বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে লেখালেখি করতে গিয়ে অনেকেই একটি বইয়ের কথা রেফারেন্স (Citation) হিসেবে উল্লেখ করেন।  বইটার নাম ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ (Witness to Surrender) ।  লেখক সিদ্দিক সালিক, যিনি তৎকালীন পাকিস্থানি মিলিটারির একজন মেজর ছিলেন। ১৬ই ডিসেম্বর মিত্র বাহিনীর হাতে যুদ্ধবন্দি হন। ১৯৭৭ সালে বইটি প্রথম প্রকাশ হয়।

অনেকেই এই বইটির রেফারেন্স দিতে পছন্দও করেন। এই ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্ট কিছু বই পড়ার চেষ্টা করি। সেসব বই এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে আমরা এমন কিছু অসঙ্গতি পাই, যা সবার জানা প্রয়োজন বলে মনে করি।

সিদ্দিক সালিকের ঐ বইয়ের ৭৫ নম্বর পাতাটি খেয়াল করুন-

এখানে লেখা আছে-

“…When the first shot had been fired, “the voice of Sheikh Mujibur Rahman came faintly through on a wavelength close to that of the official Pakistan Radio. In what must have been, and sounded like, a pre-recorded message, the Sheikh proclaimed east Pakistan to be People’s Republic of Bangla Desh. (*1).”

অর্থাৎ “যখন প্রথম গুলিটি বর্ষিত হলো, ঠিক সেই মুহূর্তে পাকিস্তান রেডিওর সরকারী তরঙ্গের (ওয়েভ লেন্থ) কাছাকাছি একটি তরঙ্গ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষীণ কণ্ঠস্বর ভেসে এলো। ওই কণ্ঠের বাণী মনে হলো আগেই রেকর্ড করা হয়েছিলো। তাতে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হিসেবে ঘোষণা করলেন।” (*১)

লক্ষ্য করুন – এখানে রেফারেন্স হিসাবে সিদ্দিক সালিক একটি বইয়ের নাম দিয়েছেন। বইটির নাম  Pakistan Crisis (পৃষ্ঠা ৯৮)। বইটি লিখেছেন ডেভিড লোশাক, যিনি ১৯৭১ সালে ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি টেলিগ্রাফের ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছিলেন। পাকিস্তান ক্রাইসিস বইটি ১৯৭২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত।

David Loshak তার বই Pakistan Crisis-এ কি লিখেছেন দেখার চেষ্টা করি-

এখানে লেখা আছে-

The voice of Sheikh Mujibur Rahman came faintly through on a wave-length close to the official Pakistan radio. In what must have been and sounded like, a pre-recorded message, the Sheikh proclaimed East Pakistan to be the People’s Republic of Bangla Desh.

অর্থাৎ বোঝা গেল এই অংশটুকু সিদ্দিক সালিকের বইয়ের সাথে মিলেছে। এবার আসুন সিদ্দিক সালিকের ওই বইয়ের পরের অংশটুকু পড়ি।

নিচের ছবিটা খেয়াল করুন-

 

The full text of the proclamation is published in Bangla Desh Documents released by the Indian Foreign Ministry. It said, This may be my last message. From today Bangla Desh is independent. I call upon the people of Bangla Desh, wherever you are and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. Your fight must go on until the last soldier of the Pakistan occupation army is expelled from the soil of Bangla Desh and final victory is achieved. * 2

 

এবার দেখুন এখানে তিনি (Op. cit., Vol. 1, p. 286) রেফারেন্সের মাধ্যমে ভারতীয় একটি বই “Bangla Desh Documents” -এর উক্তি দিয়েছেন। বইটি প্রকাশ করে – Ministry of External Affairs, Govt of India, New Delhi.

উল্লেখ্য ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত এই বইটির মোট ৩ টি সংস্করণ রয়েছে। প্রথমটি ১৯৭১ সালে, এর পরে ১৯৭৪ সালে আরও একবার প্রকাশ হয়। সর্বশেষ বাংলাদেশে ইউপিএল ১৯৯৯ সালে একটি সংস্করণ বের করে।

আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, কোনো সংস্করণেরই ২৮৬ পৃষ্ঠায় সিদ্দিক সালিকের উল্লেখিত ‘মেসেজ’টি নাই।

এরপর আমরা “Bangla Desh Documents” বইয়ের আদ্যোপান্ত ঘেঁটে ২৮০-২৮১ পৃষ্ঠাতে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে একটা লেখা পাই। কিন্তু সেখানে যে টেক্সট আছে সেটি সিদ্দিক সালিকের কোট করা উক্তির সাথে মেলে না।

সিদ্দিক সালিকের বইতে যে টেক্সট আছে সেটি হলো-  “This may be my last message. From today Bangla Desh is independent. I call upon the people of Bangla Desh, wherever you are and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. Your fight must go on until the last soldier of the Pakistan occupation army is expelled from the soil of Bangla Desh and final victory is achieved.”

কিন্তু নিচে দেখুন “Bangla Desh Documents” বইয়ে কী লেখা আছে! দুটো সম্পূর্ণ দু’রকম।

 

 

তাহলে প্রশ্ন হলো উনি এই লাইনগুলো কোথায় পেলেন?

তাই, যারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কাজ করেন এবং সিদ্দিক সালিকের বইয়ের রেফারেন্স প্রমাণ হিসেবে উত্থাপন করেন তারা আসলে একটি অসত্য এবং অসম্পূর্ণ তথ্যকেই প্রচার করেন।

শুধু তাই নয়, সিদ্দিক সালিক নিজে তার বইতে স্পষ্ট করেই লিখে দিয়েছেন যে, “I didn’t hear this broadcast.” অর্থাৎ তিনি নিজের কানে এটি শোনেন নাই।

অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর যে মেসেজের কথা বলা হয়েছে সেটা কোথাও নাই। এবং দ্বিতীয়ত ওই মেসেজের রেফারেন্স হিসেবে যে ভারতীয় বইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন সেখানে এধরনেরই কিছুই নাই। এক কথায় তিনি একটা ভুল তথ্য তার বইতে দিয়েছেন।

উদাহরণ হিসাবে এখানে একটা বইয়ের উল্লেখ করা যায়। বইয়ের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর -একটি  নির্দলীয় ইতিহাস।’

লিখেছেন বহু বছর অধ্যাপনা এবং বেতার সাংবাদিকতার সাথে জড়িত, সিকি শতাব্দীর বেশি কাল ধরে প্রবাসে থাকা গবেষক ও লেখক গোলাম মুরশিদ, তিনি লিখেছেন-

“এছাড়া,  সিদ্দিক সালিকের মতে , রাত বারোটার দিকে একটা অজ্ঞাত -পরিচয় বেতার কেন্দ্র থেকে ক্ষীণকণ্ঠে তাঁর ঘোষণা শোনা গিয়েছিলো। (সালিক, ১৯৮৮) কিন্তু তিনি নিজে  শোনেননি, অথবা অন্য কেউ শুনেছেন বলেও উল্লেখ করেননি ।”

গত ২৬ মার্চ ২০১৮, একুশে টিভির অনলাইন পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বর্তমান আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা, মন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহমেদ –এর একটি লেখা প্রকাশ হয় এবং তিনি সেখানে লিখছেন – “স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক বাহিনী প্রধান লে. জেনারেল নিয়াজীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালিক তার ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘যখন প্রথম গুলিটি বর্ষিত হলো, ঠিক সেই মুহূর্তে পাকিস্তান রেডিও’র সরকারি তরঙ্গের কাছাকাছি একটি তরঙ্গ থেকে ক্ষীণস্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের কণ্ঠস্বর ভেসে এল। ওই কণ্ঠের বাণী মনে হলো পূর্বেই রেকর্ড করে রাখা হয়েছিল। তাতে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।’”

মুক্তিযুদ্ধের আরেকজন শ্রদ্ধেয় গবেষক, শিক্ষাবিদ মুনতাসীর মামুন তার ‘পাকিস্তানি জেনারেলদের মন : বাঙালি, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ’ বইতেও এই ঘটনার উল্লেখ করেছেন। যদিও  তিনি সেখানে বলেছেন, ‘অনেকেই এটি সালিকের উক্তি বলে উল্লেখ করেছেন। বইটি পড়ার আগে আমিও করেছি। কিন্তু এখন দেখছি এটি সালিকের উক্তি নয়। এটি ডেভিড লোশাকের ‘পাকিস্তান ক্রাইসিস’ নামক গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত। সালিক নিজেও জানিয়েছেন তিনি এ ঘোষণা শোনেননি।”

অর্থাৎ মুনতাসীর মামুন এটাকে সাংবাদিক ডেভিড লোশাকের উক্তি বলে রেফারেন্স দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত শামসুল আরেফীন তার ‘বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার দুর্লভ দলিল’ বইতেও আমরা একই অবস্থা লক্ষ্য করি।

ড. মমতাজুদ্দিন পাটোয়ারী এবং জি এম তারিকুল ইসলাম এর সম্পাদনায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহুমাত্রিক মূল্যায়ন’ বইতে মেজর সিদ্দিক সালিকের ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ গ্রন্থের ওই একই রেফারেন্স দিয়েছেন।

এভাবেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা গবেষণা করেন বা লেখালেখি করেন তারা স্বাধীনতার ঘোষণা সংক্রান্ত গবেষণা বা লেখালেখিতে পাকিস্তানি লেখকের এই বইয়ের তথ্য কোনো রকম ক্রসচেক না করেই ভুল রেফারেন্স ব্যবহার করছেন।

অতএব এই ব্যাপারে আমাদের এক্ষুণি সজাগ হওয়া উচিৎ এবং কোনও বইকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করার আগে মূল বইটা খুঁজে সেখানে ওই তথ্য আসলেও আছে কিনা এবং থাকলে তা একই রকম অর্থ প্রকাশ করছে কিনা সেটা যাচাই করা জরুরি।

Responses -- “সিদ্দিক সালিকের রেফারেন্স: কতোটা সত্যি, কতোটা কুয়াশা?”

  1. Ishita Jamal

    শ্রদ্ধেয়, “সিদ্দিক সালিকের রেফারেন্স: কতোটা সত্যি, কতোটা কুয়াশা?” রচনাটি পাঠ করে কয়েকটি বিষয়ে স্পষ্ট হবার তাগিদ অনুভব করছি, বিশেষত লেখাটির আলোচ্য বিষয় যেহেতু বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর প্রসঙ্গ। প্রথমত, লেখাটির মূল বিষয়বস্তু কি? সিদ্দিক সালিকের ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ গ্রন্থের ‘বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা বিষয়ক’ অংশটি ভুল নাকি সঠিক তার পর্যালোচনা? যদি প্রমাণিত হয়ে থাকে তথ্যটি ভুল তবে সেটা স্পষ্টতই লেখকের (সিদ্দিক সালিক) তথ্যসূত্র সম্পর্কিত বিভ্রাট। এর দায়ভারও সম্পূর্ণ গ্রন্থকারের উপর বর্তায় যা একাত্তরের ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাকে কোনোক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ ও সংশয়িত করেনা। সেক্ষেত্রে এ বিষয়ে শ্রদ্ধেয় লেখক-গবেষকের আরও জোরালো ও সুনির্দিষ্ট উচ্চারণ কাম্য।

    তদুপরি, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়ে কোন বইয়ের তথ্যসূত্র সঠিক ও নির্ভরশীল বলে গণ্য করা হবে, সে বিষয়ে লেখাটিতে ন্যূনতম আলোকপাত করা হয়নি। সর্বজন শ্রদ্ধেয় লেখক-গবেষক তাঁর বিস্তৃত গবেষণা থেকে সহজেই এ বিষয়ে দিকপাত করতে পারবেন, তেমনটিই আশা করি।

    সিদ্দিক সালিকের গ্রন্থের পাশাপাশি ডেভিড লোশাকের ‘পাকিস্তান ক্রাইসিস’ এবং ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডকুমেন্টস’ গ্রন্থের অসামঞ্জস্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই, ‘বাংলাদেশ ডকুমেন্টস’ বইটির ২৮০-২৮১ পৃষ্ঠার লেখাগুলো অস্পষ্ট ও পাঠযোগ্য নয় বিধায় চিহ্নিত অংশটি অনুলিপি বা উদ্ধৃতি আকারে লেখায় সংযুক্ত করে দিলে হয়ত বিষয়বস্তু অনুধাবনে কিছুটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ধন্যবাদ।

    Reply
  2. শাফায়েত চৌধুরী

    জনাব মাহবুবুর রহমান জালাল, আপনার রচনাটি পাঠ করে কোন হেতু বোধগম্য হলোনা। সিদ্দিক সালিক রচিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের অন্যান্য গবেষকরা খুব একটা ব্যবহার করেন বলে মনে হয়নি আমার কাছে। একজন পাঠক হিসেবে আমি ধরেই নিয়েছিলাম আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দাখিল করতে যাচ্ছেন তথ্য-উপাত্ত বিন্যাস করে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আপনি এবারও গত বেশ কয়েকবারের মতো হতাশ করলেন। সিদ্দিক সালিক জেনারেল জিয়াউল হকের সাথে একই বিমানে নিহত হয়েছেন অনেক বছর। আজ, তার রচিত বইয়ের কোন কিছুই পুনর্বার যাচাই সম্ভব না।

    আপনার মূল বক্তব্য যদি হয়ে থাকে সিদ্দিক সালিকের বই রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহারের অযোগ্য সেটা স্পষ্ট করা প্রয়োজন ছিল মনে করছি। আপনি অনেকটা ইনিয়ে বিনিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়টাকেই ঘোলাটে করে ফেললেন প্রকারান্তরে । সিদ্দিক সালিকের বইয়ের নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে আপনি বলছেন, এবং সেই প্রশ্নের জবাব দেবার প্রয়োজন বোধ করেননি। বিষয়টি দুঃখজনক।

    একইসাথে লক্ষণীয়, আপনার পূর্বেকার লেখাগুলোও একইরকমভাবে বিভিন্ন ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে অভিযোগ ও হা হুতাশ বৈ কিছুনা। আপনি সুনির্দিষ্টভাবে সেসব প্রশ্নের জবাব দেন না যেসব প্রশ্ন আপনি নিজে তুলছেন বারবার। নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, আমরা অপেক্ষায় রইলাম আপনি পরবর্তী লেখায় ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার কোন রেফারেন্স নতুন প্রজন্ম ব্যবহার করবে, এবং কেন করবে ও সেটার পক্ষে আপনার সংগৃহীত প্রমাণাদি আপনার গবেষণালব্ধ জ্ঞান থেকে অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।

    Reply
  3. লতিফ

    পিলখানায় কর্মরত সুবেদার মেজর শওকত আলীর ইতিহাস কি চাপা পড়েছে বিভ্রান্তির তলানীতে? বঙ্গবন্ধুর যে ঘোষণা প্রচারের কারণে পাকিস্তানিদের দ্বারা নিহত হলেন, সেটা কি কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না? তা আশ্চর্য হওয়ার আছেই বা কি? বাংলাদেশের ইতিহাস রচয়িতাগণ অন্তত তিন জায়গায় অনৈতিকতার আশ্রয় নিয়েছেন। ইপিআর, মুজিববাহিনী এবং জিঞ্জিরা হত্যাকাণ্ড― এই তিন অধ্যায়কে সযতনে গায়েব করেছেন বিখ্যাত কবি হাসান হাফিজুর রহমান। দৈনিক বাংলা কেন্দ্রিক পিকিংপন্থী বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে আমার সন্দেহ অনেক পুরোনো। আমি বলছি বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ দলিলপত্রের কথা, সেটাতে আরও অনেক কিছু সংযোজিত হতে হবে। পিলখানা অধ্যায়, জিঞ্জিরা অধ্যায় এবং মুজিববাহিনী অধ্যায়। তাহলেই স্বাধীনতা ঘোষণার বিতর্ক থাকবে না।

    Reply
  4. Md. Mahbubul Haque

    “কিন্তু নিচে দেখুন “Bangla Desh Documents” বইয়ে কী লেখা আছে! দুটো সম্পূর্ণ দু’রকম।”

    – বইয়ের হাইলাইটেড অংশটি অস্পষ্টতার জন্য পড়া যাচ্ছে না। দয়া করে টেক্সট হিসাবে মতামত বা কোন সাপ্লিমেন্ট লিখে দেবেন কি?

    জাতির স্বাধীনতা ঘোষণা সংক্রান্ত এ মতবিরোধের অবসান হওয়া অত্যন্ত জরুরী।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—