পশ্চিমা গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক প্রথা এরকম- কোনও নতুন ব্যক্তি যখন কোনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নেন তখন তাকে তার পরিবারের সদস্যরা পরিচয় করিয়ে দেন। অনেক নতুন রাজনীতিবিদ তাদের পেশাগত পরিচয়ের মাধ্যমে ‘পাবলিক ফিগার’ হয়ে যান, কিন্তু জনগণ তাদের ব্যক্তিগত বিষয় সম্পর্কে তেমন জানতে পারে না।

আমি পরিবারের সদস্য হিসেবে গর্বিত সন্তান হিসেবে আমার বাবা ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের ব্যক্তিগত সামান্য কিছু বিষয় তুলে ধরছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা এবার হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

এই লেখাটি দেশের আপামর মানুষ তো বটেই, তার নির্বাচনী আসনের (মাধবপুর-চুনারুঘাট)  ভোটারদের আরও কাছ থেকে বাবাকে চিনতে সহায়তা করবে।

অনেকেই আমার বাবাকে তার সততা, নিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের প্রতি অকুণ্ঠ ভালবাসা বা দেশপ্রেমের জন্য চেনেন। আমি আমার শিশুকালের দু’চারটি মধুর স্মৃতিময় ঘটনা দিয়েই শুরু করছি। এর কয়েকটি  ক্ষেত্রবিশেষে অবিশ্বাস্য লাগতে পারে অনেকের কাছেই ।

আমার বয়স তখন চার বছরের কাছাকাছি। সন্ধ্যার একটু পর অনেকেই হয়তোবা রাতের খাবারও খেয়েছে; ঢাকার জনগণ উল্লাসে ফেটে পড়ছে; চারদিকে আতশবাজী হচ্ছে অনেকে পটকা ফোটাচ্ছে। আমি বাবার কাছে দৌড়ে গিয়ে উদ্বিগ্নতা নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘বাবা কী হয়েছে?’ আমি তখন বাবার মুখে বিশাল হাসি দেখতে পেলাম। এতে আমি স্বস্তি পেলাম এবং ভালো লাগলো। বাবা বললেন, ‘আজকে একটা বিশাল দিন, আজ বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যত সূচিত হলো।’ দিনটা ছিল ১৯৭২ সালের ৮ই জানুয়ারি যেদিন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।

আমাদের জাতির জন্য সূচনাকালটা সুখের ছিল না। সদ্য স্বাধীন কোনও দেশের সূচনাকাল সুখের হওয়ারও কথা নয়। অনুরূপভাবে আমাদের দুই ভাইবোনের শিশুকালটাও সুখের ছিল না। অভাব ছিল, অনিশ্চয়তা ছিল। আমার বাবা ইউএসএইড এর বৃত্তি পেয়ে আমেরিকার বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করতে গেলেন। বৃত্তি চারজনের সংসারের জন্য অপ্রতুল। মা- কে বাধ্য হয়ে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে চাকরী নিতে হয়। বাবা রেকর্ড পরিমাণ স্বল্প সময়ের নিয়ে সেখান থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পিএইচডি ডিগ্রি লাভের পর তিনি বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় অথবা জাতিসংঘের অন্তর্ভূক্ত কোনও দেশে অনেক উচ্চতর পদে কাজে যোগ দিতে পারতেন। যদি তিনি বোস্টনে থেকে যেতেন বা জাতিসংঘের অন্তর্ভূক্ত কোন দেশে চাকরি নিতেন তাতে আর্থিকভাবে অনেক স্বচ্ছলতা পেতেন। আমারা দু ভাইবোন হয়তোবা অভিজাত জীবন যাপনের সুযোগ পেতাম। বিভিন্ন সময়ে বাবার মুখের বিভিন্ন কথা; দেশের মানুষ সম্পর্কে তার ভাবনা চিন্তা চেতনা আমাদের মনে কখনোই অভিজাত জীবন যাপনের অভিলাষ তৈরি করেনি।

জাতিসংঘের উচ্চতর বেতন ও শত সুযোগ সুবিধা সম্বলিত চাকরির প্রতি আগ্রহ না দেখিয়ে সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে দেশের জনগণের সেবা করার মানসে ১৯৭৯ সালে বাবা দেশে ফিরে আসেন। সময়টা অনুকূলে ছিল না। মেজর জিয়াউর রহমানের স্বৈরশাসনের অন্ধকার যুগ চলছিল। তা সত্ত্বেও বাবা দেশে ফেরার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন এবং ফিরেছিলেন।

আমার বাবাকে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের অধীনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইকোনোমিক রিলেশন ডিপার্টমেন্ট (ইআরডি) বিভাগে কাজ করার সুবাদে খুব ঘন ঘন বিদেশে সফর করতে হতো। তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অর্থ সহায়তার জন্য বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে সভা করতেন এবং তাদেরকে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে অর্থ সহায়তা করার জন্য রাজি করাতে পারতেন। এটা তার স্রষ্টা প্রদত্ত অতিরিক্ত যোগ্যতা বলেই মনে হয়।

তার সতাতা ও নিষ্ঠা দেশের প্রতি অমোঘ ভালোবাসা আমার শিক্ষা জীবনেও প্রভাব ফেলে। আমি ধানমণ্ডির স্কলাস্টিকা টিউটোরিয়ালে ভর্তি হই। এতে আমার বাবা গর্বিতও ছিলেন। আমি আমার বাবাকে প্রায় তার সহকর্মীদের বলতে শুনেছি, “আমি আমার সন্তানদের ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়া না করিয়ে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়াবো।”

আমি নবম শ্রেণিতে স্কলাস্টিকা টিউটোরিয়াল থেকে সিদ্দিকীস টিউটোরিয়ালে ভর্তি হলাম। এ স্কুলটা আমাদের মোহাম্মদপুরের সরকারী বাসভবন থেকে কাছে ছিল এবং এখানে লেখাপড়ার খরচও কম ছিল। ভর্তির পর স্কলাস্টিকার শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ মিসেস মোরশেদ আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং সেখানে ফিরে যেতে বললেন। আমি বাবার কাছে গিয়ে তার উপদেশ চাইতেই বাবা সততার গুরুত্ব সম্পর্কে বললেন। বাক্যটা ছিল এরকম, “বাবা তুমি কিন্তু জনাব সিদ্দিকীকে ওয়াদা দিয়েছো।”

একজন সৎ সরকারী কর্মকর্তার এত টাকা পয়সা থাকে না যে, তিনি তান সন্তানকে বিদেশে লেখাপড়ার জন্য পাঠাতে পারেন। আমার বাবার ক্ষেত্রে তা শতভাগ সত্য ছিল। অনিচ্ছা স্বত্বেও আমার বাবাকে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে জাতিসংঘের একটি চাকরির জন্য আবেদন করতে হয়েছিল। তিনি থাইল্যান্ডে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে একটি আকর্ষণীয় চাকরির প্রস্তাবও পেয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন সংস্থাপন সচিবের অনুমতি না পাওয়ায় সেখানে যোগ দিতে পারেননি।

পরে অবশ্য অনুমতি পেলেও আমার বাবাকে একটি দরিদ্র দেশে আবাসিক প্রতিনিধির চেয়ে নিম্নতর উপ-আবাসিক প্রতিনিধি হিসেবে চাকরিতে যোগ দিতে হয়েছিল। এতেও তাকে আমি কখনো আক্ষেপ করতে দেখিনি। তিনি সর্বদাই দেশের প্রতি এবং সরকারী চাকরির দায়িত্ব কর্তব্যের প্রতি অনুগত ছিলেন। এ অবস্থা থেকে কখনও এক বিন্দুও নড়চড় হতে দেখিনি। ইউএনডিপিতে ১৩ বছরের সফল চাকরির পর আমার বাবা আশ্চর্যজনকভাবে (কারো কারো কাছে অবিশ্বাস্য মনে হবে) জাতিসংঘের শত সুযোগ সুবিধা সম্বলিত চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিলেন এবং পরিবার পরিজন নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিদেশে থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসলেন।

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল। তিনি বাংলাদেশের গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন; যারা কঠিন পরিশ্রম করে লেখাপড়া শিখে একটি চাকরির মাধ্যমে পরিবার, সমাজ এবং দেশের উন্নয়নের জন্য অবদান রাখবে। এ মানসে ১৯৯৬ সালে তিনিসহ তার সমমানসিকতা সম্পন্ন ১৫ (পনেরো) জন মিলে ঢাকায় একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেন। এটাই দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম- ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী স্বল্পতম খরচে শিক্ষা নিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হচ্ছে।

আমার বাবার কাছে জাতিসংঘের উচ্চ বেতন ও শত সুযোগ সুবিধা সম্বলিত চাকরির চেয়ে সততা এবং দেশের প্রতি ভালোবাসার গুরুত্ব অধিক। তার দেশপ্রেমের স্বীকৃতিও তিনি ১৯৯৮ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার কাছ থেকে পেয়েছিলেন। তিনি (শেখ হাসিনা) আমার বাবাকে দেশের আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থাকার সময়ে তিনি বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের স্বার্থ রক্ষার ব্যাপারে ব্যাংকিং খাত যাতে আন্তরিক থাকে এবং সাধারণ জনগণের জন্য ব্যাংকিং খাত যাতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে তার জন্য সদা সচেষ্ট ছিলেন।

আজ আমার বাবা ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর- চুনারুঘাট) সংসদীয় আসনের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছেন। এটা বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণকে সেবা দেয়ার  জন্য একটি উপযুুক্ত প্লাটফরম এবং তার সারা জীবনের লালিত বাসনা দেশের মানুষের কল্যাণ সাধন করার একটি উপযুক্ত ক্ষেত্র।

৩২ Responses -- “আমার বাবা ফরাসউদ্দিন ও নির্বাচন”

  1. ALI AZGAR KHAN

    GOOD INITIATIVES TO WATCH NATIONAL FINANCE EXPERT IN MAIN STREAM , HOPEFULLY, WE WILL BE ENLIGHTEN MORE IN SCENES OF DEVELOPMENT GROWTH WITH SUSTAINABLE BANGLADESH..THANKS.
    ALI

    Reply
  2. Shibly Nomany

    অর্থ মন্ত্রি হিসেবে স্যারের মত যোগ্য ও সৎ একজন ব্যক্তি এদেশে এখন খুবই দরকার। তার রাজনৈতিক জীবন সফল হোক। শুভ কামনা।

    Reply
  3. Nasser

    Asaf Farashuddin, Please keep in mind that it was Zia who gave the opportunity to your father to return to Bangladesh and work under Abul Maal Abdul Muhit. But you did not forget to prefix “the Autocratic Ruler” before Zia’s name. I think your father is a person who taught you how to be an ungrateful person. So you did. .

    Reply
  4. mohammed ali

    ড মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন এক জন সৎ মানুষ একথা মেনেই বলছি যে এখন বাংলাদেশের রাজনীতি মানে মিথ্যা আর অন্যকে ঘায়েল করা।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগএর বিশ্বস্ত অনুগতদের একজন। তিনি কি নিজের শততার মাঝে থাকতে পারবে? ৯৬ এর আওয়ামী লীগ আর ২০১৮ সালের আওয়ামী লীগ এক নয়। চরমভাবে দলীয় সুবিধা প্রদান করাতে বাধ্য থাকতে হবে। গত ৫ বছরের লুটপাটের শিকার ব্যাংকগুলো আগামীদিনে আরও বেশি লুটপাট হবে। রাজনীতি এখন ভালো ব্যবসা আপনার বাবাও সেই একইকাজে লিপ্ত হয়ে নিজের বা অন্যের লাভের কারন হবে। আগামীর ড ফরাস উদ্দিনকে দেখার অপেক্ষায় রইলাম। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

    Reply
  5. Mukto Bangla

    ডঃ ফরাসউদ্দিনের গড়া ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে আতাউল করিম নামের এক জামাতি প্রভাষক কিভাবে বছরের পর বছর ছড়ি ঘোরায় তা খুবই আশঙ্কাজনক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিবির ক্যাডার তার কর্মস্থল ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির চারিদিকে শিবিরের ঘাঁটি গড়ে তুলেছে।

    আশা করি আমার এই কমেন্টের মাধ্যমে বিষয়টা আপনার ও অতঃপর আপনার বাবার নজরে আসবে।

    Reply
  6. Dewan G Ahmed

    প্রথম যে দিন শ্রদ্ধেয় ড: ফরাস উদ্দিন সাহেব এদেশের আরেক কৃতি সন্তান ড: কামাল হোসেনকে আক্রমন করে বক্তব্য রাখলেন সেদিনই ভাবছিলাম উনার আগামীদিনের লক্ষ্য । স্পষ্টতই তিনি আশা করে আছেন আগামীদিনের বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী । দেশকে উনি কি দিয়েছেন জানিনা, বাংলাদেশ ব্যাংক এর অর্থচুরীর ঘটনা তদন্ত করার ভার ছিল উনার উপর । করেছেনও । দেশের মানুষের আগ্রহ কি পেয়েছিলেন ? এতোই যদি দেশ প্রেমিক হোন তাহলে সরকার গ​ড়িমসি করলেও উনার উচিত ছিল রিপোর্টটি প্রকাশ করা । আওয়ামি লীগ করতে হলেই শহীদ জিয়ার বিরুদ্ধে কিছু বলতে হবে । শহীদ জিয়া উদার না হলে বিদেশ থেকে ফিরে এসে উনি ঐ চাকুরিটি পেতেন না । উনিকি বিনা পারিশ্রমিকে ইষ্ট – ওয়েষ্ট ইউনুভারসিটির ভি সি হিসেবে কাজ করতেন ? আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যাল​য় গুলোর ট্রাষ্টিরাতো বহু ধরনের সুযোগসুবিধা গ্রহন করেন । তবুও বিশ্বাস আরো দু-চারজন নব্য রাজনীতি বিদদের থেকে উনি হবেন আলাদা । শূভ কামনা রইলো ।

    Reply
  7. Faruk Kader

    সবই ঠিক আছে। তবে ডঃ ফরাশ উদ্দিনের মত লোকের সন্তান ইলেকশনের জন্য বাবাকে প্রমোট করছে, এটাই দৃষ্টিকটু লাগছে।

    Reply
  8. M. A. Haque

    Honesty, integrity, sincerity, competency and intellectual capability are the prime factors for assessing a human being. Dr. Forash Uddinn has all these virtues. The country will be benefitted a lot if we could elect people like him in our parliament election. This will help the nation to reach the target i.e. to be a developed nation before the deadline 2041.

    Reply
  9. khaled

    সবই বুঝলাম, উনি দেশে ভালো একটা এনজিও প্রতিষ্ঠা করে সাধারণ মানুষদের বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রদান, স্বল্প মুনাফায় ঋণ প্রদান, কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে
    পারতেন l এম.পি না হয়েও এই কাজ গুলি করা যায় l দেশের কৃষি ও কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে উনি অরাজনৈতিক ভাবে কাজ করতে পারতেন l সেই মেধা তার
    ছিল l কিন্তু তিনি রাজনীতিতে ঢুকে …….

    Reply
  10. azadi Hasnat

    সবই বুঝলাম। কিন্তু নির্বাচন করার প্রয়োজন কেন এই বয়সে? নির্বাচন মানেই রাজনীতি। রাজনীতিক মানেই বিতর্কিত মানুষ। বঙ্গবন্ধুকে বিতর্কিত করেছে আওয়ামী লীগ। আর জিয়াউর রহমানকে বিতর্কিত করেছে বিএনপি। সুতরাং তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে থাকতেন। এমপি হওয়ার কি দরকার।

    Reply
  11. Golam Mostafa Chowdhury

    We respect Mr Foras Uddin for his valuable contribution and affection to our nation.Undoubtedly he is an honest man. But Foras Uddin commission advised to increase 100% salary of Government service holder which increase the economic unrest in the society as well as for middle class people . Because private employee’s salary not increased equally. So we hope that he will think for private employee ‘s also in future.

    Reply
  12. সাজ্জাদ আলী

    জাতীয় পর্যায়ে একটি পত্রিকার এধরণের একটি ফরমায়েশি নিবন্ধ প্রকাশ বড়ই বেমানান ! পত্রিকারতো অন্তত আপাত: নিরপেক্ষ একটা মান রক্ষা করা দরকার। কাউকে প্রচার করবারওতো একটা শালীন তরিকা থাকতে হবে !!

    Reply
    • সৈয়দ আলি

      ভাই সাজ্জাদ আলী, বাংলাদেশ টিভির সংবাদের মাঝখানে বিজ্ঞাপন প্রচার করে ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক চমক দিয়েছিলো, পিতার নির্বাচনী প্রচারণায় পুত্রের অদানও চমক হলো।

      Reply
  13. younusur rahman

    জানি না এখানে নির্বাচন আচরণবিধি বিব্রতবোদ করছেন কিনা! আমার বলার কিছু ছিল না। আমার ভোট আমি দেব যখন খুশি তখন দেব। মহান আল্লাহ যেন খালেদা তারেকদের ঘটি বাটিসহ এদেশের আটকে পরা পাকিস্তানিদের নিয়া পাকিস্তান ফিরে যাওয়ার তৌফিক দান করেন। আমীন ……

    Reply
  14. Anzum

    হ্যাঁ, উনি উচ্চশিক্ষিত, দেশপ্রেমিক, অনেকাংশে সৎ বটে। তবে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ধবংসের পেছনে উনার ভুল নীতি অনেকাংশে দায়ী। উনি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় খুলে শিক্ষা ব্যবসায় জড়িয়েছেন। উনার ব্যবসার জন্য বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনেকটা শেষ করে দিয়েছেন। নির্বাচনে জিতলে হয়তো অর্থমন্ত্রী হবেন, তবে যদি আওয়ামী লীগ জেতে। তখন হয়ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দিতে পারেন।

    Reply
    • sudipto

      উনি কখনই ব্যবসায় করছেন না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, আপনার ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা নেই জন্য এ ধরনের মন্তব্য করলেন। শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ সবচেয়ে কম, এরা সরকার থেকে ভর্তুকি পায় না। ছাত্র ছাত্রীদের থেকে অর্জিত অর্থ দিয়েই প্রতিষ্ঠান চলে।

      Reply
    • Shibly Nomany

      আপনার কথা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। বেসরকারি বিশ্যবিদ্যালয়গুলো এখন অনেক মান সম্মত শিক্ষা দিচ্ছে। এবং এটা দেশের জন্য যুগান্তকারী।

      Reply
  15. মাসুদ আহমেদ

    Dear Asaf, In 1979 Zia was not a Major. He was Rtd Lt. General and President of people republic of Bangladesh. Best of luck Mr. Farashuddin. Masud Ahmed, Montreal, Canada

    Reply
  16. সজল

    তোমার বাবার মতো সৎ , আদর্শবান মানুষেরা বাংলাদেশে আছে বলেই বাংলাদেশীদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে একটি উন্নত সম্মৃদ্ধশালী এবং শক্তিশালী দেশে পরিনত হবে, যে দেশের প্রতিটি মানুষ উন্নত সুখী জীবন যাপন করবে- এই আলোর পথে যাত্রী আমরা সবাই যারা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ পৃথিবীর বুকে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করবে- সেটাই আমাদের লক্ষ্য। তোমার বাবার প্রতি আমার শ্রদ্ধা, সালাম এবং ভালোবাসা থাকলো। দোয়া করি উনি যেন নির্বাচনে জয়ী হন।

    Reply
  17. ahmed mukit

    Dear Asaf Bhai, Thanks a lot for your nice articles about Mr. Farash Uddin. He is not only a so called bureaucrat, Mr Farash Uddin is a pathfinder of privatised and low cost higher education system in Bangladesh that enables lot of students to get their higher studies despite of pro poor matter exists as a barrier to them. He was a successful Governor and stabilised lot of macro economic issues in Bangladesh. If Mr. Fasash Uddin comes to Politics as an elected MP, Bangladesh politics will get a new era and our political culture will also be more graceful by the enlightenment and inclusion of an honest, thoughtful and experienced Educationist and an eminent Economist. Thanks a lot to You. AHMED Mukit, Toronto, Canada

    Reply
  18. Jahangir shah

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, সন্তান হিসাবে পিতাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য. তিনি কর্মক্ষেত্রে শুধু একজন বিচক্ষণ ও সফল নন. তিনি একজন আপদমস্তক সজ্জন ব্যক্তিত্ব. সরাসরি রাজনীতিতে ওনাদের আগমনে রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে. আমার ছাত্র জীবনে একবার মোহাম্মদপুর বাসাতে আমি ওনার সাথে মিলিত হয়েছিলাম.

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—