এখন মনে হচ্ছে কোনওরূপ ছক না পেতে দাবার চালটি দিয়েছিলেন ড. কামাল হোসেন। তার হয়তো ধারণা ছিলো শেখ হাসিনা এ খেলায় অংশগ্রহণ করবেন না, তাতে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় জিতে যাবেন। কিন্তু দাবার চালটি দেখেই ছক পেতে খেলতে বসে গেলেন শেখ হাসিনা। এক তারিখ থেকে সাত তারিখ পর্যন্ত যে খেলা হলো তার নাম সংলাপ। এই সংলাপ এখন শেষ। শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ওবায়দুল কাদের বলে দিয়েছেন আর সংলাপ হবে না। শেখ হাসিনাও বলেছেন, সংলাপ শেষ, এখন কোনও সমস্যা হলে আলোচনা করতে আসতে পারেন।

সংলাপ যখন শেষ হয়ে গেছে তখন স্বাভাবিকই এখন হিসাব-নিকাশ করা যায়, এ সংলাপে লাভ হলো কার? এই হিসাব করতে গেলে প্রথমেই দেখতে হবে সংলাপ শেষে শেষ কথাটি কী বললেন ড. কামাল হোসেন। কারণ, সংলাপের অধ্যায়টি তিনি শুরু করেছিলেন। তিনি প্রথম সংলাপ চেয়ে শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছিলেন। তাই সংলাপ শেষে তিনি কী বলেন সেটা অনেক গুরুত্ব রাখে। সংলাপ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল যা বলেছেন, তার সারকথা, ‘বল এখন সরকারের কোর্টে।’ বল সরকারের কোর্টে ফেলতে পেরেছেন ড. কামাল, না সরকার বল ড. কামালের কোর্টে ফেলে দিয়েছেন সরকার তা বিশ্লেষণের আগে দেখা যেতে পারে সংলাপের ভেতর দিয়ে কোন পক্ষ কী পেল?

৭ তারিখের সংলাপ শেষে রাতেই সংলাপোত্তর করণীয় নিয়ে বিএনপির মূল নেতারা তাদের গুলশান অফিসে আলোচনায় বসেছিলেন, সেখানে তাদের দলীয় করণীয় এর বাইরে যে বিষয়টি ঘুরে ফিরে এসেছে তা হলো, সরকার শান্তিপূর্ণ অবস্থার ভেতর দিয়ে ইলেকশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৩ তে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থার ভেতর দিয়ে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে পারেনি। দৃশ্যত, তাদের অনেকে বিষয়টি তাদের জন্যে পরাজয় মনে করলেও বাস্তবে কোনও স্থির সিদ্ধান্তে পোঁছাতে পারেননি।

বিএনপির সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর বিষয়টি বিএনপির নিজস্ব বিষয়। তবে এখান থেকে যে সত্যটি বের হয়ে এসেছে তা হলো, সরকার এবার শান্তিপূর্ণ অবস্থার ভেতর দিয়ে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর সরকারকে এই শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে নিতে অনেকখানি সাহায্য করেছে এই সংলাপ। এখন অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে শেখ হাসিনা এমন একটি খেলায় অংশগ্রহণের জন্যে উদগ্রীব ছিলেন, না হয় তার হাতে বল তুলে দেয়া হয়েছে। আর যারা বল তুলে দিয়েছিলেন তারা ভাবতে পারেননি তিনি এতগুলো উইকেট নিয়ে নেবেন।

নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি তাদের নিজস্ব বাস্তবতায় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছে।  তারা তাদের কলেবর বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন তাদের নেতারা। বাস্তবে পানি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা দেখার জন্যে এখনও সপ্তাহ দুয়েক অন্তত অপেক্ষা করতে হবে।  আগামী সপ্তাহ দুয়েকের ভেতর এই কলেবরে পরিবর্তন আসতেও পারে। তবে অপর দিকে যে বিষয়টি হলো, আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনা তার জোট বাড়ানোর চেষ্টা করেননি। ইচ্ছে করলে তিনি বাড়াতে পারতেন, তিনি একটু ইঙ্গিত দিলে আ স ম আব্দুর রব ও কাদের সিদ্দিকী এ দিকেই থাকতেন।

শেখ হাসিনা সে প্রয়োজনীয়তা মনে করেননি। বরং তিনি তার মহাজোটকে আর না বাড়িয়ে মনোযোগী হলেন, কত বেশি দলকে এবার নির্বাচনের মাঠে আনা যায়। ২০১৩-তে শেখ হাসিনার সব থেকে বড় পরাজয় ছিলো, তিনি তার চৌদ্দ দলীয় জোটের বাইরে একমাত্র জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে আনতে পেরেছিলেন, তবে সেটা ছিলো অনেক টানা হেচড়ার বিষয়।

কারণ, এরশাদ ওইভাবে নির্বাচনে আসেননি। সে কারণে ২০১৩ এর নির্বাচনের শতভাগ আইনগত ভিত্তি থাকলেও এর জনভিত্তি  দৃশ্যমান নয়। কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, জনভিত্তি দৃশ্যমান না হবার পরেও শেখ হাসিনা পাঁচ বছর সাফল্যের সঙ্গে সরকার চালালেন কি শুধু প্রশাসন দিয়ে! মোটেই তা নয়। কারণ বাংলাদেশের ৩০০ আসনেই আওয়ামী লীগ হারুক বা জিতুক তাদের ৪০ পারসেণ্টের ওপরে ভোট আছে। এই চল্লিশ পারসেন্টের ওপরের জনভিত্তিই আওয়ামী লীগ বা মহাজোট সরকারকে গত পাঁচ বছর সাফল্যের সঙ্গে টিকিয়ে রেখেছে। তাই যে কোনও ধরনের নির্বাচন করে যদি আইনগত ভিত্তি পান শেখ হাসিনা তাহলে তার নিজস্ব ক্যারিশমা ও জনভিত্তি সব মিলে সরকারে সাফল্যের সঙ্গে টিকে থাকা তার জন্য সমস্যা নয়। তার জন্যে যেটা বড় বিষয় হিসেবে দেখা দিয়েছিলো, তাহলো একটা জন অংশগ্রহণমূলক  নির্বাচনের ভেতর দিয়ে  ক্ষমতায় আসা। বিশেষ করে বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে তাহলেও যেন নির্বাচনটি জন অংশগ্রহনমূলক হয়, কোনও মতে ২০১৩ এর পুনরাবৃত্তি না হয়। এই সংলাপের ভেতর দিয়ে শেখ হাসিনার জন্যে সে সুযোগ এসেছে। বিশেষ করে ড. কামাল তার গণফোরামের পক্ষ থেকে সংলাপ চেয়ে চিঠি দিলে শেখ হাসিনা সংলাপটি আর একটি দল বা জোটের সঙ্গে সীমাবদ্ধ রাখেননি।

তিনি জানিয়ে দেন সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তিনি বসবেন। ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর এই সাতদিনে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত সবকটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে শেখ হাসিনা সংলাপে বসেছেন। সেখানে একমাত্র ড. কামালের নেতৃত্বাধীন ঐক্যজোট ছাড়া বাদবাকী সকলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।

অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, সংলাপের পরে এখন ড. কামালের ঐক্যজোট ছাড়া বাদবাকী সকলে নির্বাচনে যেতে রাজী।  তারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রস্তুতিও নিচ্ছে। অর্থাৎ ২০১৩ তে বিরোধী জোট যেটা পেরেছিলো অর্থাৎ আওয়ামী লীগের মহাজোট ছাড়া সবাইকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে এবার সংলাপের ভেতর দিয়ে পরিষ্কার হয়ে গেলো, ড. কামালের নেতৃত্বাধীন ঐক্যজোট ছাড়া আর সকলে নির্বাচনে যাচ্ছে। ড. কামাল সংলাপ নামক এই দাবার চালটি দিয়েছিলেন, আর সেটাকে ছক পেতে খেলে শেখ হাসিনা এখন অনেকখানি ড. কামালকে একঘরে করে ফেলেছেন। কারণ সংলাপ শেষে অন্যতম একটি ফল হলো, একমাত্র ড. কামালের জোট ছাড়া বাদবাকী সকলে নির্বাচনে যাচ্ছে। আর তারা সকলেই সংবিধান মেনে নির্বাচনে যাচ্ছে।

এর বাইরে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন অসাংবিধানিক কিছু দাবিতে গোঁ ধরে বসে আছেন। যার দুটিই বিচার বিভাগের বিষয়। যেমন- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি করছেন ড. কামাল হোসেন। এই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা আদালতই বাতিল করেছে। তাই এখন এটা বহাল করতে গেলে সরকারই আইনগতভাবে বেকায়দায় পড়ে যাবে। ঠিক একই অবস্থা বেগম জিয়ার মুক্তির দাবি। বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের এক্তিয়ার। বেগম জিয়ার সাজা মাফ করার কোন ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের নেই। এখন বেগম জিয়া  কেবল ছাড়া পেতে পারেন, যদি তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে এভাবে আবেদন করেন যে, তিনি হাই কোর্টের রায় মেনে নিয়েছেন। উচ্চ আদালতে আর যাবেন না।

পাশাপাশি তার অপরাধ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইলে-  রাষ্ট্রপতি যদি তাকে ক্ষমা করেন, তাহলে তিনি জেল থেকে বের হতে পারেন। এছাড়া সাজা মওকুফ করার এক্তিয়ার একমাত্র সুপ্রিম কোর্টের। প্রধানমন্ত্রীর কিছু করার নেই। তারপরেও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল তার মুক্তি চাচ্ছেন এবং দুর্নীতির দায়ে সাজা প্রাপ্তকে রাজবন্দি বলছেন। অবশ্য তিনি যা মনে করেন তা বলার স্বাধীনতা তার আছে।

এখানে অবশ্য একটা বিষয় মনে করা দরকার, ড. কামাল এই জোট গঠন করে প্রথমেই বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। ওই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কূটনীতিকরা তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, এই জোট নির্বাচনে জিতলে প্রধানমন্ত্রী হবে কে? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি কিন্তু বলেননি বেগম জিয়া হবে। কারণ তিনি জানেন, বেগম জিয়ার মুক্তি পাবার কোনও পথ নেই। তাই তিনি এখন রাজনীতির মাঠে যেটা বলছেন, সেটা সত্য না কূটনীতিকদের যে উত্তর দিয়েছিলেন সেটাই সত্য- তাও একটা বড় প্রশ্ন। তবে কূটনীতিকদের কাছে বর্তমান সরকারের যে অনমনীয়তার কথা তিনি তুলে ধরেছিলেন, এখন সেই কূটনীতিকরাই দেখতে পাচ্ছেন, শেখ হাসিনা নমনীয়। তিনি সব দলের সঙ্গে সংলাপে বসেছেন। ড. কামালের সঙ্গে দুইবার বসেছেন। এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে একমাত্র ড. কামালের জোট ছাড়া আর সকলে একমত।

তাই হাসিনা ও কামালের বাইরে অন্য অবস্থান থেকে দেখলে এখন কি মনে হয় না বল এখন ড. কামালের কোর্টে। কারণ, শেখ হাসিনা জন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই সংলাপের মাধ্যমে। এখন ড. কামালকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি তার জোট নিয়ে নির্বাচনে যাবেন কি যাবেন না? বলটি এখন বাস্তবে তাকেই খেলতে হবে। আর সেজন্য কোনও সংলাপ নয়। বরং তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি তার জোট নিয়ে কী করবেন?

স্বদেশ রায়সাংবাদিক

১৭ Responses -- “সংলাপে লাভ হলো কার?”

  1. আশফাকুর রহমান

    প্রশ্নঃ সংলাপে লাভ হলো কার?
    উত্তরঃ আম্লীগ, আম্লীগ, আম্লীগ এবং একমাত্র আম্লীগের।
    নম্বরঃ ১০০/১০০।
    জিপিএঃ গোল্ডেন পাঁচ। ইয়েহ্…. জিতছি, কেউ উত্তর দিতে পারে নাই।

    Reply
  2. modi kohen

    সৈয়দ আলি,
    হাসিনা বুদ্ধি রাখে ঐক্য জোট, বিএনপি, গণমাধ্যম, সুশীল, টক্ শো নায়করা, এনজিও, পেশাজীবী, সকলকে একই ঘাটে একই সাথে পানিতে চোবাতে। প্রাক্তন আওয়ামী লীগারদের ভাড়া করে এনেও নৌকা দোলানো গেলো না। ইংরেজিতে প্রবাদ আছে, ” IF YOU CANNOT BEAT THEM, JOIN THEM ”. …..। নৌকা দোলাতে না পেরে এখন হাসিনার নির্বাচনের নৌকাতে উঠে পড়লেন? হাঃ হাঃ হাঃ

    Reply
  3. কাজী হারুনুর রশিদ

    দাদা
    শ্রীলংকায় আগামী ৫ জানুয়ারী নির্বাচন !!! হায় খোদা ! আবার ৫ জানুয়ারী নির্বাচন ? হা হা হা

    Reply
  4. সৈয়দ আলি

    সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাই, বাংলাদেশের কোন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৪০% ভোট পেয়েছে?

    Reply
    • syed mohammad

      ২০০১ এ ৪০.০২%,২০০৮ এর নির্বাচনে মহাজোট ৪৯% এর মধ্যে আওয়ামীলীগ ৪২%… মিলিয়ে নিন…

      Reply
    • modi kohen

      জনাব সৈয়দ আলী,
      ২০০৮ সালের নির্বাচনে, যেবার ৩০টি সিট্ পেয়েছিলেন, সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৪৯% ভোট পেয়েছিলো।

      Reply
      • সৈয়দ আলি

        modi kohen, “২০০৮ সালের নির্বাচনে, যেবার ৩০টি সিট্ পেয়েছিলেন………….” হাঃ হাঃ হাঃ আমি সিট পাইনি। বরং বলুন আপনাদের ‘আন্দোলনের সরকার’ বিম্পিকে ৩০টি সীট ‘দিয়েছিলো’। মজাটি কি জানেন? খালেদা জামাতিদের নির্বাচনে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেছিলো যে বিএনপিকে ৩০টি সীট দেয়া হবে। তাই হলো।

  5. সরকার জাবেদ ইকবাল

    একটুখানি ভুল বললেন স্বদেশ বাবু। বল কেউ কারো কোর্টে ফেলে দেয় না; এটা রাখার বিষয়। সরকার বলটি স্বযত্নে নিজের দখলে রেখে দিয়েছে। এখন ঐক্যফ্রন্টের কাজ হলো কিভাবে বলটি সরকারের দখল থেকে বের করে আনা যায় সেই চেষ্টা করা। দেখা যাক এই বাস্কেটবল খেলায় কে হারে আর কে জেতে!

    Reply
    • modi kohen

      জনাব সরকার জাবেদ ইকবাল
      দি বল ইজ নাও ইন হিজ কোর্ট। কথাটি যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে। HIS, থার্ড পার্সন, একজন খেলোয়াড়। টেনিস খেলায় বিপক্ষের কোর্টে যাওয়া নিষিদ্ধ। বল ছিনিয়ে নেবার কোনো নিয়ম নেই।
      বাস্কেটবল দলে পাঁচ জন খেলোয়াড়। বিপক্ষ দলের কোর্টে অবশ্যই প্রবেশ করতে হয় খেলার জন্য। বল কেড়ে নেওয়া খেলার একটি অখণ্ড কৌশল।

      Reply
  6. modi kohen

    শেখ হাসিনার সাথে দু-দুবার সংলাপে ডঃ কামাল হোসেন সম্পূর্ণ রূপে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনার যুক্তি। এখন তার নিজ বাসায় গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ, এনজিও, ইত্যাদির সামনে হম্বি তম্বি করে দেখছেন যে উনি ডঃ কামাল হোসেন।

    Reply
  7. Not applicable

    Caretaker government and freedom of khaleda Zia. Very authentic demand. Was it actually a real demand from DR. Kamal hussain ? If yes then I do not know why he was asking for that. Only thing I can see is: he wants khaleda Zia again to be the prime minister of Bangladesh. What he said was right then. Our political parties of Bangladesh are in two parts who decide Either one will come to the power for next 5 years to steal our hard earning assets. His own words does the follow up for his own consideration now. I hope my opinions are completely wrong.

    Reply
  8. আবু আহাদ শাওন

    ডঃ কামালরা নির্বাচন চায় না। কারণ অনির্বাচিত সরকার হলে তাদের কদর বাড়ে। নির্বাচনে গেলেই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। বিএনপির মতো একটি বড়ো দল কেন ডাঃ কামালের অধীনে নির্বাচন বর্জন করার ঝুঁকিতে যাচ্ছে বোধগম্য নয়। বিএনপি নির্বাচনে এলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাক বা না পাক, তারা একটি শক্তি হিসেবে আবার আবির্ভূত হবে। ৫ বছর পরের নির্বাচনে সেটি কাজে লাগবে। অন্যদিকে এবারও নির্বাচনে না এলে তাদের অবস্থা আরো করুন হতে থাকবে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—