একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্বের সীমানা কতটুকু? কিংবা একজন সাংবাদিক কী করতে পারেন বা কী করতে পারেন না, তা আমরা কিভাবে নির্ধারণ করব? সাংবাদিকতা কী কিংবা একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব কী হবে? সাংবাদিকতার পরিমণ্ডলে এসব আলোচনা নতুন নয়।

ষোল শতকে বিশ্বব্যাপী যখন বিভিন্ন রাষ্ট্রে সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল, তখন থেকেই বিজ্ঞজনের আলোচনায় এ বিষয়টি স্থান করে নিয়েছে। যেমন, জন মিল্টনসহ সাংবাদিকতার লিবারেল থিওরির অন্যান্য সমর্থকরা এবং পরবর্তীতে প্রস্তাবিত সামাজিক দায়বদ্ধতা তত্ত্বের বিজ্ঞজনেরা গণমাধ্যমকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এসব বিজ্ঞজনেরা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্বকে বিশ্লেষণ করেছেন এইভাবে যে, রাষ্ট্রে ক্ষমতা ও সম্পদের সুষম বন্টনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা ‘চেক অ্যান্ড ব্যালান্স’ এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে।

অর্থাৎ সাংবাদিকের কাজ হবে রাষ্ট্রে রাজনীতির সুষ্ঠু প্রয়োগে ভূমিকা রাখা, দুর্নীতির অপব্যবহার রোধ, সম্পদের সুষম বন্টন, প্রান্তিক জনগষ্ঠীর চাহিদা নির্ধারণ ও রাষ্ট্রকে জানানোসহ সর্বোপরি সমাজের সদস্যদের ব্যক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নে নিয়োজিত থাকা। যে কারণে সাংবাদিকতাকে বলা হয় ‘মহান পেশা’।

আবার কোনও কোনও গণমাধ্যম-তাত্ত্বিক সাংবাদিকতাকে সমাজসেবা হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। এ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একজন সাংবাদিক বা গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা করবে, যার মধ্য দিয়ে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ সমানভাবে তাদের নাগরিক অধিকার ভোগ করবেন। তাত্ত্বিকভাবে আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবাদিকতাকে এভাবেই চিহ্নিত করে থাকি।

সাংবাদিকতা কী এবং এর কোনও পেশাগত সীমানা আছে কিনা বা যদি থাকে সেটি কতোটুকু বা কিভাবে নির্ধারিত হবে এ বিষয়টি আলোচনায় আনার উদ্দেশ্য হলো কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে জাতীয় নির্বাচনের একজন মনোনয়নপ্রত্যাশীকে নিয়ে একধরনের ‘পলিটেইনমেন্ট’ চলছে।

এই লেখার উদ্দেশ্য মূলত আলোচনার মধ্য দিয়ে অনুমানে আসা যে, এ ধরনের সাংবাদিকতা কতটা নীতি মেনে চলছে বা এর মধ্য দিয়ে আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক সমাজব্যবস্থা তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবো কিনা।

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের মনোনয়ন পাবার প্রত্যাশায় আবেদনপত্র জমা দিচ্ছেন। বিভিন্ন দলের মনোয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একজন হলেন- আশরাফুল আলম সায়িদ। ‘হিরো আলম’ নামে পরিচিত সায়িদ, বগুড়া-৪ আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী।

গত কয়েকদিন ধরে ‘হিরো আলমকে’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ধরনের প্রচারণা, ইতিবাচক বা নেতিবাচক যাই বলি না কেন, হচ্ছিলো। গত সপ্তাহে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শো-তে বিভিন্ন দলের কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সাথে হিরো আলমকেও অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

এ পর্যন্ত বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত চমৎকার লাগছিল এ কারণে যে, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে নির্বাচনের ঠিক আগ মুর্হূতে রাজনীতি বিষয়ে সমাজে বিদ্যমান ‘পাবলিক স্ফেয়ার’কে তথ্য দেওয়ার মধ্য দিয়ে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। কিন্তু জাতীয় পার্টির এ মনোনয়নপ্রত্যাশীর প্রতি টক শো উপস্থাপিকার ছুঁড়ে দেওয়া প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অত্যন্ত স্থূলভাবে তিনি একজন সাংবাদিক হিসেবে নিজের দৈন্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তীব্রভাবে শ্রেণি বিভাজনের ধারায় বিভাজিত তার এহেন আচরণ সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। যেমন জাতীয় পার্টির এ মনোনয়নপ্রত্যাশীকে তিনি প্রশ্ন করেছেন যে, “আপনার মনে হয় যে একজন সাংসদ হওয়ার মত সকল যোগ্যতা আপনার আছে? এক প্রশ্নের জবাবে ‘হিরো আলম’ বলেন, আজকে সবাই আমাকে চিনে, জনগণ আমাকে ‘হিরো বানিয়েছে।

নরেন্দ্র মোদির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন আমিও  স্বপ্ন দেখতে চাই! ঠিক পরের একটি প্রশ্নে উপস্থাপিকা জানতে চান, “আপনি কি মনে করেন  আপনি ভালো কিছু করেছেন বলে জনগণ আপনাকে নিয়ে এসেছে (হিরো বানিয়েছে) নাকি আপনাকে নিয়ে একধরণের মজা করা যায় এ জন্য নিয়ে (এ পর্যায়ে) এসেছে?”

আরেকটি প্রশ্ন ছিল এই রকম “…মজা করে জনপ্রিয়তা অর্জন করা, জাতীয় সংসদ তো ভীষণ রকমের সিরিয়াস একটা জায়গা, পবিত্র জায়গা, সেখানে আইন প্রণয়ন হয় সাধারণ মানুষের জন্য, আপনি মনে করেন সংসদ ভবন মজা করার জায়গা?”

আলম এর উত্তরটি ছিল এরকম, “মজা কারা করে বলেন তো…যারা আসলে কিছু করতে পারে নাই তারা মজা করে। আমাকে নিয়ে যারা মজা করে তারা দেখছে আমি কোন জায়গা থেকে উঠে আসছি? মজা তারা কেন করেন বলেনতো, আমার চেহারাডা যদি মাশরাফির মতো হতো আমি যদি তার মতো স্মার্ট হতাম, ৭ ফুট লম্বা হতাম তাহলে আমারে নিয়ে মজা করত না।“

অনেকগুলো দিক থেকেই উপস্থাপিকার এই আচরণকে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। যেমন ‘হিরো আলম’ মনোয়নপত্র দাখিল করেছেন। কে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখেন আর কার এ যোগ্যতা নেই সেটি নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের সংবিধান। জাতীয় পার্টি যদি ‘হিরো আলম’কে মনোনয়ন দেয় তাহলে নিশ্চয়ই সংবিধানের সকল বিধান মেনে নিয়েই দিবে। এক্ষেত্রে হিরো আলমের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পেশাগত অধিকার একজন সাংবাদিকের আছে কি? উপস্থাপিকার প্রশ্নমালা আরেকটু ভালো করে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শুরু থেকেই তিনি  আলমকে রাজনীতিবিদদের কাতারে ফেলতে নারাজ। তিনি আলমকে একজন নাগরিক হিসেবে নয়, বিবেচনা করেছেন অপেশাদার, অশিক্ষিত, অযোগ্যপ্রার্থী হিসেবে, যেটি কোনওভাবেই সাংবাদিকসুলভ আচরণ নয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যখন অর্থনৈতিকভাবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশগুলোতে উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়, তখন ধারণা করা হয়েছিল, গণমাধ্যম প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণকে শিক্ষিত করে তোলার মধ্য দিয়ে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবে, যে ধারণাটি পরবর্তীতে তীব্রভাবে সমালোচিত হয়। কেননা যখনই বলা হচ্ছে, গণমাধ্যম নাগরিককে শিক্ষিত করে তুলবে, ঠিক তখনই গণমাধ্যমকর্মীরা একটি বিশেষ সামাজিক শ্রেণিভুক্ত হয়ে সমাজের সদস্যদের শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অশিক্ষিত মূর্খ হিসেবে চিহ্নিত করতে থাকেন। এই উপস্থাপিকার ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি।

তিনি ধরেই নিয়েছেন, হিরো আলম অশিক্ষিত এবং তাকে শিক্ষিত করে তোলার মহান দায়িত্ব তিনি নিজ হাতে নিয়েছেন। কিন্তু না, এর নাম সাংবাদিকতা নয়। গত শতকের ৮০ এর দশকে ‘অ্যানথ্রোপোলজি অব মিডিয়া’ নামে একটি ধারণা স্ফীত হতে থাকে, যেটি সাংবাদিকতাকে প্রথাগত তথ্য প্রদানকারীর ভূমিকা থেকে বেরিয়ে এসে সমাজের প্রান্তিক, নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করতে আহ্বান জানায়। এতে বলা হয়, সাংবাদিকের কাজ কাউকে অশিক্ষিত, মূর্খ হিসেবে চিহ্নিত করে তাকে শিক্ষাদানের দায়িত্ব নিয়ে নেওয়া নয়। বরং অশিক্ষিত ও মূর্খ হওয়ার কারণে একজন ব্যক্তি কিংবা একটি গোষ্ঠী কিভাবে আরো বেশি পরিমাণে নিপীড়িত হচ্ছে সেটি প্রকাশ করা। যার মধ্য দিয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীটির লাঞ্ছনা লাঘব হয়। আমাদের মনে রাখা ভালো, ‘অশিক্ষিত’ ও ‘মূর্খে’র  সংজ্ঞা একেক দেশে একেক রকম। সুতরাং হিরো আলমকে টকশোতে ডেকে এনে মনোনয়নপত্র নেওয়ার দায়ে তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করা সাংবাদিকতা নয়। জনমুখী সাংবাদিকতার উদাহরণ হতে পারত এভাবে যে সাংবাধানিক বিধানাবলী রক্ষা করে হিরো আলম মনোনয়নপত্র ওঠানোর পর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার কারণে তিনি যেন নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ‘পাবলিক স্ফেয়ার’ থেকে যেন বিচ্যুত হয়ে না পড়েন, সেটি নিশ্চিত  করা।

উপস্থাপিকা জানতে চেয়েছেন—আপনি (আলম) মনে করেন যারা ঝানু রাজনীতিবিদ, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছেন, দেশ নিয়ে ভাবেন, সকল কিছু ভাবেন তাদের পাশে আপনি সংসদ ভবনে বসতে পারবেন সংসদ সদস্য হিসেবে?” স্পষ্টতই আলমকে হেয় প্রতিপন্ন করার মানসিকতা নিয়ে তিনি এই ধরনের প্রশ্ন করেছেন। আমি বলছি না যে আমাদের উচিত আলমকে নির্বাচনে পাস করিয়ে সংসদে নিয়া আসা। কিন্তু  যে জায়গাটি আমি আলোচনা করে স্পষ্ট করতে চাই, একজন সাংবাদিক হিসেবে রাষ্ট্রের নাগরিকের অধিকার নিশ্চিতের দায়িত্ব আমাদের! গণমাধ্যমগুলো আলমের বিষয়ে একধরনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসতে পারতো যে- সাংবাধিনিক বিধানাবলী লঙ্ঘন না করে যারা নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় আসছে, তাদের জন্য দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য একটি পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখা।

কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা দেখেছি তার উল্টো চিত্র। উপস্থাপিকার মনোভাব ছিল এই রকম যে, হিরো আলমরা সমাজের নিচু শ্রেণির মানুষ। সংসদে আসার যোগ্যতা বা অধিকার কোনওটিই তাদের নেই। শ্রেণিভিত্তিক বিভাজনে বিভাজিত এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যদি আমরা বেরিয়ে আসতে না পারি তাহলে গণমাধ্যম তার চরিত্র হারাবে। কেননা গণমাধ্যমের অন্যতম কাজই হচ্ছে সমাজের সমাজে বিদ্যমান শ্রেণিবিভাজনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক সমাজব্যবস্থা তৈরিতে সহায়তা করা যা কিনা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

এ ধরনের সাংবাদিকতা বাংলাদেশে নতুন নয়। প্রায় প্রতিবছরই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সাংবাদিকদের দেখা যায় ‘সঠিক’ মেধা যাচাইয়ের মহান দায়িত্ব পালন করতে। এ সময়টিতে দেখা যায়, পাস করা শিক্ষার্থীদের ‘আমি জিপিএ ৫ পেয়েছি’ বাক্যটির ইংরেজি অনুবাদ কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে মেধা যাচাইয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন অনেক সাংবাদিক। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সাংবাদিকদের আসলে এ কাজগুলো করা কতটা সমীচিন। এ বিষয়টি নির্ধারণ করার দায়িত্ব আমিও নেইনি। কিন্তু একটি সুস্পষ্ট আলোচনার মধ্য দিয়ে হয়তো আমরা একটি সমাধানে পৌঁছাতে পারবো যে, এ ধরনের ‘সাংবাদিকতা’ কতোটা সাংবাদিকতা হয়ে উঠছে।

লেখাটির শুরুতে বলছিলাম সাংবাদিকতার পরিধি কতটুকু। সাংবাদিকতার ক্ষেত্র নির্ধারণ করা অতটা সহজ নয়। কেননা সাংবাদিকতা বিষয়টি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নামক যে বিশাল ধারণা তার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তবে সাংবাদিকতার সীমানা নির্ধারণের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত কিছু নীতিমালা রয়েছে। সাংবাদিকতার নীতিমালা প্রণয়নে কাজ করছেন, এমন উল্লেখযোগ্য দুটি সংগঠন হচ্ছে ‘সোসাইটি অব প্রফেশনাল জার্নালিস্ট’ এবং ‘রেডিও-টেলিভিশন-ডিজিটাল নিউজ আসোসিয়েশন’। তাদের দেওয়া কিছু সুপারিশমালার মধ্য দিয়ে আমরা একজন সাংবাদিক বা একটি গণমাধ্যম কী করতে পারে, আর পারে না- তার একটা সীমারেখা টানতে পারি।

‘সোসাইটি অব প্রফেশনাল জার্নালিস্ট’ বলছে, সাংবাদিকতার অন্যতম একটি কাজ হবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করা ও গণমাধ্যমে প্রকাশ কোনও সংবাদের কারণে যদি কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হন তখন তার বা তাদের প্রতি সমবেদনা পোষণ করা। এক্ষেত্রে হিরো আলমের মতো যারা সাংবিধানিক বিধিনিষেধ রক্ষা করে প্রান্তিক পর্যায় থেকে উঠে আসার চেষ্টা করছেন, তাদের এ চেষ্টাটুকুকে সম্মান দেখানোর পরিবর্তে প্রান্তিক পর্যায়ের সদস্য হওয়ার কারণে তাকে মনোনয়নপত্র নেওয়ার আপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা সাংবাদিকতা নয়।

প্রশ্ন আসতে পারে, হিরো আলমের শিক্ষাগত যোগ্যতা একজন সাংসদ হওয়ার জন্য যথাযথ কিনা। এ বিষয়ে আমি আগেও বলেছি, সাংসদ হওয়ার প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করছে সংবিধান। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানে দাঁড়ায় সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। সেক্ষেত্রে আমরা আলোচনার মাধ্যমে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারায় পরিবর্তন আনতে পারি।

এদিকে ‘রেডিও-টেলিভিশন-ডিজিটাল নিউজ আসোসিয়েশন’ নামক সংগঠনটি বলছে, সংবাদ প্রকাশের সময় সংবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়ে সংবাদ প্রকাশ কারা উচিত।  সংগঠনটি আরো সুপারিশ করছে, ধনী-দরিদ্র, জাতি, ধর্ম, বর্ণসহ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিচয়ভিত্তিক স্টেরিওটাইপ করা থেকে সাংবাদিকদের বিরত থাকতে হবে।

সবশেষে ‘সোসাইটি অব প্রোফেশনাল জার্নালিস্ট’ এর একটি চমৎকার ধারা বলে শেষ করি। এ সংগঠনটি বলছে, সংবাদ সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে তথ্য পাওয়ার অধিকার একজন সাংবাদিকের রয়েছে, কিন্তু এ অধিকার যেন দম্ভ প্রকাশের মাধ্যম হয়ে না উঠে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

আসুন সাংবাদিক হিসেবে আমরা ‘এলিট’ কিংবা  ‘দাম্ভিক’ হয়ে না উঠি, কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রান্তিক পর্যায়ের সদস্য হওয়ার কারণে তাদেরকে সংবাদে বিশেষ ধরনের ‘ফ্রেমিং’ এর মাধ্যমে প্রান্তিকায়ন না করে বরং তাদেরকে একীভূত করার চেষ্টা করি।

৩০ Responses -- “নির্বাচনে হিরো আলমের প্রার্থিতা ও আমাদের সাংবাদিকতা!”

  1. মাহবুবুর রহমান

    আমাদের দেশের সংবিধান হিরো আলমকে সংসদ নির্বাচন করার যোগ্যতা দিয়েছে। এখানে কিছু সাংবাদিক এটাকে বিরুপ দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করছেন। এতে আমাদের দেশের সংবিধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্ঠা করছেন বলে মনে হয়।

    Reply
  2. Rabiul Ahasan

    আপনার সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ। এখানে যে উপস্থাপিকা তাকে কেন আপনারা সাংবাদিক বলছেন তা বুঝলাম না। উপস্থাপনা আর সাংবাদিকতা এক জিনিস না। সত্যিকারের সাংবাদিক হলে সে এমন দাম্ভিক আচরণ করতে পারত না। সাংবাদিকতার ন্যূনতম জ্ঞান তার নাই। এসব অপদার্থ সাংবাদিকদের জন্য আজ ভাল সাংবাদিকতা খুব কমই চোখে পড়ে। দেশের যেসব সংসদ সদস্যরা পায়ের উপর পা তুলে, লিমুজিন গাড়িতে চলে জীবনযাপন করে তা কিন্তু এ দেশের গরীব, দুঃখী, সাধারণ মানুষের ভোটের দান। তারা যখন ভিক্ষুক এর মত তাদের কাছে ভোট ভিক্ষা চায় তারা কি তখন তাদের কাতারে পড়ে না? হিরো আলাম এর যে দেশপ্রেম আছে তা কয়টা সাংসদের আছে? এ সংসদ দেশপ্রেমিকদের স্থান। চোর, বাটপার, লুটপাট করার স্থান না। গণতান্ত্রিক সংসদ ব্যাবস্থাতে যদি কারো জনসমর্থন থাকে, দেশের উন্নয়নের মানসিকতা থাকে আর সর্বোপরি সে যদি বাংলাদেশের মানুষ হয় তবে তার নির্বাচনের নমিনেশন পাওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আর সব মিডিয়ার সামনে এই উপস্থাপিকার হিরো আলম এর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

    Reply
  3. kajal

    Journalists or reporter should have to polite, their body language would be calm and quiet, full with gentility and behavior must honest but may be desperate on the issue of honesty and professionalism.
    Thanks,
    Rafi Bhai. lot of thanks to say something about reporters deals.

    Reply
  4. Nurul Haque

    বেশীরভাগ ক্ষেত্রে টিভিতে যাদের আমন্ত্রণ করা হয় তাদের অধিকাংশ টকিং টম ছাড়া কিছুই নয়। এরা যে কি বলে নিজেরাই জানে না। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক কথা বার্তা বলে। কোথায় শুরু করছে কোথায় শেষ করতে হবে তাও জানেনা। কথা বলতে হয় তাই কথা বলে। যার রাজনীতি করে তারা ছাড়া সিকল প্রকারের দর্শক বিরক্ত হয়। সঞ্চালক ও অতিথিদের কেঊ এ বিষয়টা খেয়াল করে না। রাজনৈতিক টকশো গুলো একটি বিরক্তিকর অনুষ্ঠান।

    Reply
  5. Md. Faruk Hosen

    Bhai apnar lekhata onek valo legese , Aaak jon manus k soto karar kono odhikar e amader karo e nai , seta media hok ba sadharon maunus e hok kimba khamota shali e hok. But amar aakhep ta onno jaygay. Hiro alom k ami soto kore dekhsina ami tar samalochona o korsi na , a jabot tar sahosikata amar moon k nara diyese. j vabei hok se aakhon alochonay asese. aakbar vabon to abeger borshoporti hoye adeser janogan take vot diye take jayjukto korlo se oi aalkar MP holo se ki korte parbe parliament ar moto jaygay. j naki bangladesh k represent korbe bisser darbare kono na kono vabe. Tar ki sei goggota ase ???? ba konodin habe???
    dos ta hero alomer na dos ta jara ok atodur porjonto peson theke othshaho jugiyese, ami dikkar janai tader jara hero alomder moto sapno bajj klokder opohaser patro kore tole.

    ami khakhono chai na hero Alomer moto manus parliament a basuk . Media jagote welcome . ami tar unnoti kamona kori

    Reply
    • Bongo Raj

      বেগম জিয়া যখন রাজনীতিতে আসেন তিনি তখন গৃহিণী, পড়াশুনায় মেট্রিক ফেল। তিনি যদি, এত বড় নেত্রী হতে পারেন তাহলে এই বেচারে হবে না হতে পারবে না কেন সন্দেহ করছেন?
      কথাই তো আছে, যেখানে দেখিবে ছাই উড়ায়ে দেখ তাই, পেলেও পেতে পার অমুল্য রতন!

      Reply
      • Saif

        @ R Masud,
        You are comparing apple and orange dude! Khaleda’s husband established his party and Khaleda inherited it as Hasina did. Hero Alom is asking nomination from another party. According to Wazed Mia Hasina also failed BA on of the subject. Who has qualification in Bangladeshi politics?

      • Bongo Raj

        You better take an appointment for a psychiatric test to check your perception.
        Who ever a Matric failed or a failed in one subject of her BA exam does it matter against my comment?
        “Any body may have the capability to shine like a sun/star if he/she worked for it” was the purposes of my comment.
        For you the great fool. be aware that Einestain has failed many of his primary educaiton exams?

        By the way, Again I am denying that “unfortunately I’m not your Dulabhai Masud ( who you liked much I deem)”; also refer where I can see Dr. Wazed Mia’s comment about “BA fail info of Sheq Hasina.”

      • Saif

        You are most ignorant senior citizen I have ever seen. Who pays you $200k? Oh sorry, according to you 0.2 Miilion. What a pity! You write 0.2 million not 200k! Why you go after every single anti Awami comment? Are you an agent? Do you have any sense? You change your nick every now and then. Why??

    • Ferdous Oahid Rifat

      You guys are wrong that hero alom is not fit or not able to be an M.P. You should know first about hero alom. he is better than any current parliament member. He has enough spirit and ability to do for lower class people. And he is the best option of our Bagura-4. We love Hero Alom. You guys keep laughing…..

      Reply
  6. সরকার জাবেদ ইকবাল

    এ সময়কালের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রসঙ্গে লেখার জন্য রাহাত রাফিকে সাধুবাদ জানাই। সাংবাদিকতার নিগূঢ় তত্ত্বকথা জানি না, বুঝি না। তবে টিভি টকশোতে কিছু কিছু দাপুটে সঞ্চালকের বাচনভঙ্গি এবং বডি-ল্যঙ্গুয়েজ অত্যন্ত ঔদ্ধত্বপূর্ণ এবং আপত্তিকর। তারা এমনভাবে কথা বলতে থাকেন মনে হয় যেন তারাই প্রধান বক্তা, যাদেরকে আলোচনায় ডাকা হয়েছে তারা নির্বোধ শ্রোতামাত্র। উপরন্তু, এমনও দেখা গেছে সঞ্চালক এমনভাবে প্রশ্ন করতে থাকেন যেন আমন্ত্রিত অতিথির কাছ থেকে প্রত্যাশিত উত্তরটি বেরিয়ে আসে। যখন তা হয় না তখন সঞ্চালক তড়িঘড়ি করে আলোচনায় ছেদ টেনে বিরতিতে চলে যান বা আলোচনার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সম্মানিত আলোচকদের প্রতি এই অসম্মান/অপমান বন্ধ হোক, সুস্থ সাংবাদিকতা বিকশিত হোক – এই কামনা।

    Reply
  7. saboj ahmed

    আমি প্রথমে বলে রাখি আমি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সমর্থক নই। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে কিছু লিখলাম। যে সাংবাদিক হিরো আলমকে নিয়ে হিরো সাজার চেষ্টা করছেন, আসলে তিনি কোনও সাংবাদিকের মধ্যে পড়েন না। তার বিভিন্ন টকশো দেখলে বোঝা যায় তিনি কোন প্রকৃতির লোক। আপনারা প্রায় সময়ই দেখবেন আমাদের দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে উনি টকশো করেন এবং টকশোর মধ্যে তিনি যে কোন একটি পক্ষ নিয়ে বেশী কথা বলেন এবং টকশোর সৌন্দর্যটা নষ্ট করে দেন। আমি মনে করি উপস্থাপিকা আর উনি যদি সত্যিকারের সাংবাদিক হয়ে থাকেন তাহলে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। নতুবা ওনাদের মতো কিছু সাংবাদিকের কারণে টকশোর মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান আর কেউ দেখবে না।

    Reply
  8. নিনো

    এ রকম একটা লেখার অপেক্ষায় ছিলাম। ধন্যবাদ বিষয়গুলিকে সামনে নিয়ে আসার জন্য। আমি অনুষ্ঠাটি দেখেছি আর
    উপস্থাপিকার জন্য করুণা বোধ করেছি। আনুষ্ঠানিক শিক্ষা থাকলেও মানুষ অশিক্ষিত হতে পারেন উপস্থাপিকা তার উদাহরন।

    Reply
  9. Sheik Shahed Jamil

    That journalist was right to ask those questions. That man is a delusional. He can gain fame by stupidity that’s ok, but he is not at all fit for anything serious. I do not understand how come this writer’s opinion becomes a column of a famous online newspaper!

    Reply
    • Ak Khan

      Do you think Momtaz is a serious candidate? Even Mashrafe? What they know about politics? Any experience whatsoever? Hero Alom at least did UP election. Politics are business and place to be very rich in short amount of time. That’s why everyone is after it.

      Reply
  10. younusur rahman

    আপনার এই লেখাটা অজয় দাশগুপ্তের মন দিয়ে পড়া উচিৎ। এখানে যারা লেখে তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেকে বিশ্বপন্ডিত মনে করে। সব সময় তারা সরাসরি নাম নিয়ে চিকন আলিকেই সমালোচনা করে অপমান করার চেষ্টা চালায়। মোটা আলির কথা তারা সেরকম বলেনা। নিজের দেশের দূর্বল মানুষদের অপমান কিভাবে করতে হয় তার প্রতিযোগিতা হলে আমাদের দেশ দুনিয়ার প্রথম হবে। ক্রিকেটের থেকে আসা মাসরাফি ভোট করতে পারলে সংসদে বসতে পারলে অভিনয় থেকে আসা হিরো আলমও পারবে। তাছাড়া এই দশম সংসদ এমনিতেই ব্যবসায়ীতে ভরপুর। ‘বুকটা ফাইট্টা যায়’ গানের শিল্পী মমতাজেরতো গত পাচ বছরে কোন সমস্যাই হয় নাই। ইংল্যান্ডের নাকি লিখিত কোন সংবিধান নাই, সেখানেতো আগের জন থেকেই আস্তে আস্তে পরের জন শিক্ষা নিয়ে তারা তাদের দেশ ঠিকই চালাচ্ছে। যারা হিরো আলমকে নিয়ে মজা করে তারা তাদের জাত সম্পর্কে জানে না অথবা তারা তাদের নিজেদের ইরান আফগান ইয়েমেন বা পাকিস্তান বংশোদ্ভূত মনে করে। ব্রিটিশরা চলে গেছে ঠিকই কিন্তু লম্বা সাদা ধনী বা শিক্ষিত হলে অনেকে আবার সাহেব সাহেব ভাবে ভাবতেই ভালবাসে। নিজেকে মনে প্রাণে বাংগালী ভাবলে কালো চিকন বেটে হিরো আলমকে নিয়ে তারা কখনও মজা করতে পারতো না। তাদের মনের মধ্যে কোন না কোন অহংকার আছে বলেই তারা তা এভাবে প্রকাশ করছে। তবে চাই একাদশ সংসদে এই কালো বেটে চিকন হিরো আলম এবার এমপি হোক আর এদেশের সাদা লম্বা ধনী শিক্ষিত মানুষগুলি জানুক যে, সব ধরনের গণমানুষের অংশগ্রহনেই গণতন্ত্র আস্তে আস্তে কিভাবে শক্তিশালী হয়।

    Reply
  11. azadi Hasnat

    আমিও সাক্ষাৎকারটা দেখেছি। হিরো আলম হিরোর মতোই জবাব দিয়েছেন। সাংবাদিকের এত দাম্ভিক মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন করা ঠিক নয়। আশা করি ওই নারী সাংবাদিক নিজেকে শুধরে নিবেন।

    Reply
  12. আশীক রহমান

    হিরো আলমকে নিয়ে এমনটিই ভাবছিলাম। ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য ।
    আমাদের কী এমন সময় হিরো আলম নিয়ে পড়ে থাকবার কথা???
    রাজনীতিতে বিরোধী প্রার্থীরা ধাওয়ার ওপর, সেই রাজনীতির ভয়ংকরতা ঢাকতে এবং মানুষকে মজাদার আলোচনায় ব্যস্ত রাখতে হিরো আলমদের প্রয়োজন। এসব রং-চড়ানো ইস্যু দিয়ে নির্বাচনী রাজনীতির মূল প্রশ্নগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে রাখা হচ্ছে কি?ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হলে হিরো আলমকে নির্ঘাত ধাওয়া করা হতো। এমন মশকরা, জেরা করার কায়দায় প্রশ্ন করার ‘স্টাইলটা’ নতুন নয়। এভাবেই প্রশ্নের নামে বানানো ফাঁদ, মশকরা ও ধমকের মুখে পড়তে হয়েছিল কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাসহ বিখ্যাত কয়েকজন ব্যক্তিকে। সাংবাদিকতার এই রূপ আমাদের কে দিয়েছে?

    Reply
  13. ফাহমিদা জান

    এটা হলো জাত্যাভিমানের বহিঃপ্রকাশ। আমরা তাকে নিয়ে ট্রল করে বুঝাতে চাইছি আমরা তার চেয়ে উপরের ক্লাস বিলং করি। আমার ধারনা এটা বাঙ্গালী মধ্যবিত্তের এক ধরনের ক্লাস ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স। আমরা সব সময় নিজেরা ক্লাস নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগী এবং নিজের ক্লাসের চেয়ে তথাকথিত নিচু ক্লাসের কেউ কিছু করতে চাইলে তাকে নিয়ে হাস্যরসে মেতে উঠি। এটার মাধ্যমে বুঝাতে চাই আমরা তারচেয়ে অভিজাত। এক সাক্ষাৎকারে হিরো আলম অবশ্য বলেছেন, ইয়াবা গডফাদার, চোর বাটপার, গম চোরেরা নির্বাচিত হতে পারলে আমি কেন পারব না। এর জবাব অবশ্য সুশীলদের কেউ দিতে পারেনি । হিরো আলমের ইলেকশন করতে কোন আইনি বাধা নেই, অথচ ঋণ খেলাপি,সাজাপ্রাপ্ত আসামী, মাদক ব্যবসায়ী অনেকেই নমিনেশন কিনেছেন। আর আমরা দেদারসে তাদের গুণকীর্তন করে যাচ্ছি। এসবই প্রমাণ করে আসলে আমরা কী চাই। আমি হিরো আলমের পক্ষে সাফাই গাইছিনা বরং বলতে চাচ্ছি আমরা যা তাই আমাদের কাজে প্রতিফলিত হয়। রাজনীতিতে যদি ইয়াবাখোর, গাঁজাখোর, দুর্নীতিবাজরা nomination না পেত তাহলে হিরো আলমদের উথ্থান হতো না। আর বাংলাদেশের রাজনীতিও যদি সচ্ছ হতো তাহলে এসব উইটনেস করা লাগত না। এখন হিরো আলমরা যুক্তির বিচারে MP হবার স্বপ্ন দেখলে আপনার আমার সমস্যা কোথায়?

    Reply
  14. Mute Spectator

    সাংবাদিকদের বিকৃত মাইন্ডসেটের বিষয়টি একজন সাংবাদিক তুলে ধরে অসামান্য
    প্রজ্ঞা ও সাহসের পরিচয় দিয়েছেন, আপনাকে কুর্ণিশ করি। পেশাদার গয়েন্দার কাজ
    আর রিপর্টারের ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট যে এক নয় এতাও অনেক সাংবাদিক মানেন না। লাইভ প্রোগ্রামে ডেকে এনে পুলিশের মত জেরা তো নিত্য দৃশ্যমান।

    কবে যে অবস্থা বদলাবে?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—