বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী ফোরামের নেতা সানাউল্লাহ মিয়াকে দেখছি ১/১১ এর পর থেকে নিয়মিতভাবে। এর আগে যে তাকে দেখিনি তা নয়, তবে ১/১১ এর পর থেকে কথাটা উল্লেখ করতে হলো ভিন্ন কারণে। ১/১১ এর পরে ওই সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক শাসনের দুই বছরে বিএনপি ও আওয়ামী ফোরামের অনেক আইনজীবী নেতাদের চুপচাপ থাকতে দেখেছি।

আবার উভয় ফোরামের অনেক আইনজীবীকে দেখি, নিজের মামলা বা টাকার জন্য নিজ দল থেকে কিছু সময়ের জন্য দূরে থাকেন। আবার সুযোগ বুঝে সামনে চলে আসেন। বিএনপির এই আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়াকে কখনই শেষোক্ত দলের মনে হয়নি। তিনি সব সময়ই তার দলের জন্য নিবেদিত। বেগম জিয়া, তারেক রহমান থেকে শুরু করে বিএনপির অতি সাধারণ কর্মীর মামলায় তাকে সামনের কাতারেই দেখি। এ নিয়ে অনেক সময় টিভিতে তাকে দেখে বলেছি, বিএনপির আইন প্রতিমন্ত্রী।

কারণ, ১/১১ এর পরে জজ কোর্টে আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের রাজা সৈয়দ রেজাউর রহমানের পাশে সব সময়ই অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে দেখতাম। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে যুদ্ধাপরাধীর বিচার, ২১ অগাস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলা থাকার কারণে সৈয়দ রেজাউর রহমানকে মন্ত্রী বানাননি। তবে তাকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করেন। অন্যদিকে কামরুল ইসলামকে প্রথমেই আইন প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন। ওই হিসেবে অনেক সাংবাদিক বা অন্যান্য পেশার লোক সানাউল্লাহ মিয়াকে দেখলেই বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাদের সরকারের ভবিষ্যত আইন প্রতিমন্ত্রী।

পার্থক্যটা হলো আইনজীবী কামরুল ইসলামকে মনোনয়ন পেতে কোনও বেগ পেতে হয়নি। বেগ পেতে হয়নি প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী হতে। পরপর তিন বার তিনি বিনা বাধায়, বিনা তদ্বিরে মনোনয়ন পেয়েছেন। শেখ হাসিনা তাকে মনে রেখেছেন। তিনি দুর্দিনের এই কর্মীকে ভোলেননি। অন্যদিকে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য সানাউল্লাহ মিয়া কত চেষ্টা যে করেছেন, লন্ডনে কত লোককে ধরেছেন, তারা যেন তারেক রহমানকে একটু বুঝিয়ে বলেন তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। কোনও কাজ হয়নি তাতে। লন্ডনে সানাউল্লাহ মিয়া যাদের ফোন করে বার বার অনুরোধ করেছেন, তারাও খুবই ব্যথিত হয়েছেন। তারা কষ্ট পেয়েছেন সানাউল্লাহর মতো একজন নিবেদিত বিএনপির আইনজীবী নেতাকে মনোনয়ন না দেওয়ায়। লন্ডনে সানাউল্লাহ মিয়া যাদের ফোন করেছেন, তাদের বক্তব্য হলো, সানাউল্লাহ হেরে গেছেন মূলত অর্থের কাছে। তার নরসিংদী-৩ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে ব্যবসায়ী মঞ্জুর-ই-এলাহীকে। এই ব্যবসায়ীর টাকার কাছে হেরে গেছেন সানাউল্লাহ মিয়া। দলের প্রতি, দলের নেতাদের প্রতি তার দীর্ঘ দিনের নিবেদিত পরিশ্রম, মেধা সব কিছু মূল্যহীন হয়ে গেছে টাকার কাছে। সানাউল্লাহ মিয়া লন্ডনে যাদের ফোন করেছিলেন তারা প্রায় সবাই এ বিষয়ে তারেক রহমানকে বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন তাদের সাধ্যমতো।

কারণ, তাদের অনেকেই উপকৃত হয়েছেন সানাউল্লাহ মিয়ার কাছ থেকে। পাশাপাশি তারা দলের প্রতি, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি সানাউল্লাহ মিয়ার কর্তব্যনিষ্ঠাও দেখেছেন। তাই লন্ডনের ওই ব্যক্তিদের ভেতর কয়েকজনের বক্তব্য হলো, “তারেক রহমান আসলে মানুষ নয়। সে টাকা ছাড়া কিছু চেনে না। লন্ডনেও ‘হাওয়া ভবন’ খুলেছে তারেক রহমান। এখানেও সে নানান সুযোগে টাকা রোজগার করে। তিনি আরও বলেন, বাস্তবে এত কিছুর পরেও তারেকের কোনও পরিবর্তন হয়নি। সে এই নির্বাচনের মনোনয়ন নিয়ে লন্ডনে ‘হাওয়া ভবন’ খুলেছে তাহলে দেশে ফিরতে পারলে কী করবে?”

লন্ডনের আরেক জনের বক্তব্য হলো, “তারেক রহমান লন্ডনে তার ইনকাম ট্যাক্সের ফাইলে দেখিয়েছে, আয়ের উৎস জুয়া খেলা (লন্ডনে জুয়া খেলা বৈধ)। বাস্তবে সে যে কত কিছু নিয়ে জুয়া খেলতে পারে তার প্রমাণ এবারের মনোনয়ন বাণিজ্য।”

সানাউল্লাহ মিয়া, এহসানুল হক মিলন, তৈমুর আলম খোন্দকার সকলেই এই টাকার কাছে হেরে গেছেন। এমনি বিএনপির অনেক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও নেতারা হেরে গেছেন টাকার কাছে। এদের ভেতর অনেকেই তাদের কর্মীদের নিয়ে বিএনপি অফিসের সামনে এসেছিলেন। অনেক প্রতিবাদ করেছেন। তোপের মুখে পড়েছেন ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে ডা. জাফরুল্লাহসহ অনেকে। তারা কেউ অবশ্য কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। ডা. জাফরুল্লাহ বলেছেন, দল ক্ষমতায় গেলে এদের পুরস্কৃত করা হবে। দল ক্ষমতায় গেলে পুরস্কৃত করার উদ্দেশ্যে যদি এ কাজ করা হতো তাহলে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বির কাছ থেকে টাকা নেওয়া কেন? আর যোগ্য প্রার্থী বাদ দিয়ে যখন ব্যবসায়ীকে দেয়া হয় সেটা কি দলকে ক্ষমতায় নেয়ার জন্য? বরং বিএনপির কিছু কিছু হিতাকাঙ্ক্ষী যা বলছেন সেটাই কী সত্য নয়- তারেক রহমান থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম সকলেই জানেন, তারা নির্বাচন করছেন সংসদের বিরোধীদলীয় মর্যাদাটা পুনরুদ্ধার করার জন্য। তারেক রহমান ভালভাবে জানেন, তিনি দেশে ফিরতে পারবেন না। তাই তিনি কোনও মতেই মনোনয়ন উপলক্ষ করে টাকা রোজগারের এই মওকা ছাড়েননি। তা ছাড়া বাস্তবতা বলছে এর সব টাকা যে তারেক রহমান পাবেন তাও কিন্তু নয়। এখান থেকে তাকে একটি অংশ ব্যয় করতে হবে ড. কামাল হোসেনের জন্য। কারণ, ড. কামালকে যারা চেনেন তারা সকলেই ভাল করে জানেন, বড় মাপের ফিস ছাড়া এই আইনজীবী কোনও কাজে নামেন না। নিজের অর্থ ব্যয়ে তিনি বাংলাদেশের জন্য মাত্র এক টাকার কাজ করেছেন তা কেউ দেখাতে পারবেন না।

আইনজীবী রফিকুল হক ক্যান্সার হাসপাতাল করেছেন। এছাড়া অনেক আইনজীবী আছেন তাদের নিজ অর্থে নিজ নিজ এলাকায় স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, হাসপাতাল থেকে অনেক কিছু করেছেন। বাংলাদেশের জন্য ড. কামাল একটি টাকা ব্যয় করেছেন তা কেউ দেখাতে পারবেন না। তাই তিনি যে হঠাৎ শুধু খালেদা জিয়ার দুর্নীতি নয় তারেক রহমানের দুর্নীতি ও নেতৃত্ব মেনে নিয়েছেন এটা বিনা স্বার্থে তা বাংলাদেশের কোনও সুস্থ মানুষ বিশ্বাস করবে না। বরং ভবিষ্যতে একদিন না একদিন এসব ডিলের অর্থের পরিমাণ কত তা জানা যাবে।

তবে তারেক রহমানের এই মনোনয়ন বাণিজ্যে তার যোগ্যতার আবারও একটি স্বীকৃতি মিললো। তিনি প্রমাণ করলেন, তার ‘হাওয়া ভবন’ খুলতে বা ঘুষের টাকা জোগাড় করতে বাংলাদেশে থাকার প্রয়োজন পড়ে না। তিনি মূলত সাগরের ঢেউ গুণেও টাকা রোজগার করতে পারেন। আর নিজ দলের মানুষদের কাছ থেকে এই টাকা নিয়ে তারেক রহমান আবারও দেশের মানুষের সামনে প্রমাণ করলেন, তিনি আবার ক্ষমতায় এলে দেশে কত বড় আকারের ‘হাওয়া ভবন’ হবে।

অবশ্য দেশের কয়েকটি পত্রিকায় এমন কিছু লেখালেখি হচ্ছে যে- ড. কামাল এসেছেন একটি ব্যালান্স করার জন্য। এখানে দুটি বিষয় কাজ করছে :

এক. নির্বাচন শেষে ড. কামালের কতটুকু ক্ষমতা থাকবে আর বাস্তবে কি ড. কামাল কখনই এসব ঢেউ গোনা টাকার বিরুদ্ধে?

ড. কামালের ভবিষ্যত সম্পর্কে এক বিএনপি নেতার একটি কথার ভেতর দিয়ে ইঙ্গিত পাই। মহানগর নাট্যমঞ্চে গিয়ে বিএনপি ড. কামালের ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিলে এক বিএনপি নেতাকে বলেছিলাম, আপনারা শেষ পর্যন্ত ড. কামালের কাছে গেলেন?

তিনি অকপটে বললেন, দেখেন আমাদের গায়ে পেট্রোলবোমা আর জামায়াতের ছাপ পড়ে গেছে। আপাতত ড. কামালকে দিয়ে বিষয়টা ঢেকে নেই। পরে বোয়াল মাছ কী করে পুঁটি মাছকে? আমরাও তাই করব।

দুই. আরেকটি সত্য দেশের মানুষ ভেবে দেখতে পারেন। ড. কামাল হোসেনের মেয়ের স্বামী ডেভিড বার্গম্যান সাংবাদিকতা করেছেন। আইনজীবীও। এসব ছেড়ে তিনি বছরের পর বছর ঢাকার নিউএইজে কাজ করলেন। তার বিরুদ্ধে অনেককে অভিযোগের আঙ্গুল তুলতে দেখেছি যে, তার সংবাদ যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যায়। আরও অদ্ভুত বিষয় হলো, এগুলো তার বিশ্বাস থেকে করেনি বার্গম্যান । একজন সাংবাদিক বন্ধু হিসেবে তার সঙ্গে যখনই আলাপ করেছি- বুঝতে পেরেছি, বাস্তবতা তিনি বোঝেন।

তারপরও বার্গম্যানের লেখা সংবাদ যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যায় বলে কেন অভিযোগ তোলা হয়? এখানেও কি তারেক রহমানের মতো ঢেউ গোনার কোনও বিষয় আছে? যুদ্ধাপরাধীদের দলটি অর্থের সাগর। ড. কামালও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে সমর্থন করেননি। তার সপক্ষেও দাঁড়াননি। অর্থাৎ মৌন থেকে তিনি মূলত ‘ঢেউ গোনার’ বিষয়টি সমর্থন করে গেছেন।

তবে নিজ দলের মনোনয়ন বাণিজ্যের ভেতর দিয়ে তারেক রহমান দেখিয়ে দিলেন, ঢেউ গুণে অর্থ অর্জনের ক্ষেত্রে তারেক রহমানের ধারে কাছে কেউ নয়। হয়ত পৃথিবীতেই তিনি অদ্বিতীয়। তবে ভোটের আগে জনগণের সামনে তারেক রহমানের স্বরূপ প্রকাশ পাওয়ায় অনেক উপকার হলো দেশের। মানুষ আরেক বার সজাগ হতে পারলো, তারেক রহমান যেখানেই থাকবে সেখানেই ‘হাওয়া ভবন’ হবে। দেশকে হাওয়া ভবনের হাত থেকে বাঁচাতে হলে যতই ড. কামালের ছদ্মবেশে তারেক রহমান আসুক না কেন, দেশের মানুষকে তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে। নইলে দেশের সব উন্নয়ন হাওয়া হয়ে যাবে।

স্বদেশ রায়সাংবাদিক

Responses -- “তারেক রহমানের ঢেউ গোনা টাকা”

  1. abu sayed

    দাদা আপনার লেখা সব সময় পড়ি। কিন্তু এই লেখাটির অধিকাংশই মেনে নিতে পারছিনা বলে খারাপ লাগছে..

    Reply
  2. Md. Rezaul Karim

    প্রিয় স্বদেশ রায়, আমলা, পুলিশ প্রশাসন বা সামরিক শক্তি নির্ভর নির্বাচন কেন?

    Reply
  3. Not applicable

    i heard a phone conversation of Barrister Moinul Hussain about Tareque Zia. in your writing, a comment of a BNP leader about Dr. Kamal Hussain is: you see, we have stamped of petrol bomb and Jamat in our body.we cover it with Dr. Kamal for now. after that,what does halicopter catfish do to the putti fish? we also will do that. tit for tat. we probably would love to hear more about that BNP leader. Any proof?

    Reply
  4. মোঃ আরিফুল ইসলাম

    প্রিয় স্বদেশ রায়,
    ১. এ ভূখণ্ডের ইতিহাসে গণতন্ত্রকে হত্যার পরিণাম খুবই ভয়াবহ হতে দেখেছি।
    ২. গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রে জনগণ যাকে ভোট দিবে তাকে মেনে নেওয়াটাই কাম্য, যদিও অন্যান্য যোগ্যতা বিচারে তিনি নগণ্য হতে পারেন।
    ৩. আমলা, পুলিশ প্রশাসন বা সামরিক শক্তি নির্ভর কোনও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন-বিহীন সরকার এদেশে কাম্য নয়।
    ৪. একতরফা নির্বাচন করে ২য় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা, অন্যদিকে বিরোধী দল থেকে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা থেকে বিগত বছরগুলোতে সহিংসতা হয়েছে। সুতরাং পেট্রোল বোমার দায়ভার প্রধান দু’দলকেই নিতে হবে।
    ৫. আমার প্রত্যাশা রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও দল-পন্থী বুদ্ধিজীবীরা ‘রাজনীতি’কে যেন এদেশের ‘ক্যান্সারে’ রূপান্তরিত না করে।
    ৬. তবে আশার কথা আমাদের দেশের রাজনীতিবিদ ও নেতাকর্মীদের চরিত্র ও আমলনামা বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, টকশো বা কলামে সুন্দর ও সঠিক চিত্র উঠে আসে।

    Reply
  5. Hasan Al Banna

    প্রায় অর্ধযুগেরও বেশী সময় নরসিংদীতে ছিলাম। মনজুর এলাহীকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। ২ বারের নরসিংদী সদর উপজেলা চেয়্যারম্যান। গত উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র মরহুম লোকামানের স্ত্রী থেকে দিগুণ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নরসিংদী সদর উপজেলা মূলত সংসদীয় নরসিংদী সদর আসন থেকেও বড়। এখানে এমন কোন মসজিদ, মন্দির, ওয়াজ মাহফিল, পূঁজা নেই যে যেখানে উনি ব্যক্তিগত সাহায্য করেননি। যারাই গিয়েছে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা হলেও সাহায্য করেছেন। পাশাপাশি উনার এলাকা
    শিবপুর নরসিংদী ৩ সংসদীয় আসনেও একই রকম সাহায্য করছেন। প্রতিদিনই উনি সাধারণ মানুষকে সাহায্য করে যাচ্ছেন। উনি হলেন এলাকার গণমানুষের নেতা। আইনজীবী সানাউল্লাহ্ মিয়া ঢাকায় মামলা দেখাশোনা করেন। কিন্তু, স্থানীয় ভাবে উনার এলাকায় জনপ্রিয়তা মনজুর এলাহীর সাথে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। যিনি এলাকায় থেকে মানুষের সব ধরনের বিপদাপদে পাশে থাকে জনগণ থাকেই ভোট দিবে। হয়তোবা বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জনাব সানাউল্লাহ মিয়াকে সরাসরি মন্ত্রী বানিয়ে দিবে। প্রকৃত অবস্থা না জেনে সমালোচনা করা উচিৎ নয়।

    Reply
    • মারুফ ঢাকা

      লেখাটি পড়ে এবং জনাব হাসান আল বন্যা’র মন্তব্য পড়ে আমার প্রশ্ন বাবু স্বদেশ রায় কোন এলাকায় বাস করেন। উনি কী শিবপুর নরসিংদী-৩ সংসদীয় এলাকার বাসিন্দা। না কী অন্ধ ভক্ত মাত্র। আর তথাকথিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের কী মনে হয় এই দেশের মানুষকে যা খাওয়াবেন তাই খাবে।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—