আমার ধারণা এখন পৃথিবীর সবচেয়ে অমানবিক জায়গা হচ্ছে এয়ারপোর্ট। যারা এয়ারপোর্টে কাজ করে নিশ্চয়ই তাদের কানের কাছে চব্বিশ ঘণ্টা বলা হয়, ‘পৃথিবীতে কোনও ভালো মানুষ নেই। সবাই হচ্ছে খুনি ডাকাত বদমাইস সন্ত্রাসী। তাদের কোনও কিছুকে বিশ্বাস করবে না।’

তাই যখন সিকিউরিটির জন্যে দাঁড়ানো হয় তখন শরীরে যা কিছু আছে সবকিছু খুলে আলাদা করে ফেলতে হয়। বেল্ট, ঘড়ি, জুতো, জ্যাকেট, মোবাইল টেলিফোন, চাবির রিং, খুচরা পয়সা, ল্যাপটপ, মানিব্যাগ কিছুই সাথে রাখা যাবে না। সেগুলো বাস্কেটে করে এক্সরে করতে পাঠানো হয়। কিছু কিছু ভয়ংকর জিনিস আছে যেগুলো দেখলে সিকিউরিটির মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে যায়, তার একটা হচ্ছে পানি!

সিকিউরিটিতে কাজ করতে করতে মানুষগুলো ধীরে ধীরে নিশ্চয়ই অমানুষ হয়ে যায়। এবারে আমি সে ব্যাপারে নি:সন্দেহ হয়েছি, কারণ এবারে আমি যখন এয়ারপোর্টের সিকিউরিটির ভেতর দিয়ে যাচ্ছি তখন আমাদের সাথে একটি ছয়মাসের শিশু ছিল। তাকে আলাদা করে রাখতে হলো এবং ডাকাতের মত একজন মানুষ তাকে টিপে টুপে দেখলো সে গোপনে কোনও অস্ত্র নিয়ে ঢুকে যাচ্ছে কিনা। শুধু তাই না টিপে টুপিই তারা নি:সন্দেহ হলো নাম মেটাল ডিটিক্টর দিয়ে তাকে আলাদাভাবে পরীক্ষা করে দেখলো আসলে শিশুটি বড় কোনো সন্ত্রাসী কিনা! যে চাকরিতে ছয় মাসের অবোধ শিশুকে সন্দেহ করতে হয় সেই চাকরি না করলে কী হয়!

তবে পৃথিবীর দুটি এয়ারপোর্টে আমি এখনো যথেষ্ট স্বস্তি অনুভব করি, তার একটি হচ্ছে ঢাকা এয়ারপোর্ট। এখানে সবাই আমাকে চিনেন এবং ‘স্যার এইখানে চলে আসেন’ বলে ডেকে নিজ থেকে সবকিছু করে দেন। শুধু তাই না পাসপোর্টে সিল দেওয়ার সময় অনেকেই তাদের ছেলেমেয়ের গল্প করেন, আমার লেখালেখি পড়তে তারা ভালোবাসে সেই কথাটি জানিয়ে দেন।

দ্বিতীয় যে এয়ারপোর্টে আমি যথেষ্ঠ স্বস্তি অনুভব করি সেটি হচ্ছে নিউ ইয়র্কের এয়ারপোর্ট। এখানেও বাঙালি পুলিশ অফিসার ইমিগ্রেশানের লাইনে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করেন। তারাও আমাকে চিনে ফেলেন এবং আলাদাভাবে সাহায্য করেন। কাজ শেষ হবার পর তারা আমার সাথে একটা সেলফিও তুলে ফেলেন। আমাদের সাথে যেহেতু একটা ছোট শিশু ছিল তাই এয়ারপোর্টের অপরিচিত মানুষেরাও নিজ থেকে এগিয়ে এসে আমাদের সাহায্য করেন। যেখানে মানুষজন লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে আমাদের কখনো লাইনে দাঁড়াতে হয় না। ছোট শিশুকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হিসেবে না দেখে ছোট শিশু হিসেবেই দেখার মাঝে নিশ্চয়ই এক ধরনের আনন্দ আছে। অন্য এয়ারপোর্টে সিকিউরিটির মানুষেরা কখনোই সেই আনন্দটি উপভোগ করতে পারে না।

নিউ ইয়র্ক শহরটি নি:সন্দেহে একটি চমকপ্রদ শহর। যারা এই শহরটিতে থেকেছেন কিংবা ঘুরতে এসেছেন সবাই এটি স্বীকার করবেন। একেকজন মানুষের কাছে শহরটিকে একেকটি কারণে চমকপ্রদ মনে হতে পারে। যেমন, আমার কাছে এই শহরটিকে চমকপ্রদ মনে হওয়ার অনেকগুলো কারণের একটি কারণ হচ্ছে এখানকার মানুষের শরীরে উল্কি (Tatoo)। শীতকালে জাব্বা জোব্বা পরে শরীর ঢেকে রাখতে হয় বলে, বেশিরভাগ সময় উল্কি দেখা যায় না। গ্রীষ্মে বা গরমের সময় এখানকার মানুষের উল্কি উপভোগ করা যায়। শৈশবে শুধু এক রঙের উল্কি দেখেছি, কিন্তু উল্কি যে কতো বিচিত্র রংয়ের হতে পারে এবং কতো নান্দনিক হতে পারে সেটি এখানে না এলে কেউ অনুমান করতে পারবে না।

তবে যে কারণে নিউ ইয়র্ক শহর সম্ভবত সারা পৃথিবীর সব শহর থেকে আলাদা করা যায় সেটি হচ্ছে এখানকার মানুষের বৈচিত্র্যে (Diversity)।  শহরটি দিয়ে হেঁটে যাবার সময় যদি শুধু তাদের মুখের কথা শোনার চেষ্টা করা হয় তাহলে অবাক হয়ে আবিষ্কার করা যায় কতো বিচিত্র এখানকার মানুষের মুখের ভাষা! আমি মিনিট দশেক রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মানুষজনকে যেতে দেখেছি এর মাঝে দুইজন বাঙালি মহিলাকে খাঁটি সিলেটি ভাষায় কথা বলতে বলতে হেঁটে যেতে দেখলাম! আমার ধারণা যে কোনও জায়গায় যে কোনও সময় যদি মানুষদের লক্ষ্য করা যায় বেশিরভাগ সময় দেখা যাবে তারা ইংরেজি নয়, পৃথিবীর অন্য কোনও ভাষায় কথা বলছে!

আজকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকশান হচ্ছে। আমাদের দেশে ইলেকশান বিশাল একটি ঘটনা। দেশে এখনো প্রার্থীদের নমিনেশান দেয়া হয়নি। কিন্তু মনে হয় পুরো দেশ মনোনয়নপ্রত্যাশীদের পোস্টারে ঢেকে গেছে। ইলেকশানের দিন দেশের মানুষ সেজেগুজে ভোট দিতে আসে। কতো মানুষ ভোট দিয়েছে জানার জন্যে ইন্টারনেটে খোঁজ করেছিলাম, তাদের ভাষ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় আশি শতাংশ ভোটার ভোট দেয়। আমেরিকায় সেই সংখ্যাটি মাত্র পঞ্চান্ন শতাংশ। কাজেই এই দেশের মানুষকে ভোট দেওয়ানোর জন্যে অনেক চেষ্টা তদ্বির করা হয়। খুব যে লাভ হয় তা মনে হয় না।

আজ সকালে আমি একজন ভোটারের সাথে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিলাম। মানুষজনকে ভোট দিতে উৎসাহী করার জন্যে পুরো ব্যাপারটি খুবই সহজ করে রাখা হয়েছে। গিয়ে নিজের নাম বললেই তাকে একটা ব্যালট পেপার দেওয়া হচ্ছে। ভোট দেওয়ার নিয়মকানুন কমপক্ষে দশটি ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় লেখা আছে তার মাঝে বাংলাও আছে! পাশাপাশি অনেকগুলো ডেস্কে মানুষজন আলাপ আলোচনা করে ব্যালটে টিক চিহ্ন দিচ্ছে! টিক চিহ্ন দেওয়ার পর স্ক্যানারে স্ক্যান করে ভোটার ভোট কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসছে। মানুষজন যেহেতু ভোট দেয় না তাই যারা কষ্ট করে ভোট দিতে আসে তাদেরকে একটা স্টিকার দেয়া হয়। সেখানে লেখা ‘আমি ভোট দিয়েছি’ সেটা বুকে লাগিয়ে গর্বিত ভোটার ঘুরে বেড়ায়।

তবে যারা এই দেশে স্থায়ীভাবে থাকে তার আমাকে বার বার সতর্ক করে বলেছে আমি যেন নিউ ইয়র্ককে দেখে সারা আমেরিকা সম্পর্কে একটা ধারণা করার চেষ্টা না করি। নিউ ইয়র্ক শহরটি পুরোপুরি অন্যরকম, এখানে পুলিশ কোনও মানুষকে ধরে কখনোই জানতে চাইতে পারবে না, তার কী কাগজপত্র ঠিক আছে কী না! এই দেশের অনেক জায়গা আছে যেখানে কালো বা দরিদ্র মানুষেরা যেন ভোট দেওয়ার উৎসাহ হারিয়ে ফেলে, সেইজন্যে পুরো প্রক্রিয়াটাকে কঠিন করে রাখা আছে। ভোটার তালিকায় নাম খুঁজে পাওয়া যায় না, প্রতি বছর ভোট কেন্দ্র পাল্টানো হয়, নানারকম আইডি দেখিয়ে ব্যালট নিতে হয়, লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এবং কিছুদিনের ভেতরেই দরিদ্র মানুষগুলো ভোট দেওয়ার উৎসাহ হারিয়ে ফেলে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত গণতন্ত্রের কথা বলে বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলে। এই দেশে এক ধরনের গণতন্ত্র নিশ্চয়ই আছে, তা না হলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত একটি ‘উৎকট রসিকতা’ কেমন করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারে? আমার ধারণা ছিল এবারকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলটিকে এই দেশের মানুষ বিদায় করে দেবে। সেটি হয়নি, কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ এখনো ডোনাল্ড ট্রাম্পের দখলে। নিচের কক্ষটি তার হাতছাড়া হয়েছে এবারে। আমি আগ্রহ নিয়ে দেখার চেষ্টা করবো একজন প্রবলভাবে মিথ্যাচারী, হিংসুটে, প্রতিহিংসাপরায়ন, পৃথিবীর সকল মানুষের প্রতি বিতৃষ্ণা পরায়ন প্রেসিডেন্টকে একটুখানি হলেও আটকে রাখা যায় কী না। যদি সেরকম কিছু ঘটে তাহলে এই দেশের গণতন্ত্রের জন্যে একটুখানি হলেও বিশ্বাস ফিরে আসবে।

আমাদের দেশেও নির্বাচন আসছে। দেশের বাইরে থেকে ইন্টারনেটে দেশের সব খবর পেয়ে গেলেও দেশটিকে অনুভব করা যায় না। নির্বাচন নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো না, ঠিক কী কারণ জানা নেই- শুধু মনে হয় নির্বাচন ঠেকানোর জন্য পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কীভাবে একটা লাশ ফেলে দেয়া যায় সেটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে!

তবে আমি এক চক্ষু হরিণের মত, আমি জটিল রাজনীতিকে খুব সহজ করে বুঝতে চাই। যেহেতু এই দেশটি মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে তাই এই দেশের সব রাজনীতি হতে হবে মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক। যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলো সেটি মুখে স্পষ্ট করে উচ্চারণ না করবে, আমি সেই রাজনৈতিক দলটিকে বিশ্বাস করতে পারি না। বিএনপি এখনও মুখে স্পষ্ট করে উচ্চারণ করেনি তারা নির্বাচন করবে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামাতে ইসলামীকে ছাড়া। যে কারণে বিকল্পধারা তাদের সাথে ফ্রন্ট করেনি।

বঙ্গবন্ধুর স্নেহভাজন বর্ষিয়ান নেতা ড. কামাল হোসেনের কাছে বিষয়টি সম্ভবত গুরুত্বপূর্ণ নয়, তিনি সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে আগ্রহী নন। সম্ভবত এটাকেই রাজনীতি বলে। আমি সেই রাজনীতি চোখ দিয়ে দেখবো, কিন্তু মন থেকে বিশ্বাস করতে হবে কে বলেছে?

মুহম্মদ জাফর ইকবাললেখক ও অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪ Responses -- “নিউ ইয়র্কে নির্বাচন”

  1. Imroz

    Sir always is pro-liberation. And there is no other political party who admits or even gets close to admit they care about our struggle for liberation.

    If there was a better party who was pro-liberation, the party who talks about the atrocities done to Hindus and other minority, Sir would have supported them. But there is not a single party in Bangladesh who have that courage.

    After 1975 these so called “human” came into power by killing the architect of our liberation and brain washed people, and now people have two poles to go. Either its Pro-Liberation, or its Anti-Liberation.

    The Anti Liberation sentiment is fueled by religion as well. People believe Jamaat Islami is a holy party. They Killed, but they did not kill humans. They killed Hindus. Hindus are not humans.

    I spit on these kinds of ideology.

    Reply
  2. সুনীল আকাশ

    স্যার
    একতরফা লিখা । নির্বাচন বলে দেশে কিছু নাই । পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে তা আপনিও জানেন কিন্তু ভয়ে সেটা প্রকাশ করতে পারেন না । একটা সময় ছিলো এদেশে নির্বাচন ঈদের মতো উতসব মুখর হতো এখন নির্বাচনের দিন ভয়ে কেউ ঘর থেকে বের হয়না । এতে অবশ্য আপনার দল খুশি । সত্য লিখার নৈতিক সাহস অনেক আগে হারিয়েছেন এখন কেবল হাবিযাবি লিখে প্রমান করতে চান আপনি লিখক ! একটি বিশেষ দলের মুখপাত্র হিসাবে নিজেকে সারাটা জীবন কি নিজেকে সপে দিলেন স্যার ?

    Reply
    • Imroz

      Yes, he lost the courage to say the truth? But do you have courage to stand for the truth? Do you have the courage to say, that Jamaat Islami is an innocent political party who still to this date does politics in this country with BNP and they are against the ideology of our struggle for freedom. Do you have the courage to admit that Prime Minister Sheikh Hasina was almost killed by Tareq and Babor, by conspiring killing mission. Lets first be honest with that. can we?

      Reply
  3. HarryJ

    You are a respected person. However, your ignorance about US politics is quite eminent. Your opinion about voter suppression in US polling is laughable and popular democratic talking point. Would you vote without an ID in any country? Asking for who you are and matching it with registration is the most common sense measure. DNC just politicizes this issue for their benefit so that illegals can vote and perhaps some fruad can take place.
    Secondly, how much do you know Trump? I understand you know what you heard int he media. What makes you think Trump as “‘উৎকট রসিকতা’” ? Have you looked at his policies and how well USA is doing?
    This kind of article is simply called a cheap shot or drive by opinion without an in=depth analysis. A fair opposition to every policy is always welcome but calling out a joke without any proof does not fit your personality. I hope take more precaution while writing about such things.
    At last, the the idea of getting special treatment in airport is totally against what you say you fight for. Equality for all.

    Reply
    • কাজী ফয়েজ আহমেদ

      @HarryJ
      আমাদের স্যারের বাসায় টিভি নাই ইন্টারনেট নাই । বিশ্বকাপের সময় শুধুমাত্র পাশের বাসার টিভিতে গোল শদ্ব শুনে বিশাল এক উপন্যাস লিখে ফেলেছেন আর এটা তো আমেরিকার নির্বাচন !! স্যার আমাদের অসম্ভব ক্ষমতাবান লেখক। উনি শাহাজালাল ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তির প্রফেসার ছিলেন কিন্তু ফেইসবুক হোয়াট্সএপ টুইটার এগুলো কি স্যার জানেন না, অসম্ভব ক্ষমতাবান আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার।

      Reply
  4. Alam

    আপনার লেখা পড়ে মাঝেমাঝেই দ্বিমত পোষণ করে মন্তব্য করি বলে ক্ষমা করবেন।আমি বিশ্বাস করতে চাই যে বিখ্যাত হওয়ার আগে সাধারণ মানুষ হিসেবেও আপনার ঢাকা বিমানবন্দরে অভিজ্ঞতা এমনই ভাল ছিল। যদি তা নাহয় তাহলে আপনার লেখা আমাকে আমার খুব প্রিয় একজন নাট্যকার এবং আপনার ভাই হুমায়ুন আহমেদ সাহেবের একটা পুরাতন নাটকের একটা সংলাপ মনে করিয়ে দিচ্ছে – “ক্ষমতাবান মানুষ খুব নি:সংগ হয়”।তারা আসলে যা শুনতে চাই, যা দেখতে চাই তাই তাদেরকে শুনানো হয়, দেখানো হয় বলে আমার বিশ্বাস।আপনাকে অনুরোধ করবো একদিন ছদ্মবেশে আপনি বিমানবন্দরে অথবা যেকোন সরকারি অফিসে গিয়ে সাধারণ মানুষ হিসেবে অভিজ্ঞতা নিবেন।বিখ্যাতদের/উচ্চপদস্থদের প্রতি অতিভক্তি সমানুপাতিক হারে সাধারণের প্রতি অতিনিম্নভক্তি হিসেবে ফিরে যাচ্ছে কিনা দেখার অনুরোধ রইলো।ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে!তবে আপনার নিশ্চয় অসংখ্য বিমানবন্দরে অসংখ্য অভিজ্ঞতা আছে সুতরাং আপনার একটা মন্তব্যের ওজোন অনেক অনেক বেশি!!

    Reply
  5. সরকার জাবেদ ইকবাল

    “নির্বাচন নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো না, ঠিক কী কারণ জানা নেই……।” আহ্‌হা…! স্যার, কারণটি জানা থাকলেও কেন যেন বললেন না! আপনার ছুঁড়ে দেয়া বলটি মিড্‌ল স্টাম্প বরাবর ঠিকই যাচ্ছিলো। কিন্তু, হঠাৎ করেই আউটসুইং করে লেফ্‌ট স্টাম্পের বাইরে দিয়ে চলে গেল; ম্যাচ ফিক্সিং নয়তো???

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      অনুগ্রহ করে ‘লেফ্‌ট স্টাম্প’ স্হলে ‘অফ স্টাম্প’ পড়ুন। দু:খিত।

      Reply
  6. shochib

    I really do not agree with everything about what you wrote about security system.It is a global issue now at the moment,to get enough security checkup.It is just not suspecting a kid always as terrorist, but a routine checkup process for the greater safety of the airport. However, Does HM Ershad believe in the spirit of 71? He is of course a solid a hypocrite.If we blame Zia only to help rajakars, how about those leaders like Maolana Mannan, Chormonai pir patronized by Ershad? Can AL also clarify why they still need Hefajat or Ershad? these people are as dangerous as Jamat. Their ideology is the same. They all do politics in the name of a religion.

    Reply
  7. sourov

    যেহেতু এই দেশটি মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে তাই এই দেশের সব রাজনীতি হতে হবে মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক। যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলো সেটি মুখে স্পষ্ট করে উচ্চারণ না করবে, আমি সেই রাজনৈতিক দলটিকে বিশ্বাস করতে পারি না।

    আমিও স্যারের সাথে একমত।

    Reply
  8. সুরুজ বাঙালি

    জাফর স্যার, শেখ হাসিনা যে সাম্প্রদায়িক হেফাজতের কাছ থেকে “কওমী জননী” উপাধি পেলেন এতে আপনার অনুভূতি কি ?

    Reply
  9. Dr. M. Hoque

    It is true that you are an expert of hiding and gaining the fruits from the tree of politics. During the liberation movement you were hiding under the shadow of killer generals of Paki murderers and happely enjoying your life under the protections of Paki Govt. in the then West Pakistan. The Paki killers were killing the innocent people of the then East Pakistan we were working hard to make aware of the people and the countries of the world how the killer paki’s were killing innocent people like flies. You are such a cunning you were never arrested or questioned by the Paki killers instead they brought you to West Pakistan as a future safety instrument to destroyed and killing Sheik Mujib his family and the four leaders of the indepedence movemoment of Bangladesh. You were pretending that you were in the prison in West Pakistan but instead you were freely enjoying your life and making money in West Pakistan. I was a young organizer of the freedom movement in the UK. Almost every leader of the freedom movement from Bangladesh came to UK during the liberation war of Banhladesh and the visited my apartment in the Russell Square London WC1 but the propaganda was that you were in the prison in West Pakistan therefore, you could not come to UK which was not true. But when Bangladesh was liberated and the Paki Janta send him to UK they put you on the same flight as a Paki agent. I was at airport with late Gous Khan and others to received Bongobondhu and bring him in the Claridges Hotel. I was very doubtful about you mant times I talk to Aminul Haque Badsha the press secretay of Bongobondhu to talk to Bongobondhu about my suspisions about you. But you were such an actor and acting perfectly. You convienced Bongobondhu that you were in the prison in the West Pakistan. You were playing your game so cunningly for last 43 years but you yourself caught in the net of clever Hasina and you should be investigated.

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—