খবরে দেখলাম মইনুল হোসেন লিখিত ভাবে মাফ চেয়েছেন। একেই বলে ফাঁন্দে পড়িয়া বগা…। কিন্তু ফাঁদ যখন উঠে যাবে, যদি দেশের রাজনীতি বদলে যায়, যদি আবার সুযোগ মেলে- ব্যরিস্টার সাহেব কী এই ঘটনার শোধ তুলবেন না? কে দেবে তার গ্যারান্টি? কে দেবে তার নিশ্চয়তা? আর এটাও কি মানতে হবে যার যখন খুশি নারীদের অপমান করে, তারপর মাফ চাইলেই সব দোষ খতম বা জায়েজ হয়ে যাবে?

সমাজে, রাষ্ট্রে কত ধরনের যে দানব থাকে! সবাইকে আপনি সনাক্তও করতে পারবেন না। কিন্তু একটা সময় তারা নিজের আচরণে- প্রকৃতির নিয়মে ধরা খায়। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন তেমনই একজন। তার দানব আচরণের কারণ জানলেও বলা যায়না! কারণ তিনি মানিক মিয়ার পুত্র। পিতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কাছের মানুষ। ইত্তেফাক ছিলো মুক্তিযুদ্ধের আশা জাগানিয়া খবরের কাগজ।

কথিত আছে, মানিক মিয়ার মৃত্যুর পর ঢাকায় লাশ দাফনে পাকিস্তানি সরকারের গড়িমসি ও জায়গা না দেওয়ার কারণে বঙ্গবন্ধু নাকি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন একদিন দেশ স্বাধীন হলে, ঢাকার বড় রাস্তার নামকরণ করা হবে মানিক মিয়ার নামে। হয়েছেও তাই। অথচ মইনুল হোসেন ঘোর আওয়ামীবিরোধী। তাও এখন থেকে না, সেই চুয়াত্তর থেকে। অভিযোগ রয়েছে, সেসময় একগাদা রাজাকার আর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সাংবাদিককে জায়গা দিয়েছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় গুঁড়িয়ে দেওয়ার ভয়াবহ স্মৃতি ভুলে তৎকালীন ইত্তেফাক হয়ে উঠেছিলো বঙ্গবন্ধুবিরোধী আস্তানা।

মাছ ধরার জাল পরিহিত বাসন্তির ছবি ছেপে প্রমাণ করতে চেয়েছিল দেশে মানুষের কাপড় পর্যন্ত নেই। পরে তথ্য-প্রমাণসহ বাস্তবতা বলে দিয়েছে যে সময় দরিদ্র বাসন্তীকে ঠকিয়ে এমন ছবি ছাপানো হয়, তখন কাপড়ের দাম ছিলো মাছ ধরার জালের চাইতে কম।

এই মানুষটি তার জীবনের ব্রত হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরোধিতাকে বেছে নিয়েছেন। নিন্দুকেরা বলে ছোট ভাইয়ের সাফল্য ও ঈর্ষার কারণেই নাকি এমনটা। তাকে কে জায়গা দেবে দলে? পঁচাত্তরের পর তিনি গিয়েছিলেন মোশতাকের সাথে। খন্দকার মোশতাককে প্রমোট করার নামে ইত্তেফাক তখন বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডসহ সবকিছু জায়েজ করতো।

এই লোকের আচরণেও এক ধরনের উগ্রতা আছে বলে সবসময় মনে হয়েছে। যখন তিনি ইত্তেফাকের দায়িত্বে ছিলেন তখন পত্রিকাটির মালিকানা ও নানা দ্বন্দ্বে গুলিবিনিময়ে মানুষ খুনের ঘটনা ঘটার পরও তিনি বারবার বেঁচে যেতেন।  যে অশুভ আঁতাত বা কানেকশান তাকে বাঁচাতো, এখন তিনি তাদের দালালী করতে মাঠে নেমেছেন কি? মুশকিল হলো মইনুল হোসেন ভুলে গেছেন আগের কাল আর আজকের যুগে অনেক তফাৎ।  এখন এইসব মানুষের আস্ফালনের মূল্য নাই। আর যা খুশি করে পদ-পদবীর জোরে পার হবার দিনও বিগত।

কথাগুলো বললাম এই কারণে যে, ব্যারিস্টার সাহেব ৭১ টিভির টকশোতে এসে এমন কথা বলেছেন, যা আমাদের মা-বোন তো বটেই, যেকোনও নারীর জন্য অপমানের। এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধের পর্যায়ে পড়া এই বক্তব্য এখন মানুষকে উদ্বিগ্ন ও শঙ্কাকূল করে তুলেছে। সে টক শোতে ছিলেন মাসুদা ভাট্টি।

লন্ডন থেকে দেশে ফিরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করা মাসুদ ভাট্টির সাথে যে দুই-একবার কথা হয়েছে, তাতে আমি এটা নিশ্চিত তিনি মিতভাষী। উগ্রতা বলে কিছু নেই তার কথায় ও আচরণে। মাসুদা ভাট্টির দুটো নিরীহ প্রশ্নের উত্তর দিতে অসমর্থ হওয়ায়, মইনুল তাকে ‘চরিত্রহীন’ বলে মিডিয়ায় যে ঘোষণা দিলেন যেকোনও সভ্য দেশ হলে মইনুলের আর করে খেতে হতো না।

যে দেশ থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি নিয়ে এসে ছড়ি ঘোরান সেদেশে হলে, তার খবর ছিলো। তিনি জামায়াতের প্রতিনিধি হয়ে নতুন জোটে আছেন বা যাতায়াত করেন কিনা, এই সাধারণ প্রশ্নের উত্তরে তিনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ যেকোনও একটা বলতে পারতেন।

সেটা না করে তার যে উগ্র স্বভাবের চেহারা দেখালেন, তাতে এটা স্পষ্ট এই মানুষগুলো আর যাই হোক আমাদের সমাজ ও দেশের মঙ্গলে আসার মতো মানুষ নন। এটা আমি আ স ম রবের বেলায়ও দেখেছি। সাধারণ মামুলী প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে নিজের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য হুমকি দিতে থাকেন। এরা আসলে হতাশ । এদের জীবনের এই পর্যায়ে তারা বুঝে গেছেন, তাদের আর কিছু দেবার কোনও সামর্থ্য নাই। তাই নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য জোট বাঁধেন আর চেহারা বেরিয়ে আসলেই এমন সব আবোল-তাবোল কথা বলেন।

মাসুদা তো ঠিক কথাই বলেছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তিনি যে মামলা দায়ের করেছিলেন, তার কারণেই খালেদা জিয়া এখন কারাগারে। সে দায় অস্বীকার করার জন্য মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলা কতটা যুক্তিসঙ্গত? মইনুল হোসেন এমনই একজন লোক যিনি প্রয়োজনে খালেদা জিয়াকে ফাঁসিয়ে দিতে পারেন, প্রয়োজনে জামায়াতের সাথে যেতে পারেন ।

এমন বহুমুখি সাপের হাতে কতটা নিরাপদ সমাজ? রাজনীতিই বা কতটা নিরাপদ? আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, কেউ আমাকে তিনটা কারণও দেখাতে পারবেন না, যেসব কারণে রাজনীতিতে মইনুল হোসেনকে সাথে নেওয়া যেতে পারে। তিনি যখন যার সাথে গেছেন তার ভরাডুবি নিশ্চিত করেছেন।

যে সময়ের কথা বলছি তখন ঢাকাসহ সারাদেশে এক অরাজক পরিস্থিতি। খন্দকার মোশতাক ও অলি আহাদের সাথে জোট বাঁধা মইনুল হোসেন পরিবেশ উত্তপ্ত করার কাজ করলেও, নিজে কিন্তু ঝামেলায় জড়াতেন না। এমন কি এক-এগারোর সময় তাকে সরকারে নেওয়া হলেও টিকতে পারেননি। স্বভাবসুলভ ঝগড়া বাঁধিয়ে কেটে পড়েন। এখন ইনি নতুন গড়া জোটে ঢোকার জন্য মরিয়া। বলাবাহুল্য তিনি একাই একশ’ এই জোটকে ডুবিয়ে দিতে।

খেয়াল করবেন কখনোই স্বাভাবিক মন মননে থাকেন না ইনি। সবসময় উগ্র আর রগচটা। বাংলাদেশে এমনতিতে নানা কারণে উত্তেজনার কমতি নাই। বাড়তি এই ঝুট ঝামেলা নেবার আদৌ কোনও কারণ নাই জাতির।

কিন্তু এখন বিষয় আরেক। তিনি তার আসল চেহারা বের করে এনেছেন তাও মিডিয়ায়। একজন নারীকে অপমান করার আগে মইনুলের বোঝা উচিৎ ছিল, এখন দেশে নারীরা তাদের আপন মহিমায় উদ্ভাসিত। তাদের সাথে যা খুশি তা করে পার পাবার দিন শেষ। প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধী নেত্রী, কারাবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী- সবাই নারী। এই দেশে তিনি যদি বিনা বিচারে, বিনা বাঁধায় পার হয়ে যেতে পারেন, তাহলে সময় বা সভ্যতা কোনওটাই আমাদের মাফ করবেনা।

মইনুল হোসেন হয়তো জানেনই না, দেশে বা সমাজে তিনি কতটা ঘৃণিত। তাকে ধন্যবাদ জানাই একটি কারণে। এই হট হেডেড বা মাথা গরম করার কারণে তার আসল চেহারা দেখার সুযোগ পেল জাতি। সাথে বেরিয়ে এলো মানুষের মনের ঘৃণা। ধিক্কার জানানোরও ভাষা নাই তাদের।

মইনুল হোসেন কি পার পেয়ে যাবেন এবারও? আমাদের সমাজে কি ‘নারী মানে পুরুষের ভাষা ও আচরণগত লালসার শিকার’- এটাই সত্য হবে? ইত্তেফাকের সুনাম, মানিক মিয়ার সুনাম, এমন কী সমাজের সুনাম নষ্ট করা এই অভদ্র মানুষটি যেন আর দাঁতমুখ খিঁচিয়ে চোখ গোল গোল করে শাসাতে না পারে, তার একটা বিহিত হওয়া দরকার।

সমাজ যে এগিয়েছে, মানুষ যে আধুনিক হয়েছে, নারীর অধিকার ও সম্মান যে এখন নিরাপদ, তার প্রমাণ চাই আমরা। শুধু মাফ চেয়ে পার পাওয়ার সময় নাই এখন। দেশ ও জাতির আশা এমন একটা ব্যবস্থা নেওয়া হোক যাতে মইনুল হোসেনের মত মানুষেরা কোনদিন ভাবতে না পারে, তারা যা খুশি তা বলে বা করে পার পাবেন। আর একটা বিষয় আমাদের মা-বোনেরা, নারীরা যে নিরাপদ তারও গ্যারান্টি চায় জাতি। নতুন জোটের নেতারা যদি এবিষয়ে নীরব থাকেন তাহলে তাদের দুর্ভোগেরও অন্ত থাকবে না।

সময় ও সবাই মিলেই এমন দানবের মোকাবেলা করা জরুরি।

অজয় দাশগুপ্তকলামিস্ট।

৫০ Responses -- “লিখিত মাফ চাইলেই কি মাফ করা হয়ে যাবে?”

  1. Not applicable

    Russel,
    Are you the agent of going after every single anti Awami comments? Shame on you! I am not sure what is exactly the meaning by that.. i have been commenting every now and then in many different topics pretty much in everything, It is the freedom of my speech.

    Reply
    • Russel

      @ Not Applicable,

      My comment was for “Bongo Raj”. This guy replies against every anti-Awami comment. He is more Awami League than prime minister Sheikh Hasina it seems! Come on. Let other people express their opinions.

      Reply
  2. মাসুদ

    সাবধান, ভায়েরা। চরিত্র নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে গেছে। এখানে সবচেয়ে মুখর সৈয়দ আলীদের চরিত্রও যে কখন উন্মোচিত হয়ে যায় কে জানে!

    Reply
    • সৈয়দ আলি

      মাসুদ, ওমা কারো চরিত্র উন্মোচন করতে কি আপনাদের পাঁজি দেখতে হয়? দিন একটি লেবেল সেঁটে। আপনারা মুক্তিযুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বাধিনায়কের চরিত্র ‘উন্মোচন’ করেছেন, একমাত্র বেসামরিক বীরোত্তমের চরিত্র ‘উন্মোচন’ করেছেন, আমি তো কোন ছাড়! শুধু সাবধান থাকবেন, রাজাকারের বংশের বিছানায় কন্যা পাঠিয়ে বা তেঁতুলের সাথে রাজনৈতিক শয্যায় শুয়ে যেন আপনাদের চরিত্রটি ফট-ফট-ফটাস না হয়ে যায়।

      Reply
  3. Not applicable

    i was the first person who wrote comment in this article. there was a little hidden sign in my opinion that people did not notice. now i can see the rain of comments in this department. i want to see where they are going with this. who knows what people can find? sometimes people are looking for worms to put in hook but they run because a big anaconda is hiding in deep of cave to eat them ? Bhatti is her ( Masuda Bhatti) last name or family name right? where that name came from? what kinds of connection she has with that Pakistani name? is there anything else? now people might just sit down and enjoy watching the game.

    Reply
  4. মো মনজুরুল হক

    ৭১ টিভিতে যেসব “চরিত্রবান” সাংবাদিকেরা আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে আসেন তারা কোন ঘরনার সাংবাদিক তা কাউকে উচ্চারণ করে বলতে হয় না।

    Reply
    • kamal

      জনাব, বোঝা গেল আপনি চরিত্রবান অর্থাৎ যারা এতিমের টাকা মারা, দেশের টাকা পাচার করা, মাহিমা ফাহিমাদের ধর্ষণকারী, বিচার ফাঁকিবাজী, পেট্রোল সন্ত্রাসী, তেতুল হুজুর ঘরানার সাংবাদিক।

      Reply
  5. Bongo Raj

    আমার মনে তিন তিনটা জিজ্ঞাসা এসেছে, কেউ কি জবাব দেবেন?

    জিজ্ঞাসা-১ঃ পুত্রের এমন পতন দেখে, তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াঁ কি এখন স্বর্গতে থেকে দোজোখের কষ্ট অনুভব করছেন?
    (প্রসঙ্গক্রমে বলতেই হয়, তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ছিলেন বাঙ্গালীর জন্য এক পরশ পাথর তাই বলা হতো বাঙ্গালীর স্বাধিকার আন্দোলনের একজন স্বাপ্নিকও)।

    জিজ্ঞাসা-২ঃ বাংলাদেশে নাকি ব্যাক্তি স্বাধীনতা নেই, তাহলে এমন স্বাধীনতা মইনুল হোসেন কি ভাবে কোথা থেকে পেলেন?

    জিজ্ঞাসা-৩ঃ কিছু গোষ্ঠী অহরহই বলে থাকেন যে, “বাংলাদেশে বর্তমান সরকার শক্তি দিয়ে সব কিছু দমিয়ে রেখেছে”; তাহলে, যেই লোক সরকারের বাইরে থেকেও এমন দাপট দেখাতে পারেন, তিনি (তিনারা) যদি সরকারে যায় তাহলে, সেই দাপট কতদূরে যাবে?

    Reply
    • সুরুজ বাঙালি

      Bongo Raj সাহেব, আওয়ামী লীগ করেন নাকি? আওয়ামী লীগের সমালোচনা করলেই মানুষকে হাঁতুড়ি পেটা করতে মন চায় তাই না???

      Reply
      • Bongo Raj

        I wanted to do so but my present status don’t allow me to do the same.
        Why wanted to do so?
        Cause, current Bangladesh , Bangalees are in the best position of its/their history.
        From outside it can easily be seem.
        By the way, my above comment is in no way against any criticism of AL, then why you uttered as such???

      • kamal

        সুরুজ বাঙালী নামটা খুব খাসা। তা নারী দেখলেই ফালু হতে ইচ্ছে করে, আবার নারী প্রতিবাদী হলে তাঁকে চরিত্রহীন বলতে ইচ্ছে করে তাই না ?

      • মাসুদ

        আর বিএনপি-জামাতের সমালোচনা করলে…কী ইচ্ছে করে বাঙালি সাহেব?

  6. দর্শক

    ভয়াল ঐক্য করা গেলোনা… ড.কামাল তার থেকে বেশী মূল্যায়িত.. মাইনাস টু এর পুনঃপরিকল্পনা.. কেউ তাকে গুনে না… ভবিষ্যৎ এর চেয়ার কোনটা হবে, তারেক কি মানবে…? এসব নিয়ে উনি এমনিতেই টেনশনে অাছেন
    তার মাঝে এসব প্রশ্ন? !!!! ( মাসুদার উচিত হয়নি এই প্রশ্ন করার) অাহারে বেচারা!! এখন অাম জাম ছালা ছাড়া গাছ ঐক্য, সার, পত্রিকা,অাসল রুপ সব গেলো সব গেলো!!!!

    Reply
  7. সরকার জাবেদ ইকবাল

    যারা টক শো’তে অংশগ্রহণ করেন তাদেরকে একটি প্রশিক্ষণ কোর্সের আওতায় আনা দরকার যেখানে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি জেণ্ডার ইকুয়ালিটি এবং জেণ্ডার ইকুইটির উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এছাড়াও, কিভাবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে ‘টু দ্য পয়েন্ট’ কথা বলতে হয় তাও শেখানো হবে। কোর্স ডিজাইন এবং পরিচালনা করার দায়িত্ব নিতে আমার কোন আপত্তি নেই।

    Reply
  8. salim

    আপনার লেখায় যুক্তি থাকে। প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা , তাই পড়তে বেশ ভালো লাগে।
    তবে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ড এবং নিরাপদ সড়ক ও কোটা সংস্কারের সময় হাতুড়ি দিয়ে সাংবাদিকদের পিটিয়ে যেভাবে কোমর ভেঙ্গে দেওয়া হলো- তখন আপনার কিছু লেখা উচিত ছিলো। তাহলে লেখায় ভারসাম্যতা রক্ষা পেতো।

    Reply
    • সৈয়দ আলী

      salim, আপনি কি পাগল যে দল বদলে ঘোর আওয়ামী হওয়া দাশেরা অমন কিছু লিখবে? এখন অসভ্য মইনুল হোসেন হিরু মিয়াকে গালি দেয়ার জন্য মাসুদা ভাট্টিকে উচ্চকিত করছে, কারন একদা পাকিস্তানি ঘরণী মাসুদাও এখন ঘোর আওয়ামী হয়েছে। রসুনের গোড়া বলে কথা। ফেসবুকে পড়ুন মাসুদার চরিত্র (http://istishon.blog/node/25553?fbclid=IwAR20wIPyHgtdEh4MpPqCiooHN8i2k4iJ9CgKrqOT3hkAIJTmr_zZVaHitCo)

      Reply
      • সৈয়দ আলি

        আজকের ফেসবুকে ‘সাংবাদিক’ মাসুদা ভাট্টির ফুলের মতো চরিত্রকে তিনার মস্কোর সহপাঠিরা খোলাসা করে দিয়েছে। আমার বমি আসছে, স্যরি।

      • আশফাকুর রহমান

        মাসুদা ভাট্টির কৃতঘ্ন রূপটি আব্দুল গাফফার চৌধুরী অনেক বছর আগেই উন্মোচন করেছিলেন, যখন তিনি প্রথম আলোয় লিখতেন।

    • Bongo Raj

      দর্জি পাড়ায় ভীড় জমানো ঐ সব ভাইরা যে “নিরাপদ সড়ক ও কোটা সংস্কারের” আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল সেই অংশটা যোগ করলে না কেন ভাইয়া!!

      Reply
    • সৈয়দ আলী

      আরিফ, হাঃ হাঃ ঠিক। দালাল আইনে জেলে যাওয়া নুরু রাজাকার হয়ে যায় দাদাজান, আর একাত্তর থেকে ঊণাশি পর্যন্ত বাচ্চু রাজাকারের সাথে দেশগ্রামে না যেতে পারা মশা হয়ে যায় বেহাই ছাহেব।

      Reply
  9. সিবগাতুর রহমান

    টেলিভিশনের টকশো
    সিবগাতুর রহমান

    হায় হায় কি দেখলাম কি শুনলাম নিজ কানে
    এরাই নাকি বুদ্ধিজীবি! আমার বাঁধিছে সম্মানে।

    মধ্যরাতের বাচালরা সব চালায় টেবিল কথন
    ভাবে তারাই সবজান্তা শ্রোতারা সব মদন।
    কুকুর সম ঘেউ ঘেউ আর বেহুদা সোরগোলে
    কেউ শোনেনা কারো কথা আসর মাথায় তুলে।

    মানিক মিয়ার সোনার ছেলে করলো এটা কি!
    শেষ বয়সে তারেও বুঝি ধরেছে ভীমরতি।
    মেয়ে মানুষ দেখলে তাহার থাকেনা কি হুঁশ?
    ক্ষমতা আর মদের নেশায় হইলো বুঝি বে-হুঁশ।

    দখলবাজ এক বানর দেখি থাকে নেশার ঘোরে
    দাম্ভিকতায় মাতাল স্বরে মিথ্যার বাণ ছুড়ে।
    শেষ বয়সে এমপি হবার স্বপ্ন দেখেন ভারি
    স্বাস্থ কথন ভাল্লাগেনা নাম তার চৌধুরী।

    মোদের পাড়ার কাল্লু ভাই ডাকিয়া কয় মোরে
    “টিভির ফেরিওয়ালারা কি দেখেনা আমারে?”
    ******
    রচনাকালঃ ১৮ অক্টোবর ২০১৮

    Reply
  10. Anwar A Khan

    Moinul, the petite unrichly or unlagged and un-coloured shenanigan has dallied with Masuda Bhatti like journalist of high level of respect gained by her impressive development or achievement through her invaluable journalism and write-outs.

    His temerity is irremissible. His mental state, as if, he is the Saturnia pavonia with large moth of untemperate forests of Eurasia having heavily scaled un-transparent wings. Who is he? He is one of the third-rater mango-twigs of the primal machinator Kondokar Moshtaque Ahmed, the brutish slayer of Bangabandhu. He has now come out without premeditation into view, as from concealment being a pettifogger to use unscrupulous or unethical methods in politics to gain purely for his personal welfares only, not for the interests of people of the country.

    That hombre has blanked out that he was also born in the womb of a woman. We call mother. He has thus discarded mother figures.

    The rascality of this blackguard must be smacked-down in a flush in public. Mother shall remain above us all with our ascribable respect with a solemn and dignified feeling.

    Reply
    • Roomi

      No one understands your English. Write in Bangla. If you want to write in English then write in Washington post. You don’t need to show up your English in Bangla forum. It’s simply nonsense dude!

      Reply
    • Bongo Raj

      Writing style of Mr. Anwar is in deed of superior category of English . However, writing in a public forum will immediately raised the concern that it will be read by many people of different English knowledge level. Probably keeping this in mind, most renowned journal editors are advising their author to write the article in such a level that a 10th grader could understand

      Reply
  11. মনিরুল ইসলাম

    আমাদের দেশে তালাকপ্রাপ্ত নারীদের নিয়ে বিড়ম্বনার শেষ নাই।দেশের রাজনীতিতেও সেরকম তালাকপ্রাপ্ত রাজনৈতিক সুশীল/অশ্লীলদের দৌড়-ঝাপ দেখেও তাই মনে হয়। এদের নির্লজ্জতা এতই বেয়াডা যে, বঙ্গোপসাগরের পানি সব দিয়ে মুছলেও পরিস্কার হবে না। এরা সমাজের উচ্চিষ্টের মত ডাস্টবিনেই শোভা বর্ধন করবে মাত্র। এদের প্রতি নেড়ি কুত্তারাও ফিরে তাকায় না। এটাই আজকের চরম বাস্তবতা।

    Reply
  12. অবনী হালদার

    ধন্যবাদ, অজয় দাশগুপ্ত। মানিক মিয়া বাংলাদেশের সম্পদ কিন্তু মইনুল জাতির জন্য কলংক ।

    Reply
  13. younusur rahman

    এই মইনুলকে দেখলেই আমার ১৯৯২ সালের ৭ ডিসেম্বর দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার কথা মনে হয়। আগের দিন মানে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতীয় হিন্দু মৌলবাদীদের আক্রমনে ভারতের অযোধ্যায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরদিন এই পত্রিকাটির ছবি সহ হেডলাইন ছিল ” অবশেষে বাবরি মসজিদ ভেংগে ফেলা হয়েছে”। তখন ইত্তেফাক সবচেয়ে বড় পত্রিকা যার প্রকাশিত খবর সারাদেশের মানুষ পড়তেন। এই খবর ফলাও করে প্রকাশ করার ফলে বাংলাদেশে দাংগা লাগানোর অন্যতম বার্তা সারাদেশে পৌছে দেয়ার দায়িত্ব পালন করে ইত্তেফাক এবং পুরাতন ঢাকা সহ দেশের অন্যান্য জায়গায় হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমালের উপর হামলা হয়। পল্টন থেকে মোল্লাদের তলোয়ার হাতে মিছিল নিয়ে নবাবপুরের দিকে এগিয়ে যেতে নিজ চোখে দেখেছি। মানিক মিয়ার ছেলে ব্যারিস্টার এই অহংকারী আধপাগল অস্থির এই লোকটির শাস্তি বা চিকিৎসা হওয়া উচিৎ। এই ধরণের লোক সমাজে না থাকলে দেশের জন্য ভাল হবে।

    Reply
    • Sarker

      চুরি করলে তো তাকে চোরই বলবে?
      ভালকে ভাল মন্দকে মন্দ বললে কি?
      সাদাকে সাদা, কালোকে কালো?
      আর দালালকে দালাল (সে জামাত না করে যদি জামাতের পক্ষ বলে?)
      চরিত্রাহীনাকে দুশ্চরিত্রা বলা কি খারাপ?

      Reply
      • Bongo Raj

        তাহলে তো জনাব Sarker কে পাগল অথবা রোজ কাঁঠাল পাতা চিবানো জীব বলা যেতেই পারে!
        তাই না?

      • শামীম খান

        “চরিত্রহীনাকে দুশ্চরিত্রা বলা কি খারাপ ?”
        মিঃ সরকারের এই বাক্যটি একটু বিশ্লেষণের দাবী রাখে । জানতে চাই , আপনি ও কি মঈনুলের মত আলোচ্য নারী সাংবাদিককে চরিত্রহীনা বলছেন ? ইনিয়ে বিনিয়ে না-বলে পরিষ্কার করে বলুন ।
        এইবার এই প্রশ্নের উত্তর দেই । একজন মানুষকে ( নারী বা পুরুষ যেই হোন না কেন ) প্রকাশ্যে লাইভ টি ভি প্রোগ্রামে বিনা কারণে চরিত্রহীন বলা অবশ্যই অপরাধ । শুধু তাই নয় , এটি একটি জঘন্য মানসিকতার পরিচায়ক ।

        আর যারা এই সত্যটি জেনেও না-জানার ভান করে ইনিয়ে বিনিয়ে মন্তব্য করে বেড়ায় তাদের মানসিকতা নিয়েও বড় প্রশ্ন আছে । এধরণের প্রশ্ন রাখার অর্থ কি ? হাইস্কুলের গণ্ডি পেরুনো কোন ছেলে নিশ্চয় এই ধরণের বালখিল্য প্রশ্ন করবে না । এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না-থাকলেও পারিবারিক শিক্ষা দিয়ে এই কথার অসারতা বোঝা কষ্টকর নয় ।
        মিঃ সরকারের সমস্যা কোথায় জানতে চাই ।

      • সিবগাতুর রহমান

        চরিত্রাহীনার কি প্রমাণ আছে আপনাদের কাছে? মঈনুলের সাথে কি আপনিও ছিলেন?

  14. Shamim Khan

    Moynul Hossain is a notoriously bad-tempered politician. He always uses slangs at his convenience ever since the beginning of his political career. And yes, he was the one who published that infamous picture of Basanti as a part of the conspiracy against our nation and against the then government of Bangabandhu Sheikh Mujib. This was the time when the enemy nations branded Bangladesh as ‘ The Bottomless Basket ‘. The picture added value to the enemies propaganda.

    The conspiracies went on based on rumors and rootless false news. These were published in the national daily the Ittefaq in a very delicate way with the intention to engineer an outcry and desperation against our independence. Bangabandhu the lion-hearted leader, trusted him as he was the son of one of his closest friends. Unfortunately, crime master Moynul didn’t spare any opportunity to stab the father of the nation from the back.

    Moynul took a sigh of relief and organized that infamous Candle Light Dinner on the eve of 15th August, after the assassination of Bangabandhu. He was successful!

    This time this heinous conspirator should be taken to task by all means. Legal actions against him should be the best choice. This may demolish his boasts and flamboyant egos effectively.

    Reply
  15. সুরুজ বাঙালি

    আমি ৭১ টিভির অনুষ্ঠানটি পুরো দেখলাম।
    মাসুদা ভাট্টি তার আওয়ামীমনা মন মানসিকতা থেকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে জামাত-শিবির বানানোর চেষ্টা করেছিলেন, তার অপসাংবাদিকতামূলক প্রশ্নের মাধ্যমে। খুশি করতে চাইছিলেন আওয়ামী লীগকে।
    দিন দিন সাংবাদিকরা এইভাবে দলীয় হয়ে যাচ্ছেন, ইটা দেখে খুবই কষ্ট হয়।

    মাসুদা ভাট্টি যুক্তি দেখিয়েছেন, ব্যারিস্টার মইনুল শিবিরের অনুষ্ঠানে নাকি গিয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন। কিন্তু শেখ হাসিনাও এরশাদ এর দেওয়া ১৯৮৬ এর নির্বাচনে সময় জামাত এর সাথে অংশ নিয়েছিলেন। এমনকি ১৯৯৬ এর দিকে আওয়ামী লীগ-জামাত যুগপৎ ভাবে বিএনপি বিরোধী আন্দোলন করেছিলেন। একই টেবিলে শেখ হাসিনার সাথে মাওলানা নিজামীর ছবিও আছে। তাহলে মাসুদ ভাট্টির যুক্তি অনুসারে, কি শেখ হাসিনাকেও জামাত-শিবির-রাজকার বলা যাবে???

    রাজনৈতিক দলীয় লেজুড় ভিত্তিক অপসাংবাদিকতা কি একজন ভালো সৎচরিত্রের সাংবাদিক করতে পারেন। আর চরিত্রহীন সাংবাদিকরাইতো অপসাংবাদিকতা করেন।

    আর আমাদের দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এইরকম অপসাংবাদিকতাকর রুখতেই “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮” করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

    Reply
    • Bongo Raj

      কি সুন্দর যুক্তি??
      “” কিন্তু শেখ হাসিনাও এরশাদ এর দেওয়া ১৯৮৬ এর নির্বাচনে সময় জামাত এর সাথে অংশ নিয়েছিলেন।”” হাহাহাহাহাআহাহ–

      নির্বাচন দিয়েছে এরশাদ , আর জামাত নির্বাচনে অংশগ্রহন করার জন্য শেখ হাসিনার দোষ ?

      Reply
    • সৈয়দ আলী

      সুরুজ বাঙালি, না না, শেখ হাসিনা জামাতের সাথে বসে ঝাল-মুড়ি খেয়ে আন্দোলনের ছক করবেন, ছবি তুলবেন, দেশের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে খুনী গু আজমের কাছে দোয়া আনতে পাঠাবেন, প্রমানিত রাজাকারের পরিবারে কন্যা বিবাহ দেবেন, এককাত্তরের খুনী মুজাহিদ বাহিনীর প্রধানকে বাংলাদেশের ধর্মগুরু বলে ফতোয়া দেবেন – কোন সমস্যা হবেনা। কৃষ্ণ করলেই লীলাখেলা অন্যরা করলেই লুচ্চামি।

      Reply
  16. Not applicable

    this article is interesting i guess. off course he should not insult to any women.i agreed. also i was interested to know if he was involved to any killing mission like any other big politicians based on the statements of the opposition political leaders. let me know or i think our nation wants to know this. at the same time, our nation wants to know the secret of all killing mission. i think when you write something like this with hateful thought, you will find some kinds of readers for that. this kinds of writing does not really help to our nations to move forwards. just wasting time for the people who only have nothing to do but writing this.

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—