের কালে কংগ্রেসের ভিতর দক্ষিণপন্থী , সাম্প্রদায়িক শিবিরের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে সর্দার প্যাটেলের আরএসএস এবং তাদের রাজনৈতিক সংগঠন হিন্দু মহাসভার প্রতি একটা বিশেষ নরম মানসিকতা ছিল। সেই মানসিকতার প্রকাশ তিনি গান্ধী হত্যার দায়ে আরএসএস-কে নিষিদ্ধ করবার প্রশ্নে দেখালেও পণ্ডিত নেহরুর কঠোর মনোভাবের জন্যে প্যাটেল শেষ পর্যন্ত নিজের অবস্থানকে ধরে রাখতে পারেন নি।

দেশবিরোধী কার্যকলাপের জন্যে  আরএসএস প্রথম নিষিদ্ধ হয় ১৯৪৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। এই নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত ঘোষণাপত্রে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়- “দেশের ভিতরে ঘৃণা এবং হিংসা বৃদ্ধিতে যেসব শক্তি সবথেকে বেশি সক্রিয়, যারা দেশের সদ্য প্রাপ্ত স্বাধীনতাকে ইতিমধ্যে বিপন্ন করে তুলেছে, দেশের সুনামকে কলঙ্কিত করেছে, তাদের নির্মূল করবার সিদ্ধান্তে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ভারত সরকার। এ বিষয়ে ১৯৪৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নীতি মোতাবেকই ভারত সরকার আরএসএস-কে নিষিদ্ধ করবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।“ (এটি আরএসএস-এর নিজস্ব প্রকাশন, ‘জাস্টিস অন ট্রায়াল’ গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত করা হলো। বাঙ্গালোর থেকে এই বইটি ১৯৬২ সালে আরএসএস কর্তৃক প্রকাশ হয়েছিল। {পৃষ্ঠা- ৬৪})

সংশ্লিষ্ট বিবৃতিটিতেই কেন আরএসএস-কে নিষিদ্ধ করা হলো সে সম্পর্কে ভারত সরকারের অভিমত হিসেবে বলা হয়েছে- “আরএসএস- এর সদস্যরা বিপজ্জনক এবং অবাঞ্ছিত কাজকর্ম জোরদারভাবে করে চলেছে। গভীর উদ্বেগের সঙ্গেই এটা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হত্যা, ডাকাতি এবং অবৈধ অস্ত্রাদি সংগ্রহের মতো প্রবল হিংসামূলক কাছের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকছে আরএসএসের সদস্যরা। তারা প্রত্যক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদী পথ অবলম্বন করে চলছে। আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করছে জোরকদমে। সরকারের প্রতি কোনোরকম আনুগত্য প্রকাশ করছে না। পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অসত্য সাক্ষ্য দেওয়ার জন্যে দেশের নাগরিকদের জোরদারভাবে প্ররোচিত করে চলেছে। এই ধরনের নানা রকম প্ররোচনামূলক লিফলেট আর এস এস প্রকাশ করছে এবং প্রচার করছে (ঐ -৬৫-৬৬) ।“

জাতীয় আন্দোলনের সময়কালে বা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সর্দার প্যাটেলের আরএসএস এর প্রতি দুর্বলতার কথা এখন প্রায় সব মানুষই জানেন। সেই দুর্বলতার স্বীকৃতি নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে গুজরাটে সর্দার প্যাটেলের গগণচুম্বী মূর্তি প্রতিষ্ঠার ভিতর দিয়ে আরও প্রকাশ্যে এনেছেন। অথচ এই প্যাটেল পর্যন্ত গান্ধী হত্যার পর গোলয়ালকরকে বাধ্য হয়েছিলেন এ কথা লিখতে যে- “হিন্দুদের সাহায্য করা, হিন্দুদের সংগঠিত করা এক জিনিস আর হিন্দুদের দুঃখ দুর্দশার বদলা নেওয়ার নাম করে অসহায়, নিরীহ নারী-পুরুষ-শিশুদেরকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি সম্পুর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। আরএসএস এর এই কংগ্রেস বিরোধিতা এতোই বিদ্বেষমূলক যে সেখানে বিচার-বিশ্লেষণ, ব্যক্তিত্ব, শালীনতা, শিষ্টাচার- এসব কোনও কিছুরই পরোয়া করা হচ্ছে না।“

“এই ধরনের আচরণ সাধারণ মানুষকে যথেষ্ট বিরক্ত করে তুলছে। আরএসএস নেতৃত্বের সমস্ত বক্তৃতাই সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে পরিপূর্ণ। হিন্দুদের উদ্দীপ্ত করার জন্যে কী বিষ ছড়াবার প্রয়োজন আছে? হিন্দুদের নিরাপত্তার কথা বলতে গিয়ে কী বিষ উগড়ে দেওয়ার কোনও যুক্তি আছে? এই বিষয়ের চূড়ান্ত ফল হিসেবেই গান্ধীজীর জীবন হারাতে হয়েছে। সরকার বা সাধারণ মানুষের আরএসএস এর জন্য আর বিন্দুমাত্র সহানুভূতি অবশিষ্ট নেই। সাধারণ মানুষের ভিতরে সঙ্ঘ সম্পর্কে বিরুদ্ধ মনোভাবই ক্রমশ বাড়ছে।“

“গান্ধীজীর মৃত্যুর পর আরএসএস এর লোকেরা আনন্দ প্রকাশ করেছে। তারা এমনকি মিষ্টি পর্যন্ত বিতরণ করেছে। এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মন সঙ্ঘের প্রতি বিদ্বেষে ভরে উঠেছে। তাই এ পরিস্থিতিতে সরকারের সঙ্ঘের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি অপরিহার্য হয়ে উঠেছিল। এর পরেও ছয়মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, এই সময়কালের ভিতরে সবদিক বিবেচনা করে আরএসএস তার লোকেদের সঠিক পথে ফিরে আসার নির্দেশ দেবে। কিন্তু আমার কাছে সুনির্দিষ্ট খবর আছে এই যে, নিজেদের পুরনো কর্মপদ্ধতিতে নতুন করে গতিসঞ্চারের দিকে তীব্র ভাবে নজর দিয়ে আরএসএস কাজ করে চলেছে (ঐ পৃষ্ঠা- ২৬-২৮) ।“

যে বিজেপি আজ ভারতের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রয়েছে, তার পূর্বসূরি হিন্দু মহাসভা এবং তাদের মূল চালিকা শক্তি আরএসএস ভারতের জাতিরজনক মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করে প্রবাহমান ভারতের সমন্বয়ী ধারাকে গলাটিপে মারতে চায়। ভারতকে মুসলমানসহ যাবতীয় সংখ্যালঘু শূন্য করে রাজনৈতিক হিন্দুদের তথাকথিত আবাসভূমি ‘হিন্দুরাষ্ট্র’ করতে বদ্ধপরিকর সংগঠনটি। আর এসব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে আরএসএস-এর ঘরের লোক সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের ১৯৪৮ সালের ১৮ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে লেখা একটি চিঠির ভিতর দিয়ে।

সর্দার প্যাটেল লিখছেন- “আরএসএস এবং হিন্দু মহাসভা সম্পর্কে এটাই বলতে হয় যে, গান্ধীজীর হত্যা বিষয়ক মামলাটি এখন আদালতে বিচারাধীন। তাই আমি এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার বিষয়ে আরএসএস ও হিন্দু মহাসভার ভূমিকা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে আমার কাছে যেসব সরকারী প্রতিবেদন আছে, তার প্রেক্ষিতে এই কথা বলাই যায় যে, আরএসএস এর কার্যকলাপের দরুণ গোটা দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে যে, তার ফল হিসেবেই অমন একটি বিয়োগান্তক নাটক ঘটে যাওয়া সম্ভবপর হয়েছে। হিন্দু মহাসভার চরমপন্থী অংশটি গান্ধীজী হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল। তাদের এই গান্ধীজী হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকা নিয়ে আমার মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। আরএসএস এর যাবতীয় কাজকর্ম ভারত সরকার এবং ভারত রাষ্ট্রের অস্তিত্বের বিষয়েই একটা সঙ্কটজনক পরিস্থিতি তৈরি করে দিচ্ছিল। আমাদের সরকারের বিভিন্ন রিপোর্ট থেকেই জানা যাচ্ছে যে, আরএসএস-কে নিষিদ্ধ করা হলেও ওইসব কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যায়নি। প্রকৃত ঘটনা হলো- “এই সময়কালে আরএসএস এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ দলগুলি এখন আরও ভয়ঙ্কর মাত্রায় বিরোধিতায় লিপ্ত হয়েছে। আরএসএস তাদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ক্রমশ বাড়িয়েই চলেছে। (সিলেকটেড করসপনডেন্স- সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল- ১৯৪৫-১৯৫০, দ্বিতীয় খণ্ড। নবজীবন পাবলিশিং হাউস। আহমেদাবাদ। ১৯৭৭। পৃষ্ঠা- ২৭৬-২৭৭)।

এই আরএসএস-ই এখন ভারত সরকারের প্রধান চালিকা শক্তি। এই আর এসএস এর রাজনৈতিক সংগঠন, অতীতের হিন্দু মহাসভার বিবর্তিত সংস্করণ ভারতীয় জনতা পার্টি এখন দেশ শাসন করছে। তাদেরই নেতা তথা প্রাক্তন সঙ্ঘ প্রচারক নরেন্দ্র মোদি এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

 

One Response -- “গান্ধী হত্যা, সঙ্ঘ এবং হিন্দু মহাসভা”

  1. Bongo Raj

    জাতিগত উত্তমতা ভাবনা যখনি কোথাও চাঁড়া দিয়ে উঠেছে তার পরিণতি যুগ বদলালেও ধরনটা বদলায়নি। Assailant and Victim দুই পক্ষের পরিণতি টা দু-ধরনের হলেও প্রত্যেক বারই একই হয়েছে । অর্থাৎ Assailant প্রতিবারই ঘৃণিত হিসাবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে , Victim পেয়েছে সহানুভুতি —
    তবে ব্যাতিক্রম হলো Assailant যদি না হারে সেই ক্ষেত্রে ঘৃণিত হিসাবে আখ্যাহিত হবার জন্য কিছু দিন অপেক্ষা করতে হয়— কারন ইতিহাস কখনো কাউকে ছাড় দেয়না!!
    মজার ব্যাপার হলো, মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়না তাই পুনরাবৃত্তিও হয় বারবার।
    Victim যদি কোনভাবে শক্তিশালী হয়ে যায় সেও আবার Assailant হতে সময় নেয়না– যেমন হিটলারের সময়কার Victim রা আজ বীরদর্পে স্টীমরোলার চালিয়ে যাচ্ছে প্যালস্টানিদের উপর —
    পরিনতি?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—