আমাদের জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী ৮৮ বছর বয়সে ২০১১ সালে মারা যান। মৃত্যুর আগে তার মনে কী হয়েছিল কে জানে? তিনি তার ইচ্ছের কথা কাগজে লিখে গেলেন। বলে গেলেন- তার মৃতদেহ যেন শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য না নেওয়া হয়।

কবীর চৌধুরী কী মনে করে এমন একটা কথা বলে গেলেন? এই প্রশ্নটা ঘুরেফিরে আমার মাঝে আসে যখন আমাদের দেশের বিখ্যাত কেউ মারা গেলে, তার মৃতদেহ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আন্তরিক প্রযোজনায় শহীদ মিনারে আনা হয়। কয়েকদিন ধরে অন্য একটি কারণে একই প্রশ্ন আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

চিত্রশিল্পী ও কবি মুর্তজা বশীর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে জানালেন, তিনি তার মেয়েদের বলে গেছেন, তার মৃতদেহ যেন শহীদ মিনারে নেওয়া না হয়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটকে এরকম সুযোগ তিনি দিতে চান না।

সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে আমার এক বয়োজ্যেষ্ঠ চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপককে জিজ্ঞেস করলাম, শহীদ মিনারে আমাদের বিখ্যাত মানুষদের মৃতদেহ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্যে মঞ্চ নির্মাণ, ব্যানার টানানো, মাইক লাগানোসহ মৃতদেহকে ঘিরে প্রযোজনা ছাড়া আমাদের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আর কাজ কী? উনি বললেন- “এটা অনেকটা আমাদের ঢাকা শহরের বড় বড় মানুষদের জন্যে এক ধরনের আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম।” আমি বললাম- মানে?

উনি বলে চললেন, “এই যে শহীদ মিনারে আয়োজন করে মৃতদেহ প্রদর্শনের এরকম রেওয়াজের দরকার কী? বেছে বেছে সেরকম মানুষের মৃতদেহ তারা মঞ্চ সাজিয়ে প্রদর্শন করে যাদের সংবাদ গুরুত্ব আছে, টেলিভিশন পত্রিকার যথেষ্ট ক্যামেরা এসে হাজির হবে, একই সঙ্গে ওই মৃত মানুষটির পরিবারের প্রতিষ্ঠিত আত্মীয়স্বজনের নেক নজরে আসার একটা সুযোগ তৈরি হবে। পরে এই উছিলায় ব্যবসা, ঠিকাদারির কাজে আসতেও পারে।”

এই আলাপচারিতার পরে আমি একা একাই ভাবছি আমাদের এই সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ইতিহাস কী? এর তাৎপর্য কি? এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী? এই প্রশ্নগুলোর কোন কূল-কিনারা করতে পারলাম না। ঘেঁটেঘুঁটে জানতে পারলাম এর প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫ সালে। আজ ২০১৮ সাল গুণে গুণে ৩৩ বছর।

এই সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এরকম দুই একজনের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এটা মূলত সংস্কৃতি অঙ্গনের নানা সংগঠনের একটা মোর্চা। অর্থাৎ বলাই যায় এটা লেখক, অভিনেতা, গায়ক আবৃত্তিকার, চিত্রশিল্পী, চলচ্চিত্রনির্মাতা, নায়ক নির্দেশক, আলোকচিত্রী, নৃত্যশিল্পীসহ সকল সাংস্কৃতিক পেশাজীবীদের একটা সম্মিলিত প্লাটফর্ম।

এখন প্রশ্ন হলো, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পেশার স্বার্থে এই জোটের কী কোনও ভূমিকা আছে? আমার জানা নাই। তাহলে এই জোট থাকার অর্থ কী? অর্থ হলো নানা জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এর কুশীলবরা শহীদ মিনারের পাদদেশে মাইক টাঙিয়ে মতবিনিময় আর আলোচনা সভার আয়োজন করে; নানা জাতীয় দিবস সম্মিলিতভাবে উদযাপন করে। বেশ! প্রশ্ন হলো এই জোট না থাকলে কী এই উদযাপন, এই অনুষ্ঠান থেমে থাকত? অবশ্যই না।

আমাদের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট নিয়ে আরও বিশদ আলোচনার পূর্বে বিদেশে এরকম জোটগুলোর ভূমিকা কী সে বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই। অন্যান্য দেশে এরকম জোটের মূল কাজ হলো সরকার, আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সংস্কৃতি অঙ্গনের নানা পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়াদি নিয়ে দেন দরবার করা, সংস্কৃতির জন্যে বরাদ্দ বাড়ানোর পক্ষে সম্মিলিত মতামত কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেয়া। প্রয়োজনে গণমাধ্যমে এ নিয়ে বিতর্কের আয়োজন করা।

এবার ফিরে আসি আমাদের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট প্রসঙ্গে। আমাদের সাংস্কৃতিক জোট এ সংক্রান্ত কোন কাজটি করেছে? একটি কথা মনে পড়ে সংগঠন যদি কারও ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহৃত হয়, তাহলে সর্বনাশ। আমরা এরকম সর্বনাশা সময় পার করছি।

১৯৮৫ সালে জন্ম নেওয়া সংগঠনটিতে ঘুরে ফিরে গুটিকয়েক লোকজন হর্তাকর্তা হয়েছেন। ঘুরেফিরে বছর বছর এর কমিটি নড়েচড়ে। আদতে তা থোড় বড়ি খাঁড়া, খাঁড়া বড়ি থোড়। এরা কেউ সংস্কৃতিজন, কেউ নাট্যজন, কেউ বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী; দুই একজন ব্যতিক্রম ছাড়া। সংস্কৃতি অঙ্গনে এদের দেবার কিছু নাই, দেবার বয়সও নাই। এই জোটকে আশ্রয় করে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়। আর এই জানান দেয়ার ছলে নিজেদের ব্যবসা ঠিকাদারি, তদবিরে সুবিধা করে নেয়।

১৯৮৫ সালে এর জন্মলগ্ন সময়টা ছিল সামরিক শাসনের কাল। বোঝা যায় ওই সময়ে এই সংগঠনের একটা উপযোগিতা ছিল। ১৯৮৫ সালের সেই উপযোগিতা আর ২০১৮ সালের উপযোগিতা এক হতে পারে না। এখন শেখ হাসিনা টানা প্রায় দশ বছর যাবৎ প্রধানমন্ত্রী। এই সময়ে এসে আমাদের অর্থনীতি আর জীবনযাত্রার খোল নলচেই রীতিমত বদলে গেছে। আর আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গন পড়ে আছে ১৯৮৫ সালের সেই মডেল ধরে। এর কারণ হল আমাদের সংস্কৃতির বুড়ো মোড়লরা তাদের জায়গা ছাড়তে নারাজ। তাই জোটের খোলনলচেও বদলাতে তারা চান না অথবা সেই হিম্মত তাদের নাই।

আমাদের সংস্কৃতি অঙ্গনে হাজারটা বিষয় সংস্কার করা যায়। আমরা তার কিছুই করলাম না। ২০০৭-২০০৮ সালে আমাদের জাদুঘরের সম্পদ বিদেশে পাচারের উদ্যোগ নেয়া হল। আমাদের সাংস্কৃতিক জোট চুপচাপ থাকল। কারণ জোটের দুই একজন কুশীলব প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে এই পাচারের পক্ষে ছিল। বিএনপি-জামাত শাসনামলে আমাদের যাত্রাশিল্প প্রায় ধ্বংস করার আয়োজন করা হল, অথচ আমাদের জোট চুপটি মেরে বসেছিল।

আমাদের ৭৫টি আদিবাসীর সংস্কৃতি, ভাষা ও সাহিত্য হুমকির মুখে। এ নিয়ে জোটের কোন পরিষ্কার বক্তব্য, কার্যক্রম ও অবস্থান নাই। ২০১০ সালে সরকারি এক সিদ্ধান্তে কেবল ২৭টি আদিবাসীকে স্বীকৃতি দেয়া হল। বাকি ৪৮টি আদিবাসীর কী হবে? এ বিষয়ে জোটের কী ভূমিকা? আমার জানা নাই। তারা রীতিমত চুপ। চুপ থাকার কারণ হল এসবে কোন ঠিকাদারি নাই।

এই জোটের এবং জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর খোলনলচে পাল্টানো দরকার। সে পরিবর্তিত কাঠামো হওয়া দরকার নিতান্তই পেশাদারির ভিত্তিতে। কে কোন কালে কোন একটা কাজ করেছিল আর সেটা ধরে তিনি সংস্কৃতিব্যক্তিত্ব নাট্য ব্যক্তিত্ব, নৃত্যব্যক্তিত্ব বলে নিজেকে উপস্থাপন করবেন আর আড়ালে বিজ্ঞাপন আর ঠিকাদারি ব্যবসা করে যাবেন, তা হবে না। আমাদের এর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সংস্কৃতির অঙ্গনের সংগঠনগুলোকে ট্রেড ইউনিয়নের আদলে সংস্কার করা দরকার, সেই সঙ্গে একটা দাবি জোরালো করা দরকার স্থানীয় এবং জাতীয় বাজেটের কমপক্ষে শতকরা একভাগ বরাদ্দ রাখা দরকার।

সেই সঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিল্পকলা একাডেমির পাশাপাশি আলাদা সংস্কৃতি অধিদপ্তর দরকার। এই অধিদপ্তর সংস্কৃতির প্রতিটি বিষয় যেমন সাহিত্য, চিত্রকলা, নাটক, নাচ, চলচ্চিত্র, সঙ্গীতসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের জন্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত আলাদা বিভাগ থাকা দরকার। আর এসব বিভাগের কাজ হবে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রচার প্রসার ও উৎকর্ষ সাধনের নিমেত্তে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ, বৃত্তি ও অনুদানের ব্যবস্থা করা। আর এই দাবিগুলো যারা তুলে ধরবেন তারাই সাংস্কৃতিক জোটের হাল ধরবেন। অন্যথায় এই জোট থাকলেও যা, না থাকলেও তা, এর ঠিকাদারিটুকুই সার।

এই ঠিকাদারি ব্যবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসার এখনই সময়।

Responses -- “প্রসঙ্গ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট”

  1. Mustafij Jewel

    সাংস্কৃতিক জোটের ব্যাপারে আগ্রহী যেকোনও ব্যক্তি জোটের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করতে পারেন, মতামত রাখতে পারেন এবং বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনাও করতে পারেন- যাতে জোট ঋদ্ধ হয়। কিন্তু উক্ত লেখক উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এবং এর বিভিন্ন সময়ের নেতৃত্ব সম্পর্কে মিথ্যা, বানোয়াট মনগড়া বক্তব্য হাজির করে পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে চেয়েছেন।

    প্রথমে ভেবেছিলাম এ ধরনের লেখা সম্পর্কে কোনও প্রতিক্রিয়া না দেখানোই ভালো। কারণ সমাজে হীন মানসিকতার অনেক লোক রয়েছে যাদের কাজ হলো অন্যের চরিত্র হনন এবং ছিদ্র অন্বেষণ করে বেড়ানো। তারপরও সংস্কৃতিকর্মীদের অনুরোধে দু’ একটি কথা উল্লেখ করতে চাই:

    ১. আনিসুর রহমান লিখেছেন- ‘অধ্যাপক কবীর চৌধুরী বলেছিলেন, তার মরদেহ যাতে শহীদ মিনারে নেয়া না হয়।’

    প্রকৃত সত্য হলো জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী বলেছিলেন, তাকে দ্রুত দাফন করার স্বার্থে তার মরদেহ যাতে শহীদ মিনার কিংবা বাংলা একাডেমিতে নেয়া না হয়। কেউ চাইলে পরিবারের সদস্যদের কাছে এর সত্যতা যাচাই করতে পারেন। নাম উল্লেখ না করে একজন বয়োজ্যেষ্ঠ চিত্রশিল্পী অধ্যাপকের উদ্ধৃতি দিয়ে আনিসুর রহমান প্রকৃত অর্থে নিজের মতামতে শহীদ মিনারে বরেণ্য ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন করাকে যেভাবে উপহাস, অসম্মান করেছেন- তা বিবেকসম্পন্ন কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

    সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত এ ধরনের মানবিক কাজকে আনিসুর রহমান ‘ঠিকাদারি ও বিজ্ঞাপনী ব্যবসা’ হিসেবে অভিহিত করে ছোট মনের পরিচয় দিয়েছেন। এ মহৎ কর্ম কোনও ধরনের ব্যবসা কিনা প্রয়াত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরাই তা ভালো বলতে পারবেন। ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে বরেণ্য ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের এ প্রক্রিয়াটিকে তিনি বলেছেন- “এটা অনেকটা আমাদের ঢাকা শহরের বড় বড় মানুষদের জন্য এক ধরনের আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম।” আনিসুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটকে হেয় করতে যেয়ে প্রয়াত বরেণ্য ব্যক্তিদের যেভাবে অপমান করেছেন তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

    ২. শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জোটের করণীয় সম্পর্কে জোট সচেতন। জাতীয় বাজেটের ন্যূনতম এক শতাংশ বরাদ্দসহ নানা ইস্যুতে জোট দেশব্যাপী বহু কর্মসূচি পালন করেছে এবং তা অব্যাহত আছে। কুৎসা রটনা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা ছাড়া সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সম্পর্কে আনিসুরের আর কোনও ধারণা আছে বলে মনে হয়নি।

    ৩. সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃত্ব কীভাবে গঠিত হবে, কারা থাকবেন এবং আদৌ এ-সংগঠনের প্রয়োজন আছে কি না তা নিশ্চয়ই আনিসুর ঠিক করে দেবেন না। সংস্কৃতিকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরাই এ-বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ সম্পর্কে আনিসুরের বক্তব্য ধৃষ্টতাপূর্ণ।

    Author
    মো. আহ্‌কাম উল্লাহ্
    ১৮ অক্টোবর, ২০১৮

    Reply
  2. Ahmed Bablu

    সম্মিলিত মোসাহেবি জোট ।। আহমেদ বাবলু

    সংস্কৃতি নিয়ে আছি ভীষণ রকম বিজি
    রাজা যখন যা বলে যান আমরা বলি জ্বী জ্বী
    জগত জুড়ে খুব পুরোনো মোসাহেবি ধর্ম
    তোমরা ভাবো জ্বী জ্বী বলা সহজ কোনো কর্ম?

    লজ্জা শরম সকল খেয়ে জ্বী জ্বী বলা শক্ত
    রাজার প্রতি থাকতে হবে অন্ধ অনুরক্ত
    এই আমাদের বলতে পারো দলবদ্ধ পি এস
    রাজার বাণী শোনার আগেই আমরা বলি ইয়েস

    সম্মিলিত মোসাহেবি সংস্কৃতির মানে
    আশা করি বাংলাদেশের আমপাবলিক জানে
    ইয়েস ইয়েস শব্দ যদি মানায় তোমার ঠোঁটে
    চলে এসো সম্মিলিত মোসাহেবি জোটে।

    ২৩/০৮/২০১৭

    Reply
  3. Anwar A Khan

    Once upon a time, Sammilita Sangskritic Jote was steered by some illuminated, honourable and refinement like personas upholding the unfeigned inspirits of our glorified Liberation War of 1971 and the upright causa of Bangladesh. I cognised their furbished grimaces and their un-sloped ferments, but they didn’t know me personally.

    Out of my thick love and respect, I penned an article titled, “Sammilita Sangskritic Jote: A magnificent Bengali cultural organization” which appeared in two installments in The Asian Age on 27th and 31st July 2018 respectively and the following internet links will facilitate to read it:

    1.https://dailyasianage.com/news/132588/sammilita-sangskritic-jote-a-magnificent-bengali-cultural-organization-part—i (Part-1)

    2.https://dailyasianage.com/news/133236/sammilita-sangskritik-jote-a-magnificent-bengali-cultural-organization-part-2

    I also did now know personally the present leaders of this historic organisation. After my article was brought out, I thought that I should let the current leaders of this organization know of it and to enable them to read this piece. I made feverish endeavours to find out their contact details for a few days. Finally, I got the cell phone number of its supremo through the courtesy of my younger brother like Shah Alamgir, DG of PIB. I made several phones calls to that hombre of Sammilita Sangskritic Jote, but he didn’t bother to receive my calls. Then I sent a SMS to him foregrounding about my article and requested him to receive my phone call and also requested him to give me the cell phone numbers and email addresses of other important leaders including his one of the organization, but he did never bother to it.

    After giving more efforts to talk to him, he then received my call. I tried to tell him to read this write-out, but he immediately cut the phone line off telling that he was too busy. He did never call me back. Later on, I found out his face-book link and asked him to accept my request so that I could affix the internet links of my article. But he gave it taking a long time. I then pasted the links and requested him to make some comment(s), if he had in his thoughts, but he didn’t bother. Rather, he blue-penciled those links in a flash.

    No scuttlebutts from me!

    Reply
  4. সরকার জাবেদ ইকবাল

    আপনার লেখার আধারবস্তুর প্রতি দ্বিমত পোষণ না করেই বলছি, – আমরা সুযোগ পেলেই বুড়ো আঙ্গুল দেখাই। কিন্তু, যার বুড়ো আঙ্গুলটি কাটা পড়েছে সে জানে বুড়ো আঙ্গুলের মর্ম।

    সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বুড়োদের পরিচালিত একটি সংগঠন হলেও রাজনৈতিক তথা সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে এর উদ্ভবের প্রয়োজনীয়তা, ভূমিকা এবং কার্যকারিতাকে অস্বীকারে করার কোন উপায় নেই। প্রবীণতার অভিযোগে যদি কোন সংগঠনকে অকার্যকর বলে ঘোষণা করতে হয় তাহলে বাংলাদেশে এমন অনেক সংগঠনই আছে যেগুলোকে বাতিল বলে ঘোষণা করতে হয়।

    এখনতো আবার ডিজিটাল আইনের পরাকাষ্ঠা চলছে, মুখে টেপ লাগানো। তাই, আগ বাড়িয়ে আর কিছু বলা গেল না। আরেকটি কথা, আপনি কি কোন ঠিকাদারি কাজ চেয়ে না পাওয়ার গোস্‌সায় এই লেখাটি লিখেছেন?

    Reply
  5. younusur rahman

    এই সংগঠনের বেশির ভাগ সদস্য ঘটি বা ৪৭-৭১ বাংলাদেশী। এরা প্রচন্ড ধান্দাবাজ নিরপেক্ষ টাইপের মানুষ। সময় সুযোগ মত অবস্থান পাল্টানোতে ওস্তাদ। এদের পরিবার জীবন ইতিহাস গুণে মুক্তিযুদ্ধের বিষয়েও এরা নিরপেক্ষ কিংবা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী জামাত মতাদর্শের হওয়ার কথা ছিল কিন্তু এদের সভা সমাবেশের দৃশ্যমান প্রধান কাজকর্ম জামাত বিরোধী। আমারও এদের উদ্দেশ্যে সম্পর্কে মাঝে মাঝে সন্দেহ হতোই কিন্তু এই লেখাটা পড়ে কিছুটা পরিস্কার। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা অভিবাসীরা এবং তাদের বংশধর আবার জামাত বিরোধী হয় কেমনে? সম্ভব না আর সম্ভব হইলেও তা অভিনয়, রুটিরুজির জন্য মন থেকে নয়।

    Reply
    • সরকার জাবেদ ইকবাল

      আপনার সন্দেহ অমূলক। তাই যদি হতো তাহলে তাঁরা জীবন বাজি রেখে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন না।

      Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—