অরিত্রী অধিকারী  মরিয়া প্রমাণ করিলো সে মরে নাই। দেশতো বটেই দেশের বাইরেও এই ঘটনা বাংলাদেশিদের মনে গভীর বিষাদের ছায়া ফেলেছে। যাতে প্রমাণিত হয় মানুষের কাছে এখনো জীবনই মুখ্য বিষয় । নিজের একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করি। এসএসসি অবধি পড়ালেখা ছিলো আমার কাছে মূর্তিমান আতংক। অংক বিষয়ে আমার দুর্বল মেধার জন্য আমার ফলাফলও ছিল বিষাদময়। ঘরের মাস্টার আমার দুইগালে যত চড় কষিয়েছিলেন তার কোনও হিসেব নাই। মার খেতে খেতে আমার মনে হতো সন্ধ্যা নামা মানেই ভয়ের বিষয়। এমন এক মানসিক অবস্থা হয়ে গিয়েছিল ভেবেছিলাম এই জীবনের কোনও মূল্য নাই।
কীভাবে কী করবো আমি? কীভাবে জীবন কাটবে আমার? মায়ের স্নেহ আর ভরসার কারণে আত্মহননের মতো কঠিন বিষয় মাথা থেকে সরিয়ে রাখলেও মাঝে মাঝে তা হানা দিতো। সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছেড়ে আমি এসএসসি কোনওভাবে পাশ করার পর মানবিক বিভাগে চলে যাই। আর তখন থেকে আমার লেখাপড়ার আনন্দ আর সার্থকতার শুরু। বিনয়ের সাথে বলি, এইচএসসি-তে বোর্ডে সেরা বিশ জনের মধ্যে জায়গা পেয়েছিলাম আমি। পরে আর কোনও ভুল করিনি বলেই হয়তো জীবনে বড় অঘটনের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলাম।
অরিত্রীর মন পরিপক্কতা পায় নি। সে বয়সেও পৌঁছেনি সে। তার আগেই মৃত্যুর মতো ভয়াবহ এক আততায়ীকে আপন করে নেওয়া এই কন্যাটি কী আমাদের আত্মজা বা আত্মীয় হতে পারতো না? তেমন ভাবে ভাবলে এর একটা বিহিত হ ওয়া দরকার। বিহিত প্রয়োজন দেশের তারুণ্যের স্বার্থে। আমাদের পড়াশোনার জগতটা গোলমেলে। এখানে কিছু নম্বর ছাড়া আর কিছুই কাজ করেনা। প্রতিবছর আমরা জিপিএ ফাইভের বাহুল্য আর উল্লাস দেখে বুঝতে পারি কতটা তার দাম। এরা বড় হয়ে কে কী হয় বা হতে পারবে সেখবর জানিনা আমরা। যে জাতির প্রধান দুই কবি স্কুলের সীমানা পেরোননি, যাদের লেখা ছাড়া সংস্কৃতি জীবন জাতি অচল, তারা কেউই ব্যক্তিজীবনে পড়াশোনার নামে সার্টিফিকেট নিয়ে মাথা ঘামান নি। আমাদের রাজনৈতিক কবি বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু ও লেখাপড়ায় তারকা কেউ ছিলেন না। কিন্তু তার মেধা আর প্রজ্ঞার কাছেই হার মেনেছিল পাকিস্তানের বাঘা বাঘা মানুষজন। আমাদের কবি গীতিকার দার্শনিক লালন সাঁইজী আজো অতুলনীয়। কী তার কথিত যোগ্যতা? কী যোগ্যতা ছিলো হাজার বছরের সেরা দার্শনিক বুদ্ধের? প্রকৃতির কাছ থেকে পাঠ নেওয়া এইসব মানুষের অবদানে দুনিয়া ঋদ্ধ হয়েছে।
এসব জানার পরও আমাদের ভুল ভাঙেনা। এ ঘটনা নতুন কিছুনা। আমাদের দেশের এককালের বিখ্যাত নায়ক ওয়াসিমকে নিশ্চয়ই মনে আছে আমাদের। পর্দা কাঁপানো এই নায়কের কন্যার ভাগ্যেও জুটেছিল করুণ মৃত্যূ। একই কাহিনী। এক ধরনের ঘটনা। স্কুলে অপমানিত মেয়েটি নিজের জীবন কেড়ে নেয়ার পর  ওয়াসিমও নাই হয়ে গেছেন। মা বাবার কাছে সন্তানের মৃত্যুর চাইতে করুণ আর কোনও ঘটনা থাকতে পারেনা। অরিত্রী আজ নাই। কিন্তু এই আঘাত এই শোক তার মা-বাবাকে আজীবন বইতে হবে। তার আত্মীয় স্বজনদের তাড়িয়ে মনে আজীবন থেকে যাবে এই দাগ। এটা কি সভ্য সমাজের ঈঙ্গিত বহন করে?
অরিত্রী বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্কুলের ছাত্রী ছিলো। যে স্কুলে পড়তে পারাটাই সম্মানের বলে মনে করা হয়। সে স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল বা টিচারদের কাছে জাতির প্রত্যাশাও অনেক বেশি। সেদিন কী হয়েছিল আমরা না জানলেও, অনুমান করতে পারি। মেয়েটি তার মা বাবাকে নিয়ে গিয়েছিল সাহস করে। সে সাহস কাজে লাগেনি। নিশ্চয়ই তার সামনেই অপমানিত হয়েছিলেন তারা। সে অপমানিত মুখ মেয়েটি মেনে নিতে পারেনি । পারেনি মুখ দেখাতে। এই যে আমরা কথায় কথায় বলি দেশ জাতি এগুচ্ছে আমরা ডিজিটাল হচ্ছি এ কি তার নমুনা?
একটি গণতান্ত্রিক ও সভ্য সমাজে বাচ্চাদের পড়াশোনা যে কত সহজ আর আনন্দের সেটা আমি গত বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেখছি। চাপ থাকলেও নম্বর পাওয়ার জন্য জান-পরাণ দেবার কোনও কারণ নাই এখানে। শুরু থেকে স্কুল শেষ অবধি ‘ফান’ করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে জীবনের জন্য প্রস্তুত করা হয় তাদের। সেখানে আত্মহননের প্ররোচনা থাকেনা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি সবসময় ছেলে-মেয়েরা ঠিক কাজ করেনা। করতে পারেনা। এটা তাদের বয়সই করতে দেয়না।
এমন অনেক অভিভাবক টিচার মিটিং এ আমি গিয়েছি যেখানে অভিযোগ ছিল। কিন্তু আক্রমণ ছিল না। বরং তারা বলতেন- আমাদের যে কোথায় ত্রুটি সেটাই বুঝতে পারছি না। উন্নত সমাজে আধুনিক সমাজে নম্বর কম পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের দায়-দায়িত্ব টিচারও বহন করেন। তারা কেন কম নম্বর দিতে বাধ্য হলো তার ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি। সে ধরনের জবাবদিহিতা নাই বলেই আমাদের সমাজে আছে শুধু অপমান আর গালাগালি।
বড় বড় নামের গালভারী স্কুলগুলো মনে করে তাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারাটাই সৌভাগ্যের। বাদবাকী সব হবে যাদুর মতো। ছেলেমেয়েরা ভালো করবে। পাশ করবে। না করলে হয় বিদায়, নয়তো অপমান। অভিভাবকের কী দোষ থাকে এতে?  স্কুলের ফি অানুষঙ্গিক খরচাদি যোগাতে তাদের জীবন শেষ। পিতা করলে মা থাকেন পাহারায়। কোন পিতা-মাতা চায় তাদের সন্তান নকল করুক? তারা কেন সন্তানের সামনে ইজ্জত খোয়াবেন? যে বয়সে পিতা ঈশ্বরতূল্য নায়কসম সে বয়সে পিতাকে অপমানিত হতে দেখলে বাচ্চারা নিতে পারবে না এটাও কী টিচারেরা জানেন না?
পুরো ব্যবস্থাই এখন এমন। দেশের যেসব কর্তারা দেশ চালায় তাদের জীবনে নকল নাই? সমাজে নকল ভোটে সাংসদ হওয়া জায়েজ। নকল আইডি খুলে দাঙ্গা লাগানো জায়েজ। নকল মানুষকে কারাগারে পাঠানো জায়েজ। নকল খাবারে, নকল ওষুধে মানুষ মারা জায়েজ। শুধু মোবাইলে কথিত নকল নাজায়েজ। মেয়েটি যদি তা করেও থাকে তার সংশোধনমূলক শাস্তি হতে পারতো। এমন কী হয়েছিল যার জন্য তাকে জীবনের মত মূল্যবান মহার্ঘ্য বস্তু স্বেচ্ছায় বিসর্জন দিতে হলো?  জানা দরকার আমাদের। যদি এ ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায় আবার তা ফিরে আসবে আর কারও জীবনে। এটা একশ পার্সেন্ট নিশ্চিত।
এ বিষয়ে সরকার প্রভাবশালী মহলসহ সুধিজনদের ভূমিকা জরুরি। তারা চুপ করে থাকতে পারেন না। এ কোনও ছেলেখেলার বিষয় না। এতে সুস্পষ্ট ঈঙ্গিত আছে আমাদের ধ্বংস আর পতনের। সমাজ ভালো না থাকলে, সমাজ ঠিকভাবে না চললে জাতি কিভাবে ভালো থাকবে? অরিত্রী এখন আর কারো সন্তান না। সে এখন  বিকলাঙ্গ শিক্ষা ব্যবস্থা আর পতনমুখি সমাজের প্রতীক। যে আমাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে চিরবিদায় নিয়েছে।
গ্রামে-মফস্বলে কী হয়, কী হতে পারে, তার একটা গোপন ইঙ্গিতও আছে এতে। তাই আমরা এর বিচার চাই। লোক দেখানো কমিটি গঠন করে, সময় অপচয় করে ঘটনা ভুলিয়ে দেয়ার পুরনো খেলা যেন আবার মাথাচাড়া দিতে না পারে।
তাহলে আই ওয়াশের তলায় চাপা পড়ে যাবে সন্তানদের ভবিষ্যত। ইতোমধ্যে মিডিয়ায় দেখলাম ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকেরা ক্রোধে বিষাদে ফেটে পড়েছে। কেউ কেউ এও বলছে স্কুলে মূলত লেখাপড়া হয়না। ভালো ফলাফল বা ভালো করার মূল কারণ নাকি অভিভাবকদের চেষ্টা আর অর্থের জোগান। আমাদের শিক্ষামন্ত্রী বাম ঘরানার মানুষ। নামে বদনামে তিনি মোটামুটি জবাবদিহি করার মতো। তাই তার কাছে এর একটা বিহিত চায় জাতি।
অরিত্রী আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছে দেশ ও জাতি কোথায় দাঁড়িয়ে। আমরা কী এবার এর একটা সুষ্ঠু প্রতিকার দেখবো? না অরিত্রীর জন্য সবুর করবো? সে আমাদের মৃত্যুন্জয়ী জননী হয়ে উঠুক এটাই আমাদের চাওয়া। এতেই তার আত্মার শান্তি ও সমাজের কল্যাণ হবে ।
অজয় দাশগুপ্তকলামিস্ট।

Responses -- “অরিত্রী: আমাদের মৃত্যুঞ্জয়ী মা”

  1. আদিব

    অরিত্রীর আত্মহত্যা প্রসঙ্গে ফেইসবুকে অনেক পাল্টাপাল্টি কমেন্ট পড়লাম, পড়ে শুধু বিষাদমাখা ক্লান্তি অনুভব করলাম। সমস্যা আছে, সবার মতামতও আছে, কিন্তু সমাধান হচ্ছে না। ভিডিওতে দেখলাম, শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে অভিভাবকরা অনেক দিনের চেপে রাখা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। নিজে থেকে কেউ প্রতিবাদ করতে চায় না, সবাই আশা করে থাকে কবে সুযোগ হবে, কেউ সাহস করে সামনে এক পা বাঁড়াবে। জীবনে চলার পথে অরিত্রীর মত ভুল অনেকেই করি, লজ্জা আর অপরাধবোধে ভুগতে ভুগতে খুঁজি নিজেকে শুধরে আবার সবার মাঝে ফিরে আসার মত একটু সাহস। সেই সময়ে প্রয়োজন হয় একটু ক্ষমার বানী, হয়তো বদলে দিতে পারে একটা জীবন।

    Reply
  2. হাসান

    আত্মহত্যা নিয়ে তত্ত্বকথা অনেকেই পছন্দ করেন না। কারণ যার সন্তান ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়ে, তার জীবনে এর চেয়ে বিভীষিকাময় দৃশ্য আর নেই। কিন্তু তারপরও ফ্রয়েডের মতে, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকা এবং মৃত্যুবরণের ইচ্ছা আছে। কাজেই প্রত্যেক মানুষের অবচেতন মনে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা সুপ্ত থাকে। যদিও সব আত্মহত্যার ধরন ও কারণ অভিন্ন নয়। ভারতে প্রায়ই ঋণের জালে জর্জরিত কৃষকের আত্মহত্যার খবর গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়। আফগান বা ইরাকযুদ্ধফেরত অনেক মার্কিন সেনার আত্মহত্যার খবরও আসে।জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষ যন্ত্রণা থেকে মুক্তির জন্য আত্মহত্যা করে। অনেক মানসিক ভারসাম্যহীন লোক না বুঝেই আত্মহননের পথ বেছে নেয়। ন্যায়বিচার না পাওয়া অনেক সময় মানুষকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করে যার উদাহরণ গাজীপুরের হযরত আলী। এইসব আত্মহত্যার সঙ্গে পারিবারিক টানাপড়েন, বিশেষ করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অত্যাচার নির্যাতনে গৃহবধূর আত্মহত্যার প্রবণতা এই একুশ শতকেও কমার কোনও লক্ষ্মণ নেই, যার সবশেষ শিকার ঝিনাইদহের প্রিয়াংকা।

    Initiative Suicide in American Sociological review নামে একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, হতাশা হচ্ছে আত্মহত্যার সবচেয়ে বড় কারণ। যখন কেউ মনে করে তার বেঁচে থাকার আর কোনও অর্থ হয় না, তখন সে নিজের জীবন হরণ করতে চায়।‘আট বছর আগের একদিন’ কবিতায় জীবনানন্দ দাশ সমাজ সংসারে বাহ্যিক দৃষ্টিতে সুখী একজন মানুষের আত্মহত্যার কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে লিখেছেন:

    অর্থ নয়, কীর্তি নয়, স্বচ্ছলতা

    আরও এক বিপন্ন বিস্ময়

    আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভেতরে খেলা করে।

    কিন্তু যে মৃত্যুগুলো নিয়ে আমরা কথা বলছি, এইসব মৃত্যুর পেছনে কোনও ‘বিপন্ন বিস্ময়’ নেই। এইসব মৃত্যু মূলত আমাদের নিজেদের হাতে তৈরি অসুস্থ বাস্তবতার ফল। এখানে কোনও তাত্ত্বিক ও দার্শনিক কারণ খোঁজার অবকাশ নেই। এইসব মৃত্যুর জন্য দায়ী এই সমাজ ও রাষ্ট্র; এবং সম্মানের সঙ্গে মানুষের বেঁচে থাকার নিশ্চয়তার অভাব।হযরত আলী, প্রিয়াংকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিংবা সবশেষ অরিত্রি হয়তো সেই ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও পথ পায়নি। তাদের কাছে হয়তো মৃত্যুটা সকল সমস্যার সমাধান মনে হয়েছে কিংবা সমাজ ও রাষ্ট্রের বিচারহীনতা, জীবিকার অনিশ্চয়তা আর অপমানজনিত তীব্র মানসিক চাপের ফলে তারা হয়তো আপাতদৃষ্টিতে যৌক্তিক ও সাহসী কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেনি, কিন্তু তারপরও এইসব মৃত্যুকে উপেক্ষা সুযোগ নেই। এইসব প্রাণের ‘অপচয়’ রোধের প্রধান অস্ত্র সমাজ ও রাষ্ট্রকে মানবিক করে গড়ে তোলা। একজন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি গ্রহণের পরেও অন্তত খেয়েপরে বেঁচে থাকার মতো একটা নিশ্চয়তা পাওয়ার জন্যও যদি অনিশ্চয়তার ভেতরে দিনাতিপাত করতে হয় এবং তার ওপরে পরিবারের চাপ ও ভর্ৎসনাও যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে তার সামনে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে পড়ার কী বিকল্প থাকবে?

    Reply

Leave a Reply to আদিব Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—