সকল রাষ্ট্রেই কিছু নীতিবাক্য বা স্লোগানের প্রচলন আছে।  এসব স্লোগানের মাধ্যমে রাষ্ট্র যে স্পিরিটে বিশ্বাসী তা ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা করা হয়। যেমন, বৈদেশিক সম্পর্কের ধরন বোঝাতে আমাদের স্লোগান হলো, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়।’ এখন চাইলেই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে এই নীতি-স্লোগানকে বিতর্কিত করা যায়। বিশ্বের সকল রাষ্ট্রই মানবিক কাজ করছে না। তাদের সাথেও কি বন্ধুত্ব? তাদের সাথেও কি বিরোধিতা বা শত্রুতা নয়? প্রশ্ন তুললে তোলা যায়। কিন্তু প্রায়োগিক সত্য হলো, বাস্তবে যাই থাকুক না কেন, (যেমন,  চিরকাল পাকিস্তানের সাথে বা ইদানিং মায়ানমারের সাথে, কখনও ভারত ইস্যুতে) আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো- সকলের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন।

এখন আসি মূল কথায়। যখন বলা হয় যে, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, তখন অনেক ধর্মপ্রাণ ভাই-বোন এটি মেনে নিতে পারেন না। যারা মেনে নিতে পারেন আর যারা মেনে নিতে পারেন না তাদের মধ্যে তৈরি হয় ব্যবধান আর চাপা দ্বন্দ্ব।

আমি এই স্লোগানটির ৩টি সম্ভাব্য অর্থ খুঁজে পাই।

১. এক পক্ষ ভাবেন, ধর্ম যার যার হলে উৎসবও তার তার হওয়াই যৌক্তিক। উৎসবের কারণটা যেহেতু একটি বিশেষ ধর্মের, তাই উৎসবটা ওই ধর্মের লোকেরই করা উচিত।  নইলে এক ধর্মের লোক অন্য ধর্মের উৎসব করলে নিজের ধর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

২. দ্বিতীয় পক্ষের ব্যাখ্যা হলো, ধর্মীয় সিদ্ধান্ত যার যার ব্যক্তিগত। আমি যে ধর্মেরই হই না কেন, আমার বন্ধু যে ধর্মেরই হোক না কেন, আমি তার বাড়ি যাবো, তার কাছে খাবো, অবশ্যই আমার ধর্মীয় রীতির মধ্যে থেকেই খাবো। তাকে শুভেচ্ছা জানাবো, আমার বাড়িতে সে আসবে। এসবই আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এভাবে আমি অন্য ধর্মের উৎসবে যেতেই পারি। এই পক্ষ মনে করে এতে নিজ ধর্মের কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। বরং সকল ধর্মের মানুষকে আপন করে নেওয়া হচ্ছে।

৩. উপরে বর্ণিত দুই দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে। তারা উভয়েই নিজেদের ব্যাখ্যাকেই সত্য মানেন এবং অপর পক্ষের সাথে বিষোদগার করতে বা তর্কে জড়িয়ে পড়তে পিছপা হন না।

তবে এই দুইয়ের বাইরেও একটি অর্থ আছে। সেটি অবশ্যম্ভাবী অর্থ। এটি এমন অর্থ যে, আপনি আমি মানি বা না মানি,  কিছুই আসে যায় না, বরং এই স্লোগানটি বাস্তবরূপে প্রমাণিত হয়ে যায়। কীভাবে?

ধরুন, সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের পূজা চলছে।

প্রচুর কেনা-কেটা হবে। এত শাড়ি-গহনা-খাবার-পোশাক-বাজনা কারা বিক্রি করবে? সকল বিক্রেতাই কি হিন্দু? না। প্রায় সবাই মুসলিম। একজন পোশাক বিক্রেতা, সে হিন্দুই হোক বা মুসলমান, বছরের বিশেষ কিছু সময়ে সে বেশি বেশি বিক্রি করে। ঈদে, পূজায়, বৈশাখে ইত্যাদি। চাঁদ রাতের আগ পর্যন্ত ঈদের বিক্রিতে যেমন ধুম পড়ে যায়, পূজাতেও তেমনি সে অনেক বিক্রি করে। এই সময়গুলোতে সে বিক্রি করে হয়তো সারাবছরের ঝিমিয়ে পড়া ব্যবসাকে চাঙা করে তোলার স্বপ্ন দেখে। এই যে পূজার কেনা বেচা,  এটা একজন মুসলিম ব্যবসায়ীকেও লাভ এনে দেয়। এই সময়ে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় ওই ব্যবসায়ী ভাল ভাল খান, ভালো ভালো পরিধান করেন, ঋণ মেটান, ব্যবসা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেন,  ইত্যাদি। এভাবে পূজার সময়ে মুসলিম ব্যবসায়ীও আনন্দ লাভ করেন। এই আনন্দের মানে এই না যে, তিনি মন্দিরে গিয়ে পূজা দিলেন। কিন্তু পূজার সময়ের ‘বাই-প্রোডাক্ট’ হিসেবে হলেও তার মনে শান্তি এলো। এভাবে তিনি এই উৎসবে শামিল হলেন। ঈদের সময়ে একজন হিন্দু ব্যাবসায়ীও কিন্তু একইভাবে আনন্দিত হন। ধর্ম যার যার উৎসব সবার কথাটির বিরোধিতা করলেও কোনো ব্যবসায়ীই কি অন্য ধর্মের উৎসবের সময়ে বসে থাকেন? থাকেন না। এভাবে উৎসব সবার হয়ে যায়।

ঈদ আসে। ছুটি আসে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত ভাই-বোনেরা ছুটি পান। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া, যেমন নন স্টপ সার্ভিসের জায়গাগুলোতে, এক ধর্মের উৎসবে অন্য ধর্মের কর্মচারীদের রেখে দেওয়া হয় সেবার স্বার্থে, এমন ক্ষেত্র ছাড়া, সব ধর্মের মানুষই ছুটি পান। ছুটি মানেই আনন্দ। পূজা আসে। প্রতিষ্ঠানে ছুটি আসে। এই ছুটির আনন্দ শুধু একটা ধর্মের লোক নেন কী? কোনও হিন্দুই ঈদের নামাজ পড়তে আসবেন না, কোনো মুসলিমও পূজা দেবেন না। কিন্তু ছুটি ঠিকই কাটান সবাই। এই ফাঁকে নিজের পরিবারের কাছে যান। ভাল মন্দ খাওয়া তো স্বাভাবিক হয়ে যায়। পূজোর ছুটিতে মুসলিম বাবা যখন ছুটি পান, তখন তিনি ভাবেন, বাড়ির পাশের বন্ধুরা যখন নতুন নতুন জামা পড়বে পূজায়, তখন ছোট্ট বাচ্চা কার কী উৎসব তা বুঝবে না, নতুন একটা জামা পেলে সেদিন তারও ভাল লাগবে।  তাই সেও নতুন জামা কেনে সন্তানের জন্য। পাশের বাড়িতে আনন্দ উৎসবের জন্য এ বাড়ির কর্তাও ভাবেন, আমার বাড়িতেও কিছু আয়োজন হোক না!

ছুটি মানেই ফাঁক পেলে ঘুরতে যাওয়া। পর্যটনের পালে হাওয়া লাগা। এই পূজার ছুটিতে বান্দারবান, কক্সবাজারে প্রচুর লোকের সমাগম হবে, তারা সবাই হিন্দু নন। তাদের বেশিরভাগই মুসলিম। নাহ, তারা কিন্তু পূজা দিচ্ছেন না,  বরং পূজা উপলক্ষে সরকারের দেওয়া ছুটিতে আনন্দ উপভোগ করছেন মাত্র। কিন্তু তাতে কি উৎসব সকলের হওয়া বাকি থাকে? যারা ‘উৎসব সকলের’ বললে রেগে যান সেই ব্যক্তিরাও অন্য ধর্মের উৎসব উপলক্ষে ছুটি কাটাবেন। তাই নয় কি?

পূজার জন্য যে নৌকায় উঠবে মূর্তি,  সেই নৌকা কি শুধু হিন্দুদেরই? মাঝি নৌকা চালান, নৌকা ভাড়া দেন, রোজগার করেন,  পেট চালান, তিনি পূজা করেন না নৌকায় বসে, জীবিকার খোঁজ করেন।

ঈদে যে পশু কোরবানি হয়, তার সব কি মুসলিমের ঘরের পশু? এত পশু যে পাশের দেশ থেকে আসে, সব কি মুসলিমের ঘর থেকে আসে? যে ডেকোরেশন পূজায় করে, তার সব কি হিন্দু ডোকেরেশন হাউস থেকে ভাড়া হয়? যে হিন্দু পরিবার গরু পালে তারা কোরবানি করছেন না। যে মাঝি নৌকা ভাড়া দিয়েছেন পূজার জন্য তিনিও পূজা করছেন না, যে ব্যবসায়ী কাপড় বিক্রি করেছে পূজার সময়ে হিন্দুর কাছে তিনিও পূজা করছেন না। যে ডেকোরেশন হাউস,  সাউন্ড-সিস্টেম বা আলোকসজ্জা ভাড়া দিচ্ছে, তারাও পূজা করছেন না। কিন্তু একটা উৎসব উপলক্ষে অর্থের একটা প্রবাহ কিন্তু ঠিকই তৈরি হচ্ছে। ছুটি সবাই পাচ্ছি, নিচ্ছি। এভাবে অন্য ধর্মের আয়োজনে যাই বা না যাই, দেশে যে উৎসব তৈরি হয়েছে তাতে আমরা ঠিকই শরীক হচ্ছি। সেটা জেনে বা না জেনেই।

এলাকার নেতা থেকে শুরু করে দেশের নেতা, সবাই নেতা হয়েছেন সকল ধর্মের মানুষের ভোট নিয়েই, কেবল এক ধর্মের ভোটে নয়। তাই তিনি সবার নেতা। তাই সবার আনন্দে তাকে শুভেচ্ছা জানানো তার কাজ। যিনি পুলিশ তিনি মুসলিম হলেও, পূজার অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা দিতে দাঁড়িয়ে যান। দুটো মিঠা মুড়কি তিনিও খান। অন্যায় নয়। যিনি ধর্মমন্ত্রী, তিনি সকল ধর্মের মানুষের অধিকারের ব্যাপারই দেখেন, তাদের আয়োজনেও তাকে যেতে হয়। সবচেয়ে কট্টর ইসলামী দলের কেউও যদি ধর্মমন্ত্রী হন (মাথা খাটান), তাকেও কিন্তু পূজার সময়ে ভাবতে হয়, পূজায় পরিদর্শনে যেতে হয়। উৎসবের দোলা লাগে না কোথায়?

নকশী কাঁথার মাঠে পড়েছিলাম, পাশাপাশি দুইগ্রামের মধ্যে লড়াই হয়। দুই গ্রামের মাঝে বিল। ওই গ্রামের গৃহবধু যখন কলসিতে পানি নেয়, তখন যে ঢেউ তৈরি হয় তা এই শত্রু গ্রামেও এসে দোলা দেয়। এই গ্রামের পাখিরা সকাল হলে ওই গ্রামেও খেতে যায়, সন্ধ্যায় ফিরে আসে। তাই বলে সেই পাখি ওই গ্রামের হয়ে যায় না।

উৎসবের দোলাও তাই। পূজার ছুটিতে ছুটি পেয়ে মুসলিম বোন আসবে বোনের বাড়ি, মুসলিম ভাগ্নে আসবে খালার বাসায়। পূজা তারা করছেন না, তার ধারে কাছেও তারা নেই। তবে এই বেড়ানোর আনন্দ তাদের মাঝে আনন্দ তৈরি করেছে। দেশের অনেক মানুষ যখন একই সাথে আনন্দিত হয়, তখন তাকে বলে উৎসব। এই উৎসবে অনেকে অনেকভাবে যুক্ত হয়ে যাই আমরা।

এভাবে ধর্ম যারই হোক না কেন, উৎসবটা সবারই হয়ে যায়। নিজের ধর্মকে সম্পূর্ণ ঠিক যায়গায় রেখেই আমরা উৎসবে শামিল হয়ে যাই।

এই তৃতীয় অর্থের অবতারণা, সেটি আমাদের সামাজিক চিত্র। সেই প্রায়োগিক ও বাস্তবিক অর্থে বলা যায় যে, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।’

৩২ Responses -- “‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’, ব্যাখ্যা কী?”

  1. সরকার জাবেদ ইকবাল

    সেলিম সাহেব ও উদয় মাহফুজ সাহেব,

    আপনারা অযথাই তালগোল পাকাচ্ছেন। পবিত্র কুর’আন এবং হাদিস থেকে এতবড় রেফারেন্সের কোন প্রয়োজন ছিল না। আপনারা কি হিন্দু সম্প্রদায়কে তাদের নিজ ধর্ম ছেড়ে দিয়ে মুসলমান হয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানচ্ছেন? লেখক কিন্তু তাঁর লেখায় সে’রকম কোন কথা বলেননি। তিনি আপনাদেরকে দুর্গা পূজায় গিয়ে ধেই ধেই করে নাচতেও বলেননি, কিংবা, হিন্দু সম্প্রদায়কে ঈদের নামাজে সামিলও হতে বলেননি। তিনি বলেছেন শুধুমাত্র আনন্দটুকু শেয়ার করে নেয়ার কথা যাতে পরস্পরের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের প্রকাশ হয় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। ইসলাম ধর্ম অপরাপর ধর্মকে অশ্রদ্ধা করতে বলেনি। আপনাদের আশা করি জানা আছে রসুলুল্লাহ্‌ (সা:) ভীন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ বরাদ্দ করতেন।

    একটি উদাহরণ দেয়া যাক, – দুর্গা পূজার ছুটি উপভোগ করলে দুর্গা পূজায় অংশগ্রহণ করা হয়ে যায় – এই ভেবে আপনি ঐদিন অফিসে গিয়ে বসে থাকেন? ছুটির আনন্দ উপভোগ করেন না? আশা করি বিষয়টি বোঝাতে পেরেছি। আমাকে ভুল বুঝবেন না; আমি একজন পাঁচওয়াক্ত নামাজী (বলতেই হলো)।

    Reply
  2. Udoy Mahfuz

    মুসলমানের মন্ডপে যাওয়ার ব্যাপারে লেখক কিছু না লেখায় লেখাটি অন্তঃসার শুন্য হয়ে গেল। মূলত এইসব উৎসব, যা লেখক উল্লেখ করেছেন, তা নিয়ে জানা মতে কেউ আপত্তি করে না। আপত্তির মূল বিষয় হল অন্য ধর্মের ধর্মীয় উৎসব স্থলে যাওয়া, তাও কোনো মৌলিক চাহিদা ছাড়াই স্রেফ আনন্দ করতে, বা তথাকথিত সামাজিকতা রাখতে।

    Reply
  3. Dr. Muhammad Samad

    আটেপৌরে, কিন্তু খুব সুন্দর লেখা।

    ’আমার রক্তের মধ্যে সর্বধর্মনাম
    আমার রক্তের মধ্যে মানুষ প্রণাম।’
    –মুহাম্মদ সামাদ

    Reply
  4. Nipu

    কোরআন ও হাদিস এই বিষয়ে কি বলে ?
    একজন মুসলিম হিসাবে কোরআন ও হাদিসের বাইরে আমাদের যাওয়ার কোনো উপায় নাই।

    Reply
  5. আকাবাকা

    এখানে মানুষের চাইতে ধার্মিক বড়
    এখানে মানবতার চাইতে ধর্ম বড়
    এখানে জ্ঞানের চাইতে বিশ্বাস বড়।।

    হাজার বছর ধরে যে ধারা প্রবাহ-তা একদিনে যাবে না। তবে ১০০-১৫০ বছরের মধ্যে অবশ্যই বিলীন হতে বাধ্য।।

    Reply
  6. Anwar A Khan

    Dear Javed,

    I read your annotates with keen pursuit. You have a very good writing power and powerfulness in putting your forward logic aright. You are a human-centred persona. I salute you. Please start penning articles. I strongly believe you would receive high commendation from the readers like me or us. God bless you all the while. And ciao.

    Reply
  7. salim

    মূর্তি ও মূর্তিপূজা সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের কিছু বাণী;
    ===============================================
    মুমিন-মুসলিমদেরকে যা বলা হয়েছেঃ
    يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأنْصَابُ وَالأزْلامُ رِجْسٌ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
    হে মুমিনগণ, নিশ্চয় মদ ও জুয়া আর প্রতিমা-মূর্তি এবং ভাগ্য-নির্ধারক তীরসমূহ অপবিত্র শয়তানের কাজ, তাই তোমরা তা পরিহার কর যেন তোমরা সফলকাম হতে পার। (আল-মায়িদাহ, ৫/৯০)
    فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ
    তোমরা মূর্তিপূজার অপবিত্রতা থেকে বিরত থাক এবং মিথ্যা কথা পরিহার কর। (হাজ্জ, ২২/৩০)
    وَمَا ذُبِحَ عَلَى النُّصُبِ وَأَنْ تَسْتَقْسِمُوا بِالْأَزْلَامِ ۚ ذَٰلِكُمْ فِسْقٌ ۗ
    আর যে সমস্ত পশুকে পূজার বেদীতে বলি দেয়া হয়েছে তা আর জুয়ার তীর দ্বারা ভাগ্য নির্ণয় করা তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে, এগুলো পাপ কাজ। (মায়িদা, ৫/৩)
    আল্লাহ বলেন; “মূর্তিপূজা অপবিত্র শয়তানের কাজ’, তাই মুসলিমরা কখনো মূর্তির সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে পারে না। কারণ আল্লাহ অন্যত্র বলেন;
    إِنْ يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ إِلا إِنَاثًا وَإِنْ يَدْعُونَ إِلا شَيْطَانًا مَرِيدًا
    তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কতগুলো নারীমূর্তিকে আহবান করে আর তারা কেবলমাত্র অবাধ্য শয়তানকে আহবান করে। (আন-নিসা, ৪/১১৭)
    রাসুল (ﷺ) বলেন:
    وَسَتَعْبُدُ قَبَائِلُ مِنْ أُمَّتِي الأَوْثَانَ وَسَتَلْحَقُ قَبَائِلُ مِنْ أُمَّتِي بِالْمُشْرِكِيِنَ
    অচিরেই আমার উম্মাতের কতক সম্প্রদায় মূর্তি পূজায় লিপ্ত হবে আর আমার উম্মাতের কতক গোত্র মুশরিকদের সাথে যোগ দিবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩৯৫২)
    মূর্তি পূজারীদের সম্পর্কে যা বলা হয়েছেঃ
    إِنَّمَا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ أَوْثَانًا وَتَخْلُقُونَ إِفْكًا ۚ إِنَّ الَّذِينَ تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَا يَمْلِكُونَ لَكُمْ رِزْقًا فَابْتَغُوا عِنْدَ اللَّهِ الرِّزْقَ وَاعْبُدُوهُ وَاشْكُرُوا لَهُ ۖ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
    তোমরা তো আল্লাহকে বাদ দিয়ে মূর্তির পূজা করছ আর মিথ্যা বানাচ্ছ। নিশ্চয় আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের উপাসনা কর তারা তোমাদের জন্য রিয্ক দানের কোন ক্ষমতা রাখে না। তাই আল্লাহর নিকট রিয্ক তালাশ কর আর তাঁরই ইবাদাত কর এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। (আন-কাবুত, ২৯/১৭)
    إِنَّمَا اتَّخَذْتُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ أَوْثَانًا مَوَدَّةَ بَيْنِكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ ثُمَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَكْفُرُ بَعْضُكُمْ بِبَعْضٍ وَيَلْعَنُ بَعْضُكُمْ بَعْضًا وَمَأْوَاكُمُ النَّارُ وَمَا لَكُمْ مِنْ نَاصِرِينَ
    দুনিয়ার জীবনে তোমাদের মধ্যে পরস্পরিক ভালবাসার জন্যই তো তোমরা আল্লাহকে ছাড়া মূর্তিদেরকে গ্রহণ করেছ। তারপর কিয়ামতের দিন তোমরা একে অপরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পর পরস্পরকে অভিশাপ দিবে, আর তোমাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম আর তোমাদের জন্য থাকবে না কোন সাহায্যকারী। (আন-কাবুত, ২৯/২৫)
    নবী ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও তাঁর সম্প্রদায়-এর ঘটনাঃ
    وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ لِأَبِيهِ آزَرَ أَتَتَّخِذُ أَصْنَامًا آلِهَةً ۖ إِنِّي أَرَاكَ وَقَوْمَكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ
    আর (স্মরণ কর) যখন ইবরাহীম তার পিতা আযরকে বলেছিল, ‘আপনি কি মূর্তিগুলোকে ইলাহ রূপে গ্রহণ করছেন? নিশ্চয় আমি আপনাকে ও আপনার জাতিকে স্পষ্টভাবে গোমরাহীতে নিমজ্জিত দেখছি’। (আন‘আম, ৬/৭৪)
    وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ إِبْرَاهِيمَ إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا تَعْبُدُونَ قَالُوا نَعْبُدُ أَصْنَامًا فَنَظَلُّ لَهَا عَاكِفِينَ قَالَ هَلْ يَسْمَعُونَكُمْ إِذْ تَدْعُونَ أَوْ يَنْفَعُونَكُمْ أَوْ يَضُرُّونَ قَالُوا بَلْ وَجَدْنَا آبَاءَنَا كَذَٰلِكَ يَفْعَلُونَ قَالَ أَفَرَأَيْتُمْ مَا كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمُ الْأَقْدَمُونَ فَإِنَّهُمْ عَدُوٌّ لِي إِلَّا رَبَّ الْعَالَمِينَ
    আর তুমি তাদের নিকট ইবরাহীমের ঘটনা বর্ণনা কর, যখন সে তার পিতা ও তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা কিসের ইবাদাত কর?’ তারা বলল, ‘আমরা মূর্তির পূজা করি। অতঃপর আমরা নিষ্ঠার সাথে তাদের পূজায় রত থাকব। সে বলল, ‘যখন তোমরা ডাক তখন তারা কি তোমাদের সে ডাক শুনতে পায়?’ ‘অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে’? তারা বলল, ‘বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের পেয়েছি, তারা এরূপই করত’। ইবরাহীম বলল, ‘তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, তোমরা যাদের পূজা কর’। ‘তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা?’ ‘সকল সৃষ্টির রব ছাড়া অবশ্যই তারা আমার শত্রু’। (আশ-শুআরা, ২৬/৬৯-৭৭)
    মুসলিমরা হল মূর্তি ভাঙ্গার জাতিঃ
    إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا هَٰذِهِ التَّمَاثِيلُ الَّتِي أَنْتُمْ لَهَا عَاكِفُونَ قَالُوا وَجَدْنَا آبَاءَنَا لَهَا عَابِدِينَ قَالَ لَقَدْ كُنْتُمْ أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ قَالُوا أَجِئْتَنَا بِالْحَقِّ أَمْ أَنْتَ مِنَ اللَّاعِبِينَ قَالَ بَلْ رَبُّكُمْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ َالْأَرْضِ الَّذِي فَطَرَهُنَّ وَأَنَا عَلَىٰ ذَٰلِكُمْ مِنَ الشَّاهِدِينَ وَتَاللَّهِ لَأَكِيدَنَّ أَصْنَامَكُمْ بَعْدَ أَنْ تُوَلُّوا مُدْبِرِينَ فَجَعَلَهُمْ جُذَاذًا إِلَّا كَبِيرًا لَهُمْ لَعَلَّهُمْ إِلَيْهِ يَرْجِعُونَ قَالُوا مَنْ فَعَلَ هَٰذَا بِآلِهَتِنَا إِنَّهُ لَمِنَ الظَّالِمِينَ قَالُوا سَمِعْنَا فَتًى يَذْكُرُهُمْ يُقَالُ لَهُ إِبْرَاهِيمُ قَالُوا فَأْتُوا بِهِ عَلَىٰ أَعْيُنِ النَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَشْهَدُونَ قَالُوا أَأَنْتَ فَعَلْتَ هَٰذَا بِآلِهَتِنَا يَا إِبْرَاهِيمُ قَالَ بَلْ فَعَلَهُ كَبِيرُهُمْ هَٰذَا فَاسْأَلُوهُمْ إِنْ كَانُوا يَنْطِقُونَ فَرَجَعُوا إِلَىٰ أَنْفُسِهِمْ فَقَالُوا إِنَّكُمْ أَنْتُمُ الظَّالِمُونَ ثُمَّ نُكِسُوا عَلَىٰ رُءُوسِهِمْ لَقَدْ عَلِمْتَ مَا هَٰؤُلَاءِ يَنْطِقُونَ قَالَ أَفَتَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَنْفَعُكُمْ شَيْئًا وَلَا يَضُرُّكُمْ أُفٍّ لَكُمْ وَلِمَا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ ۖ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
    যখন সে (ইবরাহীম) তার পিতা ও তার কওমকে বলল, ‘এ মূর্তিগুলো কী, যেগুলোর পূজায় তোমরা রত রয়েছ’? তারা বলল, ‘আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে এদের পূজা করতে দেখেছি’। সে বলল, ‘তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষরা সবাই রয়েছ স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে’। তারা বলল, ‘তুমি কি আমাদের নিকট সত্য নিয়ে এসেছ, নাকি তুমি কৌতুক করছ’? সে বলল, ‘না, বরং তোমাদের রব তো আসমানসমূহ ও যমীনের রব; যিনি এ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। আর এ বিষয়ে আমি অন্যতম সাক্ষী’। ‘আর আল্লাহর কসম, তোমরা চলে যাওয়ার পর আমি তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে অবশ্যই কৌশল অবলম্বন করব’। অতঃপর সে মূর্তিগুলোকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল তাদের বড়টি ছাড়া, যাতে তারা তাঁর দিকে ফিরে আসে। তারা বলল, ‘আমাদের দেবদেবীগুলোর সাথে কে এমনটি করল? নিশ্চয় সে যালিম’। তাদের কেউ কেউ বলল, ‘আমরা শুনেছি এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহীম’। তারা বলল, ‘তাহলে তাকে লোকজনের সামনে নিয়ে এসো, যাতে তারা দেখতে পারে’। তারা বলল, ‘হে ইবরাহীম, তুমিই কি আমাদের দেবদেবীগুলোর সাথে এরূপ করেছ’? সে বলল, ‘বরং তাদের এ বড়টিই এ কাজ করেছে। তাই এদেরকেই জিজ্ঞাসা কর, যদি এরা কথা বলতে পারে’। তখন তারা মনে মনে চিন্তা করে দেখল এবং একে অপরকে বলতে লাগল, তোমরাই তো সীমালংঘনকারী। অতঃপর তাদের মাথা অবনত হয়ে গেল এবং বলল, ‘তুমি তো জানই যে, এরা কথা বলতে পারে না’। সে (ইবরাহীম) বলল, ‘তাহলে কি তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর ইবাদাত কর, যা তোমাদের কোন উপকার করতে পারে না এবং কোন ক্ষতিও করতে পারে না’? ‘ধিক তোমাদেরকে এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের ইবাদাত কর তাদেরকে! ‘তবুও কি তোমরা বুঝবে না’? (আম্বিয়া, ২১/৫২-৬৭)
    ইবরাহীম আলাইহিস সালাম দু‘আ করেছিলেনঃ
    وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَٰذَا الْبَلَدَ آمِنًا وَاجْنُبْنِي وَبَنِيَّ أَنْ نَعْبُدَ الْأَصْنَامَ رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًا مِنَ النَّاسِ ۖ فَمَنْ تَبِعَنِي فَإِنَّهُ مِنِّي ۖ وَمَنْ عَصَانِي فَإِنَّكَ غَفُورٌ رَحِيمٌ
    আর স্মরণ কর ‘যখন ইবরাহীম বলল, হে আমার রব! এই শহরকে নিরাপদ করুন এবং আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে মূর্তি পূজা করা থেকে দূরে রাখুন। হে আমার রব, নিশ্চয় এসব মূর্তি অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে, সুতরাং যে আমার অনুসরণ করেছে, নিশ্চয় সে আমার দলভুক্ত, আর যে আমার অবাধ্য হয়েছে, তবে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’। (ইবরাহীম, ১৪/৩৫-৩৬)
    নবী মুহাম্মাদ(ﷺ)ও মূর্তি ভেঙ্গেছেনঃ
    عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ دَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ، وَحَوْلَ الْكَعْبَةِ ثَلاَثُمِائَةٍ وَسِتُّونَ نُصُبًا فَجَعَلَ يَطْعَنُهَا بِعُودٍ فِي يَدِهِ وَجَعَلَ يَقُولُ {جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ} الآيَةَ
    আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন (মক্কা বিজয়ের দিন) মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন কাবা ঘরের চারপাশে তিনশ ষাটটি মূর্তি ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতের লাঠি দিয়ে মূর্তিগুলোকে আঘাত করতে থাকেন আর বলতে থাকেন,
    جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ ۚ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
    সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে; নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। (ইসরা, ১৭/৮১) (সহীহুল বুখারী: ২৪৭৮, ৪৭২০)
    সুতরাং মুসলিমরা হল মূর্তি ভাঙ্গার জাতি তারা কখনো মূর্তির সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে পারে না। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো বর্তমানে একদল নামদারি মুসলিম বিভিন্ন স্থানে মূর্তি স্থাপন করে মানুষকে মূর্তিপূজার দিকে আহবান করছে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে এসব জাহেলিয়াত থেকে হেফাজত করুন। আমিন

    Reply
    • Udoy Mahfuz

      এ সম্পর্কিত সুক্ষাতীসুক্ষ প্রশ্নগুলোর জবাব একবারে দেওয়ায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যারা অযথা তর্কের চেয়ে জ্ঞান অর্জনকে বেশি জরুরী মনে করে তাদের জন্য এই কমেন্ট আশীর্বাদ।

      Reply
    • Mohammad Ashrafuddin Ferdousi

      একমাত্র লেখা যেখানে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষনার আগে বা নিজের পরিবার, বাপ-দাদা, নিজের সমাজ দেশ বা রাষ্ট্র কি বলে তার আগে কোরআনে কি বলা হয়েছে তার উদৃতি দেয়া হল |

      তবে কোনো অন্য ধর্মের লোককে মুসলিমদের দিয়ে ভীত করে তোলার জন্যে এগুলি বলা হয় নাই | আল্লাহ ভাল জানেন | বরং এ কথাগুলি মুসলিমদের উদ্দেশ্যেই বলা | যারা মুসলিম হয়েছে ঠিকই কিন্তু কি করবে তা নিয়ে এখোনো দ্বিধাগ্রস্থ আর নিজের বুদ্ধি, নিজের পরিবার, বাপ-দাদা, নিজের সমাজ দেশ বা রাষ্ট্রকে আল্লাহর কোরআনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় |

      ইসলাম হচ্ছে আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পণ | যখনি কোনো বিষয়ে ইসলাম কিছু বলবে মুসলিম সেই বলানুযায়ি চিন্তা করবে এটাই তার ক্ষমতা | যদি সে আত্নসমর্পণ-ই করে থাকে এর বাইরে যেয়ে অন্য কিছুকে বিশ্বাস করে চিন্তা করাটা স্ববিরোধীতা হয়ে যায় | এই দ্বিধাগ্রস্থতা থেকে বের হওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ |

      অপ্রাসংগিক হলেও একটা কথা উল্লেখ করি | একজন মুসলিমকে তার ধর্মীয় বিষয়ে জেনে আঘাত না করলে একজন অমুসলিম মানুষ সবচেয়ে নিরাপদ থাকবে একজন মুসলিমের কাছে | যদি সেই মুসলিম সত্যিই মুসলিম হয়ে থাকে | কারন মানুষ তো আল্লাহর সৄষ্টি | আর আল্লাহ তার সৃষ্টির প্রতি কতটুকু খেয়াল রাখতে হবে, কতখানি সম্মান বজায় রাখতে হবে তা-ও বলে দিয়েছেন পবিত্র কোরআনেই |

      Reply
  8. মোঃ মজিবর রহমান

    ধর্ম যার যার উৎসবও তাঁর তাঁর। এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্ম কিভাবে মেনে নিয়ে উৎসব করতে পারে?? তাহলে তো তাঁর নিজ ধর্ম উল্টিয়ে গেল।

    Reply
  9. Shahadat

    একজন সাচ্ছা মুসলমান কখনোই তার ঈমানের সাথে আপস করে না। আমরা ছোটবেলা থেকেই অনেক কথা শুনে আসছি ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান দেখে আসছি তাই আমাদের অন্তরে গাঁথা আছে; তাই বলে তা সব যে সঠিক বা ভুল তা নয়। কুরআনের প্রথম নাযিলকৃত আয়াতই হল পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমরা কতজন পড়ি? আমরা অন্যের শেখানো বুলিই বেশির ভাগ আওড়াই। আপনার যুক্তিগুলো অনেক ভাল। ইসলাম কোন যুক্তির জায়গা না। লা ইলাহা ইল্লালাহ এর অর্থ আল্লাহর সকল হুকুমের কাছে মাখা নত করা আর এটাই ইসলাম। আমরা মানি চাই না মানি। এখানে অন্য ধর্মের প্রতি সহমর্মিতার কথা বলা আছে মানুষ হিসেবে মানুষের সাথে উত্তম ব্যবহার করতে হবে তা আমরা সবাই জানি তবে এ জাতীয় কথা যারা লিখে “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” তাদের আরও অনেক জানা প্রয়োজন। আমি এই কথাকে মনে প্রাণে ঘৃণা করি।

    Reply
  10. Md montaj

    আপনার পোস্ট একটুও গ্রহণ যোগ্য নয়। আমরা মুসলমান, আমাদের ধর্ম ইসলাম ধর্ম। আমরা আল্লাহ্ কে বিশ্বাস করি কোন মূর্তিকে নয়। আর যারা র্মূতিকে বিশ্বাস করে তারা আল্লাহর সাথে অন্য একজনকে সমলীন করেছেন যা ইসলামের দৃষ্টিতে শিরক বলে গণ্য। আমরা কোন ধর্মকে বাধা দেই না । কিন্তু অন্য ধর্ম গুলো আমাদের ধর্মের ক্ষতি করতে চায়। বিভিন্ন ভাবে ক্ষতি করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যায়। বাংলাদেশে ৯০ ভাগ মুসলমান। আর ১০ ভাগ অন্য ধর্মের যদিও আমাদের দেশটা মুসলমান দেশ কই আমরাতো হিন্দুদের ধর্মের পথে কাটা হয়ে দাড়াই না, বা আমরা তো বলিনা আমাদের মুসলমান দেশে হিন্দুরা ধর্ম পালন করতে পারবে না । মূর্তি বানাতে পারবে না। তবে ভারতে মুসলমান আছে আর সেখানে কেন মুসলমাদের গুরু জবাই করা নিষেধ করেছেন?
    আসল কথা হলো আমাদের নবী হিন্দুদের কোন উৎসবে যেতেনা আমরা ও যাব না। আমাদের নবী মৃর্তির পক্ষে ছিলেন না আমরাও থাকবো না। তাই যার যার র্ধম যার যার উৎসব তার তার পালন করাই উচিত ।

    Reply
  11. ফয়সাল

    কেউ অধম বলে,
    আমরা উত্তম কেন হব না। যেদেশে ধর্মান্ধ কোনো গোষ্ঠির শাসন চলে, তার সাথে আমাদের অসাম্প্রদায়িকচেতনার দেশটির তুলনা করব না। মন্দের বিপরীতে মন্দের চর্চা কবে শান্তি এনেছে কোথাও?
    বরং অনিষ্টকারীর প্রতি উদারতা-উপকারই তার চোখ খুলে দেয়।
    আমরা উদার হব। এতে কোনো শর্ত নেই, যদি আমরা উদার হতে চাই। কেউ উদার হোক বা না হোক। অবশ্যই নিজের স্বত্ত্বাকে বিকিয়ে দেবার কথা হচ্ছে না এখানে।

    Reply
  12. আহমেদ ওয়ারিস আল মাজিদ

    “ব্যবসা = উৎসব পালন” কোন দুনিয়াতে?
    মতামত এরকম উদ্ভট যুক্তি না ব্যবহার করে যদি মতটা দাড়া করাইতে পারেন না, তাহলে মত না প্রকাশ না করা আরো ভালো।

    Reply
  13. সরকার জাবেদ ইকবাল

    ধর্মভীরুতা আর ধর্মান্ধতা এক কথা নয়। একজন ধর্মভীরু মানুষ নিজ ধর্মাচারের প্রতি একনিষ্ঠ থেকে অপরের ধর্মের প্রতিও সমান শ্রদ্ধাশীল হয়ে থাকেন বলেই আমার ধারণা। অন্তত পারিবারিকভাবে আমি সেই শিক্ষাই পেয়েছি। ফলে, ছোটবেলায় পুজা মণ্ডপে ঘুরে ঘুরে নাড়ু-সন্দেশ খাওয়ায় কোন বাধা হয়নি। তেমনি হিন্দু পরিবারগুলোও স্বচ্ছন্দে আমাদের বাড়ীতে ঈদের দাওয়াত খেতে এসেছেন। সেই ধারা এখনও অব্যাহত আছে।

    এ বিষয়ে বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক হাসান মাহমুদ সাহেবের মতামত কিংবা একটি লেখা ভীষণভাবে প্রত্যাশিত।

    Reply
    • Shahadat

      আমাদের জ্ঞান খুবই কম এই ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে ইসলাম জানা সম্ভব নয়। উৎসব সবার হলে সনাতনদের দাওয়াত দেন আমাদের কুরবানির উৎসবে কখনো কাউকে দেখেছেন?

      Reply
      • আদিব

        ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান যে যার ধর্ম অনুযায়ী পালন করবে। আমরা জেনেশুনে এমন কোন কিছুতে কাউকে আমন্ত্রণ জানাব না যাতে সে বিব্রত বোধ করবে । সনাতন ধর্মাবলম্বীরা গরু সম্পর্কে কি ধারণা পোষণ করেন তা জানার পরও আপনি নিশ্চয়ই তাদেরকে কুরবানিতে উপস্হিত থাকতে বলবেন না। আপনি মূর্তিপূজা করেন না জানার পরও নিশ্চয়ই কখনো কেউ পূজা উপলক্ষ্যে জোর করে মন্দিরে যাওয়ার জন্য আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়নি। ধর্মীয় কোন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সমাজের বিত্তবান মানুষজন (সকল ধর্মের) এলাকার গরীব মানুষদের টাকা-পয়সা বা জামা-কাপড় দান করেন। তাতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেই মানুষগুলোর মধ্যে যে আনন্দের সঞ্চার হয়, সেটা আমাদের পক্ষে বোঝা সম্ভব না। ঈদ কিংবা পূজার ছুটিতে আনন্দ উদযাপন সবাই করেন, যে যার যার মতই করেন। যিনি সেই ধর্মের মানুষ, তার জন্য সেটা ধর্মীয় উৎসব, অন্যদের জন্য ছুটি কাটানোর আনন্দ। হিন্দু-মুসলমান মেয়েরা শাড়ি কিনতে নিশ্চয়ই আলাদা আলাদা দোকানে যান না, পণ্য কেনার জন্য আলাদা আলাদা মুদি দোকান নেই। আর সমাজে অসাম্প্রদায়িক মনোভাব তৈরি করতে গেলে আগে ভারতের দিকে তাকাব কেন? তারা আমাদের দেখে শিখবে। স্বপ্ন দেখি, আমাদের দেশের মানুষ ভারতে গিয়ে গর্ব করে বলবে তারা নিজের দেশ বাংলাদেশে কত নির্ভাবনায় বসবাস করছেন।

    • Basher

      বাহ, বাহ, সরকার জাবেদ সাহেব আপনিতো তাক লাগিয়ে দিলেন। সন্দেশ, নাড়ু সখাওয়ার কোন বাধা আসেনি। হে পাঁচওয়াক্ত নামাজী ভাই আমার, আপনি কি স্পষ্ট পাননি, কেউ মূর্তি পূজা করবে আর কেউ পূজা করবে না কিন্তু তাতে যোগ দিবে, আপনি কি দ্বিতীয় দলে নন? ভাই, এটা বলেন ইসলামি কিংবা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যার ধর্ম সে পালন করুক, তাতে সমস্যা নাই। সে যেন পূজা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জড়িয়ে না পড়ে। ইসলাম সোজা সরল ধর্ম কোন বাঁক নেই। যাইহোক, চিন্তা করবেন আপনি আরেক জনের হাতের অস্ত্র হয়ে যাচ্ছেন নাতো? আল্লাহ আমাদের মাফ করে দিন, আমিন। পরিশেষে, হে তরুণ যে পথ ধরেছ সেতো তুর্কির পথ মদিনার নয়। ভালো থাকবেন, ভুল হলে মাফ করে দিবেন।

      Reply
  14. মিজানুর রহমান

    খুবই সুন্দরভাবে ভিন্নমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যৌক্তিক ব্যাখ্যা!!

    Reply
  15. মাসুদ

    তৃতীয় ব্যাখ্যাটা জোরালো মনে হলো না। বরং মনে হলো গৌণ একটা প্রসঙ্গ।

    Reply
  16. আদিব

    এক ঝলক চোখ বুলিয়ে নিলাম, সুন্দর লেখা। যার যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনেও যে সমাজে সকল ধর্মের মানুষ একসাথে সুহৃদ পরিবেশে বসবাস করতে পারে সেটা ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি, এখনো দেখছি। আমার প্রতিবেশী হিন্দু ভাইয়ের বিপদে তো আমি চুপ করে বসে থাকব না, আমার বিপদের কথা জানলে সেও ছুটে আসবে। রাজনীতিবিদদের নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি করতে দিন, আমরা আমাদের মত থাকব। সংখ্যাগুরু আর সংখ্যালঘুর হিসাব বাদ দিন, এদেশটা সবার। আর সংখ্যাগুরুর হিসাব যদি করতেই চাই, সংখ্যালঘুদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্বটা আমাদের ঘাড়ে আরও বেশি করে বর্তায়। আমি যদি তাদের সাথে ভাল ব্যবহার না করি তবে তাদের কাছ থেকেও ভাল ব্যবহার পাওয়ার আশা করতে পারি না। আমরা ইসলাম শান্তির ধর্ম বলে গর্ব করি, কিন্তু প্রায়ই আমাদের মাথা গরম হয়ে যায়, যাচাই-বাছাই না করেই গালাগালি শুরু করি। আমাদের নবীজি ইসলাম প্রচারে অনেক নির্যাতন সহ্য করেছেন, আমাদের মধ্যে তার এক ভাগও সহ্য ক্ষমতা নাই। খোদার দেওয়া কমন সেন্সটা কাজে লাগালেও কোনটা সঠিক, কোনটা বেঠিক তার একটা ধারণা পাওয়া যায়। আসুন, শুধুমাত্র ভিন্ন ধর্মের হওয়ার জন্য মানুষকে ঘৃণা করার প্রবণতাটা প্রতিদিন একটু একটু করে কমানোর চেষ্টা করি। আমাদের ধৈর্য্যশীলতা আর ভাল ব্যবহারই সমাজে আমাদেরকে অন্য ধর্মের মানুষদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      আদিব, আপনাকে আবারও ‘সাবাশ’ দিচ্ছি। এই অসাম্প্রদায়িক মনোভাব অটুট রাখুন। আমিও আছি আপনার সঙ্গে।

      Reply
  17. সুরুজ বাঙালি

    ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ঠিকই বলেছেন।
    যে রাসূলুল্লাহ (সঃ) মুসলিমদের পবিত্র কাবা শরীফে ৩৬০ টি মূর্তি রেখে যারা পূজা করত তাদেরকে ক্ষমা করেছিলেন কিন্তু মূর্তি গুলো কাবা থেকে সরিয়ে ফেলেছিলেন। আর মূর্তি পূজার সময় উপস্থিত থাকা আল্লাহর সাথে শরীক করা (শিরক) এর শামিল। যা কুরআন-হাদিস এ বারবার উল্লেখ হয়েছে।
    তাই বলে অন্যধর্মের লোকদের তাদের ধর্ম পালনে বাধা দেয় নি ইসলাম। তাদেরকে যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে ধর্ম পালনে সাহায্য করার জন্য কুরআনে বলা হয়েছে।

    এখন আপনি যদি মুসলমানদের বলেন পূজায় উপস্থিত থাকতে , তাহলে হিন্দুরা কেন আমাদের ঈদুল আজহার কোরবানি উৎসবে অনুপস্থিত কেন থাকেন ?
    আপনি কি জানেন ভারতের ২৯ টি প্রদেশের মধ্যে ২০ টি প্রদেশেই গরু কোরবানি নিষিদ্ধ। হিন্দুরা তাহলে কেন এইরকম আইন করে মুসলমানদের উৎসবে বাধা দেয়।
    উত্তর চাই।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      লেখক উত্তর দেবেন কিনা জানি না। আমার কথা হলো পূজায় উপস্থিত থাকলেই পূজা করা হয়ে যায় না। তেমনি, ঈদের জামাতে উপস্থিত থাকলেই নামাজ পড়া হয়ে যায় না। মুশকিলটা হলো এখানেই যে, হিন্দু সম্প্রদায় পূজার উৎসব উপভোগ করতে আমাদেরকে বাধাতো দেয়ই না, বরং, আমন্ত্রণ জানায়। উপরন্তু, মেহমানদারি করে। কিন্তু, আমরা আমাদের কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানাই না, মেহমানদারি করারতো প্রশ্নই আসে না। আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, – মুসলমান সম্প্রদায়ের কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি রীতিমত অনাকাঙ্ক্ষিত।

      আপনি হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু মুসলিম-বিদ্বেষী মনোভাবের উদাহরণ দিয়েছেন। বিষয়টিকে এভাবে একতরফাভাবে দেখলে হয় না। সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত কেরালা রাজ্যে হিন্দু সম্প্রদায় ঈদের নামাজ পড়ার জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দিয়েছিল – এ কথাটিও মনে রাখা দরকার। বলতে দ্বিধা নেই, – অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের ক্ষেত্রে মুসলমান সম্প্রদায়ের তুলনায় হিন্দু সম্প্রদায় এগিয়ে আছে বলেই আমার মনে হয়। আশা করি বিষয়টি বোঝাতে পেরেছি।

      Reply
    • Md montaj

      apni tik kotha bolchan vi ,,,,,
      hindura amadar islam dormok kothi korte cay kinto amora ta khokono ta kore na
      amadar nobi khokono hindudar puja dakte jannai amaro jabo na .amadar nobi murte pujar pokke chelan na amora o takbo na.Dormo jar jar se tar dormo palon koruk amaora musolman hoye kno onno Dormo dakte jabo ,kno jabo tadar utsobar somoy

      Reply
    • সোহেল রানা

      ভারতের পেশী শক্তি আছে। আপনাদের ? প্রতিবাদ করার ভাষাও হারিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে। কারণ হিসেবে কি দেখান ? যদি ভারত সাহয্য না করতো তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না ! এইতো ?? তাহলে মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনাদের অবদান কি ? যুদ্ধ করলেন কই? সবইতো ভারত করে দিল। মুখে তো বলেন বাঙ্গালীরা কিছু ভয় পায় না। ভারতের বেলায় বিড়াল কেন ? ? এগুলো আমারও প্রশ্ন।

      Reply
  18. সামি

    ধর্ম যার যার, উৎসব সবার- এখানে উৎসব বলতে কোন উৎসবের কথা বলা হয়েছে? যেহেতু এখানে শব্দটা ধর্মের সাথে সম্পর্কযুক্ত, সুতরাং উৎসব বলতে ধর্মীয় উৎসবকেই বোঝানো হয়েছে। প্রবন্ধটায় যে উদাহরনগুলো টানা হয়েছে, সেগুলো কোন উৎসব নয়। কোথায় ছুটিতে ভ্রমণে যাওয়া মানে হচ্ছে সামহাউ উতসবে সামিল হওয়া, যুক্তি বোধগম্য হল না। ভ্রমণের জন্য ছুটি দরকার। যেকোন ছুটি হলেই মানুষ ভ্রমণে যায়। এরসাথে উৎসবে সামিল হওয়ার সম্পর্ক টানা যৌক্তিক না। শোক দিবসে যদি লম্বা ছুটি পাওয়া যায় সামহাউ এবং তখন ভ্রমনে গেলে ব্যাপারটা হবে ভ্রমনে গিয়ে সামহাউ শোকে সামিল হয়েছে।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—