বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে ভারতীয় উপমহাদেশের গবেষণা নিয়ে নিজের কিছু অনুভূতি লেখার তাগিদ বেশ কিছুদিন থেকে অনুভব করছি। ইদানিং বাংলাদেশে কিছু সেমিনার, কনফারেন্স কিংবা ব্যক্তিগত আলোচনায় গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাস্তব প্রয়োগ এবং সেখান থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার নানা পরামর্শ শুনি। কেউ কেউ প্রশ্ন করেন, আজকাল গবেষণায় বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, সাধারণ মানুষ এর সুফল কোথায় পাচ্ছে? বরাদ্দ যখন দেয়া হচ্ছে, স্বভাবতই জবাবদিহিতার প্রশ্ন আসবেই, আসাটাই স্বাভাবিক।

একটু স্পেসিফিকেলি বলছি, আমি মূলত মৌলিক বিজ্ঞান গবেষণা নিয়ে আলোচনা করছি। আমাদের দেশে মৌলিক বিজ্ঞান গবেষণা দুই ধরনের, এক পক্ষ নিজের প্রমোশন পেতে যতটুকু লাগে ঠিক ততটুকু করেন, উনারা আলোচনার বাইরে, অন্যপক্ষ অনেক সীমাবদ্ধতার মাঝেও সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কিছু গবেষণা করেন, আলোচনাটা মূলত ওই ধরনের গবেষণা নিয়ে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু লোখার জন্য একটু পেছনে ফিরে যাচ্ছি। সময়কাল ২০০৬, ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞানী, প্রফেসর রাও (C N R Rao) এর সাথে ভাগ্যক্রমে দুইবার দেখা, তার তিনটি লেকচার শোনা, অন্তত তিন সপ্তাহ প্রতিদিন কিছু না কিছু আলাপ শোনা, কখনো কখনো আলাপে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিল।  আমি তখন বুয়েটে সদ্য যোগদান করা একজন লেকচারার। প্রফেসর রাও এর সাথে ওই তিন সপ্তাহ আমার জন্য অনেক স্বপ্ন  এবং উচ্চাশার মুহূর্ত ছিল ।  যারা প্রফেসর রাও কে চেনেন না, তাঁদের জন্য বলছি, রাও এই পর্যন্ত প্রায় সতেরশ জার্নাল পেপার, পঞ্চাশোর্ধ্ব বইয়ের অথর, তার সাইটেসন লক্ষাধিক (http://www.jncasr.ac.in/cnrrao/index.html)

তার সাথে আমার প্রথম কথা হয়েছিল, ইটালির আইসিটিপি (ICTP) তে, পরেরবার তার উদ্যোগে বেঙ্গালুরে। আমার মতো একজন লেকচারারের ইমেইলের রিপ্লাই তিনি দিতেন এবং একবার আমার জন্য তার লেখা দুইটি বই উপহার পাঠিয়েছিলেন। যাই হোক আমার কাছে সবসময় মনে হয়েছে তিনি খুব অমায়িক এবং মানবিক একজন বিজ্ঞানী। প্রফেসর রাও এর লেখা প্রায় শ খানেক আর্টিকেল ওই সময় আমি পড়েছি, তার অনেক ছাত্রের সাথে আমার ব্যক্তিগত আলাপ হয়েছে, মোটা দাগে তাদের গবেষণার একটি অংশ আমার জানা হয়েছিল। ওই সময় ভারতের কিছু মানুষের এমন একটি ধারণা ছিল যে, প্রফেসর রাও নোবেল প্রাইজ পেতে যাচ্ছেন।

আমি তখন গবেষণার এ বি সি ডি শিখতেছি, তথাপি আমি বুঝতে পারছিলাম ‘জেএনসিএএসআর’ (JNCASR) এবং ‘আইআইএসসি’ (IISc) এর গবেষকরা অনেক ক্ষেত্রে অন্য গবেষকের আইডিয়া এক্সপানড করেন, তাদের শত-শত ছাত্র রয়েছে, প্রাসঙ্গিক বিষয়ে নভেল বা নব উদ্ভাবন গবেষণাকে বিভিন্নভাবে এক্সপানড করে তারা অনেক ভালো রেজাল্ট পান এবং তাদের গবেষণা নেচার সাময়িকী পর্যন্ত পাবলিশ হয়। তবে যেহেতু ওই রকম কোনো নভেল আইডিয়া প্রফেসর রাও এর গ্রুপ কিংবা ওইখানকার অন্য কোন গ্রুপ দিতে পারে নাই, তাই অদ্যাবধি নোবেল প্রাইজ তাদের অধরা। ওই সময় প্রফেসর রাও এর মুখ থেকেই শুনেছি, ‘নোবেল প্রাইজ ছাড়া আমি সব প্রাইজই পেয়েছি’, কথাটির মাঝে এক ধরনের আক্ষেপ ছিল। কয়েকজনের কাছে আরও একটি কথা শুনছিলাম, সত্য মিথ্যা জানি না, সিরামিক ম্যাটেরিয়ালসে সুপার কনডাকটিভিটি আবিষ্কারের ঘোষণা আসার পর প্রফেসর রাও নাকি তার ল্যাবে তাৎক্ষণিক এটি ডেমন্সট্রেইট করে দেখিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন এটি তিনি আগেই অবজার্ভ করেছেন ।

১৯৮৭ সালে ‘superconductivity in ceramic materials’ এর জন্য নোবেল প্রাইজ দেওয়া হয়। আমি খুব ছোট মানুষ, এত বড় একজন বিজ্ঞানীর বিষয়ে কিছু মন্তব্য করা আমাদের সংস্কৃতিতে অনেকটাই ধৃষ্টতা; তথাপি বলছি, প্রফেসর রাও যদি এটি সত্যি সত্যি আগে অবজার্ভ করে থাকেন, তবে এইখানেই উপমহাদেশের মানুষের বিশেষ দুর্বলতা। বিজ্ঞানে যুগান্তকারী কিছু পাওয়ার জন্য পার্টিকুলার বিষয়ের প্রতি যে পরিমাণ কনসেট্রেসন দিতে হয়, এটি মনে হয় আমাদের রক্তে নেই। শুনেছি প্রফেসর রাও ছিলেন কংগ্রেস সরকারের বিজ্ঞান উপদেষ্টা, ভারতের রাজনীতি, অর্থনৈতিক উত্থান এবং সমাজ ব্যবস্থা নিয়ে তিনি ভাবেন এবং ভূমিকাও রাখেন। রাষ্ট্রের একজন বিজ্ঞানীর এহেন ভূমিকা রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক এবং আপাত দৃষ্টিতে এই ধরনের ভূমিকাকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। তবে একজন বিজ্ঞানীর কাছ থেকে যদি রাষ্ট্র এই ভূমিকা প্রত্যাশা করে, তাহলে বিজ্ঞানে নোবেল প্রাইজ বা এরূপ কিছু পাওয়ার আশা ত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় যুগান্তকারী কোনও আবিষ্কারের খুব কাছে থেকেও ওইটা বিজ্ঞানীর কাছে ধরা দিবে না, নেচার হয়তো এমন আচরণই পছন্দ করে।

সময়কাল ২০০৭। ওই বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে আমি গ্লাসগো ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি’ র জন্য গবেষণা শুরু করেছি। আমার সুপাভাইজার জন চ্যাপম্যান  ম্যাগনেটিক ন্যানোস্ট্র্যাকচার নিয়ে কাজ করেন, তার বন্ধু ফরাসি বিজ্ঞানী আলবার্ট ফার্ট ১৯৮৮ সালে জায়ান্ট ম্যাগনোটোরেজিস্ট্যান্স আবিষ্কার করেন (http://www2.cnrs.fr/en/338.htm) । ২০০৭ সালে আলবার্ট ফার্ট এবং পিটার গুয়েনবার্গ জায়ান্ট ম্যাগনোটোরেজিস্ট্যান্স আবিষ্কারের জন্য পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। আমি বেশ আগ্রহে নিয়ে আলবার্ট ফার্ট এর কিছু পেপার পড়লাম, ২০০৯ সালে জার্মানিতে প্রফেসর ফার্ট এর সাথে একটি কনফারেন্সে দেখা হল, জন চ্যাপম্যান  এর ছাত্র হিসেবে পরিচিত হলাম।

একদিন লাঞ্চ টাইমে বিল্ডিঙের পাশে একটি হাফওয়ালে বসে আমি লাঞ্চ করছি, সম্ভবত একটি বার্গার সাথে একটা সফট ড্রিংক। একটু পর দেখি আমার পাশেই প্রফেসর আলবার্ট ফার্ট, প্রায় চল্লিশ মিনিট আমরা কথা বললাম। ম্যাগনেটিকস এবং তার আনুষঙ্গিক বিষয় ছাড়া নিখিল বিশ্বের অন্য কোনও বিষয়ে তার তেমন কোন আগ্রহ রয়েছে বলে আমার মনে হয় নি। ওই কনফারেন্সের একটি সেশনে আয়রন আর নিকেলের ট্রান্সপোর্ট প্রপার্টির উপর কয়েকটা পেপার প্রেজেন্ট হয়েছিল, ওই কাজগুলির  ধারণা এসেছিল ১৯৭০ সালে আলবার্ট ফার্ট এর পিএইচডি থিসিসে।

ঊনচল্লিশ বছর পরেও ওই পিএইচডি থিসিসে উল্লেখিত কাজের আইডিয়া নিয়ে আমার মতো অনেকে পিএইচডি করছিলেন তখন। পাঠক হয়তো বুঝতে পারছেন নভেল আইডিয়া আর নোবেল প্রাইজ কোথায় ধরা দেয়! প্রফেসর  ফার্ট এর সাথে আরও একবার দেখা হয়েছিল ইংল্যান্ডে। প্রতি মুহূর্তে মনে হয়েছে ফার্ট খুবই ফোকাসড, বিষয়ের প্রতি হাইলি কনসেনট্রেটেড, ধ্যান-জ্ঞান একমুখি। ইউরোপের একজন  ফার্ট এর সাথে উপমহাদেশের রাও এর এখানেই সম্ভবত বিশেষ পার্থক্য। ইউরোপের বিজ্ঞানীরা সহজেই  কনসেনট্রেটেড হতে পারেন, কেননা প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা খুলেই তাদের হয়তো পড়তে হয় না রাজনৈতিক হানাহানির কিংবা সড়ক দুর্ঘটনায় অপমৃত্যর খবর, দেখতে হয় না ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নোংরা রাজনীতির হাল-চিত্র, যত্র -তত্র অহেতুক উম্মাদনা কখনোই ওইখানে নিত্য দিনের বিষয় না। বিরূপ পরিবেশে বসবাস, অনুন্নত গবেষণা সংস্কৃতি নভেল গবেষণায় অবশ্যই এক ধরনের হুমকি স্বরূপ আর তা না হলে অন্তত আইআইএসসি এর মতো জায়গা যেখানে সমস্ত ফ্যসিলিটি বিদ্যমান, ভালো ভালো ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রফেসররা কর্মরত ওইখানে কেন এখন পর্যন্ত নভেল আইডিয়া আর নোবেল প্রাইজ আসবে না? অত্যন্ত দুর্বল ডায়াম্যাগনেটিক সিগন্যাল পাওয়া সত্ত্বেও আইআইএসসি এর মতো জায়গা থেকে দেব কুমার থাপা আর আনসু পান্ডে ন্যানোস্ট্র্যাকচারড Au-Ag সিস্টেমে ২৩৬ ডিগ্রি কেলভিনে সুপারকন্ডাক্টিভিটি আবিষ্কারের দাবি করে করে নিজ দেশেই সমালোচিত হন, অন্তত এই শতাব্দীতে এইগুলো ভালো লক্ষণ না।  কেউ কেউ সি ভি রমণ, কিংবা এস এন বসুর উদাহরণ দিতে পারেন, প্রায় একশত পঞ্চাশ কোটি মানুষের বসবাস যে অঞ্চলে ওইখানে শতবর্ষ পূর্বের দুই একজনের উদাহরণ শুধুই একটি ব্যতিক্রম, কেবল তর্কের উদাহরণ।

এইবার আসি আমাদের প্রসঙ্গে। খুব মজার একটি বিষয় দিয়ে শুরু করি। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সময়ের এক সিনিয়র, পরবর্তীতে শিক্ষক, অসম্ভব মেধাবী একজন মানুষ, তাকে নিয়ে প্রায়ই একটি আলোচনা শুনতাম। অনেকেই বিশ্বাস করতেন তিনি নোবেল প্রাইজ পেতে যাচ্ছেন, দুই একজন অধ্যাপককেও বলতে শুনেছি তার নোবেল প্রাইজ প্রাপ্তির বিষয়ে। শুনে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারি নাই। ওই সিনিয়র ভাইয়ের পিএইচডি সুপারভাইজার আর আমার সুপারভাইজার ছিলেন জন চ্যাপম্যান, তাই তার ওই বাংলাদেশি ছাত্রের বিষয়ে জানতে না চেয়ে জন-কেই একদিন জিজ্ঞেস করে বসলাম, ‘জন, ডু  ইউ এভার এক্সপেক্ট এ নোবেল প্রাইজ ইন ফিজিক্স’। তার সরাসরি উত্তর ছিল, ‘নো, নেভার’।

জানতে চেয়েছিলাম গ্লাসগো থেকে কেউ কি নোবেল প্রাইজ পেতে পারে?  জন বলেছিলেন- পেলে গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ ডিটেকশন গ্রুপ  পেতে পারে। পরবর্তীতে দেখলাম গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ ডিটেকশন নিয়ে পিআরএল (PRL) এ যে পেপার প্রকাশ হয়েছিল ওইখানে গ্লাসগোর বিশ জনের মতো অথর রয়েছে। কাজেই নোবেল প্রাইজ কিসে আসতে পারে, কারা পেতে পারেন তা সায়েন্টিফিক কম্যুনিটির অনেকেই আগে থেকে ধারণা করতে পারে, কেননা এই ধরনের গবেষণা হঠাৎ  স্বপ্নে পাওয়া যায় না, বিজ্ঞানে দৈবাৎ কোনও দুর্ঘটনা ঘটে না। অসম্ভব মেধাবী হয়ে অসম্ভব মেধার চর্চা যিনি করেন, সমস্ত একাগ্রতা দিয়ে একটি বিষয়ে ফোকাস করতে পারেন,  অনুকূল পারিপার্শ্বিক সংস্কৃতিতে যিনি বেড়ে উঠেন তার কাছেই নভেল আইডিয়া আসে।

২০০৫ সালে আমি বুয়েটে যোগদান করি, শ্রদ্ধেয় মরহুম মমিনুল হক স্যারের তত্বাবধায়নে আমি একটি মাস্টার্স ডিগ্রি করি। মমিনুল হক স্যার যে কত ভালো ফিজিক্স পড়াতেন, কত ভালো ফিজিক্স বুঝতেন তা তার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট লেভেলের ছাত্ররাই জানে । স্যার তখন বুয়েটের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে সলিড স্টেট ফিজিক্স ল্যাব তৈরি করেন, যদিও যন্ত্রপাতি বলতে তেমন কিছু ছিল না। ২০০৪-২০০৫ সালের দিকে স্যারকে দেখতাম ম্যাগনেটিজম বিষয়ে ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ফিজিক্সে একটি পেপার পাবলিশ করতে পেরেই অনেক খুশি হতেন।

একবার আমি বেঁকে বসে বললাম, ‘স্যার, আমরা ভালো জার্নালে ট্রাই করি, আর ইন্ডিয়ান জার্নালে না’। স্যার হাসি দিয়ে বললেন, ‘আমাদের কী আছে, কী দিয়ে ভালো জার্নালে ট্রাই করবা?’

বললাম স্যার, ‘আমার কিছু মানুষের সাথে জানাশোনা হয়েছে, কিছু এক্সপেরিমেন্ট বিদেশ থেকে করানো যাবে।’ ওইভাবেই আমরা একটি ড্রাইভ দেয়ার চেষ্টা করলাম। ২০০৭ সালে ম্যাগনেটিক ম্যাটেরিয়ালস নিয়ে কিছু গবেষণা করে আমরা এলসেভিয়ার সায়েন্স এর দুইটি জার্নালে এবং ওয়ার্ল্ড  সায়েন্টিফিক এর একটি জার্নালে মোট তিনটি পেপার পাবলিশ করলাম। এই ঘটনাটির অবতারণা করলাম শুধু ওই সময়ের প্রেক্ষাপট বুঝাতে। এই মুহূর্তে আমাদের অবস্থার বেশ উন্নয়ন হয়েছে, গবেষণায় বরাদ্দ আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তথাপি প্রশ্ন থেকে যায়, এই উন্নয়ন এবং গবেষণা বরাদ্দ বৈশ্বিক স্কেলে কতটুকু? ভারতের সাথে তুলনা করলেও আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি, এটাই বাস্তবতা।

আমাদের মেধা নিয়ে প্রশ্ন কেউ তুলবে না। তোলে না, কারণ আমাদের ছাত্ররা, এই দেশের মানুষেরাই বিদেশে ইতিহাস পালটে দেন, প্রিন্সটনের মো: জাহিদ হাসান, ওল্ড ডমিনিয়ন ইউনিভার্সিটির মোহাম্মদ আতাউল করিম, ইউসি বার্কলের সাইফ সালাউদ্দিনের মতো অনেকেই রয়েছেন যারা এই দেশেরই মানুষ। তারা শুধু ভালো গবেষণা করেন না, নভেল আইডিয়া সৃষ্টি করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তাহলে এইখানে, এই দেশে সমস্যা কোথায়? শুধুই কি ফ্যাসিলিটির অভাব, না, কখনোই না।

পর্যাপ্ত ফ্যাসিলিটি সরবরাহ করলে বর্তমান অবস্থান থেকে উন্নয়ন হবে নিঃসন্দেহে, তবে নভেল আইডিয়া পেতে হলে, নোবেল প্রাইজ ডিজার্ভ করার মতো গবেষণা করতে হলে ফ্যাসিলিটির সাথে সাথে গবেষণা সংস্কৃতির উন্নয়ন অত্যাবশ্যকীয়। একজন  বিজ্ঞানীকে একটি বিষয়ে ফোকাসড থেকে সম্পূর্ণ একাগ্রতা দিয়ে তার গবেষণায় মনোনিবেশ করার জন্য দেশে  রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনীতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সুন্দর পরিবেশ, অবকাঠামোগত  উন্নয়ন এইসব কিছুও অপরিহার্য উপদান । হ্যাঁ একটু একটু করে আমরা গবেষণায় উন্নতি করছি, তবে এখন পর্যন্ত মৌলিক বিজ্ঞানে আমাদের সফলতা (দুই একটি ব্যতিক্রম বাদে) মাঝারি মানের কিছু জার্নালে কিছু সায়েন্টিফিক আর্টিকেল পাবলিশ করা পর্যন্ত। নিজের সক্ষমতা, অক্ষমতা, বাস্তবতা বোঝা এবং পরবর্তী প্রজন্মকে বোঝানোটাও আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

মৌলিক বিজ্ঞানে এবং তার প্রায়োগিক ব্যবহারে কিছু আবিষ্কারের দাবি করতে হলে সুস্পষ্ট গাণিতিক বিশ্লেষণ কিংবা বিশুদ্ধ এক্সপেরিমেন্টাল প্রমাণ দিতে হবে। অন্যথায় এমন দাবি শুধু মুহূর্তের হুজুগ তৈরি করবে।

হোমার তার মহাকাব্যে হেলেনের রূপের কোনও বর্ণনা দেন নাই, অনির্বচনীয় রেখেছেন তার অনিন্দ্য সুন্দরীকে, পারিপার্শ্বিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া থেকে আমরা হেলেনের রূপ কল্পনা করি। শুধু আমরা সাধারণ মানুষই না, হোমারের আড়াই হাজার বছর পরেও ইংরেজ কবি টেনিসন স্বপ্নে দেখেন অগ্নিরূপি হেলেনকে। এমন অলীক স্বপ্ন কাব্যে সম্ভব, কখনোই বিজ্ঞানে নয়, বিজ্ঞান বড়ই নিষ্ঠুর।

(আমার কথাগুলি যেন খুব দ্রুত ভুল প্রমাণিত হয়। আমরা যেন নভেল গবেষণা করে নোবেল প্রাইজ পাই।)

২৩ Responses -- “নভেল গবেষণা, নোবেল প্রাইজ এবং আমাদের প্রত্যাশার ফানুস”

  1. Osman Hossain

    অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। অনেক কিছু জানতে পারলাম। প্রথম কথা আমাদের রাজনীতি আগে পরিশুদ্ধ করতে হবে।

    Reply
  2. সৈকত হাবিব

    খু্ব ভালো লেখা! অসাধারণ অবজারভেশন! অনেক তথ্য ও বিশ্লেষণ আছে, যা ভাবনার খোরাক দিল। সবচেয়ে বড় কথা, কিছু ইংরেজি-শব্দবাহুল্য ছাড়া আপনার বাংলা খুব স্বতঃস্ফূর্ত ও সুখপাঠ্য। কাজেই এবার দয়া করে সিরিয়াস পেপার ছেড়ে মাঝে মাঝে আমাদের কাতারে নেমে আসুন রাজু ভাই! আমাদের মতো সাধারণ পাঠকের তাতে অনেক কল্যাণ হবে!

    Reply
  3. Not applicable

    It was a very valuable article at present. We hope Bangladeshi will not minimize in articles only. We can hope to see some noble prizes too. Perhaps one at least in every five years,. Hopefully more on this kinds of articles later?

    Reply
  4. Billu

    বিজ্ঞানে দৈবাৎ কোনও দুর্ঘটনা ঘটে না – not true.

    Dynamite was invented by accident by Alfred Nobel … by Nobel

    Benzine structure was found in dreams…by Kekule

    Reply
    • শুভ্র

      excwption is not an example. here writers wanted to say that we might do and operate our research an a systematic way. there is no doubt that no result is also a result. probably edison said that he wasn’t failed in his research he just invented 1000 different ways that weren’t workable. the string equation was said to be discovered by accidents from formerly prepared intentionally formed formulae. ডিনামাইট এক্সিডেন্টালি আবিষ্কার হয়নাই। ডিনামাইটের ফরমুলা নোবেল সাহেব অনেক দেরিতে বুঝতে পেরেছেন। কেউ যদি ল্যাবে যথাযথ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া অবলম্বন করে গবেষনা করতেন তবে কি নোবেল সাহেবের এক্সিডেন্ট ছাড়া ডিনামাইট আবিষ্কার হতোনা। স্বপ্নে কেউ কোন কিছুর স্ট্রাকচার পায়নাই। এটা হতে পারে ঘুমে তার অবচেতন মন এটা নিয়ে কল্পনা করতে করতে সঠিক রআইডিয়াটা ধরতে পেরেছে। এক্সিডেন্ট ও স্বপ্নের উপর ভর করে নোবেল পাওয়ার খোয়াব না দেখে যথাযথ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় নভেল টাইপের গবেষনা করে নোবেল পাওয়ার স্বপ্ন দেখাই সমুচিত।

      just divide the number of intentional research methodology oriented scientific findings with the unintentional findings. you got it less less than 0. 005 right? so what do u say? should we conduct our research in a noble way or just do continue those shitty things as usual? তর্কের খাতিরে অনেক তর্ক করা যায়, কিন্তু নোবেল আনা যায় না।

      Reply
      • Billu

        “excwption is not an example” , what is “excwption” ? Exception ?
        Your excwption is an exception. And good luck with your scientific research staying and doing from BD, dumbass !
        What are you going to invent, Genome Code of LGBT ?
        or Some imaginary theory of everything ?

        Let me tell you about lies and deceptions in science, most theories are mere calculations and imaginary ideas – Only few are experimentally proven to be true ! Trying to fool people with stupid ideas, WE ARE GREAT SCIENTISTS, BLA BLA ….. WE KNOW THIS, WE KNOW THAT BLA BLA . Well, you scientist know nearly nothing about this Grand Universe !

  5. Mohammad Saddam Hosen

    কি বলবো পুরো “মতামত” পড়ার পর নিজে খুব লজ্জ্বা ও কষ্ট পাচ্ছি। আমি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১০০টির বেশি গবেষণা অভিসন্দর্ব তৈরি করেছি। আমার পরিবেশ ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণাগুলো অর্থহীন। মনে হয় সব দোষ “আমার জন্মের” কেন গবেষণা তত্ত্বাবদায়ক ভুলভ্রন্তি শেখান ও সেটাতেই সর্বোচ্চ নাম্বার দেন এবং আমরাও ভুলগুলোই গ্রাজুয়েশন পাশ করতে অন্যদের শেখায়।

    ধন্যবাদ, জ্ঞানগর্ব পরামর্শ দেওয়ার জন্য। মনে হয় না শেখার জন্য এদেশে আর থাকতে পারবো।

    Reply
      • সরকার জাবেদ ইকবাল

        নাফী খান, খুব ছোট্ট হলেও আপনার মন্তব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসুস্থ সমাজে বসবাস করে করে আমাদের চিন্তাভাবনাও অসুস্থ হয়ে গেছে। সুন্দর কোন কিছুই যেন আমরা আর দেখতে পাই না। বিষয়টি অনেকটা সিধেল চোরের গোসল করা আর হুজুরের ওজু করার মতো হয়ে গেল। তবে তারপরও, নির্মাণাধীন দালান কেন ভেঙ্গে পড়ছে আর ভুল চিকিৎসায় রুগী কেন মারা যাচ্ছে এ বিষয়গুলোও গভীরে খতিয়ে দেখা দরকার! শিক্ষকের যোগ্যতা আর পাঠদানে কোন ত্রুটি নেইতো!!!

  6. শুভ্র

    অসম্ভব সুন্দর একটা লেখা। আমার মনের অব্যক্ত কথাগুলো যেনো হুবহু বর্ণনা করা হয়েছে। স্যারকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্লিজ স্যার এরকম লেখা আরো লিখবেন।

    রাও সাহেবের ১৭০০+জার্নাল আর ৫০+ বইয়ের তথ্য পাওয়ার পর ভাবছিলাম এ লেখা আর পড়ার দরকার আছে কিনা। তবে শেষে পড়ে রাও সাহেবকে টেনে আনার যথার্থতা বুঝতে পারলাম।

    ভারতীয়সহ আরো কয়েকটা চিপ রেটেড জার্নালে আজকালকার ইউনিভার্সিটির টিচাররা জার্নাল পাবলিশ করে প্রমোশন বাগিয়ে নেন বটে কিন্তু তাদের অনেকের সমগ্র জীবনেও নেচার, সায়েন্স ইত্যাদির মতো প্রথম সারির জার্নালগুলোতে কখনও কোন আর্টিকেল দেখা যায় না। যাবে কিভাবে? একটা চতুর্থ শ্রেণির চাকরি নিতে যে কষ্ট তারচেয়ে কম কষ্টে নেতা ফেতা ধরে ইউনিভার্সিটির টিচার হওয়া যায়। কমনওয়েলথ সহ অন্যান্য স্কলারশিপগুলো এখন ভাগাভাগির স্কলারশিপ হয়ে গেছে বলে শোনা যায়। আর দেশে সুস্থ পরিবেশে মৌলিক গবেষণা করা অনেক কঠিন। ভার্সিটিগুলো বিভিন্ন রঙয়ে রঞ্জিত। রামদা চাপাতির মিছিল ভার্সিটির আঙ্গিনায়। স্যারদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয় মাঝে মাঝে ছাত্ররা। তবু এরই মাঝে তারা সুযোগ পেলে বিদেশে গিয়ে অন্য দেশের হয়ে অসাধারন সব গবেষনা করে। আমরা আশাবাদি হতে চাই সব একসময় ঠিক হয়ে চলবে।

    ইউরোপের বিজ্ঞানীরা সহজেই কনসেনট্রেটেড হতে পারেন, কেননা প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা খুলেই তাদের হয়তো পড়তে হয় না রাজনৈতিক হানাহানির কিংবা সড়ক দুর্ঘটনায় অপমৃত্যর খবর, দেখতে হয় না ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নোংরা রাজনীতির হাল-চিত্র, যত্র -তত্র অহেতুক উম্মাদনা কখনোই ওইখানে নিত্য দিনের বিষয় না। বিরূপ পরিবেশে বসবাস, অনুন্নত গবেষণা সংস্কৃতি নভেল গবেষণায় অবশ্যই এক ধরনের হুমকি স্বরূপ

    কেউ কেউ সি ভি রমণ, কিংবা এস এন বসুর উদাহরণ দিতে পারেন, প্রায় একশত পঞ্চাশ কোটি মানুষের বসবাস যে অঞ্চলে ওইখানে শতবর্ষ পূর্বের দুই একজনের উদাহরণ শুধুই একটি ব্যতিক্রম, কেবল তর্কের উদাহরণ।

    নোবেল প্রাইজ কিসে আসতে পারে, কারা পেতে পারেন তা সায়েন্টিফিক কম্যুনিটির অনেকেই আগে থেকে ধারণা করতে পারে, কেননা এই ধরনের গবেষণা হঠাৎ স্বপ্নে পাওয়া যায় না, বিজ্ঞানে দৈবাৎ কোনও দুর্ঘটনা ঘটে না। অসম্ভব মেধাবী হয়ে অসম্ভব মেধার চর্চা যিনি করেন, সমস্ত একাগ্রতা দিয়ে একটি বিষয়ে ফোকাস করতে পারেন, অনুকূল পারিপার্শ্বিক সংস্কৃতিতে যিনি বেড়ে উঠেন তার কাছেই নভেল আইডিয়া আসে।

    নভেল আইডিয়া পেতে হলে, নোবেল প্রাইজ ডিজার্ভ করার মতো গবেষণা করতে হলে ফ্যাসিলিটির সাথে সাথে গবেষণা সংস্কৃতির উন্নয়ন অত্যাবশ্যকীয়। একজন বিজ্ঞানীকে একটি বিষয়ে ফোকাসড থেকে সম্পূর্ণ একাগ্রতা দিয়ে তার গবেষণায় মনোনিবেশ করার জন্য দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনীতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সুন্দর পরিবেশ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এইসব কিছুও অপরিহার্য উপদান । হ্যাঁ একটু একটু করে আমরা গবেষণায় উন্নতি করছি, তবে এখন পর্যন্ত মৌলিক বিজ্ঞানে আমাদের সফলতা (দুই একটি ব্যতিক্রম বাদে) মাঝারি মানের কিছু জার্নালে কিছু সায়েন্টিফিক আর্টিকেল পাবলিশ করা পর্যন্ত। নিজের সক্ষমতা, অক্ষমতা, বাস্তবতা বোঝা এবং পরবর্তী প্রজন্মকে বোঝানোটাও আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

    Reply
  7. মাকসুদুর রহমান

    “পর্যাপ্ত ফ্যাসিলিটি সরবরাহ করলে বর্তমান অবস্থান থেকে উন্নয়ন হবে নিঃসন্দেহে, তবে নভেল আইডিয়া পেতে হলে, নোবেল প্রাইজ ডিজার্ভ করার মতো গবেষণা করতে হলে ফ্যাসিলিটির সাথে সাথে গবেষণা সংস্কৃতির উন্নয়ন অত্যাবশ্যকীয়। একজন বিজ্ঞানীকে একটি বিষয়ে ফোকাসড থেকে সম্পূর্ণ একাগ্রতা দিয়ে তার গবেষণায় মনোনিবেশ করার জন্য দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনীতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সুন্দর পরিবেশ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এইসব কিছুও অপরিহার্য উপদান । হ্যাঁ একটু একটু করে আমরা গবেষণায় উন্নতি করছি, তবে এখন পর্যন্ত মৌলিক বিজ্ঞানে আমাদের সফলতা (দুই একটি ব্যতিক্রম বাদে) মাঝারি মানের কিছু জার্নালে কিছু সায়েন্টিফিক আর্টিকেল পাবলিশ করা পর্যন্ত। নিজের সক্ষমতা, অক্ষমতা, বাস্তবতা বোঝা এবং পরবর্তী প্রজন্মকে বোঝানোটাও আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে”……….absolutely true and this is a hard fact that most scholars in Bangladesh deny

    Reply
  8. লতিফুল খবীর কল্লোল

    পড়ে ভালো লাগল। সত্য উচ্চারণের জন্য ধন্যবাদ। আমার ব্যক্তিগত মত হল- আমাদের মত দেশে মৌলিক বিজ্ঞান গবেষণা বন্ধই করে দেয়া উচিত।

    Reply
  9. কাজী ফয়জুস সালেহীন

    জনাব
    শুধু নোবেল পেলে তো হবে না, নোবেল বিজয়ীকে সন্মানও তো দিতে হবে। আমরা সবসময় গুনীজনের ছিদ্র খুঁজে বেড়াই। সবকিছুতে রাজনীতি খুঁজি। বাংলাদেশীরা পৃথিবীতে সবার আগে যে যন্ত্র আবিষ্কার করে তা হলো ” ষরযন্ত্র” ! একজন তো নোবেল পেয়েছেন কিন্তু ওনার মতো মানুষ কিভাবে নোবেল পেলেন এটা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা চলছে বহু বছর! সারা পৃথিবীতে উনি সন্মানিত শুধু নিজের জন্মভুমি ছাড়া।

    Reply
  10. Zakir Hossain

    মনে হচ্ছে অনেকদিন থেকে এরকম একটা আর্টিকেল পড়ার ইচ্ছা মনের ভেতর পোষণ করছিলাম। লেখকের প্রতিটা কথার সাথে একমত না হয়ে উপায় নেই। মোহাম্মদ আব্দুল বাছিত, আপনাকে অবেক ধন্যবাদ বর্তমান সমাজের কাছে এই আপাত গুরুত্বহীন বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে চমৎকার ভাবে বিশ্লেষণ করার জন্য।

    Reply
  11. লতিফ

    অসম্ভব সুন্দর একটা লেখা। “বিজ্ঞানে দৈবাৎ কোনও দুর্ঘটনা ঘটে না” কথাটার সাথে একমত হতে পারলে ভালো লাগত। যেকোন স্ট্যাটিসটিক্যাল ডিস্ট্রিবিউশনের কার্ভের দুই মাথা যে অসীমের দিকে যাত্রা করছে, সেখানে দৈবাৎ দূর্ঘটনার একটা সম্ভাবনা আছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। আপনি ভালো বলতে পারবেন।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রতিক্রিয়া লেখার সময় লক্ষ্য রাখুন--

  • ১. স্বনামে বাংলায় প্রতিক্রিয়া লিখুন।
  • ২. ইংরেজিতে প্রতিক্রিয়া বা রোমান হরফে লেখা বাংলা প্রতিক্রিয়া গৃহীত হবে না।
  • ৩. প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণ গৃহীত হবে না।

দরকারি ঘর গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে—