বাংলাদেশের ভোটের হিসেবের সাথে যে আসনের সংখ্যার কোনও মিল থাকে না তা আগের নির্বাচনগুলোর হিসেব দেখে আগেই জানি। ৩০০ আসনে আওয়ামী লীগ জিতলেও যত না অবাক হবার ব্যাপার তার চেয়ে বড় প্রশ্ন বিরোধী প্রার্থীদের ভোটের সংখ্যাল্পতায়। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এই বিপুল বিজয়ের নেপথ্যের সুলুক সন্ধান জরুরি।

এই নির্বাচনের পর বলতে বলতে ক্লিশে হয়ে পড়া- ‘পাঁচ শতাংশ জামাতি ভোট, বা জামাতি-বিএনপি ভোট ৩০ শতাংশ’ কথারও আর কোনও অস্তিত্ব থাকল না। ঐক্যজোটের নেতা ড. কামাল হোসেনের অভিযোগ ‘ভোট ডাকাতি’র এবং সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের দাবি সব নির্বাচনের তুলনায় সবচেয়ে খারাপ এই নির্বাচন। যদিও তারা কারচুপির শক্ত প্রমাণ হাজির করতে পারেননি, ফলে কমরেড সেলিম ম্যাজিশিয়ানের হাত সাফাই বলছেন। অথচ নির্বাচনের তিনদিন পর খবরে দেখছি বিএনপি তাদের প্রার্থীদের কাছ থেকে কারচুপির তথ্য সংগ্রহ করবে বলে জানিয়েছে। তিন দিন পার করে যারা কারচুপির নমুনা খোঁজার সিদ্ধান্ত নেন তাদের পরের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়াই শ্রেয়।

এদেশের রাজনীতির বাঁক বদলে ভূমিকা রাখা ১৯৪৬, ১৯৫৪ ও ১৯৭০ এর নির্বাচন কেউ সাহস করে খুঁটে খুঁটে দেখেন না, তখন কী  ঘটেছিল। পারিবারিক সূত্রে জানি ব্রিটিশ আমলের নির্বাচনেও গুটিবাজি ছিল, ’৪৬-এ আবদুল হাকিমের স্বাক্ষর জাল করে কারও পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের গুজব ছড়ানো হয়েছিল। এ কাজে তারই সবচেয়ে কাছের লোক যুক্ত ছিল। বি চৌধুরীকে ধাপ্পা দিয়ে ড. কামালের বিএনপির সাথে ঐক্য করাকে মাহমুদুর রহমান মান্না রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে জায়েজ ভাবেন, তেমনই ওই ঘটনাও রাজনীতির কৌশল হিসেবে দায়মুক্ত। এই বাস্তবতায় বিএনপির ভরাডুবির কারণ হিসেবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ‘তারা এজেন্ট দেয়নি তাই ফলাফল এমন’ বক্তব্যটিতে নজর দিলে নির্বাচনে কী ঘটেছে তা স্পষ্ট হয়ে যায়।

নির্বাচনে বিএনপির যে ভরাডুবি হবে তা কিন্তু মওদুদ আহমদ আগেই আঁচ করেছিলেন। ফাঁস হওয়া ফোনালাপে ১০-১৫ জন জিততে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ভোট কেনাবেচায় অঢেল টাকার লেনদেন এখন গায়ে সয়ে গেছে। কালো টাকার ব্যবহার বন্ধের কথাগুলো রাজনীতিকরাও শুধু কথার কথা হিসেবেই বলে থাকেন। লক্ষ্য করলে দেখবেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগের রাতে প্রথম বিএনপির টাকার চালান ধরা পড়ার খবর আসে। এবার বেশ কয়দিন আগেই র‍্যাব তারেকের ঘনিষ্ঠজনসহ ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা উদ্ধার করে খবর করে দেয় দেড়শ’ কোটি টাকার হুন্ডি এসেছে। এই বার্তার পর কোন বিএনপি নেতার ঘাড়ে কটা মাথা আছে যে নির্বাচনে বিনিয়োগ করবে? নিশ্চয় ট্যাকের টাকা ট্যাকেই থেকে যাবে। তাই অভিজ্ঞ মওদুদ আহমদ সঠিকভাবেই বুঝতে পারেন খুব জোর ১৫টা আসন ভাগ্যে লেখা।

জোয়ার তৈরি করা ছাড়া ১৯৪৬ সাল থেকেই নির্বাচনে জেতার কোনও ইতিহাস এদেশে নাই। এই জোয়ারে শুধু ভোটার নয় প্রশাসন, পুলিশ থেকে শুরু করে সব পক্ষ সামিল হয়ে থাকে। যে নির্বাচনে জনগণ ও প্রশাসনের চাকুরেরা একই কাতারে থাকে সে নির্বাচনে আর কোনও প্রশ্ন তোলা হয় না। এবার ভোট গ্রহণের দিন যে ১৫ জন নিহতের খবর পাই তাদের প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের লোক। কিন্তু সরকার বিরোধী শক্তির জন্য ভোট দিতে মরিয়া ভাব কোথাও দেখা যায়নি। তাই জুলেখার ভোট সুলেখা দিলেন কি দিলেন না- সেটা প্রশ্ন হয়ে দেখা দেয় না।

তারপরও দেখুন এত এত উন্নয়নের পরও আওয়ামী লীগ নির্ভার ছিল না। সরকারি দলের প্রার্থীদের অনেকেই প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড অনলাইনে প্রচার করেছে। তারা যে ভোটারদের মন জয়ে কঠোর খাটাখাটুনি করছে তা দৃশ্যমান। একটি ভিডিও-তে জুনাইদ আহমদ পলককে মাঠসভায় তার দলের কারও বাড়াবাড়ির জন্য ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়। ক্ষমা শুধু তিনি নন, এরশাদ পতনের পর শেখ হাসিনা ইশতেহার ঘোষণার সময় মাত্র দুবার ক্ষমা চেয়েছেন, একবার ১৯৯৬ সালে আর এবার। শেষ মুহূর্তের অনিশ্চয়তা না থাকলে এমনটি হবার কথা নয়। যদিও বিএনপির রাজনৈতিক পরাজয় নিশ্চিত করতে বিগত দশ বছর কম কাঠখড় পোড়াননি তিনি।

আমরা জানি মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে ছিল ভারত ও রাশিয়া, আর পাকিস্তানের পক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। শেষের দুই দেশের কাছে শুধু ভারত কেন্দ্রিক আঞ্চলিক রাজনীতি নয়, আরও বড় বিশ্ব রাজনীতির পরিসরে পাকিস্তান তখন গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক সম্পর্কহীন চীনের সাথে মার্কিন গুটিবাজ হেনরি কিসিঞ্জারের যোগসাজসের ঘটক পাকিস্তান। এমন ঘটকের পান-সুপারি নিয়ে চিন্তিত না হবার কোনই কারণ নাই। বিপ্লবোত্তর মাওসেতুঙের দেশের সহযোগী রাশিয়ার হাত ছেড়ে চীন তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পথে। ঐতিহাসিক বাস্তবতায় ভারত রাশিয়া ঘেঁষা দেশ, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কহীন তাও বলা যাবে না।

এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রুশপন্থি কমিউনিস্ট মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমদের দলের অকুণ্ঠ সমর্থন নিয়ে সমাজতান্ত্রিক ভাবধারায় দেশ গঠনে হাত দেয়। মার্কিনিদের অজানা নয় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আমলে তাদের সিয়াটো-সেন্টো চুক্তির সমর্থক ছিলেন। তারপরও সমাজতান্ত্রিক কিউবার সাথে অতি সামান্য পাট বাণিজ্য করার অজুহাতে দুর্ভিক্ষের মুখে থাকা বাংলাদেশে চাল রপ্তানি বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিনের অতীতের মিত্র শেখ মুজিবকে বিপদে ফেলতে এতটুকু বাধেনি গুটিবাজ কিসিঞ্জারের। আসলেই স্বার্থ ছাড়া রাজনীতি অচল। বিএনপির পরাজয়ের পেছনে এ কারণগুলোই খুঁজতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের পরপরই আমরা শুনেছি, স্বাধীনতার বিরুদ্ধ দল জামায়াতকে রক্ষায় সৌদি আরব একাট্টা ছিল। যে কারণে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জেনারেল জিয়ার হাতে গড়া দল বিএনপির পাশে পাকিস্তান তো বটেই মার্কিন, সৌদি বা চীনের সমর্থনের অভাব হয়নি। বিএনপির এসব বৈদেশিক পাইপ লাইন কেটে ফেলতে বিগত দশ বছর শেখ হাসিনা নিরলস চেষ্টা চালিয়েছেন।

আমরা দেখেছি সৌদি সামরিক জোটে রয়েছে বাংলাদেশ। এতে রুশি দূত বিস্ময় প্রকাশ করলেও রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে তুষ্ট থাকতে হচ্ছে তাদের। বাংলাদেশের মেগা মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে চীন। ভারতকে মেনে নিতে হচ্ছে বাংলাদেশের চীনের বিনিয়োগ। নির্বাচনের ফল বেরোতে না বেরোতেই ভারতের শুভেচ্ছার পাশাপাশি চীনা ড্রাগন শোভিত নৌকাও হাজির প্রধানমন্ত্রীর কাছে। ওটা নিশ্চয় ভোটের আগেই চীন থেকে বানিয়ে আনা।

মুক্তবাজার অর্থনীতির অকুণ্ঠ সমর্থক বনে যাওয়া আওয়ামী লীগের উন্নয়ন সহযোগী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। রাষ্ট্রের স্তম্ভ হয়েও আদালতের মতোই  তারা স্বাতন্ত্র বজিয়ে রাখছে মাত্র। শুধু প্রসেস নিয়ে চিন্তিত, মুজিব আমলের মতো শত্রু ভাবাপন্ন আলামত দৃশ্যমান নয়। এই পরিস্থিতিতে বিএনপির রসদের উৎস বাকী কিইবা থাকে?

স্বাধীনতার পর দেশে-বিদেশে সফলভাবেই আওয়ামী লীগকে অ্যান্টি-মুসলিম দল হিসেবে খাঁড়া করার চেষ্টা হয়। ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগাররা এর যাতনা জানে। পাকিস্তান আমলে যে আওয়ামী লীগারদের নামাজ-রোজা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার পড়েনি, তাদের এখন তসবি হাতে ঘুরতে হয়। অন্য দিকে মদের গেলাস হাতে নিয়েও নির্ভার থেকেছে প্রতিপক্ষ।

সৌদি জোটে নাম লেখানো ছাড়াও লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বের মুসলিম পলিটিক্সেও স্থান করে নিয়েছেন হাসিনা। যুদ্ধাপরাধী বিচারকে কেন্দ্র করে শুধু পাকিস্তান নয় গলা চড়িয়েছিল তুরস্কও। ঘরের জ্বালা পরের জ্বালা মিলিয়ে তারাও আপাতদৃষ্টে শীতল। আর মেঠো মুসল্লিদের কওমি সনদ দিয়ে মাতা বনে গেছেন হাসিনা। কিউবায় সামান্য পাট রপ্তানি করে বড় খেসারত দেওয়ার অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই বিশ্ব মোড়লদের নিয়ে এই খেলাধুলা একাদশ নির্বাচনের ফলাফলের চাইতে বড় বিস্ময়। কীভাবে সামলাচ্ছেন?

ভাতের কষ্টে ভোগা কোটি মানুষের ছেলেমেয়েরা এখন স্কুলে যায়, এ যে কত বড় মর্যাদা প্রাপ্তি তা মাপতে সোনার পাল্লা লাগে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের যাবতীয় সূচকে ধাই ধাই করে এগিয়ে চলা বিপরীতে বিএনপির অসংবেদনশীলতা দৃশ্যমান। বিএনপি-জামাত জোট আমলের ভুল রাজনীতির দায় নিতে দেখা যাচ্ছে না। দেশে-বিদেশে তারেক রহমানের প্রতি অনীহা কোনও লুকোছাপা বিষয় নয়।

ড. কামালের উদ্যোগে সামান্য নড়েচড়ে বসার সুযোগ তৈরি হলেও তার বার্তা নেয়নি বিএনপি। দুই লাইন বেশি বোঝা গোঁয়ারের মতো প্রার্থী নির্বাচনে তারেককে স্কাইপে সামনে এনেছে। ঐকফ্রন্টের ইশতেহারের বিপরীতে অগোছালো ইশতেহার দিয়েছে। জামাতের গাদাগাদা প্রার্থী দাঁড় করিয়েছে।

ভারতের সাথে সৎভাব রক্ষার ঘোষণা দিয়েও সৎভাইয়ের সুরে ভাই ভাই ডেকেছে। তাদের তাবত কর্মকাণ্ড দেখলে পরিবর্তনের দ্বিধা আর ওপর চালাকি ধরা পড়ে। অস্পষ্ট অবস্থান নিলে- না জনগণ, না দেশি-বিদেশি শক্তি কেউই আস্থায় নেয় না। মানুষ হয়তো ফেইসবুকে চুটকি কাটবে- দাদি ঘরে বসে বসে কাঁদছে আর বলছে- ওগো তুমি মরার পর ভোট দিতে আসতে পারলে কিন্তু আমার সাথে দেখা করতে পারলে না। কিন্তু তারা সরকার পতনে সড়কি হাতে পাশে দাঁড়াবে না। উন্নয়নের ছোঁয়ায় সবার মগজই ঠান্ডা।

দেশ-বিদেশের এত এত পক্ষ সমর্থিত কোনও সরকারের জন্য কাল হবে সবাইকে খুশি করা। সবাইকে খুশি করতে উন্নয়ন বিনিয়োগ বিস্ফোরণে রূপ না নিয়ে পারে না। সেজন্যই স্বপ্নময় আশা জাগানোর তাগিদ- ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হবে বাংলাদেশ। কিন্তু সব কিছুরই সীমা আছে। থামতে হয়ই। কোটি কোটি শিশু স্কুলগামী। যাদের অর্ধেকের বেশির বাপ-দাদা চোদ্দগুষ্টি কেউ বই হাতে স্কুলে যায়নি। তারা পাশ করার পর ক্ষেতের কাজ মর্যাদার না হলে ওরাও ঘুরে দাঁড়াবে।

দুনিয়া থেকে সমাজতান্ত্রিক বিশ্ব বিদায়ের পর ভাবা হয়েছিল বিশ্বে একক নেতৃত্ব দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বিশ্ব মন্দার হানার পর তাদের হাতও আলগা হয়ে গেছে। সুযোগ পেলে বাংলাদেশও মার্কিন টাক এ চাটি মেরে বসে। দেশে দেশে এর ওর বিনিয়োগ ঢুকে পড়া ইঙ্গিত দেয়- ‘পলিটিক্যাল কারেক্টনেস’ আপাতত গ্রন্থবন্দি। নিরঙ্কুশ সমর্থকের আশা ছেড়ে সবার চোখ মন্দের ভালোর দিকে- এ শুধু বাঙালি ভোটরদের কাছে নয়, বিশ্ব মোড়লদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যা শেখ হাসিনাকে করে তুলেছে রাজনীতির গ্র্যান্ড মাস্টার। দেশের মানুষ জানে শেখ হাসিনার ‘বেরেনের কাছে হগ্গলে কাইত।’ তাই ভোটের বাক্সে কীভাবে ভোট পড়ল তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই ভোট দেওয়ায় বাধা এসেছে কিনা। এই নির্বাচনের বৈতরণী পার পেলেও ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের গলায় উন্নয়ন কাঁটা হয়ে ওঠার শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

মুজতবা হাকিম প্লেটোসাংবাদিক

Responses -- “গাছে আওয়ামী লীগ, মই কার হাতে?”

  1. সরকার জাবেদ ইকবাল

    একটি ব্যতিক্রমী লেখা! পড়ে বেশ মজা পেলাাম। স্যাটায়ারের খোঁচা যেমনি আছে তেমনি আছে মৃদু হিউমারের রিনিঝিনি! লেখার শিরোনামেও আছে চমৎকারিত্ব! মইয়ের প্রশ্নটি করলেন, কিন্তু, উত্তরটি বললেন না। তারপরও লেখক সুনিপুণভাবে মই সরিয়ে নেয়ার প্রসঙ্গটি চেপে গেছেন। অসাধারণ ঋজুতা! আমি উত্তরটি দেয়ার চেষ্টা করছি, –

    আওয়ামী লীগ কারও কাছ থেকে মই ধার নিয়ে গাছে ওঠেনি। নিজের মইতে চড়ে নিজেই গাছে উঠেছে। কাজেই, মই সরিয়ে নেয়ার কোন প্রশ্নই নেই। তবে হ্যাঁ, ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ বলে একটা কথা আছে। কোন বর্ণচোরা বশংবদ যদি মইটি সরিয়েই নেয় তাহলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। আওয়ামী লীগে এরকম বর্ণচোরার অভাব নেই। খন্দকার মোশতাক তার জলজ্যান্ত উদাহরণ।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—