ডক্টর কামাল হোসেন এবং ডাক্তার বি চৌধুরী আর মিলতে পারলেন না। মিলনের ভান করলেও শেষ অব্দি তাদের বিচ্ছেদই হলো। এ কারণেই বলা হয়, ‘বংশ, অতীত আর বর্তমান মিলিয়ে সম্পর্ক ঠিক করতে হয়।’
বি চৌধুরী সাহেব হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন- যে যারা নব্য খ্রিস্টান তাদের অনেকেই পোপের চেয়েও নিজেকে বড় খ্রিস্টান মনে করেন। ডক্টর কামাল সম্প্রতি আসল চেহারায় বেরিয়ে আসলেন। ফলে তার দালালী আর বিশ্বাসঘাতকতার চমকটা বেশি হবে। এবং বিএনপি হাঁটুভাঙা দলে পরিণত হয়েছে বলে তার কাঁধে ভর রেখেই উঠে দাঁড়াতে চাইবে। সেখানে বি চৌধুরী তাদের বাতিল মাল। পুরনো নেতা, পুরনো ধাওয়া খাওয়া রাষ্ট্রপতি। সেই জায়গায় আগ্রহ কম হবে সেটাই কি স্বাভাবিক না?
শুরুতে আমরা জাতির কাছে নতুন কিছু করে দেখানোর জন্য মরিয়া এসব নেতা ও তাদের কর্মকাণ্ড একটু বুঝে নেই। বেশিদিনের না গত দু’তিনদিনের ঘটনাই বলে দিচ্ছে আমাদের কপালে কী আছে। এতোদিন ধরে তারা এতোকিছু করার পর এই দুইদিনেই ডক্টর এবং ডাক্তার সাহেব আগের মতো দুটি সংবাদ সম্মেলন আর পরষ্পরবিরোধী কথাবার্তা বললেন। আমরা এদের আগে থেকেই জানি এবং এটাই হবার কথা ছিল। কেউ কাউকে ছাড় দেবেন না, এই কথাটা ভুলে গেলে চলবে কি করে?

ওই যে ‘রাষ্ট্রপতি’ পদটা, সেখানেই যত গ্যাঞ্জাম। একটাই পদ।  সে মুলা ঝুলিয়ে বিচারপতি এস কে সিনহাকে বশে আনার পর বেচারা দেশ ছেড়ে আমেরিকা গিয়ে আশ্রয় চাইতে চাইতে মুখে ফেনা উঠছে তার। বি চৌধুরীকে এই মুলা ঝুলালেও তিনি এর স্বাদ-বিস্বাদ দুটোই জানেন। তাকে মুলা গেলানো একটু কঠিন বৈকি! তিনি নিশ্চয়ই রেললাইন ধরে পালিয়ে যাবার ঘটনা ভোলেননি। তাকে নতুন করে তারেক বা খালেদা জিয়াকে চেনানোরও দরকার নাই। এদিক থেকে ডক্টর কামাল তলে তলে যাই করুক প্রকাশ্যে তিনি এখন বিএনপির নতুন পার্টনার। এই নতুন পার্টনারের জন্য আবেগ-দরদ আর রাষ্ট্রপতির মুলাটার রং একটু অধিক বৈকি। আর একটা কারণও অস্বীকার করা যাবে না। এক চেয়ারে দুজন বসার যখন জায়গা নাই, তারা একে অন্যকে ল্যাং মারবেন এটাই নিয়ম। সেই নিয়মে বি চৌধুরী ল্যাং খেয়ে এই জোট জোট খেলায় আপাতত পিছু হটলেন কিনা সেটা বুঝতে আরো কিছুদিন  সময় লাগবে আমাদের।

যাই হোক না কেন, এটা নিশ্চিত এই জোটের ভবিষ্যত ভালো কিছু না। বিএনপিকে বৈতরণী পার করানো আর ব্যক্তিগত রাগ আক্রোশ চরিতার্থ করার জন্য যারা এখানে নাম লিখিয়ে নেতা হয়েছেন তাদের জনগণ খুব ভালো চেনে। আ স ম রব, মান্না বা ডক্টর কামাল কেউই মূলত বিশ্বস্ত নন। আমি একশ র্পাসেন্ট গ্যারান্টি দিচ্ছি এরপর যিনি জোট থেকে বের হবেন তার নাম আ স ম রব। এবং সেই নিষ্ক্রমণ হবে সাংঘাতিক। নেতা থেকে দালালী, দালালী থেকে মন্ত্রী, মন্ত্রী থেকে রাগী এক হতাশ মানুষে পরিণত এই ভদ্রলোক যেদিন বেরুবেন সেদিনই শুনবেন নানা গুজব আর গল্প। একটু সবুরের দরকার এই যা। মান্না মিয়া তো অলরেডি আর একবার অডিও টেপবন্দি। ফলে এই জোটের ভবিষ্যত কি তা বুঝিয়ে বলার দরকার পড়েনা।
ডক্টর কামাল হোসেন কোনদিনও মেরুদণ্ড সোজা করা রাজনীতিবিদ ছিলেন না। বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য হবার কারণে তিনি এদেশের ইতিহাসে জায়গা করে নিতে পেরেছিলেন বটে, কিন্তু আজ  এমন সব বিষয় সামনে চলে আসছে যার দায় তিনি এড়াতে পারেননা। বাম নেতাদের নেতা হবার পর আওয়ামী বিরোধিতার নামে তিনি যা করতেন তার সবটাই ছিলো তলে তলে আওয়ামী বিরোধিতা। সেটা করতেই পারেন। কিন্তু আজ যে অবস্থান আর ভূমিকা তাতে তিনি প্রমাণ করলেন তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আর আঁতাতের কথা বেঠিক কিছু না।
কেন তিনি এই ফাঁদে পা দিলেন? তিনি তো তার জীবদ্দশাতেই যা পাবার পেয়ে গেছেন। সংবিধান রচনা থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, এতকিছুর পরও বাকি জীবনে খালি একটা চেয়ারের লোভে তিনি এমন করলেন, এটা মানা যায়না। আমাদের দুর্ভাগ্য হয়তো মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত অনেক বড় বড় মানুষেরাই পথ হারিয়ে সঙ বা ভাঁড়ে পরিণত হন। ডক্টর কামাল হোসেন কেন পাকিস্তানে গিয়েছিলেন আর কেনই বা বঙ্গবন্ধুর সাথে ফিরেছিলেন, আজ তার আর কোন ব্যাখ্যার দরকার নাই। তিনি নিজেই বুঝিয়ে দিয়েছেন কোনও কোনও লেজ জীবনেও সোজা হয় না। এই বয়সে তার এই ভুল বা পথ বদলানো পথ হারানো তার কাছে কেমন লাগছে জানি না। আমরা লজ্জিত ও অনুতপ্ত। একবার ভাবুন তিনি সরকারে থেকে কি করতে পারতেন বা কিভাবে মুক্তিযুদ্ধের বারোটা বাজাতে পারতেন!

ডক্টর কামাল হোসেন ব্যক্তি হিসেবে, আইনজীবী হিসেবে সারাজীবন যা কুড়িয়েছিলেন, আজ মনে হচ্ছে তার সবটাই তিনি বিসর্জন দিলেন। যাদের সাথে জোট বাঁধলেন তাদের পরমমিত্র জামাত এদেশের ইতিহাস ও চেতনাবিরোধী। তাদের সহযোগিতা ছাড়া বিএনপি কোনদিনও সরকার গঠন করতে পারতো না। পারবেও না। কিন্তু তাদের মাথার ওপর থাকবেন তিনি? এখন তো এটা পরিষ্কার কামাল হোসেনের ছদ্মবেশ খুলে গেছে। অচিরেই আমরা তার আসল রূপ দেখতে পাবো। যার ভেতরে হয়তো আছে পাকি প্রেম, যার মূল উদ্দেশ্য শেখ হাসিনাকে সরানো। পথের কাঁটা সরানোর জন্য তিনি এমনটা করলেন, এটা না ভেবে রাজনীতিকে দেখুন। বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে খন্দকার মোশতাকের দেওয়া ঘোষণার মত একটা ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন তারা। যার সবগুলো পয়েন্টই মূলত এদেশের প্রগতি আর অগ্রযাত্রাবিরোধী। এই সংঘাতময় ঘোষণাই বলে দেয় আসল এজেন্ডা কী।

একটা বিষয় বলতে চাই শুধু। আমাদের ইতিহাসের এই কলঙ্ক বা দু:সময় কী কোনদিন শেষ হবেনা? খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া অন্যায়, তা বলছি না। কিন্তু তার মুক্তি চাইতে গিয়ে তার দলের সাথে আঁতাত করে আমাদের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সাথে পাকিস্তানের কারাগার থেকে একসাথে ফিরে আসা মানুষটি যা করছেন তার নাম বিশ্বাসঘাতকতা। ডক্টর কামাল আমাদের যৌবনে জেনারেল জিয়ার বিরুদ্ধে নেতা হতে চেয়েছিলেন। তাকে সামনে রেখে, আমরা দেখেছি  গণ ঐক্যজোট করে সামরিক শাসনের আন্দোলনে তিনি কীভাবে লেজ তুলে পালাতেন। তখনো তাকে রাষ্ট্রপতি বানানোর চিন্তা করা হয়েছিল, অথচ ঢাকার লোকাল মাস্তান আবুল হাসনাতের ধমকেই তিনি চলে গিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে। রহস্যময় ডক্টর কামাল হোসেন মাঝখানে বামনেতাদের নেতা হয়ে ছিলেন। লজ্জা আর কাকে বলে। বামাতী নামে পরিচিত এরা নাকি ত্যাগী। এরা সবাই মিলে গণফোরাম নামের যে গণফোঁড়া তৈরি করে তাকে নেতা বানিয়েছিলেন তারা আজ কি বলবেন?

ভেবে খারাপ লাগছে অচিরেই হয়তো ডক্টর কামাল হোসেন বলবেন, মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে আর তাকে পরারাষ্ট্রমন্ত্রী বানিয়েছিল বিএনপি।

পাকি-বিএনপি-জামাতী আর বিদেশি লবিং আমাদের আর কতো বায়োস্কোপ দেখাবে কে জানে। এটা নিশ্চিত করে বলি এই জোট টিকুক আর না টিকুক, ভালো হোক আর মন্দ হোক ডক্টর কামাল হোসেনের বারোটা বেজে গেছে। একটু চোখ মেলে তাকালেই বুঝতে পারতেন কাদের সিদ্দিকী কিংবা বি চৌধুরী কেউ দায় নেননি। যে মোহে যে উস্কানিতে তিনি এই কাজ করলেন তার পরিণাম একটাই , আস্তাকুঁড়ে নিপতিত হওয়া।

হায় হোসেন ! হায় হোসেন ! কামাল সাহেব ইতিহাস আপনাকে মার্জনা করবেনা জনাব।

আমাদের রাজনীতি বা রাজনৈতিক জগত দেখলে সেলুকাসও মূর্চ্ছা যেতেন। কেউ কোনদিন ভেবেছিলেন মির্জা ফখরুল হাসি হাসি মুখে বসে আছেন, আর পাশে বসে গম্ভীর মুখে ডক্টর কামাল হোসেন বলছেন, তিনি বা তারা কার মুক্তি চান বা কীভাবে সরকার হটাবেন! তাও শেখ হাসিনার সরকার? যারা এদেশের মাটি, রক্ত, শহীদ ও বীরাঙ্গণাদের সাথে বেইমানি করেছে ইতিহাস কোনদিন তাদের মাফ করেনি। এবারো তার ব্যতিক্রম হবে না। হলেও সময় যে মার্জনা করবেনা সেটাই জানি আমরা।
আপাতত তারা যা করছেন তাতে আমাদের মুক্তি তো নাই, বরং শঙ্কার কারণ আছে। কোনদিকে প্রবাহিত হবে এই জোটের ধারা ? মানুষ এর কী জবাব দেবেন তা দেখার জন্য সময়ের কাছেই হাত পাততে হবে। বাংলাদেশ নিশ্চয়ই ভুল করবে না। কারণ তার আসল শক্তি মুক্তিযুদ্ধ। সেখানে নেতা আসে নেতা যায় মাত্র।
অজয় দাশগুপ্তকলামিস্ট।

২২ Responses -- “ডক্টর বনাম ডাক্তার : বাংলাদেশ তুমি সাক্ষী থেকো”

  1. Anwar A Khan

    Led by Gono Forum President Dr. Kamal Hossain, BNP, JSD, Jamaat-e-Islami (JeI) and Nagorik Oikya (Citizen’s Unity) announced a new opposition political alliance named the Jatiya Oikya Front (National Unity Front) on 13th October 2018 excluding Jukto Front (United Front) led by its Convener AQM Badruddozza Chowdhury ahead of the upcoming National Polls in Bangladesh. At the very outset, National Unity Front has faced a rift on the question of tying-up with JeI people, the dreaded killing squad who masterminded the mass murdering of millions of our people, molestation of 300 thousand of our mothers and sisters and many more unspeakable misdeeds during our glorified War of Independence in 1971.

    The direful killing squad Jamaat-e-Islami (JeI) has been recognised under a veiled cover up as a member of this newly formed coalescence. Dr. Kamal Hossain’s political party, Gono Forum has no anchor on the soil of Bangladesh. He is a solitary showcase. ASM Abdur Rob, the supreme leader of a bantam faction of a political party – JSD, one time a great revolutionary and contributed gigantically to the process of establishing Bangladesh in a bloody war in 1971 with the flagitious Pakistani military junta. He has now become a midget figure in the country’s political arena. Mahmudur Rahman Manna is a lone wolf in Bangladesh’s politics though once upon a time he was a famed student leader. Dr. Zafrullah Chowdhury is a veteran Freedom Fighter, physician, owner of Gono Shashtya Hospital and a noetic of BNP politics. He is also a loner having no footmark in politics.

    Those of us, who are now sexagenarian, can hark back those of days of our glorified Liberation War of 1971 to attain Bangladesh and many extolled movements during the pre-independence days which eventually culminated our war with the savage Pakistani rulers to acquire an independent and sovereign state for us; for our people.

    Dr. Kamal Hossain was in abroad at the time of Bangabandhu’s brutal murder, but he was then touring abroad being Bangabandhu Sheikh Mujib Government’s Foreign Minister. He was then well-known throughout the world because of his outstanding educational background (his teacher Henry Kissinger also praised him aloud uttering the words “Dr. Kamal Hossain could speak better English than him” when he visited Bangladesh after we achieved independence and The Daily Ittefaq carried this news on its front page), and was also an accepted persona to the Western World leaders. He could have convened a press conference or more than that in the overseas countries to condemn the savage putting to death of the country’s Founding Father Mujib in the harshest language and marshalled immense backing of the famed world leaders. The history of Bangladesh would then have been different. But he did nothing.

    After his return to Bangladesh (maybe, sometime in 1979), I heard a speech of Dr. Hossain Hossain at a seminar at the DU’s TSC Auditorium where many prominent figures of political and social classes were present. I found him that he could not speak Bengali well. He spoke Bangla mostly in Urdu tone. Now he can speak very good Bangla. But that is not my point. The point is: Bangabandhu loved him so much because of his mettlesome educational status and intellectual calibre. He made him as the Law Minister and then the Foreign Minister at his Cabinet at such a young age of him. But where are his humanistic lineaments? I have heard that he is the legal counsel of so many multinational organisations and looks after their interests only, not for ours. He earns huge money through his legal profession. Have you ever heard that he has spent a single coin for the down-trodden people of our society? Have you ever heard that he has served his legal profession for poor people in the country at free-of-cost or at a minimal fee? What about his reciprocation for Bangabandhu and Bangladesh?

    During pettifogger Ershad’s regime, he was once off-loaded from the plane when he tried to go abroad, but he chose to remain unsounded against this rough-cut shenanigan character. He is a man fond of ease and comfort in life. Politics is a very large science; here there is no short-cut pathway; politics means the mythos of political orientation and bring about greater welfare of people which are not the dominant allele in the character of Dr. Kamal Hossain. Being a politician, what is the contribution of Dr. Kamal Hossain to the country? If you ask this question to him directly, I think he will immediately enshroud his face.

    The newly forged opposition political combine ahead of the national polls is not a fine line, at all. Instead, it will be a disconsolate line for Bangladesh and its people.

    Reply
  2. Wadud

    বলতে হয়, “আমারো স্থান তাই বিএনপি আশ্রম” তবে লেখকও বাম রাজনীতি করে কম খেল দেখান নাই!

    Reply
  3. Not applicable

    I am surprised that dr kamal Husain joined in BNP. I have no doubt that BNP is a team with full of thieves and greedy people. Wait a minute, which political parties in Bangladesh now has no thieves? I do not predict the future as the author said however I think he is still the better person to be a great leader in Bangladesh. At least RAJAKAR is not having any official political party now in Bangladesh. What happen those politicians in Jamal -e – islam? They will try to get nominations from big party like BNP or Awami league? Just wait and see.

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      কেউ চোতরা পাতা বলে আমি ধোয়া তুলসী পাতা – এ রকমটি মনে করার কোন কারণ বা সুযোগ নেই। You rightly said, “… which political parties in Bangladesh now has no thieves?” এ যেন ‘ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়’ সেই অবস্থা। শেষ পর্যন্ত কে কোন টুপি মাথায় দেবেন আর কোন জামা গায়ে চাপাবেন কিছুই বলার উপায় নেই।

      Reply
  4. Zobair Alam

    কোনো লাভ হবে না এটা ঠিক, সরকার নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিত তাহলে এগুলির দরকার হত না। আওয়ামী লীগ নিজেই এর জন্যে দায়ী।

    Reply
  5. নী

    আপনারা এত ভয় কেন পাচ্ছেন?

    শেখ হাসিনা থেকে তার দয়ায় খুদ-কুড়ো খেয়ে বেঁচে থাকা সকলে কেন এত হতাশ, নার্ভাস, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠিত হচ্ছেন।

    আপনারাতো বলেন জনগণ আপনাদের সাথেই আছে, তাহলে এত ভয় কেন?

    এসব কথা যখন বলেন তখন কি বুঝতে পারেন না ‘আও ছি! রাজা লেংটো’ কথাই প্রতিষ্ঠা করছেন। সরকারের শরীরে যে কাপড় নেই তা এই থরো-কম্পন দেখেই তো সবাই বুঝে যাবে। একটু কম বকুন, ভালো থাকুন; আরাম পাবেন।

    Reply
    • Bongo Raj

      Dear NEE
      A few gundha’s of military if can changed the direction of movement of a country (15th August, 1975) towards the hell, than 20% of anti liberation filthy-scum folks can do anything against 80% pro-liberation folks.
      This is possible by the supports of foreign countries who were against our independence. I am sure you are pretty mature to understand which are those countries!!!

      Reply
  6. AB Siddique

    Dr. Kamal Hossain is a respectable man. He should have remembered before joining in Oiko. He should not forget what had been uttered about him in 1971, CHOROM PATRA. That is FOKKA FARID GELO TOL KAMAL BOLE KOTO JOL (WATER).
    Thanks .

    Reply
  7. Dr. M. Hoque

    This is a politically GAY marrige. They will live together sleep together make love with each other but they can’t be pragnent because this marriage is a same sex marriage (between the killers and their patrons) but one open secret truth came out from this marriage is that a masked conspirator of the killing of Bongobondhu is now came out . He was hiding his most prized gift from killer Mustaque a Jinna cap. After 43 years he showed his caurrage to put his beloved Jinna cap on his head to show the world.

    Reply
  8. সৈয়দ আলী

    দাশ অজয় গুপ্ত মহাশয়গণ তাঁদের রাজনীতির পৈতা বদলের পর থেকেই আমাদের ব্যপক বিনোদন দিয়ে আসছেন, তার জন্য তাঁরা ধন্যবাদ পেতে পারেন। নতুন করে বিনোদনের যে এপিসোডটি তিনি আমাদের সামনে এনে বিনোদন দিতে চাচ্ছেন তা হলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কথিত বদু চাচা ও কামাইল্যার ঐক্য নিয়ে। শ্রী দাশগুপ্তগণ একদিকে বলছেন যে বদু চাচা বা কামাইল্যারা একত্র হলেও কিছু হবে না, (স্মরণ করুন, শাহ মোয়াজ্জেম যেমন বলেছিলেন দুই মহিলার মিলনে কিছুই হয় না, যদিও এরশাদকে কান ধরে ক্ষমতা থেকে নামানো হয়েছিলো) অন্যদিকে এই সম্মিলন যে কত অসাড় তা দেশবাসীকে বোঝাতে মেগাবাইটের পর মেগাবাইট ব্যয় করছেন।
    সহজ বুদ্ধিতে আমাদের প্রশ্ন, বদু বা কামাইল্যার মিলনে কিছু যদি না-ই হয়, তাহলে তারা কি করলো না করলো তা নিয়ে একেবারে ক্ষমতার শীর্ষ থেকে দাশগুপ্ত পর্যন্তরা অতো ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কেন?
    যা হোক, শেষ কথা এই, দাশগুপ্ত মহোদয় যে দলের রাজনীতির খড়ম বহন করেন, সে দলের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়েদুল কাদের (অসম্মান করার রাজনীতির অভ্যাসে তাঁকে কেউ কেউ ফাডাকেষ্টও বলেন) জানাচ্ছেন, ক্ষমতা নয়, বদু-কামাইল্যারা হাসিনাকে হটাতে চান (https://bangla.bdnews24.com/politics/article1550717.bdnews)। অর্থাৎ, দাশগুপ্ত ইনিয়ে বিনিয়ে যা বলেছেন তা সকলি গরল ভেল।

    Reply
    • মাসুদ

      “দাশ অজয় গুপ্ত মহাশয়গণ তাঁদের রাজনীতির পৈতা বদলের পর থেকেই আমাদের ব্যপক বিনোদন দিয়ে আসছেন, তার জন্য তাঁরা ধন্যবাদ পেতে পারেন।”
      জনাব সৈয়দ আলী, আপনি কি জানেন আপনার কমেন্টগুলোও ব্যাপক বিনোদন দেয়ার মতো।
      “দাশ অজয় গুপ্ত” কার নাম?
      আপনি একজন চরম অসংস্কৃত মানুষ। কমেন্ট করেন, কিন্তু তাতে নিজের পরিচয় দিয়ে ফেলবেন না দয়া করে।

      Reply
      • সৈয়দ আলি

        জনাব মাসুদ, জেনে আহ্লাদিত হলাম যে আমি আপনাদের বিনোদন মচ্ছবে এক ফোটা শিশির যোগ করছি। তবে অই দাশগুপ্ত আজয়ের মতো বিরাট বিদুষক কখনো হওয়াই আমার ভাগ্যে নেই।
        যদি আপনার জ্ঞানের পাত্রটি প্রসারিত থাকতো তবে জানতেন পদবী সামনে এনে নাম লেখা নিপাতনে সিদ্ধ।

    • মাসুদ

      গায়ে জ্বালা নয়, বিনোদনের খোরাক যোগাচ্ছে এই সাধের ঐক্যফ্রন্ট। আশায় থাকুন। শিগগিরই মেওয়া ফলবে।

      Reply
  9. আনোয়ার আহমাদ

    এরা দেশের স্বার্থে রাজনীতি করে না। নিজের লাভের জন্য করেন। আর ভোটের আগের সময়টা উত্তম সময় পানি ঘোলা করে কিছু বাড়তি ইনকামের, পাওয়া যায় মিডিয়ার পাত্তা ।

    Reply
  10. Fazlul Haq

    গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এদেশের জনগণের চাওয়া। এই চাওয়ার বিরুদ্ধে যারা যাবে তারা ভেসে যাবে। শুধু জনতার এই চাওয়ার নেতৃত্বে যারা থাকবে তাদেরকে চোরাগোপ্তা হামলার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।

    Reply
  11. দর্শক

    ড.কামাল হোসেনের চালাকি মাহী ঠিকই ধরতে পেরেছেন। এসব ভোটার বিহীন ঐক্য অার বেশী দিন না মনে হয়। গাছে কাঠাল গোফে তেল দিতে দিতেই ঐক্য নামের “জিনিস”টাও হাওয়া হয়ে যাবে। কোন নাগরিকই মান্নাকে যেহেতু নাগরিক ঐক্যের নেতা বানাননি। জাতিও এ জাতীয় ঐক্যকে অাগাতে দিবে না।

    Reply
  12. Cornell Macbeth

    বঙ্গবন্ধু সরকারের আইনমন্ত্রী ছিলেন “বাবু মনোরঞ্জন ধর”; ক্ষমতার পালাবদলে এই “মনোরঞ্জন ধর” খন্দকার মোশতাকের আইনমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে, খন্দকার মোশতাকের পরমর্শক্রমে তিনি কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি আইন’ নামক বিলটি রচনা করেন। আর তৎকালীন জাতীয় সংসদে সেই “বিলটি” পাশও হয়। বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে খন্দকার মোশতাকের দেওয়া শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন ‘ধর বাবু’। যার সবগুলো পয়েন্টই ছিল মূলতঃ এদেশের প্রগতি আর অগ্রযাত্রাবিরোধী। এই আঁতাত সুলভ শপথ বাক্যই বলে দেয়, এদের এজেন্ডা ছিল দূরভিসন্ধিমূলক। এটা পরিষ্কার যে, ১৯৭৫ সলেই ‘বাবু মনোরঞ্জন ধরের’ ছদ্মবেশ খুলে গিয়েছিল। অচিরেই তার আসল রূপ প্রকাশ হয়েছিল; যার ভেতরে ছিল কপটচারীতা, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধুকে’ সরানো। আমাদের দুর্ভাগ্য যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সাথে জড়িত এই ‘ধর বাবু’ নিজের রঙ পাল্টিয়ে শেষ পর্যন্ত মোশতাকের ‘ক্রীতদাসে’ পরিণত হন। এজন্য আমরা লজ্জিত ও অনুতপ্ত !

    ‘বাবু মনোরঞ্জন ধর’ রাজনীতিক হিসেবে এবং বঙ্গবন্ধু সরকারের আইনমন্ত্রী হিসেবে সারাজীবন যা কুড়িয়েছিলেন, তা’ তিনি বিসর্জন দিয়েছিলেন খন্দকার মোশতাকের সাথে হাত মিলিয়ে। মন্ত্রীত্বের লোভে তিনি যাদের সাথে জোট বাঁধলেন তারা ছিল এদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী। আর খন্দকার মোশতাকের দয়া ছাড়া ‘ধর বাবু’ কোনদিনও যে পুনরায় মন্ত্রী পারতো না, এটাই কিন্তু সত্য।

    ‘বাবু মনোরঞ্জন ধর’ কেন বঙ্গবন্ধুর সাথে ছিলেন আর কেনই বা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শকে ত্যাগ করেছিলেন, আজ তার আর কোন ব্যাখ্যার দরকার নাই। বরং শেষ অবধি তিনি তার চরিত্র দ্বারা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে, কোনও কোনও লেজ জীবনেও সোজা হয় না।
    দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে ‘ধর বাবু’ একাই সঙ্গোপনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বারোটা বাজিয়েছেন। হায়! আমাদের ইতিহাসের এই কলঙ্ক কী কোনদিন দূর হবেনা?

    সাবেক এই আইনমন্ত্রী, খন্দকার মোশতাকের পক্ষে দালালী করে আর বিশ্বাসঘাতকতার চমক দেখিয়ে অবশেষে পঠল তোলেন ২০০০ সালের জুন মাসে।
    ‘ধর বাবুর’ মত যারা এদেশের মাটি, রক্ত, শহীদ ও বীরাঙ্গণাদের সাথে বেইমানি করেছে ইতিহাস কোনদিন তাদের ক্ষমা করেনি।
    হায় ‘ধর বাবু’ ! হায় ‘ধর বাবু’ ! ‘বাবু মনোরঞ্জন’ ইতিহাস কিন্তু আপনাকে কোনদিনও মার্জনা করবেনা।

    Reply
  13. Bongo Raj

    I am 100% agreed with the contents of this article.

    However, very much wondered by seeing that most of the contents of this article is same as that of Mr. Ajay Das article written in Janakhanta daily’s editorial columns on 14th October, 2018.
    Hopefully, this is accidental similarity..

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—