(বিচারক, বাদীপক্ষের ও আসামী পক্ষের ব্যারিস্টার।)

বাদীপক্ষ: ইয়োর অনার।  ২১ অগাস্ট ২০০৪ সালে এক রাজনৈতিক দলের কয়েক হাজার লোকের জনাকীর্ণ সভায় গ্রেনেড হামলায় খুন হন ২৪ জন, আহত কয়েক’শ।  সেখানে নিহত হতে পারত কয়েক’শ এবং আহত কয়েক হাজার।  দুনিয়ার রাজনীতির ইতিহাসে এমন হৃদয়হীন নৃশংসতা আর নেই।  সবদিক দিয়েই এটা স্রেফ গণহত্যা।  আল্লাহ’র কাছে হাজার শুকুর যে এই গণহত্যার বিচার শারিয়া কোর্টে আল্লাহ’র আইনে হচ্ছে, কাজেই ন্যায়বিচারের গ্যারান্টি আছে। এটা সাধারণ ক্রাইম নয় ইয়োর অনার।  ঘটনার ধরন, উদ্দেশ্য, সাক্ষী ও দলিলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়েছে এটা কারা করেছে এবং কেন করেছে।  সারা জাতি এই খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি আশা করছে ইয়োর অনার।

আসামী পক্ষ:  কিছুই প্রমাণ হয়নি ইয়োর অনার। আমার বিজ্ঞ প্রতিপক্ষ ভালো করেই জানেন যে দলিল ও সাক্ষী হিসেবে যা কিছু পেশ করা হয়েছে তা আরব্য রজনীর মতোই অলীক রূপকথা ছাড়া আর কিছুই নয়।  সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত তর্কবিতর্ক হয়েছে, মিডিয়াতে প্রকাশ হয়েছে, ওসব নিয়ে নুতন করে কিছু বলার নেই। আমি শুধু দেখাবো এ ব্যাপারে শারিয়া আইনের উপেক্ষিত দিকটা, কেন আইনগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। সেটা প্রমাণ করার জন্য আমি শারিয়া বই নিয়েই এসেছি, আমাদের বাংলাদেশ ইসলামী ফাউণ্ডেশনের প্রকাশিত তিন খণ্ডের বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন অর্থাৎ কোডিফায়েড ইসলামিক ল’।  আমাদের ছয়জন ইসলামী বিশেষজ্ঞের কমিটি এটা মূল শারিয়া আইনের বই থেকে সংকলন করেছেন। ইচ্ছে করলে যে কেউ আইনগুলো মিলিয়ে দেখতে পারেন।

বিচারক: প্লিজ প্রসিড।

আসামী পক্ষ: ইয়োর অনার, ২১ অগাস্ট ২০০৪ সালের ঘটনাটা হঠাৎ হয়নি, কোনো একজনের দ্বারাও হয়নি। এটা আবেগের মুহূর্তে উত্তেজনার বশেও হয়নি, এটা একটা সংঘবদ্ধ দলের ঠাণ্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পিত নিষ্ঠুর গণহত্যা। আমরা জানি, ইচ্ছেকৃত ও পরিকল্পিত হত্যা ‘হুদুদ আইনে’র আওতায় পড়ে। আমরা এও জানি, হুদুদ আইনে প্রমাণের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। আইনের দরকারি অংশগুলো আমি বইতে হাইলাইট করেই এনেছি। আমি বিজ্ঞ প্রতিপক্ষকে অনুরোধ করব এই বই, বিধিবদ্ধ ইসলামী আইনের ২য় খণ্ড থেকে ধারা ৬০০-এর হাইলাইটেড অংশটুকু পড়ে শোনাতে। আমি নিজে পড়বোনা কারণ তাতে সন্দেহের অবকাশ থাকে।

বাদীপক্ষ: ইয়োর অনার। আমার বিজ্ঞ প্রতিপক্ষের সাথে আমি বহু মামলায় লড়েছি, উনার মামলা পরিচালনার পদ্ধতি আমার বিলক্ষণ জানা আছে।  উনি বুঝে গেছেন যে দলিল প্রমাণ যেভাবে তার মক্কেলদের ঘিরে ধরেছে তাতে শাস্তি তাদের হবেই। এখন তিনি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে তাদের রক্ষা করতে চান।  উনাকে বলছি, শারিয়া আইনের যে বইগুলো আপনি এনেছেন হাতে করে, আমি সেগুলো এনেছি মগজে করে। আমি জানি ঠিক কোন আইনটা আপনি হাইলাইট করেছেন।  আইনের হাইলাইটেড অংশটুকু আমি বলে দিচ্ছি স্যার, ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন। বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন ২য় খণ্ড ধারা ৬০০- “তবে শর্ত থাকে যে, হদ্দ ও কিসাসের বেলায় শুধুমাত্র আলামতের উপর ভিত্তি করিয়া নির্ধারিত শাস্তি কার্যকর করা যাইবে না” – এটা হল পৃষ্ঠা ২৯২, কারেক্ট?  পরের পৃষ্ঠাতে আছে: “এই ক্ষেত্রে শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ অথবা অপরাধীর স্বীকারোক্তি বিদ্যমান থাকিতে হইবে”- কারেক্ট?

আসামী পক্ষ: একজ্যাক্টলি ইয়োর অনার! অপরাধ প্রমাণ করতে হলে হুদুদ আইনের অপরিহার্য শর্ত হল চাক্ষুষ সাক্ষী। এর প্রেসিডেন্সও আছে।  সাংবিধানিকভাবে ঘোষিত এক শারিয়া রাষ্ট্রের সরকারী শারিয়া কোর্টে ব্যাভিচারের মামলার বিস্তারিত দলিল আমি দিতে পারব। শারিয়া আইন বিশ্ব-মুসলিমের ওপরে প্রযোজ্য ইয়োর অনার।  প্রবাসী স্বামী কয়েক বছর দেশে আসেননি এদিকে দেশে তার স্ত্রী এক শিশুর জন্ম দিয়েছে।  আমরা জানি ব্যাভিচারের মামলা হুদুদের মধ্যে পড়ে।  স্বামী মামলা করলেন বাচ্চাটা তার নয় বরং অমুক লোকের। সেই লোক ও বাচ্চাটার ডিএনএ টেস্ট করা হোক, তিনি খরচ দেবেন। কিন্তু বিচারক সেটা খারিজ করে দিয়ে বলেন, “যদিও ডিএনএ টেস্ট বিজ্ঞানের দিক থেকে অমোঘ প্রমাণ কিন্তু হুদুদ আইনের নিজস্ব প্রমাণ পদ্ধতি আছে যা হল অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি বা চাক্ষুষ সাক্ষী।”  ২১শে অগাস্টের হামলার কোনো চাক্ষুষ সাক্ষী নেই, কেউ কাউকে গ্রেনেড মারতে বা গুলি চালাতে দেখেনি। এখানেই এ মামলার সব অভিযুক্তেরা বেকসুর খালাস পেয়ে যায় ইয়োর অনার।

বাদীপক্ষ: এ মামলায় কোনো অপরাধীই স্বীকারোক্তি দেয়নি তা সত্য নয় ইয়োর অনার। তাছাড়া খুন জখম চুরি ডাকাতি ব্যাভিচারের কয়টা মামলায় চাক্ষুষ সাক্ষী থাকে?  আলামতের ভিত্তিতেই তো বেশির ভাগ অপরাধীর শাস্তি হয়। এই আদালতই তো বহু অপরাধীকে শাস্তি দিয়েছে শুধু আলামতের ভিত্তিতে। এমনকি আমার বিজ্ঞ প্রতিপক্ষ নিজেই বহু অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করেছেন শুধু আলামতের ভিত্তিতে।

আসামী পক্ষ: হোয়াট ? আপনি আল্লাহ’র আইন বদলাতে চান?

বাদীপক্ষ: আমি বলার কে!  আপনি হাতের ওই বিধিবদ্ধ ইসলামী আইনের ৩য় খণ্ডের ৮৮৮ পৃষ্ঠা থেকে একটু পড়ে শোনাবেন, প্লিজ!

আসামী পক্ষ: আপনিই বলুন।

বাদীপক্ষ: ওখানে আছে, সপ্তম শতাব্দীর ইমাম হানিফার সাক্ষ্য-আইন সাতশ’ বছর পরে স্পেনের ইমাম ইবনে হাজম আপডেইট করেছেন।  আসলে হাজার বছর ধরেই ইমামেরা অনেক শারিয়া আইন পরিবর্তন করেছেন। অতীত বর্তমানের ইসলামী বিশেষজ্ঞরাই তো বলেছেন কিছু শারিয়া আইন সর্বকালের ও কিছু আইন শুধু সেই সমাজের জন্য। বিশ্ব মুসলিম নিজেরাই তো দাস-দাসীর এবং অমুসলিমদের ওপরে জিজিয়া ট্যাক্সের শারিয়া আইনগুলো আর প্রয়োগ করেন না।  তাছাড়া, সাক্ষ্য বা অপরাধীর স্বীকারোক্তি ছাড়া শুধু আলামতের ভিত্তিতে অপরাধীকে শাস্তি দেয়া যাবেনা এটা কোরানে কোথায় আছে স্যার?

আসামী পক্ষ: আমাদের ইমামেরা কোরান হাদিসের আলোকে লিখেছেন আইনগুলো, আমরা মেনে চলতে বাধ্য।  মওলানা মৌদুদী বলেছেন দুনিয়ার সব মুসলিম একসাথে হলেও আল্লাহ’র আইন বিন্দুমাত্র বদলাতে পারবেনা।

বাদীপক্ষ: হ্যাঁ, কথাটা মৌদুদী বলেছেন তাঁর ‘ইসলামী ল’ অ্যাণ্ড কনস্টিটিউশন’ বইয়ের ১৪০ পৃষ্ঠায়। কিন্তু ইমামেরা নিজেরাই তো অনেক আইন বদলেছেন স্যার! মৌদুদী শারিয়া আইনের বিশাল প্রবক্তা এবং শারিয়া আইনে নারী রাষ্ট্রপ্রধান হতে পারেনা। কিন্তু ওই মৌদুদীই তো নির্বাচনে আইয়ুবের বিরুদ্ধে ফাতেমা জিন্নাকে সমর্থন করেছেন !

বিচারক: অর্ডার, অর্ডার! এখানে ইসলামী ধর্মতত্ত্বের জটিলতা টেনে আনবেন না, মামলাটির ব্যাপারে বলুন।

বাদীপক্ষ: শেষ চেষ্টা হিসেবে উনি বোধহয় বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন কেতাবের ১ম খণ্ড ধারা ১৩ এর কথা বলবেন ইয়োর অনার। ঠিক বলিনি স্যার?

আসামী পক্ষ: হ্যাঁ, ইয়োর অনার।  যদিও আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি যে আমাদের মক্কেলরা সবাই সম্পূর্ণ নির্দোষ, তবু যদি মাননীয় আদালত কোনো কারণে তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করেন তবু তাদের অধিকার আছে বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন ১ম খণ্ড ধারা ১৩ আইনটার সুযোগ নেবার।  আইনটা হল, তওবা করলে হিরাবা অপরাধীদের শাস্তি হবে না। শারিয়া বই থেকে পড়ছি, -“হিরাবাহ বলিতে সংঘবদ্ধ শক্তির জোরে আক্রমণ চালাইয়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাইয়া জন নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা বোঝায়। সম্পদ লুণ্ঠন, শ্লীলতাহানী, হত্যা ও রক্তপাত ইহার অন্তর্ভুক্ত।”

বাদীপক্ষ: এক্সকিউজ মি! “তওবা করলে হিরাবা অপরাধীদের শাস্তি হবে না”, আইনটা কি হুবহু ওই শব্দে-বাক্যে লেখা আছে স্যার?

আসামী পক্ষ: না, …মানে…অর্থাৎ হলো গিয়ে … মানে ইয়ে… আর কি……

বাদীপক্ষ: তোতলানোর জন্য থ্যাংকস। আইনটার হুবহু উদ্ধৃতি দিচ্ছি ইয়োর অনার। ছয়জন সম্মানিত ইসলামী বিশেষজ্ঞের যে কমিটি ৩ খণ্ডের বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন সংকলন করেছেন তারা সবাই খুব ভালোমানুষ। আইনটা নিয়ে নিশ্চয় তাদের মনে খটকা লেগেছিল। তাই তারা শব্দগুলো একটু ঘুরিয়ে এভাবে লিখেছেন – “হিরাবা’র অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী তওবা করিলেও শাস্তি হইতে রেহাই পাইবে না।”

আসামী পক্ষ: কথা তো একই হল ইয়োর অনার। আবারও বলছি, আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি যে আমাদের মক্কেলরা সবাই সম্পূর্ণ নির্দোষ। তবু যদি মাননীয় আদালত কোনো কারণে তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করেন তাহলেও এই বিশেষ শারিয়া আইনটার সুযোগ নেবার সম্পূর্ণ অধিকার তাদের আছে ইয়োর অনার।

বিচারক: (বাদীপক্ষকে) আপনার আর কিছু বলার আছে?

বাদীপক্ষ: আমি দুই হাত তুলে সম্পূর্ণ সারেণ্ডার করছি ইয়োর অনার।  যেখানে একটা লোককে ইচ্ছাকৃত খুন করলে খুনির মৃত্যুদণ্ড হয় সেখানে তওবা করলেই গণহত্যা গণধর্ষণকারীদের শাস্তি হবে না এটা যদি আল্লাহ’র আইন হয় তাহলে আল্লাহ মুসলিমদের হেফাজত করুন !!

বিচারক: কোর্ট ইজ অ্যাডজর্নড।

হাসান মাহমুদওয়ার্ল্ড মুসলিম কংগ্রেসের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য, মুসলিমস রিফর্ম মুভমেন্ট ও আমেরিকান ইসলামিক লিডারশিপ কোয়ালিশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

Responses -- “শারিয়া কোর্টে গ্রেনেড মামলার বিচার কী হতো!”

  1. আবু সালেহ

    বুঝলাম না কেন এখানে ইসলামকে টেনে আনা হয়েছে। একদল কট্টর অতি সেকুলার লোক ইসলামকে নিয়ে মশকরা না করলে যেন তাহাদের মনের শান্তি অাসে না।

    Reply
    • Rafi

      Hasan Mahmud is not a mufti. He does not have any Islamic education. I highly doubt even he practices any Islam. Does he have enough education, knowledge to write about this stuff? No he does not. He just wants to defame Islam.

      Reply
  2. Md Abdus Salam

    আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হয়ত কিছু ইসলামি দল নিজেদের স্বার্থে ইসলামকেই পালটে ফেলে । ইসলামি শরিয়াহ কখনো মুখ দেখে বিচার করেনা, সে যেই হোক । ইসলামের কোন ভুল নেই, ব্যাক্তির বা বিচারকের ভুল থাকতে পারে বা তারা প্রভাবিত হয়ে ভুল রায়ও দিতে পারে। ২১ শে আগস্ট হামলা যে তৎকালীন সরকারের সমর্থকরা করেছে এতে কোন বিবেকবান মানুষ দ্বিমত করবে না এবং এর সাজা সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়াই উচিত। জামায়াতে ইসলামী ভুল করে থাকলে সেটা তাদের ভুল, ইসলামের অপব্যাখ্যা করে তা প্রচার ও প্রয়োগ করলে সেটা তাদের ভুল। ইসলামের তো ভুল নাহ। আপনি জামায়াতে ইসলামী নিয়ে সমালোচনার আড়ালে, ইসলামকেই সমালোচনা করছেন কি? কারণ আপনি সঠিক তা জেনেও ভুলটা প্রচার করছেন? ইসলাম সম্পর্কে আপনার অন্যান্য লেখাগুলোতেও তা প্রকাশ পায় অন্তত আমি তা মনে করি।

    Reply
  3. দানিয়েল

    লেখক এখানে যে আদালতের বর্ণনা দিয়েছেন তা English Common Law এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত প্রচলিত আদালত। ইসলামি আদালত নয়। শরাব পানের অভিযোগে ওমর (রা:) তাঁর ছেলেকে নিজে বেত্রাঘাত করে হত্যা করেছিলেন। তখন বাদী বা বিবাদী পক্ষের আইনজীবীর দরকার হয়নি। আমর জানি মহাত্মা গান্ধী ওমর (রা:) এর মত রাষ্ট্র পরিচালক হতে চেয়েছিলেন।

    Reply
  4. Basher

    আমি জানিনা, শরিয়া আইনকে টেনে এনে আপনি কী বুঝাতে চাচ্ছেন। শরিয়া আইন অবশ্যই পাল্টায় না। ফিকহবিদগণ অস্পষ্ট বিষয়ে তাঁদের ফতোয়া বা মতামত ‌‌‍‌প্রদান করেন। বিচারকের দায়িত্ব রায় দেয়ার। ধন্যবাদ

    Reply
    • kamal

      জনাব বাশার, আপনি টিকই বুঝেছেন কিন্তু একটু না বুঝার ভান করছেন । শুকরিয়া। দেশে শরিয়া আইন চালু নেই । (ধর্মভিত্তিক দলগুলি তাদের মতোকরে তা’ চালানোর জন্য নিরন্তর চেষ্টা করছে অবশ্যই ।)শরিয়া আইন চালু থাকলে গ্রেনেড হামলা মামলার সকল আসামি বেকশুর খালাস হয়ে যেতো । বিচারক রায় দিতেন-২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা হয়েচে ঠিক আছে তবে হামলাকারী ইহারা নহেন, অন্য কেউ, হতে পারে জজ মিয়া, দাড়িওয়ালা বাবর মিয়ারা, মুফতিওয়ালারা বেকশুর খালাস।

      Reply
      • দানিয়েল

        ইসলমি আইন সর্ম্পকে পরিপূর্ণ জ্ঞানলাভের জন্য ২৫-২৬ বছর পড়াশোনা করতে হয়। কয়েক পাতা অনুবাদ পড়ে রায় দেয়া যাবে না।

      • Md Abdus Salam

        জনাব কামাল,
        আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হয়ত কিছু ইসলামি দল নিজেদের স্বার্থে ইসলামকেই পালটে ফেলে । ইসলামি শরিয়াহ কখনো মুখ দেখে বিচার করেনা, সে যেই হোক । ইসলামের কোন ভুল নেই, ব্যাক্তির বা বিচারকের ভুল থাকতে পারে বা তারা প্রভাবিত হয়ে ভুল রায়ও দিতে পারে। ২১ শে আগস্ট হামলা যে তৎকালীন সরকারের সমর্থকরা করেছে এতে কোন বিবেকবান মানুষ দ্বিমত করবে না এবং এর সাজা সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়াই উচিত। জামায়াতে ইসলামী ভুল করে থাকলে সেটা তাদের ভুল, ইসলামের অপব্যাখ্যা করে তা প্রচার ও প্রয়োগ করলে সেটা তাদের ভুল। ইসলামের তো ভুল নাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—