কাহিনীটি তো অনেকেরই জানা। অহল্যা ও দেবরাজ ইন্দ্রের সেই ঘটনা। ঋষি গৌতমের স্ত্রী অহল্যার প্রতি আসক্তি ছিল দেবরাজের। গৌতমের অনুপস্থিতিতে তাই তারই ছদ্মবেশ ধরে অহল্যার কাছে আসেন তিনি, তার সঙ্গে শারিরীক সম্পর্কও  গড়েন।  এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত গৌতম দেবরাজকে শাপ দেন যেন তার সারা দেহে যোনি চিহ্ন দেখা দেয়। পরে অবশ্য ইন্দ্রের সকাতর ক্ষমা ভিক্ষায় সেগুলোকে লোচন চিহ্নে পরিণত করা হয়। সম্প্রতি মি টু আন্দোলনে আবার এই পুরনো কাহিনীটি মনে পড়লো।

কারণ মি টু আন্দোলনের ফলে বাংলাদেশের সাহিত্য, সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় দেবতার আসনে অধিষ্ঠিত অনেকেরই মুখোস খুলে পড়ছে। এ প্রসঙ্গে একটা কথা না বলে পারছি না। আমাদের মানসিকতায় একটা বড় ধরনের গলদ রয়েছে। আমরা প্রায়শই ‘প্রতিভবান’ ও ‘উন্নত’ মানুষের মধ্যে ধারণাগুলো গুলিয়ে ফেলি। একজন মানুষ মেধাবী হতে পারে, প্রতিভাবান হতে পারে, বিখ্যাতও হতে পারে। তারমানে কিন্তু এই নয় যে মানুষ হিসেবে বা মানবিক গুণাবলীর দিক থেকে সে অবধারিতভাবে উন্নত হবে।

আবার অনেক অমেধাবী, অপ্রতিভাবান ও অখ্যাত মানুষও মানবিক গুণাবলীর দিক থেকে অনেক উন্নত হতে পারে। কারও প্রতিভার কদর করার অর্থ এই নয় যে, তার যে কোনও অন্যায় বা নিপীড়নমূলক আচরণকেও সমর্থন  করতে হবে বা তার বিষয়ে বুদ্ধিবিবেচনা হারিয়ে ফেলতে হবে। কোন মানুষ সম্পর্কেই অন্ধত্ব কখনও কাম্য নয়। আমরা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এই কথাগুলো ভুলে যাই। যখন কোন মানুষের প্রতিভায় আমরা মুগ্ধ হই, তার ভক্ত হয়ে যাই, তখন তার নেতিবাচক দিকগুলো সম্পর্কে প্রাণপণে চোখ বুজে থাকতে চাই। এই বন্ধ হওয়া চোখকেই খুলে দিতে চাচ্ছে মি টু আন্দোলন। অনেক দেবপ্রতিমার খড়-মাটি দেখা যাচ্ছে। যারা অভিযোগ করছেন তাদের সাহসের তারিফ না করে পারছি না। কারণ, বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় যখন কোন নারী তার বিরুদ্ধে সংঘটিত যৌন হয়রানির বিষয় প্রকাশ করেন তখন সেই নারীকে ‘খারাপ’ নারী হিসেবে চিহ্নিত করতে রীতিমতো উঠে পড়ে লাগে সমাজের একদল মানুষ। কারণ দেখা যায়, যৌন নিপীড়ক সেই অভিযুক্ত হয়তো কারও বন্ধু, কারও ভাই, কারও পুত্র, কারও স্বামী, কারও শিক্ষক, কারও চাকরিদাতা ইত্যাদি ইত্যাদি। সাধারণত নিপীড়ক ব্যক্তিটি হন ক্ষমতাবান। অথবা নিপীড়নের সময় ক্ষমতাবান ছিলেন। ক্ষমতার প্রতি আমাদের মোহ রয়েছে। আর ওই ব্যক্তির কাছে অনেকেরই হয়তো রয়েছে ব্যক্তিগত স্বার্থ। অথবা রয়েছে অন্ধ ভক্তি বা প্রীতি বা অন্য কোনকিছু। ফলে আমরা তখন অভিযোগকারীকেই দোষী বলে মনে করি। এমনও হতে পারে অভিযোগকারীর প্রতি আমার ব্যক্তিগত ক্ষোভ আছে, কিংবা হয়তো তারও কিছু আচরণগত সমস্যা রয়েছে বলে আমার জানা, কিংবা হয়তো অভিযোগকারীকে আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি না।  অভিযোগকারী ধোয়া তুলসিপাতা না হতে পারে, তার নিজেরও চারিত্রিক নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য থাকতেই পারে। মোটকথা অভিযোগকারী যদি একজন খারাপ মানুষও হয়, তারমানে কিন্তু এই নয় যে তার অভিযোগটি মিথ্যা কিংবা গুরুত্বহীন। অভিযোগকারীর ব্যক্তিগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে তার প্রতি সংঘটিত যৌন হয়রানির বিচার পাওয়ার অধিকার বা সেটি প্রকাশের অধিকার খর্ব হয়ে যায় না।

এবার আরেকটি কথা বলি। যৌন হয়রানি যে শুধু পুরুষই করে তা নয়। নারীও করতে পারে। মূলত এটি ক্ষমতা প্রকাশের বিকৃত খেলা। একজন ক্ষমতাবান অন্য একজন ক্ষমতাহীনকে যৌন হয়রানি করে নিজের ক্ষমতার প্রকাশ ঘটিয়ে আত্মতুষ্টি লাভ করে। শিশুরা ও কিশোরবয়সীরা তাদের তুলনায় বয়স্কদের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার বেশি হয়। কারণ বয়স্করা তাদের তুলনায় সামাজিকভাবে ক্ষমতাবান। আমাদের সমাজে, পরিবারে ও কর্মক্ষেত্রে যেহেতু পুরুষরাই তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষমতার জায়গায় থাকে তাই তাদেরকেই বেশি নিপীড়কের ভূমিকায় দেখা যায়।

কিন্তু কোনও নারীও নিশ্চিতভাবেই নিপীড়ক হতে পারে যদি সে ক্ষমতার জায়গায় থাকে এবং সেই ক্ষমতার অপব্যবহার ঘটিয়ে অন্যকে যৌন হয়রানি করে। মি টু আন্দোলন তাই কোনওভাবেই কেবলমাত্র নারীর আন্দোলন নয়। এটি নারী-পুরুষ উভয়েরই মানবিক অধিকার অর্জনের আন্দোলন। সকল বিবেকবান মানুষেরই এই আন্দোলনে সামিল হওয়া নৈতিক কর্তব্য। কিন্তু মুশকিল হলো আমাদের বিবেকের চেয়ে স্বার্থবুদ্ধি ও অন্ধভক্তি অনেক বেশি। সমাজের ক্ষমতাবান অনেককেই দেখছি মি টু আন্দোলনে অভিযোগকারীকেই দোষী সাব্যস্ত করতে উঠেপড়ে লেগেছেন এবং মি টু আন্দোলনের বিপরীতে ভূমিকা রাখছেন। কারণটা কি থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ার ভয়? যার থলেতে বিড়ালের অস্তিত্ব নেই তার কিন্তু মি টু আন্দোলনে ভয় পাওয়ার বা এর বিরুদ্ধে দাঁড়াবার কোন কারণ নেই। ভয় তারাই পাবেন যাদের নিজেদেরও ওই দোষ আছে। তেনারা হলেন ইউ টু।

আরেকটি কথা অনেকে বলছেন যে, মৃত ব্যক্তিদের নিয়ে টানাটানি করা ঠিক হচ্ছে না। এক্ষেত্রে বলতে চাই মানুষ মৃত হলেই সকল পাপের দায় থেকে রেহাই পেতে পারে না। বিশেষ করে ভিকটিম যেখানে জীবিত এবং এখনও ভুক্তভোগী। নিপীড়ক জীবিত বা মৃত যাই হোক ভিকটিমের অধিকার আছে তার উপর সংঘটিত অন্যায়কে জনসমক্ষে তুলে ধরার। হ্যা, তারপর অবশ্যই সাক্ষ্যপ্রমাণের পালা আসতে পারে।

জীবিত নিপীড়কদের উদ্দেশ্যে আমার একটা পরামর্শ আছে। যদি নিজেকে অপরাধী বলে জানেন তাহলে অভিযুক্ত হওয়ার আগে নিজেই স্বীকারোক্তি প্রদান করুন। স্বীকারোক্তিতে পাপ পুরো না কাটলেও পাবলিক সেন্টিমেন্ট অন্তত আপনার পক্ষে যেতে পারে। সেটাই বা কম কি?

মোট কথা মি টু আন্দোলনকে আমি সমর্থন জানাচ্ছি। অহল্যারা তো অনেক বছর ধরেই ভুগছে। এবার দরকার ইন্দ্র ও জিউসদের চরিত্র তুলে ধরা। যাতে অন্যরা সাবধান হতে পারে।

 

শান্তা মারিয়ালেখক; সাংবাদিক।

১০ Responses -- “বাদ যাবে না কোনও ‘দেবরাজ’”

  1. Not applicable

    it’s almost end of 2018 new year is opening soon. in the first passage of the text is: a history or a story of an imagination? it’s not clear to me. i am not sure if it is clear to anyone else either. our thinking should be more modernized. secondly the entire article, it seems to me another imagination. author did not clearly say what is actually affair with anyone in her story because in Bangladesh it is not the same thing compare to the western world or where this movement started. it is an incomplete article with very little information that does not match with the “me too” movement. I wanted to to see more on this as Bangladesh friendly article however i still like to thank to the author because it could be a step number 1.

    Reply
  2. সরকার জাবেদ ইকবাল

    সুপ্রিয় শান্তা মারিয়া,

    একই প্রসঙ্গে শাশ্বতী বিপ্লবের লেখাটি পড়েছি, আপনার লেখাটিও পড়লাম। নৈতিকতার প্রশ্নে আমি এই আন্দোলনকে সমর্থন করি। সুবোধ চেহারার আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানুষের কুৎসিত চেহারাগুলো উন্মোচিত হোক – এই কামনা। তাতে একটা কাজ হবে, – ঐ নোংরা মানুষগুলো আর তাদের হিংস্র থাবা বিস্তারের সাহস দেখাবে না। পাশাপশি, অন্যরাও সতর্ক হয়ে যাবে।

    কিন্তু, আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। আপনারা দু’জনই একটি প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেছেন। অথবা, প্রাসঙ্গিক নয় বলে হয়তোবা আলোচনায় আনেননি। যখনই কেউ যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তখনই তাকে আপনারা যৌন হয়রানি বলছেন, আর, সেটাকেই মি-টু’র আওতায় নিয়ে আসছেন। অর্থাৎ, ঘটনাটি হতে হবে এক পক্ষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে। কিন্তু, যেসব ক্ষেত্রে উভয়ের সম্মতিতে যৌনাচার ঘটছে সেগুলো নিয়ে আপনারা কেন কোন কথা বলছেন না? আমারতো ধারণা এরকম অপরাধের সংখ্যাই বেশি। তাহলে আপনাদের নীরবতা কি ঐ ধরনের আচরণগুলোকে অনুমোদন দিচ্ছে? এ বিষয়টি আমার কাছে কেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং দুশ্চিন্তার হয়ে উঠেছে তা বোঝানোর জন্য সংক্ষেপে একটি ছোট্ট ঘটনা বলতে চাই, –

    বড় ছেলে বিবাহিত। অধ্যাপনা করছে আমেরিকায়। ছোট ছেলে ঢাকায়। একটি ‘ভাল’ পাত্রী খুঁজছি ওর জন্য। কোনভাবেই সবদিক মিলছে না। পরামর্শ নেয়ার জন্য গেলাম আমার এক মুরুব্বী আত্মীয়ের কাছে। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ ব্যাংক কর্মকর্তা। উনি বললেন মফস্বল থেকে কনে খোঁজার জন্য। জানতে চাইলাম ঢাকা থেকে কেন নয়? (নারীসমাজের প্রতি বিনীত শ্রদ্ধা রেখেই বলছি) তিনি বললেন, “ঢাকার মেয়েরা প্রেম করার নামে লিভ-টুগেদার করে।” এরকম মন্তব্যকে কখনই সাধারণীকরণ (Generalise) করা যায় না। কিন্তু, তাঁর এই অভিমতকে যদি স্বত:সিদ্ধ বলে ধরে নিতে হয় তাহলে আমি ‘ভাল মেয়ে’ (পাত্রী) কোথায় পাবো?

    দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবেন না। একজন বাবা হিসেবে বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

    Reply
  3. JC Sarker Joy

    #MeToo আন্দোলনের কারনে শেষ পর্যন্ত নারীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারন এসব অভিযোগের মুখে কর্মজীবনে ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত পুরুষেরা অধিক সতর্ক হয়ে যাবে। জুনিয়র বা অধীনস্ত নারীদের গ্রুমিং বা মেন্টরিং এর ক্ষেত্রে পুরুষদের অনেকেই সাবধান হবেন। যে প্রফেসর তার ছাত্রীকে এক ঘন্টা রুমে বসিয়ে অনেক একাডেমিক গুরুত্বপুর্ণ বিষয় শেয়ার করতেন, তিনি এখন এক মিনিট কথা বলেই সে ছাত্রীকে বিদায় করে দিবেন। অনেক শিক্ষক ছাত্রীদের থিসিস সুপারভাইজার হবার ক্ষেত্রে সাবধান হবেন। অনেক অফিস নারী ইন্টার্ন নেয়ার ঝামেলায় যেতে চাইবে না।

    এমনও ঘটনা শোনা যাচ্ছে যে বস তার অধীনস্ত নারী কর্মীকে কাজে অবহেলার জন্য বকাঝকা করলে সেই নারী কর্মী এইচআরডিতে গিয়ে বসের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করে এসেছেন। এসব দেখে নিয়োগকর্তারা এখন কর্মী নিয়োগে নারীদের বাদ দেয়ার ছুতা খুজছেন।

    কাজ শিখতে হলে কর্মক্ষেত্রে সবার সাথে ইনফরমাল পরিবেশে মিশতে হয়। ইনফরমাল গ্যাদারিং এ কেউ রাবিন্দ্রিক স্টাইলে কথা বলে না। এডাল্ট জোক্স শেয়ার হতেই পারে। এখন এরকম গ্যাদারিং এ কেউ আর নারীদের রাখবে না। কারন এডাল্ট জোক্স শুনে নারী যৌন হয়রানির অভিযোগ দিয়ে বসবে।

    মোটকথা এই মিটু অন্দোলনের মাধ্যমে নারীদেরকে কর্মক্ষেত্রে সাইডলাইন করার রাস্তাই প্রশস্ত হচ্ছে। অনেক পুরুষই তার যৌনতাকে পুরোপুরি চেপে রেখে নারীর সাথে ভাব বিনিময়ে অসমর্থ এ সত্য বুঝতে হবে নারীদের। পুরুষকে চাবুক মেরে তার যৌন আচরনকে নিয়ন্ত্রিত করা যাবে ঠিকই। তবে নারীর উপরে উঠার রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে যাবে।

    Reply
    • হেমু হোসাইন

      বাজে অযুহাত দেখানোর কোন মানে হয় না। বাসায় মা-বোনের সামনেও কি তারা এডাল্ট জোক্স বলে? আমার মনে হয় তা বলে না।

      Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      মি: জেসি সরকার,

      আপনার আশঙ্কাগুলো হয়তোবা সত্যে পরিণত হতেই পারে। কিন্তু, তাই বলে পুরুষের যৌন চাহিদার কাছে নারীকে আত্মসমর্পন করতেই হবে – এ কেমন যুক্তি? যুদ্ধে নামলে রক্তক্ষয় হতেই পারে। আর, সেই রক্তদানে নারীসমাজ প্রস্তুত আছে বলেই আমার বিশ্বাস।

      Reply
    • সাহাদাত মানিক

      আপনার উল্লেখিত প্রায় প্রতিটি সমস্যাই সহজে হতে পারে এবং একমত। তবে দুর্জনেরা এগুলি ব্যবহার করেই তাদের যৌন হয়রানি চালিয়ে যায়। আসুন আগে আমরা নিজেরা ঠিক হই – যৌন হয়রানি কে না বলি।
      উল্লেখিত সমস্যার সমাধান একটু কঠিন তবে অস্বভব নয়। উন্নত সভ্য দেশের মতোই আমরাও একদিন নারী শিশুদের সন্মান করতে শিখবো।

      আপনার মন্তব আমার অনেক ভালো লেগেছে।

      Reply
    • Faisal Khan

      জয়, অত্যন্ত নিন্দা জানাচ্ছি আপনার অভিমতের, সন্দেহ নেই আপনি নিজেই নারীর নিপীড়নে জড়িত তাই সাফাই গাইতে এসেছেন।

      Reply
  4. Qudrate Khoda

    সংক্ষিপ্ত কিন্তু সাংঘাতিক লেখা।
    লেখিকা দুতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন যেমনঃ যৌনতা বনাম ক্ষমতা, দক্ষতা বনাম নৈতিকতা, ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর চরিত্র ও অপরাধীর আয়ু , ইত্যাদি।
    বহুদিন পর উনার লেখা দেখে ভাল লাগলো। উনার মতো শক্তিমতী লেখিকার কাছে আরো লেখা আশা করি।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—