আমি প্রতি দুই সপ্তাহ পর পর পত্রপত্রিকায় লিখি, এই সপ্তাহের জন্যেও লিখতে বসেছিলাম। সবেমাত্র একটা ইলেকশান শেষ হয়েছে, মোটামুটি সবাই জানতো আওয়ামী লীগের মহাজোট জিতে আসবে কিন্তু ফলাফল দেখে আমরা সবাই কম বেশি চমকে উঠেছি।

সত্যি সত্যি দেশের সব মানুষ আওয়ামী লীগের পক্ষে চলে গিয়েছে নাকী এর মাঝে অতি উৎসাহী মানুষের অবদান আছে বোঝার চেষ্টা করীছলাম। একটা জিনিস স্পষ্ট এই দেশে এখন মানুষ মন খুলে কথা বলতে ভয় পায়, পত্রপত্রিকাও যথেষ্ঠ সতর্ক। সবকিছু মিলিয়ে আমি আমার নিজের মতো করে কিছু একটা লিখে প্রায় শেষ করে এনেছি তখন হঠাৎ করে সংবাদপত্রে একটা সংবাদে চোখ আটকে গেল।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকাতে চার সন্তানের জননীকে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্যে গণধর্ষণ করা হয়েছে। (আজকাল প্রায়ই গণধর্ষণ শব্দটি চোখে পড়ে কিন্তু এখনো আমি এটাতে অভ্যস্ত হতে পারিনি। বাংলা ভাষায় এর চাইতে ভয়ংকর কোনো শব্দ আছে কীনা আমার জানা নেই।)

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি জামাত বিজয়ী হওয়ার পর আমরা অনেকবার এই ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখেছি, আমি ধরেই নিয়েছিলাম সেটি এখন অতীত। এখন এটি আর কখনো ঘটবে না। কিন্তু নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হওয়ার পর এটি ঘটেছে, এরকম শুধুমাত্র একটি ঘটনার খবরই এসেছে, কিন্তু একটি ঘটনাই কেন ঘটবে?

খুবই স্বাভাবিকভাবে সেই এলাকার আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ দাবি করছেন এর সাথে আওয়ামী লীগের কোনো যোগাযোগ নেই। ধর্ষিতা জননী কিন্তু তা বলছেন না, তিনি রুহুল আমীন নামে সুনির্দিষ্ট একজন মানুষের নাম উল্লেখ করে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তার নিরক্ষর স্বামী, স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সহ সবাইকে বেঁধে রেখে তাকে ধর্ষণ করার জন্যে দশ বারোজন মানুষ বাইরে নিয়ে গেছে। আমি কী অবলীলায় বাক্যটি লিখে ফেললাম কিন্তু কেউ কী কল্পনা করতে পারবে এই বাক্যটিতে যে কথাগুলো বলা হয়েছে সেটি কী ভয়ংকর?

রুহুল আমীন নামক যে মানুষটির নির্দেষে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধর্ষিতা জননী অভিযোগ করেছেন তাকে বাঁচিয়ে নয়জন মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ বলছে এই ঘটনাটির সাথে রাজনীতি বা নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই এটি বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা। আমরা কেন ধর্ষিতা জননীর কথা বিশ্বাস না করে পুলিশের কথা বিশ্বাস করব?

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের প্রত্যন্ত একটি গ্রামের একজন নিরক্ষর স্কুটার চালকের স্ত্রী নিশ্চয়ই গুরুত্বহীন একজন মানুষ। যার নির্দেশে প্রায় এক ডজন মানুষ এই গরুত্বহীন একজন জননীকে ধর্ষণ করে সে নিশ্চয়ই অনেক ক্ষমতাশালী। নির্বাচনে বিজয়ের পর সে নিশ্চয়ই নিজেকে আরা গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হিসেবে বিবেচনা করছে। কাজেই তুচ্ছ একজন মহিলাকে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্যে এরকম একটি শিক্ষা দেয়া নিশ্চয়ই খুবই মামুলি ব্যাপার, এটা নিয়ে পত্র পত্রিকায় লেখালেখি হওয়াটাই হয়তো বিস্ময়কর।

কিন্তু সদ্য বিজয়ী হওয়া আওয়ামী লীগের জন্যে এটি একটি গ্লানি, গ্লানিটি তুচ্ছ নয়। এই গ্লানি আকাশ ছোঁয়া, সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক দলটি সরকার গঠন করে সবার আগে এই গ্লানি থেকে তাদের মুক্তি পেতে হবে। ধর্ষিতা এই জননী, তার নিরক্ষর স্বামী, স্কুলে পড়ুয়া অসহায় কয়েকটি ছেলে মেয়ে যতক্ষণ আমাদের ক্ষমা না করবে ততক্ষণ আমরা কিছুতেই গ্লানিমুক্ত হতে পারব না।

আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই বিচলিত এবং বিষণ্ণ, আমি কিছু লিখতে পারছি না। পাঠকেরা আমাকে ক্ষমা করবেন।

মুহম্মদ জাফর ইকবাললেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪ Responses -- “এই গ্লানি কোথায় রাখি?”

  1. Cornell Macbeth

    সুবর্ণচরে ‘জঙ্গী মতবাদ’ ক্রিয়াশীল ছিল না; বরং ক্রিয়াশীল ছিল ‘মহান’ রাজনৈতিক আদর্শ। আর ‘রাজনীতির’ অভিধানে ‘গ্লানি’ বলে কোন শব্দ নাই।

    Reply
  2. হাবিবুর রহমান হাসু

    স্যার, আপনি বাংলার প্রতিটি মানুষের হাড়ের অস্থি মজ্জা থেকে বের হওয়া কথাগুলোই লিখেছেন। সে দিন শুধু আমার ঐ মা ধর্ষিত হননি, ধর্ষিত হয়েছে বাংলার গণতন্ত্র। কিছু অশিক্ষিত, নরপশুদের কারণে বাংলার মানুষ যেমন শান্তিতে নেই, শান্তিতে নেই এদেশের বড় বড় দলগুলোও।

    Reply
  3. Shihab

    ভোটের রাতে এমন ঘটনা আর আজকের পত্রিকায় (৬/১/১৯) লালমনিরহাটে ঘটনা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করাটা স্বাভাবিক। তারমানে যাদের নামের পাশে একটি নির্দিষ্ট দলের নাম আছে তারাই স্বেচ্ছাচারিতায় যা খুশি তাই করবে?
    স্যার এই ব্যাপারে আলোকপাত করেছেন দেখে অসম্ভব ভালো যেমন লেগেছে, তেমনভাবে লেখাটা পড়ে চোখটা জ্বালা করছে। গুমরে গুমরে কিছু একটা ভেতর থেকে ধাক্কা মারছে।
    দেশের অধঃপতন নিজে চোখে দেখছি।

    Reply
  4. মোঃ খাদিমুল ইসলাম

    মিডিয়াগুলো শুধু ধর্ষিতার পরিবারের ছবি প্রকাশ করে। যাতে অদৃশ্য শক্তির অভয় পাওয়া জানোয়ারগুলো বেঁচে যায়। কেন অপরাধী ও তাদের পরিবারের ছবি প্রকাশ করে না? পুলিশ এর মতো তারাও তো অপরাধী ও অপরাধ লুকিয়ে রাখে। এই ক্ষেত্রে কেন র‍্যাব-এর তথাকথিত বন্দুক যুদ্ধ দেখা যায় না? আমি তো পাক হানাদার আর এদের মধ্যে পার্থক্য খুজে পাই না। থাকলে জানাবেন।

    Reply
  5. সরকার জাবেদ ইকবাল

    স্যার,

    অন্যায়ের প্রতিবাদ করা একজন ঈমানদার মুসলমান তথা মুমিনের অবশ্য করণীয়। আপনি সেটাই করেছেন। আল্লাহ্‌ আপনার মঙ্গল করুন।

    Reply
  6. jisu71

    Thank u Sir for this important article. We respect you from the core of our hearts. Sir, I think you know well that now the policemen are the Awamileague-workers or Juboleage-workers or Chhatra league-workers. Torture, Casting votes at the night before the day of the election and not allowing the polling agents of other candidates and pre-planned giving a very few seats to Oikko Front and Giving more seats to Jatio-party…. everything is very surprising to the innocent people of this country for which 30 lakhs of people sacrificed their valuable lives. Sir Nature will take revenge on Awamileague very soon, won’t it? They are blind now. They will open their eyes when nature’s punishment will engulf them very soon. AS Nature has taken revenge on BNP for their misdeeds before.

    Reply
  7. জাকের আহম্মদ খোকন

    স্যার, এটাই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির আর বিপক্ষের শক্তির পার্থক্য। অনেককেই দেখি, ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর, ২১ আগস্ট, ২০০১ সালের নির্বাচনের পরের সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে একটি শব্দও ব্যয় না করে শুধু শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে সংঘটিত ঘটনাবলীর কথাই একচেটিয়া বলতে থাকে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির একজন শ্রদ্ধাভাজন অগ্রপথিক হয়েও আপনি আওয়ামীলীগকে সতর্ক করে যেভাবে কলামটি লিখেছেন, আমি শতভাগ চ্যালেঞ্জ দিতে পারি, বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাষণের আমলে সেই সরকারের দিকে আংগুল তুলে এরকম একটি কলাম বিএনপি-জামায়াতপন্থী সুশীল বুদ্ধিজীবীরা লিখেছেন, সেটির প্রমাণ দিতে পারবেন না। এখন যাদের কলমের ডগা ফেটে রক্ত বেরুচ্ছে তাদের কলমের কালিও তখন শুকিয়ে গিয়েছিল। অন্যের বিচারের বেলায় আমরা পান থেকে চুন খসলেই ঝাঁপিয়ে পড়ি। কিন্তু নিজের বেলায় বর্নান্ধ।

    Reply
  8. Asim

    সবাই ঘটনাকে বিশ্লেষণ করে, উদ্বেগ-উৎকন্ঠার কথা বলে। কিন্তু সমাধানের কথা কেউ বলে না। পেশাগত কারণে সফটওয়্যারের ত্রূটি সমাধান করতে হয় বলে আমার অনুর্বর মস্তিষ্কে একটা সহজ সমাধান ঘুরপাক খাচ্ছে…

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আপনার এমপিদের একটা কড়া মেসেজ দিন, রাত ১২টায়ও যদি তার এলাকার কোনো নারী অনিরাপদ বোধ করে তাহলে তিনিই দায়ী। আর যদি কোনো নারী ধর্ষিত হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাংসদকে ডেকে তিন দিন করে র‍্যাব হেফাজতে শুধু বসায়ে রাখেন। শাস্তি কিছু দিতে হবে না শুধু তিনদিন বাসায় যেতে দিবেন না। আর কিছুই করতে হবে না।
    মাত্র দুই মাসে বাংলাদেশ নারীদের জন্য একটা নিরাপদ দেশে পরিণত হবে। মানুষের চরিত্র আগে ঠিক করতে হবে তবেই দেশ উন্নত হবে অন্যথায় কতিপয় নষ্ট লোকের জন্য অনেক বড় অর্জনগুলোও ধূলিসাৎ যায়।

    Reply
  9. সাজ্জাদ রাহমান

    আপনার লেখাটি পড়ে সত্যিই চোখটা ভিজে গেলো। এই কোন সমাজে বসবাস করছি আমরা? রাজনৈতিক যুদ্ধে গ্রামের সাধারণ এই মহিলার প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে, তাতে পুরো জাতি স্তম্ভিত। বিশ্বে আমাদের গর্বটা মুহুর্তেই চুরমার হয়ে গেলো, কালিমালিপ্ত হলো সগৌরবের এই জয় এবারের নির্বাচনটাযে বাঙালির আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ ছিলো, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। যে কোনো যুদ্ধে অনেক ঘটনা ঘটে, যা স্বাভাবিক দুনিয়ায় অগ্রহণযোগ্য। কিন্তু যুদ্ধের প্রয়োজনেই চলে সেইসব অস্বাভাবিক ঘটনাপ্রবাহ। হয় মরো না হয় মারো। নির্বাচনী যুদ্বাস্ত্রটা অবশ্যই ব্যালটে। কারো কারো বিবেচনায় হতে পারে সেটা বিতর্কিত। কিন্তু ওই নারীর সাথে যে আচরণ করা হয়েছে সেটা সব বিতর্কের উর্ধে। গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক সাজা হতে হবে।

    Reply
  10. imon

    I have followed your columns both before and after the elections. Your voice against the rapists is appreciable. However, you have not uttered a single word against the ruling govt who employed all state apparatus to win that election. The whole world saw what happened on the 30th december. There is no unique colour of injustice. As Martin Luther King Jr. felt “Injustice anywhere is a threat to Justice everywhere”

    Reply
  11. আদিব

    “একটা জিনিস স্পষ্ট এই দেশে এখন মানুষ মন খুলে কথা বলতে ভয় পায়, পত্রপত্রিকাও যথেষ্ঠ সতর্ক।”, “আমরা কেন ধর্ষিতা জননীর কথা বিশ্বাস না করে পুলিশের কথা বিশ্বাস করব?” –
    স্যারের লেখায় এই লাইনগুলো পড়ে চমকে উঠলাম, উনার এই অনুধাবন আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা। মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুমহত্যার অনেক ঘটনা বছর জুড়ে পড়েছি, কেউ ব্যাপারগুলো নিয়ে তেমন কথা বলেনি, সবাই রাজনীতি বিশ্লেষণেই আগ্রহী। আমিও এখন আর বলি না। আমার মনে জমে থাকা সমস্ত গ্লানি স্যারের গ্লানির সাথে চাপিয়ে দিলাম, উনি যদি কোথাও ফেলতে পারেন।

    Reply
  12. মোঃ আরিফুল ইসলাম

    ১. সত্যিই আমরা অনেক বেশি চমকিত হলাম- সারাদেশে প্রায় একই রকমভাবে ভোট ডাকাতিতে আওয়ামীলীগ কীভাবে এতটা সফল হলো? অভিনন্দন!
    ২. আবার সেটাকে দলকানা বুদ্ধিজীবীদের ভাষায় নির্বাচনে বিজয় বলা হচ্ছে! আশ্চর্যজনক!
    ৩. ‘বাবারা আমার মেয়েটা ছোট, মরে যাবে। তোমরা একজন একজন করে আসো।’- বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডার আর আওয়ামীলীগের ক্যাডারদের মধ্যে পার্থক্য কোথায় রইলো? সেটা ঘটেছিল নির্বাচনের পর ২০০১ সালে এটা ঘটলো ২০১৮ সালে। লজ্জাজনক!
    ৪. প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে ২০১৪ থেকে টানা ২য় বারের মতো ক্ষমতা দখলের শাসনামলে এরকম বিচ্ছিন্ন বা অবিচ্ছিন্ন অনেক ঘটনা ঘটাই স্বাভাবিক। বিস্ময়কর!
    ৫. প্রিয় লেখক, আপনার জন্য হয়তবা ভবিষ্যতে আরো অনেক আকাশ ছোঁয়া গ্লানি ও বিষণ্ণতা অতি উৎসাহীরা উপহার দিবে। হতাশাজনক!

    Reply
    • জাকের আহমদ খোকন

      পার্থক্য হলো, ২০০১ সালে পূর্ণিমার বয়স ছিলো মাত্র ১৩ বছর, আর এবারের দুঃখজনক ঘটনার শিকার মহিলাটি প্রাপ্তবয়স্কা। যদিও প্রাপ্ত বা অপ্রাপ্ত বয়স্কা যে কাউকেই ধর্ষণ অপরাধ। কিন্তু শিশুর বেলায় সেটি বেশি অমানবিক। আপনার চোখে ধরা পড়েনি এই পার্থক্য, আশ্চর্যজনক। পার্থক্য আরও আছে। ২০০১ সালে নির্বাচনে জয়ের পর ধর্ষণ ছিলো বিএনপি-জামায়াতীদের বিজয় উদযাপন উৎসব। ধর্ষিতা হয়েছিল শয়ে শয়ে মহিলা। পার্থক্য চোখে পড়োলো না, হতাশাজনক। পার্থক্য হলো, বাগেরহাটের রামপালের ছবি রানী, যাকে ২০০২ সালের ২১ আগস্ট বাসস্ট্যান্ড থেকে তুলে পাশের বিএনপির অফিসে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছিল, আপনি ভুলে গেছেন, লজ্জাজনক। পার্থক্য হলো, বাগেরহাটেরই যাত্রাপুরের ঠাকুরবাড়ীতে একরাতে ২৩ জন গৃহবধুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছিলো বিএনপি-জামায়াত ক্যাডাররা। আপনি পার্থক্যই খুঁজে পেলেন না, বিস্ময়কর। পার্থক্য হলো, যশোরের মালো পাড়ায় ধর্ষনে মৃত মহিলার সারি। পার্থক্য না পাওয়ায় অভিনন্দন। সবচেয়ে, বড় পার্থক্য, হূমায়ূন আজাদকে রচনা করতে হয়েছিল, “১০০০ এবং আরও একটি ধর্ষণ” এর মতো উপন্যাস।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—